পরিবার কি শুধুই মায়ার বাঁধন, নাকি টিকে থাকার স্বার্থপর জিন ও অর্থনীতির হিসাব-নিকাশ? এই দীর্ঘ প্রবন্ধে নৃবিজ্ঞান, মনোবিজ্ঞান ও সমাজবিজ্ঞানের লেন্স দিয়ে পরিবারের ব্যবচ্ছেদ করা হয়েছে। এখানে উঠে এসেছে কীভাবে হাজার বছরের বিবর্তনে পরিবার প্রেম, রাজনীতি ও ক্ষমতার এক জটিল রণক্ষেত্রে পরিণত হয়েছে। লেখায় বিশেষ গুরুত্ব পেয়েছে ধর্ম ও পরিবারের দ্বান্দ্বিক সম্পর্ক। ধর্ম পরিবারকে ‘পবিত্রতা’ ও স্থায়িত্ব দিলেও, নারীবাদী ও সেক্যুলার তাত্ত্বিকরা দেখিয়েছেন কীভাবে ধর্ম শিশুদের মনে অপরাধবোধ জন্ম দেয় এবং পিতৃতান্ত্রিক শোষণকে টিকিয়ে রাখে। আধুনিক প্রযুক্তির যুগে পরিবারের এই ভাঙাগড়া এবং একটি স্বতন্ত্র ‘পরিবার বিদ্যা’ বা ‘ফ্যামিলি স্টাডিজ’ ডিসিপ্লিনের অপরিহার্যতা নিয়েই এই গভীর অনুসন্ধান।
আধুনিক বিজ্ঞান, সমাজ ও নীতিনির্ধারণের জগতে ‘প্রমাণ-ভিত্তিক সত্য’ আজকের মানদণ্ড হলেও, সত্য বলতে কেবল যা দেখা যায়, মাপা যায় – সেটাই কি যথেষ্ট? দৃষ্টবাদ (Positivism) নামের এক সাহসী কিন্তু বিতর্কিত দর্শন বলেছিল – হ্যাঁ, সেটাই যথেষ্ট, বাকিটুকু মিথ বা ছলনা। কিন্তু ইতিহাস, দর্শন আর মানুষের আবেগের জগতে ঢুকে দেখলে বোঝা যায় – এই গল্পটা তার চেয়েও অনেক গভীর, অনেক জটিল।
