আর্কিওলজি

ধর্মআর্কিওলজিইতিহাসে ধর্মমিথোলজি বা পুরাণ

সুমেরীয় ধর্ম ও পুরাণ (Sumerian Religion and Mythology): মানব সভ্যতার আদিমতম বিশ্বাসের রূপরেখা

মেসোপটেমিয়ার টাইগ্রিস ও ইউফ্রেটিস নদীর উর্বর উপত্যকায় গড়ে ওঠা সুমেরীয় সভ্যতা ছিল মানব ইতিহাসের প্রথম সুসংগঠিত সমাজ। যাযাবর জীবন পেছনে ফেলে মানুষ কৃষি ও পশুপালনের মাধ্যমে স্থিতিশীলতা অর্জনের পর, প্রকৃতি ও মহাবিশ্বের বিশালতার সামনে নিজেদের ক্ষুদ্রতা উপলব্ধি করে। নদীভাঙন বা খরার মতো অনিয়ন্ত্রিত প্রাকৃতিক শক্তির রহস্য খুঁজতে গিয়েই তারা প্রকৃতির প্রতিটি উপাদানের পেছনে 강력 সত্তার কল্পনা করে, যারা কালক্রমে দেবতা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়। এভাবেই জন্ম নেয় এক জটিল বহুদেবতাবাদী বিশ্বাস ব্যবস্থা, যেখানে প্রতিটি নগররাষ্ট্রের কেন্দ্রবিন্দু ছিল প্রধান দেবতার মন্দির বা জিগুরাত। মানুষ ও দেবতাদের সম্পর্কের ভিত্তি ছিল এক ধরনের পারস্পরিক নির্ভরশীলতা। প্রত্নতাত্ত্বিক খননে প্রাপ্ত কিউনিফর্ম লিপিতে খোদাই করা ফলক থেকে আমরা এই প্রাচীন সভ্যতার ধর্মীয় বিশ্বাস, গিলগামেশের মতো বীরের কাহিনী, মহাপ্লাবনের ভয়াবহতা এবং পাতালপুরীর কথা জানতে পারি। যদিও তা আধুনিক বিজ্ঞানের যুক্তিতে টিকবে না, তবুও এই পুরাণ ও ধর্মীয় ব্যবস্থা মানব সভ্যতার আদিপর্বে বিশ্বব্রহ্মাণ্ডকে বোঝার এক অনন্য বুদ্ধিবৃত্তিক প্রয়াস। এই বিশ্বাস কাঠামো কেবল মেসোপটেমিয়াতেই সীমাবদ্ধ থাকেনি, পরবর্তীতে ব্যাবিলনীয় ও অ্যাসিরীয় সংস্কৃতির মাধ্যমে সমগ্র প্রাচীন নিকটপ্রাচ্য, এমনকি আধুনিক আব্রাহামিক ধর্মসমূহের (ইহুদি, খ্রিস্টান ও ইসলাম) অনেক মৌলিক উপাখ্যান ও কসমোলজিক্যাল ধারণার ওপরও গভীর ও সুদূরপ্রসারী প্রভাব বিস্তার করেছে। বর্তমান প্রবন্ধে আমরা সুমেরীয়দের সেই বিস্ময়কর ধর্মীয় জগত এবং তার দীর্ঘস্থায়ী ঐতিহ্যের বিশ্লেষণ উপস্থাপন করব।

Read More
বিজ্ঞানআর্কিওলজিইতিহাসজেনেটিক্সপ্রোপাগান্ডা

সিন্ধু সভ্যতার প্রকৃত পূর্বপুরুষত্বের হিন্দুত্ববাদী প্রোপাগান্ডা

সিন্ধু সভ্যতার এই লোকেরা ইরানিয়ান অঞ্চল থেকে ঠিক কোন সময়ে ভারতবর্ষে প্রবেশ করে সিন্ধুসভ্যতা তৈরি করেছিল

Read More
ইসলামআর্কিওলজিপ্রতিক্রিয়া

ইরাম শহর

বর্তমান সময়ের কিছু ইসলাম প্রচারকের দাবি, কোরআনের আয়াতে ইরাম শব্দটি একটি মিরাকল। কেন? তাদের বক্তব্য অনুসারে, কোরআনে উল্লেখিত ইরাম শব্দটি এমন একটি শহরের নাম, যার ব্যাপারে কেউ জানতোনা, যার কথা পৃথিবীর কোনো ইতিহাসে বলা ছিলনা।

Read More