সুনান আদ-দারিমী

পরিচ্ছেদ ১৪৭: হাদিস ২,৯২১-২,৯৪০

এই অধ্যায়ের হাদিসগুলো একই পাতায় পড়ুন। নির্দিষ্ট হাদিসে যেতে তার নম্বর বা anchor ব্যবহার করুন।

এই পাতার হাদিসসমূহনির্দিষ্ট হাদিসে যেতে তালিকাটি খুলুন। শোহাইড
হাদিস ২,৯২১

মূল আরবি

حَدَّثَنَا مُحَمَّدٌ حَدَّثَنَا سُفْيَانُ عَنْ أَبِي إِسْحَقَ عَنْ الْحَارِثِ عَنْ عَلِيٍّ أَنَّهُ كَانَ لَا يُشَرِّكُ

বাংলা অনুবাদ

২৯২১. হারিছ হতে বর্ণিত, তিনি আলী রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণনা করেন যে, তিনি তাদেরকে (সকল ওয়ারিসকে) মীরাসে অংশীদার করতেন না।[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ হাসান।
তাখরীজ: ইবনু আবী শাইবা ১১/২৫৮ নং ১১১৫৪, ১১১৫২ ও ১১১৫৫ সহীহ সনদে; বাইহাকী, ফারাইয ৬/২৫৭; সাঈদ ইবনু মানসূর, আস সুনান নং ২১।

হাদিস ২,৯২২

মূল আরবি

أَخْبَرَنَا مُحَمَّدٌ حَدَّثَنَا سُفْيَانُ عَنْ سُلَيْمَانَ التَّيْمِيِّ عَنْ أَبِي مِجْلَزٍ أَنَّ عُثْمَانَ كَانَ يُشَرِّكُ وَعَلِيٌّ كَانَ لَا يُشَرِّكُ

বাংলা অনুবাদ

২৯২২. আবী মিযলাজ হতে বর্ণিত যে, উছমান রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু (সকলকেই মিরাছে) অংশীদার করতেন, কিন্তু আলী রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু তাদেরকে অংশীদার করতেন না।[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।
তাখরীজ: আব্দুর রাযযাক, আল মুসান্নাফ ১৯০১১; বাইহাকী, ফারাইয ৬/২৫৫; ইবনু আবী শাইবা ১১/২৫৬ নং ১১১৪৭; সাঈদ ইবনু মানসূর, আস সুনান নং ২২।

হাদিস ২,৯২৩

মূল আরবি

حَدَّثَنَا مُحَمَّدٌ حَدَّثَنَا سُفْيَانُ عَنْ ابْنِ ذَكْوَانَ أَنَّ زَيْدًا كَانَ يُشَرِّكُ

বাংলা অনুবাদ

২৯২৩. ইবনু যাকওয়ান হতে বর্ণিত, যে, যাইদ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু (সকলকেই মিরাছে) অংশীদার করতেন।[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ বুখারীর শর্তানুযায়ী সহীহ।
তাখরীজ: সাঈদ ইবনু মানসূর, আস সুনান নং ২৭; ইবনু হাযম, আল মুহাল্লা ৯/২৮৬; আব্দুর রাযযাক, আল মুসান্নাফ ১৯০৬৩; বাইহাকী, ফারাইয ৬/২৫৬; ইবনু আবী শাইবা ১১/২৫৪।

হাদিস ২,৯২৪

মূল আরবি

حَدَّثَنَا مُحَمَّدٌ حَدَّثَنَا سُفْيَانُ عَنْ عَبْدِ الْمَلِكِ بْنِ عُمَيْرٍ عَنْ شُرَيْحٍ أَنَّهُ كَانَ يُشَرِّكُ

বাংলা অনুবাদ

২৯২৪. আব্দুল মালিক ইবনু উমাইর হতে বর্ণিত, যে, শুরাইহ (রহঃ) (সকলকেই মিরাছে) অংশীদার করতেন।[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ (জাইয়্যেদ) উত্তম।
তাখরীজ: সাঈদ ইবনু মানসূর, আস সুনান নং ২৫; ইবনু আবী শাইবা ১১/২৫৭ যঈফ সনদে।

হাদিস ২,৯২৫

মূল আরবি

حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ الصَّلْتِ حَدَّثَنَا أَبُو شِهَابٍ عَنْ الْحَجَّاجِ عَنْ عَبْدِ الْمَلِكِ بْنِ الْمُغِيرَةِ عَنْ سَعِيدِ بْنِ فَيْرُوزَ عَنْ أَبِيهِ أَنَّ عُمَرَ قَالَ فِي الْمُشَرَّكَةِ لَمْ يَزِدْهُمْ الْأَبُ إِلَّا قُرْبًا

বাংলা অনুবাদ

২৯২৫. সাঈদ ইবনু ফিরোয তার পিতা হতে বর্ণনা করেন যে, উমার রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু (মীরাসের) শরীকদের সম্পর্কে বলেন, কুরবা (নিকটাত্মীয়) হিসেবে পিতা তাদের থেকে অধিক পাবে না।[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ যঈফ হাজ্জাজ ইবনু আরতাহ এর কারণে।
তাখরীজ: আব্দুর রাযযাক, আল মুসান্নাফ ১৯০০৯; ইবনু আবী শাইবা ১১/২৫৫ সহীহ সনদে।

হাদিস ২,৯২৬

মূল আরবি

أَخْبَرَنَا أَبُو نُعَيْمٍ حَدَّثَنَا زُهَيْرٌ عَنْ أَبِي إِسْحَقَ عَنْ الْحَارِثِ الْأَعْوَرِ قَالَ أُتِيَ عَبْدُ اللَّهِ فِي فَرِيضَةِ بَنِي عَمٍّ أَحَدُهُمْ أَخٌ لِأُمٍّ فَقَالَ الْمَالُ أَجْمَعُ لِأَخِيهِ لِأُمِّهِ فَأَنْزَلَهُ بِحِسَابِ أَوْ بِمَنْزِلَةِ الْأَخِ مِنْ الْأَبِ وَالْأُمِّ فَلَمَّا قَدِمَ عَلِيٌّ سَأَلْتُهُ عَنْهَا وَأَخْبَرْتُهُ بِقَوْلِ عَبْدِ اللَّهِ فَقَالَ يَرْحَمُهُ اللَّهُ إِنْ كَانَ لَفَقِيهًا أَمَّا أَنَا فَلَمْ أَكُنْ لِأَزِيدَهُ عَلَى مَا فَرَضَ اللَّهُ لَهُ سَهْمٌ السُّدُسُ ثُمَّ يُقَاسِمُهُمْ كَرَجُلٍ مِنْهُمْ

বাংলা অনুবাদ

২৯২৬. হারিছ আল আ’ওয়ার হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, আব্দুল্লাহ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু এর নিকট (মৃতের) দু’ চাচাতো ভাইয়ের অংশ সম্পর্কে প্রশ্ন এলো- যাদের একজন ছিল তার বৈপিত্রেয় ভাই। তখন আব্দুল্লাহ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু বলেন, তার বৈপিত্রেয় ভাইকে সকল সম্পদে দিয়ে দিব। অর্থাৎ তিনি তাকে সহোদর ভাইয়ের স্থলাভিষিক্ত করলেন। এরপর আলী রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু এলে আমি তাকে এ ব্যাপারে জিজ্ঞাসা করলাম এবং তাকে আব্দুল্লাহ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু এর মতামতও জানালাম। তখন তিনি বললেন, আল্লাহ তাকে রহম করুন। তিনি নিশ্চয় একজন ফকীহ (বিশেষজ্ঞ) ছিলেন। তবে আমি হলে আল্লাহ যে অংশ তার জন্য নির্ধারণ করেছেন তার অধিক দিতাম না। আর তা হলো, এক ষষ্ঠাংশ। এরপর তিনি (বাকী সম্পদ) তাদের মধ্যে এক ব্যক্তির মতো করে ভাগ করে দিলেন।[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ হাসান।
তাখরীজ: আব্দুর রাযযাক, আল মুসান্নাফ ১৯১৩৩; বাইহাকী, ফারাইয ৬/২৪০; ইবনু আবী শাইবা ১১/২৫০ নং ১১১৩৪; সাঈদ ইবনু মানসূর, আস সুনান নং ১২৮; দারুকুতনী ৪/৮৭।

হাদিস ২,৯২৭

মূল আরবি

حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ يُوسُفَ حَدَّثَنَا سُفْيَانُ عَنْ أَبِي إِسْحَقَ عَنْ الْحَارِثِ عَنْ عَلِيٍّ أَنَّهُ أُتِيَ فِي ابْنَيْ عَمٍّ أَحَدُهُمَا أَخٌ لِأُمٍّ فَقِيلَ لِعَلِيٍّ إِنَّ ابْنَ مَسْعُودٍ كَانَ يُعْطِيهِ الْمَالَ كُلَّهُ فَقَالَ عَلِيٌّ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ إِنْ كَانَ لَفَقِيهًا وَلَوْ كُنْتُ أَنَا أَعْطَيْتُهُ السُّدُسَ وَمَا بَقِيَ كَانَ بَيْنَهُمْ

বাংলা অনুবাদ

২৯২৭. হারিছ আল আ’ওয়ার হতে বর্ণিত, আলী রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণনা করেন যে, তার এর নিকট (মৃতের) দু’ চাচাতো ভাইয়ের অংশ সম্পর্কে প্রশ্ন এলো- যাদের একজন ছিল তার বৈপিত্রেয় ভাই। তখন আলী রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু কে বলা হলো যে, (আব্দুল্লাহ) ইবনু মাসউদ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু তার বৈপিত্রেয় ভাইকে সকল সম্পদে দিয়ে দিতেন। (অর্থাৎ তিনি তাকে সহোদর ভাইয়ের স্থলাভিষিক্ত করতেন।) এরপর আলী রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু বললেন, তিনি নিশ্চয় একজন ফকীহ (বিশেষজ্ঞ) ছিলেন। তবে আমি হলে তাকে এক ষষ্ঠাংশ দিতাম। এরপর বাকী সম্পদ তাদের মধ্যে ভাগ করে দিতাম।[1]
[1]তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ হাসান।
তাখরীজ: এটি পুর্বের হাদীসের পূনরাবৃত্তি।

হাদিস ২,৯২৮

মূল আরবি

حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ يُوسُفَ حَدَّثَنَا سُفْيَانُ الثَّوْرِيُّ عَنْ أَبِي قَيْسٍ الْأَوْدِيِّ عَنْ هُزَيْلِ بْنِ شُرَحْبِيلَ قَالَ جَاءَ رَجُلٌ إِلَى أَبِي مُوسَى الْأَشْعَرِيِّ وَإِلَى سَلْمَانَ بْنِ رَبِيعَةَ فَسَأَلَهُمَا عَنْ بِنْتٍ وَبِنْتِ ابْنٍ وَأُخْتٍ لِأُمٍّ وَأَبٍ فَقَالَا لِلِابْنَةِ النِّصْفُ وَمَا بَقِيَ فَلِلْأُخْتِ وَأْتِ ابْنَ مَسْعُودٍ فَإِنَّهُ سَيُتَابِعُنَا فَجَاءَ الرَّجُلُ إِلَى عَبْدِ اللَّهِ فَسَأَلَهُ عَنْ ذَلِكَ فَقَالَ لَقَدْ ضَلَلْتُ إِذًا وَمَا أَنَا مِنْ الْمُهْتَدِينَ وَإِنِّي أَقْضِي بِمَا قَضَى بِهِ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ لِلِابْنَةِ النِّصْفُ وَلِابْنَةِ الِابْنِ السُّدُسُ وَمَا بَقِيَ فَلِلْأُخْتِ

বাংলা অনুবাদ

২৯২৮. শুরাহবিল (রহঃ) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, এক ব্যক্তি আবী মুসা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু ও সালমান ইবনু রবী’আহ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু এর নিকট এসে তাদের দু’জনকে এক কন্যা ও এক পৌত্রী (ছেলের মেয়ে) এবং সহোদর বোন সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলো। তখন তারা উভয়ে বললেন, কন্যা পাবে অর্ধেক। বাকী সম্পদ পাবে বোন। আর যদি তুমি ইবনু মাসউদের কাছে যাও, তবে তিনিও আমাদের মতই বলবেন। তখন এক ব্যক্তি আব্দুল্লাহ ইবনু মাসউদ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু এর নিকট এসে এ ব্যাপারে জিজ্ঞেস করলে তিনি বললেন, তবে তো আমি পথভ্রষ্ট হয়ে যাবো। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যে ফায়সালা করেছেন, আমিও সেই ফায়সালাই করব। তা হলো কন্যা পাবে অর্ধেক, পৌত্রী পাবে এক ষষ্ঠাংশ, এরপর বাকী সম্পদ পাবে বোন।[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।
তাখরীজ: বুখারী, ফারাইয ৬৭৩৬। এছাড়াও, বাইহাকী, ফারাইয ৬/২৩০।
এ হাদীসের ফায়দা হলো: ইখতিলাফের ক্ষেত্রে দলীল হলো নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম r এর সুন্নাত, ফলে তার দিকে প্রত্যাবর্তন করা ওয়াজিব।
আর সেদিকে ফিরে যাওয়ার মধ্যেই রয়েছে ইনসাফ ও সত্যের স্বীকৃতি।
আর এতে এ সাক্ষ্য বিদ্যমান যে, তাদের মধ্যে এক জন অপরজনের উপরে ইলমে ও মর্যাদায় শ্রেষ্ঠ। দেখুন- ফাতহুল বারী ১২/১৭-১৮।

হাদিস ২,৯২৯

মূল আরবি

أَخْبَرَنَا أَحْمَدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ حَدَّثَنَا أَبُو شِهَابٍ عَنْ الْأَعْمَشِ عَنْ مُسْلِمٍ عَنْ مَسْرُوقٍ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ أَنَّهُ كَانَ يَقُولُ فِي أَخَوَاتٍ لِأَبٍ وَأُمٍّ وَإِخْوَةٍ وَأَخَوَاتٍ لِأَبٍ قَالَ لِلْأَخَوَاتِ لِلْأَبِ وَالْأُمِّ الثُّلُثَانِ وَمَا بَقِيَ فَلِلذُّكُورِ دُونَ الْإِنَاثِ فَقَدِمَ مَسْرُوقٌ الْمَدِينَةَ فَسَمِعَ قَوْلَ زَيْدٍ فِيهَا فَأَعْجَبَهُ فَقَالَ لَهُ بَعْضُ أَصْحَابِهِ أَتَتْرُكُ قَوْلَ عَبْدِ اللَّهِ فَقَالَ إِنِّي أَتَيْتُ الْمَدِينَةَ فَوَجَدْتُ زَيْدَ بْنَ ثَابِتٍ مِنْ الرَّاسِخِينَ فِي الْعِلْمِ قَالَ أَحْمَدُ فَقُلْتُ لِأَبِي شِهَابٍ وَكَيْفَ قَالَ زَيْدٌ فِيهَا قَالَ شَرَّكَ بَيْنَهُمْ

বাংলা অনুবাদ

২৯২৯. মাসরুক (রহঃ) আব্দুল্লাহ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি সহোদর বোনগণ, বৈমাত্রেয় ভাই এবং বোনদের (অংশ) সম্পর্কে বলতেন: সহোদর বোনদের অংশ দুই তৃতীয়াংশ। এরপর অবশিষ্ট সম্পদ পাবে পুরুষরা, নারীরা নয়। এরপর মাসরূক মদীনা আগমন করলেন। এবং এ ব্যাপারে যাইদ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু এর মতামত তাকে আকৃষ্ট করল। তখন তার সাথীদের কেউ তাকে জিজ্ঞেস করলেন, আপনি কি আব্দুল্লাহ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু এর মতামত পরিত্যাগ করলেন?
তিনি বললেন: আমি মদীনায় এসে যাইদ বিন ছাবিত রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুকে একজন ‘গভীর ইলমের অধিকারী ব্যক্তি হিসেবে পেয়েছি। আহমাদ বলেন, আমি (রাবী) আবী শিহাব কে বললাম, এ ব্যাপারে যাইদ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু কী বলেছেন? তিনি বললেন, তিনি সকলকেই এতে অংশীদার বানাতেন।[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।
তাখরীজ: সাঈদ ইবনু মানসূর, আস সুনান নং ১৮; ইবনু হাযম, আল মুহাল্লা ৯/২৩৯; আব্দুর রাযযাক, আল মুসান্নাফ ১৯০১৩; বাইহাকী, ফারাইয ৬/২৩০; ইবনু আবী শাইবা ১১/২৪৭, ২৪৮ নং ১১১২৮, ১১১২৯।

হাদিস ২,৯৩০

মূল আরবি

حَدَّثَنَا سَعِيدُ بْنُ الْمُغِيرَةِ عَنْ عِيسَى بْنِ يُونُسَ عَنْ إِسْمَعِيلَ قَالَ ذَكَرْنَا عِنْدَ حَكِيمِ بْنِ جَابِرٍ أَنَّ ابْنَ مَسْعُودٍ قَالَ فِي أَخَوَاتٍ لِأَبٍ وَأُمٍّ وَإِخْوَةٍ وَأَخَوَاتٍ لِأَبٍ أَنَّهُ كَانَ يُعْطِي لِلْأَخَوَاتِ مِنْ الْأَبِ وَالْأُمِّ الثُّلُثَيْنِ وَمَا بَقِيَ فَلِلذُّكُورِ دُونَ الْإِنَاثِ فَقَالَ حَكِيمٌ قَالَ زَيْدُ بْنُ ثَابِتٍ هَذَا مِنْ عَمَلِ الْجَاهِلِيَّةِ أَنْ يَرِثَ الرِّجَالُ دُونَ النِّسَاءِ إِنَّ إِخْوَتَهُنَّ قَدْ رُدُّوا عَلَيْهِنَّ

বাংলা অনুবাদ

২৯৩০. ইসমাঈল (রহঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমরা হাকীম ইবনু জাবির (রহঃ) এর নিকট বললাম যে, ইবনু মাসউদ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু সহোদর বোনগণ এবং বৈমাত্রেয় ভাই-বোনদের (অংশ) সম্পর্কে ফায়সালা দিতেন। তিনি সহোদর বোনদের দিতেন দুই তৃতীয়াংশ এবং এরপর অবশিষ্ট সম্পদ পুরুষদের দিতেন, নারীদেরকে নয়। এরপর তখন হাকীম বলেন: এ ব্যাপারে যাইদ ইবনু ছাবিত রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু বলেন: এটি জাহিলী যুগের একটি কাজ যে, নারীদেরকে বাদ দিয়ে শুধু পুরষদেরকেই মীরাসে অংশীদার করা। বোনদের ভাইগণ তাদেরকে (বোনদের) তাদের অংশ ফিরিয়ে দেবেন।[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।
তাখরীজ: ইবনু আবী শাইবা ১১/২৪৭ নং ১১১২৭; ইবনু হাযম, আল মুহাল্লা ৯/২৭০।

হাদিস ২,৯৩১

মূল আরবি

حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ يُوسُفَ حَدَّثَنَا سُفْيَانُ عَنْ مَعْبَدِ بْنِ خَالِدٍ عَنْ مَسْرُوقٍ عَنْ عَائِشَةَ أَنَّهَا كَانَتْ تُشَرِّكُ بَيْنَ ابْنَتَيْنِ وَابْنَةِ ابْنٍ وَابْنِ ابْنٍ تُعْطِي الِابْنَتَيْنِ الثُّلُثَيْنِ وَمَا بَقِيَ فَشَرِيكُهُمْ وَكَانَ عَبْدُ اللَّهِ لَا يُشَرِّكُ يُعْطِي الذُّكُورَ دُونَ الْإِنَاثِ وَقَالَ الْأَخَوَاتُ بِمَنْزِلَةِ الْبَنَاتِ

বাংলা অনুবাদ

২৯৩১. মাসরুক (রহঃ) আয়িশা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহা থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি দু’ পুত্র, পৌত্র (পুত্রের পুত্র) ও পৌত্রী (পুত্রের কন্যা)-দেরকে মীরাসে শরীক করতেন। দু’পুত্র কে দিতেন দুই তৃতীয়াংশ সম্পদ দিতেন এবং বাকী সম্পদে সকলকে অংশীদার বানাতেন।কিন্তু আব্দুল্লাহ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু সকলকে এতে অংশীদার বানাতেন না। তিনি পুরুষদেরকে দিতেন, নারীদেরকে দিতেন। আর তিনি বলতেন: বোনগণ হলো কন্যাগণের স্থলবর্তী।[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।
তাখরীজ: ইবনু আবী শাইবা ১১/২৪৭ নং ১১১২৬; ইবনু হাযম, আল মুহাল্লা ৯/২৭০; বাইহাকী, ফারাইয ৬/২৩০;

হাদিস ২,৯৩২

মূল আরবি

أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ يُوسُفَ حَدَّثَنَا سُفْيَانُ عَنْ أَبِي سَهْلٍ عَنْ الشَّعْبِيِّ أَنَّ ابْنَ مَسْعُودٍ كَانَ يَقُولُ فِي بِنْتٍ وَبَنَاتِ ابْنٍ وَابْنِ ابْنٍ إِنْ كَانَتْ الْمُقَاسَمَةُ بَيْنَهُمْ أَقَلَّ مِنْ السُّدُسِ أَعْطَاهُمْ السُّدُسَ وَإِنْ كَانَ أَكْثَرَ مِنْ السُّدُسِ أَعْطَاهُمْ السُّدُسَ

বাংলা অনুবাদ

২৯৩২. শা’বী (রহঃ) ইবনু মাসউদ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি কন্যা, পৌত্র (পুত্রের পুত্র)-দের ও পৌত্রীদের (পুত্রের কন্যা)-দেরকে মীরাস সম্পর্কে বলতেন: তাদের মধ্যে অংশীদারিত্ব এক ষষ্ঠাংশের কম হলেও তাদেরকে এক ষষ্ঠাংশ দিতেন, আবার এক ষষ্ঠাংশের বেশী হলেও তাদেরকে এক ষষ্ঠাংশই দিতেন।[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ যঈফ আবী সাহল মুহাম্মদ ইবনু সালিম এর দুর্বলতার কারণে। (তবে অপর সনদে সহীহ, দেখুন তাখরীজ।- অনুবাদক)
তাখরীজ: আব্দুর রাযযাক, আল মুসান্নাফ ১৯০৩৩; ইবনু আবী শাইবা ১১/২৪৯ নং ১১১৩২ সহীহ সনদে।

হাদিস ২,৯৩৩

মূল আরবি

حَدَّثَنَا مُحَمَّدٌ حَدَّثَنَا سُفْيَانُ عَنْ الْأَعْمَشِ عَنْ إِبْرَاهِيمَ عَنْ مَسْرُوقٍ أَنَّهُ كَانَ يُشَرِّكُ فَقَالَ لَهُ عَلْقَمَةُ هَلْ أَحَدٌ مِنْهُمْ أَثْبَتُ مِنْ عَبْدِ اللَّهِ فَقَالَ لَا وَلَكِنِّي رَأَيْتُ زَيْدَ بْنَ ثَابِتٍ وَأَهْلَ الْمَدِينَةِ يُشَرِّكُونَ فِي ابْنَتَيْنِ وَبِنْتِ ابْنٍ وَابْنِ ابْنٍ وَأُخْتَيْنِ

বাংলা অনুবাদ

২৯৩৩. মাসরুক (রহঃ) হতে বর্ণিত, যে তিনি (এক্ষেত্রে) সকলকে অংশ প্রদান করতেন। তখন আলকামাহ তাকে বললেন, আব্দুল্লাহ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু এর চেয়ে অধিক প্রামাণ্য কেউ আছে কি? তখন তিনি বললেন, না, তবে আমি যাইদ ইবনু ছাবিত রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু ও মদীনাবাসীদেরকে দেখেছি যে, তারা দুই কন্যা, পৌত্রী, পৌত্র ও দু’বোনকে (একইসঙ্গে মীরাসে) অংশীদার বানাতেন।[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।
তাখরীজ: আব্দুর রাযযাক, আল মুসান্নাফ ১৯০১৩; ইবনু আবী শাইবা ১১/২৪৭, ২৪৮ নং ১১১২৮, ১১১২৯; ইবনু হাযম, আল মুহাল্লা ৯/২৭০; বাইহাকী, ফারাইয ৬/২৩০।

হাদিস ২,৯৩৪

মূল আরবি

حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ يُوسُفَ حَدَّثَنَا سُفْيَانُ عَنْ هِشَامٍ عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ سِيرِينَ عَنْ شُرَيْحٍ فِي امْرَأَةٍ تَرَكَتْ زَوْجَهَا وَأُمَّهَا وَأُخْتَهَا لِأَبِيهَا وَأُمِّهَا وَأُخْتَهَا لِأَبِيهَا وَإِخْوَتَهَا لِأُمِّهَا جَعَلَهَا مِنْ سِتَّةٍ ثُمَّ رَفَعَهَا فَبَلَغَتْ عَشْرَةً لِلزَّوْجِ النِّصْفُ ثَلَاثَةُ أَسْهُمٍ وَلِلْأُخْتِ مِنْ الْأَبِ وَالْأُمِّ النِّصْفُ ثَلَاثَةُ أَسْهُمٍ وَلِلْأُمِّ السُّدُسُ سَهْمٌ وَلِلْإِخْوَةِ مِنْ الْأُمِّ الثُّلُثُ سَهْمَانِ وَلِلْأُخْتِ مِنْ الْأَبِ سَهْمٌ تَكْمِلَةُ الثُّلُثَيْنِ

বাংলা অনুবাদ

২৯৩৪. শুরাইহ (রহঃ) হতে বর্ণিত, যে স্ত্রীলোক তার স্বামী, মাতা, সহোদর বোন, বৈমাত্রেয় বোন এবং বৈপিত্রেয় ভাই রেখে মৃত্যু বরণ করে, তিনি তার সম্পদকে ছয় ভাগ করেন, এরপর এমনকি তা দশে উন্নীত করেন। এরপর তা থেকে অর্ধেক তথা ৩ ভাগ দেন স্বামী কে; অর্ধেক তথা ৩ ভাগ দেন সহোদর বোনকে; মাতাকে দেন এক ষষ্ঠাংশ তথা এক ভাগ; বৈপিত্রেয় ভাইকে দেন এক তৃতীয়াংশ তথা দু’ভাগ এবং বৈমাত্রেয় বোনকে দেন এক ভাগ- এ হলো মোট দুই-তৃতীয়াংশ।[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।
তাখরীজ: আব্দুর রাযযাক, আল মুসান্নাফ ১৯০৩৪; ইবনু আবী শাইবা ১১/২৮৩ নং ১১১৩৮।

হাদিস ২,৯৩৫

মূল আরবি

حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عُيَيْنَةَ عَنْ عَلِيِّ بْنِ مُسْهِرٍ عَنْ أَشْعَثَ عَنْ الشَّعْبِيِّ أَنَّ عَلِيًّا وَزَيْدًا كَانَا لَا يَحْجُبَانِ بِالْكُفَّارِ وَلَا بِالْمَمْلُوكِينَ وَلَا يُوَرِّثَانِهِمْ شَيْئًا وَكَانَ عَبْدُ اللَّهِ يَحْجُبُ بِالْكُفَّارِ وَبِالْمَمْلُوكِينَ وَلَا يُوَرِّثُهُمْ

বাংলা অনুবাদ

২৯৩৫. শা’বী (রহঃ) হতে বর্ণিত যে, আলী রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু ও যাইদ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু কাফির ও দাসদের মাধ্যমে ‘হুজব’ (তথা একের উপস্থিত থাকার কারণে অন্য ওয়ারিসকে পূর্ণ কিংবা আংশিক বঞ্চিতকরণ) করতেন না; আবার তাদেরকে কোনো কিছু্র উত্তরাধিকারও বানাতেন না। কিন্তু আব্দুল্লাহ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু কাফির ও দাসদের মাধ্যমে ‘হুজব’ করতেন, তবে তাদেরকে কোনো কিছু্র উত্তরাধিকার বানাতেন না।[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ যঈফ আশ’আছ এর দুর্বলতার কারণে। তিনি হলেন ইবনু সিওয়ার।
তাখরীজ: সাঈদ ইবনু মানসুর নং ১৪৮ (এর সনদ ইবরাহীম পর্যন্ত সহীহ); আব্দুর রাযযাক, আল মুসান্নাফ ১৯১০২, ১৯১০৩, এবং আলী রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু এর কথা হিসেবে ১৯১০৮ মুনকাতি সনদে; ইবনু আবী শাইবা ১১/২২৭০ নং ১১১৯৩।

হাদিস ২,৯৩৬

মূল আরবি

حَدَّثَنَا سُلَيْمَانُ بْنُ حَرْبٍ حَدَّثَنَا شُعْبَةُ عَنْ الْحَكَمِ عَنْ إِبْرَاهِيمَ أَنَّ عَلِيًّا وَزَيْدًا قَالَا الْمَمْلُوكُونَ وَأَهْلُ الْكِتَابِ لَا يَحْجُبُونَ وَلَا يَرِثُونَ وَقَالَ عَبْدُ اللَّهِ يَحْجُبُونَ وَلَا يَرِثُونَ

বাংলা অনুবাদ

২৯৩৬. ইবরাহীম (রহঃ) হতে বর্ণিত যে, আলী রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু ও যাইদ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু বলেন, দাসদের ও আহলে কিতাবগণ কাউকে ‘হুজব’ (তথা একের উপস্থিত থাকার কারণে অন্য ওয়ারিসকে পূর্ণ কিংবা আংশিক বঞ্চিতকরণ) করবে না; আবার তারা উত্তরাধিকারও হবে না।কিন্তু আব্দুল্লাহ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু বলতেন, তারা ‘হুজব’ করবে, তবে তারা কোনো কিছু্র উত্তরাধিকার হবে না।[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ ইবরাহীম পর্যন্ত সহীহ।
তাখরীজ: আগের টীকাটি দেখুন।

হাদিস ২,৯৩৭

মূল আরবি

أَخْبَرَنَا يَزِيدُ بْنُ هَارُونَ أَخْبَرَنَا يَحْيَى عَنْ سَعِيدٍ أَنَّ عُمَرَ كَانَ كَتَبَ مِيرَاثَ الْجَدِّ حَتَّى إِذَا طُعِنَ دَعَا بِهِ فَمَحَاهُ ثُمَّ قَالَ سَتَرَوْنَ رَأْيَكُمْ فِيهِ

বাংলা অনুবাদ

২৯৩৭. সাঈদ (রহঃ) হতে বর্ণিত উমার রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু দাদার মীরাস লিখেছিলেন। কিন্তু যখন তিনি আহত হলেন, তখন তা চেয়ে নিয়ে মুছে দিলেন। এরপর তিনি বললেন: ভবিষ্যতে তোমরা নিজেরাই (ইজতিহাদ করে) এ ব্যাপারে রায় দিবে।[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।
তাখরীজ: আব্দুর রাযযাক, আল মুসান্নাফ ১৯০১৩; ইবনু আবী শাইবা ১১/৩২০ নং ১১৩১৭; বাইহাকী, ফারাইয ৬/২৪৫।

হাদিস ২,৯৩৮

মূল আরবি

أَخْبَرَنَا يَزِيدُ أَخْبَرَنَا أَشْعَثُ عَنْ ابْنِ سِيرِينَ قَالَ قُلْتُ لِعَبِيدَةَ حَدِّثْنِي عَنْ الْجَدِّ فَقَالَ إِنِّي لَأَحْفَظُ فِي الْجَدِّ ثَمَانِينَ قَضِيَّةً مُخْتَلِفَةً

বাংলা অনুবাদ

২৯৩৮. ইবনু সীরীন (রহঃ) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি আবীদাহকে বললাম, দাদার সম্পর্কে আমার নিকট একটি হাদীস বর্ণনা করো। তখন সে বললো, আমি দাদা সম্পর্কে আশিটি মতবিরোধপূর্ণ ফায়সালা সংরক্ষণ করেছি।[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ যঈফ আশ’আছ এর দুর্বলতার কারণে। তিনি হলেন ইবনু সিওয়ার। (তবে অপর সনদে সহীহ, দেখুন তাখরীজ।- অনুবাদক)
তাখরীজ: আব্দুর রাযযাক, আল মুসান্নাফ ১৯০৪৩, ১৯০৪৪; বাইহাকী, ফারাইয ৬/২৪৫ সহীহ সনদে।

হাদিস ২,৯৩৯

মূল আরবি

أَخْبَرَنَا أَبُو غَسَّانَ حَدَّثَنَا إِسْرَائِيلُ عَنْ أَبِي إِسْحَقَ عَنْ عُبَيْدِ بْنِ عَمْرٍو الْخَارِفِيِّ عَنْ عَلِيٍّ قَالَ أَتَاهُ رَجُلٌ فَسَأَلَهُ عَنْ فَرِيضَةٍ فَقَالَ إِنْ لَمْ يَكُنْ فِيهَا جَدٌّ فَهَاتِهَا

বাংলা অনুবাদ

২৯৩৯. উবাইদ ইবনু আমর (রহঃ) থেকে বর্ণিত যে, এক ব্যক্তি এসে আলী রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুকে মীরাছ সম্পর্কে জিজ্ঞেস করলো। তখন তিনি বলেন, যদি মীরাসের মধ্যে দাদা অন্তর্ভুক্ত না থাকেন, তবে তা নিয়ে এসো।[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ জাইয়্যেদ।
তাখরীজ: ইবনু আবী শাইবা ১১/৩১৯ নং ১১৩০৩। আগের টীকাটি দেখুন।

হাদিস ২,৯৪০

মূল আরবি

حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ يُوسُفَ حَدَّثَنَا سُفْيَانُ عَنْ أَيُّوبَ السَّخْتِيَانِيِّ عَنْ سَعِيدِ بْنِ جُبَيْرٍ عَنْ رَجُلٍ مِنْ مُرَادٍ سَمِعَ عَلِيًّا يَقُولُ مَنْ سَرَّهُ أَنْ يَتَقَحَّمَ جَرَاثِيمَ جَهَنَّمَ فَلْيَقْضِ بَيْنَ الْجَدِّ وَالْإِخْوَةِ

বাংলা অনুবাদ

২৯৪০. সাঈদ ইবনু যুবাইর মুরাদ গোত্রের এক ব্যক্তি হতে বর্ণনা করেন যে, তিনি আলী রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুকে বলতে zwj;শুনেছেন, যে ব্যক্তি এতে আনন্দিত হয় যে, জাহান্নামের কীটে (তার শরীর) জড়িয়ে যাক, সে যেন (মৃতব্যক্তির) দাদা ও ভাইদের মাঝে মীরাস বন্টনের ফায়সালা দান করে।[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ যঈফ। এর মধ্যে অজ্ঞাত পরিচয় বর্ণনাকারী রয়েছে।
তাখরীজ: সাঈদ ইবনু মানসুর নং ৫৬, ৫৭; ইবনু আবী শাইবা ১১/৩১৯ নং ১১৩১৩; বাইহাকী, ফারাইয ৬/২৪৫; আব্দুর রাযযাক, আল মুসান্নাফ ১৯০৪৮।
এর অর্থ: যে ব্যক্তি সতর্কতা ও চিন্তাভাবনা ছাড়াই নিজেকে জাহান্নামের তলদেশে ঠেলে দিতে ইচ্ছা করে, সে যেন ফায়সালা করে....।