সুনান আদ-দারিমী
পরিচ্ছেদ ২৮: হাদিস ৫৪১-৫৬০
এই অধ্যায়ের হাদিসগুলো একই পাতায় পড়ুন। নির্দিষ্ট হাদিসে যেতে তার নম্বর বা anchor ব্যবহার করুন।
এই পাতার হাদিসসমূহনির্দিষ্ট হাদিসে যেতে তালিকাটি খুলুন। শোহাইড
মূল আরবি
أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عِيسَى حَدَّثَنَا جَرِيرٌ عَنْ مَنْصُورٍ عَنْ إِبْرَاهِيمَ قَالَ كَانُوا يَكْرَهُونَ أَنْ تُوطَأَ أَعْقَابُهُمْ
تحقيق الشيخ حسين سليم أسد الداراني :إسناده صحيح
বাংলা অনুবাদ
৫৪১. ইবরাহীম হতে বর্ণিত, তিনি বলেন: তাদের গোড়ালী পদদলিত করা হোক (লোকেরা দলে দলে তাদের অনুসরণ করুক) - এটাকে তারা অপছন্দ করতেন।[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।
তাখরীজ: আবু খায়ছামা, আল ইলম নং ১৫৮; ইবনু আবী শাইবা, ৮/৬৪২ নং ৫৮৬৪।
মূল আরবি
أَخْبَرَنَا سَعِيدُ بْنُ عَامِرٍ عَنْ بِسْطَامِ بْنِ مُسْلِمٍ قَالَ كَانَ مُحَمَّدُ بْنُ سِيرِينَ إِذَا مَشَى مَعَهُ الرَّجُلُ قَامَ فَقَالَ أَلَكَ حَاجَةٌ فَإِنْ كَانَتْ لَهُ حَاجَةٌ قَضَاهَا وَإِنْ عَادَ يَمْشِي مَعَهُ قَامَ فَقَالَ أَلَكَ حَاجَةٌ
تحقيق الشيخ حسين سليم أسد الداراني :إسناده صحيح
বাংলা অনুবাদ
৫৪২. বিসতাম ইবনু মুসলিম থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: মুহাম্মদ ইবনু সীরীন রাহিমাহুল্লাহ’র সাথে যখন কোনো লোক হেঁটে যেতো, তিনি তখন থেমে পড়তেন এবং তাকে বলতেন: আমার নিকট তোমার কোনো প্রয়োজন আছে কি? যদি সে ব্যক্তির কোনো প্রয়োজন থাকত, তবে তিনি তা মিটিয়ে দিতেন। এরপরও যদি সে পুনরায় তাঁর সাথে হাঁটতে থাকতো, তিনি আবার থেমে গিয়ে তাকে জিজ্ঞেস করতেন: আমার নিকট তোমার কোনো প্রয়োজন আছে কি?[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।
তাখরীজ: আমি এটি আর কোথাও পাইনি।
মূল আরবি
أَخْبَرَنَا أَبُو نُعَيْمٍ حَدَّثَنَا حَسَنُ بْنُ صَالِحٍ عَنْ أَبِي حَمْزَةَ عَنْ إِبْرَاهِيمَ قَالَ إِيَّاكُمْ أَنْ تُوطَأَ أَعْقَابُكُمْ
تحقيق الشيخ حسين سليم أسد الداراني :إسناده ضعيف لضعف أبي حمزة ميمون الأعور
বাংলা অনুবাদ
৫৪৩. হামযা হতে বর্ণিত, ইবরাহীম বলতেন: ‘সাবধান! তোমাদের গোড়ালীগুলিকে যেনো পদদলিত করা না হয়। (অর্থাৎ লোকেরা তোমার অনুসরণ করবে- এমন অবস্থা থেকে দূরে থাকো)।[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ যঈফ। কেননা, আবী হামযাহ যঈফ।
তাখরীজ: আমি এটি আর কোথাও পাইনি।
মূল আরবি
أَخْبَرَنَا مَخْلَدُ بْنُ مَالِكٍ حَدَّثَنَا حَجَّاجُ بْنُ مُحَمَّدٍ حَدَّثَنَا شُعْبَةُ عَنْ الْهَيْثَمِ عَنْ عَاصِمِ بْنِ ضَمْرَةَ أَنَّهُ رَأَى أُنَاسًا يَتْبَعُونَ سَعِيدَ بْنَ جُبَيْرٍ قَالَ فَأُرَاهُ قَالَ نَهَاهُمْ وَقَالَ إِنَّ صَنِيعَكُمْ هَذَا أَوْ مَشْيَكُمْ هَذَا مَذَلَّةٌ لِلتَّابِعِ وَفِتْنَةٌ لِلْمَتْبُوعِ
تحقيق الشيخ حسين سليم أسد الداراني :إسناده حسن من أجل عاصم بن ضمرة والهيثم بن حبيب الصيرفي
বাংলা অনুবাদ
৫৪৪. আসিম ইবনু যামরাহ হতে বর্ণিত, তিনি লোকদেরকে সাঈদ ইবনু জুবাইরের পেছনে পেছনে চলতে দেখলেন। তিনি বলেন: এরপর আমি তাকে (তার অনুসরণ করা থেকে) তাদেরকে নিষেধ করতে দেখলাম। আর তিনি বললেন: তোমাদের এ কর্ম কিংবা তোমাদের এ (অনুসরনে) পথচলা অনুসরণকারীর জন্য অবমাননাকর বিষয় এবং যাকে অনুসরণ করা হচ্ছে তার জন্য এটি একটি ফিতনা স্বরূপ।[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ হাসান।
তাখরীজ: খতীব, আল জামি’ নং ৯৩২; আবু খায়ছামা, আল ইলম নং ১২৩;ইবনু আবী শাইবা ৯/১৯ নং ৬৩৬৪; বাইহাকী, আয যুহদ নং ৩০৪।
মূল আরবি
أَخْبَرَنَا سَعِيدُ بْنُ عَامِرٍ حَدَّثَنَا حُمَيْدُ بْنُ أَسْوَدَ عَنْ ابْنِ عَوْنٍ قَالَ شَاوَرْتُ مُحَمَّدًا فِي بِنَاءٍ أَرَدْتُ أَنْ أَبْنِيَهُ فِي الْكَلَّاءِ قَالَ فَأَشَارَ عَلَيَّ وَقَالَ إِذَا أَرَدْتَ أَسَاسَ الْبِنَاءِ فَآذِنِّي حَتَّى أَجِيءَ مَعَكَ قَالَ فَأَتَيْتُهُ قَالَ فَبَيْنَمَا نَحْنُ نَمْشِي إِذْ جَاءَ رَجُلٌ فَمَشَى مَعَهُ فَقَامَ فَقَالَ أَلَكَ حَاجَةٌ قَالَ لَا قَالَ أَمَّا لَا فَاذْهَبْ ثُمَّ أَقْبَلَ عَلَيَّ فَقَالَ أَنْتَ أَيْضًا فَاذْهَبْ قَالَ فَذَهَبْتُ حَتَّى خَالَفْتُ الطَّرِيقَ
تحقيق الشيخ حسين سليم أسد الداراني :إسناده صحيح
বাংলা অনুবাদ
৫৪৫. ইবনু আউন বলেন: আমি একটি ঘর নির্মাণের ব্যাপারে মুহাম্মাদের নিকট পরামর্শ চাইলাম, আমার ইচ্ছা সেটা আমি পশুদের রক্ষনাবেক্ষণের জন্য নির্মাণ করব। তিনি (বর্ণনাকারী) বলেন: তখন তিনি আমাকে পরামর্শ দিয়ে বললেন: তুমি যখন নির্মাণকাজের ভিত্তিস্থাপন করবে, তখন আমাকে ডাকবে তাহলে আমি তোমার সাথে আসব। তিনি বলেন: তারপর আমি তার নিকট এলাম। তিনি বলেন: যখন আমরা চলতে লাগলাম তখন একটি লোক এসে তার সাথে সাথে হেঁটে চললো। তখন তিনি দাঁড়িয়ে গিয়ে লোকটিকে বললেন: আমার নিকট তোমার কি কোনো প্রয়োজন রয়েছে? লোকটি বলল: না। তিনি বললেন: যখন কোনো প্রয়োজন নেই, তাই তুমি চলে যাও। তারপর তিনি আমার নিকট এসে বললেন: তুমিও চলে যাও। তিনি বলেন: ফলে আমি অন্য রাস্তা দিয়ে চলে গেলাম।[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।
তাখরীজ: পূর্বের হাদীস নং ৫৪২ নং দেখুন।
মূল আরবি
أَخْبَرَنَا أَحْمَدُ بْنُ الْحَجَّاجِ حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ مَهْدِيٍّ عَنْ سُفْيَانَ عَنْ نُسَيْرٍ أَنَّ الرَّبِيعَ كَانَ إِذَا أَتَوْهُ يَقُولُ أَعُوذُ بِاللَّهِ مِنْ شَرِّكُمْ يَعْنِي أَصْحَابَهُ
تحقيق الشيخ حسين سليم أسد الداراني :إسناده صحيح
বাংলা অনুবাদ
৫৪৬. নুসাইর হতে বর্ণিত, রবী’আ যখনই তার নিকট আসতেন, তিনি বলতেন: আমি আল্লাহর নিকট তোমাদের অকল্যাণ হতে আশ্রয় প্রার্থনা করছি। অর্থাৎ তার সাথীদের ।[1]
[1] এর সনদ সহীহ।
তাখরীজ: আবু খায়ছামা, আল ইলম নং ১২৯; নুয়াইম ইবনু হাম্মাদ, যাওয়াইদু আলাল যুহদ লি ইবনুল মুবারক নং ৫৫।
মূল আরবি
أَخْبَرَنَا مَخْلَدُ بْنُ مَالِكٍ حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ سَعِيدٍ عَنْ الْأَعْمَشِ عَنْ رَجَاءٍ الْأَنْصَارِيِّ عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ بِشْرٍ قَالَ كُنَّا عِنْدَ خَبَّابِ بْنِ الْأَرَتِّ فَاجْتَمَعَ إِلَيْهِ أَصْحَابُهُ وَهُوَ سَاكِتٌ فَقِيلَ لَهُ أَلَا تُحَدِّثُ أَصْحَابَكَ قَالَ أَخَافُ أَنْ أَقُولَ لَهُمْ مَا لَا أَفْعَلُ
تحقيق الشيخ حسين سليم أسد الداراني :في إسناده رجاء الأنصاري وهذا إسناد ضعيف
বাংলা অনুবাদ
৫৪৭. আব্দুর রহমান ইবনু বিশর বলেন: আমরা খাব্বাব ইবনু আরাত রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু’র নিকট ছিলাম। তখন তার নিকট তার সাথীরা একত্রিত হলে তিনি চুপ করে রইলেন। তখন তাকে বলা হলো: আপনি কি আপনার সাথীদের নিকট হাদীস বর্ণনা করবেন না? তিনি উত্তরে বলেন: আমার আশঙ্কা যে, আমি হয়তো তাদের এমন কিছু বলব, যা আমি আমল করি না।“[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ হাসান পর্যায়ের।
তাখরীজ: আবু খায়ছামা, আল ইলম নং ১৬ যঈফ সনদে।
মূল আরবি
أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ يُوسُفَ عَنْ سُفْيَانَ عَنْ صَالِحٍ قَالَ سَمِعْتُ الشَّعْبِيَّ قَالَ وَدِدْتُ أَنِّي نَجَوْتُ مِنْ عَمَلِي كَفَافًا لَا لِي وَلَا عَلَيَّ
تحقيق الشيخ حسين سليم أسد الداراني :إسناده صحيح
বাংলা অনুবাদ
৫৪৮. সালিহ বলেন: আমি শা’বীকে বলতে শুনেছি: আমি পছন্দ করি যে, আমি আমার ইলমী জিম্মাদারী হতে মুক্ত থাকি সমানে সমানে- যেন আমার পক্ষে (সুপারিশকারী হিসেবে)ও নয়, আবার আমার বিপক্ষে (বিবাদী হিসেবে)ও নয়।[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।
তাখরীজ: ফাসাওয়ী, আল মা’রিফাহ ২/৫৯২; ইবনু আব্দুল বারর, জামি’র টীকায়।
মূল আরবি
أَخْبَرَنَا يَزِيدُ بْنُ هَارُونَ حَدَّثَنَا ابْنُ عَوْنٍ عَنْ الْحَسَنِ أَنَّ ابْنَ مَسْعُودٍ كَانَ يَمْشِي وَنَاسٌ يَطَئُونَ عَقِبَهُ فَقَالَ لَا تَطَئُوا عَقِبِي فَوَاللَّهِ لَوْ تَعْلَمُونَ مَا أُغْلِقُ عَلَيْهِ بَابِي مَا تَبِعَنِي رَجُلٌ مِنْكُمْ
تحقيق الشيخ حسين سليم أسد الداراني :رجاله ثقات غير أنه منقطع الحسن لم يدرك ابن مسعود. وابن عون هو: عبد الله
বাংলা অনুবাদ
৫৪৯. হাসান হতে বর্ণিত, ইবনু মাসউদ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু যখন হেঁটে যেতেন তখন লোকেরা তার গোড়ালী মাড়াতো (পিছে পিছে চলতো)। তখন তিনি তাদের বলেন: তোমরা আমার গোড়ালী মাড়িও না (আমার পিছে পিছে চলো না)। আল্লাহ’র কসম! তোমরা যদি জানতে আমার প্রবেশ পথের মধ্যে কতকিছু আটকে রেখেছি (অর্থাৎ অভ্যন্তরীণ পাপ), তবে তোমাদের একজন লোকও আমার অনুসরণ করতে না।“[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর রাবীগণ নির্ভরযোগ্য। কিন্তু এটি মুনকাতি’। হাসান ইবনু মাসউদের সাক্ষাৎ পাননি।
তাখরীজ: ইবনু আবী শাইবা ৯/২০ নং ৬৩৬৫; হাকিম ৩/৩১৬ সকলেই মুনকাতি’ সনদে।
মূল আরবি
أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ حُمَيْدٍ حَدَّثَنَا جَرِيرٌ عَنْ مُغِيرَةَ عَنْ سَعِيدِ بْنِ جُبَيْرٍ قَالَ فِتْنَةٌ لِلْمَتْبُوعِ مَذَلَّةٌ لِلتَّابِعِ
تحقيق الشيخ حسين سليم أسد الداراني :إسناده ضعيف لضعف محمد بن حميد
বাংলা অনুবাদ
৫৫০. সাঈদ ইবনু জুবাইর বলেন: “যাকে অনুসরণ করা হচ্ছে তার জন্য এটি একটি ফিতনা স্বরূপ এবং অনুসরণকারীর জন্য অবমাননাকর বিষয়“।[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ যঈফ। কেননা, মুহাম্মদ ইবনু হামীদ যঈফ।
তাখরীজ: এর তাখরীজ ৫৪৪ নং এ গত হয়েছে।
মূল আরবি
أَخْبَرَنَا شِهَابُ بْنُ عَبَّادٍ حَدَّثَنَا سُفْيَانُ عَنْ أُمَيٍّ قَالَ مَشَوْا خَلْفَ عَلِيٍّ فَقَالَ عَنِّي خَفْقَ نِعَالِكُمْ فَإِنَّهَا مُفْسِدَةٌ لِقُلُوبِ نَوْكَى الرِّجَالِ
تحقيق الشيخ حسين سليم أسد الداراني :إسناده صحيح
বাংলা অনুবাদ
৫৫১. উমাই বলেন: তারা আলী রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু’র পিছনে পিছনে হেঁটে যাচ্ছিল। তখন তিনি বললেন: তোমরা (আমার পিছনে) জুতা খটখট করা হতে বিরত হও, কেননা, এটি অজ্ঞ লোকদের অন্তরের জন্য একটি ধ্বংসের কারণ।[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।
তাখরীজ: ইবনু আব্দুল বারর, জামি’ নং ৮৯৯ এর পার্শ্বটীকায় উল্লেখ করেছেন।
মূল আরবি
أَخْبَرَنَا أَبُو النُّعْمَانِ حَدَّثَنَا حَمَّادُ بْنُ زَيْدٍ عَنْ يَزِيدَ بْنِ حَازِمٍ قَالَ سَمِعْتُ الْحَسَنَ يَقُولُ إِنَّ خَفْقَ النِّعَالِ حَوْلَ الرِّجَالِ قَلَّ مَا يُلَبِّثُ الْحَمْقَى
تحقيق الشيخ حسين سليم أسد الداراني :إسناده صحيح
বাংলা অনুবাদ
৫৫২. হাসান রাহিমাহুল্লাহ বলতেন: লোকদের পিছনে জুতা খটখটানী কদাচিতই নির্বোধকে (জ্ঞান বৃদ্ধি করা থেকে) [1] মন্থর করে দেয়।[2]
[1] يُلَبِّثُ الْحَمْقَى অর্থ: তা নির্বোধকে তার জ্ঞান বৃদ্ধি করা হতে মন্থর করে। [মুহাক্বিক্ব]
[2] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।
তাখরীজ: খতীব, আল জামি’ নং ৯৩৪; ইবনু সা’দ, আত তাবাকাত ৭/১/১২২ সহীহ সনদে; দেখুন যিয়াদাতু নুয়াইম ইবনু হাম্মাদ আলা যুহদ ইবনুল মুবারক নং ৫০।
মূল আরবি
أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ حَاتِمٍ الْمُكْتِبُ حَدَّثَنَا قَاسِمُ هُوَ ابْنُ مَالِكٍ حَدَّثَنَا لَيْثٌ عَنْ طَاوُسٍ قَالَ كَانَ إِذَا جَلَسَ إِلَيْهِ الرَّجُلُ أَوْ الرَّجُلَانِ قَامَ فَتَنَحَّى
تحقيق الشيخ حسين سليم أسد الداراني :إسناده ضعيف لضعف ليث وهو: ابن أبي سليم
বাংলা অনুবাদ
৫৫৩. তাউস রাহিমাহুল্লাহ হতে বর্ণিত, তিনি বলেন: যখন তার নিকট এক-দু’জন লোক বসত, তখন তিনি উঠে দাঁড়াতেন এবং (তাদের নিকট থেকে) দূরে সরে যেতেন।“[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ যঈফ, কারণ লাইছ যঈফ।
তাখরীজ: (কোনো তাখরীজ মুহাক্কিক্ব দেননি। তবে একই বিষয় হারিস ইবনু কায়েস হতে হাদীস ৫৩৮ নং এ; এবং আবুল আলীয়া হতে ইবনু আবী শাইবা ৯/২০ নং ৬৩৬৭; আব্দুল্লাহ ইবনু আহমাদ, যাওয়াইদ আলা যুহদ লি আহমদ নং ১২০৮; আবু খায়ছামা, আল ইলম নং ৪০ এ বর্ণিত হয়েছে।- ফাতহুল মান্নান, ৫৪৮ নং হাদীসের টীকা।);
মূল আরবি
أَخْبَرَنَا أَسْوَدُ بْنُ عَامِرٍ حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرٍ عَنْ الْأَعْمَشِ عَنْ سَعِيدِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ جُرَيْجٍ عَنْ أَبِي بَرْزَةَ الْأَسْلَمِيِّ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ لَا تَزُولُ قَدَمَا عَبْدٍ يَوْمَ الْقِيَامَةِ حَتَّى يُسْأَلَ عَنْ عُمُرِهِ فِيمَا أَفْنَاهُ وَعَنْ عِلْمِهِ مَا فَعَلَ بِهِ وَعَنْ مَالِهِ مِنْ أَيْنَ اكْتَسَبَهُ وَفِيمَا أَنْفَقَهُ وَعَنْ جِسْمِهِ فِيمَا أَبْلَاهُ
تحقيق الشيخ حسين سليم أسد الداراني :إسناده حسن من أجل أبي بكر بن عياش والحديث صحيح
বাংলা অনুবাদ
৫৫৪. আবু বারযা’ আল-আসলামী রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, তিনি বলেন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন: “কিয়ামত দিবসে কোনো বান্দার পা ততক্ষণ পর্যন্ত নড়বে না, যতক্ষণ না তাকে জিজ্ঞেস করা হবে: কোন্ কাজে তার জীবন অতিবাহিত করেছে এবং ইলম অনুযায়ী কতটুকু আমল করেছে এবং তার ধন-সম্পদ কোথা হতে উপার্জন করেছে এবং তা কোথায় ব্যয় করেছে; এবং তার দেহ কোন্ কাজের মধ্য দিয়ে জীর্ণ করেছে।[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ হাসান আবী বাকর ইবনু আয়াশ এর কারণে। তবে হাদীসটি সহীহ।
তাখরীজ: আমরা মুসনাদুল মাউসিলী নং ৭৪৩৪ এ এর শাহিদ সহ বিস্তারিত তাখরীজ করেছি। এটি আরও বর্ণিত হয়েছে, তাবারাণী, আওসাত ৩/১০৫ নং ২২১২ অভিযুক্ত সনদে। (তিরমিযী, ২৪১৯ তিনি বলেন: হাদীস হাসান সহীহ; আবু ইয়ালা ৭৪৩৪; বাইহাকী, আল মাদখাল নং ৪৯৪; মিযযী, তাহযীবুল কামাল ১০/৫১৮; খতীব, ইকতিদাউল ইলম পৃ: ১৭-১৮ নং ১; আজুরী, আখলাকুল উলামা ১৩৫পৃ:; আবু নুয়াইম, হিলইয়া ১০/২৩২।- মুহাক্কিক্বের তাহক্বীক্ব, মুসনাদুল মাউসিলী নং ৭৪৩৪ ও ফাতহুল মান্নান নং ৫৬৪ এর টীকা।); পরবর্তী হাদীসটিও দেখুন।
মূল আরবি
أَخْبَرَنَا سَعِيدُ بْنُ مَنْصُورٍ حَدَّثَنَا عَبْدُ الْعَزِيزِ بْنُ مُحَمَّدٍ عَنْ عُمَارَةَ بْنِ غَزِيَّةَ عَنْ يَحْيَى بْنِ رَاشِدٍ حَدَّثَنِي فُلَانٌ الْعُرَنِيُّ عَنْ مُعَاذِ بْنِ جَبَلٍ قَالَ لَا يَدَعُ اللَّهُ الْعِبَادَ يَوْمَ الْقِيَامَةِ يَوْمَ يَقُومُ النَّاسُ لِرَبِّ الْعَالَمِينَ حَتَّى يَسْأَلَهُمْ عَنْ أَرْبَعٍ عَمَّا أَفْنَوْا فِيهِ أَعْمَارَهُمْ وَعَمَّا أَبْلَوْا فِيهِ أَجْسَادَهُمْ وَعَمَّا كَسَبُوا فِيمَا أَنْفَقُوا وَعَمَّا عَمِلُوا فِيمَا عَلِمُوا
تحقيق الشيخ حسين سليم أسد الداراني :إسناده ضعيف فيه جهالة
বাংলা অনুবাদ
৫৫৫. মু’য়ায ইবনু জাবাল রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, তিনি বলেন: কিয়ামত দিবসে যেদিন মানুষ বিশ্ব জগতের প্রতিপালকের সম্মুখে দণ্ডায়মান হবে, সেদিন আল্লাহ বান্দাদেরকে ততক্ষণ পর্যন্ত ছাড়বেন না, যতক্ষণ না তাদেরকে চারটি ব্যাপারে জিজ্ঞেস করবেন: কোন্ কাজে তারা তাদের জীবন অতিবাহিত করেছে, তাদের দেহগুলিকে কোন্ কাজের মধ্য দিয়ে তারা জীর্ণ করেছে, তারা কী উপার্জন করেছে আর কোন্ কাজে তা ব্যয় করেছে. আর তাদের ইলম অনুযায়ী কতটুকু আমল করেছে ।[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ যঈফ, এতে অজ্ঞাত পরিচয় রাবী রয়েছে। পরের টীকাটি দেখুন।
তাখরীজ: (মুহাক্বিক্ব এর কোনো তাখরীজ করেননি- অনুবাদক)
মূল আরবি
أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ يُوسُفَ عَنْ سُفْيَانَ عَنْ لَيْثٍ عَنْ عَدِيِّ بْنِ عَدِيٍّ عَنْ أَبِي عَبْدِ اللَّهِ الصُّنَابِحِيِّ عَنْ مُعَاذِ بْنِ جَبَلٍ قَالَ لَا تَزُولُ قَدَمَا عَبْدٍ يَوْمَ الْقِيَامَةِ حَتَّى يُسْأَلَ عَنْ أَرْبَعٍ عَنْ عُمُرِهِ فِيمَا أَفْنَاهُ وَعَنْ جَسَدِهِ فِيمَا أَبْلَاهُ وَعَنْ مَالِهِ مِنْ أَيْنَ اكْتَسَبَهُ وَفِيمَا وَضَعَهُ وَعَنْ عِلْمِهِ مَاذَا عَمِلَ فِيهِ
تحقيق الشيخ حسين سليم أسد الداراني :إسناده ضعيف وهوموقوف
বাংলা অনুবাদ
৫৫৬. মু’য়ায ইবনু জাবাল রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, কিয়ামত দিবসে কোনো বান্দার পা দু’টি ততক্ষণ পর্যন্ত নড়বে না, যতক্ষণ না তাকে চারটি বিষয়ে জিজ্ঞাসা করা হবে: কোন্ কাজে তার জীবন অতিবাহিত করেছে এবং তার দেহ কোন্ কাজের মধ্য দিয়ে জীর্ণ করেছে, তার ধন-সম্পদ কোথা হতে উপার্জন করেছে আর তা কোথায় ব্যয় করেছে এবং ইলম অনুযায়ী কতটুকু আমল করেছে।“[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ যঈফ। আর এটি মাওকুফ।
তাখরীজ: মুরসাল হিসেবেও এটি বর্ণনা করেছেন বাযযার, কাশফুল আসতার ৪/১৫৮ নং ৩৪৩৮; খতীব, ইকতিদাউল ইলম নং ৩; এর সনদও যঈফ।
এছাড়া বাযযার নং ৩৪৩৭; খতীব, ইক্বতিদাউল ইলম নং ২; তারীখ বাগদাদ ১১/৪৪১-৪৪২; বাইহাকী, শুয়াবুল ঈমান নং ১৭৮৫; তামাম, ফাওয়াইদ নং ১৪৮০ অপর সনদে মুয়ায ইবনু জাবাল রা: হতে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন....। এ সনদ সহীহ।
মূল আরবি
أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ يُوسُفَ عَنْ سُفْيَانَ عَنْ لَيْثٍ قَالَ قَالَ لِي طَاوُسٌ مَا تَعَلَّمْتَ فَتَعَلَّمْ لِنَفْسِكَ فَإِنَّ النَّاسَ قَدْ ذَهَبَتْ مِنْهُمْ الْأَمَانَةُ
تحقيق الشيخ حسين سليم أسد الداراني :إسناده ضعيف لضعف ليث بن أبي سليم
বাংলা অনুবাদ
৫৫৭. লাইছ বলেন, আমাকে তাউস রাহিমাহুল্লাহ বলেন: তুমি যে জ্ঞানই শিক্ষা করবে, তা কেবল নিজের (আমলের) জন্যই শিক্ষা করবে। কেননা, লোকদের মাঝ থেকে আস্থা (‘আমানত’) উঠে গেছে।[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ যঈফ, লাইছ ইবনু আবী সালীম যঈফ হওয়ার কারণে।
তাখরীজ: ইবনু আবী শাইবা, ১৩/৫১০ নং ১৭০৮৬; রমহরমুযী নং ৭০৪; আবু নুয়াইম, হিলইয়া ৪/১১; ইবনু আব্দুল বারর, জামি’ বায়ানুল ইলম নং ৮৮৪, ১১৫৫।
মূল আরবি
أَخْبَرَنَا سُلَيْمَانُ بْنُ حَرْبٍ عَنْ عُمَارَةَ بْنِ مِهْرَانَ عَنْ الْحَسَنِ قَالَ أَدْرَكْتُ النَّاسَ وَالنَّاسِكُ إِذَا نَسَكَ لَمْ يُعْرَفْ مِنْ قِبَلِ مَنْطِقِهِ وَلَكِنْ يُعْرَفُ مِنْ قِبَلِ عَمَلِهِ فَذَلِكَ الْعِلْمُ النَّافِعُ
تحقيق الشيخ حسين سليم أسد الداراني :إسناده صحيح
বাংলা অনুবাদ
৫৫৮. হাসান রাহিমাহুল্লাহ বলেন: আমি লোকদেরকে (এমন অবস্থায়) পেয়েছি, কোন ইবাদতগুজার লোক যখন ইবাদত করে, তাকে তার কথা দ্বারা চেনা যায় না; বরং তাকে চেনা যায় তার আমল দ্বারা। আর এটিই হলো উপকারী ইলম।[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।
তাখরীজ: আমি এটি অন্য কোথাও পাইনি।
মূল আরবি
أَخْبَرَنَا أَبُو الْمُغِيرَةِ حَدَّثَنَا الْأَوْزَاعِيُّ عَنْ حَسَّانَ عَنْ أَبِي كَبْشَةَ قَالَ سَمِعْتُ عَبْدَ اللَّهِ بْنَ عَمْرٍو قَالَ سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَقُولُ بَلِّغُوا عَنِّي وَلَوْ آيَةً وَحَدِّثُوا عَنْ بَنِي إِسْرَائِيلَ وَلَا حَرَجَ وَمَنْ كَذَبَ عَلَيَّ مُتَعَمِّدًا فَلْيَتَبَوَّأْ مَقْعَدَهُ مِنْ النَّارِ
تحقيق الشيخ حسين سليم أسد الداراني :إسناده صحيح
বাংলা অনুবাদ
৫৫৯. আব্দুল্লাহ ইবনু উমার রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে বলতে শুনেছি, তিন বলেন: “আমার নিকট থেকে একটি শিক্ষা (আয়াত) হলেও তা তা প্রচার করবে। বনী ইসরাঈলের থেকে বর্ণনা করতে পার, এতে কোনো দোষ নেই। কিন্তু যে ব্যক্তি আমার উপর স্বেচ্ছায় মিথ্যারোপ করে, সে যেন জাহান্নামকে তার আবাস-ঠিকানা বানিয়ে নেয়।“[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।
তাখরীজ: সহীহ বুখারী, ৩৪৯১; তিরমিযী ২৬৭১; আহমদ, ২/১৫৯, ২০২; আব্দুর রাযযাক, আল মুসান্নাফ ৬/১০৯ নং ১০১৫৭; তাহাবী, মুশকিলুল আছার ১/৪০, ১৬৯; আবু খায়ছামা, আল ইলম নং ৪৫; খতীব, তারীখ বাগদাদ ১৩/১৫৭; বাগাবী, শারহুস সুন্নাহ ১/২৪৩ নং ১১৩; আবু নুয়াইম, হিলইয়া ৬/৭৮; কুদায়ী, মুসনাদুশ শিহাব নং ৬৬২ সংক্ষেপে প্রথম অংশ; ইবনু আব্দুল বারর, জামি’ বায়ান নং ১৪৮৩; সহীহ ইবনু হিব্বান নং ৬২৫৬।
মূল আরবি
أَخْبَرَنَا عَلِيُّ بْنُ حُجْرٍ السَّعْدِيُّ أَخْبَرَنَا يَزِيدُ بْنُ هَارُونَ أَخْبَرَنَا الْعَوَّامُ بْنُ حَوْشَبٍ أَبُو عِيسَى الشَّيْبَانِيُّ حَدَّثَنَا الْقَاسِمُ بْنُ عَوْفٍ الشَّيْبَانِيُّ عَنْ أَبِي ذَرٍّ قَالَ أَمَرَنَا رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أَنْ لَا يَغْلِبُونَا عَلَى ثَلَاثٍ أَنْ نَأْمُرَ بِالْمَعْرُوفِ وَنَنْهَى عَنْ الْمُنْكَرِ وَنُعَلِّمَ النَّاسَ السُّنَنَ
تحقيق الشيخ حسين سليم أسد الداراني :إسناده ضعيف لانقطاعه القاسم بن عوف لم يدرك أبا ذر
বাংলা অনুবাদ
৫৬০. আবু যার রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহ আলাইহি ওয়া সাল্লাম আমাদেরকে নির্দেশ দিয়েছেন যে, তিনটি বিষয়ে যেন আমরা পরাভূত না হই: আমরা যেন ভাল কাজের আদেশ করি এবং অন্যায় কাজে নিষেধ করি এবং লোকদেরকে যেন সুন্নাত শিক্ষা দিতে থাকি।[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ যঈফ, ইনকিতা’র (বিচ্ছিন্নতার) কারণে। কাসিম ইবনু আউফ আবু যার-এর সাক্ষাত লাভ করেননি।
তাখরীজ: আহমদ ৫/১৬৫; বাইহাকী, আল ই’তিকাদ পৃ: ১৫৪ অজ্ঞাত সনদে।
