কুরআনে ব্ল্যাকহোল?

Print Friendly, PDF & Email

সূচনা

কুরআনকে বিজ্ঞানময়, বিষ্ময়কর এবং ঐশ্বরিক গ্রন্থ বলে প্রতিষ্ঠা করার ব্যর্থ চেষ্টায় অনেক ইসলামিক প্রোপাগাণ্ডিস্ট দাবি করেছেন যে, কুরআনে ১৪০০ বছর আগেই ব্ল্যাকহোলের কথা বলা হয়েছে। ইসলামকে একমাত্র সত্য ধর্ম হিসেবে উপস্থাপন করতে ইসলামিক প্রোপাগাণ্ডিস্টগণ যে বৈজ্ঞানিক মিরাকলের দাবিসমূহ উপস্থাপন করেন তারমধ্যে কুরআনে ব্ল্যাকহোলের দাবিটি মুসলিমদের মধ্যে অন্যতম জনপ্রিয় একটি দাবি। সত্যিই কুরআনে ব্ল্যাকহোলের কথা বলা হয়েছে কিনা সে প্রশ্নের উত্তর কৌতুহলী পাঠকদের জন্য তুলে ধরতেই প্রবন্ধটি লিখছি।

ব্ল্যাকহোল কি?

ব্ল্যাকহোল আসলে কি তা না জানা বা সঠিক ধারণা না রাখা লোকজনও দাবি করে, কুরআন ১৪০০ বছর আগেই ব্ল্যাকহোলের ইংগিত দিয়েছে। তারা খুব নিশ্চিত যে, সকল বৈজ্ঞানিক তথ্যের ইংগিত কুরআনে কোনো না কোনোভাবে আছে। যদিও আজ পর্যন্ত কোনো কুরআন গবেষক কুরআন নিয়ে গবেষণা করে এমন কোনো তথ্য বের করে দেখাতে পারেননি যা বিজ্ঞানীরা পরবর্তীতে আবিষ্কার করেছে। কোনো বিষয়ে না জানাটা আমি লজ্জাজনক মনে করি না। সবাই সবকিছু জানবে না বা বুঝবে না এমনটাই তো স্বাভাবিক। এমন অনেককিছুই থাকতে পারে আমি জানি, আপনি জানেন না। আবার, এমন অনেক কিছুই থাকতে পারে আপনি জানেন, আমি জানি না। কিন্তু, কোনো বিষয়ে সঠিক জ্ঞান না রেখে যদি ভাবেন আপনার ধর্মগ্রন্থ হাজার বছর আগেই সেবিষয়ে ইংগিত দিয়েছে এবং সেটা ভেবেই আত্মতৃপ্তিতে ভোগেন, তাহলে সেটা অবশ্যই লজ্জাজনক। কুরআনে ব্ল্যাকহোলের ইংগিত আছে কি নেই সেটা বুঝতে হলে আগে ব্ল্যাকহোল কি জিনিস সেটা বুঝতে হবে।

ব্ল্যাকহোল মহাবিশ্বের এমন একটি স্থান যেখানে অনেক অনেক বেশি ভর ঘনীভূত থাকে। যার ফলস্বরূপ, ব্ল্যাকহোলের মহাকর্ষ বল এতো বেশি থাকে যে কোনোকিছুই এর নির্দিষ্ট সীমানা পেরিয়ে গেলে আর ফিরে আসতে পারে না, এমনকি সেকেন্ডে ১৮৬,০০০ মাইল (৩০০,০০০ কিলোমিটার) বেগে চলা আলোও না।

একটি ব্ল্যাকহোলের জন্ম তখনই হতে পারে যখন একটি নক্ষত্রের সমস্ত জ্বালানি শেষ হয়ে যায়। একটি নক্ষত্রের মৃত্যু থেকেই একটি ব্ল্যাকহোলের জন্ম হয়। প্রত্যেক ব্ল্যাকহোলের চারপাশে একটি সীমা থাকে। ব্ল্যাকহোলের অভিকর্ষ বল অত্যন্ত অত্যন্ত বেশি হয় বলে কোনোকিছু এই সীমা একবার পেরিয়ে গেলে আর ফিরে আসতে পারে না। আলো ব্ল্যাকহোলের সীমা একবার পেরিয়ে গেলে আর ফিরে আসতে পারে না বলে আমরা ব্ল্যাকহোল দেখতে পারি না। তাহলে একটি ব্ল্যাকহোল কোথায় আছে কিভাবে জানা যায়? একটি ব্ল্যাকহোলের অস্তিত্ব বোঝা যায় তার আশেপাশের অঞ্চলের ওপর তার প্রভাব লক্ষ্য করে। 

বিস্তারিত জানতে এই ভিডিওটি দেখার পরামর্শ রইলোঃ

Black Holes Explained — From Birth to Death

দাবিসমূহ

সুরা আল-ওয়াকিয়া: আয়াত ৭৫

কোরআনের যেসকল আয়াতে মুসলিমরা ব্ল্যাকহোল দেখতে পান তার মধ্যে সূরা আল-ওয়াকিয়ার ৭৫ নং আয়াতটি অন্যতম। আসুন দেখি আয়াতটি কি বলছে,

56:75
فَلَاۤ اُقۡسِمُ بِمَوٰقِعِ النُّجُوۡمِ ﴿ۙ۷۵﴾
English – Sahih International
Then I swear by the setting of the stars,
Bengali – Taisirul Quran
উপরন্তু আমি শপথ করছি তারকারাজির অস্তাচলের।

আয়াতটিতে নক্ষত্রসমূহের অস্ত যাওয়ার কসম করা হয়েছে। নক্ষত্রসমূহের অস্ত যাওয়া কিভাবে ব্ল্যাকহোলের ইংগিত হতে পারে সেটা আমার বোধগম্য নয়। সূর্যকে প্রতিদিনই পশ্চিম আকাশে অস্ত যেতে দেখা যায়, সূর্য কি তাহলে প্রতিদিন ব্ল্যাকহোল হয়ে যায়? সূর্যের অস্ত যাওয়ার মানে পৃথিবীর আহ্নিক গতির কারণে সূর্যের পৃথিবীর একদিকের মানুষের দৃষ্টির বাইরে চলে যাওয়া, ব্ল্যাকহোল হয়ে যাওয়া নয়। একইভাবে, নক্ষত্রসমূহের অস্ত যাওয়ার মানে পৃথিবীর আহ্নিক গতির কারণে নক্ষত্রসমূহের পৃথিবীর একদিকের মানুষের দৃষ্টির বাইরে চলে যাওয়া, ব্ল্যাকহোল হয়ে যাওয়া নয়।

সূরা আল-মুরসালাত: আয়াত ৮

সূরা আল-মুরসালাতের ৮ নং আয়াতেও তারা ব্ল্যাকহোল খুঁজে পান। আসুন দেখে নিই, আয়াতটি কি বলছে,

77:8
فَاِذَا النُّجُوۡمُ طُمِسَتۡ ۙ﴿۸﴾
English – Sahih International
So when the stars are obliterated
Bengali – Taisirul Quran
যখন নক্ষত্ররাজির আলো বিলুপ্ত হবে,

ইসলাম প্রচারকরা সারাজীবন দাবি করে এসেছেন যে, ইসলামের সমালোচকরা কোনো আয়াতের আগে পরের আয়াত বিবেচনায় না এনেই সেই আয়াত বিচার করে। মজার ব্যাপার হলো, ইসলামকে একটি মানবিক ধর্ম হিসাবে উপস্থাপন করতে, কুরআনে বৈজ্ঞানিক মিরাকলের অস্তিত্ব প্রমাণ করতে তারা এমন কিছু আয়াত তুলে ধরেন যেসব আয়াতের আগে পরের আয়াত তারা বিবেচনায় আনেন না।

সূরা আল-মুরসালাতের ৮ নং আয়াতের আগে পরের আয়াত আপাতত বিবেচনায় না আনলাম, ঐ আয়াতটি নিয়েই কথা বলি। আয়াতটি পরিষ্কারভাবেই ভবিষ্যতের একটি সময়ের কথা বলছে যে সময়ে নক্ষত্র সমূহ আলোহীন হয়ে পড়বে। এই আয়াতটি যে বর্তমান সময়ের কথা বলছে না বা অতীতের কথা বলছে না, বরং ভবিষ্যতের কথা বলছে সেটা যেকোনো সুস্থ মানুষের বোঝার কথা। আয়াতটি বলছে, ভবিষ্যতে নক্ষত্রসমূহ আলোহীন হয়ে যাবে। আয়াতটি কিন্তু এমন কোনো ইংগিত দিচ্ছে না যে, আলোহীন নক্ষত্রের অস্তিত্ব এখনো আছে। ব্ল্যাকহোল কোনো বিজ্ঞানীর ভবিষ্যদ্বাণী নয়, ব্ল্যাকহোল চন্দ্র সূর্যের মতোই অস্তিত্বশীল ছিলো, আছে এবং থাকবে। মানুষ প্রজাতিটির উদ্ভবের আগেও মহাবিশ্বে ব্ল্যাকহোলের অস্তিত্ব ছিলো, মানুষ প্রজাতি বিলুপ্ত হয়ে গেলেও ব্ল্যাকহোলের অস্তিত্ব মহাবিশ্বে থাকবে। পরিষ্কারভাবেই, আয়াতটি ব্ল্যাকহোলের ইংগিত দেয় না।

আয়াতটির আগে পরের আয়াত সমূহ লক্ষ্য করলে আমরা জানতে পারি, সূরা আল-মুরসালাত ব্ল্যাকহোল নয়, কিয়ামতের দিনের কথা বলে।

77:7
اِنَّمَا تُوۡعَدُوۡنَ لَوَاقِعٌ ؕ﴿۷﴾
English – Sahih International
Indeed, what you are promised is to occur.
Bengali – Taisirul Quran
তোমাদেরকে যার ও‘য়াদা দেয়া হয়েছে তা অবশ্যই সংঘটিত হবে।

77:8
فَاِذَا النُّجُوۡمُ طُمِسَتۡ ۙ﴿۸﴾
English – Sahih International
So when the stars are obliterated
Bengali – Taisirul Quran
যখন নক্ষত্ররাজির আলো বিলুপ্ত হবে,

77:9
وَ اِذَا السَّمَآءُ فُرِجَتۡ ۙ﴿۹﴾
English – Sahih International
And when the heaven is opened
Bengali – Taisirul Quran
যখন আকাশ বিদীর্ণ হবে,

77:10
وَ اِذَا الۡجِبَالُ نُسِفَتۡ ﴿ۙ۱۰﴾
English – Sahih International
And when the mountains are blown away
Bengali – Taisirul Quran
যখন পবর্তমালা ধুনিত হবে।

77:11
وَ اِذَا الرُّسُلُ اُقِّتَتۡ ﴿ؕ۱۱﴾
English – Sahih International
And when the messengers’ time has come…
Bengali – Taisirul Quran
যখন (হাশরের মাঠে) রসূলগণের একত্রিত হওয়ার সময় এসে পড়বে।

77:12
لِاَیِّ یَوۡمٍ اُجِّلَتۡ ﴿ؕ۱۲﴾
English – Sahih International
For what Day was it postponed?
Bengali – Taisirul Quran
(এ সব বিষয়) কোন দিনের জন্য স্থগিত রাখা হয়েছে?

77:13
لِیَوۡمِ الۡفَصۡلِ ﴿ۚ۱۳﴾
English – Sahih International
For the Day of Judgement.
Bengali – Taisirul Quran
চূড়ান্ত ফয়সালার দিনের জন্য।

সূরা মুরসালাতের ৮ নং আয়াতটি এটাই প্রকাশ করছে যে, কিয়ামতের দিন নক্ষত্রসমূহ আলোহীন হয়ে পড়বে। তাহলে কি এখন কিয়ামত চলছে? নাকি ব্ল্যাকহোল বর্তমানে নেই, কিয়ামতের দিন সৃষ্টি হবে?

সূরা আল-মুরসালাত বলছে, কিয়ামতের দিন নক্ষত্র সমূহ আলোহীন হয়ে পড়বে, আকাশ বিদীর্ণ হয়ে যাবে, পাহাড়-পর্বত চূর্ণবিচূর্ণ হয়ে যাবে। ৮ নং আয়াতটি যদি ব্ল্যাকহোলের কথা বলে থাকে, তাহলে ৯ এবং ১০ নং আয়াত অনুযায়ী এখন আকাশ এবং পাহাড়-পর্বত বলে কিছু থাকার কথা না। যদিও আকাশ এমন কিছুই না যা বিদীর্ণ হতে পারে। ১০ নং আয়াতটি আকাশ বিদীর্ণ হওয়ার কথা বলে শক্ত ছাদস্বরূপ আকাশের ভুল ধারণাই প্রকাশ করছে।

সূরা আত-তাকভীর: আয়াত ২

তারা ব্ল্যাকহোল খুঁজে পান সূরা আত-তাকভীরের ২ নং আয়াতেও। দেখে নেওয়া যাক, আয়াতটি কি বলছে,

81:2
وَ اِذَا النُّجُوۡمُ انۡکَدَرَتۡ ۪ۙ﴿۲﴾
English – Sahih International
And when the stars fall, dispersing,
Bengali – Taisirul Quran
আর তারকাগুলো যখন তাদের উজ্জ্বলতা হারিয়ে খসে পড়বে।

আয়াতটি পড়লেই বোঝা যায়, এই আয়াতেও ভবিষ্যতে ঘটবে এমন একটি ঘটনার কথা বলছে। ব্ল্যাকহোল কি এমনকিছু যা বর্তমানে নেই এবং ভবিষ্যতে সৃষ্টি হবে? আয়াতটি কিয়ামতের দিন ঘটবে এমন একটি ঘটনার কথা বলছে। এখন নিশ্চয় কিয়ামত চলছে না।

সূরা আত-তাকভীর: আয়াত ১৫-১৬

সূরা আত-তাকভীরের ১৫-১৬ নং আয়াতেও ব্ল্যাকহোলের কথা বলা হয়েছে বলে দাবি করা হয়। আসুন দেখি, আয়াত দুটি আসলে কি বলছে,

81:15
فَلَاۤ اُقۡسِمُ بِالۡخُنَّسِ ﴿ۙ۱۵﴾
English – Sahih International
So I swear by the retreating stars –
Bengali – Taisirul Quran
আমি শপথ করছি (নক্ষত্রের) যা পেছনে সরে যায়,

81:16
الۡجَوَارِ الۡکُنَّسِ ﴿ۙ۱۶﴾
English – Sahih International
Those that run (their courses) and disappear –
Bengali – Taisirul Quran
চলে ও লুকিয়ে যায়,

কোনোভাবেই আয়াত দুটি ব্ল্যাকহোলের কথা বলছে না। আয়াত দুটি কেবল এতটুকুই বলছে যে, আল্লাহ নক্ষত্রসমূহের শপথ করেছেন, যারা চলতে থাকে এবং চলতে থাকার ফলে একসময় মানুষের দৃষ্টির বাইরে চলে যায়।

আসুন দেখি, প্রখ্যাত তাফসীরকারক ইবনে কাসির এই আয়াত সমূহের ব্যাখ্যায় কি বলেছেন,

ব্ল্যাকহোল

উপসংহার

উপরিউক্ত আলোচনা থেকে পরিষ্কারভাবেই এটা প্রতীয়মান হয় যে, ইসলামিক প্রোপাগাণ্ডিস্টগণের কুরআনে ব্ল্যাকহোলের দাবিটি ভুল।

Marufur Rahman Khan

Marufur Rahman Khan is a Bangladeshi Atheist, Feminist, Secularist Blogger.

13 thoughts on “কুরআনে ব্ল্যাকহোল?

  • April 21, 2020 at 12:57 AM
    Permalink

    vai Quran-e to aro bohut ayat ase…shegulay Black Hole niye bola hote pare… particular koyta ayat Keno bollen?

    Reply
    • April 21, 2020 at 10:18 AM
      Permalink

      এমন কোনো আয়াত খুঁজে পেলে আয়াতটি আমাদের সামনে উপস্থাপন করুন।

      Reply
  • April 21, 2020 at 1:10 AM
    Permalink

    “নক্ষত্রসমূহের ধ্বংসস্থানের” (সূরাহ ওয়াক্বিয়াহ : ৭৫)। এই আয়াতটির ব্যাখ্যা চাইছি।

    Reply
    • April 21, 2020 at 10:27 AM
      Permalink

      আপনি কি শিওর যে আপনি ঠিক অনুবাদটিই দিয়েছেন?

      আমি আপনাকে সূরা ওয়াক্বিয়াহের ৭৫ নং আয়াতের তিনটি বাংলা অনুবাদ দেখাচ্ছি যার কোনোটার সাথেই আপনি যা দিয়েছেন তা মিলছে নাঃ

      56:75

      فَلَاۤ اُقۡسِمُ بِمَوٰقِعِ النُّجُوۡمِ ﴿ۙ۷۵﴾
      Bengali – Bayaan Foundation
      সুতরাং আমি কসম করছি নক্ষত্ররাজির অস্তাচলের,

      Bengali – Mujibur Rahman
      আমি শপথ করছি নক্ষত্র রাজির অস্তাচলের!

      Bengali – Taisirul Quran
      উপরন্তু আমি শপথ করছি তারকারাজির অস্তাচলের।

      Reply
      • September 3, 2020 at 3:12 PM
        Permalink

        ভাইয়া, একটা ভুল পেয়েছি আমি।
        আপনি লিখেছেন “ব্ল্যাকহোলের অভিকর্ষ বল বেশি”। কিন্তু আমরা জানি অভিকর্ষ বল হলো পৃথিবীর সাথে অন্য যে কোনো কিছুর আকর্ষন।
        অর্থাৎ এখানে পৃথিবী থাকাটা compulsory।
        তাই Edit করে ” মহাকর্ষ ” লিখবেন আশা করি।
        ধন্যবাদ।

        Reply
    • April 21, 2020 at 10:30 AM
      Permalink

      এই আয়াতের আন্তর্জাতিক অনুবাদটিও দেখে নিনঃ

      56:75

      فَلَاۤ اُقۡسِمُ بِمَوٰقِعِ النُّجُوۡمِ ﴿ۙ۷۵﴾
      English – Sahih International
      Then I swear by the setting of the stars,

      Reply
    • April 21, 2020 at 10:34 AM
      Permalink

      এখানে আল্লাহ্ কেবল নক্ষত্রসমূহের অস্ত যাওয়ার সময়ের শপথ করছেন। এখান থেকে কি প্রমাণিত হয় বলে মনে করেন?

      Reply
  • May 6, 2020 at 10:58 AM
    Permalink

    এই ওয়েবসাইটের সবই তো নাস্তিক। এদের শিক্ষা পরিবেশ তাদের নাস্তিক বানিয়ে দিল। এসব লোকদেরকে মহান আল্লাহ তায়ালা পিতা মাতা মিলনের মাধ্যমে নাপাক পানি দিয়ে সৃষ্টি করেছেন। ও নাস্তিকরা কিভাবে আল্লাহর সৃষ্টির কথা ভুলে গেছে? হে নাস্তিকরা!আল্লাহ ও তার প্রিয় নবী হযরত মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে গালমন্দ করে নিজেদের ক্ষতি ছাড়া কিছুই করতে পারবে না।

    Show us straight way. Ameen.

    Reply
    • May 6, 2020 at 11:01 AM
      Permalink

      Marufur Rahman আমি আপনার সাথে কথা বলতে চাই।
      01824908814
      +8809638-66 5403 (Brilliant)

      Reply
    • July 10, 2020 at 6:18 PM
      Permalink

      এসব লোকদেরকে আল্লাহ তায়ালা পিতা মাতা মিলনের মাধ্যমে নাপাক পানি দিয়ে সৃষ্টি করেছেন। নাপাক পানি দিয়ে সৃষ্টি করেছেন কেন? আপনি নিজেই আল্লাহর উপর দোষ বর্তালেন আবার তার সৃষ্টি গালাগালি করলেন, আপনি তো খাটি মুশরিক।

      Reply
  • May 7, 2020 at 5:40 AM
    Permalink

    ভাই তোমরা কখনই সত্য স্বীকার করবা না, আল্লাহ তো এই জন্যই জান্নাতের পাশা পাশি জাহান্নাম ও তৈরী করেছেন।

    Finger print এর কথাতো এখানে টানাহ্যাঁচড়া করার কিছু নেই, একজন নাস্তিক বললো এখানে আঙুলির অগ্রভাগ বলতে, আঙুলের হাড়কে বুঝিয়েছে। আমি সেদিন থেকে বুঝছি কত বিভ্রান্তিতে রয়েছে নাস্তিকরা।

    Reply
  • May 21, 2020 at 7:03 PM
    Permalink

    সুরা ওয়াকিয়ার ৭৫ নং আয়াত – সুতরাং আমি কসম করছি নক্ষত্ররাজির অস্তাচলের

    সুরা আত তাকভির ২ নং আয়াত – আর নক্ষত্ররাজি যখন পতিত হবে

    এই ২ টি আয়াতের যুক্তি খণ্ডন উপস্থাপন করবেন আশা করি।

    কারন যখন একটা বিষয়ে কুরআনের যুক্তি খণ্ডন করবেন সেটা যেন টাইট হয়, অর্থাৎ কুরআনের যত আয়াতে সেই বিষয়ে বিন্দু মাত্র ইঙ্গিত দেয়া আছে সব বিবেচনায় নিতে হবে, যাতে মুমিন রা সন্দেহ পোষণ না করতে পারে।

    তাদের আবার ছাই দিয়ে ধরে গুলে খাইয়ে না দিলে কুরআনের ভুল বুঝতে পারে না এই যা সমস্যা।

    Reply
  • July 10, 2020 at 11:16 PM
    Permalink

    আল্লাহ বিভিন্ন জড় বস্তুর শপথ করে কেন, জড় বস্তু কি তার চেয়েও বেশি শক্তিশা?
    নাকি আল্লাহ নিজের সাথে নিজের শিরক করছে?

    Reply

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *