সুনান আদ-দারিমী
পরিচ্ছেদ ১৪৬: হাদিস ২,৯০১-২,৯২০
এই অধ্যায়ের হাদিসগুলো একই পাতায় পড়ুন। নির্দিষ্ট হাদিসে যেতে তার নম্বর বা anchor ব্যবহার করুন।
এই পাতার হাদিসসমূহনির্দিষ্ট হাদিসে যেতে তালিকাটি খুলুন। শোহাইড
মূল আরবি
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ الْعَلَاءِ حَدَّثَنَا إِسْحَقُ بْنُ مَنْصُورٍ السَّلُولِيُّ عَنْ جَعْفَرٍ الْأَحْمَرِ عَنْ السَّرِيِّ بْنِ إِسْمَعِيلَ عَنْ قَيْسِ بْنِ أَبِي حَازِمٍ قَالَ أَتَيْتُ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ لِأُبَايِعَهُ فَجِئْتُ وَقَدْ قُبِضَ وَأَبُو بَكْرٍ قَائِمٌ فِي مَقَامِهِ فَأَطَابَ الثَّنَاءَ وَأَكْثَرَ الْبُكَاءَ فَقَالَ سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَقُولُ كُفْرٌ بِاللَّهِ انْتِفَاءٌ مِنْ نَسَبٍ وَإِنْ دَقَّ وَادِّعَاءُ نَسَبٍ لَا يُعْرَفُ
বাংলা অনুবাদ
২৯০১. কাইস ইবনু আবী হাযিম রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকট বাইয়াত হওয়ার উদ্দেশ্যে এলাম। কিন্তু যখন এলাম, ততদিনে তিনি ওফাত লাভ করেছেন। আর তখন তাঁর অবস্থানে আবী বাকর দণ্ডায়মান ছিলেন। তিনি দীর্ঘ প্রশংসা করলেন এবং প্রচুর পরিমাণে কান্নাকাটি করলেন। এরপর তিনি বললেন, আমি রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেছেন: “নিজ বংশ হীন-নীচ হলেও তা পরিত্যাগ করা এবং নিজেকে কোনো অজ্ঞাত বংশের বলে দাবী করা আল্লাহর প্রতি কুফরী’ করার শামিল।“[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ ধ্বংসপ্রাপ্ত বা নষ্ট।
তাখরীজ: আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি মাজমাউয যাওয়াইদ নং ৩৫২ তে।
সংযোজনী: তাবারাণী, আওসাত নং ২৮৩৯ এ সনদের চেয়েও অধিক দুর্বল সনদে; আরও দেখুন, এ বাবের অন্যান্য হাদীস বিশেষভাবে পরবর্তী হাদীসটি। এবং দারুকুতনী, আল ইলাল ১/২৫৪।
মূল আরবি
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ يُوسُفَ حَدَّثَنَا عَبْدُ الْحَمِيدِ بْنُ بَهْرَامَ عَنْ شَهْرِ بْنِ حَوْشَبٍ عَنْ ابْنِ عَبَّاسٍ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أَيُّمَا رَجُلٍ ادَّعَى إِلَى غَيْرِ وَالِدِهِ أَوْ تَوَلَّى غَيْرَ مَوَالِيهِ الَّذِينَ أَعْتَقُوهُ فَإِنَّ عَلَيْهِ لَعْنَةَ اللَّهِ وَالْمَلَائِكَةِ وَالنَّاسِ أَجْمَعِينَ إِلَى يَوْمِ الْقِيَامَةِ لَا يُقْبَلُ مِنْهُ صَرْفٌ وَلَا عَدْلٌ
বাংলা অনুবাদ
২৯০২. ইবনু আব্বাস রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, ‘রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: “যদি কোনো ব্যক্তি তার পিতা ব্যতীত অন্য কাউকে পিতা দাবী করে অথবা কোনো দাস তার মনিব- যে তাকে মুক্ত করেছে, তাকে ব্যতীত অন্য কাউকে ওলী বা অভিভাবক হিসেবে গ্রহণ করে, এমন ব্যক্তির উপর কিয়ামত পর্যন্ত আল্লাহর লা’নত, তাঁর মালাইকা’ ও পুরো মানবজাতির লা’নত। তার কোনো ফরয বা নফল ইবাদত কবুল হবে না।“[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ হাসান শাহর ইবনু হাওশাবের কারণে। তবে হাদীসটি সহীহ।
তাখরীজ: আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি মুসনাদুল মাউসিলী নং ২৫৪০ ও সহীহ ইবনু হিব্বান নং ৪১৭ এবং মাওয়ারিদুয যাম’আন নং ১২১৭ তে।
সংযোজনী: ইবনু আবী শাইবা ৮/৭২৭ নং ৬১৬২ সহীহ সনদে।
মূল আরবি
أَخْبَرَنَا يَزِيدُ بْنُ هَارُونَ أَخْبَرَنَا شَرِيكٌ عَنْ الْأَعْمَشِ عَنْ إِبْرَاهِيمَ قَالَ قَالَ عَبْدُ اللَّهِ كَانَ عُمَرُ إِذَا سَلَكَ بِنَا طَرِيقًا وَجَدْنَاهُ سَهْلًا وَإِنَّهُ قَالَ فِي زَوْجٍ وَأَبَوَيْنِ لِلزَّوْجِ النِّصْفُ وَلِلْأُمِّ ثُلُثُ مَا بَقِيَ
বাংলা অনুবাদ
২৯০৩. ইবরাহীম (রহঃ) হতে, আব্দুল্লাহ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, যখন উমার আমাদের নিয়ে কোনো পথে চলতেন, তখন আমরা সে পথকে সহজসাধ্য পেতাম। তিনি স্বামী ও স্বামীর পিতা-মাতার অংশ সম্পর্কে বলেছেন: স্বামী অর্ধেক সম্পদ পাবে। আর আর মা পাবেন অবশিষ্ট সম্পত্তির এক তৃতীয়াংশ।[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ ইনকিতা’ বা বিচ্ছিন্নতার কারণে যঈফ। ইবরাহীম নাখঈ’ আব্দুল্লাহ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু এর সাক্ষাত লাভ করেননি। তবে হাদীসটি সহীহ।
তাখরীজ: ইবনু আবী শাইবা ১১/২৩৯ নং ১১১০০; সাঈদ ইবনু মানসূর, আস সুনান নং ৮০৭।
আমাদের বক্তব্য হলো: তবে হাদীসটি সহীহ। সাঈদ ইবনু মানসূর, আস সুনান নং ৬; ইবনু আবী শাইবা ১১/২৩৬ নং ১১১০৪, ১১১০৮ সনদ সহীহ; আব্দুর রাযযাক, আল মুসান্নাফ ১৯০১৫; বাইহাকী, ফারাইয ৬/২২৮ অপর একটি সহীহ সনদে।
মূল আরবি
أَخْبَرَنَا يَزِيدُ بْنُ هَارُونَ حَدَّثَنَا هَمَّامٌ حَدَّثَنَا يَزِيدُ الرِّشْكُ قَالَ سَأَلْتُ سَعِيدَ بْنَ الْمُسَيَّبِ عَنْ رَجُلٍ تَرَكَ امْرَأَتَهُ وَأَبَوَيْهِ فَقَالَ قَسَّمَهَا زَيْدُ بْنُ ثَابِتٍ مِنْ أَرْبَعَةٍ
বাংলা অনুবাদ
২৯০৪. ইয়াযিদ আর রিশক থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি সাঈদ ইবনুল মুসাইয়্যেব (রহঃ)-কে এমন এক ব্যক্তি সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলাম যে তার স্ত্রী ও পিতা-মাতা রেখে মৃত্যু বরণ করেছে। তখন তিনি বলেন, যাইদ ইবনু ছাবিত রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু তা চার ভাগে ভাগ করতেন।[1]
[1] এর সনদ সহীহ।
তাখরীজ: বাইহাকী, ফারাইয ৬/২২৮; ইবনু আবী শাইবা ১১/২৩৮ নং ১১০৯৮; আব্দুর রাযযাক, আল মুসান্নাফ ১৯০২১।এটি এসেছে ২৯১২ তেও।
তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ ইনকিতা’ বা বিচ্ছিন্নতার কারণে যঈফ। ইবরাহীম নাখঈ’ আব্দুল্লাহ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু এর সাক্ষাত লাভ করেননি। তবে হাদীসটি সহীহ।
তাখরীজ: ইবনু আবী শাইবা ১১/২৩৯ নং ১১১০০; সাঈদ ইবনু মানসূর, আস সুনান নং ৮০৭।
আমাদের বক্তব্য হলো: তবে হাদীসটি সহীহ। সাঈদ ইবনু মানসূর, আস সুনান নং ৬; ইবনু আবী শাইবা ১১/২৩৬ নং ১১১০৪, ১১১০৮ সনদ সহীহ; আব্দুর রাযযাক, আল মুসান্নাফ ১৯০১৫; বাইহাকী, ফারাইয ৬/২২৮ অপর একটি সহীহ সনদে।
মূল আরবি
حَدَّثَنَا سَعِيدُ بْنُ عَامِرٍ عَنْ شُعْبَةَ عَنْ أَيُّوبَ عَنْ أَبِي قِلَابَةَ عَنْ أَبِي الْمُهَلَّبِ أَنَّ عُثْمَانَ بْنَ عَفَّانَ قَالَ فِي امْرَأَةٍ وَأَبَوَيْنِ لِلْمَرْأَةِ الرُّبُعُ وَلِلْأُمِّ ثُلُثُ مَا بَقِيَ
বাংলা অনুবাদ
২৯০৫. আবীল মুহাল্লাব থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, স্ত্রী ও পিতা-মাতা অংশ সম্পর্কে উছমান ইবনু আফফান রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু বলেন, স্ত্রী পাবে এক চতুর্থাংশ আর বাকী সম্পদের এক তৃতীয়াংশ পাবে মা, (বাকী দুই তৃতীয়াংশ পাবে পিতা)।[1]
[1] এর সনদ সহীহ।
তাখরীজ: ইবনু আবী শাইবা ১১/২৩৮ নং ১১০৯৭; আব্দুর রাযযাক, আল মুসান্নাফ ১৯০১৪; বাইহাকী, ফারাইয ৬/২২৮।
মূল আরবি
حَدَّثَنَا حَجَّاجُ بْنُ مِنْهَالٍ حَدَّثَنَا حَمَّادُ بْنُ سَلَمَةَ عَنْ أَيُّوبَ عَنْ أَبِي قِلَابَةَ عَنْ أَبِي الْمُهَلَّبِ عَنْ عُثْمَانَ بْنِ عَفَّانَ أَنَّهُ قَالَ لِلْمَرْأَةِ الرُّبُعُ سَهْمٌ مِنْ أَرْبَعَةٍ وَلِلْأُمِّ ثُلُثُ مَا بَقِيَ سَهْمٌ وَلِلْأَبِ سَهْمَانِ
বাংলা অনুবাদ
২৯০৬. (অপর সনদে) আবীল মুহাল্লাব থেকে বর্ণিত, উছমান ইবনু আফফান রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু বলেন, মোট চার অংশ থেকে স্ত্রী পাবে এক চতুর্থাংশ, আর বাকী সম্পদের এক তৃতীয়াংশ পাবে মা, দুই তৃতীয়াংশ পাবে পিতা।[1]
[1] এর সনদ সহীহ।
তাখরীজ: এটি পূর্বের হাদীসটির পুনরাবৃত্তি।
মূল আরবি
أَخْبَرَنَا حَجَّاجٌ حَدَّثَنَا حَمَّادٌ عَنْ حَجَّاجٍ عَنْ عُمَيْرِ بْنِ سَعِيدٍ أَنَّهُ سَأَلَ الْحَارِثَ الْأَعْوَرَ عَنْ امْرَأَةٍ وَأَبَوَيْنِ فَقَالَ مِثْلَ قَوْلِ عُثْمَانَ
বাংলা অনুবাদ
২৯০৭. উমাইর ইবনু সাঈদ থেকে বর্ণিত, তিনি হারিছ আল আ’ওয়ার (রহঃ) কে (মৃতব্যক্তির) স্ত্রী ও পিতা-মাতা (এর প্রাপ্য অংশ) সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করেন, তখন তিনি উছমান রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু এর বক্তব্যের অনুরূপই বলেন।[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ যঈফ, হাজ্জাজ বিন আরতাহ’র দুর্বলতার কারণে।
তাখরীজ: বাইহাকী, ফারাইয ৬/২৮৮; সাঈদ ইবনু মানসূর, আস সুনান নং ১৭।
মূল আরবি
حَدَّثَنَا أَبُو نُعَيْمٍ حَدَّثَنَا هِشَامٌ عَنْ قَتَادَةَ عَنْ سَعِيدِ بْنِ الْمُسَيَّبِ عَنْ زَيْدِ بْنِ ثَابِتٍ أَنَّهُ قَالَ فِي امْرَأَةٍ تَرَكَتْ زَوْجَهَا وَأَبَوَيْهَا لِلزَّوْجِ النِّصْفُ وَلِلْأُمِّ ثُلُثُ مَا بَقِيَ
বাংলা অনুবাদ
২৯০৮. সাঈদ ইবনুল মুসাইয়্যেব (রহঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, কোন স্ত্রী লোক তার স্বামী ও পিতা-মাতা রেখে মৃত্যু বরণ করেছে, এমন স্ত্রীলোক সম্পর্কে যাইদ ইবনু ছাবিত রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু বলেছেন, স্বামী পাবে সম্পদের অর্ধেক, আর বাকী সম্পদের এক তৃতীয়াংশ পাবে মা।[1]
[1] এর সনদ সহীহ।
তাখরীজ: ইবনু আবী শাইবা ১১/২৩৮ নং ১১০৯৮। আগের হাদীস ২৯০৮ (অনুবাদে ২৯০১) নং ও দেখুন।
মূল আরবি
أَخْبَرَنَا عُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ مُوسَى عَنْ ابْنِ أَبِي لَيْلَى عَنْ عَامِرٍ الشَّعْبِيِّ عَنْ عَلِيٍّ فِي امْرَأَةٍ وَأَبَوَيْنِ قَالَ مِنْ أَرْبَعَةٍ لِلْمَرْأَةِ الرُّبُعُ وَلِلْأُمِّ ثُلُثُ مَا بَقِيَ وَمَا بَقِيَ فَلِلْأَبِ
বাংলা অনুবাদ
২৯০৯. আমির শা’বী (রহঃ) থেকে বর্ণিত, (মৃতব্যক্তির) স্ত্রী ও পিতা-মাতা (এর প্রাপ্য অংশ) সম্পর্কে আলী রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু বলেন, মোট চার অংশ থেকে স্ত্রী পাবে এক চতুর্থাংশ, আর বাকী সম্পদের এক তৃতীয়াংশ পাবে মা, বাঁকী অংশ পাবে পিতা।[1]
[1]তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ যঈফ, মুহাম্মদ ইবনু আব্দুর রহমান ইবনু আবী লাইলার দুর্বলতার কারণে। আর তিনি আমীরুল মু’মিনীন (আলী রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু) থেকে তেমন কিছু শোনেননি।
তাখরীজ: সাঈদ ইবনু মানসূর, আস সুনান নং ১৫; ইবনু আবী শাইবা ১১/২৩৮, ২৩৯ নং ১১০৯৯, ১১১০২।
মূল আরবি
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ يُوسُفَ عَنْ سُفْيَانَ عَنْ الْأَعْمَشِ وَمَنْصُورٍ عَنْ إِبْرَاهِيمَ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ قَالَ كَانَ عُمَرُ إِذَا سَلَكَ بِنَا طَرِيقًا اتَّبَعْنَاهُ فِيهِ وَجَدْنَاهُ سَهْلًا وَإِنَّهُ قَضَى فِي امْرَأَةٍ وَأَبَوَيْنِ مِنْ أَرْبَعَةٍ فَأَعْطَى الْمَرْأَةَ الرُّبُعَ وَالْأُمَّ ثُلُثَ مَا بَقِيَ وَالْأَبَ سَهْمَيْنِ
বাংলা অনুবাদ
২৯১০. ইবরাহীম (রহঃ) হতে, আব্দুল্লাহ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, যখন উমার আমাদের নিয়ে কোনো পথে চলতেন, তখন আমরা সে পথকে সহজসাধ্য পেতাম। তিনি চারভাগ থেকে (মৃত ব্যক্তির) স্ত্রী ও পিতা-মাতার প্রাপ্ত অংশ সম্পর্কে ফায়সালা করেছেন, তখন তিনি স্ত্রীকে দিয়েছেন এক চতুর্থাংশ সম্পদ। আর আর মাকে অবশিষ্ট সম্পত্তির এক তৃতীয়াংশ এবং পিতাকে দিয়েছেন (বাকী) দুই অংশ।[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ ইনকিতা’ বা বিচ্ছিন্নতার কারণে যঈফ। তবে হাদীসটি সহীহ।
তাখরীজ: ইবনু আবী শাইবা ১১/২৩৯ নং ১১১০৪; সাঈদ ইবনু মানসূর, আস সুনান নং ৬; আব্দুর রাযযাক, আল মুসান্নাফ ১৯০১৫; পূর্বের ২৯০৭ (অনুবাদে ২৯০০) নং হাদীসটিও দেখুন।
মূল আরবি
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ يُوسُفَ حَدَّثَنَا سُفْيَانُ عَنْ عِيسَى عَنْ الشَّعْبِيِّ عَنْ زَيْدِ بْنِ ثَابِتٍ مِثْلَ ذَلِكَ
বাংলা অনুবাদ
২৯১১. আমির শা’বী (রহঃ) সূত্রে যাইদ ইবনু ছাবিত রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতেও এর অনুরূপ বর্ণিত আছে।[1]
[1] এর সনদ সহীহ।
তাখরীজ: আব্দুর রাযযাক, আল মুসান্নাফ ১৯০১৭; আর এটি গত হয়েছে ২৯০৮ (অনুবাদে ২৯০১) নং ও ২৯১২ (অনুবাদে ২৯০৫) নং এ।
মূল আরবি
أَخْبَرَنَا مُحَمَّدٌ حَدَّثَنَا سُفْيَانُ عَنْ أَبِيهِ عَنْ الْمُسَيَّبِ بْنِ رَافِعٍ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ قَالَ كَانَ يَقُولُ مَا كَانَ اللَّهُ لِيَرَانِي أَنْ أُفَضِّلَ أُمًّا عَلَى أَبٍ
বাংলা অনুবাদ
২৯১২. রাফি’ হতে বর্ণিত তিনি বলেন, আব্দুল্লাহ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু বলতেন: আমি পিতার উপর মা কে শ্রেষ্ঠত্ব প্রদান করি- মহান আল্লাহ আমাকে তা দেখাননি।[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : রাবীগণ বিশ্বস্ত তবে এর সনদ ইনকিতা’ বা বিচ্ছিন্নতার কারণে যঈফ।
তাখরীজ: আব্দুর রাযযাক, আল মুসান্নাফ ১৯০১৯; ইবনু আবী শাইবা ১১/২৪১ নং ১১১০৭; ইবনু হাযম, ৯/২৬০; হাকিম ৪/৩৩৬; হাকিম ও যাহাবী একে সহীহ বলেছেন।
মূল আরবি
أَخْبَرَنَا سَعِيدُ بْنُ عَامِرٍ أَخْبَرَنَا شُعْبَةُ عَنْ الْحَكَمِ عَنْ عِكْرِمَةَ قَالَ أَرْسَلَ ابْنُ عَبَّاسٍ إِلَى زَيْدِ بْنِ ثَابِتٍ أَتَجِدُ فِي كِتَابِ اللَّهِ لِلْأُمِّ ثُلُثُ مَا بَقِيَ فَقَالَ زَيْدٌ إِنَّمَا أَنْتَ رَجُلٌ تَقُولُ بِرَأْيِكَ وَأَنَا رَجُلٌ أَقُولُ بِرَأْيِي
বাংলা অনুবাদ
২৯১৩. ইকরিমা (রহঃ) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, ইবনু আব্বাস রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু যাইদ ইবনু ছাবিত রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু এর নিকট লোক পাঠিয়ে জিজ্ঞাসা করলেন, যে আপনি কি আল্লাহর কিতাবে একথা পেয়েছেন যে, অবশিষ্ট সম্পদে মা পাবে এক তৃতীয়াংশ? তখন যাইদ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু উত্তরে জানালেন, আপনি একজন মানুষ, আপনার সিদ্ধান্ত মোতাবেক আপনি ফায়সালা দেন, অনুরূপ আমিও একজন মানুষ, আমার মতামত অনুযায়ী আমি ফায়সালা দিই।“[1]
[1] এর সনদ সহীহ।
তাখরীজ: আব্দুর রাযযাক, আল মুসান্নাফ ১৯০২০; ইবনু আবী শাইবা ১১/২৪১ নং ১১১১০; বাইহাকী, ফারাইয ৬/২২৮; ইবনু হাযম, আল মুহাল্লা ৯/২৬১-২৬২ সহীহ সনদে। আরও দেখুন, ইবনু হাযম, আল মুহাল্লা ৯/২৬০; ইবনু আবী শাইবা ১১/২৪১ নং ১১১১৪।
মূল আরবি
حَدَّثَنَا حَجَّاجُ بْنُ مِنْهَالٍ حَدَّثَنَا حَمَّادُ بْنُ سَلَمَةَ عَنْ حَجَّاجٍ عَنْ الشَّعْبِيِّ وَحَجَّاجٍ عَنْ عَطَاءٍ عَنْ ابْنِ عَبَّاسٍ أَنَّهُمَا قَالَا فِي زَوْجٍ وَأَبَوَيْنِ لِلزَّوْجِ النِّصْفُ وَلِلْأُمِّ ثُلُثُ جَمِيعِ الْمَالِ وَمَا بَقِيَ فَلِلْأَبِ
বাংলা অনুবাদ
২৯১৪. শা’বী ও আত্বা (রহঃ) ইবনু আব্বাস রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণনা করেন, তারা উভয়ে (মৃত স্ত্রীর সম্পদে) স্বামী ও পিতা-মাতার অংশ সম্পর্কে বলেন: অর্ধেক পাবে স্বামী ও পুরো সম্পত্তির এক তৃতীয়াংশ পাবে মাতা এবং বাকী সম্পদ পাবে পিতা।[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ যঈফ।
তাখরীজ: ইবনু হাযম, আল মুহাল্লা ৯/২৬০ সহীহ সনদে। আরও দেখুন, পূর্বের হাদীসটি।
মূল আরবি
حَدَّثَنَا حَجَّاجُ بْنُ مِنْهَالٍ أَخْبَرَنَا أَبُو عَوَانَةَ عَنْ الْأَعْمَشِ عَنْ إِبْرَاهِيمَ عَنْ عَلِيٍّ قَالَ لِلْأُمِّ ثُلُثُ جَمِيعِ الْمَالِ فِي امْرَأَةٍ وَأَبَوَيْنِ وَفِي زَوْجٍ وَأَبَوَيْنِ
বাংলা অনুবাদ
২৯১৫. ইবরাহীম (রহঃ) থেকে বর্ণিত, (মৃতব্যক্তির সম্পদে) স্ত্রী ও পিতা-মাতা (এর প্রাপ্য অংশ) এবং (মৃত স্ত্রীর সম্পদে) স্বামী ও পিতা-মাতার অংশ সম্পর্কে আলী রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু বলেন, পুরো সম্পত্তির এক তৃতীয়াংশ পাবে মাতা।[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : ইনকিতা’ বা বিচ্ছিন্নতার কারণে এর সনদ যঈফ। ইবরাহীম নাখঈ’ আলী রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু এর সাক্ষাত লাভ করেননি।
তাখরীজ: ইবনু হাযম, আল মুহাল্লা ৯/২৬১।
মূল আরবি
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عِيسَى حَدَّثَنَا ابْنُ إِدْرِيسَ عَنْ أَبِيهِ عَنْ الْفُضَيْلِ بْنِ عَمْرٍو عَنْ إِبْرَاهِيمَ قَالَ خَالَفَ ابْنُ عَبَّاسٍ أَهْلَ الْقِبْلَةِ فِي امْرَأَةٍ وَأَبَوَيْنِ جَعَلَ لِلْأُمِّ الثُّلُثَ مِنْ جَمِيعِ الْمَالِ
বাংলা অনুবাদ
২৯১৬. ইবরাহীম (রহঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, ইবনু আব্বাস রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু (মৃতব্যক্তির সম্পদে) স্ত্রী ও পিতা-মাতার অংশের ক্ষেত্রে আহলে কিবলা (তথা মুসলিম)-দের বিরোধিতা করেছেন। তিনি মাতার জন্য নির্ধারণ করেছেন পুরো সম্পদের এক তৃতীয়াংশ।[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর বর্ণনাকারীগণ সকলেই বিশ্বস্ত।
তাখরীজ: ইবনু আবী শাইবা ১১/২৪০ নং ১১১০৫; আব্দুর রাযযাক, আল মুসান্নাফ ১৯০১৮; ফাসা্ওয়ী, আল মা’রিফাতু ওয়াত তারীখ ৩/১০৯ ; বাইহাকী, ফারাইয ৬/২২৮; ইবনু হাযম, আল মুহাল্লা ৯/২৬০।
মূল আরবি
أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ يُوسُفَ عَنْ سُفْيَانَ الثَّوْرِيِّ عَنْ أَشْعَثَ بْنِ أَبِي الشَّعْثَاءِ عَنْ الْأَسْوَدِ بْنِ يَزِيدَ قَالَ قَضَى مُعَاذُ بْنُ جَبَلٍ بِالْيَمَنِ فِي بِنْتٍ وَأُخْتٍ فَأَعْطَى الْبِنْتَ النِّصْفَ وَالْأُخْتَ النِّصْفَ
বাংলা অনুবাদ
২৯১৭. আসওয়াদ ইবনু ইয়াযীদ (রহঃ) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, মুয়ায ইবনু জাবাল রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু ইয়ামানে এক কন্যা ও এক বোন এর অংশের ফায়সালা করেছেন। তিনি কন্যাকে অর্ধেক দিয়েছেন এবং বোনকে অর্ধেক দিয়েছেন।[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ আসওয়াদ পর্যন্ত বুখারী শর্তানুযায়ী সহীহ।
তাখরীজ: ইবনু আবী শাইবা ১১/২৪৩ নং ১১১১৫; সাঈদ ইবনু মানসূর, আস সুনান নং ৩০, ৩১; তাহাবী, শারহু মা’আনিল আছার ৪/২৯৪; বুখারী, ফারাইয ৬৭৩৪, ৬৭৪১; বাইহাকী, ফারাইয ৬/২৩৩; আব্দুর রাযযাক, আল মুসান্নাফ ১৯০৪০ (সহীহ সনদে); আবূ দাউদ, ফারাইয ২৮৯৩।
মূল আরবি
أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ يُوسُفَ حَدَّثَنَا سُفْيَانُ عَنْ الْأَعْمَشِ عَنْ إِبْرَاهِيمَ عَنْ الْأَسْوَدِ بْنِ يَزِيدَ أَنَّ ابْنَ الزُّبَيْرِ كَانَ لَا يُوَرِّثُ الْأُخْتَ مِنْ الْأَبِ وَالْأُمِّ مَعَ الْبِنْتِ حَتَّى حَدَّثَهُ الْأَسْوَدُ أَنَّ مُعَاذَ بْنَ جَبَلٍ جَعَلَ لِلْبِنْتِ النِّصْفَ وَلِلْأُخْتِ النِّصْفَ فَقَالَ أَنْتَ رَسُولِي إِلَى عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُتْبَةَ فَأَخْبِرْهُ بِذَاكَ وَكَانَ قَاضِيَهُ بِالْكُوفَةِ
বাংলা অনুবাদ
২৯১৮. আসওয়াদ ইবনু ইয়াযীদ (রহঃ) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, ইবনুয যুবাইর রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু কোন (মৃত ব্যক্তির) বৈমাত্রেয় বোনকে এবং তার কন্যা থাকা অবস্থায় মাতাকে উত্তরাধিকার গণ্য করতেন না। তখন আসওয়াদ তার নিকট হাদীস বর্ণনা করলেন যে, মুয়ায ইবনু জাবাল রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু কন্যাকে অর্ধেক দিয়েছেন এবং বোনকে অর্ধেক দিয়েছেন। তখন তিনি (ইবনুয যুবাইর) তাকে বললেন, আপনি আব্দুল্লাহ ইবনু উতবাহ’র নিকট আমার বার্তাবাহক হিসেবে যান এবং এ সংবাদ তাকে পৌঁছে দিন। তিনি (আব্দুল্লাহ ইবনু উতবাহ) ছিলেন কুফার বিচারক।[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।
তাখরীজ: ইবনু আবী শাইবা ১১/২৪৪ নং ১১১১৮; সাঈদ ইবনু মানসূর, আস সুনান নং ৩২ সহীহ সনদে; হাকিম ৩/৩৩৭-৩৩৮, তিনি একে সহীহ বলেছেন এবং যাহাবী তাকে সমর্থন করেছেন।
মূল আরবি
حَدَّثَنَا بِشْرُ بْنُ عُمَرَ قَالَ سَأَلْتُ ابْنَ أَبِي الزِّنَادِ عَنْ رَجُلٍ تَرَكَ بِنْتًا وَأُخْتًا فَقَالَ لِابْنَتِهِ النِّصْفُ وَلِأُخْتِهِ مَا بَقِيَ وَقَالَ أَخْبَرَنِي أَبِي عَنْ خَارِجَةَ بْنِ زَيْدٍ أَنَّ زَيْدَ بْنَ ثَابِتٍ كَانَ يَجْعَلُ الْأَخَوَاتِ مَعَ الْبَنَاتِ عَصَبَةً لَا يَجْعَلُ لَهُنَّ إِلَّا مَا بَقِيَ
বাংলা অনুবাদ
২৯১৯. বুশর ইবনু উমার (রহঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, যে ব্যক্তি এক কন্যা ও এক বোন রেখে মৃত্যুবরণ করেছে-এমন ব্যক্তি সম্পর্কে আমি ইবনু আবী যিনাদ (রহঃ)-কে জিজ্ঞাসা করলাম। তখন তিনি বললেন, কন্যার অংশ অর্ধেক, বাকী অংশ পাবে বোন। আর তিনি বলেন, আমার পিতা আমার নিকট খারিজাহ ইবনু যাইদ হতে বর্ণনা করেছেন যে, যাইদ ইবনু ছাবিত রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু কন্যাগণের সাথে বোনদেরকে আসাবাহ হিসেবে গণ্য করতেন, আর (কন্যাদেরকে দেওয়ার পর) কেবল অবশিষ্ট অংশ তাদের জন্য নির্ধারণ করতেন।[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।
তাখরীজ: বুখারী, ফারাইয, তালিক হিসেবে; আর হাফিজ তাঁর ফাতহুল বারী ১২/১১ তে বলেছেন: এটি সাঈদ ইবনু মানসূর মুত্তাসিল হিসেবে যাইদ ইবনু ছাবিত হতে বর্ণনা করেছেন।
মূল আরবি
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ يُوسُفَ حَدَّثَنَا سُفْيَانُ عَنْ مَنْصُورٍ وَالْأَعْمَشِ عَنْ إِبْرَاهِيمَ فِي زَوْجٍ وَأُمٍّ وَإِخْوَةٍ لِأَبٍ وَأُمٍّ وَإِخْوَةٍ لِأُمٍّ قَالَ كَانَ عُمَرُ وَعَبْدُ اللَّهِ وَزَيْدٌ يُشَرِّكُونَ وَقَالَ عُمَرُ لَمْ يَزِدْهُمْ الْأَبُ إِلَّا قُرْبًا
বাংলা অনুবাদ
২৯২০. ইবরাহীম (রহঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি স্বামী, মাতা ও বৈমাত্রেয় ভাই এবং মাতা ও বৈপিত্রেয় বোনদের অংশ সম্পর্কে বলেন, উমার, আব্দুল্লাহ ও যাইদ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু তাদের পরস্পরকে অংশীদার বানাতেন। আর উমার রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু বলেন, কুরবা (নিকটাত্মীয়) হিসেবে পিতা তাদের থেকে অধিক পাবে না।[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।
তাখরীজ: আব্দুর রাযযাক, আল মুসান্নাফ ১৯০০৯; বাইহাকী, ফারাইয ৬/২৫৬; ইবনু আবী শাইবা ১১/২৫৫ নং ১১১৪৫, ১১১৪৬; সাঈদ ইবনু মানসূর, আস সুনান নং ২০, ২১।
