মিশকাতুল মাসাবীহ

পরিচ্ছেদ ১৫৯: হাদিস ৩,১৬১-৩,১৮০

এই অধ্যায়ের হাদিসগুলো একই পাতায় পড়ুন। নির্দিষ্ট হাদিসে যেতে তার নম্বর বা anchor ব্যবহার করুন।

এই পাতার হাদিসসমূহনির্দিষ্ট হাদিসে যেতে তালিকাটি খুলুন। শোহাইড
হাদিস ৩,১৬১

মূল আরবি

وَعَنْ عَائِشَةَ قَالَتْ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: "يَحْرُمُ مِنَ الرَّضَاعَةِ مَا يحرم من الْولادَة" . رَوَاهُ البُخَارِيّ

تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح

تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: * رواہ البخاري (5239)

বাংলা অনুবাদ

৩১৬১-[২] ’আয়িশাহ্ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ বংশগত (রক্ত সম্পর্কের) কারণে ও দুধপান সম্পর্কের ভিত্তিতে সকল ক্ষেত্রে বিবাহ হারাম। (বুখারী ও মুসলিম)

হাদিস ৩,১৬২

মূল আরবি

وَعَنْهَا قَالَتْ: جَاءَ عَمِّي مِنَ الرَّضَاعَةِ فَاسْتَأْذَنَ عَلَيَّ فَأَبَيْتُ أَنْ آذَنَ لَهُ حَتَّى أَسْأَلَ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَجَاءَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَسَأَلْتُهُ فَقَالَ: "أَنَّهُ عَمُّكِ فَأْذَنِي لَهُ" قَالَت: فَقلت: يَا رَسُولَ اللَّهِ إِنَّمَا أَرْضَعَتْنِي الْمَرْأَةُ وَلَمْ يرضعني الرَّجُلُ فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: "إِنَّه عمك فليلج عَلَيْك" وَذَلِكَ بَعْدَمَا ضرب علينا الْحجاب

تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: متفق عليه

تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: * متفق علیہ، رواہ البخاري (5239) و مسلم (1445/7)

বাংলা অনুবাদ

৩১৬২-[৩] উক্ত রাবী [’আয়িশাহ্ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা)] হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, একদা আমার দুধ-চাচা এসে আমার সাথে সাক্ষাতের অনুমতি চাইলে আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে জিজ্ঞেস না করা পর্যন্ত অনুমতি দিতে অস্বীকার করলাম। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আসলে আমি তাঁকে জিজ্ঞেস করলাম। উত্তরে তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন, সে তো তোমার চাচা, তাকে অনুমতি দাও। ’আয়িশাহ্ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) বলেন, আমি বললাম, হে আল্লাহর রসূল! (আমি তো জানি) আমাকে নারী দুধপান করিয়েছে, পুরুষে তো পান করায়নি। প্রত্যুত্তরে তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন যে, তোমার চাচা (আপন চাচার মতো) সে তোমার কাছে আসতেই পারে। (’আয়িশাহ্ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) বলেন) এ ঘটনা আমাদের ওপর পর্দার বিধান অবতীর্ণ হওয়ার পরে সংঘটিত হয়েছে। (বুখারী ও মুসলিম)

হাদিস ৩,১৬৩

মূল আরবি

وَعَنْ عَلِيٍّ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ قَالَ: يَا رَسُولَ اللَّهِ هَلْ لَكَ فِي بِنْتِ عَمِّكَ حَمْزَةَ؟ فَإِنَّهَا أَجْمَلُ فَتَاةٍ فِي قُرَيْشٍ فَقَالَ لَهُ: "أَمَا عَلِمْتَ أَنَّ حَمْزَةَ أَخِي مَنِ الرَّضَاعَةِ؟ وَأَنَّ اللَّهَ حَرَّمَ مِنَ الرَّضَاعَةِ مَا حرم من النّسَب؟" . رَوَاهُ مُسلم

تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح

تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: * رواہ مسلم (1446/11)

বাংলা অনুবাদ

৩১৬৩-[৪] ’আলী (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, (আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে বললাম) হে আল্লাহর রসূল! আপনি কি আপনার চাচা হামযাহ্’র মেয়েকে বিয়ে করতে আগ্রহী হন না? কেননা, সে তো কুরায়শ যুবতীদের মধ্যে সুন্দরী রমণী। তদুত্তরে তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন, তুমি কি জান না যে, হামযাহ্ আমার দুধ-ভাই? আল্লাহ তা’আলা বংশগত (রক্ত সম্পর্কের) কারণে যা হারাম করেছেন, দুগ্ধপান করার কারণেও তা হারাম করেছেন। (মুসলিম)

হাদিস ৩,১৬৪

মূল আরবি

وَعَنْ أُمِّ الْفَضْلِ قَالَتْ: أَنَّ نَبِيَّ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ: "لَا تُحَرِّمُ الرضعة أَو الرضعتان"

تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح

تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: * رواہ مسلم (1451/21)

বাংলা অনুবাদ

৩১৬৪-[৫] উম্মুল ফাযল (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) (’আব্বাস (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা)-এর স্ত্রী) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আল্লাহর নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ একবার বা দু’বারের দুধপানে হারাম হয় না।

হাদিস ৩,১৬৫

মূল আরবি

وَفِي رِوَايَةِ عَائِشَةَ قَالَ: "لَا تُحَرِّمُ الْمَصَّةُ والمصتان"

تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح

تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: * رواہ مسلم (1450/17)

বাংলা অনুবাদ

৩১৬৫-[৬] আর ’আয়িশাহ্ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা)-এর বর্ণনায় রয়েছে, (তিনি বলেন) একবার বা দু’বার চোষণে হারাম হয় না।

হাদিস ৩,১৬৬

মূল আরবি

وَفِي أُخْرَى لِأُمِّ الْفَضْلِ قَالَ: "لَا تُحَرِّمُ الإملاجة والإملاجتان" . هَذِه رِوَايَات لمُسلم

تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح

تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: * رواہ مسلم (1451/18)

বাংলা অনুবাদ

৩১৬৬-[৭] উম্মুল ফাযল (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা)-এর অপর বর্ণনায় আছে, (তিনি বলেন) একবার বা দু’বার (দুধপানের জন্য) মুখে (স্তনে) প্রবেশ করানোর ফলে হারাম হয় না। (উপরোক্ত তিনটি হাদীস ইমাম মুসলিম বর্ণনা করেছেন)

হাদিস ৩,১৬৭

মূল আরবি

وَعَنْ عَائِشَةَ قَالَتْ: كَانَ فِيمَا أُنْزِلَ مِنَ الْقُرْآنِ: "عَشْرُ رَضَعَاتٍ مَعْلُومَاتٍ يُحَرِّمْنَ" . ثُمَّ نُسِخْنَ بِخَمْسٍ مَعْلُومَاتٍ فَتُوُفِّيَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَهِيَ فِيمَا يُقْرَأُ مِنَ الْقُرْآنِ. رَوَاهُ مُسلم

تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح

تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: * رواہ مسلم (1452/24)

বাংলা অনুবাদ

৩১৬৭-[৮] ’আয়িশাহ্ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, কুরআন মাজীদে (প্রথমে) নাযিল হয়েছিল, (وَأُمَّهَاتُكُمُ اللَّاتِىْ أَرْضَعْنَكُمْ) অর্থাৎ- ’’এবং তোমাদের মাতাগণ যারা তোমাদেরকে দুগ্ধপান করিয়েছেন’’- (সূরা আন্ নিসা ৪ : ২৩) এ আয়াতের শেষাংশে] عَشْرُ رَضَعَاتٍ مَعْلُومَاتٍ ’’নিশ্চিত জানা যায় দশবার’’ দুগ্ধপানে হারাম করে, পরে خَمْسٍ مَعْلُومَاتٍ ’’নিশ্চিত জানা যায় পাঁচবার’’-এর দ্বারা তা মানসূখ (রহিত) হয়ে যায়। অতঃপর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইন্তেকাল করেন। অথচ (সাহাবীরা) এটা কুরআনে পড়ত। (মুসলিম)

হাদিস ৩,১৬৮

মূল আরবি

وَعَنْهَا: أَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ دَخَلَ عَلَيْهَا وَعِنْدَهَا رَجُلٌ فَكَأَنَّهُ كَرِهَ ذَلِكَ فَقَالَت: إِنَّه أخي فَقَالَ: "انظرن من إخوانكن؟ فَإِنَّمَا الرضَاعَة من المجاعة"

تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: متفق عليه

تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: * متفق علیہ، رواہ البخاري (5102) ومسلم (1455/22)

বাংলা অনুবাদ

৩১৬৮-[৯] উক্ত রাবী [’আয়িশাহ্ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা)] হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, একদা নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমার ঘরে প্রবেশ করে (অপরিচিত) একজন পুরুষকে দেখতে পেয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করলেন। আমি বললাম, সে তো আমার (দুধ) ভাই। প্রত্যুত্তরে তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন, (শারী’আতের বিধানে দেখ) কারা তোমার দুধ ভাই? কেননা, দুধের বিধান দুধপানের ক্ষুধার তাড়নায় দুধ পান করলে (অর্থাৎ- দুধপানের বয়সের মধ্যে দুধপান করলে বিয়ে হারাম হয় ও পর্দার শিথিলতা থাকে, কিন্তু ঐ বয়সের পরে পান করলে তা নাজায়িয)। (বুখারী ও মুসলিম)

হাদিস ৩,১৬৯

মূল আরবি

وَعَنْ عُقْبَةَ بْنِ الْحَارِثِ: أَنَّهُ تَزَوَّجَ ابْنَةً لِأَبِي إِهَابِ بْنِ عَزِيزٍ فَأَتَتِ امْرَأَةٌ فَقَالَتْ: قَدْ أَرْضَعْتُ عُقْبَةَ وَالَّتِي تَزَوَّجَ بِهَا فَقَالَ لَهَا عُقْبَةُ: مَا أَعْلَمُ أَنَّكِ قَدْ أَرْضَعْتِنِي وَلَا أَخْبَرْتِنِي فَأَرْسَلَ إِلَى آلِ أَبِي إِهَابٍ فَسَأَلَهُمْ فَقَالُوا: مَا عَلِمْنَا أَرْضَعْتَ صَاحِبَتُنَا فَرَكِبَ إِلَى النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ بِالْمَدِينَةِ فَسَأَلَهُ فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: "كَيْفَ وَقَدْ قِيلَ؟" فَفَارَقَهَا عُقْبَةُ وَنَكَحَتْ زوجا غَيره. رَوَاهُ البُخَارِيّ

تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح

تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: * رواہ البخاري (2640)

বাংলা অনুবাদ

৩১৬৯-[১০] ’উকবা ইবনুল হারিস (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত। তিনি আবূ ইহাব ইবনু ’আযীয -এর কন্যাকে বিয়ে করেন। অতঃপর জনৈকা মহিলা এসে বলল, আমি ’উকবা এবং তার স্ত্রীকে দুধপান করিয়েছি (তাদের বিবাহ কি বৈধ?)। ’উকবা উক্ত মহিলাটিকে বললেন, আপনি যে আমাকে দুধ পান করিয়েছেন (আমি জানি না) এবং তা কক্ষনো আমাকে বলেননি। অতঃপর তিনি (’উকবা ইবনুল হারিস) তার স্ত্রীর পরিবারের নিকট লোক পাঠিয়ে জানতে চাইলেন, উত্তরে তারা বলল যে, ঐ মহিলাটি যে আমাদের কন্যাকে দুধ পান করিয়েছে, তা আমরাও জানি না। অতঃপর ’উকবা মদীনায় এসে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট উপস্থিত হয়ে জানতে চাইলেন।

উত্তরে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, তোমরা কিভাবে দাম্পত্য জীবন যাপন করবে, যেহেতু একটি কথা (দুধপানের ব্যাপারে) উঠেছে? এটা শুনে ’উকবা তার স্ত্রীকে ত্যাগ করলেন (তালাক দিলেন) এবং ঐ স্ত্রী অন্যত্র অন্য পুরুষের সঙ্গে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হলো। (বুখারী)

হাদিস ৩,১৭০

মূল আরবি

وَعَنْ أَبِي سَعِيدٍ الْخُدْرِيُّ: أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَوْمَ حُنَيْنٍ بَعَثَ جَيْشًا إِلَى أَوْطَاسٍ فَلَقُوا عَدُوًّا فَقَاتَلُوهُمْ فَظَهَرُوا عَلَيْهِمْ وَأَصَابُوا لَهُمْ سَبَايَا فَكَأَنَّ نَاسًا مِنْ أَصْحَابِ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ تَحَرَّجُوا مِنْ غِشْيَانِهِنَّ مِنْ أَجْلِ أَزْوَاجِهِنَّ مِنَ الْمُشْرِكِينَ فَأَنْزَلَ اللَّهُ تَعَالَى فِي ذَلِكَ (وَالْمُحْصَنَاتُ مِنَ النِّسَاء إِلَّا مَا ملكت أَيْمَانكُم) أَيْ فَهُنَّ لَهُمْ حَلَالٌ إِذَا انْقَضَتْ عِدَّتُهُنَّ. رَوَاهُ مُسلم

تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح

تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: * رواہ مسلم (33/ 1456)

বাংলা অনুবাদ

৩১৭০-[১১] আবূ সা’ঈদ আল খুদরী (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হুনায়ন যুদ্ধের সময় আওত্বাস-এর (ত্বায়িফ-এর সন্নিকটবর্তী এলাকার) দিকে একটি সেনাবাহিনী পাঠালেন। তারা শত্রুর ওপর জয়লাভ করেন এবং কিছুসংখ্যক নারী তাদের হস্তগত হয় (যা গনীমাত হিসেবে পরবর্তীতে দাসীতে রূপান্তরিত হয়)। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর কোনো কোনো সাহাবী অধিকৃত নারীদের মুশরিক স্বামীর থাকার কারণে তাদের সাথে সহবাস করতে অনিচ্ছা প্রকাশ করেন। (যেহেতু তাদের মুশরিক স্বামীগণ পরাজিত ও পলাতক শত্রুদের মধ্যে জীবিত রয়েছে)।

অতঃপর এ সম্পর্কে আল্লাহ তা’আলা আয়াত নাযিল করলেন, অর্থাৎ- ’’এবং (নারীর মধ্যে) তোমাদের অধিকারভুক্ত দাসী ব্যতীত সকল সধবা নিষিদ্ধ’’- (সূরা আন্ নিসা ৪ : ২৪)। (রাবী বলেন) অতঃপর ঐ সমস্ত দাসী তোমাদের জন্য হালাল যখন তাদের ’ইদ্দত (এক ঋতু) পূর্ণ হলো। (মুসলিম)

হাদিস ৩,১৭১

মূল আরবি

عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ: أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ نَهَى أَنْ تُنْكَحَ الْمَرْأَةُ عَلَى عَمَّتِهَا أَوِ الْعَمَّةُ عَلَى بِنْتِ أَخِيهَا وَالْمَرْأَةُ عَلَى خَالَتِهَا أَوِ الْخَالَةُ عَلَى بِنْتِ أُخْتِهَا لَا تُنْكَحُ الصُّغْرَى عَلَى الْكُبْرَى وَلَا الْكُبْرَى عَلَى الصُّغْرَى. رَوَاهُ التِّرْمِذِيُّ وَأَبُو دَاوُدَ والدارمي وَالنَّسَائِيّ وَرِوَايَته إِلَى قَوْله: بنت أُخْتهَا

تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: لم تتم دراسته

تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: * إسنادہ صحیح، رواہ الترمذي (1126 وقال: حسن صحیح) و أبو داود، (2065) و الدارمي (136/2 ح2184) و النسائي (98/6 ح 3298 مختصرًا و عندہ: ’’بنت، أخیھا‘‘ / مذکر)

বাংলা অনুবাদ

৩১৭১-[১২] আবূ হুরায়রাহ্ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কোনো পুরুষের পক্ষে বিবাহ করতে নিষেধ করেছেন- কোনো রমণীকে তার ফুফুর সাথে, ফুফুকে তার ভাইয়ের মেয়ের সাথে, ভাইয়ের মেয়েকে তার ফুফুর সাথে, খালাকে তার বোনের মেয়ের সাথে অথবা বোনের মেয়েকে তার খালার সাথে; এমনিভাবে ছোট বোনকে বড় বোনের সাথে, বড় বোনকে ছোট বোনের সাথে। (তিরমিযী, আবূ দাঊদ, দারিমী; নাসায়ী শেষ বাক্যটি বর্ণনা করেছেন ’’বোনের মেয়ে’’ পর্যন্ত)

হাদিস ৩,১৭২

মূল আরবি

وَعَنِ الْبَرَاءِ بْنِ عَازِبٍ قَالَ: مَرَّ بِي خَالِي أَبُو بردة بن دِينَار وَمَعَهُ لِوَاءٌ فَقُلْتُ: أَيْنَ تَذْهَبُ؟ قَالَ: بَعَثَنِي النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ إِلَى رَجُلٍ تَزَوَّجَ امْرَأَةَ أَبِيهِ آتِيهِ بِرَأْسِهِ. رَوَاهُ التِّرْمِذِيُّ وَأَبُو دَاوُد

تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: لم تتم دراسته

تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: * صحیح، رواہ الترمذي (1362 وقال: حسن غریب) و أبو داود (4456 و، الروایۃ الثانیۃ لہ: 4457) و النسائي (110/6 ح 3334) وابن ماجہ (2607) و الدارمي، (153/2 ح 2245)

বাংলা অনুবাদ

৩১৭২-[১৩] বারা ইবনু ’আযিব (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, একদিন আমার মামা আবূ বুরদাহ্ ইবনু নায়ার -কে পতাকা হাতে নিয়ে কোথাও যাচ্ছিলেন। আমি জিজ্ঞেস করলাম, কোথায় যাচ্ছেন? উত্তরে বললেন, এক লোক তার পিতার (কোন) স্ত্রীকে বিয়ে করেছে, তার মাথা কাটার জন্য রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাকে পাঠিয়েছেন। (তিরমিযী ও আবূ দাঊদ)
আবূ দাঊদ, নাসায়ী, ইবনু মাজাহ ও দারিমীর অপর বর্ণনায় আছে যে, আমাকে তার গর্দান কাটতে (হত্যা করার) এবং ধন-সম্পদ ছিনিয়ে নেয়ার নির্দেশ দিয়েছেন। এ বর্ণনায় ’মামার’ শব্দের স্থলে ’চাচার’ উল্লেখ আছে।

হাদিস ৩,১৭৩

মূল আরবি

وَعَنْ أُمِّ سَلَمَةَ قَالَتْ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: "لَا يُحَرِّمُ مِنَ الرِّضَاعِ إِلَّا مَا فَتَقَ الْأَمْعَاءَ فِي الثَّدْيِ وَكَانَ قبل الْفِطَام" . رَوَاهُ التِّرْمِذِيّ

تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: لم تتم دراسته

تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: * صحیح، رواہ الترمذي (1152 وقال: حسن صحیح)

বাংলা অনুবাদ

৩১৭৩-[১৪] উম্মু সালামাহ্ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ দুগ্ধপান ততক্ষণ পর্যন্ত হারাম হয় যখন দুগ্ধপান পাকস্থলীতে প্রবেশ করে এবং যে দুধ ছাড়ানোর পূর্বে পান করা হয়। (তিরমিযী)

হাদিস ৩,১৭৪

মূল আরবি

وَعَنْ حَجَّاجِ بْنِ حَجَّاجٍ الْأَسْلَمِيِّ عَنْ أَبِيهِ أَنَّهُ قَالَ: يَا رَسُولَ اللَّهِ مَا يُذْهِبُ عَنِّي مَذَمَّةَ الرِّضَاعِ؟ فَقَالَ: غُرَّةٌ: عَبْدٌ أَوْ أَمَةٌ . رَوَاهُ التِّرْمِذِيُّ وَأَبُو دَاوُدَ وَالنَّسَائِيُّ وَالدَّارِمِيُّ

تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: لم تتم دراسته

تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: * إسنادہ حسن، رواہ الترمذي (1153 وقال: حسن صحیح) و أبو داود، (2064) و النسائي (108/6 ح 3331) والدارمي (157/2 ح 2259)

বাংলা অনুবাদ

৩১৭৪-[১৫] হাজ্জাজ ইবনু হাজ্জাজ আল আসলামী তাঁর পিতা হতে বর্ণনা করেন। তিনি বলেন, (রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে জিজ্ঞেস করলেন) হে আল্লাহর রসূল! কিভাবে আমি দুধপানের হক আদায় করতে পারি? উত্তরে তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন, একটি (উত্তম) দাস বা দাসী মুক্ত করলে। (তিরমিযী, আবূ দাঊদ, নাসায়ী, দারিমী)

হাদিস ৩,১৭৫

মূল আরবি

وَعَنْ أَبِي الطُّفَيْلِ الْغَنَوِيِّ قَالَ: كُنْتُ جَالِسًا مَعَ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ إِذْ أَقْبَلَتِ امْرَأَةٌ فَبَسَطَ النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ رِدَاءَهُ حَتَّى قَعَدَتْ عَلَيْهِ فَلَمَّا ذَهَبَتْ قِيلَ هَذِهِ أَرْضَعَتِ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ. رَوَاهُ أَبُو دَاوُدَ

تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: لم تتم دراسته

تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: * إسنادہ ضعیف، رواہ أبو داود (5144) ٭ عمارۃ بن ثوبان: مستور و، جعفر بن یحیی مثلہ .

বাংলা অনুবাদ

৩১৭৫-[১৬] আবূ তুফায়ল আল গানবী (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, একদিন আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট বসেছিলাম এমন সময় এক মহিলা আসলেন। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম স্বীয় (শরীরের) চাদর বিছিয়ে দিলেন, উক্ত মহিলা তার উপর বসলেন। যখন সে চলে গেলেন, তখন (সাহাবীগণের) কেউ বলল, এ মহিলা তো নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে দুধপান করিয়েছেন। (আবূ দাঊদ)

হাদিস ৩,১৭৬

মূল আরবি

وَعَنِ ابْنِ عُمَرَ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ أَنَّ غيلَان بن سَلمَة الثَّقَفِيَّ أَسْلَمَ وَلَهُ عَشْرُ نِسْوَةٍ فِي الْجَاهِلِيَّةِ فَأَسْلَمْنَ مَعَهُ فَقَالَ النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: "أَمْسِكْ أَرْبَعًا وَفَارِقْ سَائِرَهُنَّ" . رَوَاهُ أَحْمَدُ وَالتِّرْمِذِيّ وَابْن مَاجَه

تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح

تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: * سندہ ضعیف، رواہ أحمد (44/2 ح 5027) و الترمذي (1128) و ابن ماجہ، (1953) ٭ الزھري مدلس و عنعن و للحدیث شواھد ضعیفۃ .

বাংলা অনুবাদ

৩১৭৬-[১৭] ’আব্দুল্লাহ ইবনু ’উমার (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, গয়লান ইবনু সালামাহ্ আস্ সাকাফী (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) ইসলাম গ্রহণ করেন এবং তাঁর সাথে জাহিলিয়্যাত যুগে বিবাহিতা ১০ জন স্ত্রীও মুসলিম হলেন। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁকে বললেন, তুমি চারজন স্ত্রীকে রেখে বাকি সবাইকে ছেড়ে (পৃথক করে) দাও। (আহমাদ, তিরমিযী, ইবনু মাজাহ)

হাদিস ৩,১৭৭

মূল আরবি

وَعَنْ نَوْفَلِ بْنِ مُعَاوِيَةَ قَالَ: أَسْلَمْتُ وَتَحْتِي خَمْسُ نِسْوَةٍ فَسَأَلْتُ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَقَالَ: "فَارِقْ وَاحِدَةً وَأَمْسِكْ أَرْبَعًا" فَعَمَدْتُ إِلَى أَقْدَمِهِنَّ صُحْبَةً عِنْدِي: عَاقِرٍ مُنْذُ سِتِّينَ سنة ففارقتها. رَوَاهُ فِي شرح السّنة

تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: لم تتم دراسته

تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: * إسنادہ ضعیف، رواہ البغوي في شرح السنۃ (90/9۔ 91 ح 22899) [و، الشافعي 351/2: أخبرنا بعض أصحابنا عن أبی الزناد إلخ و من طریقہ البیھقي، (184/7) و ھذا البعض مجھول]

বাংলা অনুবাদ

৩১৭৭-[১৮] নাওফাল ইবনু মু’আবিয়াহ্ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি যখন ইসলাম গ্রহণ করি, তখন আমার ৫ জন স্ত্রী ছিল- এ ব্যাপারে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে জিজ্ঞেস করলাম। তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন, একজনকে পৃথক করে দাও এবং ৪ জনকে রাখ (বা রাখতে পার)। অতঃপর আমি অধিককাল (সর্বপ্রথমা) আমার সাহযর্যে ৬০ বছর যাবৎ বন্ধ্যা অবস্থায় কাটিয়েছে, তাকেই বিদায় করার ইচ্ছা করে বিদায় করলাম। (শারহুস্ সুন্নাহ্)

হাদিস ৩,১৭৮

মূল আরবি

وَعَنِ الضَّحَّاكِ بْنِ فَيْرُوزٍ الدَّيْلَمِيِّ عَنْ أَبِيهِ قَالَ: قَلْتُ: يَا رَسُولَ اللَّهِ إِنِّي أَسْلَمْتُ وتحتي أختَان قَالَ: "اختر أيتها شِئْتَ" . رَوَاهُ التِّرْمِذِيُّ وَأَبُو دَاوُدَ وَابْنُ مَاجَهْ

تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: لم تتم دراسته

تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: * إسنادہ حسن، رواہ الترمذي (1130) و أبو داود (2243) و ابن ماجہ، (1951)

বাংলা অনুবাদ

৩১৭৮-[১৯] যহহাক ইবনু ফায়রূয্ আদ্ দায়লামী (রাহিমাহুল্লাহ) তাঁর পিতা হতে বর্ণনা করেন। তিনি বলেন, আমি বললাম, হে আল্লাহর রসূল! আমি মুসলিম হয়েছি, কিন্তু আমার অধীনে দু’ স্ত্রী পরস্পর দু’ বোন। উত্তরে তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন, তাদের মধ্যে কোনো একজনকে পছন্দ কর (রাখতে পার)। (তিরমিযী, আবূ দাঊদ, ইবনু মাজাহ)

হাদিস ৩,১৭৯

মূল আরবি

وَعَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ قَالَ: أَسْلَمَتِ امْرَأَةٌ فَتَزَوَّجَتْ فَجَاءَ زَوْجُهَا إِلَى النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَقَالَ: يَا رَسُولَ اللَّهِ إِنِّي قَدْ أَسْلَمْتُ وَعَلِمَتْ بِإِسْلَامِي فَانْتَزَعَهَا رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ مِنْ زَوْجِهَا الْآخَرِ وَرَدَّهَا إِلَى زَوْجِهَا الْأَوَّلِ وَفِي رِوَايَةٍ: أَنَّهُ قَالَ: إِنَّهَا أَسْلَمَتْ مَعِي فَرَدَّهَا عَلَيْهِ. رَوَاهُ أَبُو دَاوُد

تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: لم تتم دراسته

تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: * إسنادہ ضعیف، رواہ أبو داود (2238۔ 2239) ٭ سماک بن حرب: ضعیف، الحدیث عن عکرمۃ، صحیح الحدیث عن غیرہ، إذا حدّث قبل الاختلاط کما حققتہ في، رسالۃ خاصۃ و الحمد للّٰہ .

বাংলা অনুবাদ

৩১৭৯-[২০] ’আব্দুল্লাহ ইবনু ’আব্বাস (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, জনৈকা নারী মুসলিম হয়ে (নতুন) বিবাহ করে। অতঃপর তার (পূর্ব) স্বামী এসে বলল, হে আল্লাহর রসূল! আমিও মুসলিম হয়েছি এবং সে (স্ত্রী) আমার ইসলাম গ্রহণের সংবাদ জানে। এটা শুনে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম উক্ত নারীকে তার নবাগত স্বামী হতে বিচ্ছিন্ন করে পূর্ববর্তী স্বামীর কাছে অর্পিত করলেন।
অপর বর্ণনায় আছে, সে (স্বামী) বলল, আমরা একসাথেই মুসলিম হয়েছি, এতে স্ত্রীকে তার (পূর্বের স্বামীর) নিকট ফিরিয়ে দিলেন। (আবূ দাঊদ)

হাদিস ৩,১৮০

মূল আরবি

وَرُوِيَ فِي "شَرْحِ السُّنَّةِ" : أَنَّ جَمَاعَةً مِنَ النِّسَاءِ رَدَّهُنَّ النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ بِالنِّكَاحِ الأول على أَزوَاجهنَّ عِنْد اجْتِمَاع الإسلاميين بَعْدَ اخْتِلَافِ الدِّينِ وَالدَّارِ مِنْهُنَّ بِنْتُ الْوَلِيدِ بْنِ مُغِيرَةَ كَانَتْ تَحْتَ صَفْوَانَ بْنِ أُمَيَّةَ فَأَسْلَمَتْ يَوْمَ الْفَتْحِ وَهَرَبَ زَوْجُهَا مِنَ الْإِسْلَامِ فَبعث النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ إِلَيْهِ ابْنَ عَمِّهِ وَهْبَ بْنَ عُمَيْرٍ بِرِدَاءِ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أَمَانًا لِصَفْوَانَ فَلَمَّا قَدِمَ جَعَلَ لَهُ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ تَسْيِيرَ أَرْبَعَةِ أَشْهُرٍ حَتَّى أَسْلَمَ فَاسْتَقَرَّتْ عِنْدَهُ وَأَسْلَمَتْ أَمُّ حَكِيمٍ بِنْتُ الْحَارِثِ بْنِ هِشَامٍ امْرَأَةُ عِكْرِمَةَ بْنِ أَبِي جَهْلٍ يَوْمَ الْفَتْحِ بِمَكَّةَ وَهَرَبَ زَوْجُهَا مِنَ الْإِسْلَامِ حَتَّى قَدِمَ الْيَمَنَ فَارْتَحَلَتْ أَمُّ حَكِيمٍ حَتَّى قَدِمَتْ عَلَيْهِ الْيَمَنَ فَدَعَتْهُ إِلَى الْإِسْلَامِ فَأَسْلَمَ فَثَبَتَا عَلَى نِكَاحِهِمَا.

رَوَاهُ مَالِكٌ عَنِ ابْنِ شهَاب مُرْسلا

تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: لم تتم دراسته

تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: * سندہ ضعیف، مالک فی الموطأ (543/2۔ 545 ح 1181) والبغوي في شرح، السنۃ (96/9 بعد ح 2290 بدون سند) ٭ سندہ ضعیف لأن الزھري قال أنہ بلغہ وحدیث، مسلم (2313) یغني عنہ .

বাংলা অনুবাদ

৩১৮০-[২১] শারহুস্ সুন্নাহ্-তে বর্ণিত আছে, স্বামী-স্ত্রীর একসাথে মুসলিম হওয়ায় নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কিছু সংখ্যক স্ত্রীলোকের তাদের পূর্ব স্বামীগণের নিকট ফিরিয়ে দিলেন, যদিও ধর্ম ও অবস্থানগত দিক দিয়ে পার্থক্য দেখা দিল। তন্মধ্যে একজন হলো ওয়ালীদ ইবনু মুগীরাহ্-এর কন্যা ও সফ্ওয়ান ইবনু উমাইয়্যাহ্’র স্ত্রী যারা মক্কা বিজয়ের দিন ইসলাম গ্রহণ করে এবং তাদের স্বামী ইসলাম কবূলের ভয়ে পালিয়ে যায়। অতঃপর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সফ্ওয়ান-কে নিরাপত্তাদানের উদ্দেশে স্বীয় চাদর দিয়ে তার চাচাতো ভাই ওয়াহ্ব ইবনু ’উমায়র-কে তার নিকট পাঠালেন। যখন সফ্ওয়ান ফিরে আসলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে চারমাস অবাধে ঘুরে বেড়াবার অবকাশ দিলেন (এজন্য যে, মুসলিমদের সাথে চলাফেরায় তাদের ’আমল-আখলাকের সৌন্দর্য দেখে ইসলাম গ্রহণে উদ্বুদ্ধ হয়)। অবশেষে সে মুসলিম হয় এবং তার স্ত্রী তার নিকটেই থেকে যায়। অপর একজন হলো ’ইকরিমাহ্ ইবনু আবূ জাহাল-এর স্ত্রী হারিস বিনতু হাকীম মক্কা বিজয়ের দিনে ইসলাম গ্রহণের ভয়ে পালিয়ে ইয়ামানে চলে যায়। তার স্ত্রী উম্মু হাকীম স্বামীর উদ্দেশে ইয়ামানে যায় এবং স্বামীকে ইসলামের প্রতি আহবান জানালে সে মুসলিম হয় এবং উভয়ের পূর্ব বিবাহ অটুট থাকে।
(ইমাম মালিক হাদীসটি মুহাম্মাদ ইবনু শিহাব যুহরী হতে মুরসালরূপে বর্ণনা করেন)