সুনান আদ-দারিমী
পরিচ্ছেদ ১৬০: হাদিস ৩,১৮১-৩,২০০
এই অধ্যায়ের হাদিসগুলো একই পাতায় পড়ুন। নির্দিষ্ট হাদিসে যেতে তার নম্বর বা anchor ব্যবহার করুন।
এই পাতার হাদিসসমূহনির্দিষ্ট হাদিসে যেতে তালিকাটি খুলুন। শোহাইড
মূল আরবি
حَدَّثَنَا أَبُو نُعَيْمٍ حَدَّثَنَا شَرِيكٌ عَنْ لَيْثٍ عَنْ طَاوُسٍ قَالَ لَا تَرِثُ النِّسَاءُ مِنْ الْوَلَاءِ إِلَّا مَا أَعْتَقْنَ أَوْ أَعْتَقَ مَنْ أَعْتَقْنَ
বাংলা অনুবাদ
৩১৮১. লাইছ হতে বর্ণিত, তাউস (রহঃ) বলেন, নারীরা (কোনো দাসের) মালিকানা পাবে না, তবে যখন তারা (কোন দাসকে) মুক্তি দান করবে, অথবা তারা (নারীরা) যাকে মুক্তি দান করেছে, সেই মুক্ত দাস অপর কাউকে মুক্তি দান করবে, (তখন নারীরা এর মালিকানা লাভ করবে)।[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ যঈফ লাইছ ইবনু আবী সালীমের দুর্বলতার কারণে।
তাখরীজ: আব্দুর রাযযাক ১৬২৬৬ সহীহ সনদে তাউস বলেন, নারীরা মালিকানা উত্তরাধিকার সূত্রে পাবে।’ এছাড়াও, আব্দুর রাযযাক ১৬২৬৭।
মূল আরবি
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عِيسَى حَدَّثَنَا أَبُو سُفْيَانَ عَنْ مَعْمَرٍ عَنْ يَحْيَى بْنِ أَبِي كَثِيرٍ قَالَ تُوُفِّيَ رَجُلٌ وَتَرَكَ مُكَاتَبًا ثُمَّ مَاتَ الْمُكَاتَبُ وَتَرَكَ مَالًا فَجَعَلَ ابْنُ الْمُسَيَّبِ وَأَبُو سَلَمَةَ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ مَا بَقِيَ مِنْ مُكَاتَبَتِهِ بَيْنَ بَنِي مَوْلَاهُ الرِّجَالُ وَالنِّسَاءُ عَلَى مِيرَاثِهِمْ وَمَا فَضَلَ مِنْ الْمَالِ بَعْدَ كِتَابَتِهِ فَلِلرِّجَالِ مِنْهُمْ مِنْ بَنِي مَوْلَاهُ دُونَ النِّسَاءِ
বাংলা অনুবাদ
৩১৮২. ইয়াহইয়া ইবনু আবী কাছীর (রহঃ) হতে বর্ণিত, তিনি বরেন, এক লোক একটি মুকাতাব দাস রেখে মৃত্যু বরণ করে। এরপর মুকাতাব দাসটিও কিছু সম্পদ রেখে মৃত্যুবরণ করে। তখন ইবনুল মুসাইয়্যিব এবং আবূ সালামাহ ইবনু আব্দুর রহমান (রহঃ) মুকাতাব দাসের চুক্তির পরিমাণ সম্পদ তার মনিবের ছেলে-মেয়ে উভয়ের মাঝে তাদের প্রাপ্য মীরাছ অনুপাতে বন্টন করে দিলেন এবং লিখিত চুক্তির অতিরিক্ত সম্পদ মনিবের সন্তানদের মধ্যে নারীদের বাদ দিয়ে কেবল পুরুষ সন্তান (তথা ছেলেদের) মাঝে বন্টন করে দিলেন।[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ আবী সালামাহ পর্যন্ত সহীহ।
তাখরীজ : আব্দুর রাযযাক ১৫৭৬৯; বাইহাকী, মুকাতাব ১০/৩৪১; সাঈদ ইবনু মানসূর নং ৪৭৮।
মূল আরবি
أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عِيسَى حَدَّثَنَا عَبْدُ السَّلَامِ بْنُ حَرْبٍ عَنْ الْأَعْمَشِ عَنْ إِبْرَاهِيمَ عَنْ عُمَرَ وَعَلِيٍّ وَزَيْدٍ أَنَّهُمْ قَالُوا الْوَلَاءُ لِلْكُبْرِ وَلَا يَرِثُونَ النِّسَاءَ مِنْ الْوَلَاءِ إِلَّا مَا أَعْتَقْنَ أَوْ كَاتَبْنَ
বাংলা অনুবাদ
৩১৮৩. ইবরাহীম (রহঃ) হতে বর্ণিত, উমার, আলী এবং যাইদ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা বলেন, মালিকানা পাবে নিকটবর্তী বয়স্ক আত্মীয়। আর নারীরা (কোনো দাসের) মালিকানার ওয়ারিস হয় না, যদি না তারা (কোনো দাসকে) মুক্ত করে কিংবা (অর্থের বিনিময়ে মুক্তি দানের) চুক্তি করে।[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর রাবীগণ সকলেই বিশ্বস্ত, তবে এটি মুনকাতি বা বিচ্ছিন্ন।
তাখরীজ: ইবনু আবী শাইবা ১১/৩৮৮ নং ১১৫৫০; বাইহাকী, ওয়ালা ১০/৩০৬; আব্দুর রাযযাক ১৬২৬৩ এ সনদের হাসান ইবনু আম্মারাহ মাতরুক। এটি পুর্বে গত হয়েছে।
মূল আরবি
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عِيسَى حَدَّثَنَا إِسْمَعِيلُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ عَنْ خَالِدٍ عَنْ أَبِي قِلَابَةَ
বাংলা অনুবাদ
৩১৮৪. খালিদ (রহঃ) হতে বর্ণিত, আবী কিলাবাহ (রহঃ) হতে…[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ আবী কিলাবাহ আব্দুল্লাহ ইবনু যাইদ আল জারমী পর্যন্ত সহীহ।
তাখরীজ: ইবনু আবী শাইবা ১১/৩৮৮-৩৮৯ নং ১১৫৫৪।
মূল আরবি
وَحَدَّثَنَا ابْنُ وَهْبٍ عَنْ يُونُسَ عَنْ الزُّهْرِيِّ عَنْ سَعِيدِ بْنِ الْمُسَيَّبِ
বাংলা অনুবাদ
৩১৮৫. এবং যুহরী (রহঃ) হতে, সাঈদ ইবনু মুসাইয়্যিব (রহঃ) হতে বর্ণিত,…[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সাঈদ ইবনুল মুসাইয়্যিব পর্যন্ত সহীহ।
তাখরীজ: ইবনু আবী শাইবা ১১/৩৮৯ নং ১১৫৫৫।
মূল আরবি
وَحَدَّثَنَا ابْنُ أَبِي الزِّنَادِ عَنْ أَبِيهِ عَنْ سُلَيْمَانَ بْنِ يَسَارٍ أَنَّهُمْ قَالُوا لَا تَرِثُ النِّسَاءُ مِنْ الْوَلَاءِ إِلَّا مَا أَعْتَقْنَ أَوْ كَاتَبْنَ
বাংলা অনুবাদ
৩১৮৬. আবী যিনাদ হতে বর্ণিত, সুলাইমান ইবনু ইয়াসার (রহঃ) হতে বর্ণনা করেন, তারা সকলেই বলেছেন: নারীরা (কোনো দাসের) মালিকানার ওয়ারিস হয় না, যদি না তারা (কোনো দাসকে) মুক্ত করে কিংবা (অর্থের বিনিময়ে মুক্তি দানের) চুক্তি করে।[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ হাসান।
তাখরীজ: সাঈদ ইবনু মানসূর নং ৪৮০।
মূল আরবি
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عِيسَى حَدَّثَنَا مُعَاذٌ عَنْ أَشْعَثَ عَنْ الْحَسَنِ قَالَ لَا تَرِثُ النِّسَاءُ مِنْ الْوَلَاءِ إِلَّا مَا أَعْتَقْنَ أَوْ أَعْتَقَ مَنْ أَعْتَقْنَ إِلَّا الْمُلَاعَنَةُ فَإِنَّهَا تَرِثُ مَنْ أَعْتَقَ ابْنُهَا وَالَّذِي انْتَفَى مِنْهُ أَبُوهُ
বাংলা অনুবাদ
৩১৮৭. আশ’আস (রহঃ) হতে বর্ণিত, হাসান (রহঃ) বলেন, নারীরা (কোনো দাসের) মালিকানা পাবে না, তবে যখন তারা (কোন দাসকে) মুক্তি দান করবে, অথবা তারা (নারীরা) যাকে মুক্তি দান করেছে, সেই মুক্ত দাস অপর কাউকে মুক্তি দান করবে, (তখন নারীরা এর মালিকানা লাভ করবে)। তবে লিয়ানকারীণী স্ত্রীলোক ব্যতীত। কেননা, সে স্ত্রীলোক তার সেই ছেলে কর্তৃক মুক্ত দাসের ওয়ারিস হবে, যাকে তার পিতা অস্বীকার করেছে।[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।
তাখরীজ: ইবনু আবী শাইবা ১১/৩৮৮ নং ১১৫৫২; সাঈদ ইবনু মানসূর নং ৪৮১ সনদ সহীহ।
মূল আরবি
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عِيسَى حَدَّثَنَا ابْنُ وَهْبٍ عَنْ يُونُسَ عَنْ الزُّهْرِيِّ عَنْ سَالِمٍ عَنْ أَبِيهِ أَنَّهُ كَانَ يَرِثُ مَوَالِيَ عُمَرَ دُونَ بَنَاتِ عُمَرَ
বাংলা অনুবাদ
৩১৮৮. সালিম (রহঃ) হতে বর্ণিত, উমার রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু এর মেয়েদেরকে বাদ দিয়ে তাঁর পিতা (আব্দুল্লাহ) রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু উমার রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু এর মুক্ত দাসদের ওয়ারিস হতেন।[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।
তাখরীজ: আমি এটি এখানে ব্যতীত আর কোথাও পাইনি। দেখুন, ৩১৮৯ নং হাদীসটি।
মূল আরবি
أَخْبَرَنَا عَمْرُو بْنُ عَوْنٍ عَنْ خَالِدِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ عَنْ خَالِدٍ الْحَذَّاءِ عَنْ أَبِي قِلَابَةَ فِي امْرَأَةٍ مَاتَتْ وَتَرَكَتْ بَنِيهَا فَوَرِثُوهَا مَالًا وَمَوَالِيَ ثُمَّ مَاتَ بَنُوهَا قَالَ يَرْجِعُ الْوَلَاءُ إِلَى عَصَبَةِ الْمَرْأَةِ
বাংলা অনুবাদ
৩১৮৯. খালিদ আল হাজ্জা হতে বর্ণিত, এক স্ত্রীলোক তার এক পুত্র রেখে মৃত্যু বরণ করে, ফলে তার সে পুত্র তার সম্পদ ও কয়েকটি দাস ওয়ারিস সূত্রে লাভ করে। এরপর স্ত্রীলোকের সে পুত্রটি মৃত্যুবরণ করে- এ সম্পর্কে আবী কিলাবাহ (রহঃ) বলেন, এ মহিলার আসাবা (নিকটাত্মীয়)-গণের নিকট এ দাসদের মালিকানা প্রত্যাবর্তিত হবে।[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ আবী কিলাবাহ আব্দুল্লাহ ইবনু যাইদ আল জারমী পর্যন্ত সহীহ।
তাখরীজ: ইবনু আবী শাইবা ১১/৩৮৮-৩৮৯ নং ১১৫৫৪।
মূল আরবি
حَدَّثَنَا عُبَيْدُ اللَّهِ عَنْ إِسْرَائِيلَ عَنْ مَنْصُورٍ قَالَ سَأَلْتُ إِبْرَاهِيمَ عَنْ رَجُلٍ كَاتَبَ عَبْدًا لَهُ ثُمَّ مَاتَ وَتَرَكَ وَلَدًا رِجَالًا وَنِسَاءً قَالَ لِلذُّكُورِ دُونَ الْإِنَاثِ
বাংলা অনুবাদ
৩১৯০. মানসূর (রহঃ) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি ইবরাহীম (রহঃ) কে জিজ্ঞাসা করলাম, কোনো লোক তার এক দাসের সাথে মুকাতাবাহ (নির্ধারিত অর্থের বিনিময়ে মুক্তিদানের) চুক্তি করলো এরপর লোকটি মৃত্যুবরণ করলো, আর সে কয়েকটি কন্যা ও পুত্র রেখে গেল। এ (দাসের মালিকানা) সম্পর্কে তিনি বলেন, মেয়েরা ব্যতীত পুত্রগণই এর মালিকানা লাভ করবে।[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ ইবরাহীম পর্যন্ত সহীহ।
তাখরীজ: ইবনু আবী শাইবা ১১/৩৮৯ নং ১১৫৫৭; বাইহাকী, ওয়ালা ১০/৩৪১।
মূল আরবি
حَدَّثَنَا أَبُو النُّعْمَانِ حَدَّثَنَا وُهَيْبٌ حَدَّثَنَا يُونُسُ عَنْ الْحَسَنِ أَنَّهُ كَانَ يَقُولُ فِي امْرَأَةٍ مَاتَتْ وَتَرَكَتْ مَوْلًى قَالَ الْوَلَاءُ لِبَنِيهَا فَإِذَا مَاتُوا رَجَعَ إِلَى عَصَبَتِهَا
বাংলা অনুবাদ
৩১৯১. ইউনূস (রহঃ) হতে বর্ণিত, যে স্ত্রীলোক তার এক মুক্তদাস রেখে মৃত্যুবরণ করে- তার সম্পর্কে হাসান (রহঃ) বলতেন, তার পুত্রগণ এর মালিকানা পাবে এবং তারা মৃত্যু বরণ করলে সেই স্ত্রীলোকের আসাবা (নিকটাত্মীয়) গণের নিকট এ দাসের মালিকানা প্রত্যাবর্তিত হবে।[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।
তাখরীজ : আব্দুর রাযযাক ১৬২৫৪।
মূল আরবি
حَدَّثَنَا سَعِيدُ بْنُ عَامِرٍ أَخْبَرَنَا شُعْبَةُ عَنْ مُغِيرَةَ عَنْ إِبْرَاهِيمَ قَالَ لَيْسَ لِلنِّسَاءِ مِنْ الْوَلَاءِ شَيْءٌ إِلَّا مَا أَعْتَقَتْ هِيَ بِنَفْسِهَا
বাংলা অনুবাদ
৩১৯২. মুগীরাহ হতে বর্ণিত, ইবরাহীম (রহঃ) বলেন, নারীরা (কোনো দাসের) মালিকানা স্বত্ব পাবে না, তবে যাকে (দাসকে) তারা নিজে মুক্ত করে, তা ব্যতীত।[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ ইবরাহীম পর্যন্ত সহীহ।
তাখরীজ: ইবনু আবী শাইবা ১১/৩৮৯ নং ১১৫৫৬, ১১৬৭১; সাঈদ ইবনু মানসূর নং ৪৮১ সনদ সহীহ; আব্দুর রাযযাক ১৬২৬১।
মূল আরবি
حَدَّثَنَا سَعِيدُ بْنُ عَامِرٍ عَنْ ابْنِ عَوْنٍ عَنْ مُحَمَّدٍ قَالَ مَاتَ مَوْلًى لِعُمَرَ فَسَأَلَ ابْنُ عُمَرَ زَيْدَ بْنَ ثَابِتٍ فَقَالَ هَلْ لِبَنَاتِ عُمَرَ مِنْ مِيرَاثِهِ شَيْءٌ قَالَ مَا أَرَى لَهُنَّ شَيْئًا وَإِنْ شِئْتَ أَنْ تُعْطِيَهُنَّ أَعْطَيْتَهُنَّ
বাংলা অনুবাদ
৩১৯৩. মুহাম্মদ (রহঃ) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, উমার রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু এর একটি মুক্ত দাস মৃত্যু বরণ করলে ইবনু উমার রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু যাইদ ইবনু ছাবিত রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুকে ডেকে বললেন, উমারের (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু) কণ্যাগণের কী তার (এ দাসের মালিকানার) মীরাছে কোনো অংশ আছে? তিনি বললেন, আমি মনে করি তাদের এতে কোনো অংশ নাই, তবে আপনি যদি মনে করেন তাদেরকে কিছু দেবেন, তবে আমি তাদেরকে কিছু দিতে পারি।[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ মুহাম্মদ ইবনু সীরীন পর্যন্ত সহীহ।
তাখরীজ: আব্দুর রাযযাক ১৫৭৭৬; বাইহাকী, ওয়ালা ১০/৩০৫।
মূল আরবি
حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ سَعِيدٍ حَدَّثَنَا أَبُو أُسَامَةَ عَنْ هِشَامٍ عَنْ أَبِيهِ قَالَ يُحْرِزُ الْوَلَاءَ مَنْ يُحْرِزُ الْمِيرَاثَ
বাংলা অনুবাদ
৩১৯৪. হিশাম (রহঃ) তার পিতা হতে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন, যে ব্যক্তি মীরাছের অংশ পাবে, সে-ই মালিকানা লাভ করবে।[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।
তাখরীজ: বাইহাকী, ওয়ালা ১০/৩০৫।
মূল আরবি
حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ سَعِيدٍ حَدَّثَنَا أَبُو خَالِدٍ حَدَّثَنَا يَحْيَى عَنْ أَبِي بَكْرِ بْنِ عَمْرِو بْنِ حَزْمٍ أَنَّ امْرَأَةً مِنْ مُحَارِبٍ وَهَبَتْ وَلَاءَ عَبْدِهَا لِنَفْسِهِ فَأَعْتَقَتْهُ فَوَهَبَ وَلَاءَ نَفْسِهِ لِعَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ عَمْرِو بْنِ حَزْمٍ وَمَاتَتْ فَخَاصَمَتْ الْمَوَالِي إِلَى عُثْمَانَ فَدَعَا عُثْمَانُ الْبَيِّنَةَ عَلَى مَا قَالَ قَالَ فَأَتَى الْبَيِّنَةُ فَقَالَ لَهُ عُثْمَانُ اذْهَبْ فَوَالِ مَنْ شِئْتَ قَالَ أَبُو بَكْرٍ فَوَالَى عَبْدَ الرَّحْمَنِ بْنَ عَمْرِو بْنِ حَزْمٍ
বাংলা অনুবাদ
৩১৯৫. আবূ বাকর ইবনু আমর ইবনু হাযম হতে বর্ণিত যে, মুহারিব গোত্রের এক মহিলা তার এক দাসের মালিকানা দাসের নিজের জন্য সাব্যস্ত করলো, তথা সে তাকে মুক্তি দিল। তখন সে মুক্ত দাস নিজেকে আব্দুর রহমান ইবনু আমর ইবনু হাযমকে নিজের মালিকানা প্রদান করলো। এরপর স্ত্রীলোকটি মৃত্যুবরণ করলে তার মুক্ত দাসেরা উছমান রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু এর নিকট মোকদ্দমা দায়ের করলো। তখন তিনি তার বক্তব্যের সপক্ষে প্রমাণ চাইলেন। তখন সে প্রমাণ হাজির করলো। তখন উছমান রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু তাকে বললেন, তুমি গিয়ে যাকে ইচ্ছা তোমার ওলী (মালিক/অভিভাবক) হিসেবে গ্রহণ করো।আবূ বাকর বলেন, তখন সে আব্দুর রহমান ইবনু আমর ইবনু হাযমকে ওলী হিসেবে গ্রহণ করলো।[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।
তাখরীজ: ইবনু আবী শাইবা ৬/১২৪ নং ৫১৮; সাঈদ ইবনু মানসূর নং ২২৬।
মূল আরবি
حَدَّثَنَا أَبُو نُعَيْمٍ حَدَّثَنَا سُفْيَانُ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ دِينَارٍ عَنْ ابْنِ عُمَرَ قَالَ نَهَى رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ عَنْ بَيْعِ الْوَلَاءِ وَعَنْ هِبَتِهِ
বাংলা অনুবাদ
৩১৯৬. ইবনু উমার রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম দাসের মালিকানা (অভিভাবকত্ব) ক্রয়-বিক্রয় করা ও তা হিবা (দান) করা হতে নিষেধ করেছেন।[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।
তাখরীজ: এটি গত হয়েছে ২৬০৭ নং এ। পরের হাদীসটিও দেখুন। ((মালিক, আল ইতক ২০; বুখারী, আল ইতক ২৫৩৫; মুসলিম, আল ইতক ১৫০৬।))
মূল আরবি
حَدَّثَنَا مُسْلِمٌ حَدَّثَنَا شُعْبَةُ حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ دِينَارٍ عَنْ ابْنِ عُمَرَ أَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ نَهَى عَنْ بَيْعِ الْوَلَاءِ وَعَنْ هِبَتِهِ
বাংলা অনুবাদ
৩১৯৭. (অপর সনদে) ইবনু উমার রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম দাসের মালিকানা (অভিভাবকত্ব) ক্রয়-বিক্রয় করা ও তা হিবা (দান) করতে নিষেধ করেছেন।[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।
তাখরীজ: এটি গত হয়েছে ২৬০৭ নং এ। আগের হাদীসটিও দেখুন। (মালিক, আল ইতক ২০; বুখারী, আল ইতক ২৫৩৫; মুসলিম, আল ইতক ১৫০৬।)
মূল আরবি
حَدَّثَنَا يَعْلَى حَدَّثَنَا عَبْدُ الْمَلِكِ عَنْ عَطَاءٍ قَالَ سَمِعْتُ ابْنَ عَبَّاسٍ يَقُولُ لَا يُبَاعُ الْوَلَاءُ وَلَا يُوهَبُ وَالْوَلَاءُ لِمَنْ أَعْتَقَ
বাংলা অনুবাদ
৩১৯৮. আতা হতে বর্ণিত, আমি ইবনু আব্বাস রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেছেন, দাসের মালিকানা (অভিভাবকত্ব) ক্রয়-বিক্রয় করা যাবে না এবং তা হিবা (দান) করাও যাবে না; বরং যে ব্যক্তি তাকে মুক্তি দান করবে, মালিকানা তারই থাকবে।[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।
তাখরীজ: আব্দুর রাযযাক ১৬১৪৫; ইবনু আবী শাইবা ৬/১২২ নং ৫০৬ ও ১১/৪১৮ নং ১১৬৫৭; বাইহাকী, ওয়ালা ১০/২৯৪।
মূল আরবি
حَدَّثَنَا جَعْفَرُ بْنُ عَوْنٍ عَنْ سَعِيدٍ عَنْ أَبِي مَعْشَرٍ عَنْ إِبْرَاهِيمَ قَالَ قَالَ عَبْدُ اللَّهِ الْوَلَاءُ لُحْمَةٌ كَلُحْمَةِ النَّسَبِ لَا يُبَاعُ وَلَا يُوهَبُ
বাংলা অনুবাদ
৩১৯৯. ইবরাহীম হতে বর্ণিত, আব্দুল্লাহ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু বলেছেন, দাসের মালিকানা (অভিভাবকত্ব) ‘নসব’ বা বংশ সম্পর্কের মতই (নিকটতর) বন্ধন। তা ক্রয়-বিক্রয় করা যাবে না এবং তা হিবা (দান) করাও যাবে না।[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর রাবীগণ সকলেই বিশ্বস্ত, তবে জাফর ইবনু আউন সাঈদ বিন আবী আরুবাহ হতে (ইখতিলাতের) পূর্বে শুনেছেন কি-না তা আমরা জানতে পারিনি।
তাখরীজ: আব্দুর রাযযাক ১৬১৪২; ইবনু আবী শাইবা ৬/১২২ নং ৫০৭ ও ১১/৪১৮ নং ১১৬৫৬; সাঈদ ইবনু মানসূর নং ২৭৮; বাইহাকী, ওয়ালা ১০/২৯৪। এ সনদগুলি সবই মুনকাতি’ বা বিচ্ছিন্ন।
মূল আরবি
حَدَّثَنَا مُسْلِمُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ حَدَّثَنَا هَمَّامٌ حَدَّثَنَا قَتَادَةُ عَنْ الْحَسَنِ وَسَعِيدِ بْنِ الْمُسَيَّبِ أَنَّهُمَا كَرِهَا بَيْعَ الْوَلَاءِ
বাংলা অনুবাদ
৩২০০. হাসান ও সাঈদ ইবনুল মুসাইয়্যিব (রহঃ) হতে বর্ণিত, তারা উভয়ে দাসের মালিকানা (অভিভাবকত্ব) ক্রয়-বিক্রয় করাকে মাকরূহ (অপছন্দনীয়) জানতেন।[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।
তাখরীজ: আব্দুর রাযযাক ১৬১৪৭ (সহীহ সনদে), ১৬১৪৯; ইবনু আবী শাইবা ৬/১২২ নং ৫১০; সাঈদ ইবনু মানসূর নং ২৮৪;
