ইসলাম কি অমুসলিমদের সাথে বন্ধুত্বের অনুমোদন দেয়?

Print Friendly, PDF & Email

না, ইসলাম মুসলিমদেরকে অমুসলিমদের সাথে বন্ধুত্বের অনুমোদন দেয়না। ইসলামে অমুসলিমদের সাথে বন্ধুত্ব বা আন্তরিক সম্পর্ক রাখা হারাম। কুরআন-সুন্নাহয় খুব স্পষ্টভাবেই, অমুসলিমদেরকে বন্ধুরূপে গ্রহণ করতে নিষেধ করা হয়েছে। একজন অমুসলিম যতই ভালো মানুষ হয়ে থাকুক না কেনো, আপনাকে যতই ভালোবাসুক না কেনো, আপনার যতই উপকার করুক না কেনো, আপনি যদি একজন মুসলিম হয়ে থাকেন আপনি তাকে বন্ধু মনে করতে পারবেন না, তার প্রতি আপনার মনে কোনো ভালোবাসা থাকতে পারবে না, তাকে আপনার শত্রু হিসেবেই দেখতে হবে। কথিত শান্তির ধর্ম থেকে এ শিক্ষাই পাওয়া যায়।

কুরআন

কুরআনের বেশকিছু আয়াতেই মুসলিমদেরকে মুসলিম ব্যাতীত কাউকে বন্ধুরূপে গ্রহণ করতে নিষেধ করা হয়েছে। কৌতুহলী পাঠকদের উদ্দেশ্যে সেই আয়াতসমূহ তুলে ধরছি, সেইসাথে সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য তাফসীর হিসেবে খ্যাত তাফসীরে ইবনে কাসির থেকে সেই আয়াতসমূহের তাফসীরও তুলে ধরছি,

সূরা আলে-ইমরান: আয়াত ২৮

3:28
لَا یَتَّخِذِ الۡمُؤۡمِنُوۡنَ الۡکٰفِرِیۡنَ اَوۡلِیَآءَ مِنۡ دُوۡنِ الۡمُؤۡمِنِیۡنَ ۚ وَ مَنۡ یَّفۡعَلۡ ذٰلِکَ فَلَیۡسَ مِنَ اللّٰہِ فِیۡ شَیۡءٍ اِلَّاۤ اَنۡ تَتَّقُوۡا مِنۡہُمۡ تُقٰىۃً ؕ وَ یُحَذِّرُکُمُ اللّٰہُ نَفۡسَہٗ ؕ وَ اِلَی اللّٰہِ الۡمَصِیۡرُ ﴿۲۸﴾
English – Sahih International
Let not believers take disbelievers as allies rather than believers. And whoever [of you] does that has nothing with Allah, except when taking precaution against them in prudence. And Allah warns you of Himself, and to Allah is the [final] destination.
Bengali – Bayaan Foundation
মুমিনরা যেন মুমিনদের ছাড়া কাফিরদেরকে বন্ধু না বানায়। আর যে কেউ এরূপ করবে, আল্লাহর সাথে তার কোন সম্পর্ক নেই। তবে যদি তাদের পক্ষ থেকে তোমাদের কোন ভয়ের আশঙ্কা থাকে। আর আল্লাহ তোমাদেরকে তাঁর নিজের ব্যাপারে সতর্ক করছেন এবং আল্লাহর নিকটই প্রত্যাবর্তন।
Bengali – Taisirul Quran
মু’মিনগণ যেন মু’মিনগণ ছাড়া কাফিরদের সঙ্গে বন্ধুত্ব না করে, মূলতঃ যে এমন করবে আল্লাহর সাথে তার কোন কিছুরই সম্পর্ক নেই, তবে ব্যতিক্রম হল যদি তোমরা তাদের যুলম হতে আত্মরক্ষার জন্য সতর্কতা অবলম্বন কর। আর আল্লাহ তাঁর নিজের সম্বন্ধে তোমাদেরকে সাবধান করছেন এবং আল্লাহরই দিকে প্রত্যাবর্তন।

তাফসীর

অমুসলিমদের
সূরা আলে-ইমরানের ২৮ নং আয়াতের ব্যাখ্যায়
ইবনে কাসির
অমুসলিমদের
সূরা আলে-ইমরানের ২৮ নং আয়াতের ব্যাখ্যায়
ইবনে কাসির

সূরা আলে-ইমরান: আয়াত ১১৮

3:118
یٰۤاَیُّہَا الَّذِیۡنَ اٰمَنُوۡا لَا تَتَّخِذُوۡا بِطَانَۃً مِّنۡ دُوۡنِکُمۡ لَا یَاۡلُوۡنَکُمۡ خَبَالًا ؕ وَدُّوۡا مَا عَنِتُّمۡ ۚ قَدۡ بَدَتِ الۡبَغۡضَآءُ مِنۡ اَفۡوَاہِہِمۡ ۚۖ وَ مَا تُخۡفِیۡ صُدُوۡرُہُمۡ اَکۡبَرُ ؕ قَدۡ بَیَّنَّا لَکُمُ الۡاٰیٰتِ اِنۡ کُنۡتُمۡ تَعۡقِلُوۡنَ ﴿۱۱۸﴾
English – Sahih International
O you who have believed, do not take as intimates those other than yourselves, for they will not spare you [any] ruin. They wish you would have hardship. Hatred has already appeared from their mouths, and what their breasts conceal is greater. We have certainly made clear to you the signs, if you will use reason.
Bengali – Bayaan Foundation
হে মুমিনগণ, তোমরা তোমাদের ছাড়া অন্য কাউকে অন্তরঙ্গ বন্ধুরূপে গ্রহণ করো না। তারা তোমাদের সর্বনাশ করতে ত্রুটি করবে না। তারা তোমাদের মারাত্মক ক্ষতি কামনা করে। তাদের মুখ থেকে তো শত্রুতা প্রকাশ পেয়ে গিয়েছে। আর তাদের অন্তরসমূহ যা গোপন করে তা অধিক ভয়াবহ। অবশ্যই আমি তোমাদের জন্য আয়াতসমূহ স্পষ্ট বর্ণনা করেছি। যদি তোমরা উপলব্ধি করতে।
Bengali – Taisirul Quran
হে মু’মিনগণ! তোমরা তোমাদের নিজেদের লোক ছেড়ে অন্য কাউকেও বন্ধুরূপে গ্রহণ করো না, কারণ তারা তোমাদেরকে নষ্ট করতে ত্রুটি করবে না, তারা কেবল তোমাদের দুর্ভোগ কামনা করে, বস্তুতঃ তাদের মুখেও শত্রুতা প্রকাশিত হয়ে পড়ে এবং তাদের অন্তর যা লুকিয়ে রাখে তা আরও ভয়ঙ্কর, আমি তোমাদের কাছে তাদের লক্ষণগুলো স্পষ্ট করে দিলাম, যদি তোমরা অনুধাবন কর।

তাফসীর

অমুসলিমদের
সূরা আলে-ইমরানের ১১৮-১২০ নং আয়াতের ব্যাখ্যায়
ইবনে কাসির
অমুসলিমদের
সূরা আলে-ইমরানের ১১৮-১২০ নং আয়াতের ব্যাখ্যায়
ইবনে কাসির
অমুসলিমদের
সূরা আলে-ইমরানের ১১৮-১২০ নং আয়াতের ব্যাখ্যায়
ইবনে কাসির

সূরা আন-নিসা: আয়াত ১৪৪

4:144
یٰۤاَیُّہَا الَّذِیۡنَ اٰمَنُوۡا لَا تَتَّخِذُوا الۡکٰفِرِیۡنَ اَوۡلِیَآءَ مِنۡ دُوۡنِ الۡمُؤۡمِنِیۡنَؕ اَتُرِیۡدُوۡنَ اَنۡ تَجۡعَلُوۡا لِلّٰہِ عَلَیۡکُمۡ سُلۡطٰنًا مُّبِیۡنًا ﴿۱۴۴﴾
English – Sahih International
O you who have believed, do not take the disbelievers as allies instead of the believers. Do you wish to give Allah against yourselves a clear case?
Bengali – Bayaan Foundation
হে মুমিনগণ, তোমরা মুমিনগণ ছাড়া কাফিরদেরকে বন্ধুরূপে গ্রহণ করো না। তোমরা কি আল্লাহর জন্য তোমাদের বিপক্ষে কোন স্পষ্ট দলীল সাব্যস্ত করতে চাও?
Bengali – Taisirul Quran
হে ঈমানদারগণ! তোমরা মু’মিনদের পরিবর্তে কাফিরদেরকে তোমাদের বন্ধুরূপে গ্রহণ করো না, তোমরা কি তোমাদের নিজেদের বিরুদ্ধে আল্লাহর কাছে সুস্পষ্ট প্রমাণ পেশ করতে চাও?

তাফসীর

অমুসলিমদের
সূরা আন-নিসার ১৪৪-১৪৭ নং আয়াতের ব্যাখ্যায়
ইবনে কাসির
অমুসলিমদের
সূরা আন-নিসার ১৪৪-১৪৭ নং আয়াতের ব্যাখ্যায়
ইবনে কাসির
অমুসলিমদের
সূরা আন-নিসার ১৪৪-১৪৭ নং আয়াতের ব্যাখ্যায়
ইবনে কাসির

সূরা আল-মায়িদাহ: আয়াত ৫১

5:51
یٰۤاَیُّہَا الَّذِیۡنَ اٰمَنُوۡا لَا تَتَّخِذُوا الۡیَہُوۡدَ وَ النَّصٰرٰۤی اَوۡلِیَآءَ ۘؔ بَعۡضُہُمۡ اَوۡلِیَآءُ بَعۡضٍ ؕ وَ مَنۡ یَّتَوَلَّہُمۡ مِّنۡکُمۡ فَاِنَّہٗ مِنۡہُمۡ ؕ اِنَّ اللّٰہَ لَا یَہۡدِی الۡقَوۡمَ الظّٰلِمِیۡنَ ﴿۵۱﴾
English – Sahih International
O you who have believed, do not take the Jews and the Christians as allies. They are [in fact] allies of one another. And whoever is an ally to them among you – then indeed, he is [one] of them. Indeed, Allah guides not the wrongdoing people.
Bengali – Bayaan Foundation
হে মুমিনগণ, ইয়াহূদী ও নাসারাদেরকে তোমরা বন্ধুরূপে গ্রহণ করো না। তারা একে অপরের বন্ধু। আর তোমাদের মধ্যে যে তাদের সাথে বন্ধুত্ব করবে, সে নিশ্চয় তাদেরই একজন। নিশ্চয় আল্লাহ যালিম কওমকে হিদায়াত দেন না।
Bengali – Taisirul Quran
হে ঈমানদারগণ! তোমরা ইয়াহূদ ও নাসারাদেরকে বন্ধু হিসেবে গ্রহণ করো না, তারা একে অপরের বন্ধু। তোমাদের মধ্যে কেউ তাদেরকে বন্ধুরূপে গ্রহণ করলে সে তাদেরই অন্তর্ভুক্ত হবে। আল্লাহ যালিমদেরকে সৎপথে পরিচালিত করেন না।

তাফসীর

অমুসলিমদের
সূরা আল-মায়িদার ৫১-৫৩ নং আয়াতের ব্যাখ্যায়
ইবনে কাসির
অমুসলিমদের
সূরা আল-মায়িদার ৫১-৫৩ নং আয়াতের ব্যাখ্যায়
ইবনে কাসির
অমুসলিমদের
সূরা আল-মায়িদার ৫১-৫৩ নং আয়াতের ব্যাখ্যায়
ইবনে কাসির
অমুসলিমদের
সূরা আল-মায়িদার ৫১-৫৩ নং আয়াতের ব্যাখ্যায়
ইবনে কাসির

সূরা আত-তাওবা: আয়াত ২৩-২৪

কোরআন বলছে, নিজের আপন মা বাবা ভাই বোনও যদি ইসলামে বিশ্বাসী নাহয়, তাহলে তাদের সাথেও বন্ধুত্ব বা আন্তরিক সম্পর্ক রাখা যাবে না।

9:23
یٰۤاَیُّہَا الَّذِیۡنَ اٰمَنُوۡا لَا تَتَّخِذُوۡۤا اٰبَآءَکُمۡ وَ اِخۡوَانَکُمۡ اَوۡلِیَآءَ اِنِ اسۡتَحَبُّوا الۡکُفۡرَ عَلَی الۡاِیۡمَانِ ؕ وَ مَنۡ یَّتَوَلَّہُمۡ مِّنۡکُمۡ فَاُولٰٓئِکَ ہُمُ الظّٰلِمُوۡنَ ﴿۲۳﴾
English – Sahih International
O you who have believed, do not take your fathers or your brothers as allies if they have preferred disbelief over belief. And whoever does so among you – then it is those who are the wrongdoers.
Bengali – Bayaan Foundation
হে ঈমানদারগণ, তোমরা নিজদের পিতা ও ভাইদেরকে বন্ধুরূপে গ্রহণ করো না, যদি তারা ঈমান অপেক্ষা কুফরীকে প্রিয় মনে করে। তোমাদের মধ্য থেকে যারা তাদেরকে বন্ধুরূপে গ্রহণ করে তারাই যালিম।
Bengali – Taisirul Quran
হে বিশ্বাসীগণ! তোমরা তোমাদের পিতা আর ভাইদেরকে বন্ধুরূপে গ্রহণ করো না যদি তারা ঈমানের চেয়ে কুফরীকেই বেশি ভালবাসে। তোমাদের মধ্যে যারা তাদেরকে বন্ধুরূপে গ্রহণ করে, তারাই যালিম।

9:24
قُلۡ اِنۡ کَانَ اٰبَآؤُکُمۡ وَ اَبۡنَآؤُکُمۡ وَ اِخۡوَانُکُمۡ وَ اَزۡوَاجُکُمۡ وَ عَشِیۡرَتُکُمۡ وَ اَمۡوَالُۨ اقۡتَرَفۡتُمُوۡہَا وَ تِجَارَۃٌ تَخۡشَوۡنَ کَسَادَہَا وَ مَسٰکِنُ تَرۡضَوۡنَہَاۤ اَحَبَّ اِلَیۡکُمۡ مِّنَ اللّٰہِ وَ رَسُوۡلِہٖ وَ جِہَادٍ فِیۡ سَبِیۡلِہٖ فَتَرَبَّصُوۡا حَتّٰی یَاۡتِیَ اللّٰہُ بِاَمۡرِہٖ ؕ وَ اللّٰہُ لَا یَہۡدِی الۡقَوۡمَ الۡفٰسِقِیۡنَ ﴿٪۲۴﴾
English – Sahih International
Say, [O Muhammad], “If your fathers, your sons, your brothers, your wives, your relatives, wealth which you have obtained, commerce wherein you fear decline, and dwellings with which you are pleased are more beloved to you than Allah and His Messenger and jihad in His cause, then wait until Allah executes His command. And Allah does not guide the defiantly disobedient people.”
Bengali – Bayaan Foundation
বল, ‘তোমাদের পিতা, তোমাদের সন্তান, তোমাদের স্ত্রী, তোমাদের গোত্র, তোমাদের সে সম্পদ যা তোমরা অর্জন করেছ, আর সে ব্যবসা যার মন্দা হওয়ার আশঙ্কা তোমরা করছ এবং সে বাসস্থান, যা তোমরা পছন্দ করছ, যদি তোমাদের কাছে অধিক প্রিয় হয় আল্লাহ, তাঁর রাসূল ও তাঁর পথে জিহাদ করার চেয়ে, তবে তোমরা অপেক্ষা কর আল্লাহ তাঁর নির্দেশ নিয়ে আসা পর্যন্ত’। আর আল্লাহ ফাসিক সম্প্রদায়কে হিদায়াত করেন না।
Bengali – Taisirul Quran
বল, ‘যদি তোমাদের পিতারা, আর তোমাদের সন্তানেরা, আর তোমাদের ভাইয়েরা, আর তোমাদের স্ত্রীরা, আর তোমাদের গোষ্ঠীর লোকেরা আর ধন-সম্পদ যা তোমরা অর্জন করেছ, আর ব্যবসা তোমরা যার মন্দার ভয় কর, আর বাসস্থান যা তোমরা ভালবাস (এসব) যদি তোমাদের নিকট প্রিয়তর হয় আল্লাহ, তাঁর রসূল ও তাঁর পথে জিহাদ করা হতে, তাহলে অপেক্ষা কর যতক্ষণ না আল্লাহ তাঁর চূড়ান্ত ফয়সালা তোমাদের কাছে নিয়ে আসেন।’ আর আল্লাহ অবাধ্য আচরণকারীদেরকে সঠিক পথ প্রদর্শন করেন না।

তাফসীর

অমুসলিমদের
সূরা আত-তাওবার ২৩-২৪ নং আয়াতের ব্যাখ্যায়
ইবনে কাসির
অমুসলিমদের
সূরা আত-তাওবার ২৩-২৪ নং আয়াতের ব্যাখ্যায়
ইবনে কাসির

সূরা আত-তাওবা: আয়াত ১১৩-১১৪

কেবল অমুসলিমদের জন্য জাহান্নামের শাস্তি থেকে মুক্তির জন্য আল্লাহর কাছে দোয়া করা যাবে না তাই নয়, নিজের আপন মা বাবা ভাই বোন অমুসলিম হলে তাদের জন্যও জাহান্নামের অনন্তকাল শাস্তি থেকে মুক্তির জন্য দোয়া করা যাবে না।

9:113
مَا کَانَ لِلنَّبِیِّ وَ الَّذِیۡنَ اٰمَنُوۡۤا اَنۡ یَّسۡتَغۡفِرُوۡا لِلۡمُشۡرِکِیۡنَ وَ لَوۡ کَانُوۡۤا اُولِیۡ قُرۡبٰی مِنۡۢ بَعۡدِ مَا تَبَیَّنَ لَہُمۡ اَنَّہُمۡ اَصۡحٰبُ الۡجَحِیۡمِ ﴿۱۱۳﴾
English – Sahih International
It is not for the Prophet and those who have believed to ask forgiveness for the polytheists, even if they were relatives, after it has become clear to them that they are companions of Hellfire.
Bengali – Bayaan Foundation
নবী ও মুমিনদের জন্য উচিত নয় যে, তারা মুশরিকদের জন্য ক্ষমা প্রার্থনা করবে। যদিও তারা আত্মীয় হয়। তাদের নিকট এটা স্পষ্ট হয়ে যাওয়ার পর যে, নিশ্চয় তারা প্রজ্বলিত আগুনের অধিবাসী।
Bengali – Taisirul Quran
নাবী ও মু’মিনদের জন্য শোভনীয় নয় মুশরিকদের জন্য ক্ষমা প্রার্থনা করা, তারা আত্মীয়-স্বজন হলেও, যখন এটা তাদের কাছে সুস্পষ্ট যে, তারা জাহান্নামের অধিবাসী।

9:114
وَ مَا کَانَ اسۡتِغۡفَارُ اِبۡرٰہِیۡمَ لِاَبِیۡہِ اِلَّا عَنۡ مَّوۡعِدَۃٍ وَّعَدَہَاۤ اِیَّاہُ ۚ فَلَمَّا تَبَیَّنَ لَہٗۤ اَنَّہٗ عَدُوٌّ لِّلّٰہِ تَبَرَّاَ مِنۡہُ ؕ اِنَّ اِبۡرٰہِیۡمَ لَاَوَّاہٌ حَلِیۡمٌ ﴿۱۱۴﴾
English – Sahih International
And the request of forgiveness of Abraham for his father was only because of a promise he had made to him. But when it became apparent to Abraham that his father was an enemy to Allah, he disassociated himself from him. Indeed was Abraham compassionate and patient.
Bengali – Bayaan Foundation
নিজ পিতার জন্য ইবরাহীমের ক্ষমা প্রার্থনা তো ছিল একটি ওয়াদার কারণে, যে ওয়াদা সে তাকে দিয়েছিল। অতঃপর যখন তার নিকট স্পষ্ট হয়ে গেল যে, নিশ্চয় সে আল্লাহর শত্রু, সে তার সাথে সম্পর্ক ছিন্ন করল। নিশ্চয় ইবরাহীম ছিল অধিক প্রার্থনাকারী ও সহনশীল।
Bengali – Taisirul Quran
ইবরাহীমের পিতার জন্য ক্ষমা প্রার্থনার ব্যাপারটি কেবলমাত্র তার প্রতিশ্রুতি রক্ষার্থে যা সে তার পিতাকে দিয়েছিল। কিন্তু যখন এটা তার কাছে স্পষ্ট হয়ে গেল যে, সে আল্লাহর শত্রু, তখন সে তার থেকে সম্পর্ক ছিন্ন করল; ইবরাহীম ছিল অতি কোমল হৃদয়, সহিষ্ণু।

তাফসীর

অমুসলিমদের
সূরা আত-তাওবার ১১৩-১১৪ নং আয়াতের ব্যাখ্যায়
ইবনে কাসির
অমুসলিমদের
সূরা আত-তাওবার ১১৩-১১৪ নং আয়াতের ব্যাখ্যায়
ইবনে কাসির
অমুসলিমদের
সূরা আত-তাওবার ১১৩-১১৪ নং আয়াতের ব্যাখ্যায়
ইবনে কাসির
অমুসলিমদের
সূরা আত-তাওবার ১১৩-১১৪ নং আয়াতের ব্যাখ্যায়
ইবনে কাসির
অমুসলিমদের
সূরা আত-তাওবার ১১৩-১১৪ নং আয়াতের ব্যাখ্যায়
ইবনে কাসির
অমুসলিমদের
সূরা আত-তাওবার ১১৩-১১৪ নং আয়াতের ব্যাখ্যায়
ইবনে কাসির
অমুসলিমদের
সূরা আত-তাওবার ১১৩-১১৪ নং আয়াতের ব্যাখ্যায়
ইবনে কাসির
অমুসলিমদের
সূরা আত-তাওবার ১১৩-১১৪ নং আয়াতের ব্যাখ্যায়
ইবনে কাসির
অমুসলিমদের
সূরা আত-তাওবার ১১৩-১১৪ নং আয়াতের ব্যাখ্যায়
ইবনে কাসির

হাদিস

কিছু হাদিসেও খুব পরিষ্কারভাবেই অমুসলিমদেরকে বন্ধুরূপে গ্রহণ করতে নিষেধ করা হয়েছে।

গ্রন্থঃ সুনান আবূ দাউদ (তাহকিককৃত)
অধ্যায়ঃ ৩৬/ শিষ্টাচার (كتاب الأدب)
হাদিস নম্বরঃ ৪৮৩৩
১৯. যার সংস্পর্শে বসা উচিত
৪৯৩৩। আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ মানুষ তার বন্ধুর রীতিনীতির অনুসারী হয়। কাজেই তোমাদের প্রত্যেকেই যেন লক্ষ্য করে, সে কার সঙ্গে বন্ধুত্ব করছে।[1]
হাসান।
[1]. তিরমিযী, আহমাদ। হাদিসের মানঃ হাসান (Hasan)

গ্রন্থঃ সুনান আবূ দাউদ (তাহকিককৃত)
অধ্যায়ঃ ৩৬/ শিষ্টাচার (كتاب الأدب)
হাদিস নম্বরঃ ৪৮৩২
১৯. যার সংস্পর্শে বসা উচিত
৪৮৩২। আবূ সাঈদ (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ তুমি মু‘মিন ব্যক্তি ব্যতীত অন্য কারো সঙ্গী হবে না এবং তোমার খাদ্য যেন পরহেযগার লোকে খায়।(1)
হাসান।
(1). তিরমিযী, আহমাদ। হাদিসের মানঃ হাসান (Hasan)

গ্রন্থঃ সুনান আবূ দাউদ (তাহকিককৃত)
অধ্যায়ঃ ৯/ জিহাদ (كتاب الجهاد)
হাদিস নম্বরঃ ২৭৮৭
১৮২. মুশরিকদের এলাকায় অবস্থান সম্পর্কে
২৭৮৭। সামুরাহ ইবনু জুনদুব (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। অতঃপর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ কেউ কোনো মুশরিকের সাহচর্যে থাকলে এবং তাদের সাথে বসবাস করলে সে তাদেরই মতো।(1)
(1). সহীহ। হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)

অ্যাপোলজিস্টগণের দাবি

অনেকেই সূরা আল-মুমতাহিনার ৮ এবং ৯ নং আয়াত উপস্থাপন করে প্রমাণ করার চেষ্টা করেন, ইসলাম মুসলিমদেরকে অমুসলিমদের সাথে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক রাখতে নিষেধ করে না, ইসলাম কেবল তাদের সাথেই বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক রাখতে নিষেধ করে যারা মুসলিমদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করেছে, যারা মুসলিমদেরকে তাদের ঘরবাড়ি থেকে বের করে দিয়েছে, যারা বের করে দিতে সাহায্য করেছে।

60:8
لَا یَنۡہٰىکُمُ اللّٰہُ عَنِ الَّذِیۡنَ لَمۡ یُقَاتِلُوۡکُمۡ فِی الدِّیۡنِ وَ لَمۡ یُخۡرِجُوۡکُمۡ مِّنۡ دِیَارِکُمۡ اَنۡ تَبَرُّوۡہُمۡ وَ تُقۡسِطُوۡۤا اِلَیۡہِمۡ ؕ اِنَّ اللّٰہَ یُحِبُّ الۡمُقۡسِطِیۡنَ ﴿۸﴾
English – Sahih International
Allah does not forbid you from those who do not fight you because of religion and do not expel you from your homes – from being righteous toward them and acting justly toward them. Indeed, Allah loves those who act justly.
Bengali – Bayaan Foundation
দীনের ব্যাপারে যারা তোমাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করেনি এবং তোমাদেরকে তোমাদের বাড়ি-ঘর থেকে বের করে দেয়নি, তাদের প্রতি সদয় ব্যবহার করতে এবং তাদের প্রতি ন্যায়বিচার করতে আল্লাহ তোমাদেরকে নিষেধ করছেন না। নিশ্চয় আল্লাহ ন্যায় পরায়ণদেরকে ভালবাসেন।
Bengali – Taisirul Quran
দীনের ব্যাপারে যারা তোমাদের সাথে যুদ্ধ করেনি, আর তোমাদেরকে তোমাদের ঘর-বাড়ী থেকে বের ক’রে দেয়নি তাদের সঙ্গে সদয় ব্যবহার করতে আর ন্যায়নিষ্ঠ আচরণ করতে আল্লাহ নিষেধ করেন নি। আল্লাহ ন্যায়পরায়ণদেরকে ভালবাসেন।

60:9
اِنَّمَا یَنۡہٰىکُمُ اللّٰہُ عَنِ الَّذِیۡنَ قٰتَلُوۡکُمۡ فِی الدِّیۡنِ وَ اَخۡرَجُوۡکُمۡ مِّنۡ دِیَارِکُمۡ وَ ظٰہَرُوۡا عَلٰۤی اِخۡرَاجِکُمۡ اَنۡ تَوَلَّوۡہُمۡ ۚ وَ مَنۡ یَّتَوَلَّہُمۡ فَاُولٰٓئِکَ ہُمُ الظّٰلِمُوۡنَ ﴿۹﴾
English – Sahih International
Allah only forbids you from those who fight you because of religion and expel you from your homes and aid in your expulsion – [forbids] that you make allies of them. And whoever makes allies of them, then it is those who are the wrongdoers.
Bengali – Bayaan Foundation
আল্লাহ কেবল তাদের সাথেই বন্ধুত্ব করতে নিষেধ করেছেন, যারা দীনের ব্যাপারে তোমাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করেছে এবং তোমাদেরকে তোমাদের ঘর-বাড়ী থেকে বের করে দিয়েছে ও তোমাদেরকে বের করে দেয়ার ব্যাপারে সহায়তা করেছে। আর যারা তাদের সাথে বন্ধুত্ব করে, তারাই তো যালিম।
Bengali – Taisirul Quran
আল্লাহ তোমাদেরকে কেবল তাদের সঙ্গে বন্ধুত্ব করতে নিষেধ করেছেন যারা তোমাদের সঙ্গে দীনের ব্যাপারে যুদ্ধ করেছে, তোমাদেরকে তোমাদের ঘর-বাড়ী থেকে বের করে দিয়েছে আর তোমাদেরকে বের করে দেয়ার ব্যাপারে সাহায্য করেছে। যারা তাদের সঙ্গে বন্ধুত্ব করে তারাই যালিম।

সূরা আল-মুমতাহিনার আয়াত দুটি কি আসলেই প্রমাণ করে যে, ইসলাম অমুসলিমদের সাথে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক রাখতে নিষেধ করে না? না, করে না।

কুরআনে যদি দুটি আয়াতের মধ্যে বৈপরীত্য থাকে তাহলে আয়াত দুটির মধ্যে যে আয়াতটি আগে নাজিল হয়েছে সেই আয়াতটি পরে নাজিল হওয়া আয়াতের দ্বারা রহিত হয়ে যায়। কুরআনে এবিষয়ে সুস্পষ্ট বর্ণনা রয়েছে।

2:106
مَا نَنۡسَخۡ مِنۡ اٰیَۃٍ اَوۡ نُنۡسِہَا نَاۡتِ بِخَیۡرٍ مِّنۡہَاۤ اَوۡ مِثۡلِہَا ؕ اَلَمۡ تَعۡلَمۡ اَنَّ اللّٰہَ عَلٰی کُلِّ شَیۡءٍ قَدِیۡرٌ ﴿۱۰۶﴾
English – Sahih International
We do not abrogate a verse or cause it to be forgotten except that We bring forth [one] better than it or similar to it. Do you not know that Allah is over all things competent?
Bengali – Bayaan Foundation
আমি যে আয়াত রহিত করি কিংবা ভুলিয়ে দেই, তার চেয়ে উত্তম কিংবা তার মত আনয়ন করি। তুমি কি জান না যে, আল্লাহ সব কিছুর উপর ক্ষমতাবান।
Bengali – Taisirul Quran
আমি কোন আয়াত রহিত করলে কিংবা ভুলিয়ে দিলে, তাত্থেকে উত্তম কিংবা তারই মত আয়াত নিয়ে আসি, তুমি কি জান না যে, আল্লাহ প্রত্যেক বস্তুর উপর ক্ষমতাবান।

কুরআনের সূরাসমূহের নাজিল হওয়ার সময়ানুক্রম অনুযায়ী, সূরা আল-মুমতাহিনা কুরআনের ৯১তম সূরা। অন্যদিকে, সূরা আন-নিসা, সূরা আল-মায়িদা এবং সূরা আত-তাওবা যথাক্রমে ৯২তম, ১১২তম এবং ১১৩তম সূরা। যার মানে, সূরা আল-মুমতাহিনার আয়াতসমূহ সূরা আন-নিসা, সূরা আল-মায়িদাহ এবং সূরা আত-তাওবার আয়াতসমূহের আগে নাজিল হয়েছিলো।

সূরা আল-মুমতাহিনার ৯ নং আয়াতে অমুসলিমদের সাথে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের অনুমোদন দিলেও পরবর্তী সময়ে নাজিল হওয়া সূরা আন-নিসার ১৪৪ নং আয়াতে স্পষ্টভাবেই যারা মুসলিম নয় তাদেরকে বন্ধুরূপে গ্রহণ করতে নিষেধ করা হয়েছে, সূরা আল-মায়িদার ৫১ নং আয়াতে ইহুদী-খ্রিস্টানদেরকে বন্ধুরূপে গ্রহণ করতে নিষেধ করা হয়েছে, সূরা আত-তাওবার ২৩-২৪ নং আয়াতে তো নিজের সবচেয়ে আপন মানুষদেরকেও পর মনে করতে বলা হয়েছে যদি না তারা ইসলামে বিশ্বাস করে। অর্থ্যাৎ, সূরা আল-মুমতাহিনার ৯ নং আয়াতটি পরবর্তী সময়ে নাজিল হওয়া সূরা আন-নিসা, সূরা আল-মায়িদা এবং সূরা আত-তাওবার আয়াতসমূহ দ্বারা রহিত।

Marufur Rahman Khan

Marufur Rahman Khan is a Bangladeshi Atheist, Feminist, Secularist Blogger.

5 thoughts on “ইসলাম কি অমুসলিমদের সাথে বন্ধুত্বের অনুমোদন দেয়?

  • July 5, 2020 at 10:45 PM
    Permalink

    সুরা নিসার ৩৬ নং আয়াত তো এধর‌নের কথা ব‌লে না।সেখ‌নে বলা আ‌ছে — উপাসনা কর আল্লাহর, শরীক করো না তাঁর সাথে অপর কাউকে। পিতা-মাতার সাথে সৎ ও সদয় ব্যবহার কর এবং নিকটাত্নীয়, এতীম-মিসকীন, প্রতিবেশী, অসহায় মুসাফির এবং নিজের দাস-দাসীর প্রতিও। নিশ্চয়ই আল্লাহ পছন্দ করেন না দাম্ভিক-গর্বিতজনকে ।

    Reply
  • August 7, 2020 at 10:04 AM
    Permalink

    ভাই এইখানে ৬০ নং সূরার ৯ নং আয়াত আপনি একেকবারেই ইগ্নোর করে গেছেন। আল – কুরআনে লেখা আছে:
    “আল্লাহ কেবল তাদের সাথে বন্ধুত্ব করতে নিষেধ করেন, যারা ধর্মের ব্যাপারে তোমাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করেছে, তোমাদেরকে দেশ থেকে বহিস্কৃত করেছে এবং বহিস্কারকার্যে সহায়তা করেছে। যারা তাদের সাথে বন্ধুত্ব করে তারাই জালেম।” (৬০:৯)। আপনি যদি এই আয়াতের সাথে কাফেরদের সাথে বন্ধুত্বের অন্য আয়াত মিলিয়ে পড়েন তবে আপনার সব ক্লিয়ার হবার কথা। এটির তফসীরও আপনি চাইলে দেখতে পারেন। অতএব কুরআন শরীফ হিসেবে কেবল মাত্র সেইসব কাফেরদের সাথে বন্ধুত্ব করা যাবে না যারা মুসলমানদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করেছে এবং মুসলমানদের নিজ বাসস্থান থেকে তাড়িয়ে দিয়েছে। আপনি যদি সূরাগুলোর নাজিলের সময়ক্রম দেখেন তবুও আপনি বুঝবেন যে বন্ধুত্ব না করার ক্ষেত্রে যেসব কাফিরদের কথা বলা হচ্ছে তারা নির্দিষ্ট কিছু কাফের, ঢালাওভাবে সকল কাফির না। শুধু শুধু জল ঘোলা করার কোনো কারণ দেখি না। কোনো কিছুর দাবি করলে এর গভীর পর্যন্ত গিয়ে তারপর যাচাই করবেন, অযথা মানুষকে বিভ্রান্ত করবেন না।

    Reply
    • March 31, 2021 at 9:05 AM
      Permalink

      সূরা আল মুমতাহিনার ৯ নং আয়াতটি মুসলিমরা মদিনা পৌঁছানোর শুরুর দিকে বর্ণিত হয়েছিলো, যখন মুসলিমদের নিজেদের সুবিধার জন্য অমুসলিমদের সাথে মিত্রতা জরুরি ছিলো। সূরা আল মায়েদা এবং সূরা আত তওবার আয়াতসমূহ পরবর্তী সময়ে নাজিল হয়েছিলো যখন মুসলিমদের হাতে ক্ষমতা ও শক্তি ছিলো।

      অতএব, সূরা আল মুমতাহিনার ৯ নং আয়াতটি ব্যবহার করে কিছুই প্রমাণ করা যাচ্ছে না।

      Reply
  • December 15, 2020 at 11:33 AM
    Permalink

    islam is a name of cancer look all over the world please

    Reply
  • May 12, 2021 at 5:06 PM
    Permalink

    অমুসলিমদের সাথে বন্ধুত্ব করা যাবে না ?

    লিখেছেনঃ এম ডি আলী

    প্রশ্নঃ ৮/ নিচের আয়াত সমূহ থেকে প্রমান হচ্ছে যে অমুসলিমদের সাথে বন্ধুত্ব করা যাবে না ?

    * সুরা মায়েদা ৫:৫১ = হে মুমিণগণ! তোমরা ইহুদী ও খ্রীষ্টানদেরকে বন্ধু হিসাবে গ্রহণ করো না। তারা একে অপরের বন্ধু। তোমাদের মধ্যে যে তাদের সাথে বন্ধুত্ব করবে, সে তাদেরই অন্তর্ভুক্ত। আল্লাহ জালেমদেরকে পথ প্রদর্শন করেন না।

    * সুরা ইমরান ৩:২৮ = মুমিনগন যেন অন্য মুমিনকে ছেড়ে কোন কাফেরকে বন্ধুরূপে গ্রহণ না করে। যারা এরূপ করবে আল্লাহর সাথে তাদের কেন সম্পর্ক থাকবে না। তবে যদি তোমরা তাদের পক্ষ থেকে কোন অনিষ্টের আশঙ্কা কর, তবে তাদের সাথে সাবধানতার সাথে থাকবে আল্লাহ তা’আলা তাঁর সম্পর্কে তোমাদের সতর্ক করেছেন। এবং সবাই কে তাঁর কাছে ফিরে যেতে হবে।

    * সুরা নিসা ৪:৮৯ = তারা চায় যে, তারা যেমন কাফের, তোমরাও তেমনি কাফের হয়ে যাও, যাতে তোমরা এবং তারা সব সমান হয়ে যাও। অতএব, তাদের মধ্যে কাউকে বন্ধুরূপে গ্রহণ করো না, যে পর্যন্ত না তারা আল্লাহর পথে হিজরত করে চলে আসে। অতঃপর যদি তারা বিমুখ হয়, তবে তাদেরকে পাকড়াও কর এবং যেখানে পাও হত্যা কর। তাদের মধ্যে কাউকে বন্ধুরূপে গ্রহণ করো না এবং সাহায্যকারী বানিও না।

    * সুরা নিসা ৪:১৩৯ = যারা মুসলমানদের বর্জন করে কাফেরদেরকে নিজেদের বন্ধু বানিয়ে নেয় এবং তাদেরই কাছে সম্মান প্রত্যাশা করে, অথচ যাবতীয় সম্মান শুধুমাত্র আল্লাহরই জন্য।

    * সুরা নিসা ৪:১৪৪ = হে ঈমানদারগণ! তোমরা কাফেরদেরকে বন্ধু বানিও না মুসলমানদের বাদ দিয়ে। তোমরা কি এমনটি করে নিজের উপর আল্লাহর প্রকাশ্য দলীল কায়েম করে দেবে?

    * সুরা মুমতাহিনা ৬০:১৩ = মুমিনগণ, আল্লাহ যে জাতির প্রতি রুষ্ট, তোমরা তাদের সাথে বন্ধুত্ব করো না। তারা পরকাল সম্পর্কে নিরাশ হয়ে গেছে যেমন কবরস্থ কাফেররা নিরাশ হয়ে গেছে।

    উত্তরঃ প্রথমে আমরা উপরের আয়াতেই মুল উদ্দেশ্য বর্ণনা করব এরপরে শেষে আমাদের দাবি উপস্থাপন করবঃ

    = সুরা মায়েদা ৫:৫১ এই আয়াতের ব্যাখ্যায় ডঃ মুজিবুর রহমান অনুবাদ, তাফসীরে ইবনে কাসিরে, ৪ খণ্ড, ৮৫১ পৃষ্ঠায় বলা হয়েছে, এখানে আল্লাহ্‌ ইসলামের শত্রু ইহুদী ও খৃষ্টানদের সাথে বন্ধুত্ব করতে নিষেধ করেছেন । তিনি বলেছেন তারা কখনো তোমাদের বন্ধু হতে পারে না । কেননা তোমাদের ধর্মের প্রতি তাদের হিংসা ও শত্রুতা রয়েছে । হ্যাঁ, তারা নিজেরা একে অপরের বন্ধু বটে । সুতরাং তোমাদের মধ্যে যারা তাদের সাথে বন্ধুত্ব কায়েম করবে তারা তাদেরই অন্তর্ভুক্ত হবে ।

    = সুরা ইমরান ৩:২৮ এই আয়াতের জবাব পরিষ্কার ভাবে বিস্তারিত দেয়া আছে, সুরা ইমরান ৩:১১৮ = হে ঈমানদারগণ! তোমরা মুমিন ব্যতীত অন্য কাউকে অন্তরঙ্গরূপে গ্রহণ করো না, তারা তোমাদের অমঙ্গল সাধনে কোন ক্রটি করে না-তোমরা কষ্টে থাক, তাতেই তাদের আনন্দ। শত্রুতাপ্রসুত বিদ্বেষ তাদের মুখেই ফুটে বেরোয়। আর যা কিছু তাদের মনে লুকিয়ে রয়েছে, তা আরো অনেকগুণ বেশী জঘন্য। তোমাদের জন্যে নিদর্শন বিশদভাবে বর্ণনা করে দেয়া হলো, যদি তোমরা তা অনুধাবন করতে সমর্থ হও।

    এবং সুরা ইমরান ৩:১১৯ = দেখ! তোমরাই তাদের ভালবাস, কিন্তু তারা তোমাদের প্রতি মোটেও সদভাব পোষণ করে না। আর তোমরা সমস্ত কিতাবেই বিশ্বাস কর। অথচ তারা যখন তোমাদের সাথে এসে মিশে, বলে, আমরা ঈমান এনেছি। পক্ষান্তরে তারা যখন পৃথক হয়ে যায়, তখন তোমাদের উপর রোষবশতঃ আঙ্গুল কামড়াতে থাকে। বলুন, তোমরা আক্রোশে মরতে থাক। আর আল্লাহ মনের কথা ভালই জানেন।

    এবং সুরা ইমরান ৩:১২০ = তোমাদের যদি কোন মঙ্গল হয়; তাহলে তাদের খারাপ লাগে। আর তোমাদের যদি অমঙ্গল হয় তাহলে আনন্দিত হয় আর তাতে যদি তোমরা ধৈর্য্যধারণ কর এবং তাকওয়া অবলম্বন কর, তবে তাদের প্রতারণায় তোমাদের কোনই ক্ষতি হবে না। নিশ্চয়ই তারা যা কিছু করে সে সমস্তই আল্লাহর আয়ত্তে রয়েছে।

    আয়াত সমুহে পরিষ্কার হচ্ছে যে, যেহেতু অমুসলিমরা মুসলিমদের ভাল চায় না , মুসলিমদের ক্ষতিতে অমুসলিমরা খুশি হয়, ক্ষতি চায়, এবং মুসলিমদের ক্ষতি হলে অমুসলিমরা আনন্দিত হয় তাই আল্লাহ্‌ তাদের সাথে অন্তরঙ্গ বন্ধু স্থাপন করতে নিষেধ করেছেন ।

    = সুরা নিসা ৪:৮৯ আয়াতেই পরিষ্কার বলা হচ্ছে যে কাফেররা চায় মুসলিমরাও তাদের সাথে কাফের হয়ে যাক তাই আল্লাহ্‌ তাদের সাথে বন্ধুত্ব করতে নিষেধ করেছেন । তবে পরের আয়াতেই আবার আল্লাহ্‌ বলছেন তথা সুরা নিসা ৪:৯০ = কিন্তু যারা এমন সম্প্রদায়ের সাথে মিলিত হয় যে, তোমাদের মধ্যে ও তাদের মধ্যে চুক্তি আছে অথবা তোমাদের কাছে এভাবে আসে যে, তাদের অন্তর তোমাদের সাথে এবং স্বজাতির সাথেও যুদ্ধ করতে অনিচ্ছুক। যদি আল্লাহ ইচ্ছে করতেন, তবে তোমাদের উপর তাদেরকে প্রবল করে দিতেন। ফলে তারা অবশ্যই তোমাদের সাথে যুদ্ধ করত। অতঃপর যদি তারা তোমাদের থেকে পৃথক থাকে তোমাদের সাথে যুদ্ধ না করে এবং তোমাদের সাথে সন্ধি করে, তবে আল্লাহ তোমাদের কে তাদের বিরুদ্ধে কোন পথ দেননি। – এই আয়াত থেকে এটি বুঝা যাচ্ছে যে যদি অমুসলিমরা শান্তি চুক্তি করে তাহলে তাদের সাথে চুক্তি করা যাবে ।

    = সুরা নিসা ৪:১৩৯ = এই আয়াতের ব্যাখ্যা , ডঃ মুজিবুর রহমান অনুবাদ, তাফসীরে ইবনে কাসির, ৪ খণ্ড, ৫৯৮ পৃষ্ঠাঃ হযরত আলী (রা) এই আয়াত পাঠ করে ধর্মত্যাগীদের বলতেন তওবা করে নেও ? এরপরে আল্লাহ্‌ বলেন এই মুনাফিকদের অবস্থা এই যে শেষে তাদের অন্তরে মোহর লেগে যায় । তাই তারা মুমিনদের ছেড়ে কাফেরদের বন্ধু রুপে গ্রহণ করে ।এই দিকে বাহ্যত মুমিনদের সাথে মিলামিশা করে ঐ দিকে কাফেরদের সাথে বসে মুমিনদের নিয়ে উপহাস মূলক কথা বলে বেশ আনন্দ উপভোগ করে । তাদেরকে বলে আমরা মুসলমানদের বোকা বানিয়ে দিয়েছি । আসলে আমরা তোমাদেরই সঙ্গী ।

    – সুতরাং আয়াতটি মুনাফিক মুরতাদদের ব্যাপারে নাজিল হয়েছে যারা মুসলিমদের ছাড়া কাফেরদের বন্ধু রুপে গ্রহণ করেছে । এবং মুসলিমদের নিয়ে হাঁসি তামাশা করেছেন ।

    = সুরা নিসা ৪:১৪৪ এই আয়াতের ব্যাখ্যা , ডঃ মুজিবুর রহমান অনুবাদ, তাফসীরে ইবনে কাসিরের, ৪ খণ্ড , ৬০৬ পৃষ্ঠায় বলা হয়েছেঃ কাফেরদের সাথে বন্ধুত্ব স্থাপন করতে, তাদের প্রতি আন্তরিক ভালবাসা রাখতে, তাদের সাথে সর্বদা উঠাবসা করতে, মুসলিমদের গুপ্ত কথা তাদের নিকট প্রকাশ করতে, তাদের সাথে গোপন সম্পর বজায় রাখতে আল্লাহ্‌ মুসলিমদের নিষেধ করেছেন।

    = সুরা মুমতাহিনা ৬০:১৩ সঠিক কথাই কুরআন বলেছে । আল্লাহ্‌ যে জাতির প্রতি অখুশি আমরা তাঁর বান্দা হয়ে কেন তাদের সাথে বন্ধুত্ব করব। উদাহরণ স্বরূপ ধরুন কোন এক দেশের প্রধান ঘোষণা দিল যে আমি মায়ানমারের সরকারের প্রতি অখুশি কোন মানবতাবাদী যেন তাদের সাথে বন্ধুত্ব না করে কারন তারা অন্যায়ভাবে মুসলিমদের হত্যা করেছেন । আচ্ছা এখানে কি আমরা মায়ানমারের সাথে বন্ধুত্ব ছিন্ন করে ভুল করেছি? উত্তর হচ্ছে না । একই উত্তর কুরানের ক্ষেত্রে আল্লাহ্‌কে যারা অস্বীকার করে আবার মুসলিমদের বিরুদ্ধে যারা ষড়যন্ত্র করে, মুসলিমদের হত্যা করতে চায় তাদের সাথে আমরা কেন বন্ধুত্ব করব ?

    = সুরা মায়েদা ৫:৫৭ = হে মুমিনগণ, আহলে কিতাবদের মধ্য থেকে যারা তোমাদের ধর্মকে উপহাস ও খেলা মনে করে, তাদেরকে এবং অন্যান্য কাফেরকে বন্ধু রূপে গ্রহণ করো না। আল্লাহকে ভয় কর, যদি তোমরা ঈমানদার হও। – যেহেতু অমুসলিমরা ইসলাম নিয়তে হাঁসি তামাশা করে, উপহাস করে তাই এদের সাথে বন্ধুত্ব করা যাবে না ।

    = সুরা আন’য়াম ৬:৭০ = তাদেরকে পরিত্যাগ করুন, যারা নিজেদের ধর্মকে ক্রীড়া ও কৌতুকরূপে গ্রহণ করেছে এবং পার্থিব জীবন যাদেরকে ধোঁকায় ফেলে রেখেছে। কোরআন দ্বারা তাদেরকে উপদেশ দিন, যাতে কেউ স্বীয় কর্মে এমন ভাবে গ্রেফতার না হয়ে যায় যে, আল্লাহ ব্যতীত তার কোন সাহায্যকারী ও সুপারিশকারী নেই এবং যদি তারা জগতের বিনিময়ও প্রদান কবে, তবু তাদের কাছ থেকে তা গ্রহণ করা হবে না। একাই স্বীয় কর্মে জড়িত হয়ে পড়েছে। তাদের জন্যে উত্তপ্ত পানি এবং যন্ত্রণাদায়ক শাস্তি রয়েছে-কুফরের কারণে।

    আপনাকে নিয়ে , আপনার বাবা মাকে নিয়ে, আপনার দেশ নিয়ে যদি কেউ অন্যায় ভাবে হাঁসাহাঁসি করে, তামাশা করে, অপমান করে আপনি কি তাদের সাথে বন্ধুত্ব করবেন ?

    সামাজিকতার খাতিরে অমুসলিমদের সাথে বন্ধুত্ব করা,চলা ফেরা ইত্যাদি জায়েজঃ

    * নবী মুহাম্মদ (সা) অমুসলিমদের সাথে রাষ্ট্রীয় শান্তি চুক্তি করেছেন যাকে আমরা “মদিনা সনদ” বলা হয় ।

    * জামে আত তিরমিজি, হাদিসঃ ১৯৪৩, সহিহ হাদিসঃ মুজাহিদ (রহঃ) থেকে বর্ণিতঃ আবদুল্লাহ ইবনু আমর (রাঃ)-এর জন্য তার পরিবারে একটি ছাগল যবেহ করা হল। তিনি এসে বললেন, তোমরা কি আমাদের ইয়াহুদী প্রতিবেশীকে (গোশত) উপহার পাঠিয়েছ? আমি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলতে শুনেছিঃ প্রতিবেশীর অধিকার প্রসঙ্গে জিবরাঈল (আঃ) আমাকে অবিরত উপদেশ দিতে থাকেন। এমনকি আমার ধারণা হল যে, হয়ত শীঘ্রই প্রতিবেশীকে উত্তরাধিকারী বানিয়ে দিবে। – এখানে ইহুদীদের প্রতিবেশি বলা হয়েছে ।

    * সহিহ বুখারি, হাদিসঃ ২৫১৩, সহিহ হাদিসঃ আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) জনৈক ইয়াহুদী হতে কিছু খাদ্যদ্রব্য কিনেছিলেন এবং তার কাছে নিজের বর্ম বন্ধক রেখেছিলেন।

    * সহিহ বুখারি, হাদিসঃ ২৬৯২, সহিহ হাদিসঃ রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-বলেছেন, সে ব্যক্তি মিথ্যাচারী নয়, যে মানুষের মধ্যে মীমাংসা করার জন্য ভালো কথা পৌঁছে দেয় কিংবা ভালো কথা বলে।

    * সুরা মুমতাহিনা ৬০:৮ = ধর্মের ব্যাপারে যারা তোমাদের বিরুদ্ধে লড়াই করেনি এবং তোমাদেরকে দেশ থেকে বহিস্কৃত করেনি, তাদের প্রতি সদাচরণ ও ইনসাফ করতে আল্লাহ তোমাদেরকে নিষেধ করেন না। নিশ্চয় আল্লাহ ইনসাফকারীদেরকে ভালবাসেন।

    * সুরা মুমতাহিনা ৬০:৯ = আল্লাহ কেবল তাদের সাথে বন্ধুত্ব করতে নিষেধ করেন, যারা ধর্মের ব্যাপারে তোমাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করেছে, তোমাদেরকে দেশ থেকে বহিস্কৃত করেছে এবং বহিস্কারকার্যে সহায়তা করেছে। যারা তাদের সাথে বন্ধুত্ব করে তারাই জালেম।

    * আল ইসাবা,৪/৩৪৭ এবং সীরাতুল মুস্তফা (সা),৩/৩০৬, আল্লামা ইদরীস কান্ধলবী (রহ): হযরত উমর (রা) বলেন সাফিয়ার এক দাসী হযরত উমর (রা) এর নিকট গিয়ে অভিযোগ করলো যে, হযরত সাফিয়া ইহুদী সংস্কৃতি অনুকরনে শনিবারকে গুরুত্ব দেন এবং ইহুদীদের সাথে ভাল আচরণ করেন । হযরত উমর (রা) , হযরত সাফিয়া (রা) থেকে বিষয়টি জানতে চাইলেন। হযরত সাফিয়া (রা) জবাবে জানালেন! যখন আল্লাহ্‌ তা’লা হযরত মুহাম্মদ (সা) কে শনিবারের পরিবর্তে শুক্রবার দান করেছেন তখন থেকে আমি শনিবারকে আর পছন্দ করি না । অন্যদিকে আমার কিছু ইহুদী আত্মীয় আছে । আমি তাদের আত্মীয়তার হক অনুযায়ী ভাল আচরণ করি । তিনি হযরত উমর (রা) কে এই জবাব জানিয়ে পাঠালেন অন্যদিকে সেই বাদীকে জিজ্ঞেস করলেন তোমাকে আমার বিরুদ্ধে এই কাজে কে উস্কে দিয়েছে ? সে সত্যি সত্যি জবাব দিল শয়তান আমাকে প্ররোচনা দিয়েছে । হযরত সাফিয়া (রা) বললেন ঠিক আছে । আমি তোমাকে মুক্ত করে দিলাম । – খেয়াল করুন হযরত সাফিয়া (রা) ইহুদীদের সাথে আত্মীয়তার অধিকার হিসেবে ভাল ব্যাবহার করেছেন ।

    সুতরাং অমুসলিমদের সাথে বন্ধুত্ব করা যাবে, কি যাবে না এর কারন হিসেবে আমরা জানতে পারলামঃ

    ১/ ইহুদী খৃষ্টান এদের মধ্যে অনেকেই আছেন যারা মুসলিমদের ক্ষতি করতে চান।ইসলামের ধ্বংস চায় ।

    ২/ মুসলিমদের দুক্ষে অমুসলিমরা খুশি হত , মুসলিমরা যদি তাদের সাথে ভাল ব্যাবহার করত এরপরেও অমুসলিমরা তাদের অমঙ্গল চাইত ।

    ৩/ কাফেররা ইসলাম নিয়ে হাঁসি তামাসা করত মুসলিমদের অপমান করত, নবী মুহাম্মদ (সা) কে নিয়ে ব্যাঙ বিদ্রূপ করত ।

    ৪/ কাফেররা চাইত মুসলিমরাও তাদের মত কাফের হয়ে যাক, তাদের মত পাথরের পূজা করুক ।

    ৫/ কাফেররা মুসলিম সেজে , মুসলিমদের মধ্যে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করত এবং আবার কাফেরদেড় দলে যোগ দিয়ে বলত আমরা মুসলিমদের ধোঁকা দিয়েছি আসলে আমরা কাফেরদের দলের লোক ।

    ৬/ যেসব অমুসলিমরা শান্তি প্রিয় , তাদের সাথে সামাজিকতার সম্পর্ক , চলাফেরা করা ইসলামে বৈধ ।

    ৭/ ইসলাম উগ্র অমুসলিমদের সাথে সব রকমের বন্ধুত্ব করতে নিষেধ করেছে । ব্যাস ।

    প্রশ্ন ছুড়ে দিলামঃ

    ১/ যারা সমাজের ক্ষতি চায় আপনি কি তাদের সাথে বন্ধুত্ব করবেন ?

    ২/ যারা আপনার পরিবার নিয়ে হাঁসি ঠাট্টা করে আপনি কি তাদের সাথে বন্ধুত্ব করবেন ?

    ৩/ যারা আপনাকে অপমান করে, আপনার দেশ নিয়ে অপমান করে আপনি কি তাদের সাথে বন্ধুত্ব করবেন ?

    ৪/ যারা আপনার খুশিতে, কষ্ট পায় আর আপনার দুক্ষে আনন্দিত হয় আপনি কি তাদের সাথে বন্ধুত্ত করবেন ?

    ৫/ আপনি কি ধর্ষকদের সাথে বন্ধুত্ব করবেন ?

    ৬/ যারা চায় আপনিও তাদের মত পাথর পূজা করেন এবং এর জন্য আপনাকে জবরদস্তী করে আপনি কি এদের সাথে বন্ধুত্ব করবেন?

    ৭/ যারা দেশের আইন মানে না আপনি কি তাদের সাথে বন্ধুত্ব করবেন ?

    ৮/ যারা চোর, ডাকাত , লুইচ্চা আপনি কি এদের সাথে বন্ধুত্ব করবেন ?

    ৯/ যারা আপনাকে ওয়াদা দিয়ে , কথা রাখে না আপনি কি তাদের সাথে বন্ধুত্ব রাখবেন ?

    ১০/ যারা সর্বদা মিথ্যা কথা বলে , মানুষকে ধোঁকা দেয় আপনি কি তাদের সাথে বন্ধুত্ব করবেন ?

    Reply

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *