সুরা তাহরীম এর তাফসির – ইবনে কাসীর

সুরা তাহরীমের প্রথম আয়াতটি হচ্ছে,

হে নবী, আল্লাহ আপনার জন্যে যা হালাল করছেন, আপনি আপনার স্ত্রীদেরকে খুশী করার জন্যে তা নিজের জন্যে হারাম করেছেন কেন? আল্লাহ ক্ষমাশীল, দয়াময়।

আল কোরআন সুরা আত-তাহরীম আয়াত ১

এই আয়াতটি নিয়ে দীর্ঘ আলাপ আলোচনা এবং তর্ক বিতর্কের সূত্র ধরে গুরুত্বপূর্ণ রেফারেন্স হিসেবে কোরআনের সবচাইতে প্রখ্যাত তাফসিরকারক আল্লামা ইবনে কাসীরের গ্রন্থ থেকে সরাসরি তুলে দেয়া হলো ওই সুরার তাফসীর এবং প্রাসঙ্গিক হাদিসটি। যারা ইবনে কাসীর সম্পর্ক অবগত নন, তাদের জ্ঞাতার্থে জানাচ্ছি,
প্রখ্যাত মুফাসসির ও ইতিহাসবেত্তা আল্লামা ইবনে কাসীর ইসলামের ইতিহাসে সর্বাধিক গুরুত্বপূর্ণ তাফসীর কারকদের অন্যতম।

সুনানু নাসাই শরীফের সেই সহিহ হাদিসটি হচ্ছে,

পাবলিশারঃ ইসলামিক ফাউন্ডেশন
গ্রন্থঃ সূনান নাসাঈ (ইফাঃ)
অধ্যায়ঃ ৩৭/ স্ত্রীর সাথে ব্যবহার (كتاب عشرة النساء)
হাদিস নাম্বার: 3961
৩৯৬১. ইবরাহীম ইবন ইউনুস ইবন মুহাম্মাদ হারামী (রহঃ) … আনাস (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কাছে একটি বাদি ছিল যার সাথে রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সহবাস করতেন। এতে আয়েশা (রাঃ) এবং হাফসা (রাঃ) রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সাথে লেগে থাকলেন। পরিশেষে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সেই বদিটিকে নিজের জন্য হারাম করে নিলেন। এর পরিপ্রেক্ষিতে আল্লাহ্ পাক নাযিল করেনঃ (يَا أَيُّهَا النَّبِيُّ لِمَ تُحَرِّمُ مَا أَحَلَّ اللَّهُ لَكَ) “হে নবী! আল্লাহ আপনার জন্য যা হালাল করেছেন তা আপনি নিজের জন্য কেন হারাম করে নিয়েছেন (সূরা তাহরীমঃ ১) ।
হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
তাহক্বীকঃ সহীহ।

এবারে আমরা পড়তে যাচ্ছি সুরা তাহরীমের প্রথম কয়েকটি আয়াতের তাফসীর। মন দিয়ে পড়ুন, এবং বিবেক বুদ্ধি বিবেচনা ব্যবহার করুন।
অন্যান্য রেফারেন্স এবং বই ডাউনলোডের জন্য তথ্যভাণ্ডার এবং গ্রন্থাগার পাতাগুলো দেখার অনুরোধ রইলো।

Facebook Comments

One thought on “সুরা তাহরীম এর তাফসির – ইবনে কাসীর

  • September 9, 2019 at 1:46 AM
    Permalink

    এখানে সবকটা গরু গাধা।
    হারামীর জন্মরা মনে করে দুনিয়ার কোনো মুসলমানই কুরআন হাদিসের জ্ঞান রাখে না, তাই যা ইচ্ছা বুঝায় নাস্তিক বানাবে।
    বর্তমান যুগের চাকরানী আর দাসী এক জিনিস না। ক্রয়কৃত দাসী (যাকে অনেক টাকা দিয়ে কেনা হয়) সারাজীবনের জন্য সে তার মালিকের মালিকানার অন্তর্ভুক্ত।
    দাসী কেনা হয় সারাজীবনের জন্য,
    কয়েক বছর পর বড় করে বিয়ে দিয়ে দেওয়ার জন্য নয়। দাসী সারাজীবন তার মুনীবের দাসী।
    তাহলে মানুষ হিসেবে দাসীর যে বিয়ের অধিকার সেটা কিভাবে সম্পন্ন হবে?
    তাই প্রাচীনকাল থেকেই বিশ্বস্বীকৃত নিয়মই হচ্ছে দাসী তার মুনীবের স্ত্রী। এটা বৈধ।
    তোমার বাপ তোমার মাকে বিয়ে করেছে, তাহলে এটা কি ধর্ষণ? তোমার মা কেনো বৈধ হলো তোমার বাপের জন্য? তোমার বাপ তোমার মাকে ভোগ করলে সেটা জায়েজ হলো কোন নিয়মে?
    যেই নিয়মে অন্য নারী হারাম, কিন্তু নিজের স্ত্রী হালাল
    সেই নিয়মেই আছে চাকরানী হারাম, ক্রয়কৃত দাসী হালাল।

    যদি দাসীদেরকে সহবাসের হক না দেওয়া হত তাহলে তারা আমৃত্যু কুমারীই থাকতো। এটা দাসীর প্রতি সর্বোচ্চ অত্যাচার। আর নাস্তিকরা আজ বলতি ইসলাম দাসীদেরকে অত্যাচার করেছে যে তাদের জৈবিক হক দেয় নি।
    তাদের অধিকার তাদেরকে পরিপূর্ণ দেওয়া হয়েছে তো তাও আজকে নাস্তিকদের অন্তরে অশান্তি।
    শুনে রেখো ক্রয়কৃত দাসী ইসলাম, হিন্দু, খৃষ্টান সকল ধর্মেই জায়েজ আছে। তোমাদের মূর্খতা এতে বাধা নয়। বেশি কষ্ট হলে প্রমাণ দিয়ে দেখাও তোমার বাপ তোমার মাকে ভোগ করে, এটা কেনো ধর্ষণ নয়? এটা কেনো জায়েজ? কোন আইনে জায়েজ?

    Reply

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *