fbpx

প্যারাডক্সিক্যাল সাজিদ ২ । আরিফ আজাদ

বাংলা একাডেমির অশুভ চক্রান্ত রুখে দিতে, নাস্তিকদের কবর রচনা করতে হাজির হলো প্যারাডক্সিক্যাল সাজিদ ২। নাস্তিকদের দাঁতভাঙ্গা জবাব দিতে এবং দ্বীন ইসলামের সেবায় এই বইটি সকল পাঠকের জন্য প্রকাশ করা হচ্ছে। সবাই বইটি ছড়িয়ে দিয়ে এবং ডাউনলোড করে বাংলাদেশ থেকে নাস্তিকতা সমূলে উচ্ছেদ করবেন, এই আশাবাদ নিয়ে বইটির প্রথম অংশ প্রকাশিত হলো। পরের অংশ খুব দ্রুত ইসলামের সেবায় প্রকাশ করা হবে। বই বিক্রির টাকায় বড়লোক হওয়া নয়, দ্বীনের সেবা এবং ইসলামের প্রসারই আমার লক্ষ্য।
– আরিফ আজাদ।

প্যারাডক্সিক্যাল সাজিদ ২
প্যারাডক্সিক্যাল সাজিদ ২
প্যারাডক্সিক্যাল সাজিদ ২
প্যারাডক্সিক্যাল সাজিদ ২
প্যারাডক্সিক্যাল সাজিদ ২
প্যারাডক্সিক্যাল সাজিদ ২
প্যারাডক্সিক্যাল সাজিদ ২
প্যারাডক্সিক্যাল সাজিদ ২
প্যারাডক্সিক্যাল সাজিদ ২
প্যারাডক্সিক্যাল সাজিদ ২

আরিফ আজাদ

আরিফ আজাদ। জন্মেছেন চট্টগ্রাম। চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশুনা করার সময় থেকেই লেখালেখির হাতেখড়ি। তুলনামূলক ধর্মতত্ত্ব নিয়ে পড়াশুনা করতেই বেশি পছন্দ করেন। ২০১৭ সালের একুশে বইমেলায় প্যারাডক্সিক্যাল সাজিদ’ লিখে ব্যাপক জনপ্রিয়তা কুড়ান। বিশ্বাসের কথাগুলােকে শব্দে রূপ দিতে পছন্দ করেন। অবিশ্বাসের দেয়ালে অনুপম স্পর্শে বিশ্বাসের ছোঁয়া দিতে তাঁর রয়েছে ব্যাপক মুন্সিয়ানা। একুশে বইমেলা – ২০১৮ তে তাঁর রচিত দ্বিতীয় বই ‘আরজ আলী সমীপে।

3 thoughts on “প্যারাডক্সিক্যাল সাজিদ ২ । আরিফ আজাদ

  • March 10, 2019 at 1:53 PM
    Permalink

    ভাইয়া, পি ডি এফ লিংক না দিলে কেমনে ডাউনলোডকরবো, আর কেমনে প্রচার করবো?

    Reply
  • December 28, 2020 at 3:06 PM
    Permalink

    প্রত্যাশা, ভাল আছেন। আশা রাখি আমাদের সঙ্গে একমত হবেন যে, মানব জীবনকে এগিয়ে নিতে, অসংখ্য সীমাবদ্ধতাকে অতিক্রম করতে, আমাদেরকে আরো বিজ্ঞান চর্চায় মনোনিবেশ করতে হবে। আর তার জন্য চাই উপযুক্ত বা বাধাহীন পরিবেশ, পরিস্থিতি। কিন্তু আমাদের জীবনের কয়েকটি বিষয় সে পথে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করে চলেছে যুগের পর যুগ, শতাব্দীর পর শতাব্দী যা অপসারণ করা অত্যন্ত জরুরী। আর তা করতে গেলে আমাদের সকলের সম্মিলিত প্রচেষ্টা প্রয়োজন। সে উদ্দেশ্যেই আমাদের এই উদ্যোগ। একটু কষ্ট করে পড়লে আপনার উপকার হলেও হতে পারে। তাহলে শুরু করুন-

    আপনি ভুলের মধ্যে থেকে যাচ্ছেন না তো? আপনার মূল্যবান সময় ও জীবনের অপচয় হয়ে যাচ্ছে না তো? নিচের এই কষ্টি পাথরে আপনার সময় ও বিশ্বাসকে দয়া করে ও কষ্ট করে মিলিয়ে নিন তো-

    ধর্ম নিয়ে গত প্রায় ছয় হাজার বছর ধরে পৃথিবীর মানুষ কম বেশি মাতামাতি করে আসছে। কিন্তু গত তিন হাজার বছরে ধর্মের অনুশীলন এতই বেগবান হয়েছে যে, শান্তির বাণী নিয়ে আসা ধর্মগুলিই অবশেষে অগোনিত মানুষের মৃত্যু ও ধ্বংসের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাই এ ব্যাপারে নতুন করে ভাববার যৌক্তিকতাকে এড়িয়ে যাওয়া কঠিন।

    প্রথমেই আমরা একবার দেখে নেই, ধর্ম বলতে আমরা ঠিক কি বুঝি?

    ধর্ম হল, নিয়ম বা কোনো কিছুর কর্মপদ্ধতি। যেমন, মানুষের বা জীবের বেঁচে থাকার জন্য অপরিহার্য নিয়ম হল, অক্সিজেন গ্রহন করা, কার্বনডাই অক্সাইড ত্যাগ করা, খাদ্য বা পুষ্টি গ্রহন করা, বিভিন্ন বর্জ পদার্থ ত্যাগ করা, ইত্যাদি ইত্যাদি। আবার চুম্বকের ধর্ম হল, লোহাকে আকর্ষণ করা, লোহার ধর্ম হল, চুম্বক দ্বারা আকৃষ্ট হওয়া। পানির ধর্ম হল, পানি স্বাভাবিক তাপমাত্রায় তরল, অতি ঠান্ডায় বরফ ও অতি তাপে বাষ্পে পরিণত হওয়া। আবার দুনিয়ার সকল পদার্থের একটি কমন ধর্ম হল, তা তাপে আয়তনে বৃদ্ধিপ্রাপ্ত হয় আর ঠান্ডায় আয়তন সংকুচিত হয়। এভাবে দুনিয়ার সকল কিছুরই ধর্ম বা নিয়ম বা কর্মপদ্ধতি রয়েছে।

    ধর্ম কত প্রকার বা কত ভাগে বিভক্ত?
    ধর্ম মূলতঃ দুই ভাগে বিভক্ত। ১। প্রাকৃতিক ধর্ম, আর ২। মানুষের রচিত ধর্ম।
    ১। প্রাকৃতিক ধর্ম কী? হ্যা, আমি ইতোপূর্বে ধর্ম কী, সে প্রশ্নের উত্তরে যা যা বলেছি, জীবের অক্সিজেন, খাদ্য বা পুষ্টি গ্রহন, বর্জ ত্যাগ ইত্যাদি নিয়ম বা ধর্ম হল প্রাকৃতিক ধর্ম বা ঈশ্বর প্রদত্ত ধর্ম বা নিয়ম বা বেঁচে থাকার উপায়। যে ধর্মের বা নিয়মের কোনো বিন্দুমাত্র পরিবর্তণ বা তাকে উপেক্ষা বা এড়িয়ে যাওয়ার ক্ষমতা কোনো মানুষ বা জীবের নেই।

    দেখুন তো দুনিয়ায় এমন কে আছে যে চ্যালেঞ্জ করে বলবে যে আমার বেঁচে থাকার জন্য অক্সিজেন লাগবে না বা খাদ্য পুষ্টি গ্রহনের প্রয়োজন নেই। পারবেন, এমন কারো নাম ঠিকানা বলতে? পারবেন না।

    কিন্তু এমন অনেক বাংলাভাষি মানুষ ছিলেন যারা এখন আর বাংলায় কথা বলেন না বা তার মধ্যে অনেকেই বাংলা ভুলেও গিয়েছেন অন্য ভাষাভাষি কোনো দেশে বা অঞ্চলে অনেক দিন ধরে বসবাস করার কারনে। অর্থাৎ আমি বলতে চাচ্ছি যে, মানুষ চাইলেই বা চেষ্টা করলেই তার ভাষা পালটে ফেলতে পারে। অথচ এই বাংলা ভাষাটিই ছিল এক সময় তার মনের ভাব প্রকাশের সর্বোত্তম উপায় বা উপকরণ।

    আর যে উপায়, উপকরণ, নিয়ম মানুষ পালটে ফেলতে পারে বা উপেক্ষা করতে পারে, এড়িয়ে যেতে পারে বা বাদ দিতে পারে, তা অবশ্যই ঈশ্বর প্রদত্ত বা ঈশ্বর সৃষ্ট নয়। তাহল মানুষের বা জীবের প্রচেষ্টার মাধ্যমে রচিত নিয়ম বা উপায় বা উপকরণ যাকে আমরা মনুষ্য রচিত সংস্কৃতি বলে থাকি।

    মানুষের ভাষার মতই আর একটি বিষয় হল মানুষের ধর্ম যাকে আমরা আধ্যাত্মিক ধর্ম বলে জানি। এটিও বদলে ফেলা যায়। ধরুন আপনি আজ খ্রিষ্টান আছেন বা খ্রিষ্টান ধর্মে বিশ্বাসী, আগামি কালই বা এমনকি আজই এবং এক্ষনি আপনি চাইলেই হিন্দু ধর্ম বা ইসলাম ধর্ম গ্রহন করতেই পারেন। একই ভাবে ইসলাম থেকে বৌদ্ধ ধর্মে দীক্ষা নিতে পারেন অথবা অন্য কোনটিতে। এভাবে প্রতিদিনই পৃথিবীতে শত সহস্র মানুষ ধর্ম পরিবর্তন করছে বা ধর্মান্তরিত হচ্ছে। তাতে কিন্তু কারোরই কোনো ক্ষয় ক্ষতি হচ্ছে না। অর্থাৎ ভাষার মত ধর্মও পরিবর্তন করা যায়। এবং সে সঙ্গে এ কথাও নিশ্চিত করে বলা যায় যে, এ সকল ধর্মগুলির কোনোটিই ঈশ্বর বা আল্লাহর ধর্ম নয়। এগুলি হল মানুষের তৈরি বা মানুষের রচিত ধর্ম যাকে আমরা বলে থাকি মনুষ্য রচিত সংস্কৃতি। যেমন, ভাষা, খেলা ধুলা, গান বাজনা, নাটক সিনেমা, রাজনীতি ইত্যাদি।

    তারমানে, আজ বা গত তিন হাজার বছর ধরে যে ধর্ম বা আধ্যাত্মিক ধর্ম গুলির চর্চা মানুষ করে আসছে বা যে ধর্মের কথায় মানুষ মানুষকে আঘাত করেছে, কষ্ট দিয়েছে, হত্যা করেছে সে ধর্মগুলি যেমন খ্রিষ্ট ধর্ম, ইসলাম ধর্ম, বৌদ্ধ ধর্ম, হিন্দু ধর্ম, ইহুদী ধর্ম ইত্যাদি প্রায় ৪২০০ এর উপরে ধর্ম যেগুলি বর্তমান বিশ্বে আজো প্রচলিত, এগুলির কোনোটিই ঈশ্বর প্রদত্ত ধর্ম বা নিয়ম নয়। এর সবগুলিই মানুষের রচিত সংস্কৃতি যা চাইলেই মানুষ বদলে ফেলতে পারে।

    অথচ, আপনি মাত্র ৫/১০ মিনিট ঈশ্বরের অক্সিজেন গ্রহনের নিয়ম বা ধর্মকে অমান্য করে দেখুন তো বাঁচতে পারেন কি না? পারবেন না। কেননা, ঈশ্বরের ধর্মকে অমান্য করা বা সে নিয়মকে বদলে ফেলার ক্ষমতা জগতের কোনো জীবেরই নেই। কিন্তু তথাকথিত আধ্যাত্মিক ধর্ম বিশ্বাসকে চাহিবামাত্র যে কেউ বদলে ফেলতে পারে, বাদ দিতে পারে, যার ফল সরূপ তার শরীর থেকে একটি লোমও খসে পড়বে না। তাহলে এত শস্তা একটি নিয়ম কী করে ঈস্বরের বা খোদা তাআলার নিয়ম হতে পারে?

    অবশ্যই নয়। অথচ, এই মনুষ্য রচিত সংস্কৃতিকে কতগুলি মিথ্যাবাদী স্বার্থান্বেসী মানুষ যুগ যুগ ধরে ঈশ্বরের ধর্ম বলে চালিয়ে এসেছে এবং তাদের নিজেদের স্বার্থ হাসিলের জন্য, সমাজে প্রভাব শালী হওয়ার জন্য, রাষ্ট্র ক্ষমতায় অধিষ্টিত হওয়ার জন্য, আরবের সুলতান হওয়ার জন্য, ভারতের রাজা হওয়ার জন্য সাধারণ নিরিহ, বিশ্বাসী মানুষদেরকে ঠেলে দিয়েছে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের দিকে। মৃত্যুমুখে পতিত হয়েছে, ধ্বংসপ্রাপ্ত হয়েছে লক্ষ কোটি তাজা প্রাণ, শত সহস্র, অযুত, নিযুত পরিবার, সংশার, সুখের বিচরণ ভূমি।

    আফসোস। সত্যিই আফসোস।

    আপনারা কি জানেন, একটি মানুষের জীবন মানে কী? একজন মানুষ মানে একটি পরিবার, তার জন্য এক থালা ভালোবাসা নিয়ে অপেক্ষারত এক জোড়া পিতা-মাতা, মমতাময়ী স্ত্রী আর বুকের সবটুকু উষ্ণতার সন্তানেরা।

    প্রকৃতির শাস্তির বিধান যদি সত্যি হয়ে থাকে, তাহলে যারা ব্যক্তি স্বার্থ হাসিলের নোংরা উদ্দেশ্য নিয়ে এ সকল ধর্মের প্রবর্তন করেছিল, তাদের জীবদ্দশা থেকে আজ পর্যন্ত বা ভবিষ্যতে তাদের প্রবর্তীত ধর্মের কারণে যত মানুষের মৃত্যু হয়েছে, যত মানুষ আঘাতপ্রাপ্ত হয়েছে, যখম হয়েছে, ক্ষতিগ্রস্থ্য হয়েছে এ সকল পাপের শাস্তি ঐ সকল ধর্ম প্রবর্তকদের প্রাপ্য এবং তারা তা নিশ্চয়ই পেয়েছে বা পাবে। এ থেকে তাদের নিস্তার অবশ্যই নেই। আমরা অবশ্য ইতোমধ্যেই দেখেছি, নিজ স্বার্থ হাসিলের উদ্দেশ্যে আল্লাহর নামে মিথ্যাচার ও অগোনিত মানুষকে মৃত্যুর দিকে, কষ্টে, বিপদে ঠেলে দেওয়ার ফল হিসাবে একজন মহামানবের বংশ হাতে গোনা কয়েক বছরের মধ্যেই ধ্বংস হয়ে গিয়েছে। এবং তাও হয়েছে খুবই জঘন্য ও কষ্টকর ভাবে।

    যাহোক, আমার বক্তব্য আজ আর দীর্ঘায়িত করব না। শেষে বলি, যারা নিজ নোংরা স্বার্থ হাসিলের উদ্দেশ্যে মিথ্যার বেসাতী করে গেছে, তারা তো গেছেই। আমরা যারা বেঁচে আছি, তাদেরকে বুঝতে হবে যে, আমাদেরকে কোনো ধর্ম প্রবর্তক, কোনো ধর্মাবতার, কোনো নবী, রাসুল কেউ কিন্তু সৃষ্টি করে নাই। তারা আমাদের অক্সিজেন বা খাদ্য বা পুষ্টি সরবরাহ করে নাই, রোদ বৃষ্টি, বন্যা খরা বা প্রাকৃতিক দুর্যোগে আশ্রয়ের ব্যবস্থা করে নাই বা অসুখে বিসুখে জোগায় নাই কোনো ঔষধ বা পথ্য।

    আমাদের জীবন থেকে শুরু করে উপরোক্ত সব কিছুই আমরা পেয়েছি মহান ঈশ্বর বা খোদা তাআলার কাছ থেকে। তাহলে ঐ সকল মিথ্যাবাদী, ভন্ড, প্রতারক, স্বার্থান্যাসী ধর্মাবতার বা নবী রাসুলের সাথে আমাদের কীসের সম্পর্ক? তারা আমাদের কোন কালের কুটুম বা তারা আমাদের কী দিয়েছে যে তাদের কথায় নাচতে হবে, তাদের কথায় আমার ভাইকে, আমার প্রতিবেশীকে, আমার চিরকালের সাথীকে, বিপদের বন্ধুকে ত্যাগ করতে হবে, শত্রু ভাবতে হবে, হত্যা করতে হবে? কেন, কীসের জন্য আমার নিজের ও অপরের জীবন ও শান্তি নষ্ট করতে হবে?

    না, আর নয়। এই সুন্দর পৃথিবীতে মহান আল্লাহ মালিক আমাদেরকে সৃষ্টি করেছেন এবং দিয়েছেন অগোনিত সুখ ও স্বাচ্ছন্দের সুযোগ। আমরা পরস্পর মিলে মিশে চলুন তা ভোগ করি, ভাল থাকি। আর কেউ অপর কারো কোনো রকমের ক্ষতি বা কষ্টের কারণ না হই। নিজে ভাল থাকি, অন্যকে ভাল রাখি। কেননা, এই মানুষই মানুষের সব থেকে আপন। এর চেয়ে বড় সত্যি আর নেই। সুখ দুঃখ, আনন্দ বেদনায় এই মানুষই চিরকাল মানুষের পাশে থেকেছে, ভবিষ্যতেও এই মানুষই মানুষের পাশে থাকবে।

    আরো অনেক কথা আছে, পর্যায়ক্রমে তা বলার অপেক্ষায় থাকলাম। তবে, শেষ করার আগে শেষ কথাটি বলি, আমাকে কেউ ভুল বুঝবেন না। আমি কিন্তু নাস্তিক নই। আমারও একটি ধর্ম আছে যার নাম “প্রাকৃতিক দর্শন” বা “Natural Philosophy”।

    লেখাটি কষ্ট করে পড়ার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ। আমি জানি যে, আপনাদের অধিকাংশের নিকট এই কথাগুলি নতুন বোধ হয়েছে কারণ আসলেই কথাগুলি নতুন। এছাড়া, যেহেতু এদেশের অধিকাংশ মানুষ প্রচলিত ধর্মে বিশ্বাসী, তাই কথাগুলি আপনাদের নিকট কিছুটা এলোমেলো বোধ হতে পারে। খুব বেশি এলোমেলো বোধ হলে লেখাট আবার কষ্ট করে পড়ুন। প্রথম দিকে হয়ত আপনার রাগও হতে পারে কিন্তু পরিনামে আপনার উপকারও হতে পারে। আর এর কোন অংশটুকু আপনার কাছে সর্বাধিক অসঙ্গতিপূর্ণ মনে হয়েছে সেটি জানালে কৃতজ্ঞ হব।

    মন চাইলে প্রাণ খুলে প্রশ্ন করুন বা মন্তব্য করুন।

    চাইলে আমাদের বকা বা গালিও দিতে পারেন। কিন্তু ঠিক কী কারনে গালি দিচ্ছেন, দয়া করে তা ব্যাখ্যা করুন।

    ভাল থাকুন, ভাল রাখুন কাছের মানুষদের।
    ধন্যবাদ সকলকে।

    Reply

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *