আকাঙ্ক্ষা ছিল ঝড়ের
একবার এক চিত্রকর সমগ্র পৃথিবীকে একটি বিশাল ক্যানভাসে সাজাতে চাইছিলেন। কিন্তু কিছুতেই পারছিলেন না। কোথায় যেন, কীভাবে যেন কিছু একটা
লেখকের নিজস্ব মতামত, বিশ্লেষণ ও অবস্থানের পৃথক সংগ্রহ।
একবার এক চিত্রকর সমগ্র পৃথিবীকে একটি বিশাল ক্যানভাসে সাজাতে চাইছিলেন। কিন্তু কিছুতেই পারছিলেন না। কোথায় যেন, কীভাবে যেন কিছু একটা
"ফিলোসফি অন ট্রায়াল" এর অন্যতম শক্তি হল এর বোধগম্যতা। ফ্রেজার একটি স্পষ্ট এবং আকর্ষক নাটক লিখেছেন যা এমনকি জটিল দার্শনিক ধারণাগুলিকে বোঝা সহজ করে তোলে। তিনি পরিভাষা এবং দর্শনের জটিল ভাষা এড়িয়ে যান, এবং এর পরিবর্তে বাস্তব-বিশ্বের উদাহরণ এবং দার্শনিক ধারণার ব্যবহারিক প্রয়োগগুলিতে মনোনিবেশ করেন।
আচার্য শব্দের অর্থ প্রধান পুরোহিত আর পুরোহিত শব্দের ভাবার্থ হল, যিনি গৃহস্তের মঙ্গলের কথা তাঁদের পুরোভাগেই অর্থাৎ আগেই চিন্তা করেন। যাঁর কথা বলছি, তিনি আমাদের ড. আহমদ শরীফ, হুমায়ূন আজাদের ভাষায় ‘বয়স্ক বিদ্রোহী’ বা ‘বামুনের দেশে একমাত্র মহাকায়’ আর নতুন প্রজন্মের কাছে ‘বাংলার ভলতেয়ার’
সাংখ্য দর্শনে উচ্চতর সত্ত্বা বা পরিণত সত্ত্বার কথা থাকলেও এই দর্শন ঈশ্বর-ধারণাকে প্রত্যাখ্যান করে। ধ্রুপদি সাংখ্য দর্শন আধ্যাত্মিক স্তরে ঈশ্বরের অস্তিত্ব অস্বীকার করে
ডা রাফান আহমেদ প্রণীত জনপ্রিয় একটি বই 'হোমো স্যাপিয়েনস: রিটেলিং আওয়ার স্টোরি'। বইখানি plagiarism দোষে কতোটা দুষ্ট সেই কথাই এখানে উল্লেখ করা হয়েছে। বইটির বিভিন্ন অংশ আর সাথে মূল উৎসগুলিও এখানে দেখানো হয়েছে।
আরজ আলি মাতুব্বর এমন এক সমাজে জন্মগ্রহণ করেছেন যে সমাজ অন্ধকারাচ্ছন্ন, পশ্চাৎপ্রবণ, কুসংস্কারমুখী ও বৈদেশিক নীতির আফিমে আচ্ছন্ন।
নারীর স্থান গৃহে। বাইরের জীবন বলতে যা কিছু, সেই স্বাধীনতাটুকু তার ব্যক্তিস্বাতন্ত্র্যের সঙ্গেই হারিয়েছে। তার মনের উপর কোনও অধিকার নেই, নিজের শরীরের উপরেও না
জীবধর্মরক্ষার চেষ্টাতেও মানুষের নিরন্তর একটা দ্বন্দ্ব আছে। সে হচ্ছে প্রাণের সঙ্গে অপ্রাণের দ্বন্দ্ব। অপ্রাণ আদিম, অপ্রাণ বিরাট। তার কাছ থেকে রসদ সংগ্রহ করতে হয় প্রাণকে, মালমসলা নিয়ে গড়ে তুলতে হয় দেহযন্ত্র
ডানপন্থী নাস্তিকতা ব্যাপারটা ঐতিহ্যগতভাবে অনেকটা কাঠালের আমস্বত্তের মত শোনা গেলেও এই নতুন সহস্রাব্দের অন্তত দ্বিতীয় দশক থেকে মূর্ত বাস্তবতায় পরিণত হয়েছে
কচুই পৃথিবীর একমাত্র সবজি, বাকি সব সবজি মিডিয়ার সৃষ্টি। তাই আপনাকে কচু খেতেই হবে এবং কচু খেতে পছন্দ করতেই হবে। এছাড়াও...
বঙ্গ মুসলিমরদের এই ইসলামি বিজ্ঞানমনস্কতার ধারনা মুখ থুবড়ে পড়ল যখন এক বেরসিক করোনা ভাইরাস বিশ্বমহামারী নবী মোহাম্মাদ (দঃ) এর রোগের সংক্রমণের এক বিখ্যাত হাদিসকে প্রশ্নের মুখে ঠেলে দিল
"যদি বেঁচে যাও এবারের মত, যদি কেটে যায় মৃত্যুর ভয়, জেনো বিজ্ঞান লড়েছিলো একা, মন্দির মসজিদ নয়" - কথা দুটি বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় কুযুক্তিবাদী আরিফ আজাদ হজম করতে পারেনি
আমরা মানুষেরা অনেক সময়ই ভাবি যে আমাদের বর্তমান অবস্থাই আমাদের বিবর্তনের শেষ অবস্থা। কিন্তু এই সময়ের মধ্যে আমাদের মধ্যে অনেক পরিবর্তন এসেছে, আর এও দেখব যে আমরা অনেকটাই "ওয়ার্ক ইন প্রোগ্রেস" এ রয়েছি।
হিউম্যানিজম ফর চিল্ড্রেন বইটি লিখেছিলেন Nada Perat Radfrau। আসিফ মহিউদ্দীন এর ভাবানুবাদ করেছেন। বইটি মানববাদ প্রসঙ্গে শিশুদের হাতে খড়ি হিসেবে বিবেচিত হতে পারে
কট্টর নারীবাদী সংগঠনের নাম হচ্ছে ‘ফেমেন’। লিঙ্গবৈষম্য, বর্ণবাদ, সমকামীভীতি, পুরুষতান্ত্রিকতা, ধর্ম, আধিপত্যবাদ, সামাজিক ও রাজনৈতিক বিষয়ে তারা প্রতিবাদ করেন।
শার্লি এবদো ম্যাগাজিনটির ধর্মবিরোধী এবং ব্যাপকভাবে প্রতিষ্ঠান বিরোধী অবস্থান ফুটে উঠে এটির ধর্মনিরপেক্ষ, সংশয়বাদী এবং নাস্তিক, চরম বামপন্থী, বর্ণবাদ বিরোধী
তিনি তার প্রেমিকাকে একনজর দেখার জন্য এতটাই উদগ্রীব ছিলেন যে, যার সামনে ইসলাম মুহাম্মদ আল্লাহ জিহাদ এমনকি নিজের জীবনটিও তুচ্ছ হয়ে যায়
সদ্যবিধবা নারী মৃত স্বামীর চিতায় আরোহণ করে এবং উৎসর্গ করে, প্রথমত পরলোকে তার স্বামীর স্বচ্ছন্দ অবস্থানের জন্য, দ্বিতীয়ত স্বর্গে চিরকাল স্বামী সঙ্গ সুখের আশায়
আধুনিক বিজ্ঞান ও হিন্দুধর্ম | অধ্যাপক শ্রীমেঘনাদ সাহা, ডি-এস-সি, এফ-আর-এস| “সবই ব্যাদে আছে।” অনেক পাঠক আমি আমার প্রথম প্রবন্ধে “সবই
প্রাচীনেরা মনে করিতেন, পৃথিবীই বিশ্বজগতের কেন্দ্র, তারকাগুলি ধাৰ্ম্মিকলোকের আত্মা এবং মূখ্য ও অপরাপর গ্রহ মানুষের ভাগ্য নিয়ন্ত্রণ করে। প্রায় সকল প্রাচীন ধর্মেই কল্পিত হইয়াছে যে, পূৰ্বে এক সত্যযুগ ছিল, তখন মানুষ পরস্পর সম্প্রীতি-সুত্রে বাস করিত এবং তাহাদিগকে দুর্ভিক্ষ ও মহামারীতে ভুগিতে হইত না