করোনা ভাইরাস – বাঁচাবে কে?
"যদি বেঁচে যাও এবারের মত, যদি কেটে যায় মৃত্যুর ভয়, জেনো বিজ্ঞান লড়েছিলো একা, মন্দির মসজিদ নয়" - কথা দুটি বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় কুযুক্তিবাদী আরিফ আজাদ হজম করতে পারেনি
লেখকের নিজস্ব মতামত, বিশ্লেষণ ও অবস্থানের পৃথক সংগ্রহ।
"যদি বেঁচে যাও এবারের মত, যদি কেটে যায় মৃত্যুর ভয়, জেনো বিজ্ঞান লড়েছিলো একা, মন্দির মসজিদ নয়" - কথা দুটি বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় কুযুক্তিবাদী আরিফ আজাদ হজম করতে পারেনি
আমরা মানুষেরা অনেক সময়ই ভাবি যে আমাদের বর্তমান অবস্থাই আমাদের বিবর্তনের শেষ অবস্থা। কিন্তু এই সময়ের মধ্যে আমাদের মধ্যে অনেক পরিবর্তন এসেছে, আর এও দেখব যে আমরা অনেকটাই "ওয়ার্ক ইন প্রোগ্রেস" এ রয়েছি।
হিউম্যানিজম ফর চিল্ড্রেন বইটি লিখেছিলেন Nada Perat Radfrau। আসিফ মহিউদ্দীন এর ভাবানুবাদ করেছেন। বইটি মানববাদ প্রসঙ্গে শিশুদের হাতে খড়ি হিসেবে বিবেচিত হতে পারে
কট্টর নারীবাদী সংগঠনের নাম হচ্ছে ‘ফেমেন’। লিঙ্গবৈষম্য, বর্ণবাদ, সমকামীভীতি, পুরুষতান্ত্রিকতা, ধর্ম, আধিপত্যবাদ, সামাজিক ও রাজনৈতিক বিষয়ে তারা প্রতিবাদ করেন।
শার্লি এবদো ম্যাগাজিনটির ধর্মবিরোধী এবং ব্যাপকভাবে প্রতিষ্ঠান বিরোধী অবস্থান ফুটে উঠে এটির ধর্মনিরপেক্ষ, সংশয়বাদী এবং নাস্তিক, চরম বামপন্থী, বর্ণবাদ বিরোধী
ইসলাম প্রচারকদের একটি বহুল প্রচলিত দাবি হলো, 'কুরআন ১৪০০ বছর আগেই ব্ল্যাকহোলের ইংগিত দিয়েছে'। সুযোগ পেলেই মুসলিমদের অনেকে এই উদ্ভট দাবিটি করে বসে।
কোরআনের সূরা ত্বোয়া-হা'র ১২ নং আয়াত ব্যবহার করে কিছু ইসলাম প্রচারক দাবি করেন যে, কোরআনে ১৪০০ বছর আগেই ব্যাকটেরিয়ার কথা বলা হয়েছে।
তিনি তার প্রেমিকাকে একনজর দেখার জন্য এতটাই উদগ্রীব ছিলেন যে, যার সামনে ইসলাম মুহাম্মদ আল্লাহ জিহাদ এমনকি নিজের জীবনটিও তুচ্ছ হয়ে যায়
সদ্যবিধবা নারী মৃত স্বামীর চিতায় আরোহণ করে এবং উৎসর্গ করে, প্রথমত পরলোকে তার স্বামীর স্বচ্ছন্দ অবস্থানের জন্য, দ্বিতীয়ত স্বর্গে চিরকাল স্বামী সঙ্গ সুখের আশায়
আধুনিক বিজ্ঞান ও হিন্দুধর্ম | অধ্যাপক শ্রীমেঘনাদ সাহা, ডি-এস-সি, এফ-আর-এস| “সবই ব্যাদে আছে।” অনেক পাঠক আমি আমার প্রথম প্রবন্ধে “সবই
প্রাচীনেরা মনে করিতেন, পৃথিবীই বিশ্বজগতের কেন্দ্র, তারকাগুলি ধাৰ্ম্মিকলোকের আত্মা এবং মূখ্য ও অপরাপর গ্রহ মানুষের ভাগ্য নিয়ন্ত্রণ করে। প্রায় সকল প্রাচীন ধর্মেই কল্পিত হইয়াছে যে, পূৰ্বে এক সত্যযুগ ছিল, তখন মানুষ পরস্পর সম্প্রীতি-সুত্রে বাস করিত এবং তাহাদিগকে দুর্ভিক্ষ ও মহামারীতে ভুগিতে হইত না
পূর্ববর্তী পর্ব ‘ বিজ্ঞানের নামে অজ্ঞানের প্রচার ‘ অধ্যাপক শ্রীমেঘনাদ সাহা ডি-এস-সই, এফ-আর-এস(মেঘনাদ সাহার এই লেখাটি ১৩৪৬ বঙ্গাব্দে ভারতবর্ষ পত্রিকায়
প্রত্যেক যুগে এবং প্রত্যেক দেশেই লোকে নিজেদের মন হইতে “ঈশ্বরের স্বরূপ” কল্পনা করিয়া নেয়। সুতরাং এইসব “মনগড়া ঈশ্বরের” প্রকৃতি বিভিন্ন হয়
অতীত সম্বন্ধে কতগুলি মিথ্যা ধারণা এদেশের লোকের মনে বদ্ধমূল হইয়াছে। তাহারা মনে করে, অতীতের যাহা কিছু সবই ভাল- বর্তমানের সবকিছুই খারাপ।
কোন কুসংস্কারমুক্ত নারী তার পোশাক নির্বাচনে স্বাধীন থাকে। আর ভিটামিন ডি তৈরীর জন্য UV-B রশ্মির প্রয়োজন।এটাকে শরীরে ঢুকতে বাঁধা দেয়ার মানে হল নিজের বিপদ ডেকে আনা
বহুদিন ধরেই বনূ কুরায়যা গোত্রের ঘটনাবলীর রেফারেন্স একত্র করার কাজ চলছিল, তার সূত্র ধরে এই লেখাটি রেফারেন্স হিসেবে রেখে দেয়া হলো।
কোরবানির মাংস দান খয়রাত বা বিলি বন্টন করা যার যার ব্যক্তিগত ব্যাপার। এ ব্যাপারে সুস্পষ্ট কোন নির্দেশ নেই। উদ্দেশ্য হল শুধুমাত্র আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জন
‘ মরণোত্তর দেহদান ’ ব্যাপারটি সচেতন মানুষের কাছে এখন পরিচিত হলেও অনেকের কাছে সামগ্রিক ধারণাটি তেমনভাবে স্পষ্ট নয়। মরণোত্তর দেহদান হল মৃত্যুর পর শবদেহ দান করা।
ইংরাজ সম্পাদক বলেন যে, ধর্ম্মপদ, বাইবেল এবং গীতা, এই তিন খানিই জগতের মধ্যে সর্ব্বশ্রেষ্ঠ ধর্ম্মপুস্তক। তাহাদের মধ্যে গীতাই আবার সর্ব্বোৎকৃষ্ট
“মুশরিকদের হত্যা কর যেখানে তাদের পাও” এই অংশটি কোরান শরীফের সবচেয়ে অমানবিক ও বর্বর আয়াত কিনা তা নিয়ে বিতর্ক থাকতে পারে, তবে এই আয়াতকে মানবিক প্রমান করতে বা নিদেন পক্ষে এই আয়াতে যে নির্বিচারে সকল কাফির- মুশরিকদের হত্যা করতে বলা হয় নাই