সুনান আদ-দারিমী
পরিচ্ছেদ ১৫৪: হাদিস ৩,০৬১-৩,০৮০
এই অধ্যায়ের হাদিসগুলো একই পাতায় পড়ুন। নির্দিষ্ট হাদিসে যেতে তার নম্বর বা anchor ব্যবহার করুন।
এই পাতার হাদিসসমূহনির্দিষ্ট হাদিসে যেতে তালিকাটি খুলুন। শোহাইড
মূল আরবি
أَخْبَرَنَا يَزِيدُ بْنُ هَارُونَ حَدَّثَنَا أَشْعَثُ عَنْ الشَّعْبِيِّ عَنْ عُمَرَ وَعَلِيٍّ وَزَيْدٍ قَالَ وَأَحْسَبُهُ قَدْ ذَكَرَ عَبْدَ اللَّهِ أَيْضًا أَنَّهُمْ قَالُوا الْوَلَاءُ لِلْكُبْرِ يَعْنُونَ بِالْكُبْرِ مَا كَانَ أَقْرَبَ بِأَبٍ أَوْ أُمٍّ
বাংলা অনুবাদ
৩০৬১. শা’বী (রহঃ) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, উমার, আলী, যাইদ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুম বর্ণনা করেছেন এবং আমার মনে হয়- আব্দুল্লাহ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুও বর্ণনা করেছেন যে, তারা বলেছেন: অভিভাবকত্বের অধিকারী হবে বয়োজেষ্ঠ ব্যক্তি।’ এর দ্বারা তারা বয়োজেষ্ঠ বলতে ঐ সকল ব্যক্তিদেরকে বুঝিয়েছেন, যারা ছিলেন পিতা কিংবা মাতার দিক থেকে নিকটাত্মীয়।[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : সনদটি যঈফ আশআস ইবনু সিওয়ারের দুর্বলতার কারনে।
তাখরীজ: বাইহাকী, ফারাইয ১০/৩০৩; সাঈদ ইবনু মানসূর নং ২৬৭। এটি সামনেও আসছে।
মূল আরবি
حَدَّثَنَا يَزِيدُ حَدَّثَنَا أَشْعَثُ عَنْ ابْنِ سِيرِينَ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُتْبَةَ قَالَ كُتِبَ إِلَى عُمَرَ فِي شَأْنِ فُكَيْهَةَ بِنْتِ سَمْعَانَ أَنَّهَا مَاتَتْ وَتَرَكَتْ ابْنَ أَخِيهَا لِأَبِيهَا وَأُمِّهَا وَابْنَ أَخِيهَا لِأَبِيهَا فَكَتَبَ عُمَرُ إِنَّ الْوَلَاءَ لِلْكُبْرِ
বাংলা অনুবাদ
৩০৬২. আব্দুল্লাহ ইবনু উতবাহ (রহঃ) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, উমার রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু এর নিকট পত্র যোগে ফুকাইহাহ বিনতে সাম’আন সম্পর্কে জানতে চাওয়া হলো যে তার সহোদর ভাইয়ের এক ছেলে এবং বৈমাত্রেয় এক ভাইয়ের ছেলে রেখে মৃত্যু বরণ করেছিল। তখন উমার রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু লিখে পাঠালেন যে, ‘অভিভাবকত্বের অধিকারী হবে বয়োজেষ্ঠ ব্যক্তি।’[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : সনদটি যঈফ আশআস ইবনু সিওয়ারের দুর্বলতার কারনে।
তাখরীজ: বাইহাকী, ফারাইয ৬/২৩৯ অপর একটি সহীহ সনদে ইবনু সীরীন হতে।
মূল আরবি
حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ حَدَّثَنَا أَبُو شِهَابٍ عَنْ الشَّيْبَانِيِّ عَنْ الشَّعْبِيِّ أَنَّ عَلِيًّا وَزَيْدًا قَالَا الْوَلَاءُ لِلْكُبْرِ وَقَالَ عَبْدُ اللَّهِ وَشُرَيْحٌ لِلْوَرَثَةِ
বাংলা অনুবাদ
৩০৬৩. শা’বী (রহঃ) হতে বর্ণিত, আলী ও যাইদ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু বলেন, ‘অভিভাবকত্বের অধিকারী হবে বয়োজেষ্ঠ ব্যক্তিগণ।’আর আব্দুল্লাহ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু ও শুরাইহ বলেন, তা পাবে তার ওয়ারিসগণ।[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এ সনদ সহীহ যদি আমির শা’বী তাদের উভয়ের থেকে কিংবা কোন একজন হতে শ্রবণ করে থাকেন।
তাখরীজ: ইবনু আবী শাইবা ১১/৪০৪ নং ১১৬০৭; সাঈদ ইবনু মানসূর নং ২৬৮।
মূল আরবি
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عُيَيْنَةَ عَنْ عَلِيِّ بْنِ مُسْهِرٍ عَنْ أَشْعَثَ عَنْ الشَّعْبِيِّ قَالَ قَضَى عُمَرُ وَعَبْدُ اللَّهِ وَعَلِيٌّ وَزَيْدٌ لِلْكُبْرِ بِالْوَلَاءِ
বাংলা অনুবাদ
৩০৬৪. শা’বী (রহঃ) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, উমার, আব্দুল্লাহ, আলী ও যাইদ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু ফায়সালা করেছেন যে, ‘অভিভাবকত্বের অধিকারী হবে বয়োজেষ্ঠ ব্যক্তিগণ।’[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : সনদটি যঈফ আশআস ইবনু সিওয়ারের দুর্বলতার কারনে।
তাখরীজ: এটি গত হয়েছে ৩০৫৮ তে।
মূল আরবি
حَدَّثَنَا أَبُو نُعَيْمٍ حَدَّثَنَا شَرِيكٌ عَنْ أَشْعَثَ عَنْ ابْنِ سِيرِينَ قَالَ تُوُفِّيَتْ فُكَيْهَةُ بِنْتُ سَمْعَانَ وَتَرَكَتْ ابْنَ أَخِيهَا لِأَبِيهَا وَبَنِي بَنِي أَخِيهَا لِأَبِيهَا وَأُمِّهَا فَوَرَّثَ عُمَرُ بَنِي أَخِيهَا لِأَبِيهَا
বাংলা অনুবাদ
৩০৬৫. ইবনু সীরীন (রহঃ) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, ফুকাইহাহ বিনতে সাম’আন তার বৈমাত্রেয় এক ভাইয়ের ছেলে এবং সহোদর ভাইয়ের এক ছেলের ছেলে (নাতি) রেখে মৃত্যু বরণ করেছিল। তখন উমার রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু তার বৈমাত্রেয় এক ভাইয়ের ছেলেকে তার সম্পদের উত্তরাধিকার বানিয়ে দিলেন।’[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : সনদটি ইবনু সীরীন পর্যন্ত যঈফ।
তাখরীজ: এটি গত হয়েছে ৩০৫৯ নং তে এবং সামনে আসছে ৩০৬৫ তে।
মূল আরবি
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عِيسَى حَدَّثَنَا عَبْدُ السَّلَامِ بْنُ حَرْبٍ عَنْ الْأَعْمَشِ عَنْ إِبْرَاهِيمَ عَنْ عُمَرَ وَعَلِيٍّ وَزَيْدٍ أَنَّهُمْ قَالُوا الْوَلَاءُ لِلْكُبْرِ
বাংলা অনুবাদ
৩০৬৬. ইবরাহীম (রহঃ) হতে বর্ণিত, উমার, আলী ও যাইদ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুম বলেন, ‘অভিভাবকত্বের অধিকারী হবে বয়োজেষ্ঠ ব্যক্তিগণ।’[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : সনদটি বিচ্ছিন্নতার কারনে দুর্বল। ইবরাহীম নাখঈ এদের কারো সাক্ষাতই লাভ করেননি। আল্লাহই সর্বাধিক অবগত।
তাখরীজ: ইবনু আবী শাইবা ১১/৩৮৮ নং ১১৫৫০, ১১/৪০৪ নং ১১৬০৬; বাইহাকী, ফারাইয ১০/ ৩০৩,৩০৬।
মূল আরবি
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عِيسَى حَدَّثَنَا أَبُو عَوَانَةَ عَنْ مُغِيرَةَ عَنْ إِبْرَاهِيمَ فِي أَخَوَيْنِ وَرِثَا مَوْلًى كَانَ أَعْتَقَهُ أَبُوهُمَا فَمَاتَ أَحَدُهُمَا وَتَرَكَ وَلَدًا قَالَ كَانَ عَلِيٌّ وَزَيْدٌ وَعَبْدُ اللَّهِ يَقُولُونَ الْوَلَاءُ لِلْكُبْرِ
বাংলা অনুবাদ
৩০৬৭. ইবরাহীম (রহঃ) হতে বর্ণিত, দু’ভাই যারা এক মুক্ত দাসের উত্তরাধিকার লাভ করে, যাকে তাদের উভয়ের পিতা মুক্তি দান করেন। তিনি এমন দাস সম্পর্কে বলেন, আলী, যাইদ ও আব্দুল্লাহ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু বলেন, ‘অভিভাবকত্বের অধিকারী হবে বয়োজেষ্ঠ ব্যক্তিগণ।’[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : সনদটি ইবরাহীম পর্যন্ত সহীহ। আর এটি মুনকাতি’ বা বিচ্ছিন্ন। কারণ, ইবরাহীম নাখঈ এদের কারো সাক্ষাতই লাভ করেননি। আল্লাহই সর্বাধিক অবগত।
তাখরীজ: সাঈদ ইবনু মানসূর নং ২৬৫, ২৬৬; ইবনু আবী শাইবা ১১/৪০৩ নং ১১৬০৫; বাইহাকী, ফারাইয ১০/ ৩০৩। এটি পূর্বেও গত হয়েছে।
মূল আরবি
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عِيسَى حَدَّثَنَا حَمَّادُ بْنُ زَيْدٍ قَالَ سَمِعْتُ مَطَرًا الْوَرَّاقَ يَقُولُ قَالَ عُمَرُ وَعَلِيٌّ الْوَلَاءُ لِلْكُبْرِ
বাংলা অনুবাদ
৩০৬৮. হাম্মাদ ইবনু যাইদ (রহঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি মাত্বর ইবনু ওয়ররাককে বলতে শুনেছি যে, উমার ও আলী রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু বলেছেন: ‘অভিভাবকত্বের অধিকারী হবে বয়োজেষ্ঠ ব্যক্তিগণ।’[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ বিচ্ছিন্নতার কারনে দুর্বল।
তাখরীজ: এছাড়া, তাখরীজের জন্য দেখুন পূর্বের টীকাটি।
মূল আরবি
أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عِيسَى عَنْ رَوْحٍ عَنْ ابْنِ جُرَيْجٍ عَنْ عَطَاءٍ وَابْنِ جُرَيْجٍ عَنْ ابْنِ طَاوُسٍ عَنْ أَبِيهِ قَالَ الْوَلَاءُ لِلْكُبْرِ
বাংলা অনুবাদ
৩০৬৯. ইবনু জুরাইজ আতা হতে[1] এবং ইবনু তাউস হতে ইবনু তাউসের পিতার সূত্রে বর্ণিত, তিনি বলেন, ‘অভিভাবকত্বের অধিকারী হবে বয়োজেষ্ঠ ব্যক্তিগণ।’[2]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ যঈফ (দুর্বল)। ইবনু জুরাইজ এটি আন’ আন শব্দে বর্ণনা করেছেন।
তাখরীজ: পরবর্তী টীকাটি দেখুন। এছাড়া, আব্দুর রাযযাক ১৬২৪৩।
[2] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ পুর্বের হাদীসটির মতই যঈফ (দুর্বল)। ইবনু জুরাইজ এটি আন’ আন শব্দে বর্ণনা করেছেন।
তাখরীজ: ইবনু আবী শাইবা ১১/৪০৫ নং ১১৬১০ লাইসের সূত্রে তাউস হতে, আর লাইস যঈফ। পুর্ববর্তী টীকাটি দেখুন।
মূল আরবি
أَخْبَرَنَا عُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ مُوسَى عَنْ إِسْرَائِيلَ عَنْ مَنْصُورٍ عَنْ إِبْرَاهِيمَ قَالَ الْوَلَاءُ لِلْكُبْرِ
বাংলা অনুবাদ
৩০৭০. মানসূর হতে বর্ণিত, ইবরাহীম (রহঃ) বলেন, ‘অভিভাবকত্বের অধিকারী হবে বয়োজেষ্ঠ ব্যক্তিগণ।’[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : সনদটি ইবরাহীম পর্যন্ত সহীহ।
তাখরীজ: বিগত ৩০৬৪ নং ও পুর্বের হাদীসটিও দেখুন।
মূল আরবি
حَدَّثَنَا أَبُو نُعَيْمٍ حَدَّثَنَا سُفْيَانُ عَنْ مُطَرِّفٍ عَنْ الشَّعْبِيِّ وَسُفْيَانُ عَنْ يُونُسَ عَنْ الْحَسَنِ فِي الرَّجُلِ يُوَالِي الرَّجُلَ قَالَا هُوَ بَيْنَ الْمُسْلِمِينَ قَالَ سُفْيَانُ وَكَذَلِكَ نَقُولُ
বাংলা অনুবাদ
৩০৭১. শা’বী (রহঃ) হতে, এবং হাসান (রহঃ) হতে বর্ণিত, ‘কোন ব্যক্তি অপর কোনো ব্যক্তির অভিভাবকত্ব লাভ করা’ সম্পর্কে তারা উভয়ে বলেন, এটি দু’জন মুসলিমের মাঝে হবে। সুফিয়ান বলেন, আমাদের মতও অনুরূপ।[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ শা’বী ও হাসান উভয় পর্যন্তই সহীহ।
তাখরীজ: হাসানের সনদটি বর্ণনা করেছেন, আব্দুর রাযযাক ১৬২৭৪; ইবনু আবী শাইবা ১১/৪১১ নং ১১৬৩১; সাঈদ ইবনু মানসূর নং ২০৭, ২০৮।
আর শা’বীর সনদে সাঈদ ইবনু মানসূর নং ২০৬।
মূল আরবি
حَدَّثَنَا أَبُو نُعَيْمٍ حَدَّثَنَا عَبْدُ الْعَزِيزِ بْنُ عُمَرَ بْنِ عَبْدِ الْعَزِيزِ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ مَوْهَبٍ قَالَ سَمِعْتُ تَمِيمًا الدَّارِيَّ يَقُولُ سَأَلْتُ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَقُلْتُ يَا رَسُولَ اللَّهِ مَا السُّنَّةُ فِي الرَّجُلِ مِنْ أَهْلِ الْكُفْرِ يُسْلِمُ عَلَى يَدَيْ رَجُلٍ مِنْ الْمُسْلِمِينَ فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ هُوَ أَوْلَى النَّاسِ بِمَحْيَاهُ وَمَمَاتِهِ
বাংলা অনুবাদ
৩০৭২. তামীম দারী রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে জিজ্ঞাসা করেছিলাম, ইয়া রাসূলাল্লাহ! কোন কাফির মধ্যকার কোনো ব্যক্তি যদি কোন মুসলিমের হাতে ইসলাম গ্রহণ করে তবে এ ক্ষেত্রে বিধান কি? রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ “তার জীবনে ও তার মরণে এ ব্যক্তিই হবে লোকদের মাঝে তার সবচেয়ে নিকটবর্তী।[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।
তাখরীজ: আমরা এর তাখরীজ দিয়েছি মুসনাদুল মাউসিলী নং ৭১৬৫ তে। ((তিরমিযী, ফারাইয ২১১৩; ইবনু মাজাহ, ফারাইয ২৭৫২; আবূ দাউদ, ফারাইয ২৯১৮।– মুহাক্কিক্বের তাহক্বীক্বকৃত মুসনাদুল মাউসিলী নং ৭১৬৫।–অনুবাদক))
মূল আরবি
حَدَّثَنَا عُبَيْدُ اللَّهِ عَنْ إِسْرَائِيلَ عَنْ مَنْصُورٍ عَنْ إِبْرَاهِيمَ قَالَ سُئِلَ عَنْ رَجُلٍ مِنْ أَهْلِ السَّوَادِ أَسْلَمَ عَلَى يَدَيْ رَجُلٍ قَالَ يَعْقِلُ عَنْهُ وَيَرِثُهُ
বাংলা অনুবাদ
৩০৭৩. মানসূর হতে বর্ণিত, ইবরাহীম (রহঃ) কে, তদানীন্তন কৃঞ্চকায় অঞ্চলের কোন লোকের (তথা আফ্রিকার খ্রিস্টান কিংবা দাসের) কোনো (মুসলিম) ব্যক্তির হাতে ইসলাম গ্রহণ করা সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হলো। তখন তিনি বললেন, সে ব্যক্তি তার পক্ষ হতে (দিয়াত বা রক্তমুল্য) পরিশোধ করবে, আর এ ব্যক্তি তাকে ওয়ারিস বানাবে।[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : সনদটি ইবরাহীম পর্যন্ত সহীহ।
তাখরীজ: আব্দুর রাযযাক ৯৮৭৩, ১৬২৭২; সাঈদ ইবনু মানসূর নং ২০৪। আরও দেখুন, আল মুহাল্লা ১১/৫৮-৫৯।
মূল আরবি
حَدَّثَنَا سُلَيْمَانُ بْنُ حَرْبٍ حَدَّثَنَا شُعْبَةُ عَنْ مُغِيرَةَ عَنْ إِبْرَاهِيمَ قَالَ تَرِثُ الْمَرْأَةُ مِنْ دِيَةِ زَوْجِهَا فِي الْعَمْدِ وَالْخَطَإِ
বাংলা অনুবাদ
৩০৭৪. মুগীরাহ হতে বর্ণিত, ইবরাহীম (রহঃ) বলেন, ইচ্ছাকৃত বা অনিচ্ছাকৃত হত্যার ক্ষেত্রে স্ত্রীলোক তার স্বামীর দিয়াতের (রক্তমুল্যের) ওয়ারিস হবে।[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : সনদটি ইবরাহীম পর্যন্ত সহীহ।
তাখরীজ: ইবনু আবী শাইবা ৯/৩১৩ নং ৭৬০২; ইবনু হাযম, আল মুহাল্লা ১০/৪৭৫। পরবর্তী হাদীসটিও দেখুন।
মূল আরবি
حَدَّثَنَا أَبُو النُّعْمَانِ حَدَّثَنَا أَبُو عَوَانَةَ عَنْ مُغِيرَةَ عَنْ إِبْرَاهِيمَ قَالَ الدِّيَةُ عَلَى فَرَائِضِ اللَّهِ
বাংলা অনুবাদ
৩০৭৫. মুগীরাহ হতে বর্ণিত, ইবরাহীম (রহঃ) বলেন, দিয়াত মহান আল্লাহর ফারাইয (নির্ধারিত বিধান) অনুযায়ী (বন্টিত) হবে।[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : সনদটি ইবরাহীম পর্যন্ত সহীহ।
তাখরীজ: সাঈদ ইবনু মানসূর নং ৩০০; ইবনু আবী শাইবা ৯/৩১৪, ৩১৫ নং ৭৬০৭, ৭৬০৯।
মূল আরবি
حَدَّثَنَا مُسْلِمُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ حَدَّثَنَا وُهَيْبٌ حَدَّثَنَا أَيُّوبُ عَنْ أَبِي قِلَابَةَ قَالَ الدِّيَةُ سَبِيلُهَا سَبِيلُ الْمِيرَاثِ
বাংলা অনুবাদ
৩০৭৬. আইয়্যুব হতে বর্ণিত, আবী কিলাবাহ (রহঃ) বলেন, দিয়াতের (বন্টন) পদ্ধতি মীরাসের পদ্ধতির অনুরূপ।[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : সনদটি আবী কিলাবাহ পর্যন্ত সহীহ।
তাখরীজ: ইবনু আবী শাইবা ৯/৩১৫ নং ৭৬০৮; ইবনু হাযম, আল মুহাল্লা ১০/৪৭৫।
মূল আরবি
حَدَّثَنَا سُلَيْمَانُ بْنُ حَرْبٍ حَدَّثَنَا حَمَّادُ بْنُ سَلَمَةَ عَنْ حُمَيْدٍ وَدَاوُدَ بْنِ أَبِي هِنْدٍ أَنَّ عُمَرَ بْنَ عَبْدِ الْعَزِيزِ كَتَبَ أَنْ يُوَرَّثَ الْإِخْوَةُ مِنْ الْأُمِّ مِنْ الدِّيَةِ
বাংলা অনুবাদ
৩০৭৭. হুমাইদ ও দাউদ ইবনু আবী হিনদ হতে বর্ণিত, যে, উমার ইবনু আব্দুল আযীয (রহঃ) লিখে পাঠিয়েছিলেন যে, বৈপিত্রেয় ভাইদেরকে দিয়াতের ওয়ারিস বানানো হবে।[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : সনদটি আবী কিলাবাহ পর্যন্ত সহীহ।
তাখরীজ: ইবনু আবী শাইবা ৯/৩১৬ নং ৭৬১৬; ইবনু হাযম, আল মুহাল্লা ১০/৪৭৫; আব্দুর রাযযাক ১৭৭৭২।
মূল আরবি
حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ صَالِحٍ حَدَّثَنِي اللَّيْثُ حَدَّثَنِي يُونُسُ عَنْ ابْنِ شِهَابٍ قَالَ الْعَقْلُ مِيرَاثٌ بَيْنَ وَرَثَةِ الْقَتِيلِ عَلَى كِتَابِ اللَّهِ وَفَرَائِضِهِ
বাংলা অনুবাদ
৩০৭৮. ইউনুস হতে বর্ণিত, ইবনু শিহাব (রহঃ) বলেন, দিয়াত (রক্তমুল্য) হলো নিহত ব্যক্তির ওয়ারিসগণের উপর আল্লাহর কিতাব ও তাঁর ফারাইয (তথা নির্ধারিত অংশ অনুযায়ী) মীরাছ।[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ যঈফ, আব্দুল্লাহ ইবনু সালিহ হলেন লাইছের কাতিব (লেখক), তিনি মুখস্তশক্তিতে খুবই দুর্বল। আর তার মধ্যে অসতর্কতা রয়েছে।
তাখরীজ: ইবনু আবী শাইবা ৯/৩১৪ নং ৭৬০৪; ইবনু হাযম, আল মুহাল্লা ১০/৪৭৫।
মূল আরবি
حَدَّثَنَا قَبِيصَةُ حَدَّثَنَا سُفْيَانُ عَنْ عَمْرِو بْنِ دِينَارٍ عَنْ بَعْضِ وَلَدِ ابْنِ الْحَنَفِيَّةِ عَنْ عَلِيٍّ قَالَ لَقَدْ ظَلَمَ مَنْ لَمْ يُوَرِّثْ الْإِخْوَةَ مِنْ الْأُمِّ مِنْ الدِّيَةِ
বাংলা অনুবাদ
৩০৭৯. ইবনু হানাফিয়্যাহ’র কোন এক ছেলে হতে বর্ণিত, আলী রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু বলেন, যে ব্যক্তি তার বৈপিত্রেয় ভাইদেরকে দিয়াতের ওয়ারিস বানায়নি, সে যুলুম করেছে।[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদে অজ্ঞাত পরিচয় রাবী রয়েছে। (ফলে এটি যঈফ)
তাখরীজ: বাইহাকী, জানাইয়াত ৮/৫৮; ইবনু আবী শাইবা ৯/৩১৬ নং ৭৬১৩; সাঈদ ইবনু মানসূর নং ৩০৩, ৩০৪, এর রাবীগণ বিশ্বস্ত, তবে সনদটি বিচ্ছিন্ন; আব্দুর রাযযাক ১৭৭৭১; তবে ইবনু আবী শাইবা ৯/৩১৭ নং ৭৬২০ এ সনদটি সহীহ।
মূল আরবি
حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ سَعِيدٍ حَدَّثَنَا أَبُو خَالِدٍ أَخْبَرَنَا ابْنُ سَالِمٍ عَنْ الشَّعْبِيِّ عَنْ عُمَرَ وَعَلِيٍّ وَزَيْدٍ قَالُوا الدِّيَةُ تُورَثُ كَمَا يُورَثُ الْمَالُ خَطَؤُهُ وَعَمْدُهُ
বাংলা অনুবাদ
৩০৮০. শা’বী (রহঃ) হতে বর্ণিত, উমার, আলী ও যাইদ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু বলেন, ইচ্ছাকৃত কিংবা অনিচ্ছাকৃত (ভাবে নিহত) হোক, উভয় অবস্থায় দিয়াতে ওয়ারিস বানানো হবে, যেভাবে মাল-সম্পদ ওয়ারিস বানানো হয়।[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ যঈফ, মুহাম্মদ ইবনু সালিম এর দুর্বলতার কারণে।
তাখরীজ: ইবনু আবী শাইবা ৯/৩১৪ নং ৭৬০৫; ইবনু হাযম, আল মুহাল্লা ১০/৪৭৫ আলী ও যাইদ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু এর কথা বাদে।
আর আলী রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু এর বক্তব্য রয়েছে, সাঈদ ইবনু মানসূর নং ৩০৮; ইবনু হাযম, আল মুহাল্লা ১০/৪৭৫ যঈফ সনদে।
