সুনান আদ-দারিমী
পরিচ্ছেদ ১৫৭: হাদিস ৩,১২১-৩,১৪০
এই অধ্যায়ের হাদিসগুলো একই পাতায় পড়ুন। নির্দিষ্ট হাদিসে যেতে তার নম্বর বা anchor ব্যবহার করুন।
এই পাতার হাদিসসমূহনির্দিষ্ট হাদিসে যেতে তালিকাটি খুলুন। শোহাইড
মূল আরবি
حَدَّثَنَا أَبُو النُّعْمَانِ حَدَّثَنَا أَبُو عَوَانَةَ عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ سَالِمٍ عَنْ عَامِرٍ عَنْ عَلِيٍّ قَالَ الْقَاتِلُ لَا يَرِثُ وَلَا يَحْجُبُ
বাংলা অনুবাদ
৩১২১. আমির হতে বর্ণিত, আলী রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু বলেন, হত্যাকারী ওয়ারিস হবে না এবং সে ‘হুজব’ (তথা অন্য কাউকে বঞ্চিত) ও করবে না।[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ যঈফ মুহাম্মদ ইবনু সালিমের দুর্বলতার কারণে।
তাখরীজ : বাইহাকী, ফারাইয ৬/২২০।
মূল আরবি
حَدَّثَنَا أَبُو نُعَيْمٍ حَدَّثَنَا حَسَنٌ عَنْ لَيْثٍ عَنْ أَبِي عَمْرٍو الْعَبْدِيِّ عَنْ عَلِيٍّ قَالَ لَا يُوَرَّثُ الْقَاتِلُ
বাংলা অনুবাদ
৩১২২. আমর আল আব্দী হতে বর্ণিত, আলী রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু বলেন, হত্যাকারী ওয়ারিস হবে না।[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ যঈফ লাইছ ইবনু আবী সালীমের দুর্বলতার কারণে।
তাখরীজ : ইবনু আবী শাইবা ১১/৩৬০ নং ১১৪৪৫।
মূল আরবি
حَدَّثَنَا زَكَرِيَّا بْنُ عَدِيٍّ حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرٍ عَنْ مُطَرِّفٍ عَنْ الشَّعْبِيِّ قَالَ قَالَ عُمَرُ لَا يَرِثُ قَاتِلٌ خَطَأً وَلَا عَمْدًا
বাংলা অনুবাদ
৩১২৩. শা’বী (রহঃ) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, উমার রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু বলেন, ইচ্ছাকৃতভাবে হোক- কিংবা অনিচ্ছাকৃতভাবেই হোক- হত্যাকারী ওয়ারিস হবে না।[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর রাবীগণ সকলেই বিশ্বস্ত, তবে এটি বিচ্ছিন্ন, কারণ শাবী উমার ইবনুল খাত্তাব রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু এর সাক্ষাত পাননি।
তাখরীজ : আব্দুর রাযযাক ১৭৭৮৯; ইবনু আবী শাইবা ১১/৩৫৯ নং ১১৪৪২; বাইহাকী; ফারাইয ৬/২২০।
মূল আরবি
أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ يُوسُفَ عَنْ سُفْيَانَ عَنْ لَيْثٍ عَنْ طَاوُسٍ عَنْ ابْنِ عَبَّاسٍ قَالَ لَا يَرِثُ الْقَاتِلُ
বাংলা অনুবাদ
৩১২৪. তাউস (রহঃ) হতে বর্ণিত, ইবনু আব্বাস রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু বলেন, হত্যাকারী ওয়ারিস হবে না।[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ যঈফ।
তাখরীজ : আব্দুর রাযযাক ১৭৭৮৬। দেখুন বিগত ৩১১৫ হাদীসটি।
মূল আরবি
أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عِيسَى حَدَّثَنَا عَبْدُ الْأَعْلَى عَنْ مَعْمَرٍ عَنْ الزُّهْرِيِّ قَالَ إِذَا اجْتَمَعَ نَسَبَانِ وُرِّثَ بِأَكْبَرِهِمَا يَعْنِي الْمَجُوسَ
বাংলা অনুবাদ
৩১২৫. মা’মার হতে বর্ণিত, যুহুরী (রহঃ) বলেন, দু’ইটি নসব (বংশ) একত্রিত হলে ওয়ারিস বানানো হবে তাদের উভয়ের মধ্যকার বড় জনকে – তথা মাজুসী’ (অগ্নিপুজারী)কে।[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ যুহুরী পর্যন্ত সহীহ।
তাখরীজ : ইবনু আবী শাইবা ১১/৩৬৫ নং ১১৪৬৭; বাইহাকী; ফারাইয ৬/২৬০; আব্দুর রাযযাক ১৯৩৩৭।
মূল আরবি
حَدَّثَنَا حَجَّاجُ بْنُ مِنْهَالٍ حَدَّثَنَا حَمَّادُ بْنُ سَلَمَةَ عَنْ حَمَّادِ بْنِ أَبِي سُلَيْمَانَ قَالَ يَرِثُ مِنْ الْجَانِبِ الَّذِي يَصْلُحُ وَلَا يَرِثُ مِنْ الْجَانِبِ الَّذِي لَا يَصْلُحُ
বাংলা অনুবাদ
৩১২৬. হাম্মাদ ইবনু আবী সালামাহ হতে বর্ণিত, হাম্মাদ ইবনু আবী সুলাইমান বলেন, (মৃতের) নিকট আত্মীয় যে সৎ বা যোগ্য হবে সে মীরাছ পাবে, আর যে নিকটাত্মীয় সৎ বা যোগ্য হবে না, সে মীরাছ পাবে না।[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ হাম্মাদ ইবনু আবী সুলাইমান পর্যন্ত সহীহ।
তাখরীজ : ইবনু আবী শাইবা ১১/৩৬৬ নং ১১৪৭১; বাইহাকী; ফারাইয ৬/২৬০।
মূল আরবি
حَدَّثَنَا حَجَّاجٌ حَدَّثَنَا حَمَّادٌ عَنْ سُفْيَانَ الثَّوْرِيِّ عَنْ رَجُلٍ عَنْ الشَّعْبِيِّ أَنَّ عَلِيًّا وَابْنَ مَسْعُودٍ قَالَا فِي الْمَجُوسِ إِذَا أَسْلَمُوا يَرِثُونَ مِنْ الْقَرَابَتَيْنِ جَمِيعًا
বাংলা অনুবাদ
৩১২৭. শা’বী হতে বর্ণিত, আলী রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু ও ইবনু মাসউদ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু মাজুসী’ বলেন: যখন তারা ইসলাম গ্রহণ করবে, দু’ নিকটাত্মীয়দের মধ্য হতে সকলেই ওয়ারিস হবে।[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ যঈফ, এতে জাহালাত (অজ্ঞাত পরিচয় রাবী) রয়েছে।
তাখরীজ : ইবনু আবী শাইবা ১১/৩৬৬ নং ১১৪৭০; বাইহাকী; ফারাইয ৬/২৬০।
মূল আরবি
أَخْبَرَنَا يَحْيَى بْنُ حَسَّانَ حَدَّثَنَا ابْنُ أَبِي الزِّنَادِ عَنْ أَبِيهِ عَنْ عُمَرَ بْنِ عَبْدِ الْعَزِيزِ فِي امْرَأَةِ الْأَسِيرِ أَنَّهَا تَرِثُهُ وَيَرِثُهَا
বাংলা অনুবাদ
৩১২৮. আবী যিনাদ হতে বর্ণিত, উমার ইবনু আব্দুল আযীয (রহঃ) বন্দী ব্যক্তির স্ত্রী সম্পর্কে বলেন, সে তার ওয়ারিস হবে এবং সেও তার (স্ত্রীর) ওয়ারিস হবে।[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ উমার ইবনু আব্দুল আযীয পর্যন্ত হাসান।
তাখরীজ : আমি এটি এখানে ব্যতীত আর কোথাও পাইনি।
মূল আরবি
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ الْفَضْلِ حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ الْمُبَارَكِ حَدَّثَنِي مَعْمَرٌ عَنْ إِسْحَقَ بْنِ رَاشِدٍ عَنْ عُمَرَ بْنِ عَبْدِ الْعَزِيزِ فِي الْأَسِيرِ يُوصِي قَالَ أَجِزْ لَهُ وَصِيَّتَهُ مَا دَامَ عَلَى دِينِهِ لَمْ يَتَغَيَّرْ عَنْ دِينِهِ
বাংলা অনুবাদ
৩১২৯. ইসহাক ইবনু রাশিদ হতে বর্ণিত, বন্দী ব্যক্তি যে ওসীয়ত করলো, তার সম্পর্কে উমার ইবনু আব্দুল আযীয (রহঃ) বলেন, তার ওসীয়ত বৈধ যতক্ষণ সে তার দ্বীনের উপর প্রতিষ্ঠিত থাকবে- তার দ্বীন পরিবর্তন না করবে।[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ উমার ইবনু আব্দুল আযীয পর্যন্ত সহীহ।
তাখরীজ : আব্দুর রাযযাক ১০১৫০; বুখারী, ফারাইয তা’লীক হিসেবে।
দেখুন, ফাতহুল বারী, ১২/৪৫, সেখানে তিনি উল্লেখ করেছেন এ টীকাটি এবং বলেন: আব্দুর রাযযাক এটি মুত্তাসিল সনদে বর্ণনা করেছেন... এবং দারেমীও এটি বর্ণনা করেছেন ...।“
মূল আরবি
أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ يُوسُفَ حَدَّثَنَا سُفْيَانُ عَنْ دَاوُدَ عَنْ الشَّعْبِيِّ عَنْ شُرَيْحٍ قَالَ يُوَرَّثُ الْأَسِيرُ إِذَا كَانَ فِي أَيْدِي الْعَدُوِّ
বাংলা অনুবাদ
৩১৩০. শা’বী হতে বর্ণিত, শুরায়হ্ (রহঃ) বলেন, শত্রুদের হাতে বন্দী (মুসলিমদের)-কে উত্তাধিকার প্রদান করা হবে।[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।
তাখরীজ : আব্দুর রাযযাক ১৯২০২; ইবনু আবী শাইবা ১১/৩৮০ নং ১১৫১৮; বুখারী, ফারাইয তা’লীক হিসেবে।
দেখুন, ফাতহুল বারী, ১২/৪৯, সেখানে তিনি উল্লেখ করেছেন এ টীকাটি এবং বলেন: এটি মুত্তাসিল সনদে বর্ণনা করেছেন ইবনু আবী শাইবা এবং দারেমী...।“
মূল আরবি
حَدَّثَنَا مُحَمَّدٌ قَالَ حَدَّثَنَا سُفْيَانُ حَدَّثَنِي مَنْ سَمِعَ إِبْرَاهِيمَ يَقُولُ يُوَرَّثُ الْأَسِيرُ
বাংলা অনুবাদ
৩১৩১. সুফিয়ান হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমার নিকট সেই ব্যক্তি বর্ণনা করেছেন যে ইবরাহীম (রহঃ) কে বলতে শুনেছেন, তিনি বলেন, বন্দী-কে উত্তাধিকার প্রদান করা হবে।[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ যঈফ, এতে জাহালাত (অজ্ঞাত পরিচয় রাবী) রয়েছে।
তাখরীজ : ইবনু আবী শাইবা ১১/৩৮১ নং ১১৫২২; আব্দুর রাযযাক ১৯২০২ সহীহ সনদে।
মূল আরবি
حَدَّثَنَا الْمُعَلَّى بْنُ أَسَدٍ حَدَّثَنَا وُهَيْبٌ عَنْ دَاوُدَ عَنْ سَعِيدِ بْنِ الْمُسَيَّبِ أَنَّهُ كَانَ لَا يُوَرِّثُ الْأَسِيرَ
বাংলা অনুবাদ
৩১৩২. দাউদ হতে বর্ণিত, সাঈদ ইবনুল মুসাইয়্যেব (রহঃ) বন্দী-কে উত্তাধিকার প্রদান করতেন না।[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।
তাখরীজ : ইবনু আবী শাইবা ১১/৩৮১ নং ১১৫২৩-১১৫২৪।
মূল আরবি
أَخْبَرَنَا يَزِيدُ بْنُ هَارُونَ حَدَّثَنَا الْأَشْعَثُ عَنْ الشَّعْبِيِّ قَالَ كَتَبَ عُمَرُ بْنُ الْخَطَّابِ إِلَى شُرَيْحٍ أَنْ لَا يُوَرِّثَ الْحَمِيلَ إِلَّا بِبَيِّنَةٍ وَإِنْ جَاءَتْ بِهِ فِي خِرَقِهَا
বাংলা অনুবাদ
৩১৩৩. শা’বী (রহঃ) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, উমার ইবনুল খাত্তাব রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু শুরাইহ’র কাছে লিখে পাঠান যে, প্রমাণ ব্যতীত পরিচয়হীন (নবজাতক) সন্তানের মীরাছ প্রদান করা হবে না, যদিও সে (মাতা) তাকে নিজ কাপড়ে জড়িয়ে নিয়ে আসে।[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ যঈফ আশ’আস এর দুর্বলতার কারণে।
তাখরীজ : আব্দুর রাযযাক ১৯১৭৩, ১৯১৭৫; ইবনু হাযম, আল মুহাল্লা ৯/৩০৩; ইবনু মানসুর, নং ২৫২ সকলেই যঈফ সনদে।
তবে আমি (মুহাক্বিক্ব) বলছি: এ সকল বিভিন্ন সূত্রগুলি একে অপরকে শক্তিশালী করে। আল্লাহই ভাল জানেন।
মূল আরবি
أَخْبَرَنَا عُبَيْدُ اللَّهِ عَنْ إِسْرَائِيلَ عَنْ مَنْصُورٍ عَنْ إِبْرَاهِيمَ قَالَ وَرِّثْ الْحَمِيلَ
বাংলা অনুবাদ
৩১৩৪. মানসূর হতে বর্ণিত, ইবরাহীম (রহঃ) বলেন, পরিচয়হীন (নবজাতক) শিশুর মীরাছ প্রদান করা হবে।[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।
তাখরীজ : ইবনু মানসুর, নং ২৫৬ সহীহ সনদে; ইবনু হাযম, আল মুহাল্লা ৯/৩০৩; ইবনু আবী শাইবা ১১/৩৫২ নং ১১৪২১; আব্দুর রাযযাক ১৯১৮১ (বিভিন্ন শব্দে)।
মূল আরবি
حَدَّثَنَا أَبُو سَعِيدٍ مِنْ بَنِي أُمَيَّةَ عَنْ أَبِي بَكْرِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ أَبِي مَرْيَمَ عَنْ ضَمْرَةَ وَالْفُضَيْلِ بْنِ فَضَالَةَ وَابْنِ أَبِي عَوْفٍ وَرَاشِدٍ وَعَطِيَّةَ قَالُوا لَا يُوَرَّثُ الْحُمَلَاءُ
বাংলা অনুবাদ
৩১৩৫. আবী বাকর ইবনু আব্দুল্লাহ ইবনু আবী মারইয়াম হতে বর্ণিত, যামরাহ, ফুযাইল ইবনু ফাযালাহ, ইবনু আবী আওফ, রাশিদ ও আতিয়্যাহ, তাঁরা সকলেই বলেন: পরিচয়হীন (নবজাতক) শিশুকে মীরাছ প্রদান করা হবে না।[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ যঈফ জিদ্দান (অত্যন্ত দুর্বল)। আবূ সাঈদ মাজহুল (অজ্ঞাত পরিচয় রাবী) এবং আবূ বাকর ইবনু আব্দুল্লাহ ইবনু আবী মারইয়াম যঈফ।
তাখরীজ : আমি এটি এখানে ব্যতীত আর কোথাও পাইনি।
মূল আরবি
حَدَّثَنَا سَعِيدُ بْنُ الْمُغِيرَةِ قَالَ قَالَ ابْنُ الْمُبَارَكِ حَدَّثَنَا ابْنُ عَوْنٍ عَنْ مُحَمَّدٍ قَالَ ذُكِرَ عِنْدَهُ قَوْلُ مَنْ يَقُولُ فِي الْحَمِيلِ فَأَنْكَرَ ذَلِكَ وَقَالَ قَدْ تَوَارَثَ الْمُهَاجِرُونَ وَالْأَنْصَارُ بِنَسَبِهِمْ الَّذِي كَانَ فِي الْجَاهِلِيَّةِ
বাংলা অনুবাদ
৩১৩৬. ইবনু আউন হতে বর্ণিত, মুহাম্মদ (রহঃ) এর নিকট এমন এক ব্যক্তির কথা উল্লেখ করা হলো যে পরিচয়হীন (নবজাতক) শিশুর (মীরাছ প্রদান) সম্পর্কে মত প্রকাশ করেন, তখন তিনি তা প্রত্যাখ্যান করে বললেন: মুহাজির ও আনসার সাহাবীগণ জাহিলীযুগের বংশ-সম্পর্কের কারণে মীরাছ লাভ করেছেন।[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।
তাখরীজ : ইবনু আবী শাইবা ১১/৩৫২ নং ১১৪২০।
মূল আরবি
حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ عَنْ ابْنِ إِدْرِيسَ عَنْ هِشَامٍ عَنْ الْحَسَنِ وَابْنِ سِيرِينَ قَالَا لَا يُوَرَّثُ الْحَمِيلُ إِلَّا بِبَيِّنَةٍ
বাংলা অনুবাদ
৩১৩৭. হিশাম (রহঃ) হতে বর্ণিত, হাসান ও ইবনু সীরীন (রহঃ) উভয়ে বলেন: প্রমাণ ব্যতীত পরিচয়হীন (নবজাতক) সন্তানের মীরাছ প্রদান করা হবে না।[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।
তাখরীজ : ইবনু আবী শাইবা ১১/৩৫১ নং ১১৪১৭; আব্দুর রাযযাক ১৯১৭৭; ইবনু মানসুর, নং ২৫৫ সহীহ সনদে।
মূল আরবি
حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرٍ حَدَّثَنَا جَرِيرٌ عَنْ لَيْثٍ عَنْ حَمَّادٍ عَنْ إِبْرَاهِيمَ قَالَ لَمْ يَكُنْ أَبُو بَكْرٍ وَعُمَرُ وَعُثْمَانُ يُوَرِّثُونَ الْحَمِيلَ
বাংলা অনুবাদ
৩১৩৮. ইবরাহীম (রহঃ) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, আবূ বাকর, উমার ও উছমান রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু কখনো পরিচয়হীন (নবজাতক) সন্তানের মীরাছ প্রদান করেননি।[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ যঈফ লাইছ ইবনু আবী সালীমের দুর্বলতার কারণে।
তাখরীজ : ইবনু আবী শাইবা ১১/৩৫১ নং ১১৪১৫।
মূল আরবি
حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرٍ حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّحِيمِ الْمُحَارِبِيُّ عَنْ زَائِدَةَ عَنْ أَشْعَثَ بْنِ أَبِي الشَّعْثَاءِ قَالَ أَقَرَّتْ امْرَأَةٌ مِنْ مُحَارِبٍ جَلِيبَةٌ بِنَسَبٍ لَهَا جَلِيبٍ فَوَرَّثَهُ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ عُتْبَةَ مِنْ أُخْتِهِ
বাংলা অনুবাদ
৩১৩৯. আশ’আছ ইবনু আবী শা’ছাআ হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, মুহারিব গোত্রের এক মহিলা এক (শিশুকে) নিয়ে এসে তার ভাইয়ের বংশের বলে উপস্থাপন করলো। তখন আব্দুল্লাহ ইবনু উতবাহ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু তাকে তার বোনের ওয়ারিস বানালেন।[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।
তাখরীজ : ইবনু আবী শাইবা ১১/৩৫৪ নং ১১৪২৭; আব্দুর রাযযাক ১৯১৭৯; আল মুহাল্লা ৯/৩০৩।
মূল আরবি
حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ صَالِحٍ حَدَّثَنِي اللَّيْثُ حَدَّثَنِي يُونُسُ عَنْ ابْنِ شِهَابٍ عَنْ رَجُلٍ قَالَ عِنْدَ فِرَاقِ الدُّنْيَا أَنَا مَوْلَى فُلَانٍ قَالَ يَرِثُ مِيرَاثَهُ لِمَنْ سَمَّى أَنَّهُ مَوْلَاهُ عِنْدَ فِرَاقِ الدُّنْيَا إِلَّا أَنْ يَأْتُوا عَلَيْهِ بِبَيِّنَةٍ بِغَيْرِ ذَلِكَ يَرُدُّونَ بِهِ قَوْلَهُ فَيُرَدُّ مِيرَاثُهُ إِلَى مَا قَامَتْ بِهِ الْبَيِّنَةُ
বাংলা অনুবাদ
৩১৪০. ইবনু শিহাব (রহঃ) হতে বর্ণিত, কোন লোক দুনিয়া ত্যাগের সময় (মৃত্যুকালে) বললো, আমি অমুকের আযাদকৃত গোলাম। তিনি (ইবনু শিহাব যুহুরী) বলেন, যে দুনিয়া ত্যাগের সময় নিজেকে অমুকের গোলাম বলে নামকরণ করলো, সে তার মীরাছ পাবে, তবে এর উপর তাকে দলীল উপস্থাপন করতে হবে। অন্যথায়, তার কথা প্রত্যাখ্যাত হবে, আর যা (তথা যার প্রাপ্য বলে) দলীল-প্রমাণ প্রতিষ্ঠিত হয়, তার মীরাছ সে (সকল লোকের) দিকেই প্রত্যাবর্তিত হবে।[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ যঈফ আব্দুল্লাহ ইবনু সালিহের দুর্বলতার কারণে, তিনি লাইছের কাতিব ছিলেন ।
তাখরীজ : এখানে ব্যতীত আমি এটি আর কোথাও পাইনি।
