সুনান আন-নাসাঈ
আযান: হাদিস ৬২৬-৬৮৭
এই অধ্যায়ের হাদিসগুলো একই পাতায় পড়ুন। নির্দিষ্ট হাদিসে যেতে তার নম্বর বা anchor ব্যবহার করুন।
এই পাতার হাদিসসমূহনির্দিষ্ট হাদিসে যেতে তালিকাটি খুলুন। শোহাইড
মূল আরবি
خْبرنا مُحَمَّدُ بْنُ إِسْمَاعِيلَ وَإِبْرَاهِيمُ بْنُ الْحَسَنِ قَالَا: حَدَّثَنَا حَجَّاجٌ قَالَ: قَالَ ابْنُ جُرَيْجٍ، أَخْبَرَنِي نَافِعٌ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُمَرَ أَنَّهُ كَانَ يَقُولُ: كَانَ الْمُسْلِمُونَ حِينَ قَدِمُوا الْمَدِينَةَ يَجْتَمِعُونَ فَيَتَحَيَّنُونَ الصَّلَاةَ وَلَيْسَ يُنَادِي بِهَا أَحَدٌ، فَتَكَلَّمُوا يَوْمًا فِي ذَلِكَ فَقَالَ بَعْضُهُمْ: اتَّخِذُوا نَاقُوسًا مِثْلَ نَاقُوسِ النَّصَارَى وَقَالَ بَعْضُهُمْ: بَلْ قَرْنًا مِثْلَ قَرْنِ الْيَهُودِ فَقَالَ: عُمَرُ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ: أَوَلَا تَبْعَثُونَ رَجُلًا يُنادِي بِالصَّلَاةِ؟ فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «يَا بِلَالُ قُمْ فَنَادِ بِالصَّلَاةِ»
বাংলা অনুবাদ
তিনি বলেন : মুসলিমগণ যখন মদীনায় আগমন করেন, তারা একত্র হয়ে সালাতের সময় নির্ধারণ করে নিতেন, কিন্তু কেউ সালাতের জন্য আহবান করতেন না। তাই একদিন তাঁরা এ ব্যাপারে আলোচনায় বসলেন। কেউ কেউ বললেন : নাসারাদের ঘন্টার মত ঘন্টা ব্যবহার করুন। আর কেউ কেউ বললেন : বরং ইয়াহূদীদের শিংগার মত শিংগা ব্যবহার করা হোক। উমর (রাঃ) বললেন : আপনারা কি একজন লোক পাঠাতে পারেন না, যে সালাতের আহবান জানাবে? তখন রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন : হে বিলাল, উঠ এবং সালাতের আহবান জানাও।
বর্ণনাকারীঃ আবদুল্লাহ ইব্ন উমর (রাঃ)
মূল আরবি
أَخْبَرَنَا قُتَيْبَةُ بْنُ سَعِيدٍ قَالَ: حَدَّثَنَا عَبْدُ الْوَهَّابِ، عَنْ أَيُّوبَ، عَنْ أَبِي قِلَابَةَ، عَنْ أَنَسٍ قَالَ: «إِنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أَمَرَ بِلَالًا أَنْ يَشْفَعَ الْأَذَانَ، وَأَنْ يُوتِرَ الْإِقَامَةَ»
বাংলা অনুবাদ
তিনি বলেন : রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বিলাল (রাঃ)-কে আযান (এর বাক্যগুলো) দু’বার করে বলার এবং ইকামত (-এর বাক্যগুলো) একবার করে বলার নির্দেশ দেন।
বর্ণনাকারীঃ আনাস (রাঃ)
বাংলা অনুবাদ
তিনি বলেন : রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর যুগে আযান (-এর বাক্যগুলো) দু’ দু’বার এবং ইকামত (-এর বাক্যগুলো) একবার করে ছিল। তবে তুমি (আরবি) (দু’বার) করে বলবে। [১]
বর্ণনাকারীঃ ইব্ন উমর (রাঃ)
বাংলা অনুবাদ
। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁকে (সামনে) বসালেন এবং তাঁকে এক-একটি শব্দ করে আযান শিখিয়ে দেন। ইবরাহীম বলেন : তা আমাদের এ আযানের ন্যায়। আমি তাঁকে বললাম : (আযানের শব্দগুলো ) আমার নিকট পুনরাবৃত্তি করুন। তিনি তখন...
বর্ণনাকারীঃ আবূ মাহযূরা (রাঃ)
বাংলা অনুবাদ
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁকে আযানের উনিশটি এবং ইকামতের সতেরটি বাক্য শিখিয়েছেন। এরপর আবূ মাহযূরা (রাঃ) উনিশটি ও সতেরটি বাক্য গণনা করলেন।
বর্ণনাকারীঃ আবূ মাহযূরা (রাঃ)
বাংলা অনুবাদ
তিনি বলেন : রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাকে আযান শিক্ষা দেন এবং বলেন : (আরবি) তারপর আবার বলেন : (আরবি)
বর্ণনাকারীঃ আবূ মাহযূরা (রাঃ)
বাংলা অনুবাদ
আবদুল্লাহ ইব্ন মুহাইরীয (রাঃ) তাঁর নিকট বর্ণনা করেন, “তিনি ইয়াতীম ছিলেন এবং আবূ মাহযূরার (রাঃ) নিকট লালিত হন এবং তিনি তাঁকে সিরিয়ায় এক সফরে পাঠিয়েছিলেন। তিনি বলেন : আমি আবূ মাহযূরা (রাঃ)-কে বললাম আমি সিরিয়া অভিমুখে রওয়া...
বর্ণনাকারীঃ আবদুল আযীয ইব্ন আবদুল মালিক ইব্ন আবূ মাহযূরা (রাঃ)
বাংলা অনুবাদ
তিনি বলেন : রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যখন হুনায়ন থেকে বের হলেন, আমি মক্কাবাসী দশ ব্যক্তির অন্যতম হয়ে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ও তাঁর দলের খোঁজে বের হলাম। আমরা তাঁদেরকে সালাতের আ...
বর্ণনাকারীঃ আবূ মাহযূরা (রাঃ)
বাংলা অনুবাদ
তিনি বলেন : একবার আমি এবং আমার চাচাত ভাই (কখনো বলেছেন আমি এবং আমার সাথী) নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট আসলাম। তিনি বললেন : তোমরা দু’জন যখন সফরে যাবে, আযান দিবে এবং ইকামত দিবে, তারপর তোমাদের যে বড় সে ইমাম...
বর্ণনাকারীঃ মালিক ইব্ন হুওয়ায়রিস (রাঃ)
বাংলা অনুবাদ
তিনি বলেন : আমরা (কয়েকজন) রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট উপস্থিত হলাম, তখন আমরা সবাই ছিলাম যুবক ও কাছাকাছি বয়সের। আমরা রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর খেদমতে বিশ দিন অবস্থান করি।...
বর্ণনাকারীঃ মালিক ইব্ন হুওয়ায়রিস (রাঃ)
বাংলা অনুবাদ
(আইয়্যুব বলেন) আবূ কিলাবা (রাঃ) আমাকে বলেছেন যে, আমর ইব্ন সালামা (রাঃ) এখনও জীবিত আছেন, আপনি এখনো তাঁর সঙ্গে সাক্ষাত করেন না কেন? আইয়্যুব বলেন : আমি গিয়ে তাঁর সঙ্গে সাক্ষাত করে তাঁকে জিজ্ঞাসা করি। তিনি বলেন : মক্কা বিজয়...
বর্ণনাকারীঃ আমর ইব্ন সালামা (রাঃ)
বাংলা অনুবাদ
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন : বিলাল (রাঃ) রাত থাকতে আযান দেয় সুতরাং ইব্ন উম্মে মাকতূমের আযান না শোনা পর্যন্ত তোমরা পানাহার করতে পার।
বর্ণনাকারীঃ ইব্ন উমর (রাঃ)
বাংলা অনুবাদ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন : বিলাল (রাঃ) রাত থাকতে আযান দেয়। সুতরাং ইব্ন উম্মে মাকতূমের আযান না শোনা পর্যন্ত তোমরা পানাহার করতে পার।
বর্ণনাকারীঃ সালেম (রহঃ)
বাংলা অনুবাদ
তিনি বলেন : তিনি বলেন : রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন : যখন বিলাল (রাঃ) আযান দেয়, তখন থেকে ইব্ন উম্মে মাকতূমের আযান পর্যন্ত তোমরা পানাহার করবে। আয়েশা (রাঃ) বলেন : দুই আযানের মধ্যে খুব বেশি ব্যবধা...
বর্ণনাকারীঃ আয়েশা (রাঃ)
বাংলা অনুবাদ
তিনি বলেন : রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন : যখন ইব্ন উম্মে মাকতূম (রাঃ) আযান দেয়, তখন তোমরা পানাহার কর এবং যখন বিলাল (রাঃ) আযান দেয়, তখন আর পানাহার করবে না।
বর্ণনাকারীঃ উনায়সা (রাঃ)
বাংলা অনুবাদ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন : বিলাল রাতে তোমাদের ঘুমন্ত লোকদের জাগানোর জন্য এবং সালাতরত লোকদের ফিরিয়ে আনার জন্য আযান দেন। তিনি ইশারায় বোঝালেন যে, সুবহে কাযিবের প্রকাশে ফজর হয় না।
বর্ণনাকারীঃ আবদুল্লাহ ইব্ন মাসঊদ (রাঃ)
বাংলা অনুবাদ
এক ব্যক্তি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে ফজরের ওয়াক্ত সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করেন। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বিলাল (রাঃ)-কে আযান দিতে আদেশ করলেন। বিলাল (রাঃ) প্রভাত হওয়ার (সুবেহে সাদিক...
বর্ণনাকারীঃ আনাস (রাঃ)
বাংলা অনুবাদ
তিনি বলেছেন : আমি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট উপস্থিত হলাম। তখন বিলাল (রাঃ) বের হলেন এবং আযান দিলেন। তিনি আযান দেয়ার সময় ডানদিকে এবং বামদিকে এভাবে মুখ ফিরালেন। [১]
বর্ণনাকারীঃ আবূ জুহায়ফা (রাঃ)
বাংলা অনুবাদ
তিনি তাঁকে বলেছেন, আবূ সাঈদ খুদরী (রাঃ) তাঁকে বলেছেন : আমি তোমাকে দেখি তুমি বকরী চরাতে এবং ময়দানে থাকতে ভালবাসো, যখন তুমি তোমার বকরীর পালের নিকট ময়দানে থাক এবং সালাতের জন্য আযান দাও, তখন উচ্চস্বরে আযান দিবে। কেননা মুয়ায্...
বর্ণনাকারীঃ আবদুল্লাহ ইব্ন আবদূর রহমান ইব্ন আবূ সা’সাআ আনসারী আল-মাযিনী (রহঃ)
বাংলা অনুবাদ
তিনি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলতে শুনেছেন যে, মুয়ায্যিনের আওয়াজের দূরত্ব পরিমাণ করে তাকে ক্ষমা করে দেওয়া হবে এবং প্রত্যেক শুষ্ক ও আর্দ্র জিনিস (অর্থাৎ জীবন্ত ও মৃত প্রত্যেক জিনিস) তার (ঈমানের)...
বর্ণনাকারীঃ আবূ হুরায়রা (রাঃ)
বাংলা অনুবাদ
নবী কারীম (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন : নিশ্চয়ই আল্লাহ প্রথম কাতারে সালাত আদায়কারীদের প্রতি অনুগ্রহ করেন এবং তাঁর ফেরেশতাগণও তাদের জন্য অনুগ্রহ প্রার্থনা করেন এবং মুয়ায্যিনকে তার আওয়াজের দূরত্ব পরিমান ক্ষম...
বর্ণনাকারীঃ বারা ইব্নে আযিব (রাঃ)
মূল আরবি
أَخْبَرَنَا سُوَيْدُ بْنُ نَصْرٍ قَالَ: أَنْبَأَنَا عَبْدُ اللَّهِ، عَنْ سُفْيَانَ، عَنْ أَبِي جَعْفَرٍ، عَنْ أَبِي سَلْمَانَ، عَنْ أَبِي مَحْذُورَةَ قَالَ: " كُنْتُ أُؤَذِّنُ لِرَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَكُنْتُ أَقُولُ فِي أَذَانِ الْفَجْرِ الْأَوَّلِ: حَيَّ عَلَى الْفَلَاحِ. الصَّلَاةُ خَيْرٌ مِنَ النَّوْمِ. الصَّلَاةُ خَيْرٌ مِنَ النَّوْمِ. اللَّهُ أَكْبَرُ. اللَّهُ أَكْبَرُ. لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ "
বাংলা অনুবাদ
তিনি বলেনঃ আমি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)–এর মুয়ায্যিন ছিলাম। আমি ফজরের প্রথম আযানে [১] (আরবি) এর পরে বলতামঃ (আরবি)
বর্ণনাকারীঃ আবূ মাহযূরা (রাঃ)
বাংলা অনুবাদ
সুফিয়ান এই সনদে অনুরুপ হাদীস বর্ণনা করেছেন। আবূ আবদুর রহমান (রহঃ) বলেন : এ সনদে উল্লিখিত আবূ জাফর আবূ জাফর ফাররা নন।
বর্ণনাকারীঃ ইয়াহইয়া ও আব্দুর রহমান (রাঃ)
বাংলা অনুবাদ
তিনি আযানের শেষ বাক্যগুলো এরূপ বলতেন : (আরবি)
বর্ণনাকারীঃ বিলাল (রাঃ)
বাংলা অনুবাদ
তিনি বলেন : বিলাল (রাঃ)-এর আযানের শেষ বাক্যগুলো ছিল : (আরবি)
বর্ণনাকারীঃ আসওয়াদ (রাঃ)
বাংলা অনুবাদ
অর্থাৎ বিলাল (রাঃ)-এর আযানের শেষ বাক্য ছিল : (আরবি)
বর্ণনাকারীঃ আসওয়াদ (রাঃ)
বাংলা অনুবাদ
তিনি বলেন বিলাল (রাঃ)-এর আযানের শেষবাক্য : (আরবি)
বর্ণনাকারীঃ আবূ মাহযূরা (রাঃ)
মূল আরবি
أَخْبَرَنَا قُتَيْبَةُ قَالَ: حَدَّثَنَا سُفْيَانُ، عَنْ عَمْرِو بْنِ دِينَارٍ، عَنْ عَمْرِو بْنِ أَوْسٍ يَقُولُ: أَنْبَأَنَا رَجُلٌ مِنْ ثَقِيفٍ، أَنَّهُ سَمِعَ مُنَادِيَ النَّبِيِّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ - يَعْنِي فِي لَيْلَةٍ مَطِيرَةٍ فِي السَّفَرِ - يَقُولُ: «حَيَّ عَلَى الصَّلَاةِ. حَيَّ عَلَى الْفَلَاحِ. صَلُّوا فِي رِحَالِكُمْ»
বাংলা অনুবাদ
তিনি বলেন : আমার নিকট সাকীফ গোত্রের এক ব্যক্তি বর্ণনা করেছেন যে, তিনি সফর অবস্থায় বর্ষার এক রাতে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর ঘোষককে বলতে শুনেছেন : (আরবি)
...“সকলেই আপন আপন স্থানে সালাত আদায় করে নিন।”
বর্ণনাকারীঃ আমর ইব্ন আওস (রাঃ)
বাংলা অনুবাদ
আব্দুল্লাহ ইব্ন উমর (রাঃ) এক রাতে সালাতের জন্য আযান দেন। সে রাতে খুব ঠান্ডা পড়েছিল ও প্রচন্ড বাতাস বইছিল। তিনি আযানে বলেন : (আরবি) “সকলেই আপন আপন স্থানে সালাত আদায় করে নিন।” কেননা ঠান্ডা ও বৃষ্টির রাতে নবী (সাল্লাল্লাহু...
বর্ণনাকারীঃ নাফে’ (রাঃ)
বাংলা অনুবাদ
তিনি বলেন : রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) চলতে থাকলেন এবং আরাফায় পৌছলেন। সেখানে পৌছে দেখলেন যে, নামীরা নামক স্থানে তাঁর জন্য তাবু স্থাপন করা হয়েছে। তিনি সেখানে অবতরন করলেন। যখন সূর্য ঢলে পড়ল, কাসওয়া নামক...
বর্ণনাকারীঃ জাবির ইব্ন আব্দুল্লাহ (রাঃ)
বাংলা অনুবাদ
তিনি বলেন : রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) চলতে চলতে মুযদালিফায় পৌঁছলেন। সেখানে এক আযান ও দুই একামতের সাথে মাগরিব ও ইশার সালাত আদায় করলেন। এ দু’য়ের মধ্যবর্তী সময় কোন সালাত আদায় করেন নি।
বর্ণনাকারীঃ জাবির ইব্ন আব্দুল্লাহ (রাঃ)
বাংলা অনুবাদ
তিনি বলেন : আমরা আবদুল্লাহ ইব্ন উমর (রাঃ) এর সঙ্গে মুযদালিফায় ছিলাম। যখন আযান ও ইকামত দেয়া হয়, তখন তিনি আমাদের নিয়ে মাগরিবের সালাত আদায় করেন।তারপর তিনি বলেন : (আবার) সালাত আদায় কর এবং তিনি আমাদের নিয়ে ইশার দুই রাক’আত সা...
বর্ণনাকারীঃ সাঈদ ইব্ন জুবায়র (রাঃ)
বাংলা অনুবাদ
তিনি মুযদালিফায় এক ইকামতের সাথে মাগরিব ও ইশার সালাত আদায় করেন এবং আব্দুল্লাহ ইব্ন উমর (রাঃ) থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনিও এরূপ করেছেন এবং আবদুল্লাহ ইব্ন উমর (রাঃ) বর্ণনা করেন যে, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-ও এ...
বর্ণনাকারীঃ সাঈদ ইব্ন জুবায়র (রাঃ)
বাংলা অনুবাদ
তিনি মুযদালিফায় রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)–এর সঙ্গে এক ইকামতে দুই সালাত আদায় করেছেন।
বর্ণনাকারীঃ আবদুল্লাহ ইব্ন উমর (রাঃ)
বাংলা অনুবাদ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মুযদালিফায় দু’ সালাত একত্রে আদায় করেছেন এবং দু’ সালাতই তিনি এক ইকামতসহ আদায় করেন এবং দু’ সালাতের কোন সালাতেরই পূর্বে বা পরে কোন নফল সালাত আদায় করেন নি।
বর্ণনাকারীঃ আবদুল্লাহ ইব্ন উমর (রাঃ)
বাংলা অনুবাদ
তিনি বলেন : খন্দকের যুদ্ধের দিন মুশরিকরা আমাদেরকে যোহরের সালাত থেকে সূর্য অস্ত যাওয়া পর্যন্ত বিরত রেখেছিল। এটা যুদ্ধের সময় সালাতুল খওফ সম্পর্কিত আয়াত অবতীর্ণ হওয়ার পূর্বের ঘটনা। তারপর আল্লাহ তা’আলা এই আয়াত অবতীর্ণ করেন :...
বর্ণনাকারীঃ আবূ সাঈদ (রাঃ)
বাংলা অনুবাদ
তিনি বলেন : আবদুল্লাহ ইব্ন মাসঊদ (রাঃ) বলেছেন যে, খন্দকের যুদ্ধের দিন মুশরিকরা নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে চার ওয়াক্ত সালাত হতে বিরত রেখেছিল। পরে তিনি বিলাল (রাঃ)-কে আযান দেওয়ার নির্দেশ দেন, বিলাল (রাঃ) আয...
বর্ণনাকারীঃ আবূ উবায়্দা (রহঃ)
মূল আরবি
أَخْبَرَنَا الْقَاسِمُ بْنُ زَكَرِيَّا بْنِ دِينَارٍ قَالَ: حَدَّثَنَا حُسَيْنُ بْنُ عَلِيٍّ، عَنْ زَائِدَةَ قَالَ: حَدَّثَنَا سَعِيدُ بْنُ أَبِي عَرُوبَةَ قَالَ: حَدَّثَنَا هِشَامٌ، أَنَّ أَبَا الزُّبَيْرِ الْمَكِّيَّ حَدَّثَهُمْ، عَنْ نَافِعِ بْنِ جُبَيْرٍ، أَنَّ أَبَا عُبَيْدَةَ بْنَ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ مَسْعُودٍ حَدَّثَهُمْ، أَنَّ عَبْدَ اللَّهِ بْنَ مَسْعُودٍ قَالَ: كُنَّا فِي غَزْوَةٍ فَحَبَسَنَا الْمُشْرِكُونَ عَنْ صَلَاةِ الظُّهْرِ وَالْعَصْرِ وَالْمَغْرِبِ وَالْعِشَاء، فَلَمَّا انْصَرَفَ الْمُشْرِكُونَ أَمَرَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ مُنَادِيًا فَأَقَامَ لِصَلَاةِ الظُّهْرِ فَصَلَّيْنَا، وَأَقَامَ لِصَلَاةِ الْعَصْرِ فَصَلَّيْنَا، وَأَقَامَ لِصَلَاةِ الْمَغْرِبِ فَصَلَّيْنَا، وَأَقَامَ لِصَلَاةِ الْعِشَاء فَصَلَّيْنَا، ثُمَّ طَافَ عَلَيْنَا فَقَالَ: «مَا عَلَى الْأَرْضِ عِصَابَةٌ يَذْكُرُونَ اللَّهَ عَزَّ وَجَلَّ غَيْرُكُمْ»
বাংলা অনুবাদ
তিনি বলেন : আমরা একটি যুদ্ধে লিপ্ত ছিলাম, মুশরিকরা আমাদেরকে যোহর, আসর, মাগরিব, ও ইশার সালাত আদায় করতে সুযোগ দেয়নি। যখন তারা চলে গেল, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মুয়ায্যিনকে আযান দেয়ার নির্দেশ দিলেন। তারপর যোহরের সালাতের জন্য ইকামত বলা হলে আমরা সালাত আদায় করলাম। আবার আসরের সালাতের জন্য ইকামত বলা হলে আমরা সালাত আদায় করলাম। পরে মাগরিবের জন্য ইকামত বলা হলে আমরা সালাত আদায় করলাম। পুনরায় ইশার সালাতের ইকামত বলা হয় এবং আমরা সালাত আদায় করলাম। তারপর রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাদের প্রতি লক্ষ্য করে বললেন : এখন যমীনের উপর তোমরা ব্যতীত এমন কোন দল নেই যারা আল্লাহ তা’আলার যিকির করছে।
বর্ণনাকারীঃ আবদুল্লাহ ইব্ন মাসঊদ (রাঃ)
বাংলা অনুবাদ
একদিন রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সালাত আদায় করেন এবং সালাম ফিরান। কিন্তু এক রাক’আত সালাত তাঁর বাকী রয়ে গিয়েছিল (অর্থাৎ এক রাক’আত বাকী থাকতেই ভুলে সালাম ফিরান)। এক ব্যক্তি তা স্মরণ করিয়ে দিলেন এবং বললে...
বর্ণনাকারীঃ মু’আবিয়া ইব্ন খুদায়জ (রাঃ)
বাংলা অনুবাদ
তিনি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সঙ্গে একবার সফরে ছিলেন এবং এক ব্যক্তির আযানের শব্দ শুনতে পেলেন। নিয়মানুযায়ী তিনি উত্তরে মুয়ায্যিনের অনুরুপ বাক্য বললেন। তারপর বলেন যে, এ ব্যক্তি কোন রাখাল বা পরিবার...
বর্ণনাকারীঃ আবদুল্লাহ ইব্ন রুবায়্যি’আ (রাঃ)
বাংলা অনুবাদ
তিনি বলেন : আমি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলতে শুনেছি যে, তোমার রব সে ব্যক্তির উপর খুশি হন, যে পাহাড়ের উচ্চ শৃঙ্গে বকর চরায় এবং সালাতের জন্য আযান দেয় ও সালাত আদায় করে। আল্লাহ তা'আলা বলেন : তোম...
বর্ণনাকারীঃ উকবা ইব্ন আমির (রাঃ)
বাংলা অনুবাদ
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সালাতের কাতারে বসা ছিলেন এমন সময় .......... আল-হাদীস।
বর্ণনাকারীঃ রিফা'আ ইব্ন রাফি (রাঃ)
বাংলা অনুবাদ
তিনি বলেন : আমি আবদুল্লাহ ইব্ন উমর (রাঃ)-কে আযান সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করি। তিনি বলেন : রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর যুগে আযানের শব্দগুলো দু-দু’বার এবং ইকামতের শব্দগুলো এক-একবার বলা হতো। কিন্তু তুমি যখন...
বর্ণনাকারীঃ আবুল মুসান্না (রাঃ)
মূল আরবি
أَخْبَرَنَا عَلِيُّ بْنُ حُجْرٍ قَالَ: أَنْبَأَنَا إِسْمَاعِيلُ، عَنْ خَالِدٍ الْحَذَّاءِ، عَنْ أَبِي قِلَابَةَ، عَنْ مَالِكِ بْنِ الْحُوَيْرِثِ قَالَ: قَالَ لِي رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَلِصَاحِبٍ لِي: «إِذَا حَضَرَتِ الصَّلَاةُ، فَأَذِّنَا ثُمَّ أَقِيمَا، ثُمَّ لِيَؤُمَّكُمَا أَحَدُكُمَا»
বাংলা অনুবাদ
তিনি বলেন : রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাকে এবং আমার এক সাথীকে বললেন : যখন সালাতের সময় হবে তখন তোমাদের মধ্যে একজন আযান দেবে (অন্যজন আযানের জবাব দেবে)। পরে একজন ইকামত দেবে এবং যে তোমাদের মধ্যে বড় সে ইমামতি করবে।
বর্ণনাকারীঃ মালিক ইব্ন হুয়ায়রিস (রাঃ)
বাংলা অনুবাদ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন : যখন সালাতের জন্য আযান দেওয়া হয়, তখন শয়তান সশব্দে বায়ু ছাড়তে ছাড়তে পালায় যাতে আযানের আওয়াজ না শোনে। আযান শেষ হলে সে আবার আসে। তারপর সালাতের জন্য ইকামত আরম্ভ হলে সে আবা...
বর্ণনাকারীঃ আবু হুরায়রা (রাঃ)
বাংলা অনুবাদ
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) : বলেছেন : মানুষ যদি জানত, আযান দেয়া এবং সালাতের প্রথম কাতারে দাঁড়ানোর মধ্যে কি ফযীলত রয়েছে, তবে তা পাবার জন্য লটারী ছাড়া উপায় না থাকলে তারা তার জন্য লটারী করত। আর তারা...
বর্ণনাকারীঃ আবু হুরায়রা (রাঃ)
বাংলা অনুবাদ
তিনি বলেন : আমি আবেদন করলাম : ইয়া রাসূলাল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ! আপনি আমাকে আমার কওমের ইমাম বানিয়ে দিন। তিনি বললেন, (ঠিক আছে যাও) তুমি তাদের ইমাম। তবে তাদের দুর্বল লোকদের প্রতি লক্ষ্য রাখবে (সালাত দীর...
বর্ণনাকারীঃ উসমান ইব্ন আবুল আস (রাঃ)
বাংলা অনুবাদ
রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন : যখন তোমরা আযানের শব্দ শুনবে, তখন (উত্তরে) মুয়ায্যিন যা বলবে তার অনুরূপ বলবে।
বর্ণনাকারীঃ আবু সাঈদ খুদরী (রাঃ)
বাংলা অনুবাদ
তিনি বলেন: আমরা রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট ছিলাম। এমন সময় বিলাল (রাঃ) আযান দেওয়ার জন্য দাঁড়ালেন। তিনি আযান শেষ করলে রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন : যে ব্যক্তি দৃঢ়...
বর্ণনাকারীঃ আবু হুরায়রা (রাঃ)
বাংলা অনুবাদ
তিনি বলেন : আমি আবূ উমামা ইব্ন সাহল ইব্ন হুনায়ফ (রাঃ)-এর নিকট বসা ছিলাম। এ সময় মুয়ায্যিন আযান দিলেন। মুয়াযযিন দু’বার (আরবি) বললেন, তিনিও দু'বার বললেন। মুয়ায্যিন (আরবি) বললেন, তিনিও দু’বার বললেন। মুয়াযযিন (আরবি) বলল...
বর্ণনাকারীঃ মুহাম্মদ ইব্ন ইয়াহইয়া আনসারী (রাঃ)
মূল আরবি
أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ قُدَامَةَ، حَدَّثَنَا جَرِيرٌ، عَنْ مِسْعَرٍ، عَنْ مُجَمِّعٍ، عَنْ أَبِي أُمَامَةَ بْنِ سَهْلٍ، قَالَ: سَمِعْتُ مُعَاوِيَةَ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ يَقُولُ: «سَمِعْتُ مِنْ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَسَمِعَ الْمُؤَذِّنَ فَقَالَ مِثْلَ مَا قَالَ»
---
[حكم الألباني] سكت عنه الشيخ
বাংলা অনুবাদ
তিনি বলেন : আমি মুআবিয়া (রাঃ)-কে বলতে শুনেছি, রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যখন মুয়ায্যিনের আযান শুনতেন, তখন তাকে মুয়ায্যিনের অনুরূপ বলতে শুনেছি।
বর্ণনাকারীঃ আবু উমামা ইব্ন সাহল (রাঃ)
বাংলা অনুবাদ
তিনি বলেন : আমি মুআবিয়া (রাঃ)-এর নিকট ছিলাম। যখন তাঁর মুয়ায্যিন আযান দিলেন তখন মু'আবিয়া (রাঃ) সে বাক্যগুলো বললেন, যেগুলো মুয়ায্যিন বলছিলেন। মুয়ায্যিন যখন বললেন : (আরবি) তখন তিনি বললেন: (আরবি) মুয়ায্যিন যখন (আরবি)...
বর্ণনাকারীঃ আলকামা ইব্ন ওয়াক্কাস (রাঃ)
বাংলা অনুবাদ
তিনি বলেন : আমি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলতে শুনেছি যে, তোমরা যখন মুয়ায্যিনকে আযান দিতে শোন, তখন মুয়ায্যিন যা বলে তোমরাও তা বলবে এবং আমার উপর দরূদ পাঠ করবে। কেননা যে ব্যক্তি আমার উপর একবার দরূ...
বর্ণনাকারীঃ আবদুল্লাহ ইব্ন আমর (রাঃ)
বাংলা অনুবাদ
তিনি বলেছেন : যে ব্যক্তি মুয়ায্যিনকে (আরবি) বলতে শোনে এবং তখন বলে : (আরবি) "আমিও সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, আল্লাহ ব্যতীত আর কোন ইলাহ নেই এবং তিনি এক, তাঁর কোন শরীক নেই। মুহাম্মদ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তার বান্দা ও...
বর্ণনাকারীঃ সা’দ ইব্ন আবূ ওয়াক্কাস (রাঃ)
বাংলা অনুবাদ
তিনি বলেন : রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: যে ব্যক্তি আযান শুনে এই দোয়া পড়বে : (আরবি) "হে আল্লাহ ! এই পূর্ণাঙ্গ আহবান ও অনুষ্ঠিতব্য সালাতের মালিক। মুহাম্মদ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে...
বর্ণনাকারীঃ জারির (রাঃ)
বাংলা অনুবাদ
তিনি বলেন : রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন : প্রত্যেক দুই আযানের মধ্যবর্তী সময়ে সালাত রয়েছে। প্রত্যেক দুই আযানের মধ্যবর্তী সময়ে সালাত রয়েছে। প্রত্যেক দুই আযানের মধ্যবর্তী সময়ে সালাত রয়েছে, যে...
বর্ণনাকারীঃ আবদুল্লাহ ইব্ন মুগাফ্ফাল (রাঃ)
বাংলা অনুবাদ
তিনি বলেন : মুয়ায্যিন আযান শেষ করলে রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কোন কোন সাহাবী মসজিদের খুঁটির নিকট যেতেন এবং রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) (হুজরা হতে) বের না হওয়া পর্যন্ত সালাত...
বর্ণনাকারীঃ আনাস ইব্ন মালিক (রাঃ)
বাংলা অনুবাদ
তিনি বলেন : এক ব্যক্তি আযানের পর মসজিদ থেকে বের হল এবং সেখান থেকে চলে গেল। আবূ হুরায়রা (রাঃ) সেখানে উপস্থিত ছিলেন এবং বললেন : এই ব্যক্তি আবুল কাসেম অর্থাৎ রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর অবাধ্যতা করল।
বর্ণনাকারীঃ আশআস ইব্ন আবূ শা’সা (রাঃ)
বাংলা অনুবাদ
তিনি বলেন : সালাতের জন্য আযান দেয়ার পর এক ব্যক্তি মসজিদ থেকে বের হয়ে গেল। আবূ হুরায়রা (রাঃ) বললেন : এই ব্যক্তি আবুল কাসেম অর্থাৎ রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর অবাধ্য হল।
বর্ণনাকারীঃ আবূ শা’সা (রাঃ)
বাংলা অনুবাদ
তিনি বলেন : নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ইশার সালাতের পর থেকে ফজরের সালাত পর্যন্ত সময়ে এগার রাক‘আত সালাত আদায় করতেন। প্রত্যেক দুই রাক‘আতের পর সালাম ফিরাতেন। বিতরের এক রাক‘আত পড়তেন [১] এবং এত দীর্ঘ সিজদা করতে...
বর্ণনাকারীঃ আয়েশা (রাঃ)
মূল আরবি
أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَبْدِ الْحَكَمِ، عَنْ شُعَيْبٍ، عَنِ اللَّيْثِ قَالَ: حَدَّثَنَا خَالِدٌ، عَنِ ابْنِ أَبِي هِلَالٍ، عَنْ مَخْرَمَةَ بْنِ سُلَيْمَانَ، أَنَّ كُرَيْبًا مُولِي ابْنِ عَبَّاسٍ أَخْبَرَهُ قَالَ: سَأَلْتُ ابْنَ عَبَّاسٍ قُلْتُ: كَيْفَ كَانَتْ صَلَاةُ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ بِاللَّيْلِ؟ فَوَصَفَ: " أَنَّهُ صَلَّى إِحْدَى عَشْرَةَ رَكْعَةً بِالْوِتْرِ، ثُمَّ نَامَ حَتَّى اسْتَثْقَلَ فَرَأَيْتُهُ يَنْفُخُ، وَأَتَاهُ بِلَالٌ فَقَالَ: الصَّلَاةُ يَا رَسُولَ اللَّهِ، فَقَامَ فَصَلَّى رَكْعَتَيْنِ وَصَلَّى بِالنَّاسِ وَلَمْ يَتَوَضَّأْ "
বাংলা অনুবাদ
তিনি বলেন আমি আবদুল্লাহ ইব্ন আব্বাস (রাঃ)- এর নিকট রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) রাতে কিভাবে সালাত আদায় করতেন সে বিষয়ে প্রশ্ন করি। তিনি বললেন : রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) রাতে বিত্রসহ এগার রাক’আত সালাত আদায় করতেন। তারপর ঘুমাতেন। একদা তাঁর নিদ্রা গভীর হলো এবং তাঁর নাকের শব্দ শোনা যাচ্ছিল। এমন সময় বিলাল (রাঃ) তাঁর নিকট আসলেন এবং বললেন : (আস্সালাতু ইয়া রাসূলাল্লাহ!) ইয়া রাসূলাল্লাহ! সালাত। তিনি উঠলেন এবং দুই রাক’আত সালাত আদায় করলেন। তারপর লোকদের নিয়ে সালাত আদায় করলেন। (তবে) তিনি উযূ করেন নি। [১]
বর্ণনাকারীঃ কুরায়ব (রহঃ)
বাংলা অনুবাদ
তিনি বলেন : রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন : সালাতের ইকামত হলে আমাকে বের হতে না দেখা পর্যন্ত দাঁড়াবে না।
বর্ণনাকারীঃ আবূ কাতাদা (রাঃ)
