সুনান আদ-দারিমী

পরিচ্ছেদ ৯৮: হাদিস ১,৯৪১-১,৯৬০

এই অধ্যায়ের হাদিসগুলো একই পাতায় পড়ুন। নির্দিষ্ট হাদিসে যেতে তার নম্বর বা anchor ব্যবহার করুন।

এই পাতার হাদিসসমূহনির্দিষ্ট হাদিসে যেতে তালিকাটি খুলুন। শোহাইড
হাদিস ১,৯৪১

মূল আরবি

أَخْبَرَنَا عَلِيُّ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ الْمَدِينِيُّ حَدَّثَنَا هِشَامُ بْنُ يُوسُفَ حَدَّثَنَا ابْنُ جُرَيْجٍ أَخْبَرَنِي عَبْدُ الْحَمِيدِ بْنُ جُبَيْرٍ عَنْ صَفِيَّةَ بِنْتِ شَيْبَةَ قَالَتْ أَخْبَرَتْنِي أُمُّ عُثْمَانَ بِنْتُ أَبِي سُفْيَانَ أَنَّ ابْنَ عَبَّاسٍ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ لَيْسَ عَلَى النِّسَاءِ حَلْقٌ إِنَّمَا عَلَى النِّسَاءِ التَّقْصِيرُ

বাংলা অনুবাদ

১৯৪১. ইবনে আব্বাস রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসুলুল্লাহ সাল্লালাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: নারীদের মাথামুণ্ডন নেই; বরং নারীদের জন্য চুল খাটো করতে হবে।[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।
তাখরীজ: বাইহাকী, হাজ্জ ৫/১০৪; বুখারী, আল কাবীর ৬/৪৬; তাবারাণী, আল কাবীর ১২/২৫০ নং ১৩০১৮ ; আবূ দাউদ, মানাসিক ১৯৮৪, ১৯৮৫; দারুকুতনী ২/২৭১ নং ১৬৫; হাফিজ ইবনু হাজার তালখীসুল হাবীর ২/২৬১ তে বলেন: এর সনদ হাসান; আবী হাতিম তার ইলাল গ্রন্থে এবং বুখারী তার কাবীর গ্রন্থে একে শক্তিশালী বলেছেন; তবে ইবনুল কাত্তান এর ত্রুটি বর্ণনা করেছেন। যদিও ইবনুল মাওয়াক্ব তাকে খণ্ডন করেছেন আর তিনিই সঠিক।…’
আরও দেখুন, উছমান এর হাদীস, আয়িশার হাদীস যা আমরা মাজমাউয যাওয়াইদ নং ৫৬৭৮ ও ৫৬৭৯ এ তাখরীজ দিয়েছি। আরও দেখুন, নাসবুর রায়াহ ৩/৯৬ ও দিরায়াহ ২/৩২।

হাদিস ১,৯৪২

মূল আরবি

أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ يُوسُفَ حَدَّثَنَا سُفْيَانُ عَنْ عُبَيْدِ اللَّهِ عَنْ نَافِعٍ عَنْ ابْنِ عُمَرَ عَنْ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أَنَّهُ قَالَ رَحِمَ اللَّهُ الْمُحَلِّقِينَ قِيلَ وَالْمُقَصِّرِينَ قَالَ رَحِمَ اللَّهُ الْمُحَلِّقِينَ قَالَ فِي الرَّابِعَةِ وَالْمُقَصِّرِينَ

বাংলা অনুবাদ

১৯৪২. ইবনু উমার রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, নবী সাল্লালাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: “মাথার চুল মুণ্ডনকারীদের উপর আল্লাহ রহম করুন।“ তাঁকে বলা হলো: আর চুল খাটোকারীদের? তিনি (তিনবার) বললেন: “মাথার চুল মুণ্ডনকারীদের উপর আল্লাহ রহম করুন।“ আর চতুর্থবারে বললেন: “এবং চুল খাটোকারীদের উপরও।“[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ। এটি বুখারী মুসলিমের সম্মিলিত বর্ণনা।
তাখরীজ: বুখারী, হাজ্জ ১৭২৭; মুসলিম, হাজ্জ ১৩০১। আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি মুসনাদুল মাউসিলী নং ২/৪৫৩ তে শাহিদ হিসেবে আবী সাঈদের হাদীসসহ ও সহীহ ইবনু হিব্বান নং ৩৮৮০ তে।

হাদিস ১,৯৪৩

মূল আরবি

أَخْبَرَنَا أَبُو نُعَيْمٍ حَدَّثَنَا عَبْدُ الْعَزِيزِ هُوَ ابْنُ أَبِي سَلَمَةَ الْمَاجِشُونُ عَنْ الزُّهْرِيِّ عَنْ عِيسَى بْنِ طَلْحَةَ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَمْرٍو قَالَ رَأَيْتُ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ عِنْدَ الْجَمْرَةِ وَهُوَ يُسْأَلُ فَقَالَ رَجُلٌ يَا رَسُولَ اللَّهِ نَحَرْتُ قَبْلَ أَنْ أَرْمِيَ قَالَ ارْمِ وَلَا حَرَجَ قَالَ آخَرُ يَا رَسُولَ اللَّهِ حَلَقْتُ قَبْلَ أَنْ أَنْحَرَ قَالَ انْحَرْ وَلَا حَرَجَ قَالَ فَمَا سُئِلَ عَنْ شَيْءٍ قُدِّمَ وَلَا أُخِّرَ إِلَّا قَالَ افْعَلْ وَلَا حَرَجَ

বাংলা অনুবাদ

১৯৪৩. আবদুল্লাহ ইবনু আমর রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে (কোরবানীর দিন কংকর নিক্ষেপ শেষে) জামরায় দেখলাম, তখন তাঁকে প্রশ্ন করা হচ্ছিল। তখন এক ব্যক্তি বললো, ইয়া রাসূলুল্লাহ! আমি কঙ্কর নিক্ষেপের পূর্বে কোরবানী করে ফেলেছি। তিনি বলেনঃ “কংকর নিক্ষেপ করো, আর কোন দোষ নেই।“ অপর এক ব্যক্তি বললো, ইয়া রাসূলুল্লাহ! আমি কোরবানী করার পূর্বে মাথা মুন্ডন করেয়েছি। তিনি বলেনঃ “কোরবানী করো, আর কোন দোষ নেই।“ তিনি (আব্দুল্লাহ ইবনু আমর রা:) বলেন, সেদিন যেকোন কাজ অপর কোন কাজের আগে বা পরে সম্পন্ন করার ব্যাপারেই জিজ্ঞাসা করা হোক, তিনি (সকল ক্ষেত্রেই) বলেনঃ “তুমি তা করো, কোন দোষ নেই।“[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ। এটি বুখারী মুসলিমের সম্মিলিত বর্ণনা।
তাখরীজ: বুখারী, ইলম ৮৩; মুসলিম, হাজ্জ ১৩০৬। আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি সহীহ ইবনু হিব্বান নং ৩৮৭৭ ও মুসনাদুল হুমাইদী নং ৫৯১ তে।

হাদিস ১,৯৪৪

মূল আরবি

أَخْبَرَنَا مُسَدَّدٌ حَدَّثَنَا يَحْيَى حَدَّثَنَا مَالِكُ بْنُ أَنَسٍ حَدَّثَنَا الزُّهْرِيُّ عَنْ عِيسَى بْنِ طَلْحَةَ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَمْرٍو أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَقَفَ لِلنَّاسِ فِي حَجَّةِ الْوَدَاعِ فَقَالَ لَهُ رَجُلٌ يَا رَسُولَ اللَّهِ حَلَقْتُ قَبْلَ أَنْ أَذْبَحَ قَالَ لَا حَرَجَ قَالَ لَمْ أَشْعُرْ ذَبَحْتُ قَبْلَ أَنْ أَرْمِيَ قَالَ لَا حَرَجَ فَلَمْ يُسْأَلْ يَوْمَئِذٍ عَنْ شَيْءٍ قُدِّمَ أَوْ أُخِّرَ إِلَّا قَالَ لَا حَرَجَ قَالَ عَبْد اللَّهِ أَنَا أَقُولُ بِهَذَا وَأَهْلُ الْكُوفَةِ يُشَدِّدُونَ

বাংলা অনুবাদ

১৯৪৪. আবদুল্লাহ ইবনু আমর রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, বিদায় হাজ্জে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম (কোরবানীর দিন) লোকদের উদ্দেশ্যে দাঁড়ালেন। তখন এক ব্যক্তি বললো, ইয়া রাসূলুল্লাহ! আমি কোরবানী করার পূর্বে মাথা মুন্ডন করেয়েছি। তিনি বলেনঃ “কোন দোষ নেই।“ (অপর এক ব্যক্তি) বললো, ইয়া রাসূলুল্লাহ! আমি না বুঝে কঙ্কর নিক্ষেপের পূর্বে কোরবানী করেছি। তিনি বলেনঃ “কোন দোষ নেই।“
সেদিন যেকোন কার্য কোন কার্যের আগে বা পরে সম্পন্ন করার ব্যাপারেই জিজ্ঞাসা করা হোক, তিনি বলেনঃ “কোন দোষ নেই।“[1]
আবূ মুহাম্মদ বলেন: আমি এ মত গ্রহণ করেছি। আর কুফাবাসীগণ (হানাফীগণ) এ ব্যাপারে কঠোরতা অবলম্বন করেছেন।
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।
তাখরীজ: মালিক, হাজ্জ ২৫১; বুখারী, ইলম ৮৩; মুসলিম, হাজ্জ ১৩০৬। আর এটি আগের হাদীসটির পুনরাবৃত্তি।

হাদিস ১,৯৪৫

মূল আরবি

أَخْبَرَنَا عَبْدُ الْوَهَّابِ بْنُ سَعِيدٍ حَدَّثَنَا شُعَيْبُ بْنُ إِسْحَقَ عَنْ هِشَامِ بْنِ عُرْوَةَ عَنْ أَبِيهِ عَنْ نَاجِيَةَ الْأَسْلَمِيِّ صَاحِبِ هَدْيِ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ سَأَلْتُ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ كَيْفَ أَصْنَعُ بِمَا عَطِبَ مِنْ الْهَدْيِ فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَكُلُّ بَدَنَةٍ عَطِبَتْ فَانْحَرْهَا ثُمَّ أَلْقِ نَعْلَهَا فِي دَمِهَا ثُمَّ خَلِّ بَيْنَهَا وَبَيْنَ النَّاسِ فَلْيَأْكُلُوهَا

বাংলা অনুবাদ

১৯৪৫. রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের কুরবানীর পশু’র রক্ষণাবেক্ষণকারী, নাজিয়াহ আল আসলামী রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে জিজ্ঞাসা করলাম, যে সকল কুরবানীর পশু চলতে চলতে ক্লান্ত হয়ে চলার অযোগ্য হয়ে যায়, তখন তার ব্যাপারে আমরা কী করবো? তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন: “যে সকল কুরবানীর পশু চলতে চলতে অবসন্ন হয়ে চলার অযোগ্য হয়ে যায়, এমন প্রত্যেক পশুকে তোমরা যবেহ করো, এরপর এর (গলায় লটকানো) জুতাগুলি এর রক্তে রঞ্জিত করো, এরপর এগুলিকে লোকদের আহার করার জন্য রেখে যাও।“[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।
তাখরীজ: আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি সহীহ ইবনু হিব্বান নং ৪০২৩ ও মাওয়ারিদুয যাম’আন নং ৯৭৬ এবং বিস্তারিতভাবে মুসনাদুল হুমাইদী নং ৯০৪ তে।

হাদিস ১,৯৪৬

মূল আরবি

أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ سَعِيدٍ حَدَّثَنَا حَفْصُ بْنُ غِيَاثٍ عَنْ هِشَامِ بْنِ عُرْوَةَ عَنْ أَبِيهِ عَنْ نَاجِيَةَ نَحْوَهُ

বাংলা অনুবাদ

১৯৪৬. উরওয়াহ’র পিতা (জুবাইর) রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু এর সনদে নাজিয়াহ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে অনূরূপ বর্ণিত আছে।[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।
তাখরীজ: এটি পূর্বের হাদীসটির পুনরাবৃত্তি।

হাদিস ১,৯৪৭

মূল আরবি

أَخْبَرَنَا يَعْلَى بْنُ عُبَيْدٍ وَأَبُو نُعَيْمٍ قَالَا حَدَّثَنَا الْأَعْمَشُ عَنْ إِبْرَاهِيمَ عَنْ الْأَسْوَدِ عَنْ عَائِشَةَ قَالَتْ أَهْدَى رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ مَرَّةً غَنَمًا

বাংলা অনুবাদ

১৯৪৭. আয়েশা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহা থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম একবার কুরবানীর পশু হিসেবে একটি ছাগল পাঠিয়েছিলেন।[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ। এটি বুখারী মুসলিমের সম্মিলিত বর্ণনা।
তাখরীজ: বুখারী, হাজ্জ ১৭০১; মুসলিম, হাজ্জ ১৩২১ (৩৬৬, ৩৬৭)। আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি মুসনাদুল মাউসিলী নং ৪৩৯৪, ৪৮৮৯ ও মুসনাদুল হুমাইদী নং ২১৯ তে।

হাদিস ১,৯৪৮

মূল আরবি

أَخْبَرَنَا أَبُو الْوَلِيدِ الطَّيَالِسِيُّ حَدَّثَنَا شُعْبَةُ عَنْ قَتَادَةَ قَالَ سَمِعْتُ أَبَا حَسَّانَ يُحَدِّثُ عَنْ ابْنِ عَبَّاسٍ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ صَلَّى الظُّهْرَ بِذِي الْحُلَيْفَةِ ثُمَّ دَعَا بِبَدَنَةٍ فَأَشْعَرَهَا مِنْ صَفْحَةِ سَنَامِهَا الْأَيْمَنِ ثُمَّ سَلَتَ الدَّمَ عَنْهَا وَقَلَّدَهَا نَعْلَيْنِ ثُمَّ أُتِيَ بِرَاحِلَتِهِ فَلَمَّا قَعَدَ عَلَيْهَا وَاسْتَوَتْ عَلَى الْبَيْدَاءِ أَهَلَّ بِالْحَجِّ

বাংলা অনুবাদ

১৯৪৮. ইবনু আব্বাস রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, (একদা) রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম যুল-হুলায়ফাতে যুহরের নামায আদায় করেন। এরপর তিনি তাঁর কুরবানীর একটি উট আনতে বলেন এবং এর কুঁজের ডানপাশ (ধারালো অস্ত্রের দ্বারা) ফুঁড়ে দেন। এরপর তিনি তার রক্তের চিহ্ন মুছে দেন এবং এর গলায় দুটি জুতার মালা পরিয়ে দেন। এরপর তিনি স্বীয় বাহনের নিকট যান। তিনি বায়দা নামক স্থানে পৌঁছে তালবীয়া পাঠ শুরু করেন।[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।
তাখরীজ: মুসলিম, হাজ্জ ১২৪৩।
আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি সহীহ ইবনু হিব্বান নং ৪০০০, ৪০০১, ৪০০২ তে।

হাদিস ১,৯৪৯

মূল আরবি

أَخْبَرَنَا أَبُو النَّضْرِ هَاشِمُ بْنُ الْقَاسِمِ حَدَّثَنَا شُعْبَةُ قَالَ قَتَادَةُ أَخْبَرَنِي قَالَ سَمِعْتُ أَنَسًا يُحَدِّثُ عَنْ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أَنَّهُ انْتَهَى إِلَى رَجُلٍ يَسُوقُ بَدَنَتَهُ قَالَ ارْكَبْهَا فَقَالَ إِنَّهَا بَدَنَةٌ قَالَ ارْكَبْهَا قَالَ إِنَّهَا بَدَنَةٌ قَالَ ارْكَبْهَا وَيْحَكَ

বাংলা অনুবাদ

১৯৪৯. কাতাদাহ বলেন, আমি আনাস রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুকে বলতে শুনেছি, তিনি রাসূলুল্লাহ্সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম হতে বর্ণনা করেছেন যে, রাসূলুল্লাহ্সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এক ব্যক্তি নিকট এলেন যে তার কুরবানীর উটকে হাঁকিয়ে নিচ্ছিলেন। তিনি বললেন: “তুমি এর পিঠে আরোহন কর।“ সে বললো, এটি তো কুরবানীর উট। তিনি বললেন: “তুমি এর পিঠে আরোহন কর।“ সে বললো, এটি তো কুরবানীর উট। তিনি বললেন: “তুমি এর পিঠে আরোহন কর। তোমার জন্য আফসোস!“[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ। এটি বুখারী মুসলিমের সম্মিলিত বর্ণনা।
তাখরীজ: বুখারী, হাজ্জ ১৬৯০; মুসলিম, হাজ্জ ১৩২৩। আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি মুসনাদুল মাউসিলী নং ২৭৬৩, ২৮৬৯, ৩১০৬ তে।

হাদিস ১,৯৫০

মূল আরবি

أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ يُوسُفَ حَدَّثَنَا سُفْيَانُ عَنْ يُونُسَ بْنِ عُبَيْدٍ عَنْ زِيَادِ بْنِ جُبَيْرٍ عَنْ ابْنِ عُمَرَ أَنَّهُ رَأَى رَجُلًا قَدْ أَنَاخَ بَدَنَةً فَقَالَ ابْعَثْهَا قِيَامًا مُقَيَّدَةً سُنَّةَ مُحَمَّدٍ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ

বাংলা অনুবাদ

১৯৫০. ইবনু উমার রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, তিনি এক ব্যক্তিকে দেখলেন, সে একটি উটকে (যবেহ করার উদ্দেশ্যে) বসিয়েছে। তখন তিনি বললেন, ‘একে উঠিয়ে (পা) বেঁধে দাঁড় করিয়ে দাও (এবং নাহর করো)– এটাই মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের সুন্নাত।[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ। এটি বুখারী মুসলিমের সম্মিলিত বর্ণনা।
তাখরীজ: বুখারী, হাজ্জ ১৭১৩; মুসলিম, হাজ্জ ১৩২০। আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি সহীহ ইবনু হিব্বান নং ৫৯০৩ তে।

হাদিস ১,৯৫১

মূল আরবি

أَخْبَرَنَا إِسْحَقُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ قَالَ قَرَأْتُ عَلَى أَبِي قُرَّةَ هُوَ مُوسَى بْنُ طَارِقٍ عَنْ ابْنِ جُرَيْجٍ قَالَ حَدَّثَنِي عَبْدُ اللَّهِ بْنُ عُثْمَانَ بْنِ خُثَيْمٍ عَنْ أَبِي الزُّبَيْرِ عَنْ جَابِرِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ أَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ حِينَ رَجَعَ مِنْ عُمْرَةِ الْجِعْرَانَةِ بَعَثَ أَبَا بَكْرٍ عَلَى الْحَجِّ فَأَقْبَلْنَا مَعَهُ حَتَّى إِذَا كُنَّا بِالْعَرْجِ ثُوِّبَ بِالصُّبْحِ فَلَمَّا اسْتَوَى لِيُكَبِّرَ سَمِعَ الرَّغْوَةَ خَلْفَ ظَهْرِهِ فَوَقَفَ عَنْ التَّكْبِيرِ فَقَالَ هَذِهِ رَغْوَةُ نَاقَةِ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ الْجَدْعَاءِ لَقَدْ بَدَا لِرَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فِي الْحَجِّ فَلَعَلَّهُ أَنْ يَكُونَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَنُصَلِّيَ مَعَهُ فَإِذَا عَلِيٌّ عَلَيْهَا فَقَالَ أَبُو بَكْرٍ أَمِيرٌ أَمْ رَسُولٌ قَالَ لَا بَلْ رَسُولٌ أَرْسَلَنِي رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ بِبَرَاءَةٌ أَقْرَؤُهَا عَلَى النَّاسِ فِي مَوَاقِفِ الْحَجِّ فَقَدِمْنَا مَكَّةَ فَلَمَّا كَانَ قَبْلَ التَّرْوِيَةِ بِيَوْمٍ قَامَ أَبُو بَكْرٍ فَخَطَبَ النَّاسَ فَحَدَّثَهُمْ عَنْ مَنَاسِكِهِمْ حَتَّى إِذَا فَرَغَ قَامَ عَلِيٌّ فَقَرَأَ عَلَى النَّاسِ بَرَاءَةٌ حَتَّى خَتَمَهَا ثُمَّ خَرَجْنَا مَعَهُ حَتَّى إِذَا كَانَ يَوْمُ عَرَفَةَ قَامَ أَبُو بَكْرٍ فَخَطَبَ النَّاسَ فَحَدَّثَهُمْ عَنْ مَنَاسِكِهِمْ حَتَّى إِذَا فَرَغَ قَامَ عَلِيٌّ فَقَرَأَ عَلَى النَّاسِ بَرَاءَةٌ حَتَّى خَتَمَهَا ثُمَّ كَانَ يَوْمُ النَّحْرِ فَأَفَضْنَا فَلَمَّا رَجَعَ أَبُو بَكْرٍ خَطَبَ النَّاسَ فَحَدَّثَهُمْ عَنْ إِفَاضَتِهِمْ وَعَنْ نَحْرِهِمْ وَعَنْ مَنَاسِكِهِمْ فَلَمَّا فَرَغَ قَامَ عَلِيٌّ فَقَرَأَ عَلَى النَّاسِ بَرَاءَةٌ حَتَّى خَتَمَهَا فَلَمَّا كَانَ يَوْمُ النَّفْرِ الْأَوَّلُ قَامَ أَبُو بَكْرٍ فَخَطَبَ النَّاسَ فَحَدَّثَهُمْ كَيْفَ يَنْفِرُونَ وَكَيْفَ يَرْمُونَ فَعَلَّمَهُمْ مَنَاسِكَهُمْ فَلَمَّا فَرَغَ قَامَ عَلِيٌّ فَقَرَأَ بَرَاءَةٌ عَلَى النَّاسِ حَتَّى خَتَمَهَا

বাংলা অনুবাদ

১৯৫১. জাবির রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত যে, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম জি’রাণ নামক স্থান হতে উমরাহ করে ফিরে এসে আবু বকর রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু-কে হাজ্জের আমীর নিযুক্ত করে প্রেরণ করেন। আমরাও তাঁর সঙ্গে আসলাম। যখন ‘আরজ’- নামক স্থানে পৌছলেন তখন সকাল হলে তিনি তাকবীর বলার জন্য প্রস্তুত হলেন। এমন সময় তাঁর পেছনে উটের শব্দ শুনতে পেয়ে তিনি তাকবীর না দিয়ে বললেনঃ এটি রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর উটনী জাদঃআর শব্দ। হয়তো রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এসেছেন, আমরা তার সঙ্গে সালাত আদায় করবো। হঠাৎ দেখা গেল এর আরোহী হলেন আলী রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু। আবু বকর রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু তাঁকে বললেনঃ আপনি কি আমীর হিসেবে এসেছেন, না সংবাদ বাহক হিসেবে। তিনি বললেনঃ আমি সংবাদ বাহক হিসেবে এসেছি। রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আমাকে সূরা বারাআত (বা তাওবা) সহ প্রেরণ করেছেন। আমি হজ্জের বিশিষ্ট স্হান সমুহে লোকদেরকে তা পাঠ করে শুনাব। আমরা মক্কায় আগমন করলাম। ‘ইয়াওমুত তারবিয়া’ (যিলহাজ্জের ৮ তারিখ)-এর একদিন পূর্বে আবু বকর রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু লোকদের মাঝে দাড়িয়ে খুৎবা দিলেন এবং তাদের হাজ্জের আহকামসমূহ তাদের নিকট বর্ণনা করলেন। তিনি তাঁর খুতবা শেষ করলে আলী রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু দাঁড়ালেন এবং তিনি লোকদের মাঝে সূরা বারাআত শেষ পর্যন্ত পাঠ করে শুনালেন। এরপর আমরা তাঁর সঙ্গে বের হলাম।
যখন আরাফার দিন উপস্থিত হলো, তখন আবু বকর রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু লোকদের মাঝে দাঁড়িয়ে খুৎবা দিলেন, তাদের কাছে হজ্জের আহকামসমূহ বর্ননা করলেন। যখন তিনি তাঁর বক্তব্য শেষ করলেন, তখন আলী রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু দাঁড়িয়ে লোকদের মধ্যে সূবা বারাআত শেষ পর্যন্ত পাঠ করে শুনালেন। এরপর কুরবানীর দিন আসলে আমরা তাওয়াফে ইফাযা করলাম। আবু বকর রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু ফিরে এসে লোকের মধ্যে খুতবা দিলেন। তাতে তিনি তাদের প্রত্যাবর্তন, কুরবানীর আহকাম এবং হজ্জের আহকাম বর্ণনা করলেন। তিনি যখন খুৎবা শেষ করলেন, তখন আলী রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু দাঁড়িয়ে লোকদের মধ্যে সুরা বারাআত শেষ পর্যন্ত শুনালেন। প্রখম নফরের দিন আসলে আবু বকর রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু লোকদের উদ্দেশ্যে খুৎবা দিলেন; কিরুপে নফর বা যাত্রা করতে হবে এবং রমী করতে হবে সে সমস্ত আহকাম তাদেরকে শিক্ষা দিলেন। তিনি খুৎবা শেষ করলে আলী রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু দাঁড়িয়ে লোকদের মাঝে সূরা বারাআত পড়ে শুনালেন এবং তা শেষ পর্যন্ত পাঠ করলেন।[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ। যদিও নাসাঈ উল্লেখ করেছেন যে, এর বর্ণনাকারী ‘ইবনু খাইছাম হাদীস বর্ণনায় শক্তিশালী নন। … আলী ইবনুল মাদীনী বলেন: ইবনু খাইছাম মুনকারুল হাদীস। আর আলী ইবনুল মাদীনীকে সৃষ্টিই করা হয়েছে হাদীসের জন্যই।’ … আলবানীও একে যঈফ নাসাঈ তে উল্লেখ করেছেন।
তাখরীজ: নাসাঈ ৫/২৪৯ ইয়াওমুত তারবীয়ার একদিন পূর্বে খুতবা দান; জাওযাকানী, আবাতীল ওয়াল মানাকির নং ১২৯; বাইহাকী, হাজ্জ ৫/১১১; কুবরা নং ৩৯৮৪।
দেখুন, মুসনাদুল মাউসিলী নং ৭৬; সহীহ ইবনু হিব্বান নং ৩৮২০; মুসনাদুল হুমাইদী নং ১৪৭০, ১৯৬০ তে।

হাদিস ১,৯৫২

মূল আরবি

أَخْبَرَنَا أَبُو حَاتِمٍ أَشْهَلُ بْنُ حَاتِمٍ حَدَّثَنَا ابْنُ عَوْنٍ عَنْ مُحَمَّدٍ عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ أَبِي بَكْرَةَ عَنْ أَبِيهِ قَالَ لَمَّا كَانَ ذَلِكَ الْيَوْمُ قَعَدَ النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ عَلَى بَعِيرٍ لَا أَدْرِي جَمَلٌ أَوْ نَاقَةٌ وَأَخَذَ إِنْسَانٌ بِخِطَامِهِ أَوْ قَالَ بِزِمَامِهِ فَقَالَ أَيُّ يَوْمٍ هَذَا قَالَ فَسَكَتْنَا حَتَّى ظَنَنَّا أَنَّهُ سَيُسَمِّيهِ سِوَى اسْمِهِ فَقَالَ أَلَيْسَ يَوْمَ النَّحْرِ قُلْنَا بَلَى قَالَ فَأَيُّ شَهْرٍ هَذَا قَالَ فَسَكَتْنَا حَتَّى ظَنَنَّا أَنَّهُ سَيُسَمِّيهِ سِوَى اسْمِهِ فَقَالَ أَلَيْسَ ذَا الْحِجَّةِ قُلْنَا بَلَى قَالَ فَأَيُّ بَلَدٍ هَذَا قَالَ فَسَكَتْنَا حَتَّى ظَنَنَّا أَنَّهُ سَيُسَمِّيهِ سِوَى اسْمِهِ فَقَالَ أَلَيْسَ الْبَلْدَةَ قُلْنَا بَلَى قَالَ فَإِنَّ دِمَاءَكُمْ وَأَمْوَالَكُمْ وَأَعْرَاضَكُمْ بَيْنَكُمْ حَرَامٌ كَحُرْمَةِ يَوْمِكُمْ هَذَا فِي شَهْرِكُمْ هَذَا فِي بَلَدِكُمْ هَذَا أَلَا لِيُبَلِّغْ الشَّاهِدُ الْغَائِبَ فَإِنَّ الشَّاهِدَ عَسَى أَنْ يُبَلِّغَ مَنْ هُوَ أَوْعَى مِنْهُ

বাংলা অনুবাদ

১৯৫২. আবূ বাকরাহ্ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, (বিদায় হাজ্জের) সেই দিন যখন এলো, তখন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম (মিনায়) তাঁর উটের উপর উপবেশন করলেন। আমি জানি না, সেটি উট নাকি উটনী। তিনি বলেন, জনৈক ব্যক্তি তাঁর উটের লাগাম অথবা, রাশ ধরে রেখেছিল।
তথন তিনি বললেনঃ “এটা কোন্ দিন?“
তিনি বলেন, আমরা চুপ করে রইলাম আর ধারণা করলাম যে, অচিরেই তিনি এ দিনটির আলাদা কোন নাম দিবেন।
তিনি বললেনঃ ‘‘এটা কি কুরবানীর দিন নয়?“ আমরা বললাম, ‘জি হ্যাঁ।’
তিনি জিজ্ঞেসঃ “এটা কোন্ মাস?“
আমরা নীরব রইলাম আর ধারণা করলাম যে, অচিরেই তিনি এর আলাদা কোন নাম দিবেন।
তিনি বললেনঃ “এটা কি যিলহাজ্জ মাস নয়?“
আমরা বললাম, ‘জী হ্যাঁ।’
তিনি জিজ্ঞেসঃ “এটা কোন্ শহর?“
আমরা নীরব রইলাম আর ধারণা করলাম যে, অচিরেই তিনি এর আলাদা কোন নাম দিবেন।
তিনি বললেনঃ “এটা কি সেই (পবিত্র) শহর নয়?“
আমরা বললাম, ‘জী হ্যাঁ।’ তিনি বললেনঃ “তোমাদের রক্ত, তোমাদের ধন-সম্পদ, তোমাদের সম্মান তোমাদের পরস্পরের জন্য হারাম, যেমন আজকের তোমাদের এ দিন, তোমাদের এ মাস, তোমাদের এ শহর মর্যাদা সম্পন্ন। তোমরা জেনে রাখো! উপস্থিত ব্যক্তিরা যেন অনুপস্থিত ব্যক্তির নিকট (আমার এ বাণী) পৌঁছে দেয়। কারণ উপস্থিত ব্যক্তি সম্ভবত এমন এক ব্যক্তির নিকট পৌঁছাবে, যে এ বাণীকে তার চেয়ে অধিক আয়ত্তে রাখতে পারবে।“[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ। এটি বুখারী মুসলিমের সম্মিলিত বর্ণনা।
তাখরীজ: বুখারী, ইলম ৬৭; আযাহী ৫৫৫০; মুসলিম, কাসামাহ ১৬৭৯;
আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি মুসনাদুল মাউসিলী নং ২১১২; সহীহ ইবনু হিব্বান নং ৩৮৪৮ তে।

হাদিস ১,৯৫৩

মূল আরবি

أَخْبَرَنَا يَعْلَى حَدَّثَنَا الْأَعْمَشُ عَنْ إِبْرَاهِيمَ عَنْ الْأَسْوَدِ عَنْ عَائِشَةَ قَالَتْ حَاضَتْ صَفِيَّةُ فَلَمَّا كَانَتْ لَيْلَةُ النَّفْرِ قَالَتْ أَيْ حَلْقَى أَيْ عَقْرَى بِلُغَةٍ لَهُمْ فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أَلَسْتِ قَدْ طُفْتِ يَوْمَ النَّحْرِ قَالَتْ بَلَى قَالَ فَارْكَبِي

বাংলা অনুবাদ

১৯৫৩. আয়িশা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহা থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, সাফিয়্যাহ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহা এর হায়িয আরম্ভ হলো। এরপর যখন প্রস্থানের রাত আগমণ করলো, তখন তিনি আপন ভাষায় বললেন, হায়, আমার ধ্বংস! হায়, আমার নিষ্ফলতা (শারীরিক অক্ষমতা)![1] তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন: তুমি কি ইয়ামুন নাহার বা কুরবানীর দিন তাওয়াফ (এ-যিয়ারত) কর নি? তিনি জবাব দিলেন, হ্যাঁ। তিনি বললেনঃ “তা হলে বের হয়ে পড়ো।“[2]
[1] এটি অভিশাপ জাতীয় আহবান নয়। বরং এটি মুলত: তাদের মাঝে প্রচলিত আফসোস প্রকাশের ধরণ।–মুহাক্কিক্বের টীকা হতে –অনুবাদক।
[2] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ। এটি বুখারী মুসলিমের সম্মিলিত বর্ণনা।
তাখরীজ: বুখারী, হায়িয ৩২৮, হাজ্জ ১৭৫৭; মুসলিম, হাজ্জ ১২১১;
আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি মুসনাদুল হুমাইদী নং ২০৩; মুসনাদুল মাউসিলী নং ৪৫২ তে।

হাদিস ১,৯৫৪

মূল আরবি

حَدَّثَنَا سَهْلُ بْنُ حَمَّادٍ عَنْ شُعْبَةَ عَنْ الْحَكَمِ عَنْ إِبْرَاهِيمَ عَنْ الْأَسْوَدِ عَنْ عَائِشَةَ بِنَحْوِهِ

বাংলা অনুবাদ

১৯৫৪. (অপর সনদে) আয়িশা (রাঃ) থেকে অনুরূপ বর্ণিত আছে।[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।
তাখরীজ: এটি আগের হাদীসটির পুনরাবৃত্তি।

হাদিস ১,৯৫৫

মূল আরবি

أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ يَزِيدَ الْبَزَّازُ حَدَّثَنَا سُفْيَانُ بْنُ عُيَيْنَةَ عَنْ أَبِي إِسْحَقَ عَنْ زَيْدِ بْنِ يُثَيْعٍ قَالَ سَأَلْنَا عَلِيًّا بِأَيِّ شَيْءٍ بُعِثْتَ قَالَ بُعِثْتُ بِأَرْبَعٍ لَا يَدْخُلُ الْجَنَّةَ إِلَّا نَفْسٌ مُؤْمِنَةٌ وَلَا يَطُوفُ بِالْبَيْتِ عُرْيَانٌ وَلَا يَجْتَمِعُ مُسْلِمٌ وَكَافِرٌ فِي الْحَجِّ بَعْدَ عَامِهِمْ هَذَا وَمَنْ كَانَ بَيْنَهُ وَبَيْنَ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ عَهْدٌ فَعَهْدُهُ إِلَى مُدَّتِهِ وَمَنْ لَمْ يَكُنْ لَهُ عَهْدٌ فَهِيَ أَرْبَعَةُ أَشْهُرٍ يَقُولُ بَعْدَ يَوْمِ النَّحْرِ أَجَلُهُمْ عِشْرِينَ مِنْ ذِي الْحِجَّةِ فَاقْتُلُوهُمْ بَعْدَ الْأَرْبَعَةِ

বাংলা অনুবাদ

১৯৫৫. যাইদ ইবন উসাই (রহঃ) হতে বর্নিত আছে, তিনি বলেন, আলী রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু-কে আমি প্রশ্ন করলাম, কি বিষয় সহকারে আপনাকে (নবম হিজরীতে মক্কায় ঘোষণা দিতে) পাঠানো হয়েছিলো? তিনি বললেন, চারটি বিষয় (ঘোষনা করার জন্য)। মুসলিম ছাড়া আর কোন লোক জান্নাতে যাবেনা, কোন লোক উলঙ্গ অবস্থায় বাইতুল্লাহ্ তাওয়াফ করতে পারবেনা, এইখানে (কা’বা শরীফে) মুসলিম ও মুশরিকগন এই বছরের পর একত্রে হাজ্জ করতে পারবেনা এবং যেসব লোকের সাথে রাসূলূল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর চুক্তি আছে সেসব লোকের চুক্তি নির্দিষ্ট মেয়াদ পর্যন্ত বলবৎ থাকবে, কিন্তু যেসব লোকের কোন চুক্তি নেই, সেসব লোকের মেয়াদ (আজ হতে) চার মাস পর্যন্ত।[1] তিনি বলতেন, ইয়াওমুন নাহার বা কুরবানীর দিনের পর যিলহাজ্জ মাসের বিশ তারিখ হতে এ মেয়াদ শুরু হবে। এর চারমাস পর তোমরা তাদের সাথে যুদ্ধ করবে।
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।
তাখরীজ: আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি মুসনাদুল হুমাইদী নং ৪৮; মুসনাদুল মাউসিলী নং ৪৫২ তে। ((তিরমিযী, হাজ্জ ৮৭১-অনুবাদক।))

হাদিস ১,৯৫৬

মূল আরবি

حَدَّثَنَا عُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ عَبْدِ الْمَجِيدِ الْحَنَفِيُّ حَدَّثَنَا شُعْبَةُ أَخْبَرَنِي أَبُو قَزَعَةَ قَالَ سَمِعْتُ مُهَاجِرًا يَقُولُ سُئِلَ جَابِرُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ عَنْ رَفْعِ الْأَيْدِي عِنْدَ الْبَيْتِ فَقَالَ إِنَّمَا كَانَ يَصْنَعُ ذَلِكَ الْيَهُودُ حَجَجْنَا مَعَ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أَفَصَنَعْنَا ذَاكَ

বাংলা অনুবাদ

১৯৫৬. মুহাজির (রহঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন যে, বায়তুল্লাহ্ নিকটবর্তী (দৃষ্টিগোচর) হলে (দু’আয়) হাত উত্তোলন করা সম্পর্কে জাবির ইবনু আবদুল্লাহ্ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু-কে জিজ্ঞাসা করা হয়। জাবির রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু বলেন, কেবল ইয়াহুদীরা এরূপ করতো। আমরা রাসূলূল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সাথে হজ্জ করেছি, কিন্তু আমরা এরূপ করেছি কি?[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : খাত্তাবী, মা’আলিমুস সুনান ২/১৯১ এ উলামাগণের ইখতিলাফ এবং মুহাজিরের মাজহুল হওয়ার কারণে একে যঈফ সাব্যস্ত করেছেন বলে উল্লেখ করেছেন। তবে বিষয়টি বুখারী, কাবীর ৭/৩৮০, আবী হাতিম, জারহ্ ওয়াত তা’দীল ৮/২৬০ তে মুহাজিরের জীবনে উল্লেখ করেছেন (ফলে সে মাজহুল নন।) ইবনু হিব্বান ও যাহাবী, আল কাশিফ এ তাকে সিকাহ’ বলেছেন।
তাখরীজ: আবূ দাউদ, মানাসিক ১৮৭০; বাইহাকী, হাজ্জ ৫/৭৩; তিরমিযী, হাজ্জ ৮৫৫; নাসাঈ, মানাসিক ৫/২১২; ইবনু আব্বাস হতেও এ হাদীস বর্ণিত হয়েছে যঈফ সনদে যার তাখরীজ আমরা দিয়েছি মাজমাউয যাওয়াইদ নং ২৬১৭, ৫৫৩০ তে।…..।

হাদিস ১,৯৫৭

মূল আরবি

أَخْبَرَنَا أَبُو الْوَلِيدِ وَحَجَّاجٌ قَالَا حَدَّثَنَا شُعْبَةُ أَخْبَرَنِي عَلِيُّ بْنُ مُدْرِكٍ قَالَ سَمِعْتُ أَبَا زُرْعَةَ يُحَدِّثُ عَنْ جَرِيرِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ اسْتَنْصَتَ النَّاسَ فِي حَجَّةِ الْوَدَاعِ ثُمَّ قَالَ لَا تَرْجِعُوا بَعْدِي كُفَّارًا يَضْرِبُ بَعْضُكُمْ رِقَابَ بَعْضٍ

বাংলা অনুবাদ

১৯৫৭. জাবির ইবনু আবদুল্লাহ্ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, বিদায় হাজ্জে রাসূলূল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন: “লোকদেরকে চুপ করাও।“ অতঃপর তিনি বলেন: “আমার পরে তোমরা একে অপরের গর্দান মেরে (হত্যা করে) কাফির হয়ে পিছনে ফিরে যেও না।“[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ। এটি বুখারী মুসলিমের সম্মিলিত বর্ণনা।
তাখরীজ: বুখারী, ইলম ১২১; মুসলিম, ঈমান ৬৫;
আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি সহীহ ইবনু হিব্বান নং ৫৯৪০ তে। এছাড়াও: আবূ আওয়ানাহ ১/২৫; ইবনুল কানি’, মু’জামুস সাহাবাহ, তরজমাহ ১৫৫; বাগাবী, শারহুস সুন্নাহ নং ২৫৫০।
আবূ সাঈদ খুদরী, হুজাইর রা: এর হাদীসগুলোও দেখুন, যার তাখরীজ আমরা দিয়েছি মাজমাউয যাওয়াইদ নং ৭১৩, ৫৭০৫ তে।…

হাদিস ১,৯৫৮

মূল আরবি

أَخْبَرَنَا جَعْفَرُ بْنُ عَوْنٍ حَدَّثَنَا إِسْمَعِيلُ بْنُ أَبِي خَالِدٍ قَالَ وَسَمِعْتُ ابْنَ أَبِي أَوْفَى يَقُولُ سَعَى رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ بَيْنَ الصَّفَا وَالْمَرْوَةِ وَنَحْنُ نَسْتُرُهُ مِنْ أَهْلِ مَكَّةَ أَنْ يُصِيبَهُ أَحَدٌ بِحَجَرٍ أَوْ بِرَمْيَةٍ

বাংলা অনুবাদ

১৯৫৮. ইবনু আবী আওফা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলূল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সাফা ও মারওয়ার মধ্যবর্তী স্থানে সা’ঈ করলেন, তখন মক্কাবাসীদের কেউ যাতে তাঁর উপর পাথর কিংবা (বর্শা) আকারের কিছু নিক্ষেপ করতে না পারে, সেজন্য আমরা তাঁকে আড়াল করে রাখছিলাম।[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।
তাখরীজ: বুখারী, হাজ্জ ১৬০০;
আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি সহীহ ইবনু হিব্বান নং ৩৮৪৩ মুসনাদুল হুমাইদী নং ৭৩৮ তে।

হাদিস ১,৯৫৯

মূল আরবি

أَخْبَرَنَا سَهْلُ بْنُ حَمَّادٍ حَدَّثَنَا شُعْبَةُ عَنْ الْحَكَمِ عَنْ عَلِيِّ بْنِ الْحُسَيْنِ عَنْ مَرْوَانَ بْنِ الْحَكَمِ أَنَّهُ شَهِدَ عَلِيًّا وَعُثْمَانَ بَيْنَ مَكَّةَ وَالْمَدِينَةِ وَعُثْمَانُ يَنْهَى عَنْ الْمُتْعَةِ فَلَمَّا رَأَى ذَلِكَ عَلِيٌّ أَهَلَّ بِهِمَا جَمِيعًا فَقَالَ لَبَّيْكَ بِحَجَّةٍ وَعُمْرَةٍ مَعًا فَقَالَ تَرَانِي أَنْهَى عَنْهُ وَتَفْعَلُهُ فَقَالَ لَمْ أَكُنْ لِأَدَعَ سُنَّةَ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ بِقَوْلِ أَحَدٍ مِنْ النَّاسِ

বাংলা অনুবাদ

১৯৫৯. মারওয়ান ইবনুল হাকাম হতে বর্ণিত। তিনি মক্কা ও মদীনার মধ্যবর্তী (‘উসফান নামক) স্থানে ‘আলী ও ‘উছমান রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু এর নিকট উপস্থিত ছিলেন। উছমান রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হাজ্জে তামাত্তু‘ করতে নিষেধ করতেন। এরপর যখন ‘আলী রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু এ অবস্থা দেখলেন, তখন তিনি হাজ্জ ও ‘উমরাহ উভয়ের ইহরাম বাঁধেন এবং তিনি (‘আলী) বললেন, আমি উমরাহ ও হাজ্জের জন্য একত্রে তালবিয়া পাঠ করলাম। এরপর তিনি ‘উসমান রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু-কে লক্ষ্য করে বললেন, আপনাকে আমি তা হতে বারণ করতে দেখছি, অথচ আপনি সেই কাজ করেছেন। এরপর তিনি (আলী) বললেন, আমি কোনো মানুষের কথায় আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সুন্নাত পরিত্যাগ করতে পারি না।[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ জাইয়্যেদ বা উত্তম। এটি বুখারী মুসলিমের সম্মিলিত বর্ণনা।
তাখরীজ: বুখারী, হাজ্জ ১৫৬৯; মুসলিম, হাজ্জ ১২২৩;
আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি মুসনাদুল মাউসিলী নং ৩৪২, ৩৪৯, ৪৩৪, ৬০৯ তে।

হাদিস ১,৯৬০

মূল আরবি

أَخْبَرَنَا يَزِيدُ بْنُ هَارُونَ حَدَّثَنَا حُمَيْدٌ عَنْ أَنَسٍ أَنَّهُ سَمِعَ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَقُولُ لَبَّيْكَ بِعُمْرَةٍ وَحَجٍّ

বাংলা অনুবাদ

১৯৬০. আনাস (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে বলতে শুনেছেন: “আমি হাজ্জ ও ‘উমরাহ উভয়ের জন্য একত্রে তালবিয়া পাঠ করছি।“[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ। এটি বুখারী মুসলিমের সম্মিলিত বর্ণনা।
তাখরীজ: বুখারী, তাক্বসীরুস সালাত ১০৮৯; মুসলিম, সালাতুল মুসাফিরীন ৬৯০;
আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি মুসনাদুল মাউসিলী নং ২৭৯৪, ২৮১১, ২৮১২, ৩০২৫ ও সহীহ ইবনু হিব্বান নং ৩৯৩০ ও মুসনাদুল হুমাইদী নং ১২৪৯ তে।