আকাঙ্ক্ষা ছিল ঝড়ের
একবার এক চিত্রকর সমগ্র পৃথিবীকে একটি বিশাল ক্যানভাসে সাজাতে চাইছিলেন। কিন্তু কিছুতেই পারছিলেন না। কোথায় যেন, কীভাবে যেন কিছু একটা
লেখকের নিজস্ব মতামত, বিশ্লেষণ ও অবস্থানের পৃথক সংগ্রহ।
একবার এক চিত্রকর সমগ্র পৃথিবীকে একটি বিশাল ক্যানভাসে সাজাতে চাইছিলেন। কিন্তু কিছুতেই পারছিলেন না। কোথায় যেন, কীভাবে যেন কিছু একটা
"ফিলোসফি অন ট্রায়াল" এর অন্যতম শক্তি হল এর বোধগম্যতা। ফ্রেজার একটি স্পষ্ট এবং আকর্ষক নাটক লিখেছেন যা এমনকি জটিল দার্শনিক ধারণাগুলিকে বোঝা সহজ করে তোলে। তিনি পরিভাষা এবং দর্শনের জটিল ভাষা এড়িয়ে যান, এবং এর পরিবর্তে বাস্তব-বিশ্বের উদাহরণ এবং দার্শনিক ধারণার ব্যবহারিক প্রয়োগগুলিতে মনোনিবেশ করেন।
আচার্য শব্দের অর্থ প্রধান পুরোহিত আর পুরোহিত শব্দের ভাবার্থ হল, যিনি গৃহস্তের মঙ্গলের কথা তাঁদের পুরোভাগেই অর্থাৎ আগেই চিন্তা করেন। যাঁর কথা বলছি, তিনি আমাদের ড. আহমদ শরীফ, হুমায়ূন আজাদের ভাষায় ‘বয়স্ক বিদ্রোহী’ বা ‘বামুনের দেশে একমাত্র মহাকায়’ আর নতুন প্রজন্মের কাছে ‘বাংলার ভলতেয়ার’
কিছু ইসলাম প্রচারক দাবি করেন যে, তাদের নবী জানতেন না যে পৃথিবীতে কয়লা বলে কিছু আছে, অতএব তিনি কোরআনের লেখক হতে পারেননা।
কোরআনে ১৪০০ বছর আগেই বলা হয়েছে, একজনের আঙুলের ছাপ অন্যজনের সাথে মিলে না। দাবীটি বিশ্লেষণ করে দাবীটির সত্যতা কতটুকু সেটা তুলে ধরার চেষ্টা করবো।
মুসলিমবিদ্বেষ যেমন খারাপ, ইহুদীবিদ্বেষও তেমনই খারাপ। কেবল মুসলিম হওয়ার কারণে যেমন কারো প্রতি বিদ্বেষ পোষণ করা ঠিক নয়, তেমনি কেবল ইহুদী হওয়ার কারণেও কারো প্রতি বিদ্বেষ পোষণ করা ঠিক নয়।
সাংখ্য দর্শনে উচ্চতর সত্ত্বা বা পরিণত সত্ত্বার কথা থাকলেও এই দর্শন ঈশ্বর-ধারণাকে প্রত্যাখ্যান করে। ধ্রুপদি সাংখ্য দর্শন আধ্যাত্মিক স্তরে ঈশ্বরের অস্তিত্ব অস্বীকার করে
ডা রাফান আহমেদ প্রণীত জনপ্রিয় একটি বই 'হোমো স্যাপিয়েনস: রিটেলিং আওয়ার স্টোরি'। বইখানি plagiarism দোষে কতোটা দুষ্ট সেই কথাই এখানে উল্লেখ করা হয়েছে। বইটির বিভিন্ন অংশ আর সাথে মূল উৎসগুলিও এখানে দেখানো হয়েছে।
আরজ আলি মাতুব্বর এমন এক সমাজে জন্মগ্রহণ করেছেন যে সমাজ অন্ধকারাচ্ছন্ন, পশ্চাৎপ্রবণ, কুসংস্কারমুখী ও বৈদেশিক নীতির আফিমে আচ্ছন্ন।
সপ্তম শতাব্দীর একজন মানুষের জন্য এটা ধারণা করাটা খুব কঠিন কিছু নয় যে, একটি শিশু তার মায়ের গর্ভে থেকে কিছু দেখতে না পারলেও হয়তো শুনতে পারে।
পিঁপড়া কথা বলতে পারেনা, কিন্তু আয়াতটিতে একটি পিঁপড়াকে কথা বলতে দেখা যায়, যা অবশ্যই একটি বৈজ্ঞানিক ভুল।
নবীজি কখনোই এমনটি বলেননি যে, জান্নাতের দুই দরজার মধ্যবর্তী জায়গার দূরত্ব মক্কা থেকে হাজার অথবা মক্কা থেকে বুশরার দূরত্বের সমান।
যে আরবি শব্দটিকে কেন্দ্র করে হারুন ইয়াহিয়ার মতো ইসলাম প্রচারকগণ তাদের দাবিটি উপস্থাপন করেন সেই শব্দটি কোরআনে লোহা ছাড়াও আরো অনেকক্ষেত্রেই ব্যবহৃত হয়েছে।
ইমাম হাসান সেই ১৪০০ বছর আগেই এক একজন নারী ভোগ করে দশ হাজার দিরহাম দিয়ে বিদায় করে দিতেন। আবার অনেককে দিতেন আরো বেশি
মনুসংহিতাকে হিন্দুদের প্রধান ধর্মশাস্ত্র হিসেবে গণ্য করা হয়। এই গ্রন্থের পাতায় পাতায় কেবল দেখা যায় শূদ্র বিদ্বেষী, নারী বিদ্বেষী কথা; আর দেখা যায় ব্রাহ্মণের মাহাত্ম্য।
নারীর স্থান গৃহে। বাইরের জীবন বলতে যা কিছু, সেই স্বাধীনতাটুকু তার ব্যক্তিস্বাতন্ত্র্যের সঙ্গেই হারিয়েছে। তার মনের উপর কোনও অধিকার নেই, নিজের শরীরের উপরেও না
জীবধর্মরক্ষার চেষ্টাতেও মানুষের নিরন্তর একটা দ্বন্দ্ব আছে। সে হচ্ছে প্রাণের সঙ্গে অপ্রাণের দ্বন্দ্ব। অপ্রাণ আদিম, অপ্রাণ বিরাট। তার কাছ থেকে রসদ সংগ্রহ করতে হয় প্রাণকে, মালমসলা নিয়ে গড়ে তুলতে হয় দেহযন্ত্র
ডানপন্থী নাস্তিকতা ব্যাপারটা ঐতিহ্যগতভাবে অনেকটা কাঠালের আমস্বত্তের মত শোনা গেলেও এই নতুন সহস্রাব্দের অন্তত দ্বিতীয় দশক থেকে মূর্ত বাস্তবতায় পরিণত হয়েছে
কচুই পৃথিবীর একমাত্র সবজি, বাকি সব সবজি মিডিয়ার সৃষ্টি। তাই আপনাকে কচু খেতেই হবে এবং কচু খেতে পছন্দ করতেই হবে। এছাড়াও...
বঙ্গ মুসলিমরদের এই ইসলামি বিজ্ঞানমনস্কতার ধারনা মুখ থুবড়ে পড়ল যখন এক বেরসিক করোনা ভাইরাস বিশ্বমহামারী নবী মোহাম্মাদ (দঃ) এর রোগের সংক্রমণের এক বিখ্যাত হাদিসকে প্রশ্নের মুখে ঠেলে দিল