নারী – কুরআন হাদিসের দলিল

ইসলামে নারীর অবস্থান কোথায়? ইসলাম নারীকে কেমন দৃষ্টিতে দেখে? ইসলাম নারীর প্রতি কেমন আচরণ করে? আসুন দেখি কুরআন হাদিস কি বলছে।

মূল তালিকা

☞ নারীদের অবস্থান পুরুষের নীচে

2:228

Bengali – Mujibur Rahman
এবং তালাক প্রাপ্তাগণ তিন ঋতু পর্যন্ত অপেক্ষা করবে; এবং যদি তারা আল্লাহ ও পরকালে বিশ্বাস করে তাহলে আল্লাহ তাদের গর্ভে যা সৃষ্টি করেছেন তা গোপন করা তাদের পক্ষে বৈধ হবেনা; এবং এর মধ্যে যদি তারা সন্ধি কামনা করে তাহলে তাদের স্বামীই তাদেরকে প্রতিগ্রহণ করতে সমধিক স্বত্ববান; আর নারীদের উপর তাদের স্বামীদের যেরূপ স্বত্ব আছে, স্ত্রীদেরও তাদের পুরুষদের (স্বামীর) উপর তদনুরূপ ন্যায়সঙ্গত অধিকার আছে; এবং তাদের উপর পুরুষদের শ্রেষ্ঠত্ব রয়েছে; আল্লাহ হচ্ছেন মহা পরাক্রান্ত, বিজ্ঞানময়।

☞ নারী স্বাধীন নয়, পুরুষের অধীন

4:34

Bengali – Mujibur Rahman
পুরুষেরা নারীদের উপর তত্ত্বাবধানকারী ও ভরণপোষণকারী, যেহেতু আল্লাহ তাদের মধ্যে একের উপর অপরকে বৈশিষ্ট্য দান করেছেন এবং এই হেতু যে, তারা স্বীয় ধন সম্পদ হতে তাদের জন্য ব্যয় করে থাকে; সুতরাং যে সমস্ত নারী পুণ্যবতী তারা আনুগত্য করে, আল্লাহর সংরক্ষিত প্রচ্ছন্ন বিষয় সংরক্ষণ করে; যদি নারীদের অবাধ্যতার আশংকা হয় তাহলে তাদেরকে সদুপদেশ প্রদান কর, তাদেরকে শয্যা হতে পৃথক কর এবং তাদেরকে প্রহার কর; অনন্তর যদি তারা তোমাদের অনুগত হয় তাহলে তাদের জন্য অন্য পন্থা অবলম্বন করনা; নিশ্চয়ই আল্লাহ সমুন্নত, মহা মহীয়ান।

☞ নারীকে অবশ্যই নিজের ইচ্ছা-অনিচ্ছা বিসর্জন দিয়ে দাসীর মতো স্বামীর বাধ্য থাকতে হবে, অবাধ্য হলে স্বামী প্রহার করতে পারবে

4:34

Bengali – Mujibur Rahman
পুরুষেরা নারীদের উপর তত্ত্বাবধানকারী ও ভরণপোষণকারী, যেহেতু আল্লাহ তাদের মধ্যে একের উপর অপরকে বৈশিষ্ট্য দান করেছেন এবং এই হেতু যে, তারা স্বীয় ধন সম্পদ হতে তাদের জন্য ব্যয় করে থাকে; সুতরাং যে সমস্ত নারী পুণ্যবতী তারা আনুগত্য করে, আল্লাহর সংরক্ষিত প্রচ্ছন্ন বিষয় সংরক্ষণ করে; যদি নারীদের অবাধ্যতার আশংকা হয় তাহলে তাদেরকে সদুপদেশ প্রদান কর, তাদেরকে শয্যা হতে পৃথক কর এবং তাদেরকে প্রহার কর; অনন্তর যদি তারা তোমাদের অনুগত হয় তাহলে তাদের জন্য অন্য পন্থা অবলম্বন করনা; নিশ্চয়ই আল্লাহ সমুন্নত, মহা মহীয়ান।

☞ স্বামী স্ত্রীর মুখ ব্যতীত যেকোনো জায়গায় প্রহার করতে পারবে

গ্রন্থঃ সুনান আবূ দাউদ (তাহকিককৃত)
অধ্যায়ঃ ৬/ বিবাহ (كتاب النكاح)
হাদিস নম্বরঃ ২১৪২

৪২. স্বামীর উপর স্ত্রীর অধিকার

২১৪২। হাকীম ইবনু মু‘আবিয়াহ আল-কুশাইরী (রহ.) থেকে তার পিতার সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, একদা আমি বলি, হে আল্লাহর রাসূল! আমাদের কারো উপর তার স্ত্রীর কি হক রয়েছে? তিনি বললেনঃ তুমি যখন আহার করবে তাকেও আহার করাবে। তুমি পোশাক পরিধান করলে তাকেও পোশাক দিবে। তার মুখমন্ডলে মারবে না, তাকে গালমন্দ করবে না এবং পৃথক রাখতে হলে ঘরের মধ্যেই রাখবে।[1]

হাসান সহীহ।

[1]. ইবনু মাজাহ, নাসায়ী। হাদিসের মানঃ হাসান (Hasan) 

☞ একজন পুরুষের সাক্ষ্যের মূল্য দুজন নারীর সাক্ষ্যের মূল্যের সমান

2:282

Bengali – Mujibur Rahman
হে বিশ্বাস স্থাপনকারীগণ! যখন তোমরা কোন নির্দিষ্ট সময়ের জন্য ঋণের আদান প্রদান করবে তখন তা লিখে নিবে; আর কোন একজন লেখক যেন ন্যায্যভাবে তোমাদের মধ্যে (ঐ আদান প্রদানের দলীল) লিখে দেয়, আর কোন লেখক যেন (দলীল) লিখে দিতে অস্বীকার না করে, আল্লাহ তাকে যেরূপ শিক্ষা দিয়েছেন, তার উচিত তা লিখে দেয়া, এবং ঋণ গ্রহিতা যেন লেখার বিষয় বলে দেয় এবং তার উচিত স্বীয় রাব্ব আল্লাহকে ভয় করা এবং ওর মধ্যে কিছুমাত্র ব্যতিক্রম না করা; অতঃপর ঋণ গ্রহীতা যদি নির্বোধ বা অযোগ্য অথবা লিখিয়ে নিতে অসমর্থ হয় তাহলে তার অভিভাবকরা ন্যায় সঙ্গতভাবে লিখিয়ে নিবে এবং তোমাদের মধ্যে দু’জন পুরুষ সাক্ষীকে সাক্ষী করবে; কিন্তু যদি দু’জন পুরুষ না পাওয়া যায় তাহলে সাক্ষীগণের মধ্যে তোমরা একজন পুরুষ ও দু’জন নারী মনোনীত করবে, যদি নারীদ্বয়ের একজন ভুলে যায় তাহলে একজন অপর জনকে স্মরণ করিয়ে দিবে; এবং যখন আহবান করা হয় তখন সাক্ষীগণের অস্বীকার না করা উচিত, এবং ক্ষুদ্র অথবা বৃহৎ বিষয়ের নির্দিষ্ট সময় লিখে দিতে তোমরা অবহেলা করনা, এটা আল্লাহর নিকট অতি সঙ্গত এবং সাক্ষ্যের জন্য এটাই দৃঢ়তর ও সন্দেহে পতিত না হওয়ার নিকটতর; কিন্তু যদি তোমরা কারবারে পরস্পর হাতে হাতে আদান প্রদান কর তাহলে তা লিপিবদ্ধ না করলে তোমাদের পক্ষে দোষ নেই; কিন্তু বাণিজ্যিক লেনদেনের জন্য সাক্ষী রেখ, যেন লেখক কিংবা সাক্ষী ক্ষতিগ্রস্ত না হয়। যদি এরূপ কর (ক্ষতিগ্রস্ত) তাহলে তা তোমাদের পক্ষে পাপের বিষয়। আল্লাহকে ভয় কর। আল্লাহই তোমাদেরকে শিক্ষা প্রদান করেন এবং আল্লাহ সর্ব বিষয়ে মহাজ্ঞানী।

গ্রন্থঃ সহীহ বুখারী (তাওহীদ)
অধ্যায়ঃ ৫২/ সাক্ষ্যদান (كتاب الشهادات)
হাদিস নম্বরঃ ২৬৫৮

৫২/১২. স্ত্রী লোকের সাক্ষ্যদান।

وَقَوْلِهِ تَعَالَى }فَإِنْ لَّمْ يَكُوْنَا رَجُلَيْنِ فَرَجُلٌ وَّامْرَأَتَانِ{

আল্লাহ তা‘আলার বাণীঃ যদি দু’জন পুরুষ না থাকে তবে একজন পুরুষ ও দু’জন স্ত্রীলোক (সাক্ষী হিসেবে নিয়োগ কর)। (সূরা আল-বাকারাহঃ ২৮২)

২৬৫৮. আবূ সা‘ঈদ খুদরী (রাঃ) সূত্রে নাবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নারীদের সাক্ষ্য কি পুরুষদের সাক্ষ্যের অর্ধেক নয়? উপস্থিতরা বলল, অবশ্যই অর্ধেক। তিনি বলেন, এটা নারীদের জ্ঞানের ত্রুটির কারণেই। (৩০৪) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২৪৬৬, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ২৪৮২)

হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)

গ্রন্থঃ সহীহ মুসলিম (হাঃ একাডেমী)
অধ্যায়ঃ ১। ঈমান [বিশ্বাস] (كتاب الإيمان)
হাদিস নম্বরঃ ১৪৪

৩৪. আনুগত্যের ত্রুটিতে ঈমান হ্রাস পাওয়া এবং আল্লাহর সাথে কুফুরী করা ছাড়াও অকৃতজ্ঞতা ও অন্যের অনুগ্রহকে অস্বীকার করার মতো অর্থেও কুফুর শব্দটি প্রযোজ্য হয়।

১৪৪-(১৩২/৭৯) মুহাম্মাদ ইবনু রুমহ ইবনু মুহাজির আল মিসরী (রহঃ) ….. ‘আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, হে রমণীগণ! তোমরা দান করতে থাকো এবং বেশি করে ইসতিগফার কর। কেননা, আমি দেখেছি যে, জাহান্নামের অধিবাসীদের বেশির ভাগই নারী। জনৈকা বুদ্ধিমতী মহিলা প্রশ্ন করলো, হে আল্লাহর রাসূল! জাহান্নামে আমাদের সংখ্যাগরিষ্ঠতার কারণ কি? তিনি বললেনঃ তোমরা বেশি বেশি অভিশাপ দিয়ে থাক এবং স্বামীর প্রতি অকৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে থাকো। আর দীন ও জ্ঞান-বুদ্ধিতে ত্রুটিপূর্ণ কোন সম্প্রদায়, জ্ঞানীদের উপর তোমাদের চাইতে প্রভাব বিস্তারকারী আর কাউকে আমি দেখিনি প্রশ্নকারিণী জিজ্ঞেস করল, ইয়া রাসূলাল্লাহ! জ্ঞান-বুদ্ধি ও দীনে আমাদের কমতি কিসে? তিনি বললেন, তোমাদের বুদ্ধির ত্রুটির প্রমাণ হল দু’জন স্ত্রী লোকের সাক্ষ্য একজন পুরুষের সাক্ষ্যের সমান। আর স্ত্রীলোক (প্রতি মাসে) কয়েক দিন সালাত থেকে বিরত থাকে আর রামাযান মাসে সিয়াম ভঙ্গ করে; (ঋতুবতী হওয়ার কারণে) এটাই দীনের ত্রুটি।

আবূ তাহির ইবনু হাদ-এর সূত্রে এ সনদে অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করেছেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ  ১৪৫, ইসলামিক সেন্টারঃ ১৪৯-১৫০)

হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih) 

☞ এক ভাই পাবে দুবোনের সমান

4:11

Bengali – Mujibur Rahman
আল্লাহ তোমাদের সন্তানদের সম্বন্ধে তোমাদেরকে নির্দেশ দিচ্ছেনঃ এক পুত্রের জন্য দুই কন্যার অংশের তুল্য; আর যদি শুধু কন্যাগণ দুই জনের অধিক হয় তাহলে তারা মৃত ব্যক্তির পরিত্যক্ত সম্পত্তি হতে দুই তৃতীয়াংশ প্রাপ্ত হবে। আর যদি একটি মাত্র কন্যা হয় তাহলে সে অর্ধেকাংশ প্রাপ্ত হবে; এবং যদি মৃত ব্যক্তির কোন সন্তান থাকে তাহলে মাতা-পিতার জন্য অর্থাৎ উভয়ের প্রত্যেকেরই জন্য তার পরিত্যক্ত সম্পত্তি হতে এক ষষ্ঠাংশ রয়েছে, আর যদি তার কোন সন্তান না থাকে এবং শুধু মাতা-পিতাই তার উত্তরাধিকারী হয় তাহলে তার মাতার জন্য রয়েছে এক তৃতীয়াংশ এবং যদি তার ভাই থাকে তাহলে সে যা নির্দেশ করে গেছে সেই নির্দেশ ও ঋণ অন্তে তার জননীর জন্য এক ষষ্ঠাংশ; তোমাদের পিতা ও তোমাদের পুত্রের মধ্যে কে তোমাদের অধিকতর উপকারী তা তোমরা অবগত নও, এটাই আল্লাহর নির্দেশ। নিশ্চয়ই আল্লাহ মহাজ্ঞানী ও বিজ্ঞানময়।

☞ নারী নেতৃত্বে রাষ্ট্র কখনো সফলকাম হবে না

গ্রন্থঃ সহীহ বুখারী (তাওহীদ)
অধ্যায়ঃ ৯২/ ফিতনা (كتاب الفتن)
হাদিস নম্বরঃ ৭০৯৯

৯২/১৮. পরিচ্ছেদ নাই।

৭০৯৯. আবূ বকরাহ্ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, একটি কথা দিয়ে আল্লাহ্ জঙ্গে জামাল (উষ্ট্রের যুদ্ধ) এর সময় আমাকে বড়ই উপকৃত করেছেন। (তা হল) নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট যখন এ খবর পৌঁছল যে, পারস্যের লোকেরা কিসরার মেয়েকে তাদের শাসক নিযুক্ত করেছে, তখন তিনি বললেনঃ সে জাতি কক্ষনো সফলকাম হবে না, যারা তাদের শাসনভার কোন স্ত্রীলোকের হাতে অর্পণ করে।[1] [৪৪২৫] (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৬০৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৬১৮)

[1] মুসলমানরা যদি সফলতা পেতে চায় তবে তাদেরকে অবশ্যই নারী নেতৃত্ব পরিহার করতে হবে। হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih) 

☞ নারীরা দূর্বল

গ্রন্থঃ সহীহ বুখারী (তাওহীদ)
অধ্যায়ঃ ৭৮/ আচার-ব্যবহার (كتاب الأدب)
হাদিস নম্বরঃ ৬২১১

৭৮/১১৬. পরোক্ষ কথা ব’লে মিথ্যা এড়ানো যায়।

৬২১১. আনাস ইবনু মালিক হতে বর্ণিত যে, নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর একটি হুদীগায়ক গোলাম ছিল। তাকে আন্জাশা বলে ডাকা হতো। তার সুর ছিল মধুর। নাবী  সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে বললেনঃ হে আন্জাশা! তুমি ধীরে হাঁকাও, যেন কাঁচের পাত্রগুলো ভেঙ্গে না ফেল। ক্বাতাদাহ বলেন, তিনি ‘কাঁচপাত্রগুলো’ শব্দ দ্বারা স্ত্রীলোকদেরকে বুঝিয়েছেন। [৬১৪৯] আধুনিক প্রকাশনী- ৫৭৭০, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৬৬৫)

হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih) 

☞ নারীদের বোধবুদ্ধি কম

গ্রন্থঃ সহীহ বুখারী (তাওহীদ)
অধ্যায়ঃ ৫২/ সাক্ষ্যদান (كتاب الشهادات)
হাদিস নম্বরঃ ২৬৫৮

৫২/১২. স্ত্রী লোকের সাক্ষ্যদান।

وَقَوْلِهِ تَعَالَى }فَإِنْ لَّمْ يَكُوْنَا رَجُلَيْنِ فَرَجُلٌ وَّامْرَأَتَانِ{

আল্লাহ তা‘আলার বাণীঃ যদি দু’জন পুরুষ না থাকে তবে একজন পুরুষ ও দু’জন স্ত্রীলোক (সাক্ষী হিসেবে নিয়োগ কর)। (সূরা আল-বাকারাহঃ ২৮২)

২৬৫৮. আবূ সা‘ঈদ খুদরী (রাঃ) সূত্রে নাবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নারীদের সাক্ষ্য কি পুরুষদের সাক্ষ্যের অর্ধেক নয়? উপস্থিতরা বলল, অবশ্যই অর্ধেক। তিনি বলেন, এটা নারীদের জ্ঞানের ত্রুটির কারণেই। (৩০৪) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২৪৬৬, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ২৪৮২)

হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)

☞ নারীরা অসৎ

গ্রন্থঃ সহীহ বুখারী (তাওহীদ)
অধ্যায়ঃ ৬৭/ বিয়ে (كتاب النكاح)
হাদিস নম্বরঃ ৫১৮৪

৬৭/৮০. নারীদের প্রতি সদ্ব্যবহার।

وَقَوْلِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم إِنَّمَا الْمَرْأَةُ كَالضِّلَعِ.

আর নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর বাণী, নারীরা পাঁজরের হাড়ের মত।

৫১৮৪. আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ্  সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, নারীরা হচ্ছে পাঁজরের হাড়ের ন্যায়। যদি একেবারে সোজা করতে চাও, তাহলে ভেঙ্গে যাবে। সুতরাং, যদি তোমরা তাদের থেকে উপকার লাভ করতে চাও, তাহলে ঐ বাঁকা অবস্থাতেই লাভ করতে হবে। [1] [৩৩৩১; মুসলিম ১৭/১৭, হাঃ ১৪৬৮](আধুনিক প্রকাশনী- ৪৮০৩, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৪৮০৬)

[1] এ প্রসঙ্গে রসূল ﷺ এর একটি হাদীস উল্লেখ করা হচ্ছে। এ হাদীসে তিনি স্ত্রীলোকদের প্রকৃতিগত এক মৌলিক দুর্বলতার প্রতি বিশেষ খেয়াল রেখে চলার জন্যে স্বামীদের প্রতি নির্দেশ দিয়েছেন। রসূল ﷺ বলেছেন- মেয়েলোক সাধারণত স্বামীদের অকৃতজ্ঞ হয়ে থাকে এবং তাদের অনুগ্রহকে অস্বীকার করে। তুমি যদি জীবন ভরেও কোন স্ত্রীর প্রতি অনুগ্রহ প্রদর্শন কর আর কোন এক সময় যদি সে তার মর্জি মেজাজের বিপরীত কোন ব্যবহার তোমার মাঝে দেখতে পায় তাহলে তখনি বলে উঠবে- আমি তোমার কাছে কোনদিনই সামান্য কল্যাণও দেখতে পাইনি-বুখারী। রসূল ﷺ এর এ কথা থেকে একদিকে যেমন নারীদের এ মৌলিক প্রকৃতিগত দোষের কথা জানা গেল, তেমনি এ হাদীস স্বামীদের জন্যে এক বিশেষ সাবধান বাণী। স্বামীরা যদি নারীদের এ প্রকৃতিগত দোষের কথা স্মরণ না রাখে, তাহলে পারিবারিক জীবনে অতি তাড়াতাড়ি ভাঙ্গন ও বিপর্যয় দেখা দিতে পারে। এ জন্য পুরুষদের অবিচল নিষ্ঠা ও অপরিসীম ধৈর্য ধারণের প্রয়োজন রয়েছে এবং এ ধরনের নাজুক পরিস্থিতিতে ধৈর্য ধারণ করে পারিবারিক জীবনের মাধুর্য ও মিলমিশকে অক্ষুণ্ণ রাখতে পুরুষদেরকেই প্রধান ভূমিকা রাখতে হবে।
হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih) 

গ্রন্থঃ সহীহ মুসলিম (হাঃ একাডেমী)
অধ্যায়ঃ ১৮। দুধপান (كتاب الرضاع)
হাদিস নম্বরঃ ৩৫৩৮

১৮. মহিলাদের সদুপদেশ দেয়া

৩৫৩৮-(৬১/…) আমর আন নাকিদ ও ইবনু আবূ উমর (রহিমাহমাল্লাহ) ….. আবূ হুরায়রাহ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ নারীকে সৃষ্টি করা হয়েছে পাঁজরের একটি হাড় দিয়ে। সে কখনো তোমার জন্য কোন নিয়মতান্ত্রিকতায় স্থির থাকবে না। সুতরাং তুমি যদি তাকে দিয়ে উপকৃত হতে চাও তবে তার বক্রতা অবশিষ্ট রেখেই তাকে দিয়ে উপকৃত হতে হবে। আর তাকে সোজা করতে গেলে তুমি তাকে ভেঙ্গে ফেলবে- আর তাকে ভেঙ্গে ফেলা অর্থ হল তাকে তলাক (তালাক) দেয়া। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৫১০, ইসলামীক সেন্টার ৩৫১০)

হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)

গ্রন্থঃ সহীহ মুসলিম (হাঃ একাডেমী)
অধ্যায়ঃ ১৮। দুধপান (كتاب الرضاع)
হাদিস নম্বরঃ ৩৫৩৯

১৮. মহিলাদের সদুপদেশ দেয়া

৩৫৩৯-(…/…) আবূ বাকর ইবনু আবূ শায়বাহ্ (রহঃ) ….. আবূ হুরায়রাহ্ (রাযিঃ) সূত্রে নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণিত। তিনি বলেছেন, যে ব্যক্তি আল্লাহ এবং আখিরাতের প্রতি ঈমান রাখে, সে যখন কোন বিষয় প্রত্যক্ষ করবে তখন হয়ত উত্তম কথা বলবে অন্যথায় চুপ থাকবে। আর নারীদের প্রতি কল্যাণের (ও সদাচরণের) অঙ্গীকার গ্রহণ কর। কেননা পাজরের একটি হাড় দিয়ে নারী সৃজিত হয়েছে এবং পাঁজরের সবচেয়ে বেশি বাঁকা হল তার উপরের অংশ। তুমি তাকে সোজা করতে গেলে তা ভেঙ্গে ফেলবে। আর তাকে (যথাবস্থায়) ছেড়ে রাখলে তা সদা বাকা থেকে যাবে। নারীদের প্রতি কল্যাণের নাসীহাত গ্রহণ কর ও অঙ্গীকারাবদ্ধ হও। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৫১১, ইসলামীক সেন্টার ৩৫১১)

হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)

☞ নারীদের অধিকাংশই জাহান্নামি হবে, কারণ তারা অধিক পরিমাণে অভিশাপ দেয় এবং স্বামীর অকৃতজ্ঞ হয়

গ্রন্থঃ সহীহ বুখারী (তাওহীদ)
অধ্যায়ঃ ৬/ হায়েজ [ঋতুস্রাব] (كتاب الحيض)
হাদিস নম্বরঃ ৩০৪

৬/৬. হায়য অবস্থায় সওম ছেড়ে দেয়া।

৩০৪। আবূ সাঈদ খুদরী (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ একবার ঈদুল আযহা অথবা ঈদুল ফিতরের সালাত আদায়ের জন্য আল্লাহ্‌র রাসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ঈদগাহের দিকে যাচ্ছিলেন। তিনি মহিলাদের পাশ দিয়ে যাওয়ার সময় বললেনঃ হে মহিলা সমাজ! তোমার সদাক্বাহ করতে থাক। কারণ আমি দেখেছি জাহান্নামের অধিবাসীদের মধ্যে তোমরাই অধিক। তাঁরা জিজ্ঞেস করলেনঃ কী কারণে, হে আল্লাহ্‌র রাসূল? তিনি বললেনঃ তোমরা অধিক পরিমানে অভিশাপ দিয়ে থাক আর স্বামীর অকৃতজ্ঞ হও। বুদ্ধি ও দ্বীনের ব্যাপারে ত্রুটি থাকা সত্ত্বেও একজন সদাসতর্ক ব্যক্তির বুদ্ধি হরণে তোমাদের চেয়ে পারদর্শী আমি আর কাউকে দেখিনি। তারা বললেনঃ আমাদের দ্বীন ও বুদ্ধির ত্রুটি কোথায়, হে আল্লাহ্‌র রাসূল? তিনি বললেনঃ একজন মহিলার সাক্ষ্য কি একজন পুরুষের সাক্ষ্যের অর্ধেক নয়? তারা উত্তর দিলেন, ‘হ্যাঁ’। তখন তিনি বললেনঃ এ হচ্ছে তাদের বুদ্ধির ত্রুটি। আর হায়েয অবস্থায় তারা কি সালাত ও সিয়াম হতে বিরত থাকে না? তারা বললেন, হ্যাঁ। তিনি বললেনঃ এ হচ্ছে তাদের দ্বীনের ত্রুটি। (১৪৬২, ১৯৫১, ২৬৫৮; মুসলিম ১/৩৪, হাঃ ৭৯, ৮০ আহমাদ ৫৪৪৩) (আ.প্র. ২৯৩, ই.ফা. ২৯৮)

হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)

গ্রন্থঃ সহীহ মুসলিম (হাঃ একাডেমী)
অধ্যায়ঃ কোমলতা (كتاب الرقاق)
হাদিস নম্বরঃ ৬৮৩০

২৬. জান্নাতীদের অধিকাংশই দুঃস্থ-গরীব এবং জাহান্নামীদের অধিকাংশই মহিলা আর মহিলা জাতির ফিতনাহ প্রসঙ্গে

৬৮৩০-(৯৩/২৭৩৬) হাদ্দাব ইবনু খালিদ, যুহায়র ইবনু হারব, মুহাম্মাদ ইবনু আবদুল আ’লা, ইসহাক ইবনু ইবরাহীম ও আবু কামিল, ফুযায়ল ইবনু হুসায়ন (রহঃ) ….. উসামাহ্ ইবনু যায়দ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ (মি’রাজের রাতে) আমি জান্নাতের প্রবেশদ্বারে দাঁড়ালাম। প্রত্যক্ষ করলাম, যারা জান্নাতে প্রবেশ করছে তাদের অধিকাংশই দরিদ্র শ্রেণী, মিসকীন আর ধনীদেরকে দেখলাম বন্দী অবস্থায়। যারা জাহান্নামবাসী হিসেবে পরিগণিত হয়েছে তাদেরকে জাহান্নামে নিয়ে যাওয়ার আদেশ করা হয়েছে। আর আমি জাহান্নামের প্রবেশদ্বারে দাঁড়িয়ে দেখলাম যে, যারা জাহান্নামে প্রবেশ করেছে তাদের অধিকাংশই মহিলা জাতি। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৬৬৮৬, ইসলামিক সেন্টার ৬৭৪১)

হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)

গ্রন্থঃ সহীহ মুসলিম (হাঃ একাডেমী)
অধ্যায়ঃ কোমলতা (كتاب الرقاق)
হাদিস নম্বরঃ ৬৮৩১

২৬. জান্নাতীদের অধিকাংশই দুঃস্থ-গরীব এবং জাহান্নামীদের অধিকাংশই মহিলা আর মহিলা জাতির ফিতনাহ প্রসঙ্গে

৬৮৩১-(৯৪/২৭৩৭) যুহায়র ইবনু হারব (রহঃ) ….. ইবনু আব্বাস (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, আমি জান্নাতের দিকে উঁকি দিলাম, আর দেখতে পেলাম, তার অধিকাংশই দুঃস্থ গরীব লোক। তারপর আমি জাহান্নামের দিকে উকি দিলাম, আর দেখতে পেলাম জাহান্নামবাসীদের অধিকাংশই মহিলা জাতি। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৬৬৮৭, ইসলামিক সেন্টার ৬৭৪২)

হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)

গ্রন্থঃ সহীহ বুখারী (তাওহীদ)
অধ্যায়ঃ ৬৭/ বিয়ে (كتاب النكاح)
হাদিস নম্বরঃ ৫১৯৬

৬৭/৮৮. পরিচ্ছেদ নাই।

৫১৯৬. উসামাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত যে, নাবীসাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামবলেছেন, আমি জান্নাতের দরজায় দাঁড়িয়ে দেখতে পেলাম, যারা জান্নাতে প্রবেশ করেছে তাদের অধিকাংশই গরীব-মিসকীন; অথচ ধনবানগণ আটকা পড়ে আছে। অন্যদিকে জাহান্নামীদের জাহান্নামে নিক্ষেপ করার নির্দেশ দেয়া হয়েছে। আমি জাহান্নামের প্রবেশ দ্বারে দাঁড়ালাম এবং দেখলাম যে, অধিকাংশই নারী। [৬৫৪৭; মুসলিম ২৬/হাঃ ২৭৩৬, আহমাদ ২১৮৮৪] (আধুনিক প্রকাশনী- ৪৮১৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৪৮১৭)

হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)

☞ নারীরা স্বামীর বুদ্ধিহরণ করে

গ্রন্থঃ সহীহ বুখারী (তাওহীদ)
অধ্যায়ঃ ৬/ হায়েজ [ঋতুস্রাব] (كتاب الحيض)
হাদিস নম্বরঃ ৩০৪

৬/৬. হায়য অবস্থায় সওম ছেড়ে দেয়া।

৩০৪। আবূ সাঈদ খুদরী (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ একবার ঈদুল আযহা অথবা ঈদুল ফিতরের সালাত আদায়ের জন্য আল্লাহ্‌র রাসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ঈদগাহের দিকে যাচ্ছিলেন। তিনি মহিলাদের পাশ দিয়ে যাওয়ার সময় বললেনঃ হে মহিলা সমাজ! তোমার সদাক্বাহ করতে থাক। কারণ আমি দেখেছি জাহান্নামের অধিবাসীদের মধ্যে তোমরাই অধিক। তাঁরা জিজ্ঞেস করলেনঃ কী কারণে, হে আল্লাহ্‌র রাসূল? তিনি বললেনঃ তোমরা অধিক পরিমানে অভিশাপ দিয়ে থাক আর স্বামীর অকৃতজ্ঞ হও। বুদ্ধি ও দ্বীনের ব্যাপারে ত্রুটি থাকা সত্ত্বেও একজন সদাসতর্ক ব্যক্তির বুদ্ধি হরণে তোমাদের চেয়ে পারদর্শী আমি আর কাউকে দেখিনি। তারা বললেনঃ আমাদের দ্বীন ও বুদ্ধির ত্রুটি কোথায়, হে আল্লাহ্‌র রাসূল? তিনি বললেনঃ একজন মহিলার সাক্ষ্য কি একজন পুরুষের সাক্ষ্যের অর্ধেক নয়? তারা উত্তর দিলেন, ‘হ্যাঁ’। তখন তিনি বললেনঃ এ হচ্ছে তাদের বুদ্ধির ত্রুটি। আর হায়েয অবস্থায় তারা কি সালাত ও সিয়াম হতে বিরত থাকে না? তারা বললেন, হ্যাঁ। তিনি বললেনঃ এ হচ্ছে তাদের দ্বীনের ত্রুটি। (১৪৬২, ১৯৫১, ২৬৫৮; মুসলিম ১/৩৪, হাঃ ৭৯, ৮০ আহমাদ ৫৪৪৩) (আ.প্র. ২৯৩, ই.ফা. ২৯৮)

হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)

☞ কুকুর, গাধা এবং নারী সামনে দিয়ে গেলে নামাজ হয় না

গ্রন্থঃ সহীহ মুসলিম (হাঃ একাডেমী)
অধ্যায়ঃ ৪। সালাত (নামায) (كتاب الصلاة)
হাদিস নম্বরঃ ১০২৬

৫০. সালাত আদায়কারী কতটুকু পরিমাণ স্থান আড়াল (সুতরাহ নির্ধারণ) করবে

১০২৬-(২৬৬/৫১১) ইসহাক ইবনু ইবরাহীম আল মাখযুমী (রহঃ) ….. আবূ হুরাইরাহ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেনঃ সালাত আদায়কারীর সামনে দিয়ে নারী, গাধা এবং কুকুরের চলাচল সালাত নষ্ট করে দেয়। …..(ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ১০২০, ইসলামিক সেন্টারঃ ১০৩০)

হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)

☞ ঋতুমতী নারীরা অপবিত্র

2:222

Bengali – Bayaan Foundation
আর তারা তোমাকে হায়েয সম্পর্কে প্রশ্ন করে। বল, তা কষ্ট। সুতরাং তোমরা হায়েযকালে স্ত্রীদের থেকে দূরে থাক এবং তারা পবিত্র না হওয়া পর্যন্ত তাদের নিকটবর্তী হয়ো না। অতঃপর যখন তারা পবিত্র হবে তখন তাদের নিকট আস, যেভাবে আল্লাহ তোমাদেরকে নির্দেশ দিয়েছেন। নিশ্চয় আল্লাহ তাওবাকারীদেরকে ভালবাসেন এবং ভালবাসেন অধিক পবিত্রতা অর্জনকারীদেরকে।

☞ নারীজাতি পুরুষের জন্য সবচেয়ে ক্ষতিকর

গ্রন্থঃ সহীহ বুখারী (তাওহীদ)
অধ্যায়ঃ ৬৭/ বিয়ে (كتاب النكاح)
হাদিস নম্বরঃ ৫০৯৬

৬৭/১৮. অশুভ স্ত্রীলোকদের থেকে দূরে থাকা। আল্লাহ্ বলেনঃ ‘‘তোমাদের স্ত্রী আর সন্তানদের মধ্যে কতক তোমাদের শত্রু।’’সূরাহ আত্-তাগাবুন ৬৪/১৪)

৫০৯৬. উসামাহ ইব্নু যায়দ (রাঃ) হতে বর্ণিত। নাবীসাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামবলেন, পুরুষের জন্য স্ত্রীজাতি অপেক্ষা অধিক ক্ষতিকর কোন ফিত্না আমি রেখে গেলাম না। [মুসলিম ২৬/হাঃ ২৭৪০, আহমাদ ২১৮০৫] (আধুনিক প্রকাশনী- ৪৭২৩, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৪৭২৫)

হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)

☞ নারী শয়তানের রূপ

গ্রন্থঃ সহীহ মুসলিম (হাঃ একাডেমী)
অধ্যায়ঃ ১৭। বিবাহ (كتاب النكاح)
হাদিস নম্বরঃ ৩২৯৮

২. কোন মহিলাকে দেখে কোন পুরুষের মনে যৌন কামনা জাগ্রত হলে সে যেন তার স্ত্রীর সাথে অথবা ক্রীতদাসীর সাথে গিয়ে মিলিত হয়

৩২৯৮-(৯/১৪০৩) আমর ইবনু আলী (রহঃ) ….. জাবির (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এক মহিলাকে দেখলেন। তখন তিনি তার স্ত্রী যায়নাব এর নিকট আসলেন। তিনি তখন তার একটি চামড়া পাকা করায় ব্যস্ত ছিলেন এবং রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম নিজের প্রয়োজন পূরণ করলেন। অতঃপর বের হয়ে সাহাবীগণের নিকট এসে তিনি বললেনঃ স্ত্রীলোক সামনে আসে শয়ত্বানের বেশে এবং ফিরে যায় শায়ত্বানের বেশে। অতএব তোমাদের কেউ কোন স্ত্রীলোক দেখতে পেলে সে যেন তার স্ত্রীর নিকট আসে। কারণ তা তার মনের ভেতর যা রয়েছে তা দূর করে দেয়।* (ইসলামিক ফাউন্ডেশন, ৩২৭৩, ইসলামীক সেন্টার ৩২৭১)

* স্ত্রীলোকের শয়তানের আকৃতিতে আসার অর্থ হল, কৃপ্রবৃত্তিকে উস্কে দেয় ও যিনার প্রতি উৎসাহিত করে এবং যিনা তথা স্ত্রী সহবাস করার আস্বাদকে স্মরণ করে দেয় যা শায়ত্বানী প্রভাব। হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)

☞ নারী পুরুষের শস্যক্ষেত

2:223

Bengali – Bayaan Foundation
তোমাদের স্ত্রী তোমাদের ফসলক্ষেত্র। সুতরাং তোমরা তোমাদের ফসলক্ষেত্রে গমন কর, যেভাবে চাও। আর তোমরা নিজদের কল্যাণে উত্তম কাজ সামনে পাঠাও। আর আল্লাহর তাকওয়া অবলম্বন কর এবং জেনে রাখ, নিশ্চয় তোমরা তাঁর সাথে সাক্ষাৎ করবে । আর মুমিনদেরকে সুসংবাদ দাও।

☞ নিরবতাই নারীর সমর্থন

গ্রন্থঃ সহীহ বুখারী (তাওহীদ)
অধ্যায়ঃ ৯০/ কূটচাল অবলম্বন (كتاب الحيل)
হাদিস নম্বরঃ ৬৯৭০

৯০/১১. বিয়ে

৬৯৭০. আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ বিধবাকে তার মতামত ব্যতীত বিয়ে দেয়া যাবে না এবং কুমারীকে তার অনুমতি ব্যতীত বিয়ে দেয়া যাবে না। তারা বললেন, তার অনুমতি কেমন হবে? তিনি বললেনঃ তার চুপচাপ থাকা

কেউ কেউ বলেন, যদি কোন লোক কোন বিধবা নারীর মতানুসারে বিয়ে হওয়ার ওপর দু’জন মিথ্যা সাক্ষীর মাধ্যমে কূটকৌশলের গ্রহণ করে আর বিচারকও তাদের এ বিয়েকে কার্যকর করে দেন অথচ স্বামী জানে যে, সে তাকে এর পূর্বে বিয়ে করেনি, তাহলে তার জন্য এ বিয়ে বৈধ ও কার্যকর হয়ে যাবে এবং তার জন্য উক্ত মহিলার সঙ্গে বিবাহিত জীবন যাপনে কোন বাধা নেই। [৫১৩৬] (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৪৮৬, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৪৯৯)

হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)

গ্রন্থঃ সহীহ বুখারী (তাওহীদ)
অধ্যায়ঃ ৮৯/ বল প্রয়োগের মাধ্যমে বাধ্য করা (كتاب الإكراه)
হাদিস নম্বরঃ ৬৯৪৬

৮৯/৪. যার উপর বল প্রয়োগ করা হয়েছে এমন ব্যক্তির বিয়ে জায়েয হয় না।

৬৯৪৬. ‘আয়িশাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি বললাম, হে আল্লাহর রাসুল! মহিলাদের বিয়ে দেয়ার ক্ষেত্রে তাদের অনুমতি নিতে হবে কি? তিনি বললেন, হ্যাঁ। আমি বললাম, কুমারীর কাছে অনুমতি চাইলে তো লজ্জাবোধ করে; ফলে সে নীরব। তিনি বললেনঃ তার নীরবতাই তার অনুমতি। [৫১৩৭; মুসলিম ১৬/৮, হাঃ ১৪২০, আহমাদ ২৪২৪০] (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৪৬৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৪৭৭)

হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)

☞ স্বামী স্ত্রীর প্রভু   

গ্রন্থঃ সুনানে ইবনে মাজাহ
অধ্যায়ঃ ৯/ বিবাহ (كتاب النكاح)
হাদিস নম্বরঃ ১৮৫৩

৯/৪. স্ত্রীর উপর স্বামীর অধিকার।

২/১৮৫৩। ‘আবদুল্লাহ্ ইবনু আবূ আওফা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, মুআয (রাঃ) সিরিয়া থেকে ফিরে এসে নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -কে সাজদাহ করেন। নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ হে মু‘আয! এ কী? তিনি বলেন, আমি সিরিয়ায় গিয়ে দেখতে পাই যে, তথাকার লোকেরা তাদের ধর্মীয় নেতা ও শাসকদেরকে সাজদাহ করে। তাই আমি মনে মনে আশা পোষণ করলাম যে, আমি আপনার সামনে তাই করবো। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ তোমরা তা করো না। কেননা আমি যদি কোন ব্যক্তিকে আল্লাহ্ ছাড়া অপর কাউকে সাজদাহ করার নির্দেশ দিতাম, তাহলে স্ত্রীকে নির্দেশ দিতাম তার স্বামীকে সাজদাহ করতে। সেই সত্তার শপথ, যাঁর হাতে মুহাম্মাদের প্রাণ! স্ত্রী তার স্বামীর প্রাপ্য অধিকার আদায় না করা পর্যন্ত তার প্রভুর প্রাপ্য অধিকার আদায় করতে সক্ষম হবে না। স্ত্রী শিবিকার মধ্যে থাকা অবস্থায় স্বামী তার সাথে জৈবিক চাহিদা পূরণ করতে চাইলে স্ত্রীর তা প্রত্যাখ্যান করা অনুচিত

হাদিসটি ইমাম ইবনু মাজাহ এককভাবে বর্ণনা করেছেন। ইরওয়াহ ৭/৫৫-৫৬, আদাবুয যিফাফ ১৭৮, সহিহাহ ১২০৩। তাহকীক আলবানীঃ হাসান সহীহ। উক্ত হাদিসের রাবী কাসিম আশ-শায়বানী সম্পর্কে ইবনু হিব্বান বলেন, তিনি সিকাহ। শু’বাহ ইবনুল হাজ্জাজ তাকে দুর্বল হিসেবে উল্লেখ করেছেন। আবু হাতিম আর-রাযী বলেন, তিনি হাদিস বর্ণনায় ইদতিরাব করেন। ইমাম নাসাঈ বলেন, তিনি হাদিস বর্ণনায় দুর্বল। ইবনু আদী বলেন, তার থেকে হাদিস গ্রহন করা যায়। ইমাম যাহাবী বলেন, তার অবস্থা সম্পর্কে মতানৈক্য রয়েছে। (তাহযীবুল কামালঃ রাবী নং ৪৮০৫, ২৩/৩৯৯ নং পৃষ্ঠা) হাদিসের মানঃ হাসান (Hasan) 

☞ নারীকে অবশ্যই তার স্বামীকে সন্তুষ্ট রাখতে হবে

গ্রন্থঃ সুনানে ইবনে মাজাহ
অধ্যায়ঃ ৯/ বিবাহ (كتاب النكاح)
হাদিস নম্বরঃ ১৮৫৪

৯/৪. স্ত্রীর উপর স্বামীর অধিকার।

৩/১৮৫৪। আবূ বাকর বিন আবূ শায়বাহ-মুহাম্মাদ বিন ফুযাইল, আবূ নাসর আবদুল্লাহ বিন আবদুর রহমান-মুসাবির হিমইয়ারী মাতা বলেন, আমি উম্মু সালামাহকে বলতে শুনেছি, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে বলতে শুনেছি, স্বামী খুশী থাকা অবস্থায় কোন স্ত্রীলোক মারা গেলে সে জান্নাতী

তিরমিযী ১১৬১, আত-তালীকুর রাগীব ৩/৭৩, যাইফাহ ১৪২৬, যইফ আল-জামি’ ২২২৭। তাহকীক আলবানীঃ যইফ। উক্ত হাদিসের রাবী ১. মুহাম্মাদ বিন ফুদায়ল সম্পর্কে ইবনু মাঈন তাকে সিকাহ বলেছেন। আবু যুরআহ আর-রাযী বলেন, তিনি সত্যবাদী। ইমাম নাসাঈ বলেন, কোন সমস্যা নেই। আহমাদ বিন হাম্বল বলেন, তিনি শীয়া মতাবলম্বী। (তাহযীবুল কামালঃ রাবী নং ৫৫৪৮, ২৬/২৯৩ নং পৃষ্ঠা) ২. মুসা বিন আল-হিমইয়ারী সম্পর্কে ইবনু হাজার আল-আসকালানী ও ইমাম যাহাবী বলেন, তিনি মাজহুল বা অপরিচিত। ইমাম যাহাবী অন্যত্র বলেন, তার সংবাদটি মুনকার। (তাহযীবুল কামালঃ রাবী নং ৫৮৮৮, ২৭/৪২৫ নং পৃষ্ঠা) হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  

4:34

Bengali – Bayaan Foundation
পুরুষরা নারীদের তত্ত্বাবধায়ক, এ কারণে যে, আল্লাহ তাদের একের উপর অন্যকে শ্রেষ্ঠত্ব দিয়েছেন এবং যেহেতু তারা নিজদের সম্পদ থেকে ব্যয় করে। সুতরাং পুণ্যবতী নারীরা অনুগত, তারা লোকচক্ষুর অন্তরালে হিফাযাতকারিনী ঐ বিষয়ের যা আল্লাহ হিফাযাত করেছেনে। আর তোমরা যাদের অবাধ্যতার আশঙ্কা কর তাদেরকে সদুপদেশ দাও, বিছানায় তাদেরকে ত্যাগ কর এবং তাদেরকে প্রহার কর। এরপর যদি তারা তোমাদের আনুগত্য করে তাহলে তাদের বিরুদ্ধে কোন পথ অনুসন্ধান করো না। নিশ্চয় আল্লাহ সমুন্নত মহান।

☞ স্ত্রীকে সবসময় স্বামীর যৌন চাহিদা পূরণের জন্য বাধ্য থাকতে হবে    

গ্রন্থঃ সুনানে ইবনে মাজাহ
অধ্যায়ঃ ৯/ বিবাহ (كتاب النكاح)
হাদিস নম্বরঃ ১৮৫৩

৯/৪. স্ত্রীর উপর স্বামীর অধিকার।

২/১৮৫৩। ‘আবদুল্লাহ্ ইবনু আবূ আওফা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, মুআয (রাঃ) সিরিয়া থেকে ফিরে এসে নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -কে সাজদাহ করেন। নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ হে মু‘আয! এ কী? তিনি বলেন, আমি সিরিয়ায় গিয়ে দেখতে পাই যে, তথাকার লোকেরা তাদের ধর্মীয় নেতা ও শাসকদেরকে সাজদাহ করে। তাই আমি মনে মনে আশা পোষণ করলাম যে, আমি আপনার সামনে তাই করবো। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ তোমরা তা করো না। কেননা আমি যদি কোন ব্যক্তিকে আল্লাহ্ ছাড়া অপর কাউকে সাজদাহ করার নির্দেশ দিতাম, তাহলে স্ত্রীকে নির্দেশ দিতাম তার স্বামীকে সাজদাহ করতে। সেই সত্তার শপথ, যাঁর হাতে মুহাম্মাদের প্রাণ! স্ত্রী তার স্বামীর প্রাপ্য অধিকার আদায় না করা পর্যন্ত তার প্রভুর প্রাপ্য অধিকার আদায় করতে সক্ষম হবে না। স্ত্রী শিবিকার মধ্যে থাকা অবস্থায় স্বামী তার সাথে জৈবিক চাহিদা পূরণ করতে চাইলে স্ত্রীর তা প্রত্যাখ্যান করা অনুচিত।

হাদিসটি ইমাম ইবনু মাজাহ এককভাবে বর্ণনা করেছেন। ইরওয়াহ ৭/৫৫-৫৬, আদাবুয যিফাফ ১৭৮, সহিহাহ ১২০৩। তাহকীক আলবানীঃ হাসান সহীহ। উক্ত হাদিসের রাবী কাসিম আশ-শায়বানী সম্পর্কে ইবনু হিব্বান বলেন, তিনি সিকাহ। শু’বাহ ইবনুল হাজ্জাজ তাকে দুর্বল হিসেবে উল্লেখ করেছেন। আবু হাতিম আর-রাযী বলেন, তিনি হাদিস বর্ণনায় ইদতিরাব করেন। ইমাম নাসাঈ বলেন, তিনি হাদিস বর্ণনায় দুর্বল। ইবনু আদী বলেন, তার থেকে হাদিস গ্রহন করা যায়। ইমাম যাহাবী বলেন, তার অবস্থা সম্পর্কে মতানৈক্য রয়েছে। (তাহযীবুল কামালঃ রাবী নং ৪৮০৫, ২৩/৩৯৯ নং পৃষ্ঠা) হাদিসের মানঃ হাসান (Hasan)

☞ স্বামীর অধিকার আছে যুদ্ধবন্দী নারী ও দাসীদের ধর্ষণ করার

70:29

Bengali – Bayaan Foundation
আর যারা তাদের যৌনাংগসমূহের হিফাযতকারী।

70:30

Bengali – Bayaan Foundation
তবে তাদের স্ত্রী ও তাদের ডান হাত যাদের মালিক হয়েছে সে দাসীগণের ক্ষেত্র ছাড়া। তাহলে তারা সে ক্ষেত্রে নিন্দনীয় হবে না।

গ্রন্থঃ সুনান আবূ দাউদ (তাহকিককৃত)
অধ্যায়ঃ ৬/ বিবাহ (كتاب النكاح)
হাদিস নম্বরঃ ২১৫৫

৪৫. বন্দী দাসীদের সাথে সঙ্গম করা

২১৫৫। আবূ সাঈদ আল-খুদরী (রাযি.) সূত্রে বর্ণিত। হুনাইনের দিন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আওতাসের দিকে একদল সৈন্য পাঠালেন। তারা শত্রুর মুকাবিলায় অবতীর্ণ হয়ে তাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করেন এবং তাদের উপর বিজয়ী হয়ে তাদের নারীদেরকে বন্দী করে আনেন। কিন্তু সেই বন্দী নারীদের মুশরিক স্বামীরা বর্তমান থাকায় রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কতিপয় সাহাবী তাদের সাথে সঙ্গম করাকে গুনাহ মনে করেন। এ প্রসঙ্গে আল্লাহ এ আয়াতটি অবতীর্ণ করলেনঃ ‘‘যে মহিলাদের স্বামী আছে তারা তোমাদের জন্য হারাম। তবে তোমাদের অধিকারভুক্ত দাসী ব্যতীত’’ (সূরা আন-নিসাঃ ২৪) অর্থাৎ যুদ্ধবন্দী দাসী যখন তাদের ইদ্দাতকাল সমাপ্ত করবে তখন তারা তোমাদের জন্য বৈধ।[1]

সহীহ।

[1]. মুসলিম, তিরমিযী, আহমাদ। হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)

গ্রন্থঃ সুনান আবূ দাউদ (তাহকিককৃত)
অধ্যায়ঃ ৬/ বিবাহ (كتاب النكاح)
হাদিস নম্বরঃ ২১৫৮

৪৫. বন্দী দাসীদের সাথে সঙ্গম করা

২১৫৮। রুয়াইফি‘ ইবনু সাবিত আল-আনসারী (রাযি.) সূত্রে বর্ণিত। হানাশ (রহ.) বলেন, একদা রুয়াইফি‘ আমাদের সাথে দাঁড়িয়ে ভাষণ প্রদানের সময় বললেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে যা কিছু শুনেছি তোমাদেরকে শুধু তাই বলবো। তিনি হুনাইনের দিন বলেছেনঃ যে ব্যক্তি আল্লাহ এবং শেষ দিনের উপর ঈমান রাখে, তার জন্য বৈধ নয় অন্যের ফসলে নিজের পানি সেচন করা। অর্থাৎ গর্ভবতী মহিলার সাথে সঙ্গম করা। যে ব্যক্তি আল্লাহ ও শেষ দিনের উপর ঈমান রাখে তার জন্য বৈধ নয় কোনো বন্দী নারীর সাথে সঙ্গম করা যতক্ষণ না সে সন্তান প্রসব করে পবিত্র হয়। আর যে ব্যক্তি আল্লাহ ও শেষ দিনের প্রতি ঈমান রাখে, তার জন্যও বৈধ নয় বন্টনের পূর্বে গনীমাত বিক্রয় করা।[1]

হাসান।

[1]. দারিমী, আহমাদ। হাদিসের মানঃ হাসান (Hasan) 

গ্রন্থঃ সুনান আবূ দাউদ (তাহকিককৃত)
অধ্যায়ঃ ৬/ বিবাহ (كتاب النكاح)
হাদিস নম্বরঃ ২১৬০

৪৬. বিবাহ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিধান

২১৬০। আমর ইবনু শুআইব (রহ.) থেকে পর্যায়ক্রমে তার পিতা ও তার দাদার সূত্রে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যখন তোমাদের কেউ কোনো নারীকে বিয়ে করে অথবা কোনো দাসী ক্রয় করে তখন সে যেন বলেঃ ‘‘হে আল্লাহ! আমি আপনার কাছে এর মধ্যকার কল্যাণ এবং এর মাধ্যমে কল্যাণ চাই এবং তার মধ্যে নিহিত অকল্যাণ ও তার মাধ্যমে অকল্যাণ থেকে আপনার নিকট আশ্রয় চাই।’’ আর যখন কোনো উট কিনবে তখন যেন সেটির কুঁজের উপরিভাগ ধরে অনুরূপ দু‘আ করে। ইমাম আবূ দাঊদ (রহ.) বলেন, আবূ সাঈদের বর্ণনায় রয়েছেঃ অতঃপর তার কপালের চুল ধরে বলবে। স্ত্রী এবং দাসীর ব্যাপারেও বরকতের দু‘আ করবে।[1]

হাসান।

[1]. ইবনু মাজাহ। হাদিসের মানঃ হাসান (Hasan) 

গ্রন্থঃ সুনান আবূ দাউদ (তাহকিককৃত)
অধ্যায়ঃ ২৬/ গণ-গোসলখানা (كتاب الحمَّام)
হাদিস নম্বরঃ ৪০১৭

৩. উলঙ্গ হওয়া সম্পর্কে

৪০১৭। বাহয ইবনু হাকীম থেকে তার পিতা ও দাদার সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে প্রশ্ন করলাম, হে আল্লাহর রাসূল! আমাদের ঢেকে রাখার অঙ্গসমূহ কার সামনে আবৃত রাখবো এবং কার সামনে অনাবৃত করবো? তিনি বলেনঃ তোমার স্ত্রী ও দাসী ব্যতীত সকলের সামনে তা আবৃত রাখো। বর্ণনাকারী বলেনঃ যতদূর সম্ভব কেউ যেন অন্যের গোপন অঙ্গের দিকে না তাকায়। বর্ণনাকারী বলেন, আমি প্রশ্ন করলাম, হে আল্লাহর রাসূল আমাদের কেউ যখন নির্জনে থাকে? তিনি বলেনঃ লজ্জার ব্যাপারে আল্লাহ মানুষের চেয়ে অধিক হকদার।[1]

সহীহ।

[1]. তিরমিযী, ইবনু মাজাহ, আহমাদ। ইমাম তিরমিযী বলেনঃ এই হাদীসটি হাসান। হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih) 

গ্রন্থঃ সহীহ বুখারী (তাওহীদ)
অধ্যায়ঃ ৬৪/ মাগাযী [যুদ্ধ] (كتاب المغازى)
হাদিস নম্বরঃ ৪১৩৮

৬৪/৩২. যাতুর রিকা-র যুদ্ধ।

قَالَ ابْنُ إِسْحَاقَ وَذَلِكَ سَنَةَ سِتٍّ وَقَالَ مُوْسَى بْنُ عُقْبَةَ سَنَةَ أَرْبَعٍ وَقَالَ النُّعْمَانُ بْنُ رَاشِدٍ عَنْ الزُّهْرِيِّ كَانَ حَدِيْثُ الإِفْكِ فِيْ غَزْوَةِ الْمُرَيْسِيْعِ

ইবনু ইসহাক (রহ.) বলেছেন, এ যুদ্ধ ৬ষ্ঠ হিজরী সনে সংঘটিত হয়েছিল। মূসা ইবনু ‘উকবাহ (রহ.) বলেছেন, ৪র্থ হিজরী সনে। নুমান ইবনু রাশিদ (রহ.) যুহরী (রহ.) থেকে বর্ণনা করেছেন যে, মুরাইসীর যুদ্ধে ইফ্কের ঘটনা ঘটেছিল।

৪১৩৮. ইবনু মুহাইরীয (রহ.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, একদা আমি মসজিদে প্রবেশ করে আবূ সা‘ঈদ খুদরী (রাঃ)-কে দেখতে পেয়ে তার কাছে গিয়ে বসলাম এবং আযল সম্পর্কে জিজ্ঞেস করলাম। আবূ সা‘ঈদ খুদরী (রাঃ) বললেন, আমরা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সঙ্গে বানূ মুসতালিকের যুদ্ধে যোগদান করেছিলাম। এ যুদ্ধে আরবের বহু বন্দী আমাদের হস্তগত হয়। মহিলাদের প্রতি আমাদের মনে আসক্তি জাগে এবং বিবাহ-শাদী ব্যতীত এবং স্ত্রীহীন অবস্থা আমাদের জন্য কষ্টকর অনুভূত হয়। তাই আমরা আযল করা পছন্দ করলাম এবং তা করতে মনস্থ করলাম। তখন আমরা পরস্পর বলাবলি করলাম, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদের মাঝে আছেন। এ ব্যাপারে তাঁকে জিজ্ঞেস না করেই আমরা আযল করতে যাচ্ছি। আমরা তাঁকে এ সম্পর্কে জিজ্ঞেস করলে তিনি বললেন, ওটা না করলে তোমাদের কী ক্ষতি? ক্বিয়ামাত পর্যন্ত যতগুলো প্রাণের আগমন ঘটবার আছে, ততগুলোর আগমন ঘটবেই। [২২২৯; মুসলিম ত্বলাক/২১, হাঃ ১৪৩৮, আহমাদ ১১৮৩৯] (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৮২৬, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৩৮২৯)

হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih) 

গ্রন্থঃ সহীহ মুসলিম (হাঃ একাডেমী)
অধ্যায়ঃ ১৮। দুধপান (كتاب الرضاع)
হাদিস নম্বরঃ ৩৫০০

৯. ইসতিবরার পর যুদ্ধ বন্দিনীর সাথে সঙ্গম করা জায়িয এবং তার স্বামী বর্তমান থাকলে সে বিবাহ বাতিল

৩৫০০-(৩৩/১৪৫৬) উবায়দুল্লাহ ইবনু উমার আল মায়সারাহ আল কাওয়ারীরী (রহঃ) ….. আবূ সাঈদ খুদরী (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত যে, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হুনায়ন এর যুদ্ধের সময় একটি দল আওত্বাস এর দিকে পাঠান। তারা শক্র দলের মুখোমুখী হয়ে তাদের সাথে যুদ্ধ করে জয়লাভ করে এবং তাদের অনেক কয়েদী তাদের হস্তগত হয়। এদের মধ্য থেকে দাসীদের সাথে যৌন সঙ্গম করা রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কয়েকজন সাহাবা যেন নাজায়িয মনে করলেন, তাদের মুশরিক স্বামী বর্তমান থাকার কারণে। আল্লাহ তা’আলা এ আয়াত অবতীর্ণ করেন “এবং নারীর মধ্যে তোমাদের অধিকারভুক্ত দাসী ব্যতীত সকল সধবা তোমাদের জন্য নিষিদ্ধ” অর্থাৎ তারা তোমাদের জন্য হালাল, যখন তারা তাদের ইদ্দাত (ইদ্দত) পূর্ণ করে নিবে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৪৭৩, ইসলামীক সেন্টার ৩৪৭২)

[গর্ভবতী হলে প্রসব, অন্যথায় এক ঋতু অতিবাহিত হওয়াকে ইসতিবরার বলে।] হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)

গ্রন্থঃ সহীহ মুসলিম (হাঃ একাডেমী)
অধ্যায়ঃ ১৭। বিবাহ (كتاب النكاح)
হাদিস নম্বরঃ ৩৪৩৬

২২. আযল এর হুকুম

৩৪৩৬-(১২৫/১৪৩৮) ইয়াহইয়া ইবনু আবূ আইয়ুব, কুতায়বাহ্ ইবনু সাঈদ ও আলী ইবনু হুজর (রহিমাহুমুল্লাহ) ….. ইবনু মুহায়রিয (রহঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি এবং আবূ সিরমাহ (রহঃ) আবূ সাঈদ আল খুদরী (রাযিঃ) এর নিকট গেলাম। আবূ সিরমাহ তাকে জিজ্ঞেস করলেন, হে আবূ সাঈদ! আপনি কি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে ‘আযল সম্পর্কে আলোচনা করতে শুনেছেন? তিনি বললেন, হ্যাঁ আমরা রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সাথে বানু মুসতালিক এর যুদ্ধ করেছি। সে যুদ্ধে আমরা আরবের সবচেয়ে সুন্দরী বাঁদীদের বন্দী করলাম। এদিকে আমরা দীর্ঘকাল স্ত্রী সাহচর্য থেকে বঞ্চিত ছিলাম। অন্যদিকে আমরা ছিলাম সম্পদের প্রতি অনুরাগী। এমতাবস্থায় আমরা বাঁদীদের দ্বারা উদ্দেশ্য হাসিল করার এবং ‘আযল করার ইচ্ছা করলাম। কিন্তু আমরা এ কথাও আলোচনা করলাম যে, আমরা কি এ কাজ করতে যাব, অথচ রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদের মধ্যে উপস্থিত রয়েছেন। তার নিকট আমরা কি এ ব্যাপারে কিছু জিজ্ঞেস করব না! তাই আমরা রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে জিজ্ঞেস করলাম। তিনি বললেনঃ ঐ কাজ না করাতে তোমাদের কোন ক্ষতি নেই। কেননা, আল্লাহ তা’আলা কিয়ামাত পর্যন্ত যত মানুষ সৃষ্টি করার কথা লিখে রেখেছেন সে সব মানুষ সৃষ্টি হবেই। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৪০৯, ইসলামীক সেন্টার ৩৪০৮)

হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)

এবিষয়ে আরও তথ্য পাবেন এখান থেকেঃ অসহায় নিরপরাধ যুদ্ধবন্দী নারী ও দাসী ধর্ষণের বৈধতা – কুরআন হাদিসের দলিল

☞ পুরুষ একসাথে চারজন নারীর সাথে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ থাকতে পারে

4:3

Bengali – Bayaan Foundation
আর যদি তোমরা আশঙ্কা কর যে, ইয়াতীমদের ব্যাপারে তোমরা ইনসাফ করতে পারবে না, তাহলে তোমরা বিয়ে কর নারীদের মধ্যে যাকে তোমাদের ভাল লাগে; দু’টি, তিনটি অথবা চারটি। আর যদি ভয় কর যে, তোমরা সমান আচরণ করতে পারবে না, তবে একটি অথবা তোমাদের ডান হাত যার মালিক হয়েছে। এটা অধিকতর নিকটবর্তী যে, তোমরা যুলম করবে না।

☞ এখনো বয়ঃসন্ধিতে পৌঁছেনি এমন বাচ্চা মেয়েও বিয়ে করে যৌনসংগম করা যাবে

65:4

Bengali – Bayaan Foundation
তোমাদের স্ত্রীদের মধ্যে যারা ঋতুবর্তী হওয়ার কাল অতিক্রম করে গেছে, তাদের ইদ্দত সম্পর্কে তোমরা যদি সংশয়ে থাক এবং যারা এখনও ঋতুর বয়সে পৌঁছেনি তাদের ইদ্দতকালও হবে তিন মাস। আর গর্ভধারিনীদের ইদ্দতকাল সন্তান প্রসব পর্যন্ত। যে আল্লাহকে ভয় করে, তিনি তার জন্য তার কাজকে সহজ করে দেন।

এবিষয়ে বিস্তারিত জানুন এখান থেকে – বাল্যবিবাহ এবং ইসলাম

☞ স্বামী তার স্ত্রীকে প্রহার করার জন্য দোষী হবে না

গ্রন্থঃ সুনান আবূ দাউদ (তাহকিককৃত)
অধ্যায়ঃ ৬/ বিবাহ (كتاب النكاح)
হাদিস নম্বরঃ ২১৪৭

৪৩. স্ত্রীদেরকে প্রহার করা

২১৪৭। উমার ইবনুল খাত্তাব (রাযি.) সূত্রে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ কোনো ব্যক্তি তার স্ত্রীকে (শালীন শিক্ষার উদ্দেশ্যে) আঘাত করলে এজন্য সে দোষী হবে না।[1]

দুর্বলঃ যঈফ আল-জামি‘উস সাগীর (৬২১৮), যঈফ সুনান ইবনু মাজাহ (৪৩১), মিশকাত (৩২৬৮)।

[1]. ইবনু মাজাহ, আহমাদ, বায়হাক্বী। সনদের দাঊদ বিন ‘আব্দুল্লাহকে হাফিয আত-তাকরীব গ্রন্থে বলেন: মাকবূল। এছাড়া সনদের মুসলী সম্পর্কে ইমা যাহাবী বলেন: তাকে চেনা যায়নি। হাদিসের মানঃ যঈফ (Dai’f) 

☞ পুরুষদের বেহেশতে অনেক সংখ্যক কুমারী নারী উপহার দেওয়া হবে যৌনসংগম করে তাদের দেহ উপভোগের জন্য

44:51

Bengali – Bayaan Foundation
নিশ্চয় মুত্তাকীরা থাকবে নিরাপদ স্থানে,

44:52

Bengali – Bayaan Foundation
বাগ-বাগিচা ও ঝর্নাধারার মধ্যে,

44:53

Bengali – Bayaan Foundation
তারা পরিধান করবে পাতলা ও পুরু রেশমী বস্ত্র এবং বসবে মুখোমুখী হয়ে।

44:54

Bengali – Bayaan Foundation
এরূপই ঘটবে, আর আমি তাদেরকে বিয়ে দেব ডাগর নয়না হূরদের সাথে।

55:56

Bengali – Bayaan Foundation
সেখানে থাকবে স্বামীর প্রতি দৃষ্টি সীমিতকারী মহিলাগণ, যাদেরকে ইতঃপূর্বে স্পর্শ করেনি কোন মানুষ আর না কোন জিন।

55:57

Bengali – Bayaan Foundation
সুতরাং তোমাদের রবের কোন কিয়ামতকে তোমরা উভয়ে অস্বীকার করবে ?

55:58

Bengali – Bayaan Foundation
তারা যেন হীরা ও প্রবাল।

55:72

Bengali – Bayaan Foundation
তারা হূর, তাঁবুতে থাকবে সুরক্ষিতা।

78:31

Bengali – Bayaan Foundation
নিশ্চয় মুত্তাকীদের জন্য রয়েছে সফলতা।

78:32

Bengali – Bayaan Foundation
উদ্যানসমূহ ও আঙ্গুরসমূহ।

78:33

Bengali – Bayaan Foundation
আর সমবয়স্কা যৌবনা তরুণী।

78:34

Bengali – Bayaan Foundation
আর পরিপূর্ণ পানপাত্র।

78:35

Bengali – Bayaan Foundation
তারা সেখানে কোন অসার ও মিথ্যা কথা শুনবে না।

গ্রন্থঃ সহীহ মুসলিম (হাঃ একাডেমী)
অধ্যায়ঃ ৫৩। জান্নাত, জান্নাতের নি’আমাত ও জান্নাতবাসীদের বর্ণনা (كتاب الجنة وصفة نعيمها وأهلها)
হাদিস নম্বরঃ ৭০৩৯

৬. পূর্ণিমার রাতের চাদের ন্যায় যে দলটি সর্বপ্রথম জান্নাতে প্রবেশ করবে তাদের মুখমণ্ডল দীপ্তিমান হবে এবং তাদের গুণাবলী ও সহধর্মিণীগণের বর্ণনা

৭০৩৯-(১৪/২৮৩৪) আমর আন্‌ নাকিদ ও ইয়াকুব ইবনু ইবরাহীম আদ দাওরাকী (রহঃ) ….. মুহাম্মাদ (রহঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, লোকেরা গর্ব প্রকাশ করে বলল, অথবা আলোচনা করতঃ বলল, জান্নাতে পুরুষ অধিক হবে, না মহিলা? এ কথা শ্রবণে আবূ হুরাইরাহ (রাযিঃ) বললেন, আবুল কাসিম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কি বলেননি, যে দলটি জান্নাতে প্রথমে প্রবেশ করবে তাদের মুখায়ব পূর্ণিমার চাদের মতো উজ্জ্বল হবে। তাদের পর যারা জান্নাতে যাবে তাদের চেহারা হবে উদ্ধাকাশের আলোকিত নক্ষত্রের মতো। তাদের প্রত্যেকের জন্যই থাকবে দু’ জন সহধর্মিণী। গোশতের এ পাশ হতে তাদের পায়ের নলার মগজ দৃশ্য হবে। জান্নাতের মাঝে কেউ (আর) অবিবাহিত থাকবে না। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৬৮৮৪, ইসলামিক সেন্টার ৬৯৪১)

হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)

গ্রন্থঃ সহীহ মুসলিম (হাঃ একাডেমী)
অধ্যায়ঃ ৫৩। জান্নাত, জান্নাতের নি’আমাত ও জান্নাতবাসীদের বর্ণনা (كتاب الجنة وصفة نعيمها وأهلها)
হাদিস নম্বরঃ ৭০৪১

৬. পূর্ণিমার রাতের চাদের ন্যায় যে দলটি সর্বপ্রথম জান্নাতে প্রবেশ করবে তাদের মুখমণ্ডল দীপ্তিমান হবে এবং তাদের গুণাবলী ও সহধর্মিণীগণের বর্ণনা

৭০৪১-(১৫/…) কুতাইবাহ ইবনু সাঈদ (রহঃ) ….. আবু হুরাইরাহ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যে লোক সর্বপ্রথমে জান্নাতে প্রবেশ করবে। কুতাইবাহ ও যুহায়র ইবনু হারব (রহঃ) ….. আবু হুরাইরাহ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ সর্বপ্রথমে যে দলটি জান্নাতে প্রবেশ করবে তাদের মুখমণ্ডল পূর্ণিমার চাঁদের মতো উজ্জ্বল হবে। তাদের পর যারা জান্নাতে প্রবেশ করবে তাদের মুখমণ্ডল আকাশে উদিত আলোকজ্জ্বল নক্ষত্রের মতো হবে। তারা প্রস্রাব-পায়খানা করবে না, থু-থু ফেলবে না এবং নাক ঝাড়বে না। তাদের চিরুনী হবে স্বর্ণের। তাদের গায়ের ঘাম হতে মিশকের ঘ্রাণ আসবে এবং তাদের ধূপদানী হবে আলুওয়াহ’ নামে এক ধরনের সুগন্ধি কাষ্ঠের তৈরি। তাদের স্ত্রীগণ হবে ডাগর চক্ষু বিশিষ্ট। তাদের চরিত্র হবে একই লোকের চরিত্রের মতো। আদি পিতা আদাম (আঃ) এর আকৃতির মতো হবে তাদের আকৃতি। যা ষাট হাত দীর্ঘ আকৃতি বিশিষ্ট। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৬৮৮৬, ইসলামিক সেন্টার ৬৯৪৩)

হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih) 

☞ মোহরানার বিনিময়ে যোনি

গ্রন্থঃ সুনান আবূ দাউদ (তাহকিককৃত)
অধ্যায়ঃ ৬/ বিবাহ (كتاب النكاح)
হাদিস নম্বরঃ ২১৩১

৩৮. যে ব্যক্তি কোনো মহিলাকে বিয়ে করার পরতাকে গর্ভবতী পায়

২১৩১। সাঈদ ইবনুল মুসাইয়্যাব (রহ.) থেকে জনৈক আনসারী সূত্রে বর্ণিত। বর্ণনাকারী আবুস-সারী বলেন, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর জনৈক সাহাবী থেকে বর্ণনা করেছেন এবং ‘আনসার’ শব্দটি বলেননি। অতঃপর সমস্ত বর্ণনাকারী একমত হয়ে বর্ণনা করেছেন। ‘বাসরা’ নামক এক ব্যক্তি বলেন, আমি জনৈকা কুমারী মেয়েকে না দেখে বিয়ে করি। অতঃপর বাসর যাপনের সময় আমি দেখি সে গর্ভবতী। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ তুমি যেহেতু তার বিশেষ অঙ্গ উপভোগ করেছো সেজন্য তোমাকে মোহরানা দিতে হবে। আর যে সন্তানটি জন্ম নিবে সে তোমার গোলাম হবে। সন্তান প্রসবের পর তুমি বা তোমরা তাকে চাবুক মারবে অথবা বলেছেনঃ তার উপর ‘হদ্দ’ কার্যকর করবে।

আবূ দাঊদ বলেন, হাদীসটি কাতাদাহ (রহ.) সাঈদ ইবনু ইয়াযীদ থেকে ইবনুল মুসাইয়্যাব সূত্রে বর্ণনা করেছেন এবং ইয়াহইয়া ইবনু আবূ কাসীর ইয়াযীদ ইবনু নুয়াইমের মাধ্যমে সাঈদ ইবনুল মুসাইয়্যাব থেকে, এবং ‘আতা আল-খোরাসারনী সরাসরি সাঈদ ইবনুল মুসাইয়্যাব সূত্রে বর্ণনা করেছেন। কিন্তু এদের সকলের হাদীস মুরসাল। ইয়াহইয়া ইবনু আবূ কাসীরের হাদীসে রয়েছেঃ ‘বাসরা ইবনু আকসাম জনৈকা মহিলাকে বিয়ে করেন।’ আর সমস্ত বর্ণনাকারী বলেছেন, তিনি সন্তানটিকে তার গোলাম বানিয়েছেন।[1]

দুর্বল।

[1]. বায়হাক্বী, হাকিম। ইমাম হাকিম বলেন: সনদ সহীহ। ইমাম যাহাবী এতে নীরব থেকেছেন। কিন্তু হাদীসটি মুরসাল। হাদিসের মানঃ যঈফ (Dai’f)

গ্রন্থঃ সহীহ বুখারী (তাওহীদ)
অধ্যায়ঃ ৬৮/ ত্বলাক (كتاب الطلاق)
হাদিস নম্বরঃ ৫৩১১

৬৮/৩২. লি‘আনকারিণীর মোহর।

৫৩১১. সা‘ঈদ ইবনু যুবায়র (রহ.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি ইবনু ‘উমারকে জিজ্ঞেস করলাম, এক লোক তার স্ত্রীকে অপবাদ দিল- (তার বিধান কী?) তিনি বললেন, নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বনূ ‘আজলানের স্বামী-স্ত্রীর দু’জনকে বিচ্ছিন্ন করে দিয়েছিলেন এবং তিনি বলেছিলেনঃ আল্লাহ তা‘আলা জানেন তোমাদের একজন অবশ্যই মিথ্যাচারী। কাজেই তোমাদের কেউ তাওবাহ করতে রাযী আছ কি? তারা দু’জনেই অস্বীকার করল। তিনি পুনরায় বললেনঃ আল্লাহ তা‘আলা অবহিত আছেন তোমাদের একজন মিথ্যাচারী, সুতরাং কেউ তাওবাহ করতে প্রস্তুত আছ কি? তারা আবারও অস্বীকার করল। তিনি পুনরায় বললেনঃ আল্লাহ তা‘আলা অবহিত আছেন তোমাদের একজন মিথ্যাচারী সুতরাং কেউ তাওবাহ করতে প্রস্ত্তত আছ কি? তারা আবারও অস্বীকার করল।

এরপর তিনি তাদেরকে পৃথক করে দেন। আইয়ুব বলেনঃ আমাকে ‘আমর ইবনু দ্বীনার (রহ.) বললেন, এ হাদীসে আরও কিছু কথা আছে, তোমাকে তা বর্ণনা করতে দেখছি না কেন? তিনি বলেন, লোকটি বললঃ আমার (দেয়া) মালের কী হবে? তাকে বলা হল, তোমার মাল ফিরে পাবে না। যদি তুমি সত্যবাদী হও, (তবুও পাবে না)। (কেননা) তুমি তার সঙ্গে সহবাস করেছ। আর যদি তুমি মিথ্যাচারী হও, তবে তা পাওয়া তো বহু দূরের ব্যাপার। [৫৩১২, ৫৩৪৯, ৫৩৫০] আধুনিক প্রকাশনী- ৪৯২০, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৪৮১৫)

হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)

☞ একজন মুসলিম নারী কোনো অমুসলিম পুরুষকে বিয়ে করতে পারবে না

2:221

Bengali – Bayaan Foundation
আর তোমরা মুশরিক নারীদের বিয়ে করো না, যতক্ষণ না তারা ঈমান আনে এবং মুমিন দাসী মুশরিক নারীর চেয়ে নিশ্চয় উত্তম, যদিও সে তোমাদেরকে মুগ্ধ করে। আর মুশরিক পুরুষদের সাথে বিয়ে দিয়ো না, যতক্ষণ না তারা ঈমান আনে। আর একজন মুমিন দাস একজন মুশরিক পুরুষের চেয়ে উত্তম, যদিও সে তোমাদেরকে মুগ্ধ করে। তারা তোমাদেরকে আগুনের দিকে আহবান করে, আর আল্লাহ তাঁর অনুমতিতে তোমাদেরকে জান্নাত ও ক্ষমার দিকে আহবান করেন এবং মানুষের জন্য তাঁর আয়াতসমূহ স্পষ্টরূপে বর্ণনা করেন, যাতে তারা উপদেশ গ্রহণ করতে পারে।

☞ কোনো অভিভাবক বিয়ে দিলেই একজন নারী বিয়ে করতে পারবে, নিজে নিজে পারবে না

গ্রন্থঃ সুনানে ইবনে মাজাহ
অধ্যায়ঃ ৯/ বিবাহ (كتاب النكاح)
হাদিস নম্বরঃ ১৮৭৯

৯/১৫. অভিভাবক ছাড়া বিবাহ হয় না।

১/১৮৭৯। ‘আয়িশাহ্ (রাঃ)  থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যে নারীকে তার অভিভাবক বিবাহ দেয়নি তার বিবাহ বাতিল, তার বিবাহ বাতিল, তার বিবাহ বাতিল। স্বামী তার সাথে সহবাস করলে তাতে সে মাহরের অধিকারী হবে। তাদের মধ্যে মতবিরোধ হলে সে ক্ষেত্রে যার অভিভাবক নাই, শাসক তার অভিভাবক।

তিরমিযী ১১০২, আবূ দাউদ ২০৮৩, আহমাদ ২৩৮৫১, ২৪৭৯৮, দারেমী ২১৮৪, ইরওয়াহ ১৮৪০, মিশকাত ১৩৩১, সহীহ আবী দাউদ ১৮১৭। তাহকীক আলবানীঃ সহীহ। উক্ত হাদিসের রাবী সুলায়মান বিন মুসা সম্পর্কে আবু আহমাদ বিন আদী আল-জুরজানী বলেন, তিনি আমার নিকট সত্যবাদী। আবু হাতিম বিন হিব্বান বলেন, তিনি একজন ফকিহ। আহমাদ বিন শু’আয়ব আন-নাসায়ী বলেন, তিনি ফকিহদের একজন তবে হাদিস বর্ণনায় নির্ভরযোগ্য নয়। আল-মিযযী বলেন, তিনি তার যুগে শামের একজন ফকিহ ছিলেন। আতা বিন আবু রাবাহ বলেন, তিনি শামের যুবকদের নেতা ছিলেন। মুহাম্মাদ বিন সা’দ বলেন, তিনি সিকাহ। (তাহযীবুল কামালঃ রাবী নং ২৫৭১, ১২/৯২ নং পৃষ্ঠা) হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih) 

গ্রন্থঃ সুনানে ইবনে মাজাহ
অধ্যায়ঃ ৯/ বিবাহ (كتاب النكاح)
হাদিস নম্বরঃ ১৮৮০

৯/১৫. অভিভাবক ছাড়া বিবাহ হয় না।

২/১৮৮০। ‘আয়িশাহ্ (রাঃ)  ও ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তারা বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ অভিভাবক ছাড়া বিবাহ হয় না। ‘আয়িশাহ্ (রাঃ)  বর্ণিত হাদীসে আরও আছেঃ যার অভিভাবক নাই, শাসক তার অভিভাবক

তিরমিযী ১১০২, ১১০৩, আবূ দাউদ ২০৮৩, আহমাদ ২২৬০, ২৩৬৮৫, ২৩৮৫১, ২৪৭৯৮, ২৫৭০৩, দারেমী ২১৮৪, ইরওয়াহ ৬/২৩৮, ২৪৭। তাহকীক আলবানীঃ সহীহ। উক্ত হাদিসের রাবী হাজ্জাজ বিন আরতা সম্পর্কে আবু আহমাদ আল-হাকিম বলেন, তিনি আহলে ইলমের নিকট নির্ভরযোগ্য নয়। আবু বকর আল বায়হাকী বলেন, তার হাদিস দ্বারা দলীল গ্রহনযোগ্য নয়, অন্যত্র তিনি তাকে দুর্বল বলেছেন। আবু যুরআহ আর-রাযী বলেন, তিনি সত্যবাদী তবে হাদিস বর্ণনায় তাদলীস করেন। মুহাম্মাদ বিন সা’দ তাকে দুর্বল বলেছেন। আহমাদ বিন শু’আয়ব আন-নাসায়ী বলেন, তিনি দুর্বল তার হাদিস দ্বারা দলীল গ্রহনযোগ্য নয়। (তাহযীবুল কামালঃ রাবী নং ১১১২, ৫/৪২০ নং পৃষ্ঠা) হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)

গ্রন্থঃ সুনানে ইবনে মাজাহ
অধ্যায়ঃ ৯/ বিবাহ (كتاب النكاح)
হাদিস নম্বরঃ ১৮৮১

৯/১৫. অভিভাবক ছাড়া বিবাহ হয় না।

৩/১৮৮১। আবূ মূসা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ অভিভাবক ছাড়া বিবাহ হয় না

তিরমিযী ১১০১, আবূ দাউদ ২০৮৫, আহমাদ ১৯০২৪, ১৯২১১, ১৯২৪৭, দারেমী ২১৮২, ২১৮৩, ইরওয়াহ ১৮৩৯, মিশকাত ১৩৩০, আর-রাদ্দু আলা বালীক ১১০, সহীহ আবী দাউদ ১৮১৮। তাহকীক আলবানীঃ সহীহ। হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)

☞ যে নারী নিজে নিজে বিয়ে করে সে ব্যভিচারী

গ্রন্থঃ সুনানে ইবনে মাজাহ
অধ্যায়ঃ ৯/ বিবাহ (كتاب النكاح)
হাদিস নম্বরঃ ১৮৮২

৯/১৫. অভিভাবক ছাড়া বিবাহ হয় না।

৪/১৮৮২। আবূ হুরাইরা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ কোন মহিলা অপর কোন মহিলাকে বিবাহ দিবে না এবং কোন মহিলা নিজেকেও বিবাহ দিবে না। কেননা যে নারী স্বউদ্যোগে বিবাহ করে সে যেনাকারিণী

হাদিসটি ইমাম ইবনু মাজাহ এককভাবে বর্ণনা করেছেন। ইরওয়াহ ১৮৪১। যইফ আল জামি’ ৬২১৪, তাহকীক আলবানীঃ যেনার বাক্য ব্যতীত সহীহ। উক্ত হাদিসের রাবী ১. জামীল ইবনুল হাসান আল-আতাকী সম্পর্কে আবু আহমাদ বিন আদী আল জুরজানী বলেন, আমি আশা করি তার মাঝে কোন সমস্যা নেই। আবু হাতিম আর-রাযী বলেন, আমরা তার সাক্ষাৎ পেয়েছিলাম কিন্তু তার থেকে কোন হাদিস গ্রহন করিনি। ইবনু হাজার আল-আসকালানী বলেন, তিনি সত্যবাদী তবে হাদিস বর্ণনায় ভুল করেন। মাসলামাহ ইবনু কাসিম বলেন, তিনি সিকাহ। তাহরীরু তাকরীবুত তাহযীব এর লেখক বলেন, তিনি দুর্বল। (তাহযীবুল কামালঃ রাবী নং ৯৬৮, ৫/১২৮ নং পৃষ্ঠা) ২. মুহাম্মাদ বিন মারওয়ান আল-উকায়লী সম্পর্কে আবু জা’ফার আল উকায়লী বলেন, তার হাদিসের অনুসরণ করা যাবে না। আবু হাতিম বিন হিব্বান তার সিকাহ গ্রন্থে তার নাম উল্লেখ করেছেন। আবু দাউদ আস-সাজিসতানী বলেন, তিনি সত্যবাদী। ইবনু হাজার আল-আসকালানী বলেন, তিনি সত্যবাদী তবে হাদিস বর্ণনায় সন্দেহ করেন। (তাহযীবুল কামালঃ রাবী নং ৫৫৯৫, ২৬/৩৮৭ নং পৃষ্ঠা) হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih) 

☞ একা কোনো পুরুষের সাথে অবস্থান করা নিষিদ্ধ এবং মাহরাম (স্বামী অথবা যাদের বিয়ে করা হারাম) ছাড়া সফর করা নিষিদ্ধ

গ্রন্থঃ সহীহ বুখারী (তাওহীদ)
অধ্যায়ঃ ৫৬/ জিহাদ ও যুদ্ধকালীন আচার ব্যবহার (كتاب الجهاد والسير)
হাদিস নম্বরঃ ৩০০৬

৫৬/১৪০. সেনাবাহিনীতে তালিকাভুক্ত হলো, অতঃপর তার স্ত্রী হাজ্জের উদ্দেশ্যে বের হলো, অথবা তার কোন ওযর আছে সে ব্যক্তির জন্য জিহাদে গমন করার অনুমতি আছে কি?

৩০০৬. ইবনু ‘আববাস (রাঃ) সূত্রে নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, কোন পুরুষ যেন অপর মহিলার সঙ্গে নিভৃতে অবস্থান না করে, কোন স্ত্রীলোক যেন কোন মাহরাম সঙ্গী ছাড়া সফর না করে। এক ব্যক্তি দাঁড়িয়ে বলল, হে আল্লাহর রাসূল! অমুক যুদ্ধের জন্য আমার নাম লেখা হয়েছে। কিন্তু আমার স্ত্রী হাজ্জযাত্রী। তখন আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, ‘তবে যাও তোমার স্ত্রীর সঙ্গে হাজ্জ কর।’ (১৮৬২) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২৭৮৫, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ২৭৯৫)

হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)

গ্রন্থঃ সহীহ বুখারী (তাওহীদ)
অধ্যায়ঃ ১৮/ সলাত ক্বাসর করা (كتاب التقصير)
হাদিস নম্বরঃ ১০৮৮

১৮/৪. কত দিনের সফরে সলাত ক্বাসর করবে।

১০৮৮. আবূ হুরাইরাহ্ (রাযি.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যে মহিলা আল্লাহ্ এবং আখিরাতের প্রতি ঈমান রাখে, তার পক্ষে কোন মাহরাম পুরুষকে সাথে না নিয়ে একদিন ও এক রাত্রির পথ সফর করা জায়িয নয়। ইয়াহ্ইয়া ইবনু আবূ কাসীর সুহায়ল ও মালিক (রহ.)….হাদীস বর্ণনায় ইবনু আবূ যিব (রহ.)-এর অনুসরণ করেছেন। (মুসলিম ১৫/৭৪, হাঃ ১৩৩৯, আহমাদ ৮৪৯৭, ১০৪০৬) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১০২২, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ১০২৭)

হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)

☞ মসজিদের উদ্দেশ্যে বের হওয়ার জন্যও একজন স্ত্রীর তার স্বামীর অনুমতি প্রয়োজন

গ্রন্থঃ সহীহ বুখারী (তাওহীদ)
অধ্যায়ঃ ১০/ আযান (كتاب الأذان)
হাদিস নম্বরঃ ৮৭৩

১০/১৬৬. মাসজিদে যাওয়ার জন্য স্বামীর নিকট মহিলার সম্মতি চাওয়া।

৮৭৩. ‘আবদুল্লাহ্ (রাযি.) সূত্রে নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, তোমাদের কারো স্ত্রী যদি (সালাতের জন্য মসজিদে যাবার) অনুমতি চায় তাহলে তার স্বামী তাকে যেন বাধা না দেয়। (৮৬৫) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৮২৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৮৩১)

হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)

☞ স্বামীর অনুমতি ব্যতীত ঘর থেকে কোনো জিনিস ব্যয় করা নিষিদ্ধ

গ্রন্থঃ সূনান আত তিরমিজী [তাহকীককৃত]
অধ্যায়ঃ ২৮/ ওয়াসিয়াত (كتاب الوصايا عن رسول الله ﷺ)
হাদিস নম্বরঃ ২১২০

৫. উত্তরাধিকারীদের জন্য ওয়াসিয়াত করার বৈধতা নেই

২১২০। আবূ উমামা আল-বাহিলী (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, বিদায় হাজের খুৎবায় আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছিঃ অবশ্যই আল্লাহ তা’আলা প্রত্যেক হক্‌দারের হক (নির্দিষ্ট করে) দিয়েছেন। অতএব, উত্তরাধিকারীদের জন্য ওয়াসিয়াত করা বৈধ নয়। সন্তান বিছানার (মালিকের); আর ব্যভিচারীর জন্য রয়েছে পাথর। তাদের সর্বশেষ ফায়সালার ভার আল্লাহ্ তা’আলার উপর। যে লোক নিজের বাবাকে পরিত্যাগ করে আরেকজনকে বাবা বলে পরিচয় দেয় এবং যে গোলাম নিজের মনিব ব্যতীত অন্য মনিবের পরিচয় দেয় তার উপর অব্যাহতভাবে কিয়ামাত পর্যন্ত আল্লাহ্ তা’আলার অভিশাপ। স্ত্রী তার স্বামীর বিনা অনুমতিতে তার ঘর হতে কোন কিছু ব্যয় করবে না। প্রশ্ন করা হলো, হে আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)। খাদ্যদ্রব্যও নয়? তিনি বললেনঃ এটাতো আমাদের সর্বোত্তম সম্পদ। তিনি আরো বললেনঃ ধারকৃত বস্তু ফেরত যোগ্য, মানীহা (দুধপানের উদ্দেশ্যে ধার করা পশু) ফেরত দিতে হবে, ঋণ পরিশোধ করতে হবে এবং যামিনদার দায়বদ্ধ থাকবে।

হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)

☞ মাসিক চলাকালীন সময়ে নারীদের মসজিদে প্রবেশ নিষিদ্ধ

গ্রন্থঃ সুনান আবূ দাউদ (তাহকিককৃত)
অধ্যায়ঃ ১/ পবিত্রতা অর্জন ( كتاب الطهارة )
হাদিস নম্বরঃ ২৩২

৯৩. নাপাক ব্যক্তির মাসজিদে প্রবেশ প্রসঙ্গে

২৩২। জাসরাহ বিনতু দিজাজাহ সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি ‘আয়িশাহ্ (রাঃ)-কে বলতে শুনেছি, একদা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এসে দেখলেন, সহাবাদের ঘরের দরজা মাসজিদের দিকে ফেরানো। (কেননা তারা মাসজিদের ভিতর দিয়েই যাতায়াত করতেন)। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ এসব ঘরের দরজা মাসজিদ হতে অন্যদিকে ফিরিয়ে নাও। নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম পুনরায় এসে দেখলেন, লোকেরা কিছুই করেননি, এ প্রত্যাশায় যে, আল্লাহর পক্ষ থেকে তাদের ব্যাপারে কোন অনুমতি নাযিল হয় কিনা। অতঃপর নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বের হয়ে তাদের আবারো বললেনঃ এসব ঘরের দরজা মাসজিদ হতে অন্যদিকে ফিরিয়ে নাও। কারণ ঋতুবতী মহিলা ও নাপাক ব্যক্তির জন্য মাসজিদে যাতায়াত আমি হালাল মনে করি না।[1]

দুর্বল : যঈফ আল-জামি‘উস সাগীর ৬১১৭, ইরওয়া ১৯৩।

☞ ঋতুমতী নারী হাজ্জের যাবতীয় বিধান পালন করবে তবে কাবা গৃহের ত্বওয়াফ ব্যতীত

গ্রন্থঃ সহীহ বুখারী (তাওহীদ)
অধ্যায়ঃ ৬/ হায়েজ [ঋতুস্রাব] (كتاب الحيض)
হাদিস নম্বরঃ ৩০৫

৬/৭. ঋতুমতী নারী হাজ্জের যাবতীয় বিধান পালন করবে তবে কাবা গৃহের ত্বওয়াফ ব্যতীত।

وَقَالَ إِبْرَاهِيمُ لاَ بَأْسَ أَنْ تَقْرَأَ الآيَةَ. وَلَمْ يَرَ ابْنُ عَبَّاسٍ بِالْقِرَاءَةِ لِلْجُنُبِ بَأْسًا. وَكَانَ النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَذْكُرُ اللَّهَ عَلَى كُلِّ أَحْيَانِهِ
وَقَالَتْ أُمُّ عَطِيَّةَ كُنَّا نُؤْمَرُ أَنْ يَخْرُجَ الْحُيَّضُ، فَيُكَبِّرْنَ بِتَكْبِيرِهِمْ وَيَدْعُونَ
وَقَالَ ابْنُ عَبَّاسٍ أَخْبَرَنِي أَبُو سُفْيَانَ أَنَّ هِرَقْلَ دَعَا بِكِتَابِ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَقَرَأَ فَإِذَا فِيهِ: «بِسْمِ اللَّهِ الرَّحْمَنِ الرَّحِيمِ وَ{يَا أَهْلَ الْكِتَابِ تَعَالَوْا إِلَى كَلِمَةٍ}». الآيَةَ
وَقَالَ عَطَاءٌ عَنْ جَابِرٍ حَاضَتْ عَائِشَةُ فَنَسَكَتِ الْمَنَاسِكَ غَيْرَ الطَّوَافِ بِالْبَيْتِ، وَلاَ تُصَلِّي
وَقَالَ الْحَكَمُ إِنِّي لأَذْبَحُ وَأَنَا جُنُبٌ
وَقَالَ اللَّهُ: {وَلاَ تَأْكُلُوا مِمَّا لَمْ يُذْكَرِ اسْمُ اللَّهِ عَلَيْهِ}

ইব্রাহীম (রহ.) বলেছেনঃ (হায়য অবস্থায়) আয়াত পাঠে কোন দোষ নেই। ইবনু ‘আববাস (রাযি.) জুনুবীর জন্য কুরআন পাঠে কোন দোষ মনে করতেন না। নাবী ﷺ সর্বাবস্থায় আল্লাহর যিক্র করতেন। উম্মু ‘আতিয়্যাহ (রাযি.) বলেনঃ (ঈদেন দিন) হায়য অবস্থায় মহিলাদের বাইরে নিয়ে আসার জন্য আমাদের বলা হতো, যাতে তারা পুরুষদের সাথে তাকবীর বলে ও দু‘আ করে। ইবনু ‘আববাস (রাযি.) আবূ সুফ্ইয়ান (রাযি.) হতে বর্ণনা করেন যে, হিরাক্লিয়াস (রোম সম্রাট) নাবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর পত্র চেয়ে নিলেন এবং তা পাঠ করলেন। তাতে লেখা ছিলঃ ‘‘দয়াময় পরম দয়ালু আল্লাহর নামে। (আপনি বলুন!) হে কিতাবীগণ! এস সে কথায় যা আমাদের ও তোমাদের মধ্যে একই-যেন আমরা আল্লাহ্ ব্যতীত কারো ইবাদত না করি। কোন কিছুকেই তাঁর শারীক না করি এবং আমাদের কেউ কাওকে আল্লাহ্ ব্যতীত রবরূপে গ্রহণ না করি। যদি তারা মুখ ফিরিয়ে নেয় তবে বলুন, তোমরা সাক্ষী থাক আমরা মুসলিম- (সূরাহ্ আলে-‘ইমরান ৩/৬৪)। ‘আত্বা (রহ.) জাবির (রাযি.) হতে বর্ণনা করেন যে, ‘আয়িশাহ (রাযি.) হায়য অবস্থায় কা‘বা ত্বওয়াফ ছাড়া হাজ্জের অন্যান্য আহকাম পালন করেছেন কিন্তু সালাত আদায় করেননি। হাকাম (রহ.) বলেছেনঃ আমি জুনুবী অবস্থায়ও যবহ করে থাকি। অথচ আল্লাহর বাণী হলোঃ ‘‘তোমরা আহার করো না সে সব প্রাণী, যার উপর আল্লাহর নাম নেয়া হয়নি।’’ (সূরাহ্ আন‘আম ৬/১১)

৩০৫। আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ তিনি বলেনঃ আমরা আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সঙ্গে হজ্জের উদ্দেশ্যে বেরিয়েছিলাম। আমরা ‘সারিফ’ নামক স্থানে পৌঁছেলে আমি ঋতুবতী হই। এ সময় নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এসে আমাকে কাঁদতে দেখলেন এবং জিজ্ঞেস করলেনঃ তুমি কাঁদছ কেন? আমি বললামঃ আল্লাহ্‌র শপথ! এ বছর হজ্জ না করাই আমার জন্য পছন্দনীয়। তিনি বললেনঃ সম্ভবত তুমি ঋতুবতী হয়েছ। আমি বললাম, হ্যাঁ। তিনি বললেনঃ এটাতো আদম-কন্যাদের জন্যে আল্লাহ্‌ নির্ধারিত করেছেন। তুমি পবিত্র হওয়া পর্যন্ত অন্যান্য হাজীদের মত সমস্ত কাজ করে যাও, কেবল কা’বার তাওয়াফ করবে না। (২৯৪) (আ.প্র. ২৯৪, ই.ফা. ২৯৯)

হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih) 

☞ নিজের ইচ্ছার বিরুদ্ধে গিয়ে হলেও স্বামীর যৌনচাহিদা মেটাতে হবে

গ্রন্থঃ সহীহ মুসলিম (হাঃ একাডেমী)
অধ্যায়ঃ ১৭। বিবাহ (كتاب النكاح)
হাদিস নম্বরঃ ৩৪৩৩

২০. স্বামীর বিছানা পরিহার করা স্ত্রীর জন্য নিষিদ্ধ

৩৪৩৩-(১২২/…) আবূ বাকর ইবনু শায়বাহ, আবূ কুরায়ব, আবূ সাঈদ আল আশাজ্জ ও যুহায়র ইবনু হারব (রহিমাহুমুল্লাহ) ….. আবূ হুরায়রাহ্ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ স্বামী যখন স্ত্রীকে বিছানায় আহবান করে এবং সে না আসায় তার স্বামী তার প্রতি অসন্তুষ্ট হয়ে রাত্রি যাপন করে, সে স্ত্রীর প্রতি ফেরেশতাগণ ভোর হওয়া পর্যন্ত লা’নাত করতে থাকে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৪০৬, ইসলামীক সেন্টার ৩৪০৫)

হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)

গ্রন্থঃ সহীহ মুসলিম (হাঃ একাডেমী)
অধ্যায়ঃ ১৭। বিবাহ (كتاب النكاح)
হাদিস নম্বরঃ ৩৪৩২

২০. স্বামীর বিছানা পরিহার করা স্ত্রীর জন্য নিষিদ্ধ

৩৪৩২-(১২১/…) ইবনু আবূ উমার (রহঃ) ….. আবূ হুরায়রাহ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ কসম সে সত্তার যার হাতে আমার জীবন। কোন ব্যক্তি তার স্ত্রীকে যখন বিছানায় আহ্বান করে, কিন্তু সে তা অস্বীকার করে, নিঃসন্দেহে যে পর্যন্ত সে তার স্ত্রীর প্রতি সন্তুষ্টি না হয়, ততক্ষণ আসমানবাসী তার প্রতি অসন্তুষ্ট থাকে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৪০৫, ইসলামীক সেন্টার ৩৪০৪)

হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)

গ্রন্থঃ মিশকাতুল মাসাবীহ (মিশকাত)

অধ্যায়ঃ পর্ব-১৩ঃ বিবাহ (كتاب النكاح)

হাদিস নাম্বার: 3257

৩২৫৭-[২০] ত্বলক্ব ইবনু ‘আলী (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ কোনো স্বামী নিজ প্রয়োজনে স্বীয় স্ত্রীকে ডাকলে, সে যেন তৎক্ষণাৎ তার ডাকে সাড়া দেয়, যদিও সে চুলার পাশে (গৃহকর্মীর কাজে) ব্যস্ত থাকে। (তিরমিযী)[1]

হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)

Marufur Rahman Khan

Ex-Muslim Atheist - Feminist - Secularist

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *