সুনান আদ-দারিমী
পরিচ্ছেদ ১৫৯: হাদিস ৩,১৬১-৩,১৮০
এই অধ্যায়ের হাদিসগুলো একই পাতায় পড়ুন। নির্দিষ্ট হাদিসে যেতে তার নম্বর বা anchor ব্যবহার করুন।
এই পাতার হাদিসসমূহনির্দিষ্ট হাদিসে যেতে তালিকাটি খুলুন। শোহাইড
মূল আরবি
حَدَّثَنَا أَبُو سَعِيدِ بْنُ عَمْرٍو عَنْ أَبِي بَكْرِ بْنِ أَبِي مَرْيَمَ عَنْ ضَمْرَةَ وَرَاشِدِ بْنِ سَعْدٍ وَغَيْرِهِمَا قَالُوا فِيمَنْ أُعْتِقَ سَائِبَةً إِنَّ وَلَاءَهُ لِمَنْ أَعْتَقَهُ إِنَّمَا سَيَّبَهُ مِنْ الرِّقِّ وَلَمْ يُسَيِّبْهُ مِنْ الْوَلَاءِ
বাংলা অনুবাদ
৩১৬১. আবী বাকর ইবনু আবী মারিয়াম হতে বর্ণিত, যাকে সায়িবাহ হিসেবে মুক্তি দান করা হয়েছে, এমন মুক্ত দাস সম্পর্কে যামরাহ, রাশিদ ইবনু সা’দ ও অন্যান্যরা বলেন, যে তাকে মুক্ত করেছে, সে-ই তার অভিভাবকত্ব লাভ করবে। সে দাসত্ব হতে তাকে মুক্তি দিয়েছে কিন্তু মালিকানা (অভিভাবকত্ব) হতে তাকে মুক্তি দেয়নি।[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ যঈফ। আবূ সাঈদ ইবনু আমর বিন বনী উমাইয়া মাজহুল (অজ্ঞাত পরিচয়) ও আবী বাকর ইবনু আবী মারিয়াম যঈফ।
তাখরীজ : সাঈদ ইবনু মানসূর ২২৮।
মূল আরবি
حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ حَدَّثَنَا أَبُو دَاوُدَ عَنْ شُعْبَةَ قَالَ أَخْبَرَنِي مَنْصُورٌ عَنْ إِبْرَاهِيمَ وَالشَّعْبِيِّ قَالَا لَا بَأْسَ بِبَيْعِ وَلَاءِ السَّائِبَةِ وَهِبَتِهِ
বাংলা অনুবাদ
৩১৬২. মানসূর হতে বর্ণিত, ইবরাহীম ও শা’বী (রহঃ) বলেন, ‘সায়িবাহ’র মালিকানা (অভিভাবকত্ব) ক্রয়- বিক্রয় করা ও তা হিবাহ (দান) করাতে কোনো দোষ নেই।[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।
তাখরীজ : ইবনু আবী শাইবা ৬/১২৪ নং ৫১৯, ১১/৪২১ নং ১১৬৬৬।
মূল আরবি
حَدَّثَنَا أَبُو نُعَيْمٍ حَدَّثَنَا الْمَسْعُودِيُّ عَنْ الْقَاسِمِ قَالَ أَعْتَقَ رَجُلٌ غُلَامًا سَائِبَةً فَأَتَى عَبْدَ اللَّهِ وَقَالَ إِنِّي أَعْتَقْتُ غُلَامًا لِي سَائِبَةً وَهَذِهِ تَرِكَتُهُ قَالَ هِيَ لَكَ قَالَ لَا حَاجَةَ لِي فِيهَا قَالَ فَضَعْهَا فَإِنَّ هَا هُنَا وَارِثًا كَثِيرًا
বাংলা অনুবাদ
৩১৬৩. কাসিম (রহঃ) হতে বর্ণিত, এক ব্যক্তি একটি গোলামকে ‘সায়িবা’ হিসেবে মুক্তি দান করলো, এরপর সে আব্দুল্লাহ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু এর নিকট এসে বললো, আমি আমার একটি গোলামকে ‘সায়িবা’ হিসেবে মুক্তি দান করেছি, এ হচ্ছে তার মালিকানা (ওয়ারিসী স্বত্ব)। তিনি বললেন, তা তো তোমার। লোকটি বললো, এতে আমার কোনো প্রয়োজন নেই। তিনি বললেন, তুমি তা রেখে দাও, কেননা, এতে (মালিকানায়) অনেকেই ওয়ারিস (স্বত্বাধিকারী) আছে। [1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ যঈফ, মাসউদী হলে আব্দুর রহমান ইবনু আব্দুল্লাহ ইবনু উতবাহ তিনি যঈফ। আর কাসিম ইবনু আব্দুর রহমান ইবনু আব্দুল্লাহ ইবনু মাসউদ তার দাদা আব্দুল্লাহ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু এর সাক্ষাত লাভ করেননি।
তাখরীজ : আব্দুর রাযযাক ১৬১৬৯; বাইহাকী; ফারাইয ৬/২৪৩ এর সনদটি সহীহ; সাঈদ ইবনু মানসূর ২২৫ মুনকাতি’ বা বিচ্ছিন্ন সনদে; ইবনু আবী শাইবা ১১/৩৬৭ নং ১১৪৭৪ বিচ্ছিন্ন সনদে। আরও দেখুন, বুখারী ৬৭৫৩।
মূল আরবি
أَخْبَرَنَا يَزِيدُ بْنُ هَارُونَ أَخْبَرَنَا الْأَشْعَثُ عَنْ أَبِي الزُّبَيْرِ عَنْ جَابِرِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ قَالَ إِذَا اسْتَهَلَّ الصَّبِيُّ وُرِّثَ وَصُلِّيَ عَلَيْهِ
বাংলা অনুবাদ
৩১৬৪. আবীয যুবাইর রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত। জাবির ইবনু ‘আবদুল্লাহ্ বলেছেন : শিশু (ভূমিষ্ঠ হওয়ার পর) চিত্কার করলে (অতঃপর মারা গেলে) তার উত্তরাধিকার প্রদান করা হবে এবং তার জানাযার সালাত পড়তে হবে।[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ যঈফ আশ’আছ ইবনু সিওয়ারের দুর্বলতার কারণে। আর এটি জাবির রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে মাওকুফ।
তাখরীজ : ইবনু আবী শাইবা ৩/৩১৯, ১১/৪৮২ নং ১১৫২৯। তবে মারফু’ হিসেবে যঈফ সনদে তিরমিযী, জানাইয নং ১০৩২; মারফু’ হিসেবে ইবনু মাজাহ, জানাইয ১৫০৮ রবী ইবনু বাদর মাতরুক; ইবনু মাজাহ, ফারাইয নং ২৭৫১ মারফু’ হিসেবে হাসান সনদে।
আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি সহীহ ইবনু হিব্বান নং ৬০৩২; মাওয়ারিদুয যাম’আন নং ১২২৩; মাজমাউয যাওয়াইদ নং ৭২৩৯; আরো দেখুন, ইবনু হাযম, আল মুহাল্লা ৫/১৫৮ ও ৯/৩০৯।
মূল আরবি
حَدَّثَنَا أَبُو نُعَيْمٍ حَدَّثَنَا شَرِيكٌ عَنْ أَبِي إِسْحَقَ عَنْ عَطَاءٍ عَنْ ابْنِ عَبَّاسٍ قَالَ إِذَا اسْتَهَلَّ الصَّبِيُّ وَرِثَ وَوُرِثَ وَصُلِّيَ عَلَيْهِ
বাংলা অনুবাদ
৩১৬৫. আতা (রহঃ) হতে বর্ণিত, ইবনু আব্বাস রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু বলেন, শিশু (ভূমিষ্ঠ হওয়ার পর) চিৎকার করলে (অতঃপর মারা গেলে) সে ওয়ারিস হবে, আর তাকে ওয়ারিস বানানো হবে এবং তার জানাযার সালাত পড়তে হবে।[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ যঈফ শারীক আবী ইসহাক শাইবানীর সাক্ষাত লাভ করেননি।
তাখরীজ : ইবনু আবী শাইবা ১১/৩৮৪ নং ১১৫৩৫; ইবনু আদী , আল কামিল ৪/১৩২৯। আরো দেখুন, ইবনু হাযম, আল মুহাল্লাহ ৫/১৫৮ ও ৯/৩০৯।
মূল আরবি
حَدَّثَنَا مَالِكُ بْنُ إِسْمَعِيلَ حَدَّثَنَا إِسْرَائِيلُ عَنْ سِمَاكٍ عَنْ عِكْرِمَةَ عَنْ ابْنِ عَبَّاسٍ قَالَ لَيْسَ مِنْ مَوْلُودٍ إِلَّا يَسْتَهِلُّ وَاسْتِهْلَالُهُ يَعْصِرُ الشَّيْطَانُ بَطْنَهُ فَيَصِيحُ إِلَّا عِيسَى ابْنَ مَرْيَمَ
বাংলা অনুবাদ
৩১৬৬. ইকরিমা (রহঃ) হতে বর্ণিত, ইবনু আব্বাস রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু বলেন, প্রত্যেক সন্তানের জন্মের সময় চিত্কার করে ; তার চিত্কার করার কারণ শয়তান তার পেটে খোঁচা মারে। ফলে সে চিত্কার করে (কাঁদতে) থাকে। ‘ঈসা ইবনু মারইয়াম (আলাইহিস সালাম)-এর ব্যতিক্রম।[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ যঈফ, ইকরিমাহ হতে সামাকের বর্ণনা মুযতারিব (বিক্ষিপ্ত)।
তাখরীজ : ইবনু আবী শাইবা ১১/৩৮৪ নং ১১৫৩৯ ইবনু আব্বাস হতে মাওকুফ।
তবে এর শাহিদ হাদীস রয়েছে আবী হুরাইরা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে আহমাদ ২/২৩৩; বুখারী, বাদউল খালক ৩২৮৬; মুসলিম, ফাযাইল ২৩৬৬; ইবনু আবী শাইবা ১১/৩৮৫ নং ১১৫৪২।
আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি মুসনাদুল মাউসিলী নং ৫৯৭১; সহীহ ইবনু হিব্বান নং ৬২৩৪, ৬২৩৫ তে।
মূল আরবি
حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ حَسَّانَ حَدَّثَنَا يَحْيَى هُوَ ابْنُ حَمْزَةَ عَنْ زَيْدِ بْنِ وَاقِدٍ عَنْ مَكْحُولٍ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ لَا يَرِثُ الْمَوْلُودُ حَتَّى يَسْتَهِلَّ صَارِخًا وَإِنْ وَقَعَ حَيًّا
বাংলা অনুবাদ
৩১৬৭. মাকহুল (রহঃ) হতে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: “সদ্যজাত শিশু জীবিত অবস্থায় ভুমিষ্ঠ হলেও সশব্দে চিত্কার না দেয়া পর্যন্ত সে ওয়ারিস হবে না।“[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ, তবে মুরসাল।
তাখরীজ : এ অনুচ্ছেদের হাদীসগুলি দেখুন।
মূল আরবি
حَدَّثَنَا يَعْلَى حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ إِسْحَقَ عَنْ عَطَاءٍ عَنْ جَابِرٍ قَالَ إِذَا اسْتَهَلَّ الْمَوْلُودُ صُلِّيَ عَلَيْهِ وَوُرِثَ
বাংলা অনুবাদ
৩১৬৮. আতা (রহঃ) হতে বর্ণিত, জাবির বলেছেন, “শিশু (ভূমিষ্ঠ হওয়ার পর) চিত্কার করলে (অতঃপর মারা গেলে) তার জানাযার সালাত পড়তে হবে এবং তার উত্তরাধিকার প্রদান করা হবে।[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ যঈফ।
তাখরীজ : এটি গত হয়েছে ৩১৬১ নং এ।
মূল আরবি
حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدٍ حَدَّثَنَا مَعْنٌ عَنْ ابْنِ أَبِي ذِئْبٍ عَنْ الزُّهْرِيِّ قَالَ أَرَى الْعُطَاسَ اسْتِهْلَالًا
বাংলা অনুবাদ
৩১৬৯. ইবনু আবী যি’ব হতে বর্ণিত, যুহুরী (রহঃ) বলেন, আমার মতে, হাঁচি দেওয়াই (শিশুর) চিত্কার করা।[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ যুহুরী পর্যন্ত সহীহ
তাখরীজ : ইবনু আবী শাইবা ১১/৩৮৫ নং ১১৫৪১; আব্দুর রাযযাক ৬৫৯২, ১৮৩৪১, ১৮৩৫৯ ।
মূল আরবি
حَدَّثَنَا أَبُو النُّعْمَانِ حَدَّثَنَا أَبُو عَوَانَةَ عَنْ مُغِيرَةَ عَنْ إِبْرَاهِيمَ قَالَ لَا يُوَرَّثُ الْمَوْلُودُ حَتَّى يَسْتَهِلَّ وَلَا يُصَلَّى عَلَيْهِ حَتَّى يَسْتَهِلَّ فَإِذَا اسْتَهَلَّ صُلِّيَ عَلَيْهِ وَوُرِّثَ وَكُمِّلَتْ الدِّيَةُ
বাংলা অনুবাদ
৩১৭০. মুগীরাহ হতে বর্ণিত, ইবরাহীম (রহঃ) বলেন, শিশু চিত্কার না করলে (অতঃপর মারা গেলে) তার উত্তরাধিকার প্রদান করা হবে না এবং তার জানাযার সালাতও পড়তে হবে না। কিন্তু চিত্কার করলে (অতঃপর মারা গেলে) তার জানাযার সালাত পড়তে হবে এবং তার উত্তরাধিকার প্রদান করা হবে এবং দিয়াত পূর্ণরুপে আদায় করতে হবে।[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ যুহুরী পর্যন্ত সহীহ
তাখরীজ: আব্দুর রাযযাক ৬৫৯৫; ইবনু আবী শাইবা ১১/৩৮৩ নং ১১৫৩১।
মূল আরবি
حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ صَالِحٍ حَدَّثَنِي اللَّيْثُ حَدَّثَنِي يُونُسُ عَنْ ابْنِ شِهَابٍ وَسَأَلْنَاهُ عَنْ السِّقْطِ فَقَالَ لَا يُصَلَّى عَلَيْهِ وَلَا يُصَلَّى عَلَى مَوْلُودٍ حَتَّى يَسْتَهِلَّ صَارِخًا
বাংলা অনুবাদ
৩১৭১. ইউনূস (রহঃ) হতে বর্ণিত, আমরা ইবনু শিহাব যুহুরী (রহঃ) কে ‘অকালপ্রসূত ভ্রূণ সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলাম, তখন তিনি বলেন, তার উপর জানাযার সালাত আদায় করা হবে না, এবং নবজাত শিশু সশব্দে চিত্কার না দিয়ে (মৃত্যুবরণ করলে) তার উপর জানাযার সালাত আদায় করা হবে না।[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ যঈফ আব্দুল্লাহ ইবনু সালিহ-এর দুর্বলতার কারণে। ((অপর সনদে সহীহ।–তাখরীজ দেখুন-অনুবাদক))
তাখরীজ: আব্দুর রাযযাক ৬৫৯৮ সনদ সহীহ; ইবনু আবী শাইবা, জানাইয ৩/৩১৮ সনদ সহীহ।
মূল আরবি
حَدَّثَنَا هَارُونُ بْنُ مُعَاوِيَةَ عَنْ أَبِي سُفْيَانَ عَنْ مَعْمَرٍ عَنْ قَتَادَةَ قَالَ إِذَا ابْتَاعَ الْمُكَاتَبَانِ أَحَدُهُمَا الْآخَرَ هَذَا هَذَا مِنْ سَيِّدِهِ وَهَذَا هَذَا مِنْ سَيِّدِهِ فَالْبَيْعُ لِلْأَوَّلِ وَيَقُولُ أَهْلُ الْمَدِينَةِ الْوَلَاءُ لِسَيِّدِ الْبَائِعِ وَيَقُولُونَ إِنَّمَا ابْتَاعَ هَذَا مَا عَلَى الْمُكَاتَبِ فَالْوَلَاءُ لِلسَّيِّدِ
বাংলা অনুবাদ
৩১৭২. মা’মার হতে বর্ণিত, কাতাদা (রহঃ) বলেন, যদি দু’জন মুকাতাব (চুক্তিকৃত দাস) এর কোনো একজন অপরজনকে ক্রয় করে বলে: ইহা তার মালিকের পক্ষ হতে, (অপরজন বলে) ইহা তার মালিকের পক্ষ হতে। এক্ষেত্রে প্রথম জনের ক্রয়টি সাব্যস্ত হবে (তথা মালিকানা প্রথমজনেরই থাকবে)।
আর মদীনাবাসীগণ বলেন, মালিকানা (অভিভাবকত্ব) হবে বিক্রেতার মালিকের।তারা আরও বলেন, এ ক্রয় মুকাতাবের বলে সাব্যস্ত হবে না, ফলে মালিকানা (অভিভাবকত্ব) হবে মালিকের।[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ কাতাদাহ পর্যন্ত সহীহ
তাখরীজ: আব্দুর রাযযাক ১৫৮১০।
মূল আরবি
حَدَّثَنَا يَزِيدُ بْنُ هَارُونَ حَدَّثَنَا يَحْيَى عَنْ سَعِيدٍ أَنَّ عُمَرَ قَالَ أَيُّمَا حُرٍّ تَزَوَّجَ أَمَةً فَقَدْ أَرَقَّ نِصْفَهُ وَأَيُّمَا عَبْدٍ تَزَوَّجَ حُرَّةً فَقَدْ أَعْتَقَ نِصْفَهُ قَالَ أَبُو مُحَمَّد يَعْنِي الْوَلَدَ
বাংলা অনুবাদ
৩১৭৩. সাঈদ হতে বর্ণিত, উমার রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু বলেন, যে কোনো স্বাধীন পুরুষ কোনো দাসীকে বিয়ে করলো, সে তো তার নিজেকে অর্ধেক হালকা (দাসত্বে নিপতিত) করে দিলো; অনুরূপ কোনো দাস যখন কোনো স্বাধীন নারীকে বিয়ে করলো, তখন সে যেন তার নিজের অর্ধাংশ মুক্ত করে নিলো। আবূ মুহাম্মদ বলেন, এর অর্থ সন্তান।[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।
তাখরীজ : আব্দুর রাযযাক ১৩১০৩; সাঈদ ইবনু মানসূর ৭৩৯-৭৪০; ইবনু আবী শাইবা ৪/১৪৭।
মূল আরবি
حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ حَدَّثَنَا أَبُو شِهَابٍ عَنْ الشَّيْبَانِيِّ عَنْ الشَّعْبِيِّ فِي الْعَبْدِ يَتَزَوَّجُ الْمَرْأَةَ ثُمَّ يُطَلِّقُهَا وَلَهُ مِنْهَا وَلَدٌ قَالَ إِنْ كَانَتْ حُرَّةً فَالنَّفَقَةُ عَلَى أُمِّهِ وَإِنْ كَانَ عَبْدًا يَعْنِي الصَّبِيَّ فَعَلَى مُوَالِيهِ
বাংলা অনুবাদ
৩১৭৪. শাইবানী হতে বর্ণিত, কোনো দাস কোনো নারীকে বিয়ে করলো, অত:পর তাকে তালাক দিলো, আর তার গর্ভে এক সন্তান হলো- এ সম্পর্কে শা’বী (রহঃ) বলেন, যদি সে স্বাধীনা নারী হয়, তবে সে সন্তানের মাতার উপর থাকবে তার ব্যয়ভার; আর যদি সে - অর্থাৎ সন্তানটি- দাস হয়, তবে এর ব্যয়ভার তার মালিকদের উপর বর্তাবে।[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।
তাখরীজ : ইবনু আবী শাইবা ৫/১৫৩ এতে রয়েছে: ‘কোনো দাস তার স্ত্রীকে তালাক দিল, তখন তার স্ত্রী গর্ভবতী ছিল, এমতাবস্থায় শাবী বলেন, খোরপোশ তার (স্বামীর) দায়িত্বে থাকবে যতক্ষণ না সে সন্তান প্রসব করছে।’
মূল আরবি
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عِيسَى حَدَّثَنَا هُشَيْمٌ حَدَّثَنَا زَكَرِيَّا عَنْ عَامِرٍ ح وَحَدَّثَنَا جَرِيرٌ عَنْ مُغِيرَةَ عَنْ إِبْرَاهِيمَ أَنَّهُمَا قَالَا وَلَاؤُهُ لِمَنْ بَدَأَ بِالْعِتْقِ أَوَّلَ مَرَّةٍ
বাংলা অনুবাদ
৩১৭৫. আমীর ও ইবরাহীম রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, তারা উভয়ে বলেন, যে ব্যক্তি (কোনো দাসকে) প্রথম মুক্ত করা আরম্ভ করবে, তার অভিভাবকত্ব সেই ব্যক্তিরই হবে।[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।
তাখরীজ : আব্দুর রাযযাক ১৬৭২৭; ইবনু আবী শাইবা ৬/৫২২।
মূল আরবি
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عِيسَى حَدَّثَنَا هُشَيْمٌ أَخْبَرَنَا يُونُسُ عَنْ الْحَسَنِ ح وَحَدَّثَنَا جَرِيرٌ عَنْ أَبَانَ بْنِ تَغْلِبَ عَنْ الْحَكَمِ عَنْ إِبْرَاهِيمَ أَنَّهُمَا قَالَا إِنْ ضَمِنَ كَانَ الْوَلَاءُ لَهُ وَإِنْ اسْتَسْعَى الْعَبْدُ كَانَ الْوَلَاءُ بَيْنَهُمْ
বাংলা অনুবাদ
৩১৭৬. হাসান ও ইবরাহীম (রহঃ) হতে বর্ণিত, তারা উভয়ে বলেন, যদি কেউ (কোনো দাসকে মুক্তি দানের) নিশ্চয়তা দেয়, তবে মালিকানা তার হবে, আর যদি সেই দাস (অর্থের বিনিময়ে মুক্ত করার) জন্য চেষ্টা করে, তবে তার মালিকানায় তারা (মালিক ও দাস) উভয়ে শরীক হবে।[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর উভয় অংশের সনদ সহীহ।
তাখরীজ : হাসানের হাদীসটি বর্ণনা করেছেন ইবনু আবী শাইবা ৬/৫২১, নং ১৯০০, এর সনদ সহীহ।আর ইবরাহীম এর হাদীসটি বর্ণনা করেছেন আব্দুর রাযযাক ১৬৭২০; ইবনু আবী শাইবা ৬/৫২৩ নং ১৯০৩ সনদ সহীহ।
মূল আরবি
حَدَّثَنَا يَعْلَى وَأَبُو نُعَيْمٍ قَالَا حَدَّثَنَا زَكَرِيَّا عَنْ عَامِرٍ فِي عَبْدٍ بَيْنَ رَجُلَيْنِ أَعْتَقَ أَحَدُهُمَا نَصِيبَهُ قَالَ يُتَمَّمُ عِتْقُهُ فَإِنْ لَمْ يَكُنْ لَهُ مَالٌ اسْتُسْعِيَ الْعَبْدُ فِي النِّصْفِ بِقِيمَةِ عَدْلٍ وَالْوَلَاءُ لِمَنْ أَعْتَقَ
বাংলা অনুবাদ
৩১৭৭. যাকারিয়া হতে বর্ণিত, কোনো দাস দুজন লোকের মালিকানায় রয়েছে, যাদের একজন তার নিজের (মালিকানার) অংশ মুক্ত করে দিল, এমন দাস সম্পর্কে আমির (রহঃ) বলেন, তাকে পূর্ণরূপে মুক্ত করতে হবে। এরপর যদি তার কোনো সম্পদ না থাকে, তবে দাসটিকে অর্থের বিনিময়ে বাকী অর্ধাংশ মুক্ত করার জন্য চেষ্টা করতে চাইতে হবে। আর তার অভিভাবকত্ব বা মালিকানা থাকবে, তার যে তাকে মুক্ত করলো।[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ শাবী পর্যন্ত সহীহ।
তাখরীজ : আব্দুর রাযযাক ১৬৭২৩; ইবনু আবী শাইবা ৬/৫২১ নং ১৯০১। এটি ৩১৭২ নং এ গত হয়েছে।
মূল আরবি
حَدَّثَنَا هَارُونُ بْنُ مُعَاوِيَةَ عَنْ أَبِي سُفْيَانَ الْمَعْمَرِيِّ عَنْ مَعْمَرٍ عَنْ ابْنِ طَاوُسٍ عَنْ أَبِيهِ فِي عَبْدٍ بَيْنَ رَجُلَيْنِ أَعْتَقَ أَحَدَهُمَا نَصِيبَهُ وَأَمْسَكَهُ الْآخَرُ قَالَ مِيرَاثُهُ بَيْنَهُمَا
বাংলা অনুবাদ
৩১৭৮. ইবনু তাউস (রহঃ) হতে বর্ণিত, কোনো দাস দুজন লোকের মালিকানায় রয়েছে, যাদের একজন তার নিজের (মালিকানার) অংশ মুক্ত করে দিল এবং অপর জন তা ধরে রাখলো- এমন দাস সম্পর্কে তার পিতা (তাউস) (রহঃ) বলেন, তার মালিকানা উভয়ের থাকবে।[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।
তাখরীজ: বাইহাকী, আল ইতক ১০/২৮০ সহীহ সনদে।
মূল আরবি
حَدَّثَنَا هَارُونُ عَنْ أَبِي سُفْيَانَ عَنْ مَعْمَرٍ عَنْ الزُّهْرِيِّ قَالَ مِيرَاثُهُ لِلَّذِي أَمْسَكَهُ وَقَالَ قَتَادَةُ هُوَ لِلْمُعْتِقِ كُلُّهُ وَثَمَنُهُ عَلَيْهِ وَيَقُولُهُ أَهْلُ الْكُوفَةِ
বাংলা অনুবাদ
৩১৭৯. মা’মার হতে বর্ণিত, যুহুরী (রহঃ) বলেন, যে তার (মালিকানার) অংশ ধরে রাখবে, সে তার মীরাছ পাবে। আর কাতাদা বলেন, এর মুক্তিদানকারী এর পূর্ণ মীরাছ পাবে এবং এর (বাকী অংশের মুক্তির) অর্থমুল্য তার উপর বর্তাবে। আর এটিই কুফাবাসীদের (হানাফীদের) মত।[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।
তাখরীজ: পূর্বের হাদীসটি দেখুন। এছাড়াও, আব্দুর রাযযাক ১৫৬৭২।
মূল আরবি
حَدَّثَنَا يَعْلَى بْنُ عُبَيْدٍ حَدَّثَنَا عَبْدُ الْمَلِكِ عَنْ عَطَاءٍ فِي الرَّجُلِ يَمُوتُ وَيَتْرُكُ مُكَاتَبًا وَلَهُ بَنُونَ وَبَنَاتٌ أَيَكُونُ لِلنِّسَاءِ مِنْ الْوَلَاءِ شَيْءٌ قَالَ تَرِثُ النِّسَاءُ مِمَّا عَلَى ظَهْرِهِ مِنْ مُكَاتَبَتِهِ وَيَكُونُ الْوَلَاءُ لِلرِّجَالِ دُونَ النِّسَاءِ إِلَّا مَا كَاتَبْنَ أَوْ أَعْتَقْنَ
বাংলা অনুবাদ
৩১৮০. আব্দুল মালিক হতে বর্ণিত, আতা (রহঃ) কে জিজ্ঞাসা করা হলো, কোনো এক লোক তার একটি মুকাতাব (অর্থের বিনিময়ে মুক্তি দানের চুক্তিকৃত) দাস, কয়েকজন পূত্র ও কন্যা রেখে মৃত্যু বরণ করেন। এ লোকের কন্যাগণ এ দাসের মালিকানা (অভিভাবকত্ব)-এর অংশীদার হবে কি? তিনি বললেন, তার মুকাতাব চুক্তিতে স্পষ্টভাবে লিখিত ধারা অনুসারে নারীরা মীরাছ পাবে, তবে নারীদেরকে বাদ দিয়ে কেবল পুরুষরাই এর (দাসের) মালিকানা লাভ করবে। যতক্ষণ না তারা (নারীরা) (অর্থের বিনিময়ে দাস মুক্তিদানের) চুক্তি করে, অথবা, তারা (কোনো দাসকে) মুক্তিদান করে (তখন তারা মালিকানা লাভ করবে।)[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।
তাখরীজ: বাইহাকী, মুকাতাব ১০/৩৪১।
