সুনান আদ-দারিমী
পরিচ্ছেদ ১৬৪: হাদিস ৩,২৬১-৩,২৮০
এই অধ্যায়ের হাদিসগুলো একই পাতায় পড়ুন। নির্দিষ্ট হাদিসে যেতে তার নম্বর বা anchor ব্যবহার করুন।
এই পাতার হাদিসসমূহনির্দিষ্ট হাদিসে যেতে তালিকাটি খুলুন। শোহাইড
মূল আরবি
حَدَّثَنَا أَبُو النُّعْمَانِ حَدَّثَنَا هُشَيْمٌ حَدَّثَنَا يُونُسُ عَنْ الْحَسَنِ ح وَأَخْبَرَنَا مُغِيرَةُ عَنْ إِبْرَاهِيمَ قَالَا إِذَا شَهِدَ شَاهِدَانِ مِنْ الْوَرَثَةِ جَازَ عَلَى جَمِيعِهِمْ وَإِذَا شَهِدَ وَاحِدٌ فَفِي نَصِيبِهِ بِحِصَّتِهِ
বাংলা অনুবাদ
৩২৬১. ইউনূসের সূত্রে হাসান (রহঃ) হতে[1] এবং মুগীরাহ’র সূত্রে ইবরাহীম (রহঃ) হতে বর্ণিত, তারা উভয়ে বলেছেন: ওয়ারীসদের মধ্য থেকে দু’জন সাক্ষী হিসেবে উপস্থিত থাকলে তাদের সকলের পক্ষে তারা দু’জনই যথেষ্ট হবে।[2]আর যখন একজন উপস্থিত থাকবে, তখন তা (কার্যকর) হবে তার (উপস্থিত ওয়ারীসের) ভাগে তার অংশ দ্বারা।[3]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।
তাখরীজ: ইবনু আবী শাইবা ১১/২২৩ নং ১১০৫০; আব্দুর রাযযাক নং ১৯১৪৪। এটি হাসান থেকে মাশহুর। তবে ইবনু আবী শাইবা ১১/২২৩ নং ১১০৫৮ তে হাসান হতে বর্ণনা করেছেন যে, যদি ওয়ারীসদের একজন উপস্থিত থাকে তবে, তা তাদের সকলের পক্ষ হতে যথেষ্ট হবে।
[2] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।
তাখরীজ: আব্দুর রাযযাক নং ১৯১৪৪; ইবনু আবী শাইবা ১১/২২৩ নং ১১০৫৬ সহীহ সনদে।
[3] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : ((এর তাহক্বীক্ব মুহাক্বিক্ব উল্লেখ করেননি। তবে পূর্বের সনদ এ সনদ একই। ফলে এটিও সহীহ।–অনুবাদক))
তাখরীজ: ইবনু আবী শাইবা ১১/২২৩ নং ১১০৪৮।
মূল আরবি
حَدَّثَنَا أَبُو النُّعْمَانِ حَدَّثَنَا هُشَيْمٌ حَدَّثَنَا مُطَرِّفٌ أَنَّهُ سَمِعَ الشَّعْبِيَّ يَقُولُ إِذَا شَهِدَ رَجُلٌ مِنْ الْوَرَثَةِ فَفِي نَصِيبِهِ بِحِصَّتِهِ ثُمَّ قَالَ بَعْدَ ذَلِكَ فِي جَمِيعِ حِصَّتِهِ
বাংলা অনুবাদ
৩২৬২. মুতাররিফ হতে বর্ণিত, তিনি শা’বী (রহঃ) কে বলতে শুনেছেন, তা হবে তার (উপস্থিত ওয়ারীসের) ভাগ থেকে তার অংশ দ্বারা। অত:পর তিনি বললেন: এরপর তার পুরো অংশে কার্যকর হবে।[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।
তাখরীজ: ইবনু আবী শাইবা ১১/২২৩ নং ১১০৪৯; সাঈদ ইবনু মানসূর নং ৩১৫।
মূল আরবি
حَدَّثَنَا أَبُو الْوَلِيدِ الطَّيَالِسِيُّ حَدَّثَنَا أَبُو شِهَابٍ عَبْدُ رَبِّهِ بْنُ نَافِعٍ عَنْ الْأَعْمَشِ عَنْ إِبْرَاهِيمَ قَالَ إِذَا أَوْصَى الرَّجُلُ بِالثُّلُثِ وَالرُّبُعِ فَفِي الْعَيْنِ وَالدَّيْنِ وَإِذَا أَوْصَى بِخَمْسِينَ أَوْ سِتِّينَ إِلَى الْمِائَةِ فَفِي الْعَيْنِ حَتَّى يَبْلُغَ الثُّلُثَ
বাংলা অনুবাদ
৩২৬৩. আ’মাশ (রহঃ) হতে বর্ণিত, ইবরাহীম (রহঃ) বলেন, যদি কোনো লোক এক তৃতীয়াংশ ও এক চতুর্থাংশ ওয়াসীয়াত করে তবে তা নগদ ও পাওনা সম্পদ হতে (পরিশোধ করা) হবে, আর যদি সে পঞ্চাশ অথবা ষাট হতে একশ (দীনার) হবে, তবে তা নগদ সম্পদ দ্বারা (পরিশোধিত) হবে, যতক্ষণ তা এক তৃতীয়াংশ পরিমাণ না হয়।[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।
তাখরীজ: ইবনু আবী শাইবা ১১/১৫৮ নং ১০৭৯৯; সাঈদ ইবনু মানসূর নং ৩৫২।
মূল আরবি
أَخْبَرَنَا مَرْوَانُ بْنُ مُحَمَّدٍ حَدَّثَنَا سُلَيْمَانُ بْنُ بِلَالٍ حَدَّثَنَا جَعْفَرُ بْنُ مُحَمَّدٍ عَنْ يَزِيدَ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ قُسَيْطٍ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ الْمَرْءُ أَحَقُّ بِثُلُثِ مَالِهِ يَضَعُهُ فِي أَيِّ مَالِهِ شَاءَ
বাংলা অনুবাদ
৩২৬৪. ইয়াযীদ ইবনু আব্দুল্লাহ ইবনু কুসাইত (রহঃ) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: “কোনো লোক তার সম্পদের এক তৃতীয়াংশের ব্যাপারে অধিকারসম্পন্ন যে, তা সে যে সম্পদ হতে ইচ্ছা দান করতে পারবে।“[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর রাবীগণ সকলেই বিশ্বস্ত, তবে এটি মুরসাল। ((এরপর মুহাক্বিক্ব ইয়াযীদ ইবনু আব্দুল্লাহ সম্পর্কে মুহাদ্দিসগণের মন্তব্য উল্লেখ করেছেন-অনুবাদক।))
তাখরীজ: আমি এটি আর কোথাও পাইনি। তবে এর শাহিদ দেখুন, মাজমাউয যা্ওয়াইদ নং ৭১৮৭, ৭১৮৮, ৭১৮৯ তে।
মূল আরবি
حَدَّثَنَا عَبْدُ الصَّمَدِ بْنُ عَبْدِ الْوَارِثِ حَدَّثَنَا شُعْبَةُ حَدَّثَنَا أَبُو إِسْحَقَ عَنْ أَبِي حَبِيبَةَ قَالَ سَأَلْتُ أَبَا الدَّرْدَاءِ عَنْ رَجُلٍ جَعَلَ دَرَاهِمَ فِي سَبِيلِ اللَّهِ فَقَالَ أَبُو الدَّرْدَاءِ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ مَثَلُ الَّذِي يَتَصَدَّقُ عِنْدَ مَوْتِهِ أَوْ يُعْتِقُ كَالَّذِي يُهْدِي بَعْدَ مَا شَبِعَ
বাংলা অনুবাদ
৩২৬৫. আবু হাবীবাহ হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, এক ব্যক্তি কিছু দিরহাম (আলাদা করে) আল্লাহর রাস্তায় দেওয়ার ওয়াসিয়াত করলো। এ ব্যাপারে আবূদ্দারদা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু-কে জিজ্ঞাসা করা হলে, তখন আবূ দারদা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: “যে ব্যক্তি মৃত্যুকালে সাদাকা করে অথবা, দাসমুক্ত করে তার উপমা ঐ ব্যক্তির মতো যে তৃপ্ত হওয়ার পর হাদিয়া দিয়ে থাকে।“[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ জাইয়্যেদ।
তাখরীজ: আমি এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি সহীহ ইবনু হিব্বান নং ৩৩৩৬ ও মাওয়ারিদুয যাম’আন নং ১২১৯ তে। ((আবূ দাউদ, ইতক ৩৯৬৮; তিরমিযী, ওয়াসাইয়া ২১৩৩, তিনি বলেন, হাদীসটি হাসান সহীহ; নাসাঈ, ওয়াসাইয়া বা ১; আহমাদ ৫/১৯৭ ও ৬/৪৪৮। হাকিম, যাহাবী ও ইবনু হিব্বান সহীহ বলেছেন; হাফিজ ইবনু হাজার হাসান বলেছেন এবং আলবানী যঈফ বলেছেন।… দারেমী, তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : ফাওয়ায আহমেদ নং ৩২২৬ এর টীকা।– অনুবাদক))
মূল আরবি
حَدَّثَنَا الْمُعَلَّى بْنُ أَسَدٍ حَدَّثَنَا وُهَيْبٌ عَنْ يُونُسَ عَنْ الْحَسَنِ فِي الرَّجُلِ يُوصِي بِأَشْيَاءَ وَفِيهَا الْعِتْقُ فَيُجَاوِزُ الثُّلُثَ قَالَ يُبْدَأُ بِالْعِتْقِ
বাংলা অনুবাদ
৩২৬৬. ইউনূস (রহঃ) হতে বর্ণিত, কোনো এক ব্যক্তি কয়েকটি বিষয়ে ওয়াসীয়াত করলো, যার মধ্যে দাসমুক্তিও ছিল। ফলে তা এক তৃতীয়াংশ অতিক্রম করে গেল। এ সম্পর্কে হাসান (রহঃ) বলেন, দাসমুক্তি দিয়েই শুরু করতে হবে।[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।
তাখরীজ: ইবনু আবী শাইবা ১১/১৯১ নং ১০৯২৭; সাঈদ ইবনু মানসূর নং ৪০৫। এটি সম্মুখেও আসছে।
মূল আরবি
حَدَّثَنَا الْمُعَلَّى بْنُ أَسَدٍ قَالَ حَدَّثَنَا وُهَيْبٌ عَنْ أَيُّوبَ عَنْ مُحَمَّدٍ قَالَ بِالْحِصَصِ
বাংলা অনুবাদ
৩২৬৭. মুহাম্মদ (রহঃ) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, (প্রাপ্য) অংশসমূহ দ্বারা (শুরু করতে হবে)।[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।
তাখরীজ: ইবনু আবী শাইবা ১১/১৯১ নং ১০৯২৮; বাইহাকী, ওয়াসাইয়া ৬/২৭৭; সাঈদ ইবনু মানসূর নং ৪০৩ সহীহ সনদে।
মূল আরবি
حَدَّثَنَا الْحَسَنُ بْنُ بِشْرٍ حَدَّثَنَا الْمُعَافَى عَنْ عُثْمَانَ بْنِ الْأَسْوَدِ عَنْ عَطَاءٍ قَالَ مَنْ أَوْصَى أَوْ أَعْتَقَ فَكَانَ فِي وَصِيَّتِهِ عَوْلٌ دَخَلَ الْعَوْلُ عَلَى أَهْلِ الْعَتَاقَةِ وَأَهْلِ الْوَصِيَّةِ قَالَ وَقَالَ عَطَاءٌ إِنَّ أَهْلَ الْمَدِينَةِ غَلَبُونَا يَبْدَءُونَ بِالْعَتَاقَةِ قَبْلُ
বাংলা অনুবাদ
৩২৬৮. আসওয়াদ হতে বর্ণিত, আতা (রহঃ) বলেন, যে ব্যক্তি ওয়াসীয়াত করলো অথবা, দাসমুক্ত করলো, আর তার ওয়াসীয়াতের মধ্যে জুলুম বা কষ্ট ছিল, সেই জুলুম বা কষ্ট মুক্তিপ্রদানকারী ব্যক্তি ও ওয়াসীয়াতকারী ব্যক্তির সাথে যাবে।তিনি বলেন, আতা বলেছেন, মদীনাবাসীরা আমাদের উপর প্রাধান্য বিস্তার করেছেন, তারা প্রথমে দাসমুক্তির কথা বলেছেন।[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।
তাখরীজ: আমি এ শব্দে এটি পাইনি। তবে আতা হতে অনুরূপ বর্ণনা করেছেন আব্দুর রাযযাক নং ১৬৭৪৮ যঈফ সনদে; ইবনু আবী শাইবা ১১/১৯২ নং ১০৯৩৪ তে আতা হতে: প্রথমে দাসমুক্ত করতে হবে। সনদ যঈফ।
মূল আরবি
حَدَّثَنَا أَبُو النُّعْمَانِ حَدَّثَنَا حَمَّادُ بْنُ زَيْدٍ قَالَ قَالَ عَمْرُو بْنُ دِينَارٍ فِي الَّذِي يُوصِي بِعِتْقٍ وَغَيْرِهِ فَيَزِيدُ عَلَى الثُّلُثِ قَالَ بِالْحِصَصِ
বাংলা অনুবাদ
৩২৬৯. হাম্মাদ ইবনু যাইদ হতে বর্ণিত, কোনো ব্যক্তি দাসমুক্তি ও অন্যান্য বিষয়ে ওয়াসীয়াত করেন, আর তা এক তৃতীয়াংশের চেয়ে অধিক হয়ে যায়, আমর ইবনু দীনার বলেন, প্রাপ্য অংশসমূহ (আগে দিতে হবে)।[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।
তাখরীজ: আব্দুর রাযযাক নং ১৬৭৪৮।
মূল আরবি
حَدَّثَنَا سُلَيْمَانُ بْنُ حَرْبٍ حَدَّثَنَا حَمَّادُ بْنُ زَيْدٍ عَنْ كَثِيرِ بْنِ شِنْظِيرٍ عَنْ الْحَسَنِ فِي رَجُلٍ أَوْصَى بِأَكْثَرَ مِنْ الثُّلُثِ وَفِيهِ عِتْقٌ قَالَ يُبْدَأُ بِالْعِتْقِ
বাংলা অনুবাদ
৩২৭০. কাছীর ইবনু শিনজীর (রহঃ) হতে বর্ণিত, কোনো এক ব্যক্তি (কয়েকটি বিষয়ে) ওয়াসীয়াত করলো, যার মধ্যে দাসমুক্তিও ছিল। আর তা এক তৃতীয়াংশ অতিক্রম করে গেল। এ সম্পর্কে হাসান (রহঃ) বলেন, দাসমুক্তি দিয়েই শুরু করতে হবে।[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।
তাখরীজ: এটি গত হয়েছে ৩২৬২ নং তে।
মূল আরবি
حَدَّثَنَا عُبَيْدُ اللَّهِ عَنْ إِسْرَائِيلَ عَنْ مَنْصُورٍ عَنْ إِبْرَاهِيمَ قَالَ يُبْدَأُ بِالْعَتَاقَةِ قَبْلَ الْوَصِيَّةِ
বাংলা অনুবাদ
৩২৭১. মানসূর হতে বর্ণিত, ইবরাহীম (রহঃ) বলেন, ওয়াসীয়াতের পূর্বে দাসমুক্ত করতে হবে।[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।
তাখরীজ: ইবনু আবী শাইবা ১১/১৯২ নং ১০৯৩১; আব্দুর রাযযাক নং ১৬৭৪১; বাইহাকী, ওয়াসাইয়া ৬/২৭৭; সাঈদ ইবনু মানসূর নং ৩৯৭ ও ৪০২।
মূল আরবি
أَخْبَرَنَا الْمُعَلَّى بْنُ أَسَدٍ قَالَ حَدَّثَنَا وُهَيْبٌ عَنْ يُونُسَ عَنْ الْحَسَنِ فِي الرَّجُلِ يُوصِي لِبَنِي فُلَانٍ قَالَ غَنِيُّهُمْ وَفَقِيرُهُمْ وَذَكَرُهُمْ وَأُنْثَاهُمْ سَوَاءٌ
বাংলা অনুবাদ
৩২৭২. ইউনুস (রহঃ) হতে বর্ণিত, কোনো এক ব্যক্তি অমুক গোত্রের জন্য ওয়াসীয়াত করলো, এ সম্পর্কে হাসান (রহঃ) বলেন, তাদের মধ্যকার সম্পদশালী-দরিদ্র, নারী-পুরুষ সকলেই (এ ওয়াসীয়াতে) সমান অংশীদার হবে।[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।
তাখরীজ: সাঈদ ইবনু মানসূর নং ৩৬৬; ইবনু আবী শাইবা ১১/১৫৯ নং ১০৮০৩ সনদ সহীহ। পূর্ণ তাখরীজ দেখুন পরবর্তী হাদীসটিতে।
মূল আরবি
حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ حَدَّثَنَا أَبُو شِهَابٍ عَنْ عَمْرٍو عَنْ الْحَسَنِ قَالَ إِذَا أَوْصَى لِبَنِي فُلَانٍ فَالذَّكَرُ وَالْأُنْثَى فِيهِ سَوَاءٌ
বাংলা অনুবাদ
৩২৭৩. আমর (রহঃ) হতে বর্ণিত, কোনো এক ব্যক্তি অমুক গোত্রের জন্য ওয়াসীয়াত করলো, এ সম্পর্কে হাসান (রহঃ) বলেন, তাদের মধ্যকার নারী-পুরুষ সকলেই এতে (এ ওয়াসীয়াতে) সমান অংশীদার হবে।[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ যঈফ আমরের দুর্বলতার কারণে। (তবে অপর সনদে এটি হাসান। তাখরীজ দেখুন।–অনুবাদক)
তাখরীজ: তবে অপর সনদে সাঈদ ইবনু মানসূর নং ৩৬৫ হাসান সনদে। আগের টীকাটিও দেখুন।
মূল আরবি
حَدَّثَنَا أَبُو نُعَيْمٍ حَدَّثَنَا زَائِدَةُ بْنُ مُوسَى الْهَمْدَانِيُّ حَدَّثَنِي سَيَّارُ بْنُ أَبِي كَرِبٍ أَنَّ آتِيًا أَتَى شُرَيْحًا فَسَأَلَهُ عَنْ رَجُلٍ أَوْصَى بِسَهْمٍ مِنْ مَالِهِ قَالَ تُحْسَبُ الْفَرِيضَةُ فَمَا بَلَغَ سِهَامَهَا أُعْطِيَ الْمُوصَى لَهُ سَهْمًا كَأَحَدِهَا
বাংলা অনুবাদ
৩২৭৪. ইয়াসার ইবনু আবী কারব হতে বর্ণিত, শুরাইহ’র নিকট একজন আগন্তুক এসে জিজ্ঞাসা করলো যে, এক ব্যক্তি তার মালের এক অংশ ওয়াসীয়াত করলো। তখন তিনি বলেন, তুমি একে তার সম্পত্তির নির্দিষ্ট অংশ ধরে নাও, এরপর তা সম্পদের দুই ভাগে না পৌঁছলে, যার জন্য ওয়াসীয়াত করা হয়েছে তাকে দু’-ভাগের একজন ধরে তাকে এক অংশ দিতে হবে।[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ জাইয়্যেদ (উত্তম)।
তাখরীজ:; ইবনু আবী শাইবা ১১/১৭০-১৭১ নং ১০৮৪৬; সাঈদ ইবনু মানসূর নং ৩৬৪।
মূল আরবি
أَخْبَرَنَا مَرْوَانُ بْنُ مُحَمَّدٍ حَدَّثَنَا سَعِيدٌ عَنْ مَكْحُولٍ قَالَ إِذَا تَصَدَّقَ الرَّجُلُ عَلَى بَعْضِ وَرَثَتِهِ وَهُوَ صَحِيحٌ بِأَكْثَرَ مِنْ النِّصْفِ رُدَّ إِلَى الثُّلُثِ وَإِذَا أَعْطَى النِّصْفَ جَازَ لَهُ ذَلِكَ قَالَ سَعِيدٌ وَكَانَ قُضَاةُ أَهْلِ دِمَشْقَ يَقْضُونَ بِذَلِكَ
বাংলা অনুবাদ
৩২৭৫. মাকহুল (রহঃ) হতে বর্ণিত, যদি কোনো লোক সুস্থ অবস্থায় তার কোনো ওয়ারিসকে তার সম্পদের অর্ধেকের বেশি দান করে, তবে তা এক তৃতীয়াংশে ফিরিয়ে দেওয়া হবে। আর যদি অর্ধেক দান করে, তবে তা তার জন্য জায়িয হবে। সাঈদ বলেন, দিমাশক বাসীদের বিচারকগণ এ অনুযায়ী ফায়সালা করতেন।[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।
তাখরীজ: আমি এটি অন্য কোথাও পাইনি।
তবে এর শাহিদ দেখুন, আব্দুর রাযযাক নং ১৬৩৯৮ এর সনদ জাইয়্যেদ।
মূল আরবি
حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ أَبِي شَيْبَةَ حَدَّثَنَا حَفْصٌ عَنْ إِسْمَعِيلَ بْنِ أَبِي خَالِدٍ عَنْ الْحَكَمِ عَنْ إِبْرَاهِيمَ قَالَ الْكَفَنُ مِنْ جَمِيعِ الْمَالِ
বাংলা অনুবাদ
৩২৭৬. হাকাম (রহঃ) হতে বর্ণিত, ইবরাহীম (রহঃ) বলেন, তার (মৃত ব্যক্তির) পুরো সম্পদ থেকে হলেও তার কাফন (আগে) দিতে হবে।[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।
তাখরীজ: ইবনু আবী শাইবা ৬/৫২৬ নং ১৯২০, ১৯২৮ সনদ যঈফ, ১৯৩১ সনদ সহীহ; আব্দুর রাযযাক নং ১৬৩৯৮ সনদ সহীহ।
মূল আরবি
حَدَّثَنَا إِبْرَاهِيمُ بْنُ مُوسَى عَنْ مُعَاذٍ عَنْ أَشْعَثَ عَنْ الْحَسَنِ فِي رَجُلٍ مَاتَ وَتَرَكَ قِيمَةَ أَلْفَيْ دِرْهَمٍ وَعَلَيْهِ مِثْلُهَا أَوْ أَكْثَرُ قَالَ يُكَفَّنُ مِنْهَا وَلَا يُعْطَى دَيْنُهُ
বাংলা অনুবাদ
৩২৭৭. আশ’আস হতে বর্ণিত, এক লোক দু’হাজার দিরহাম মুল্যের সম্পদ ও সমপরিমাণ কিংবা তারচেয়ে অধিক ঋণ রেখে মৃত্যুবরণ করলো। হাসান (রহঃ) বলেন, তার এ সম্পদ দিয়ে কাফন দেওয়া হবে, (এ থেকে) কোনো ঋণ পরিশোদ করা হবে না।[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ হাসান পর্যন্ত সহীহ।
তাখরীজ: আমি এর প্রমাণে কোন নস তথা কুরআন হাদীসের বক্তব্য অন্য কোথাও পাইনি।
তবে দেখুন, ইবনু আবী শাইবা ৬/৫২৭ নং ১৯২২, ১৯২৫।
মূল আরবি
حَدَّثَنَا قَبِيصَةُ حَدَّثَنَا سُفْيَانُ عَمَّنْ سَمِعَ إِبْرَاهِيمَ قَالَ يُبْدَأُ بِالْكَفَنِ ثُمَّ الدَّيْنِ ثُمَّ الْوَصِيَّةِ
বাংলা অনুবাদ
৩২৭৮. সুফিয়ান কোনো এক ব্যক্তি হতে বর্ণনা করেন, যিনি ইবরাহীম (রহঃ)কে বলতে শুনেছেন, প্রথমে কাফন-দাফন দিতে হবে, এরপর ঋণ পরিশোধ করতে হবে, এরপর ওয়াসীয়াত পূরণ করতে হবে।[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ যঈফ, কেননা, এতে অজ্ঞাত পরিচয় রাবী (জাহালাত) রয়েছে। (তবে শাহিদের কারণে এটি সহীহ- তাখরীজে দেখুন।- অনুবাদক)।
তাখরীজ: আব্দুর রাযযাক নং ৬২২৪ সহীহ সনদে। এছাড়া, বুখারী, জানাইয তা’লীক হিসেবে। দেখুন, ফাতহুল বারী ৩/১৪০-১৪১।
মূল আরবি
حَدَّثَنَا قَبِيصَةُ أَخْبَرَنَا سُفْيَانُ عَنْ فِرَاسٍ عَنْ الشَّعْبِيِّ فِي الْمَرْأَةِ تَمُوتُ قَالَ تُكَفَّنُ مِنْ مَالِهَا لَيْسَ عَلَى الزَّوْجِ شَيْءٌ
বাংলা অনুবাদ
৩২৭৯. ফিরাস হতে বর্ণিত, শা’বী (রহঃ) বলেন, কোনো মহিলা মৃত্যুবরণ করলে তার সমস্ত সম্পদ হতে কাফন-দাফন দেওয়া হবে; তার স্বামীর উপর এ ব্যাপারে কোনো দায়-দায়িত্ব নেই।[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।
তাখরীজ: ইবনু আবী শাইবা ৬/৫২৭ নং ১৯৩০।
মূল আরবি
حَدَّثَنَا سَعِيدُ بْنُ الْمُغِيرَةِ عَنْ ابْنِ الْمُبَارَكِ عَنْ ابْنِ جُرَيْجٍ عَنْ عَطَاءٍ قَالَ الْحَنُوطُ وَالْكَفَنُ مِنْ رَأْسِ الْمَالِ
বাংলা অনুবাদ
৩২৮০. ইবনু জুরাইজ হতে বর্ণিত, আতা (রহঃ) বলেন, মৃতদেহে সুগন্ধি ও তার দাফন-কাফন প্রধান প্রধান সম্পদ থেকে দেওয়া হবে।[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ যঈফ, ইবনু জুরাইজ এটি আন আন’ শব্দে বর্ণনা করেছেন। (তবে শাহিদের কারণে এটি সহীহ- তাখরীজে দেখুন।- অনুবাদক)।
তাখরীজ: আব্দুর রাযযাক নং ৬২২২ সহীহ সনদে। এছাড়া, বুখারী, জানাইয তা’লীক হিসেবে। দেখুন, নববী, আলমাজমূ’ ৫/১৮৯।
