ট্যাগভিত্তিক সংগ্রহ

হিন্দুধর্মে জাতিভেদ বা বর্ণপ্রথা

প্রাচীন ভারতীয় গ্রন্থগুলিতে অসংখ্য জায়গাতে জাতিভেদ বা বর্ণবাদের উল্লেখ রয়েছে। হিন্দু সমাজে চারটি শ্রেণি ছিল, ব্রাহ্মণ (বৈদ্য-শাস্ত্রী-পুরোহিত জাতীয় লোক), ক্ষত্রিয় (রাজন্যাস নামে পরিচিত, যারা শাসক, প্রশাসক ও যোদ্ধাও ছিলেন), বৈশ্য (কারিগর, ব্যবসায়ী, ব্যবসায়ী এবং কৃষক), এবং শূদ্র (শ্রমঘটিত শ্রেণিগত)। আরো একটি পঞ্চম ভাগ ছিল, যাদের উপজাতি লোক এবং অস্পৃশ্য লোক চিহ্নিত করা হতো। ভারতের সংবিধান এর ১৫ অনুচ্ছেদে বর্ণের ভিত্তিতে বৈষম্য নিষিদ্ধ করা হয়েছে এবং ১৭ অনুচ্ছেদে অস্পৃশ্যতার চর্চাকে অবৈধ বলে ঘোষণা করেছে।

পদ্ম পুরাণে রামচন্দ্রের শূদ্র শম্বুক হত্যা
অজিত কেশকম্বলী II

পদ্ম পুরাণে রামচন্দ্রের শূদ্র শম্বুক হত্যা

বাল্মীকি রামায়ণের উত্তরকাণ্ডে ভগবান বিষ্ণুর অবতার রামচন্দ্রকে তপস্যার করার অপরাধেই এক শূদ্রের মুণ্ডুপাত করতে দেখা যায়। শুধু বাল্মীকি রামায়ণে নয়, কৃত্তিবাসী রামায়ণ এবং মহাভারতেও এই কাহিনীটি পাওয়া যায়।

পড়ুন
চণ্ডাল কোনোদিনো ব্রাহ্মণ হতে পারে না- মহাভারত
অজিত কেশকম্বলী II

চণ্ডাল কোনোদিনো ব্রাহ্মণ হতে পারে না- মহাভারত

অনেককে এখনো পাওয়া যাবে, যারা হিন্দুসমাজের জাতিভেদের মত ঐতিহাসিক সত্যকে স্বীকার করতে চান না। তাদের ভাব এমন যেন হিন্দুসমাজে কোনোদিনো জাতিভেদের অস্তিত্ব ছিলই না

পড়ুন
রামায়ণ
অজিত কেশকম্বলী II

রামায়ণে জাতিভেদ

উত্তরকাণ্ডের শম্বুক হত্যা ছাড়াও রামায়ণের অনেক স্থানেই অনেক জাতিবাদী কথা রয়েছে। সেসব পর্যালোচনাই এই লেখার উদ্দেশ্য।

পড়ুন
রামায়ণ 1
অজিত কেশকম্বলী II

বৃহদ্ধর্ম পুরাণে জাতিভেদ

হিন্দুদের পুরাণসমূহ কেবল পৌরাণিক ঘটনায় পরিপূর্ণ নয়, এসব জাতপাতেও যথেষ্ট পরিপূর্ণ। বৃহদ্ধর্ম পুরাণ হল হিন্দুদের একটি পুরাণে জাতিভেদ সম্বন্ধে অনেক কথা বলা আছে।

পড়ুন
রামায়ণ 3
অজিত কেশকম্বলী II

কালিকা পুরাণে ব্রাহ্মণের শ্রেষ্ঠত্ব, শূদ্র ও নারীর দুরবস্থা

কালিকা পুরাণে শূদ্র ও নারীর প্রতি বৈষম্যমূলক অনেক কথা বলা হয়েছে। শূদ্রদের কথা না হয় ছেড়েই দিলাম, দেবীদের নিয়ে রচিত পুরাণে এত নারীবিদ্বেষী কথা থাকার মানে কি?

পড়ুন
রামায়ণ 5
অজিত কেশকম্বলী II

সংস্কৃত সাহিত্যিকদের চোখে রামের শূদ্র শম্বুক হত্যা

তপস্বী বললেন, ‘আমার নাম শম্বুক, জাতিতে আমি শূদ্র’। শূদ্র শম্বুকের কথা শুনে ভগবান ক্রোধে কাঁপতে লাগলেন, ক্রোধাগ্নিতে তার দুই চোখ জ্বলে উঠলো।

পড়ুন
রামায়ণ 7
অজিত কেশকম্বলী II

মহাভারতের একলব্য, যার প্রতিভাকে খুন করেছিল বর্ণবাদীরা

মহাভারতে দেখতে পাই নিচু জাতির হওয়ার কারণে একলব্য দ্রোণাচার্যের কাছে জাতিবৈষম্যের শিকার হন। একলব্যের অগ্রগতিকে রোধ করা গেল না, তখন একলব্যের আঙ্গুল কাটিয়ে দেন

পড়ুন
রামায়ণ 9
অজিত কেশকম্বলী II

ব্রহ্মবৈবর্ত পুরাণের কৃষ্ণ, ভ্রষ্ট ব্রাহ্মণ্যবাদের চরম পৃষ্ঠপোষক

হিন্দুদের ব্রহ্মবৈবর্ত নামে একটি পুরাণ রয়েছে। এই ব্রহ্মবৈবর্ত পুরাণে কৃষ্ণকে ভ্রষ্ট ব্রাহ্মণ্যবাদের চরম পৃষ্ঠপোষক রূপে দেখা যায়

পড়ুন
রামায়ণ 11
অজিত কেশকম্বলী II

অত্রি সংহিতা ও জাতিভেদ

ধর্মশাস্ত্রগুলির মধ্যে অত্রি সংহিতা অন্যতম। ঋষি অত্রি এর রচয়িতা। এতে তিনি ‘চতুর্বর্ণের সনাতন ধর্ম’ ব্যক্ত করেছেন। তার শাস্ত্রে দেখা যায় স্ত্রী ও শূদ্র কুকুর ও কাকের সমার্থক, শূদ্রকে হত্যা করলে গাধা হত্যার প্রায়শ্চিত্ত, শ্বপাক জাতির ছায়া মারালেও প্রায়শ্চিত্ত করতে হয়।

পড়ুন
রামায়ণ 13
অজিত কেশকম্বলী II

রামের শূদ্র শম্বুক হত্যা নিয়ে আপনি অবাক কেন হচ্ছেন?

বিষ্ণুর অবতার রামচন্দ্র তপস্যা করার অপরাধে শম্বুক নামক এক শূদ্র তপস্বীকে হত্যা করেন। অনেকে বলে থাকেন, রামের মত একটি চরিত্রের দ্বারা কখনোই শম্বুক বধ সম্ভব নয়

পড়ুন
রামায়ণ 15
অজিত কেশকম্বলী II

আপস্তম্ভ সংহিতা ও জাতিভেদ

চতুর্বর্ণের মধ্যে শূদ্র হল চতুর্থ বর্ণ এবং ব্রাহ্মণ্যবাদী বিধান অনুযায়ী সর্বনিকৃষ্টবর্ণ। শূদ্রের প্রতি আপস্তম্ভও দিয়েছেন নানা বৈষম্যমূলক ও উৎপীড়নমূলক বিধান। রজক, ব্যাধ, চর্মকার প্রভৃতি শ্রমজীবী মানুষদের প্রতিও ঘৃণা প্রকাশ পেয়েছে তার বিধানে

পড়ুন
রামায়ণ 19
Sumit Roy

বাংলায় আর্য-ব্রাহ্মণ্যের আগমন ও প্রভাবের ইতিহাস – পর্ব ২

ভারতবর্ষে ধর্মগুলো নিয়ে নৃতাত্ত্বিক ও সমাজতাত্ত্বিক জ্ঞান যত বেশি গভীর হয়েছে তত জানা গেছে যে আজ যাকে হিন্দুধর্ম বা আর্যব্রাহ্মণ্য ধর্ম বা সনাতন ধর্ম বলা হয় তা আসলে একদিকে আর্য ও অন্যদিকে প্রাক-আর্য বা অনার্য ধর্মকর্মের সমন্বিত রূপ মাত্র

পড়ুন
রামায়ণ 21
Sumit Roy

বাংলায় আর্য-ব্রাহ্মণ্যের আগমন ও প্রভাবের ইতিহাস – পর্ব ১

নৃতাত্ত্বিক গবেষণাগুলোর দ্বারা উঠে এসেছে যে, আর্য পূর্ব সমাজেও কৃষি ও শিকারজীবী, গৃহী ও অরণ্যজীবী এরকম হিসেবে অসংখ্য কোম বা গোষ্ঠী বা একরকম বর্ণবিন্যাস প্রচলিত ছিল

পড়ুন
রামায়ণ 23
অজিত কেশকম্বলী II

ব্রাহ্মণই প্রকৃত দেবতা! মনুসংহিতা ও ব্রাহ্মণ্যবাদ

একদিন সৃষ্টিকর্তা প্রজাপতি ব্রহ্মার মানব সৃজনের ইচ্ছা হলে  তিনি তার বিভিন্ন অঙ্গ থেকে ব্রাহ্মণ ,ক্ষত্রিয় , বৈশ্য ও শূদ্রকে সৃষ্টি করেন।

পড়ুন
রামায়ণ 25
অজিত কেশকম্বলী II

মনুর চোখে শূদ্ররা মানুষ নয়-হিন্দু ধর্মে শূদ্রের অবস্থান

কুকুর এবং গবাদি পশুরা শহরের মধ্যে ঘুরে বেড়াতে পারতো কিন্তু একজন অচ্ছুতের সেই শহরের ভেতরে ঢোকার অধিকার ছিল না। কোনো অচ্ছুৎ মাটিতে থুতু পর্যন্ত ফেলতে পারতো না, পাছে কোনো হিন্দুর পায়ে তার স্পর্শ হয়! তাই থুতু ফেলার জন্য তার গলায় একটা মটকা ঝুলিয়ে দেয়া হত

পড়ুন
রামায়ণ 27
অজিত কেশকম্বলী II

রাম কর্তৃক নিরপরাধ শূদ্র শম্বুকের হত্যা

জাতিভেদ হিন্দু সমাজ ও ভারতবর্ষের ইতিহাসে এক কলঙ্কজনক অধ্যায়। সহস্র বছর ধরে ভারতীয় উপমহাদেশ জাতিভেদের বিষবাষ্পে দগ্ধ হয়েছে, আজও হয়ে চলেছে।

পড়ুন