মিশকাতুল মাসাবীহ
পরিচ্ছেদ ৭৩: হাদিস ১,৪৪১-১,৪৬০
এই অধ্যায়ের হাদিসগুলো একই পাতায় পড়ুন। নির্দিষ্ট হাদিসে যেতে তার নম্বর বা anchor ব্যবহার করুন।
এই পাতার হাদিসসমূহনির্দিষ্ট হাদিসে যেতে তালিকাটি খুলুন। শোহাইড
মূল আরবি
وَعَنْ كَثِيرِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ عَنْ أَبِيهِ عَنْ جَدِّهِ أَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ كَبَّرَ فِي الْعِيدَيْنِ فِي الْأُولَى سَبْعًا قَبْلَ الْقِرَاءَةِ وَفِي الْآخِرَةِ خَمْسًا قَبْلَ الْقِرَاءَةِ. رَوَاهُ التِّرْمِذِيّ وَابْن مَاجَه والدارمي
تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: حسن
تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: * حسن، رواہ الترمذي (536 وقال: حسن) و ابن ماجہ (1279) والدارمي، (لم أجدہ) [و رواہ الدارمي 376/1 ح 1614 من حدیث عمار بن سعد المؤذن بہ و سندہ، ضعیف۔ ] ٭ السند ضعیف جدًا، کثیر بن عبد اللہ: متروک متھم وللحدیث شواھد کثیرۃ، عند أبي داود (1151) وغیرہ وھو بھا حسن۔
বাংলা অনুবাদ
১৪৪১-[১৬] কাসীর তাঁর পিতা ’আবদুল্লাহ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে, তিনি তাঁর পিতা ’আমর ইবনু ’আওফ হতে বর্ণনা করেছেন যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম দু’ঈদের প্রথম রাক্’আতে ক্বিরাআতের পূর্বে সাতবার ও দ্বিতীয় রাক্’আতে ক্বিরাআতের পূর্বে পাঁচবার তাকবীর বলেছেন। (তিরমিযী, ইবনু মাজাহ ও দারিমী)
মূল আরবি
وَعَنْ جَعْفَرِ بْنِ مُحَمَّدٍ مُرْسَلًا أَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَأَبَا بَكْرٍ وَعُمَرَ كَبَّرُوا فِي الْعِيدَيْنِ وَالِاسْتِسْقَاءِ سَبْعًا وَخَمْسًا وَصَلَّوْا قبل الْخطْبَة وجهروا بِالْقِرَاءَةِ. رَوَاهُ الشَّافِعِي
تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: ضعيف جدا
تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: * إسنادہ ضعیف جدًا، رواہ الشافعي في مسندہ (ص 76 ح 336) والأم، (236/1) ٭ فیہ إبراھیم بن محمد الأسلمي: متروک (تقدم:529)
বাংলা অনুবাদ
১৪৪২-[১৭] জা’ফার সাদিক্ব ইবনু মুহাম্মাদ (রাহিমাহুল্লাহ) মুরসাল হিসেবে এ হাদীসটি বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেছেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ও আবূ বকর, ’উমার (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) দু’ ঈদে ও ইসতিসকার সালাতে সাতবার ও পাঁচবার করে তাকবীর বলেছেন। তাঁরা সালাত আদায় করেছেন খুতবার পূর্বে। সালাতে ক্বিরাআত (কিরআত) পড়েছেন উচ্চস্বরে। (শাফি’ঈ)
মূল আরবি
وَعَنْ سَعِيدِ بْنِ الْعَاصِ قَالَ: سَأَلْتُ أَبَا مُوسَى وَحُذَيْفَةَ: كَيْفَ كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يُكَبِّرُ فِي الْأَضْحَى وَالْفِطْرِ؟ فَقَالَ أَبُو مُوسَى: كَانَ يُكَبِّرُ أَرْبَعًا تَكْبِيرَهُ على الجنازه. فَقَالَ حُذَيْفَة: صدق. رَوَاهُ أَبُو دَاوُد
تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: ضعيف
تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: * إسنادہ ضعیف، رواہ أبو داود (1153) ٭ أبو عائشۃ مجھول، لم أجد من، وثقہ۔
বাংলা অনুবাদ
১৪৪৩-[১৮] সা’ঈদ ইবনুল ’আস (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি আবূ মূসা আল আশ্’আরী ও হুযায়ফাহ্ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা)-কে জিজ্ঞেস করেছিলাম, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ঈদুল আযহা ও ঈদুল ফিতরের সালাতে কতবার তাকবীর বলতেন? তখন আবূ মূসা আল আশ্’আরী বললেন, তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) জানাযার তাকবীরের মতো চার তাকবীর বলতেন। এ জবাব শুনে হুযায়ফাহ্ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) বললেন, তিনি ঠিকই বলেছেন। (আবূ দাঊদ)
মূল আরবি
وَعَنِ الْبَرَاءِ أَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ نُووِلَ يَوْمَ الْعِيدِ قَوْسًا فَخَطَبَ عَلَيْهِ. رَوَاهُ أَبُو دَاوُد
تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: ضعيف
تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: * سندہ ضعیف، رواہ أبو داود (1145) ٭ أبو جناب ضعیف و حدیث أبي، داود (1096) یغني عنہ۔
বাংলা অনুবাদ
১৪৪৪-[১৯] বারা (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা)হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে ঈদের দিনে একটি ক্বাওস দেয়া হলো। তিনি এ ক্বাওসের উপর ভর করে (ঈদের) খুতবাহ্ দান করলেন। (আবূ দাঊদ)
মূল আরবি
وَعَنْ عَطَاءٍ مُرْسَلًا أَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ كَانَ إِذَا خَطَبَ يَعْتَمِدُ عَلَى عنزته اعْتِمَادًا. رَوَاهُ الشَّافِعِي
تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: ضعيف
تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: * إسنادہ ضعیف جدًا، رواہ الشافعي في مسندہ (ص 77 ح 341) والأم، (238/1) ٭ فیہ إبراہیم الأسلمي متروک متھم و لیث بن أبي سلیم ضعیف مدلس مختلط۔
বাংলা অনুবাদ
১৪৪৫-[২০] ’আত্বা (রাহিমাহুল্লাহ) হতে মুরসাল হাদীস হিসেবে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম খুতবাহ্ প্রদান করার সময় নিজের লাঠির উপর ঠেস দিয়ে (খুতবাহ্) দিতেন। (শাফি’ঈ)
মূল আরবি
وَعَن جَابر قَالَ: شَهِدْتُ الصَّلَاةِ مَعَ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فِي يَوْمِ عِيدٍ فَبَدَأَ بِالصَّلَاةِ قَبْلَ الْخُطْبَةِ بِغَيْرِ أَذَانٍ وَلَا إِقَامَةٍ فَلَمَّا قَضَى الصَّلَاةَ قَامَ مُتَّكِئًا عَلَى بِلَالٍ فَحَمَدَ اللَّهَ وَأَثْنَى عَلَيْهِ وَوَعَظَ النَّاسَ وَذَكَّرَهُمْ وَحَثَّهُمْ على طَاعَته ثمَّ قَالَ: وَمَضَى إِلَى النِّسَاءِ وَمَعَهُ بِلَالٌ فَأَمَرَهُنَّ بِتَقْوَى الله ووعظهن وذكرهن. رَوَاهُ النَّسَائِيّ
تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح
تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: * صحیح، رواہ النسائي (186/3۔ 187 ح 1576) [و مسلم (885/4)، والبخاري (978)]
বাংলা অনুবাদ
১৪৪৬-[২১] জাবির (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সাথে ঈদের সালাতে উপস্থিত ছিলাম। তিনি খুতবার আগেই আযান ও ইক্বামাত(ইকামত/একামত) ছাড়া সালাত শুরু করে দিলেন। সালাত শেষ করার পর তিনি বিলালের গায়ে ভর করে দাঁড়ালেন। অতঃপর আল্লাহ তা’আলার মহত্ত্ব ও গুণ গরীমা বর্ণনা করলেন। লোকদেরকে উপদেশ বাণী শুনালেন। তাদেরকে আখিরাতের কথা স্মরণ করিয়ে দিলেন। আল্লাহর আদেশ নিষেধ অনুসরণ করার প্রতি অনুপ্রেরণা যোগালেন। তারপর তিনি মহিলাদের দিকে এগিয়ে গেলেন। তাঁর সাথে ছিলেন বিলাল। তাদেরকে তিনি আল্লাহর ভয়-ভীতির কথা বললেন, ওয়াজ করলেন। পরকালের কথা স্মরণ করিয়ে দিলেন। (নাসায়ী)
মূল আরবি
وَعَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ قَالَ: كَانَ النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ إِذَا خَرَجَ يَوْمَ الْعِيدِ فِي طَرِيقٍ رَجَعَ فِي غَيْرِهِ. رَوَاهُ التِّرْمِذِيُّ والدارمي
تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح
تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: * صحیح، رواہ الترمذي (541 وقال: حسن غریب) والدارمي (378/1 ح، 1621) [وابن ماجہ (1301) و علقہ البخاري (986) و صححہ ابن حبان (الإحسان: 2804)، وابن خزیمۃ (1468) والحاکم علٰی شرط الشیخین (296/1) ووافقہ الذہبي وللحدیث، شواھد کثیرۃ۔ ]
বাংলা অনুবাদ
১৪৪৭-[২২] আবূ হুরায়রাহ্ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ঈদের দিন এক পথ দিয়ে (ঈদগাহে) আসতেন। আবার অন্য পথ দিয়ে (বাড়ীতে) ফিরতেন। (তিরমিযী, দারিমী)
মূল আরবি
وَعَن أبي هُرَيْرَة أَنَّهُ أَصَابَهُمْ مَطَرٌ فِي يَوْمِ عِيدٍ فَصَلَّى بِهِمُ النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ صَلَاةَ الْعِيدِ فِي الْمَسْجِدِ. رَوَاهُ أَبُو دَاوُدَ وَابْنُ مَاجَه
تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: ضعيف
تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: * إسنادہ ضعیف، رواہ أبو داود (1160) و ابن ماجہ (1313) ٭ عیسی بن، عبد الأعلی: مجھول و عبید اللہ بن عبد اللہ بن موھب: مستور (أي مجھول الحال)
বাংলা অনুবাদ
১৪৪৮-[২৩] আবূ হুরায়রাহ্ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে এ হাদীসটিও বর্ণিত হয়েছে। তিনি বলেন, একবার ঈদের দিন তাঁদের সেখানে বৃষ্টি হচ্ছিল। তাই নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাদের সবাইকে নিয়ে মসজিদে ঈদের সালাত আদায় করলেন। (আবূ দাঊদ, ইবনু মাজাহ)
মূল আরবি
وَعَن أبي الْحُوَيْرِث أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ كَتَبَ إِلَى عَمْرِو بْنِ حَزْمٍ وَهُوَ بِنَجْرَانَ عَجِّلِ الْأَضْحَى وَأَخِّرِ الْفِطْرَ وَذَكِّرِ النَّاسَ. رَوَاهُ الشَّافِعِي
تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: ضعيف
تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: * إسنادہ ضعیف جدًا، رواہ الشافعي (في مسندہ ص 74 ح 322 والأم، 232/1 و مختصر المزني ص 361) ٭ فیہ إبراہیم الأسلمي متروک متھم۔
বাংলা অনুবাদ
১৪৪৯-[২৪] আবুল হুওয়াইরিস (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা)হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম নাজরানে নিযুক্ত তাঁর প্রশাসক ’আমর ইবনু হাযম-এর নিকট চিঠি লিখলেন। ঈদুল আযহার সালাত তাড়াতাড়ি আদায় করাবে। আর ঈদুল ফিতরের সালাত বিলম্ব করে আদায় করবে। লোকজনকে ওয়াজ নাসীহাত করবে। (শাফি’ঈ)
মূল আরবি
وَعَنْ أَبِي عُمَيْرِ بْنِ أَنَسٍ عَنْ عُمُومَةٍ لَهُ مِنْ أَصْحَابِ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: أَنَّ رَكْبًا جَاءُوا إِلَى النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَشْهَدُونَ أَنَّهُمْ رَأَوُا الْهِلَالَ بالْأَمْس ن فَأَمرهمْ أَن يفطروا وَإِذا أَصْبحُوا أَن يَغْدُو إِلَى مصلاهم. رَوَاهُ أَبُو دَاوُد وَالنَّسَائِيّ
تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح
تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: * إسنادہ صحیح، رواہ أبو داود (1157) والنسائي (180/3 ح 1558)، [وابن ماجہ: 1653]
বাংলা অনুবাদ
১৪৫০-[২৫] আবূ ’উমায়র ইবনু আনাস (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) কর্তৃক বর্ণিত। তিনি তাঁর এক চাচা হতে বর্ণনা করেছেন। তিনি ছিলেন সাহাবীদের অন্তর্ভুক্ত। (তিনি বলেন) একবার একদল আরোহী নবীকারীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকট এসে সাক্ষ্য দিলো যে, তারা গতকাল (শাও্ওয়াল মাসের) নতুন চাঁদ দেখেছে। তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) তাদের সওম ভেঙ্গে ফেলার ও পরের দিন সকালে ঈদগাহের ময়দানে যেতে নির্দেশ দিলেন। (আবূ দাঊদ, নাসায়ী)
মূল আরবি
عَنِ ابْنِ جُرَيْجٍ قَالَ: أَخْبَرَنِي عَطَاءٌ عَنِ ابْن عَبَّاس وَجَابِر ابْن عَبْدِ اللَّهِ قَالَا: لَمْ يَكُنْ يُؤَذَّنُ يَوْمَ الْفِطْرِ وَلَا يَوْمَ الْأَضْحَى ثُمَّ سَأَلْتُهُ يَعْنِي عَطَاءً بَعْدَ حِينٍ عَنْ ذَلِكَ فَأَخْبَرَنِي قَالَ: أَخْبَرَنِي جَابِرُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ أَنْ لَا أَذَانَ لِلصَّلَاةِ يَوْمَ الْفِطْرِ حِينَ يَخْرُجُ الْإِمَامُ وَلَا بعد مَا يَخْرُجُ وَلَا إِقَامَةَ وَلَا نِدَاءَ وَلَا شَيْءَ لَا نِدَاءَ يَوْمَئِذٍ وَلَا إِقَامَةَ. رَوَاهُ مُسْلِمٌ
تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح
تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: * رواہ مسلم (886/5)
বাংলা অনুবাদ
১৪৫১-[২৬] ইবনু জুরায়জ (রাহিমাহুল্লাহ) কর্তৃক বর্ণিত। তিনি বলেন, ’আত্বা (রাহিমাহুল্লাহ) আমার কাছে ’আবদুল্লাহ ইবনু ’আব্বাস ও জাবির ইবনু ’আবদুল্লাহ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণনা করেছেন। তাঁরা দু’জনেই বলেছেন, (রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর জীবদ্দশায়) ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আযহার সালাতের জন্য আযান দেয়া হত না। ইবনু জুরায়জ বলেন, এর কিছুদিন পর আমি আবার ’আত্বা (রাহিমাহুল্লাহ)-কে জিজ্ঞেস করলাম। ’আত্বা (রাহিমাহুল্লাহ) তখন বললেন, জাবির ইবনু ’আবদুল্লাহ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) আমাকে বলেছেন। ঈদুল ফিতরের সালাত আদায়ের জন্য আযানের প্রয়োজন নেই। ইমাম (সালাতের জন্য) বের হবার সময়েও না। বের হয়ে আসার পরেও না। (এভাবে) ইক্বামাত(ইকামত/একামত) ও কোন আহবানও নেই। না অন্য কিছু আছে। এ দিন না কোন আহবান আছে। আর কোন ইক্বামাত(ইকামত/একামত)। (মুসলিম)
মূল আরবি
وَعَنْ أَبِي سَعِيدٍ الْخُدْرِيُّ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ كَانَ يَخْرُجُ يَوْمَ الْأَضْحَى ويم الْفِطْرِ فَيَبْدَأُ بِالصَّلَاةِ فَإِذَا صَلَّى صَلَاتَهُ قَامَ فَأقبل عل النَّاسِ وَهُمْ جُلُوسٌ فِي مُصَلَّاهُمْ فَإِنْ كَانَتْ لَهُ حَاجَة ببعث ذِكْرَهُ لِلنَّاسِ أَوْ كَانَتْ لَهُ حَاجَةٌ بِغَيْرِ ذَلِكَ أَمَرَهُمْ بِهَا وَكَانَ يَقُولُ: "تَصَدَّقُوا تَصَدَّقُوا تَصَدَّقُوا" . وَكَانَ أَكْثَرَ مَنْ يَتَصَدَّقُ النِّسَاءُ ثُمَّ ينْصَرف فَلم يزل كَذَلِك حَتَّى كَانَ مَرْوَان ابْن الْحَكَمِ فَخَرَجْتُ مُخَاصِرًا مَرْوَانَ حَتَّى أَتَيْنَا الْمُصَلَّى فَإِذَا كَثِيرُ بْنُ الصَّلْتِ قَدْ بَنَى مِنْبَرًا مِنْ طِينٍ وَلَبِنٍ فَإِذَا مَرْوَانُ يُنَازِعُنِي يَدَهُ كَأَنَّهُ يَجُرُّنِي نَحْوَ الْمِنْبَرِ وَأَنَا أَجُرُّهُ نَحْوَ الصَّلَاة فَلَمَّا رَأَيْت ذَلِكَ مِنْهُ قُلْتُ: أَيْنَ الِابْتِدَاءُ بِالصَّلَاةِ؟
فَقَالَ: لَا يَا أَبَا سَعِيدٍ قَدْ تُرِكَ مَا تَعْلَمُ قُلْتُ: كَلَّا وَالَّذِي نَفْسِي بِيَدِهِ لَا تأتون بِخَير مِمَّا أعلم ثَلَاث مَرَّات ثمَّ انْصَرف. رَوَاهُ مُسلم
تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح
تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: * رواہ مسلم (889/9)
বাংলা অনুবাদ
১৪৫২-[২৭] আবূ সা’ঈদ আল্ খুদরী (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ঈদুল আযহা ও ঈদুল ফিতরের দিন (ঈদগাহে গিয়ে) প্রথমে সালাত আরম্ভ করতেন। সালাত আদায় করা শেষ হলে (খুতবাহ্ প্রদানের জন্য) মানুষের দিকে ফিরে দাঁড়াতেন। তাঁরা নিজ নিজ জায়গায় বসে থাকতেন। বস্ত্ততঃ যদি কোথাও সৈন্য বাহিনী পাঠাবার প্রয়োজন থাকত তাহলে তা মানুষদেরকে বলে (বাহিনী পাঠিয়ে) দিতেন। অথবা জনগণের প্রয়োজনের ব্যাপারে কোন কথা থাকলে, সে ব্যাপারে নির্দেশ দিয়ে দিতেন। তিনি খুতবায় বলতেন, ’তোমরা সদাক্বাহ্ (সাদাকা) দাও, ’তোমরা সদাক্বাহ্ (সাদাকা) দাও, ’তোমরা সদাক্বাহ্ (সাদাকা) দাও’। বস্তুতঃ মহিলারাই অধিক পরিমাণে সদাক্বাহ্ (সাদাকা) করতেন। এরপর তিনি নিজ বাড়ীতে ফিরে আসতেন। এভাবেই (দু’ঈদের সালাত) চলতে থাকল যে পর্যন্ত (মু’আবিয়ার পক্ষ হতে) মারওয়ান ইবনু হাকাম (মদীনার) শাসক নিযুক্ত না হন।
(এ সময় এক ঈদের দিনে) মারওয়ান-এর হাত ধরে আমি ঈদগাহের ময়দানে উপস্থিত হলাম। এসে দেখি কাসির ইবনু সালত মাটি ও কাঁচা ইট দিয়ে একটি মিম্বার তৈরি করেছেন। এ সময় মারওয়ান হাত দিয়ে আমার হাত ধরে টানাটানি আরম্ভ করল আমি যেন মিম্বারে উঠে খুতবাহ্ দেই। আর আমি তাকে সালাত আদায়ের জন্য টানতে লাগলাম। আমি তার এ অবস্থা দেখে বললাম, সালাত দিয়ে শুরু করা কোথায় গেল? সে বলল, না, আবূ সা’ঈদ! আপনি যা জানেন তা এখন নেই। আমি বললাম, কখনো নয়। আমার জান যার হাতে নিবন্ধ তার শপথ করে বলছি। আমি যা জানি এর চেয়ে ভাল কিছু তোমরা কখনো বের করতে পারবে না। বর্ণনাকারী বলেন, এ কথা তিনি তিনবার বললেন, তারপর (ঈদগাহ হতে) চলে গেলেন। (মুসলিম)
মূল আরবি
عَن أنس قَالَ: ضَحَّى رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ بِكَبْشَيْنِ أَمْلَحَيْنِ أَقْرَنَيْنِ ذَبَحَهُمَا بِيَدِهِ وَسَمَّى وَكبر قَالَ: رَأَيْته وضاعا قَدَمَهُ عَلَى صِفَاحِهِمَا وَيَقُولُ: "بِسْمِ اللَّهِ وَاللَّهُ أكبر"
تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: متفق عليه
تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: * متفق علیہ، رواہ البخاري (5564) و مسلم (1966/18)
বাংলা অনুবাদ
১৪৫৩- আনাস (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কোন এক কুরবানীর ঈদে ধূসর রং ও শিংওয়ালা দু’টি দুম্বা কুরবানী করলেন। নিজ হাতে তিনি এ দুম্বা দু’টিকে বিসমিল্লা-হ ও আল্ল-হু আকবার বলে যাবাহ করলেন। আমি তাঁকে (যাবাহ করার সময়) দুম্বা দু’টির পাঁজরের উপর নিজের পা রেখে ’বিসমিল্লা-হি ওয়াল্ল-হু আকবার’ বলতে শুনেছি। (বুখারী, মুসলিম)
মূল আরবি
وَعَنْ عَائِشَةَ: أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أَمَرَ بِكَبْشٍ أَقْرَنَ يَطَأُ فِي سَوَادٍ وَيَبْرَكُ فِي سَوَادٍ وَيَنْظُرُ فِي سَوَادٍ فَأُتِيَ بِهِ لِيُضَحِّيَ بِهِ قَالَ: "يَا عَائِشَةُ هَلُمِّي الْمُدْيَةَ" ثُمَّ قَالَ: "اشْحَذِيهَا بِحَجَرٍ" فَفَعَلَتْ ثُمَّ أَخَذَهَا وَأَخَذَ الْكَبْشَ فَأَضْجَعَهُ ثُمَّ ذَبَحَهُ ثُمَّ قَالَ: "بِسْمِ اللَّهِ اللَّهُمَّ تَقَبَّلْ مِنْ مُحَمَّدٍ وَآلِ مُحَمَّدٍ وَمِنْ أُمَّةِ مُحَمَّدٍ" . ثُمَّ ضحى بِهِ. رَوَاهُ مُسلم
تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح
تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: * رواہ مسلم (1967/19)
বাংলা অনুবাদ
১৪৫৪-[২] ’আয়িশাহ্ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, একবার রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এমন একটি শিংওয়ালা দুম্বা আনতে বললেন যা কালোতে হাঁটে। কালোতে শোয়। কালোতে দেখে অর্থাৎ যে দুম্বার পা কালো, পেট কালো ও চোখ কালো। কুরবানী করার জন্য ঠিক এমনি একটি দুম্বা আনা হলো। তখন তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) ’আয়িশাকে বললেন, হে ’আয়িশাহ্! একটি ছুরি লও। এটিকে পাথরে ধাঁর করাও। ’আয়িশাহ্ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) বললেন, আমি তাই করলাম। তারপর তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) ছুরিটি হাতে নিয়ে দুম্বাটিকে ধরলেন।
অতঃপর এটাকে পাঁজরের উপর শোয়ালেন এবং যাবাহ করতে করতে বললেন, ’’আল্লাহর নামে শুরু করছি, হে আল্লাহ! তুমি এ কুরবানীকে মুহাম্মাদ, মুহাম্মাদের পরিবার এবং মুহাম্মাদের উম্মাতের পক্ষ হতে গ্রহণ করো।’’ এরপর তিনি এ কুরবানী দ্বারা লোকদের সকালের খাবার খাইয়ে দিলেন। (মুসলিম)
মূল আরবি
وَعَنْ جَابِرٍ قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: "لَا تَذْبَحُوا إِلَّا مُسِنَّةً إِلَّا أَنْ يَعْسُرَ عَلَيْكُمْ فَتَذْبَحُوا جَذَعَةً مِنَ الضَّأْن" . رَوَاهُ مُسلم
تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح
تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: * رواہ مسلم (1963/13)
বাংলা অনুবাদ
১৪৫৫-[৩] জাবির (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ তোমরা (কুরবানীতে) মুসিন্নাহ্ ছাড়া কোন পশু যাবাহ করবে না। হ্যাঁ, যদি মুসিন্নাহ্ পাওয়া না যায় তবে দুম্বার জাযা’আহ্ যাবাহ করতে পার। (মুসলিম)
মূল আরবি
وَعَنْ عُقْبَةَ بْنِ عَامِرٍ: أَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أَعْطَاهُ غَنَمًا يقسمها على صحابته ضحايا فَبَقيَ عتود فَذكره لِرَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَقَالَ: "ضَحِّ بِهِ أَنْتَ" وَفِي رِوَايَةٍ قُلْتُ: يَا رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أصابني جذع قَالَ: "ضح بِهِ"
تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: متفق عليه
تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: * متفق علیہ، رواہ البخاري (5555) و مسلم (1965/15)
বাংলা অনুবাদ
১৪৫৬-[৪] ’উক্ববাহ্ ইবনু ’আমির (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা)হতে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম একবার তাঁর সাহাবীদের মধ্যে কুরবানী করার জন্য বণ্টন করার সময় ’উক্ববাকে কতগুলো ছাগল-ভেড়া দিলেন। বণ্টনের পর একটি এক বছরের বাচ্চা ছাগল রয়ে গেল। তিনি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে তা জানালেন। তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন, এটি তুমি কুরবানী করে দাও। অপর এক বর্ণনায় আছে, আমি বললাম, হে আল্লাহর রসূল! আমার ভাগে তো একটি মাত্র বাচ্চা ছাগল রইল। তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন, তুমি এটাই কুরবানী করে দাও। (বুখারী, মুসলিম)
মূল আরবি
وَعَنِ ابْنِ عُمَرَ قَالَ: كَانَ النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَذْبَحُ وَيَنْحَرُ بِالْمُصَلَّى. رَوَاهُ البُخَارِيّ
تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح
تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: * رواہ البخاري (982)
বাংলা অনুবাদ
১৪৫৭-[৫] ’আবদুল্লাহ ইবনু ’উমার (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ঈদগাহের ময়দানেই যাবাহ করতেন বা নহর করতেন। (বুখারী)
মূল আরবি
وَعَنْ جَابِرٌ أَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ: "الْبَقَرَةُ عَنْ سَبْعَةٍ وَالْجَزُورُ عَنْ سَبْعَةٍ" . رَوَاهُ مُسْلِمٌ وَأَبُو دَاوُدَ وَاللَّفْظُ لَهُ
تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح
تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: * رواہ مسلم (1318/352) و أبو داود (2808)
বাংলা অনুবাদ
১৪৫৮-[৬] জাবির (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ একটি উট সাতজনের পক্ষ হতে (ঠিক একইভাবে) একটি গরু সাতজনের পক্ষ থেকে (কুরবানী) করা বৈধ হবে। (মুসলিম, আবূ দাঊদ; ভাষা আবূ দাঊদের)
মূল আরবি
وَعَنْ أُمِّ سَلَمَةَ قَالَتْ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: "إِذَا دَخَلَ الْعَشْرُ وَأَرَادَ بَعْضُكُمْ أَنْ يُضَحِّيَ فَلَا يَمَسَّ مِنْ شَعْرِهِ وَبَشَرِهِ شَيْئًا" وَفِي رِوَايَةٍ "فَلَا يَأْخُذَنَّ شَعْرًا وَلَا يَقْلِمَنَّ ظُفْرًا" وَفِي رِوَايَةٍ "مَنْ رَأَى هِلَالَ ذِي الْحِجَّةِ وَأَرَادَ أَنْ يُضَحِّيَ فَلَا يَأْخُذْ مِنْ شَعْرِهِ وَلَا مِنْ أَظْفَارِهِ" . رَوَاهُ مُسلم
تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح
تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: * رواہ مسلم (42، 1977/39)
বাংলা অনুবাদ
১৪৫৯-[৭] উম্মু সালামাহ্ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ তোমাদের কেউ কুরবানী করার ইচ্ছা রাখলে, যিলহাজ্জ মাসের প্রথম দশক শুরু হয়ে গেলে সে যেন নিজের চুল ও চামড়ার কোন কিছু না ধরে অর্থাৎ না কাটে। অন্য এক বর্ণনায় আছে, সে যেন কেশ স্পর্শ না করে ও নখ না কাটে। অপর এক বর্ণনায় আছে, যে ব্যক্তি যিলহাজ্জ মাসের নব চাঁদ দেখবে ও কুরবানী করার নিয়্যাত করবে সে যেন নিজের চুল ও নিজের নখগুলো কর্তন না করে। (মুসলিম)
মূল আরবি
وَعَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: "مَا مِنْ أَيَّامٍ الْعَمَلُ الصَّالِحُ فِيهِنَّ أَحَبُّ إِلَى اللَّهِ مِنْ هَذِهِ الْأَيَّامِ الْعَشَرَةِ" قَالُوا: يَا رَسُولَ اللَّهِ وَلَا الْجِهَادُ فِي سَبِيلِ اللَّهِ؟ قَالَ: "وَلَا الْجِهَادُ فِي سَبِيلِ اللَّهِ إِلَّا رَجُلٌ خَرَجَ بِنَفْسِهِ وَمَالِهِ فَلَمْ يَرْجِعْ مِنْ ذَلِكَ بِشَيْءٍ" . رَوَاهُ البُخَارِيّ
تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح
تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: * رواہ البخاري (969)
বাংলা অনুবাদ
১৪৬০-[৮] ’আবদুল্লাহ ইবনু ’আব্বাস (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেনঃ আল্লাহ তা’আলার নিকট তাঁর দিনসমূহের মধ্যে এমন কোন দিন নেই, যে দিনের ’আমল এ দশদিনের ’আমল অপেক্ষা অধিক প্রিয়। সাহাবীগণ জিজ্ঞেস করলেন, হে আল্লাহর রসূল! আল্লাহর রাস্তায় জিহাদও নয়? তিনি বললেন, আল্লাহর রাস্তায় জিহাদও নয়। তবে যে ব্যক্তি নিজের জীবন ও সম্পদ নিয়ে বের হয়েছে। আর তা হতে কোন কিছু নিয়ে ফিরেনি। (বুখারী)
