মিশকাতুল মাসাবীহ

পরিচ্ছেদ ১৫৪: হাদিস ৩,০৬১-৩,০৮০

এই অধ্যায়ের হাদিসগুলো একই পাতায় পড়ুন। নির্দিষ্ট হাদিসে যেতে তার নম্বর বা anchor ব্যবহার করুন।

এই পাতার হাদিসসমূহনির্দিষ্ট হাদিসে যেতে তালিকাটি খুলুন। শোহাইড
হাদিস ৩,০৬১

মূল আরবি

وَعَنْ قَبِيصَةَ بْنِ ذُؤَيْبٍ قَالَ: جَاءَتِ الْجَدَّةُ إِلَى أَبِي بَكْرٍ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ تَسْأَلُهُ مِيرَاثَهَا فَقَالَ لَهَا: مَا لَكِ فِي كِتَابِ اللَّهِ شَيْءٌ وَمَا لَكِ فِي سُنَّةِ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ شَيْءٌ فَارْجِعِي حَتَّى أَسْأَلَ النَّاسَ فَسَأَلَ فَقَالَ الْمُغِيرَةُ بْنُ شُعْبَةَ: حَضَرْتُ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أَعْطَاهَا السُّدُسَ فَقَالَ أَبُو بَكْرٍ رَضِيَ الله عَنهُ هَل مَعَك غَيره؟ فَقَالَ مُحَمَّدُ بْنُ مَسْلَمَةَ مِثْلَ مَا قَالَ الْمُغيرَة فأنفذه لَهَا أَبُو بَكْرٍ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ ثُمَّ جَاءَتِ الْجدّة الْأُخْرَى إِلَى عُمَرَ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ تَسْأَلُهُ مِيرَاثَهَا فَقَالَ: هُوَ ذَلِك السُّدس فَإِن اجْتمعَا فَهُوَ بَيْنَكُمَا وَأَيَّتُكُمَا خَلَتْ بِهِ فَهُوَ لَهَا.

رَوَاهُ مَالِكٌ وَأَحْمَدُ وَالتِّرْمِذِيُّ وَأَبُو دَاوُدَ وَالدَّارِمِيُّ وَابْن مَاجَه

تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: لم تتم دراسته

تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: * صحیح، رواہ مالک (513/2 ح 1119) و أحمد (225/4 ح 18143) والترمذي، (2101 وقال: حسن صحیح) و أبو داود (2894) و ابن ماجہ (2724) [والدارمي (359/2 ح، 2949) عن الزھري منقطعًا] ٭ قبیصۃ صحابي صغیر رضي اللہ عنہ و ھذا من مراسیل، الصحابۃ و مراسیل الصحابۃ مقبولۃ .

বাংলা অনুবাদ

৩০৬১-[২১] কবীসাহ্ ইবনু যুআয়ব হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আবূ বকর (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা)-এর নিকট এক নানী এসে তার (কন্যার সন্তানের) উত্তরাধিকারের ব্যাপারে জানতে চাইলেন। তিনি তাকে বললেন, আল্লাহর কিতাবে তোমার কোনো অংশ নেই এবং রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সুন্নাতেও তোমার কোনো অংশ নেই। এখন যাও! আমি সাহাবীদের জিজ্ঞেস করে দেখি। তারপর তিনি জিজ্ঞেস করলে মুগীরাহ্ ইবনু শু’বাহ্ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) বললেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট উপস্থিত ছিলাম, তিনি নানীকে ছয় ভাগের এক ভাগ দিয়েছেন। তখন আবূ বকর(রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) বললেন, আপনার সাথে আপনি ছাড়া অপর কেউ ছিল কি? তখন মুহাম্মাদ ইবনু মাসলামাহ্ মুগীরাহ্-এর কথার অনুরূপ বললেন।
অতএব আবূ বকর(রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) তার জন্য ছয় ভাগের এক ভাগ দেয়ার হুকুম দিলেন। (কবীসাহ্ বলেন,) অতঃপর একদিন অন্য দাদী এসে ’উমার (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা)-কে তার উত্তরাধিকার সম্পর্কে জিজ্ঞেস করল। তিনি বললেন, সে ছয় ভাগের এক ভাগই। তোমরা যদি উভয়ে থাক তবে তা তোমাদের মধ্যে সমানভাবে বণ্টন হবে। তবে উভয়ের মধ্যে একজন হলে তা তারই (হক) হবে। (মালিক, আহমাদ, তিরমিযী, আবূ দাঊদ, দারিমী ও ইবনু মাজাহ)

হাদিস ৩,০৬২

মূল আরবি

وَعَنِ ابْنِ مَسْعُودٍ قَالَ فِي الْجَدَّةِ مَعَ ابْنِهَا: أَنَّهَا أَوَّلُ جَدَّةٍ أَطْعَمَهَا رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ سُدُسًا مَعَ ابْنِهَا وَابْنُهَا حَيٌّ. رَوَاهُ التِّرْمِذِيُّ وَالدَّارِمِيُّ وَالتِّرْمِذِيُّ ضَعَّفَهُ

تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: لم تتم دراسته

تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: * إسنادہ ضعیف، رواہ الترمذي (2102) ٭ محمد بن سالم: ضعیف و روی، الدارمي (358/2 ح 2935) من قول ابن مسعود: ’’إن أول جدۃ أطعمت فی الإسلام سھمًا، أم أب و ابنھا حي‘‘ و سندہ ضعیف، محمد بن سیرین: لم یدرک ابن مسعود رضي اللہ عنہ، و أشعث بن سوار: ضعیف و للأثر شواھد ضعیفۃ عند البیھقي (226/6) وغیرہ .

বাংলা অনুবাদ

৩০৬২-[২২] ’আব্দুল্লাহ ইবনু মাস্’ঊদ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, দাদী তার নিজ ছেলের সাথে থাকলে (নাতির) উত্তরাধিকার পাবে কিনা সে ব্যাপারে বলেন যে, সে হলো প্রথম দাদী যাকে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম নিজ ছেলের সাথে এক-ষষ্ঠাংশ দিয়েছেন, অথচ তার ছেলে জীবিত। (তিরমিযী ও দারিমী; কিন্তু ইমাম তিরমিযী হাদীসটিকে য’ঈফ বলেছেন)

হাদিস ৩,০৬৩

মূল আরবি

وَعَنِ الضَّحَّاكِ بْنِ سُفْيَانَ: أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ كَتَبَ إِلَيْهِ: "أَنْ ورث امْرَأَة أَشْيَم الضبابِي مِنْ دِيَةِ زَوْجِهَا" . رَوَاهُ التِّرْمِذِيُّ وَأَبُو دَاوُدَ وَقَالَ التِّرْمِذِيُّ: هَذَا حَدِيثٌ حَسَنٌ صَحِيح

تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: لم تتم دراسته

تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: * صحیح، رواہ الترمذي (2110) و أبو داود (2927)

বাংলা অনুবাদ

৩০৬৩-[২৩] যহহাক ইবনু সুফ্ইয়ান হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর কাছে লিখেছেন, আশ্ইয়াম আয্ যিবাবী-এর স্ত্রীকে তার স্বামীর রক্তপণের অংশ দাও! (তিরমিযী ও আবূ দাঊদ; ইমাম তিরমিযী [রহঃ] বলেন, হাদীসটি হাসান সহীহ)

হাদিস ৩,০৬৪

মূল আরবি

وَعَنْ تَمِيمٍ الدَّارِيِّ قَالَ: سَأَلَتْ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: مَا السُّنَةُ فِي الرَّجُلِ مِنْ أَهْلِ الشِّرْكِ يُسْلِمُ عَلَى يَدَيْ رَجُلٍ مِنَ الْمُسْلِمِينَ؟ فَقَالَ: "هُوَ أَوْلَى النَّاسِ بِمَحْيَاهُ وَمَمَاتِهِ" . رَوَاهُ التِّرْمِذِيُّ وَابْنُ مَاجَهْ وَالدَّارِمِيُّ

تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: لم تتم دراسته

تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: * حسن، رواہ الترمذي (2112) و ابن ماجہ (2752) والدارمي (377/2 ح، 3037)

বাংলা অনুবাদ

৩০৬৪-[২৪] তামীম আদ্ দারী (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে জিজ্ঞেস করলাম, শারী’আতে একজন মুশরিক কোনো মুসলিমের হাতে ইসলাম গ্রহণ করেছে, তার (উত্তরাধিকারের) হুকুম কি? তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেন, সে মুসলিম তার নিকটতম ব্যক্তি তার জীবনে ও মরণে। (তিরমিযী, ইবনু মাজাহ ও দারিমী)

হাদিস ৩,০৬৫

মূল আরবি

وَعَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ: أَنَّ رَجُلًا مَاتَ وَلَمْ يَدَعْ وَارِثًا إِلَّا غُلَامًا كَانَ أَعْتَقَهُ فَقَالَ النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: "هَلْ لَهُ أَحَدٌ؟" قَالُوا: لَا إِلَّا غُلَامٌ لَهُ كَانَ أَعْتَقَهُ فَجَعَلَ النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ مِيرَاثَهُ لَهُ. رَوَاهُ أَبُو دَاوُدَ وَالتِّرْمِذِيُّ وَابْنُ مَاجَه

تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: لم تتم دراسته

تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: * إسنادہ حسن، رواہ أبو داود (2905) والترمذي (2106 وقال: حسن) و، ابن ماجہ (2741) ٭ عوسجۃ: حسن الحدیث .

বাংলা অনুবাদ

৩০৬৫-[২৫] ইবনু ’আব্বাস (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, এক লোক মারা গেল এবং তার মুক্ত করা একটি ক্রীতদাস ছাড়া কাউকেও উত্তরাধিকারী রেখে গেল না। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম জিজ্ঞেস করলেন, তার কি কেউ (আত্মীয়-স্বজন) আছে? লোকেরা বলল, তার মুক্ত করা একটি ক্রীতদাস ছাড়া আর কেউই নেই। তখন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তার উত্তরাধিকার তাকে (ক্রীতদাসকে) দিয়ে দিলেন। (আবূ দাঊদ, তিরমিযী ও ইবনু মাজাহ)

হাদিস ৩,০৬৬

মূল আরবি

وَعَنْ عَمْرِو بْنِ شُعَيْبٍ عَنْ أَبِيهِ عَنْ جَدِّهِ أَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ: "يَرِثُ الْوَلَاءَ مَنْ يَرِثُ الْمَالَ" . رَوَاهُ التِّرْمِذِيُّ وَقَالَ: هَذَا حَدِيثٌ إِسْنَادُهُ لَيْسَ بِالْقَوِيِّ

تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: لم تتم دراسته

تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: * سندہ ضعیف، رواہ الترمذي (2114) ٭ عبد اللہ بن لھیعۃ ضعیف، لاختلاطہ و لہ شاھد عند أحمد (22/1ح 147) و سندہ معلل بالإنقطاع .

বাংলা অনুবাদ

৩০৬৬-[২৬] ’আমর ইবনু শু’আয়ব তাঁর পিতার মাধ্যমে তাঁর দাদা হতে বর্ণনা করেন। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যে ধন-সম্পদের ওয়ারিস হয় সে মুক্ত করা ক্রীতদাসেরও ওয়ারিস হয়। (তিরমিযী; আর তিনি বলেছেন, এর সানাদ মজবুত নয়)

হাদিস ৩,০৬৭

মূল আরবি

عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُمَرَ: أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ: "مَا كَانَ مِنْ مِيرَاثٍ قُسِّمَ فِي الْجَاهِلِيَّةِ فَهُوَ عَلَى قِسْمَةِ الْجَاهِلِيَّةِ وَمَا كَانَ مِنْ مِيرَاثٍ أَدْرَكَهُ الْإِسْلَامُ فَهُوَ عَلَى قِسْمَةِ الْإِسْلَامِ" . رَوَاهُ ابْن مَاجَه

تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: ضعيف

تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: * حسن، رواہ ابن ماجہ (2749) ٭ و للحدیث شاھد حسن عند ابن ماجہ، (2485)

বাংলা অনুবাদ

৩০৬৭-[২৭] ’আব্দুল্লাহ ইবনু ’উমার (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যে উত্তরাধিকার জাহিলিয়্যাত যুগে বণ্টিত হয়েছে, তা জাহিলিয়্যাতের বণ্টন অনুসারেই থাকবে। আর ইসলামের যুগে যে উত্তরাধিকার পেয়েছে, তা ইসলামী শারী’আহ্ অনুসারেই বণ্টিত হবে। (ইবনু মাজাহ)

হাদিস ৩,০৬৮

মূল আরবি

وَعَنْ مُحَمَّدِ بْنِ أَبِي بَكْرِ بْنِ حَزْمٍ أَنَّهُ سَمِعَ أَبَاهُ كَثِيرًا يَقُولُ: كَانَ عُمَرُ بْنُ الْخَطَّابِ يَقُولُ: عَجَبًا لِلْعَمَّةِ تُورَثُ وَلَا تَرث. رَوَاهُ مَالك

تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: لم تتم دراسته

تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: * إسنادہ ضعیف، رواہ مالک (517/2 ح 1124) ٭ أبو بکر بن أبي حزم عن، عمر رضي اللہ عنہ منقطع، انظر جامع التحصیل للعلائي (ص 288) و الجوھر النقي، (213/6)

বাংলা অনুবাদ

৩০৬৮-[২৮] মুহাম্মাদ ইবনু আবূ বকর ইবনু হাযম (রাহিমাহুল্লাহ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, তিনি তাঁর পিতা (আবূ বকর ইবনু হাযম)-কে অনেকবার বলতে শুনেছেন, ’উমার ইবনুল খত্ত্বাব বলতেন, কি আশ্চর্য! ফুফু (ভাইয়ের পুত্র বা মেয়ের) মাওরূস হয় অথচ সে (তাদের) ওয়ারিস হয় না। (মালিক)

হাদিস ৩,০৬৯

মূল আরবি

وَعَنْ عُمَرَ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ قَالَ: تَعَلَّمُوا الْفَرَائِضَ وَزَادَ ابْنُ مَسْعُودٍ: وَالطَّلَاقَ وَالْحَجَّ قَالَا: فَإِنَّهُ من دينكُمْ. رَوَاهُ الدَّارمِيّ

تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: لم تتم دراسته

تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: * إسنادہ ضعیف، رواہ الدارمي (2/ 341 ح 2853۔ 2854، نسخۃ محققۃ:، 2892۔ 2893، 2853 عن عمر، السند منقطع، فیہ مورق العجلي عن عمر و لم یدرکہ، 2854، عن عمر، السند منقطع، إبراہیم عن عمر و لم یدرکہ، و السند إلی إبراہیم ضعیف، الثوري و الأعمش مدلسان و عنھا و حدیث ابن مسعود: ضعیف: 2859، السند منقطع، قاسم، بن الولید الھمداني لم یدرک من روی عنہ۔) انظر الحدیث 111 ص 6

বাংলা অনুবাদ

৩০৬৯-[২৯] ’উমার (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, ’ফারায়িয’ শিক্ষা লাভ কর। ইবনু মাস্’ঊদ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) অতিরিক্ত বলেছেন, তালাক ও হজে/হজ্জের মাসায়িলও। অতঃপর উভয়ে বলেছেন, কেননা তা তোমাদের দীনের অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ। (দারিমী)

হাদিস ৩,০৭০

মূল আরবি

عَنِ ابْنِ عُمَرَ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: "مَا حَقُّ امْرِئٍ مُسْلِمٍ لَهُ شَيْءٌ يُوصَى فِيهِ يَبِيتُ لَيْلَتَيْنِ إِلَّا وَوَصِيَّة مَكْتُوبَة عِنْده"

تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: متفق عليه

تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: * متفق علیہ، رواہ البخاري (2738) و مسلم (1637/1)

বাংলা অনুবাদ

৩০৭০- ’আব্দুল্লাহ ইবনু ’উমার (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যে মুসলিমের এমন ধন-সম্পদ আছে যা ওয়াসিয়্যাত করা যায়; তার নিজের কাছে ওয়াসিয়্যাতনামা লেখে না রেখে দু’ রাত অতিবাহিত করারও তার অধিকার (সুযোগ) নেই। (বুখারী ও মুসলিম)

হাদিস ৩,০৭১

মূল আরবি

وَعَنْ سَعْدِ بْنِ أَبِي وَقَّاصٍ قَالَ: مَرِضْتُ عَامَ الْفَتْحِ مَرَضًا أَشْفَيْتُ عَلَى الْمَوْتِ فَأَتَانِي رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَعُودُنِي فَقُلْتُ: يَا رَسُولَ اللَّهِ: إِنَّ لِي مَالًا كَثِيرًا وَلَيْسَ يَرِثُنِي إِلَّا ابْنَتِي أَفَأُوصِي بِمَالِي كُلِّهِ؟ قَالَ: "لَا" قُلْتُ: فَثُلُثَيْ مَالِي؟ قَالَ: "لَا" قُلْتُ: فَالشَّطْرِ؟ قَالَ: "لَا" قُلْتُ: فَالثُّلُثِ؟ قَالَ: "الثُّلُثُ وَالثُّلُثُ كَثِيرٌ إِنَّكَ إِنْ تَذَرْ وَرَثَتَكَ أَغْنِيَاءَ خَيْرٌ مِنْ أَنْ تَذَرَهُمْ عَالَةً يَتَكَفَّفُونَ النَّاسَ وَإِنَّكَ لَنْ تُنْفِقَ نَفَقَةً تَبْتَغِي بِهَا وَجْهَ اللَّهِ إِلَّا أُجِرْتَ بِهَا حَتَّى اللُّقْمَةَ تَرْفَعُهَا إِلَى فِي امْرَأَتِكَ"

تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: متفق عليه

تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: * متفق علیہ، رواہ البخاري (2742) و مسلم (1628/5)

বাংলা অনুবাদ

৩০৭১-[২] সা’দ ইবনু আবূ ওয়াক্কাস (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, মক্কা বিজয়ের বৎসর আমি এমন এক রোগ-ব্যাধিতে আক্রান্ত হলাম, যা আমি মৃত্যুর দ্বারপ্রান্তে পৌঁছলাম। এমনি সময় রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাকে দেখতে আসলেন। আমি বললাম, হে আল্লাহর রসূল! আমার প্রচুর ধন-সম্পদ আছে, আর আমার একমাত্র কন্যা ছাড়া (ঔরসজাত) কোনো ওয়ারিস নেই। আমি কি আমার সমস্ত ধন-সম্পদ (অপর কারো জন্য) ওয়াসিয়্যাত করে যেতে পারব? তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন, না। আমি বললাম, তাহলে কি দুই-তৃতীয়াংশ? তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন, না। আমি বললাম, তবে কি অর্ধেক? তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন, না। আমি বললাম, তবে কি এক-তৃতীয়াংশ? তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন, হ্যাঁ, এক-তৃতীয়াংশ; আর এক-তৃতীয়াংশও অতিরিক্ত।
তুমি তোমার ওয়ারিসদেরকে দরিদ্র রেখে যাওয়া অপেক্ষা সচ্ছল রেখে যাওয়া তোমার জন্য উত্তম, যাতে তারা অন্যের নিকট যাচ্ঞা না করে (হাত না পাতে)। তুমি আল্লাহর সন্তুষ্টি লাভের উদ্দেশে তোমার পরিবারের প্রতি যে খরচ করবে, নিশ্চয় এতেও তোমাকে সাওয়াব দেয়া হবে- এমনকি তুমি তোমার স্ত্রীর মুখে যে (খাদ্য) লোকমা উঠিয়ে দাও তাতেও। (বুখারী ও মুসলিম)

হাদিস ৩,০৭২

মূল আরবি

عَن سَعْدِ بْنِ أَبِي وَقَّاصٍ قَالَ: عَادَنِي رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَأَنَا مَرِيضٌ فَقَالَ: "أَوْصَيْتَ؟" قُلْتُ: نَعَمْ قَالَ: "بِكَمْ؟" قُلْتُ: بِمَالِي كُلِّهِ فِي سَبِيلِ اللَّهِ. قَالَ: "فَمَا تَرَكْتَ لِوَلَدِكَ؟" قُلْتُ: هُمْ أَغْنِيَاءُ بِخَيْرٍ. فَقَالَ: "أوص بالعشر" فَمَا زَالَت أُنَاقِصُهُ حَتَّى قَالَ: "أَوْصِ بِالثُّلُثِ وَالثُّلُثُ كَثِيرٌ" . رَوَاهُ التِّرْمِذِيّ

تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: لم تتم دراسته

تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: * صحیح، رواہ الترمذي (975 و قال: حسن صحیح)

বাংলা অনুবাদ

৩০৭২-[৩] সা’দ ইবনু আবূ ওয়াক্কাস (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি রোগাগ্রস্ত হয়ে পড়লে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাকে দেখতে এসে জিজ্ঞেস করলেন, তুমি কি ওয়াসিয়্যাত করার ইচ্ছা করেছ? আমি বললাম, হ্যাঁ। তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন, কি পরিমাণ? আমি বললাম, আমার সমস্ত ধন-সম্পদ আল্লাহর পথে দিতে ইচ্ছা পোষণ করেছি। তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন, তোমার সন্তানের জন্য কি রাখতে চাও? আমি বললাম, তারা বহু সম্পদের অধিকারী। তিনি বললেন, তারপরও তুমি এক-দশমাংশ ওয়াসিয়্যাত কর! তিনি (সা’দ) বলেন, আমি সর্বদা তাঁকে ’এটা কম হয়, এটা কম হয়’ বলতে থাকলাম। পরিশেষে তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন, তবে এক-তৃতীয়াংশ ওয়াসিয়্যাত করতে পার, আর এক-তৃতীয়াংশও অধিক। (তিরমিযী)

হাদিস ৩,০৭৩

মূল আরবি

وَعَنْ أَبِي أُمَامَةَ قَالَ: سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَقُولُ فِي خُطْبَتِهِ عَامَ حَجَّةِ الْوَدَاعِ: "إِنِ اللَّهَ قَدْ أَعْطَى كُلَّ ذِي حَقٍّ حَقَّهُ فَلَا وَصِيَّةَ لِوَارِثٍ" . رَوَاهُ أَبُو دَاوُدَ وَابْنُ مَاجَهْ وَزَادَ التِّرْمِذِيُّ: "الْوَلَدُ لِلْفَرَاشِ وَلِلْعَاهِرِ الْحَجَرُ وَحِسَابُهُمْ عَلَى اللَّهِ"

تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح

تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: * صحیح، رواہ أبو داود (2870) و ابن ماجہ (2713) و الترمذي (2120، وقال: حسن)

বাংলা অনুবাদ

৩০৭৩-[৪] আবূ উমামাহ্ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে বিদায় হজে/হজ্জের খুৎবায় বলতে শুনেছি, আল্লাহ প্রত্যেক হকদারকে তার হক দিয়ে দিয়েছেন। সুতরাং কোনো ওয়ারিসের জন্যই কোনো ওয়াসিয়্যাত নেই। (আবূ দাঊদ ও ইবনু মাজাহ)
ইমাম তিরমিযী অতিরিক্ত বলেছেন, [তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এটাও বলেছেনঃ] সন্তান বিছানার মালিকের; আর ব্যভিচারীর জন্য রয়েছে পাথর। আর পরকালে তাদের হিসাব আল্লাহর হাতে।

হাদিস ৩,০৭৪

মূল আরবি

وَيُرْوَى عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُمَا عَنِ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ: "لَا وَصِيَّةَ لِوَارِثٍ إِلَّا أَنْ يَشَاءَ الْوَرَثَةُ" مُنْقَطِعٌ هَذَا لَفْظُ الْمَصَابِيحِ. وَفِي رِوَايَةِ الدَّارَقُطْنِيِّ: قَالَ: "لَا تَجُوزُ وَصِيَّةٌ لِوَارِثٍ إِلَّا أَنْ يَشَاء الْوَرَثَة"

تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: لم تتم دراسته

تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: * إسنادہ ضعیف، رواہ الدارقطني (98/4 ح 4109) [والطبراني في مسند، الشامیین (325/3۔ 326 ح 2410) ٭ فیہ عطاء الخراساني صدوق حسن الحدیث و ثقہ، الجمھور و لکنہ مدلس و عنعن و باقی السند حسن لذاتہ فالسند ضعیف من أجل عنعنتہ و، قال الذہبي: ’’جید الإسناد‘‘ (میزان الاعتدال 481/4)‘‘!!

বাংলা অনুবাদ

৩০৭৪-[৫] ইবনু ’আব্বাস (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ ওয়ারিসের জন্য ওয়াসিয়্যাত নেই, তবে যদি ওয়ারিসরা অনুমতি দেয়। মাসাবীহ-এর এ শব্দ কর্তিত হয়েছে; আর দারাকুত্বনীর বর্ণনায় রয়েছে, তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেনঃ ওয়ারিসের জন্য ওয়াসিয়্যাত জায়িয নেই, তবে ওয়ারিসরা অনুমতি দিলে।

হাদিস ৩,০৭৫

মূল আরবি

وَعَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ عَنْ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ: "إِنَّ الرَّجُلَ لَيَعْمَلُ وَالْمَرْأَةَ بِطَاعَةِ اللَّهِ سِتِّينَ سَنَةً ثُمَّ يَحْضُرُهُمَا الْمَوْتُ فَيُضَارَّانِ فِي الْوَصِيَّةِ فَتَجِبُ لَهُمَا النَّارُ" ثُمَّ قَرَأَ أَبُو هُرَيْرَةَ (مِنْ بَعْدِ وَصِيَّةٍ يُوصَى بِهَا أَوْ دَيْنٍ غير مضار) إِلَى قَوْله (وَذَلِكَ الْفَوْز الْعَظِيم) رَوَاهُ أَحْمَدُ وَالتِّرْمِذِيُّ وَأَبُو دَاوُدَ وَابْنُ مَاجَهْ

تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: لم تتم دراسته

تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: * إسنادہ حسن، رواہ أحمد (278/2 ح 7728) والترمذي (2117 وقال: حسن، غریب) و أبو داود (2867) و ابن ماجہ (2704)

বাংলা অনুবাদ

৩০৭৫-[৬] আবূ হুরায়রাহ্ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ কোনো পুরুষ বা নারী ষাট বছর যাবৎ আল্লাহর ’ইবাদাত করে, অতঃপর তাদের নিকট যখন মৃত্যু এসে পৌঁছে, আর তখন তারা ওয়াসিয়্যাত দ্বারা ওয়ারিসের ক্ষতি করে, যাতে তাদের জন্য জাহান্নাম অবধারিত হয়ে যায়। অতঃপর আবূ হুরায়রাহ্ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) এ আয়াত পাঠ করলেনঃ مِنْۢ بَعْدِ وَصِيَّةٍ يُوْصِىْ بِهَا أَوْ دَيْنٍ ’’ওয়াসিয়্যাতের পর যা ওয়াসিয়্যাত করা হয় এবং ঋণ পরিশোধের পর যদি ওয়াসিয়্যাতকারী ক্ষতি না করে- এটাই বড় সাফল্য’’ আল্লাহ তা’আলার এ বাণী পর্যন্ত। (আহমাদ, তিরমিযী, আবূ দাঊদ ও ইবনু মাজাহ)

হাদিস ৩,০৭৬

মূল আরবি

عَنْ جَابِرٍ قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: "مَنْ مَاتَ عَلَى وَصِيَّةٍ مَاتَ عَلَى سَبِيلٍ وَسُنَّةٍ وَمَاتَ عَلَى تُقًى وَشَهَادَةٍ وَمَاتَ مَغْفُورًا لَهُ" . رَوَاهُ ابْنُ مَاجَهْ

تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: لم تتم دراسته

تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: * إسنادہ ضعیف جدًا، رواہ ابن ماجہ (2701) ٭ فیہ یزید: مجھول، و، عمر بن صبح: متروک کذبہ ابن راھویہ، و أسقطہ ا لمدلس محمد بن المصفی من السند و، الصواب اثباتہ بین یزید و أبی الزبیر، انظر الکامل لابن عدي (1685/5)

বাংলা অনুবাদ

৩০৭৬-[৭] জাবির (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যে ওয়াসিয়্যাত করে মারা গেছে সে সত্যপথ ও সুন্নাতের উপর মারা গেছে, মুত্তাক্বী ও শহীদরূপে মারা গেছে এবং আল্লাহর ক্ষমাপ্রাপ্ত হয়ে মারা গেছে। (ইবনু মাজাহ)

হাদিস ৩,০৭৭

মূল আরবি

وَعَنْ عَمْرِو بْنِ شُعَيْبٍ عَنْ أَبِيهِ عَنْ جَدِّهِ أَنَّ الْعَاصَ بْنَ وَائِلٍ أَوْصَى أَنْ يُعْتَقَ عَنْهُ مِائَةُ رَقَبَةٍ فَأَعْتَقَ ابْنُهُ هِشَامٌ خَمْسِينَ رَقَبَةً فَأَرَادَ ابْنُهُ عَمْرٌو أَنْ يُعْتِقَ عَنهُ الْخمسين الْبَاقِيَة فَقَالَ: حَتَّى أَسْأَلَ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَأَتَى النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَقَالَ: يَا رَسُولَ اللَّهِ إِنَّ أَبِي أَوْصَى أَنْ يُعْتَقَ عَنْهُ مِائَةُ رَقَبَةٍ وَإِنَّ هِشَامًا أَعْتَقَ عَنْهُ خَمْسِينَ وَبَقِيَتْ عَلَيْهِ خَمْسُونَ رَقَبَةً أَفَأَعْتِقُ عَنْهُ فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: "إِنَّه لَو كَانَ مُسلما فأعتقتم عَنْهُ أَوْ تَصَدَّقْتَمْ عَنْهُ أَوْ حَجَجْتَمْ عَنْهُ بلغه ذَلِك" . رَوَاهُ أَبُو دَاوُد

تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: حسن

تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: * إسنادہ حسن، رواہ أبو داود (2883)

বাংলা অনুবাদ

৩০৭৭-[৮] ’আমর ইবনু শু’আয়ব তাঁর পিতা ও দাদা পরম্পরায় বর্ণনা করেন যে, ’আস্ ইবনু ওয়ায়িল (প্রাণ প্রায় ওষ্ঠাগত হওয়ায়) ওয়াসিয়্যাত করে যান যে, তার পক্ষ হতে যেন একশত ক্রীতদাস মুক্ত করা হয়। তদনুসারে তার পুত্র হিশাম পঞ্চাশটি ক্রীতদাস মুক্ত করেন। অতঃপর তাঁর পুত্র ’আমর বাকি পঞ্চাশটি স্বাধীন করার ইচ্ছা পোষণ করলেন। তবে বললেন, আমি স্বাধীন করব না যতক্ষণ না এ সম্পর্কে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে জিজ্ঞেস করব। অতঃপর তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর খিদমাতে গিয়ে বললেন, হে আল্লাহর রসূল! আমার পিতা তার পক্ষ হতে একশত ক্রীতদাস মুক্ত করার ওয়াসিয়্যাত করে গেছেন আর বাকী রয়েছে পঞ্চাশটি; আমি কি তার পক্ষ হতে তা মুক্ত করব?

এমতাবস্থায় রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, সে যদি মুসলিম হতো, আর তোমরা তার পক্ষ হতে তা মুক্ত করতে অথবা দান-সাদাকা করতে বা হজ্জ/হজ করতে, তাহলে তার নিকট তার সাওয়াব পৌঁছত। (আবূ দাঊদ)

হাদিস ৩,০৭৮

মূল আরবি

وَعَنْ أَنَسٍ قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: "مَنْ قَطَعَ مِيرَاثَ وَارِثِهِ قَطَعَ اللَّهُ مِيرَاثَهُ مِنَ الْجَنَّةِ يَوْمَ الْقِيَامَةِ" . رَوَاهُ ابْنُ مَاجَهْ

تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: لم تتم دراسته

تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: * إسنادہ ضعیف جدًا موضوع، رواہ ابن ماجہ (2703 بلفظ: ’’من فر من، میراث وارثہ‘‘ إلخ .) ٭ قال البوصیري: ’’ھذا إسناد ضعیف لضعف زید العمي و ابنہ، عبد الرحیم‘‘ عبد الرحیم: کذاب فالسند موضوع .

বাংলা অনুবাদ

৩০৭৮-[৯] আনাস (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যে ব্যক্তি ওয়ারিসদের উত্তরাধিকারের অংশ কেটেছে, কিয়ামতের দিন আল্লাহ তা’আলা তার জান্নাতের উত্তরাধিকারীর অংশ কেটে নিবেন। (ইবনু মাজাহ)

হাদিস ৩,০৭৯

মূল আরবি

] وَرَوَاهُ الْبَيْهَقِيُّ فِي شُعَبِ الْإِيمَانِ عَنْ أَبِي هُرَيْرَة رَضِي الله عَنهُ

تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: * لم أجدہ، رواہ البیھقي في شعب الإیمان: لم أجدہ و لعلہ یشیر إلی، حدیث: ’’من قطع میراثًا فرضہ اللہ و رسولہ قطع اللہ میراثًا من الجنۃ‘‘ رواہ، البیھقي في شعب الإیمان (نسخۃ محققۃ: 7594) و سندہ ضعیف فیہ سلم بن سلیمان شیخ، بالبصرۃ و لم أجد من وثقہ .

বাংলা অনুবাদ

৩০৭৯-[১০] আর বায়হাক্বী (রাহিমাহুল্লাহ) তাঁর শু’আবুল ঈমানে আবূ হুরায়রাহ্ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণনা করেন।

হাদিস ৩,০৮০

মূল আরবি

عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ مَسْعُودٍ قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: "يَا مَعْشَرَ الشَّبَابِ مَنِ اسْتَطَاعَ مِنْكُمُ الْبَاءَةَ فَلْيَتَزَوَّجْ فَإِنَّهُ أَغَضُّ لِلْبَصَرِ وَأَحْصَنُ لِلْفَرْجِ وَمَنْ لَمْ يَسْتَطِعْ فَعَلَيْهِ بِالصَّوْمِ فَإِنَّهُ لَهُ وِجَاءٌ"

تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: متفق عليه

تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: * متفق علیہ، رواہ البخاري (5066) و مسلم (1400/1)

বাংলা অনুবাদ

৩০৮০- ’আব্দুল্লাহ ইবনু মাস্’ঊদ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ হে যুবক সম্প্রদায়! তোমাদের মধ্যে যে বিবাহের সামর্থ্য রাখে সে যেন অবশ্যই বিবাহ করে। কেননা বিবাহ দৃষ্টি অবনত করে ও লজ্জাস্থানের অধিক অধিক হিফাযাত করে। আর যার সামর্থ্য নেই, সে যেন সওম (রোযা) রাখে। কেননা, সওম তার জন্য ঢালস্বরূপ (অর্থাৎ- অবৈধ যৌনচাহিদা থেকে বিরত রাখে)। (বুখারী ও মুসলিম)