সুনান আদ-দারিমী
পরিচ্ছেদ ১০৫: হাদিস ২,০৮১-২,১০০
এই অধ্যায়ের হাদিসগুলো একই পাতায় পড়ুন। নির্দিষ্ট হাদিসে যেতে তার নম্বর বা anchor ব্যবহার করুন।
এই পাতার হাদিসসমূহনির্দিষ্ট হাদিসে যেতে তালিকাটি খুলুন। শোহাইড
মূল আরবি
وَحَدَّثَنِي يَحْيَى عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ عَمْرٍو عَنْ أَبِي سَلَمَةَ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ عَنْ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ الْمُؤْمِنُ يَأْكُلُ فِي مِعًى وَاحِدٍ وَالْكَافِرُ يَأْكُلُ فِي سَبْعَةِ أَمْعَاءٍ
বাংলা অনুবাদ
২০৮১. আবূ হুরাইরাহ্ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: “মু’মিন এক পেটে খায়, আর কাফির সাত পেটে খায়।“[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ হাসান।
তাখরীজ: বুখারী, আতইমাহ ৫৩৯৬, ৫৩৯৭;
আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি মুসনাদুল মাউসিলী নং ১৫৮৪, ২০৬৯; সহীহ ইবনু হিব্বান নং ১৬১ তে।
মূল আরবি
أَخْبَرَنَا أَبُو عَاصِمٍ عَنْ ابْنِ جُرَيْجٍ عَنْ أَبِي الزُّبَيْرِ عَنْ جَابِرٍ عَنْ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ طَعَامُ الْوَاحِدِ يَكْفِي الِاثْنَيْنِ وَطَعَامُ الِاثْنَيْنِ يَكْفِي الْأَرْبَعَةَ وَطَعَامُ الْأَرْبَعَةِ يَكْفِي ثَمَانِيَةً
বাংলা অনুবাদ
২০৮২. জাবির রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: “একজনের খাবার দু’জনের জন্য যথেষ্ট হবে, দু’জনের খাবার চারজনের জন্য যথেষ্ট হবে এবং চারজনের খাবার আটজনের জন্য যথেষ্ট হবে।“[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।
তাখরীজ: মুসলিম, আশরিবাহ ২০৫৯। আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি মুসনাদুল মাউসিলী নং ১৯০২; সহীহ ইবনু হিব্বান নং ৫২৩৭ তে।
মূল আরবি
أَخْبَرَنَا خَالِدُ بْنُ مَخْلَدٍ حَدَّثَنَا مَالِكٌ عَنْ وَهْبِ بْنِ كَيْسَانَ عَنْ عُمَرَ بْنِ أَبِي سَلَمَةَ أَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ لَهُ سَمِّ اللَّهَ وَكُلْ مِمَّا يَلِيكَ
বাংলা অনুবাদ
২০৮৩. উমার ইবনু আবী সালামাহ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে বলেছেন: “বিসমিল্লাহ বলে তোমার সামনের ভাগ থেকে খাও।“[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ। হাদীসটি বুখারী মুসলিম কর্তৃক সম্মিলিত ভাবে বর্ণিত।
তাখরীজ: এটি ২০৬২ (অনূবাদে ২০৫৫) নং এ গত হয়েছে।
মূল আরবি
أَخْبَرَنَا سَعِيدُ بْنُ عَامِرٍ عَنْ شُعْبَةَ عَنْ عَطَاءِ بْنِ السَّائِبِ عَنْ سَعِيدِ بْنِ جُبَيْرٍ عَنْ ابْنِ عَبَّاسٍ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أُتِيَ بِجَفْنَةٍ أَوْ قَالَ قَصْعَةٍ مِنْ ثَرِيدٍ فَقَالَ كُلُوا مِنْ حَافَاتِهَا أَوْ قَالَ جَوَانِبِهَا وَلَا تَأْكُلُوا مِنْ وَسَطِهَا فَإِنَّ الْبَرَكَةَ تَنْزِلُ فِي وَسَطِهَا
বাংলা অনুবাদ
২০৮৪. ইবনু আব্বাস রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে এক বাটি বা এক গামলা ছারীদে পেশ করা হলে তিনি বললেন: “এর এক কিনারা থেকে খাও।“ অথবা, তিনি বলেছেন: “এর এক পাশ থেকে খাও এবং এর মধ্যস্থল হতে খেও না। কেননা, বরকত এর মধ্যস্থলেই নাযিল হয়।“[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।
তাখরীজ: আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি সহীহ ইবনু হিব্বান নং ৫২৪৫; মাওয়ারিদুয যাম’আন নং ১৩৪৬ ও মুসনাদুল হুমাইদী নং ৫৩৯ তে।
মূল আরবি
حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ إِبْرَاهِيمَ الدِّمَشْقِيُّ حَدَّثَنَا ابْنُ وَهْبٍ عَنْ قُرَّةَ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ عَنْ الزُّهْرِيِّ عَنْ عُرْوَةَ عَنْ أَسْمَاءَ بِنْتِ أَبِي بَكْرٍ أَنَّهَا كَانَتْ إِذَا أُتِيَتْ بِثَرِيدٍ أَمَرَتْ بِهِ فَغُطِّيَ حَتَّى يَذْهَبَ فَوْرَةُ دُخَانِهِ وَتَقُولُ إِنِّي سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَقُولُ هُوَ أَعْظَمُ لِلْبَرَكَةِ
বাংলা অনুবাদ
২০৮৫. আসমা বিনতে আবী বাকর রাদ্বিয়াল্লাহু আনহা হতে বর্ণিত, (একদা) তিনি ছারীদ আনতে নির্দেশ দিলে তা আনা হলো। তখন এর উত্তপ্ত অবস্থা ও ধোঁয়া দূরীভূত না হওয়া পর্যন্ত তা ঢেকে রাখা হলো। আর তিনি বললেন: নিশ্চয়ই আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে বলতে শুনেছি: “এটিই বরকতের জন্য মহত্তম।“[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ হাসান।
তাখরীজ: আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি সহীহ ইবনু হিব্বান নং ৫২০৭ ও মাওয়ারিদুয যাম’আন নং ১৩৪৪।
মূল আরবি
أَخْبَرَنَا يَزِيدُ بْنُ هَارُونَ أَخْبَرَنَا الْمُثَنَّى بْنُ سَعِيدٍ حَدَّثَنَا طَلْحَةُ بْنُ نَافِعٍ أَبُو سُفْيَانَ حَدَّثَنَا جَابِرُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ قَالَ أَخَذَ النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ بِيَدِي ذَاتَ يَوْمٍ إِلَى مَنْزِلِهِ فَقَالَ هَلْ مِنْ غَدَاءٍ أَوْ مِنْ عَشَاءٍ شَكَّ طَلْحَةُ قَالَ فَأَخْرَجَ إِلَيْهِ فِلَقًا مِنْ خُبْزٍ فَقَالَ أَمَا مِنْ أُدْمٍ قَالُوا لَا إِلَّا شَيْءٌ مِنْ خَلٍّ فَقَالَ هَاتُوهُ فَنِعْمَ الْإِدَامُ الْخَلُّ قَالَ جَابِرٌ فَمَا زِلْتُ أُحِبُّ الْخَلَّ مُنْذُ سَمِعْتُهُ مِنْ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَقَالَ أَبُو سُفْيَانَ فَمَا زِلْتُ أُحِبُّهُ مُنْذُ سَمِعْتُهُ مِنْ جَابِرٍ
বাংলা অনুবাদ
২০৮৬. জাবির ইবন আব্দুল্লাহ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু বলেছেন যে, একদা রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমার হাত ধরে নিজ গৃহে গেলেন। তিনি বললেনঃ “সকালে খাবার কিছু আছে কি?“ অথবা, (বর্ণনাকারী) তালহার সন্দেহ, তিনি বলেছেন, “রাতের খাবার।“ তিনি বললেন, এরপরে এক টূকরা রুটি তাঁর সামনে উপস্থিত করা হলে তিনি বললেনঃ “কোন তরকারি আছে কি?“ তারা বললেন, না । তবে সামান্য কিছু সিরকা আছে । তিনি বললেন: “তা নিয়ে এসো। সিরকা তো উত্তম তরকারি।“ জাবির রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু বলেনঃ আল্লাহর নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে একথা শ্রবণ করার পর আমি সিরকা পসন্দ করতে থাকি। তালহা (র) বলেনঃ আমিও জাবির রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু-এর নিকট একথা শ্রবণ করার পর থেকে সিরকা পসন্দ করতে লাগলাম।[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।
তাখরীজ: মুসলিম, আশরিবাহ ২০৫২। আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি মুসনাদুল মাউসিলী নং ১৯৮২, ২২০১, ২২১১, ২২১৮; এছাড়া, তায়ালিসী ১/৩৩০ নং ১৬৬৮। আর পরবর্তী হাদীসটিও দেখুন।
মূল আরবি
حَدَّثَنِي يَحْيَى بْنُ حَسَّانَ حَدَّثَنَا سُلَيْمَانُ بْنُ بِلَالٍ عَنْ هِشَامِ بْنِ عُرْوَةَ عَنْ أَبِيهِ عَنْ عَائِشَةَ عَنْ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ نِعْمَ الْإِدَامُ أَوْ نِعْمَ الْأُدْمُ الْخَلُّ
বাংলা অনুবাদ
২০৮৭. আয়িশা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহা নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন: “সিরকা তো উত্তম তরকারি।“[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।
তাখরীজ: মুসলিম, আশরিবাহ ২০৫১। আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি মুসনাদুল মাউসিলী নং ৪৪৪৫ তে।
মূল আরবি
أَخْبَرَنَا أَبُو نُعَيْمٍ حَدَّثَنَا مَالِكٌ عَنْ إِسْحَقَ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ أَبِي طَلْحَةَ عَنْ أَنَسٍ قَالَ رَأَيْتُ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أُتِيَ بِمَرَقَةٍ فِيهَا دُبَّاءٌ وَقَدِيدٌ فَرَأَيْتُهُ يَتَتَبَّعُ الدُّبَّاءَ يَأْكُلُهُ
বাংলা অনুবাদ
২০৮৮. আনাস রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি দেখেছি, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সামনে শুরুয়া ঝোল পেশ করা হলো যার মধ্যে লাউ বা কদু ও গোশতের টুকরা ছিল। আর আমি দেখলাম তিনি খুঁজে খুঁজে লাউ বা কদু খাচ্ছেন।[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।
তাখরীজ: মালিক, নিকাহ ৫১; বুখারী, বুয়ূ ২০৯২; মুসলিম, আশরিবাহ ২০৪১। আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি মুসনাদুল মাউসিলী নং ৪৫৩৯, ৫২৯৩ তে। এছাড়াও, মুহাম্মদ ইবনু আব্দুল্লাহ শাফিঈ, আল গিলানিয়্যাত ৯৪৬, ৯৪৭, ৯৪৮ তে।
মূল আরবি
أَخْبَرَنَا الْأَسْوَدُ بْنُ عَامِرٍ حَدَّثَنَا شُعْبَةُ عَنْ قَتَادَةَ عَنْ أَنَسٍ قَالَ كَانَ النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يُعْجِبُهُ الْقَرْعُ قَالَ فَقُدِّمَ إِلَيْهِ فَجَعَلْتُ أَتَنَاوَلُهُ وَأَجْعَلُهُ بَيْنَ يَدَيْهِ
বাংলা অনুবাদ
২০৮৯. আনাস রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম লাউ বা কদু পছন্দ করতেন। তিনি বলেন, তাঁর নিকট তা উপস্থিত করা হলো। আমি তা নিয়ে তাঁর সামনে পেশ করলাম।[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।
তাখরীজ: এটি পূর্বের হাদীসটির অংশবিশেষ। আরো দেখুন, সহীহ মুসলিম ২০৪১ (১৪৫)।
মূল আরবি
أَخْبَرَنَا أَبُو نُعَيْمٍ حَدَّثَنَا سُفْيَانُ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عِيسَى عَنْ عَطَاءٍ وَلَيْسَ بِابْنِ أَبِي رَبَاحٍ عَنْ أَبِي أَسِيدٍ الْأَنْصَارِيِّ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ كُلُوا الزَّيْتَ وَائْتَدِمُوا بِهِ وَادَّهِنُوا بِهِ فَإِنَّهُ يَخْرُجُ مِنْ شَجَرَةٍ مُبَارَكَةٍ
বাংলা অনুবাদ
২০৯০. আবী উসাইদ আল আনসারী রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: “তোমরা যাইতুনের তেল খাও; কেননা, এটি বরকতময়। আর তা দিয়ে তরকারী রান্না কর এবং তা শরীরে মালিশ কর। কেননা এটি একটি কল্যানময় গাছের তেল।“[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ হাসান।
তাখরীজ: আহমাদ ৩/৪৯৭; নাসাঈ, আল কুবরা নং ৬৭০২; তাবারাণী, কাবীর নং ১৯/২৭০ নং ৫৯৭; বুখারী, কাবীর নং ৬/৬; উকাইলী, যু’আফা ৩/৪০২; তিরমিযী, আতইমাহ ১৮৫৩, শামাইল নং ১৫৯; দাওলাবী, আল কুন্নী ১/১৫; হাকিম ২/৩৯৭-৩৯৮; বাগাবী, শারহুস সুন্নাহ নং ২৮৭0। তিরমিযী একে গারীব বলেছেন। হাকিম একে সহীহ বলেছেন এবং যাহাবী তা সমর্থন করেছেন।
... এর শাহিদ হাদীস রয়েছে তিরমিযী ১৮৫২; ইবনু মাজাহ ৩৩১৯ যঈফ সনদে; আব্দুর রাযযাক ও বাযযার, বাহরুয যুখখার ১/৩৯৭ নং ২৭৫ যঈফ সনদে। এর আরো শাহিদ রয়েছে আবী হুরাইরা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে ইবনু মাজাহ ৩৩২০ যঈফ সনদে, যেটি হাকিম বণনা করে সহীহ বললেও যাহাবী তা সমর্থন করেননি।
মূল আরবি
حَدَّثَنَا مُسَدَّدٌ حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ سَعِيدٍ عَنْ عُبَيْدِ اللَّهِ أَخْبَرَنِي نَافِعٌ عَنْ ابْنِ عُمَرَ أَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ فِي غَزْوَةِ خَيْبَرَ مَنْ أَكَلَ مِنْ هَذِهِ الشَّجَرَةِ يَعْنِي الثُّومَ فَلَا يَأْتِيَنَّ الْمَسَاجِدَ
বাংলা অনুবাদ
২০৯১. ইবনু উমার রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, খায়বার যুদ্ধে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: “যে ব্যক্তি এ গাছ থেকে খায়“, তথা রসূন খায়, “সে যেন অবশ্যই মসজিদে না আসে।“[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ। এটি বুখারী মুসলিমের সম্মিলিত বর্ণনা।
তাখরীজ: বুখারী, আযান ৮৫৩; মুসলিম, মাসাজিদ ৫৬১। আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি সহীহ ইবনু হিব্বান নং ২০৮৮ তে।
মূল আরবি
أَخْبَرَنَا عَلِيُّ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ حَدَّثَنَا سُفْيَانُ بْنُ عُيَيْنَةَ حَدَّثَنِي عُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ أَبِي يَزِيدَ عَنْ أَبِيهِ أَنَّ أُمَّ أَيُّوبَ أَخْبَرَتْهُ قَالَتْ نَزَلَ عَلَيْنَا رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَتَكَلَّفْنَا لَهُ طَعَامًا فِيهِ شَيْءٌ مِنْ بَعْضِ هَذِهِ الْبُقُولِ فَلَمَّا أَتَيْنَاهُ بِهِ كَرِهَهُ وَقَالَ لِأَصْحَابِهِ كُلُوهُ فَإِنِّي لَسْتُ كَأَحَدٍ مِنْكُمْ إِنِّي أَخَافُ أَنْ أُوذِيَ صَاحِبِي قَالَ أَبُو مُحَمَّد إِذَا لَمْ يُؤْذِ أَحَدًا فَلَا بَأْسَ بِأَكْلِهِ
বাংলা অনুবাদ
২০৯২. উম্মু আইউব রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদের নিকট উপস্থিত হলে আমরা তাঁর জন্য খাদ্য প্রস্তুত করলাম এবং তাতে এরকম কিছু শাক-সবজিও ছিল। যখন আমরা তা তাঁর নিকট নিয়ে গেলাম, তখন তিনি তা অপছন্দ করলেন। আর তিনি তাঁর সাহাবীগণকে বললেন, তোমরা খাও। কেননা, আমি তোমাদের কারো মতো নই। আমার আশংকা, হয়তো আমি আমার সাথীকে (জিবরীল) কষ্ট দিয়ে ফেলব।“[1] আবূ মুহাম্মদ বলেন, যদি কারো কষ্ট দেওয়ার ব্যাপার না থাকে, তবে এটা খাওয়াতে কোনো দোষ নেই।
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ হাসান।
তাখরীজ: ইবনু আবী শাইবা ২/৫১১; ইবনু মাজাহ, আতইমাহ নং ৩৩৬৪; তিরমিযী, আতইমাহ ১৮১১; সহীহ ইবনু খুযাইমা, ১৬৭১; তিরমিযী বলেন, হাদীসটি হাসান সহীহ গারীব। দেখুন, ফাতহুল বারী ২/ ৩৪২ যেখানে এর শাহিদ হাদীসসমূহ উল্লেখ করা হয়েছে। এছাড়া দেখুন, আমাদের তাহক্বীক্বকৃত মাজমাউয যাওয়াইদ নং ২০১৬-২০২৬।
মূল আরবি
أَخْبَرَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ سَعِيدٍ حَدَّثَنَا ابْنُ عُلَيَّةَ عَنْ أَيُّوبَ عَنْ الْقَاسِمِ التَّمِيمِيِّ عَنْ زَهْدَمٍ الْجَرْمِيِّ قَالَ كُنَّا عِنْدَ أَبِي مُوسَى فَقُدِّمَ طَعَامُهُ فَقُدِّمَ فِي طَعَامِهِ لَحْمُ دَجَاجٍ وَفِي الْقَوْمِ رَجُلٌ مِنْ بَنِي تَيْمِ اللَّهِ أَحْمَرُ فَلَمْ يَدْنُ فَقَالَ لَهُ أَبُو مُوسَى ادْنُ فَإِنِّي قَدْ رَأَيْتُ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَأْكُلُ مِنْهُ
বাংলা অনুবাদ
২০৯৩. যাহদাম আল জারমী (রাহি.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমরা আবূ মূসা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু-এর নিকট ছিলাম, এ সময় তার নিকট খাবার উপস্থিত করা হলো, যাতে মুরগীর গোশতও ছিল। তথায় তাইমুল্লাহ গোত্রের লাল বর্ণের এক ব্যক্তিও উপস্থিত ছিল, সে খাবারের নিকটবর্তী হলো না। তখন আবূ মুসা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু তাকে বললেন, নিশ্চয়ই আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে এটি খেতে দেখেছি।[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ। এটি বুখারী মুসলিমের সম্মিলিত বর্ণনা।
তাখরীজ: বুখারী, ফারযুল খুমুস ৩১৩৩ বেশিরভাগ অংশ; মুসলিম, ঈমান ১৬৪৯। আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি সহীহ ইবনু হিব্বান নং ৫২২২, ৫২৫৫ ও মুসনাদুল হুমাইদী নং ৭৮৩, ৭৮৪ তে।
মূল আরবি
أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ يُوسُفَ عَنْ سُفْيَانَ عَنْ أَيُّوبَ عَنْ أَبِي قِلَابَةَ عَنْ زَهْدَمٍ الْجَرْمِيِّ عَنْ أَبِي مُوسَى أَنَّهُ ذَكَرَ الدَّجَاجَ فَقَالَ رَأَيْتُ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَأْكُلُهُ
বাংলা অনুবাদ
২০৯৪. যাহদাম আল জারমী (রাহি.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, তিনি আবূ মূসা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু-এর নিকট মুরগীর (গোশতের) আলোচনা করলেন। তখন তিনি (আবূ মুসা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু) তাকে বললেন, নিশ্চয়ই আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে এটি খেতে দেখেছি।[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ। এটি বুখারী মুসলিমের সম্মিলিত বর্ণনা।
তাখরীজ: এটি আগের হাদীসের পূনরাবৃত্তি।
মূল আরবি
أَخْبَرَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ يَزِيدَ الْمُقْرِئُ حَدَّثَنَا حَيْوَةُ حَدَّثَنَا سَالِمُ بْنُ غَيْلَانَ أَنَّ الْوَلِيدَ بْنَ قَيْسٍ أَخْبَرَهُ أَنَّهُ سَمِعَ أَبَا سَعِيدٍ أَوْ عَنْ أَبِي الْهَيْثَمِ عَنْ أَبِي سَعِيدٍ الْخُدْرِيِّ أَنَّهُ سَمِعَ نَبِيَّ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَقُولُ لَا تَصْحَبْ إِلَّا مُؤْمِنًا وَلَا يَأْكُلْ طَعَامَكَ إِلَّا تَقِيٌّ
বাংলা অনুবাদ
২০৯৫. ওয়ালিদ ইবনুল কাইস অথবা, আবীল হাইছাম, আবী সাঈদ আল খুদরী রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণনা করেছেন। তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছেন: “মু’মিন ব্যক্তি ব্যতীত আর কারো বন্ধু বা সাথী হয়ো না। আর মুত্তাক্বী ব্যক্তি ব্যতীত অন্য কোনো লোক যেন তোমার খাদ্য না খায়।“[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর প্রথম সনদটি সহীহ।
তাখরীজ: আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি সহীহ ইবনু হিব্বান নং ৫৫৪, ৫৫৫, ৫৬০, ৫২৫৫ ও টীকাসহ মাওয়ারিদুয যাম’আন নং ২০৪৯, ২০৫০, ২৫২২ তে।
মূল আরবি
أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عِيسَى حَدَّثَنَا إِبْرَاهِيمُ بْنُ سَعْدٍ عَنْ أَبِيهِ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ جَعْفَرٍ قَالَ رَأَيْتُ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَأْكُلُ الْقِثَّاءَ بِالرُّطَبِ
বাংলা অনুবাদ
২০৯৬. আব্দুল্লাহ ইবনু জা’ফর রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে শসা বা কাকড় ও পাকা সতেজ খেজুর (একত্রে) খেতে দেখেছি।[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ। হাদীসটি বুখারী মুসলিম কর্তৃক সম্মিলিত ভাবে বর্ণিত।
তাখরীজ: বুখারী, আতইমাহ ৫৪৪০, ৫৪৪৯; মুসলিম, আশরিবাহ ২০৪৩। আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি মুসনাদুল মাউসিলী নং ৬৭৯৮ ও
ও মুসনাদুল হুমাইদী নং ৫৫০ তে।
এছাড়াও, মুহাম্মদ ইবনু আব্দুল্লাহ শাফিঈ, আল গিলানিয়্যাত ৯৭৬, ৯৭৭ ; তায়ালিসী ১/৩৩০ নং ১৬৬৯।
মূল আরবি
أَخْبَرَنَا أَبُو الْوَلِيدِ الطَّيَالِسِيُّ حَدَّثَنَا شُعْبَةُ حَدَّثَنَا جَبَلَةُ بْنُ سُحَيْمٍ قَالَ كُنَّا بِالْمَدِينَةِ فَأَصَابَتْنَا سَنَةٌ فَكَانَ ابْنُ الزُّبَيْرِ يَرْزُقُ التَّمْرَ وَكَانَ ابْنُ عُمَرَ يَمُرُّ بِنَا وَيَقُولُ لَا تُقَارِنُوا فَإِنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ نَهَى عَنْ الْقِرَانِ إِلَّا أَنْ يَسْتَأْذِنَ الرَّجُلُ أَخَاهُ
বাংলা অনুবাদ
২০৯৭. জাবালাহ ইবনু সুহাইম হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমরা মদীনায় ছিলাম। তখন একবার আমরা দুর্ভিক্ষের কবলে পতিত হই, তখন ইবনু যুবাইর রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু আমাদেরকে খেজুর খেতে দিতেন এবং ইবনু উমার রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু আমাদের নিকট দিয়ে যেতেন এবং বলতেন, তোমরা এক সাথে দু’টো করে (খেজুর) খেয়ো না। কেননা, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কাউকে তার ভাইয়ের অনুমতি ব্যতীত এক সাথে দু’টো করে খেজুর খেতে নিষেধ করেছেন।[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ। হাদীসটি বুখারী মুসলিম কর্তৃক সম্মিলিত ভাবে বর্ণিত।
তাখরীজ: বুখারী, মাযালিম ২৪৫৫; মুসলিম, আশরিবাহ ২০৪৫। আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ ও টীকা দিয়েছি মুসনাদুল মাউসিলী নং ৫৭৩৬ তে।
মূল আরবি
أَخْبَرَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مَسْلَمَةَ حَدَّثَنَا يَعْقُوبُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ طَحْلَاءَ عَنْ أَبِي الرِّجَالِ عَنْ أُمِّهِ عَمْرَةَ عَنْ عَائِشَةَ زَوْجِ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ يَا عَائِشَةُ بَيْتٌ لَا تَمْرَ فِيهِ جِيَاعٌ أَهْلُهُ أَوْ جَاعَ أَهْلُهُ مَرَّتَيْنِ أَوْ ثَلَاثًا
বাংলা অনুবাদ
২০৯৮. নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সহধর্মিণী আইশা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ “যে ঘরে খেজুর নেই, সে ঘরের লোকেরা অভুক্ত- কিংবা ক্ষুধার্ত রয়েছে।“ দু’ই বার বা তিনবার (একথা বলেছেন)।[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।
তাখরীজ: মুসলিম, আশরিবাহ ২০৪৬ (১৫৩)। আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি সহীহ ইবনু হিব্বান নং ৫২০৬ তে।
এছাড়াও, মুহাম্মদ ইবনু আব্দুল্লাহ শাফিঈ, আল গিলানিয়্যাত ৯৯৫; আবূ দাউদ, আতইমাহ ৩৮৩১।
মূল আরবি
أَخْبَرَنَا يَحْيَى بْنُ حَسَّانَ حَدَّثَنَا سُلَيْمَانُ بْنُ بِلَالٍ عَنْ هِشَامِ بْنِ عُرْوَةَ عَنْ أَبِيهِ عَنْ عَائِشَةَ أَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ لَا يَجُوعُ أَهْلُ بَيْتٍ عِنْدَهُمْ التَّمْرُ
বাংলা অনুবাদ
২০৯৯. আইশা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহা থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ “যে গৃহবাসীদের নিকট খেজুর থাকে, সেই ঘরের লোকেরা ক্ষুধার্ত হয় না।“[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।
তাখরীজ: মুসলিম, আশরিবাহ ২০৪৬। পূর্ণ তাখরীজের জন্য আগের হাদীসটি দেখুন।
মূল আরবি
حَدَّثَنَا أَبُو نُعَيْمٍ حَدَّثَنَا مُصْعَبُ بْنُ سُلَيْمٍ قَالَ سَمِعْتُ أَنَسَ بْنَ مَالِكٍ يَقُولُ أُهْدِيَ إِلَى النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ تَمْرٌ فَأَخَذَ يُهَدِّيهِ وَقَالَ رَأَيْتُ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَأْكُلُ تَمْرًا مُقْعِيًا مِنْ الْجُوعِ قَالَ أَبُو مُحَمَّد يُهَدِّيهِ يَعْنِي يُهْدِي هَاهُنَا وَهَاهُنَا
বাংলা অনুবাদ
২১০০. আনাস ইবন মালিক রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে খেজুর হাদিয়া পাঠিয়ে দেয়া হলো। তখন তিনি প্রেরিত হাদিয়া গ্রহণ করেন। তিনি বলেন, আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে ক্ষুধার কারণে (দুর্বল হওয়ায়) জানুদ্বয় উপরে তুলে (হেলে) বসে খেজুর খেতে দেখেছি।[1]
আবূ মুহাম্মদ বলেন, يُهَدِّيهِ (তাকে প্রেরিত) অর্থাৎ তিনি তাকে (আনাসকে) এখানে এখানে পাঠান।
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।
তাখরীজ: মুসলিম, আশরিবাহ ২০৪৪। তিরমিযী, শামাইল নং ১৪৪; আবূ দাউদ, আতইমাহ ৩৭৭১; নাসাঈ, আল কুবরা নং ৬৭৪৪; ইবনু আবী শাইবা ৮/২০৭ নং ৪৫৫০।
