মিশকাতুল মাসাবীহ
পরিচ্ছেদ ১৬০: হাদিস ৩,১৮১-৩,২০০
এই অধ্যায়ের হাদিসগুলো একই পাতায় পড়ুন। নির্দিষ্ট হাদিসে যেতে তার নম্বর বা anchor ব্যবহার করুন।
এই পাতার হাদিসসমূহনির্দিষ্ট হাদিসে যেতে তালিকাটি খুলুন। শোহাইড
মূল আরবি
عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ قَالَ: حُرِّمَ مِنَ النَّسَبِ سَبْعٌ وَمِنَ الصِّهْرِ سَبْعٌ ثُمَّ قَرَأَ: (حُرِّمَتْ عَلَيْكُم أُمَّهَاتكُم) الْآيَة. رَوَاهُ البُخَارِيّ
تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح
تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: * رواہ البخاري (5105)
বাংলা অনুবাদ
৩১৮১-[২২] ইবনু ’আব্বাস (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, বংশগত বা রক্ত সম্পর্কের কারণে এবং বৈবাহিক বন্ধনের কারণে সাত শ্রেণীর রমণীর সাথে বিবাহ হারাম করা হয়েছে। অতঃপর তিনি কুরআন মাজীদের আয়াত, অর্থাৎ- ’’তোমাদের ওপর হারাম করা হয়েছে তোমাদের মাতাগণকে (বিবাহ করতে)’’- (সূরা আন্ নিসা ৪ : ২৩) শেষ পর্যন্ত তিলাওয়াত করলেন। (বুখারী)
মূল আরবি
وَعَنْ عَمْرِو بْنِ شُعَيْبٍ عَنْ أَبِيهِ عَنْ جَدِّهِ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ: "أَيُّمَا رَجُلٍ نَكَحَ امْرَأَةً فَدَخَلَ بهَا فَلَا يَحِلُّ لَهُ نِكَاحُ ابْنَتِهَا وَإِنْ لَمْ يَدْخُلْ بِهَا فَلْيَنْكِحِ ابْنَتَهَا وَأَيُّمَا رَجُلٍ نَكَحَ امْرَأَةً فَلَا يَحِلُّ لَهُ أَنْ يَنْكِحَ أُمَّهَا دَخَلَ أَوْ لَمْ يَدْخُلْ" . رَوَاهُ التِّرْمِذِيُّ وَقَالَ: هَذَا حَدِيثٌ لَا يَصِحُّ مِنْ قِبَلِ إِسْنَادِهِ إِنَّمَا رَوَاهُ ابْنُ لَهِيعَةَ وَالْمُثَنَّى بْنُ الصَّبَّاحِ عَنْ عَمْرِو بْنِ شُعَيْبٍ وَهُمَا يُضَعَّفَانِ فِي الْحَدِيثِ
تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: لم تتم دراسته
تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: * إسنادہ ضعیف، رواہ الترمذي (1117) ٭ ابن لھیعۃ مدلس و عنعن و، المثنی بن الصباح: ضعیف .
বাংলা অনুবাদ
৩১৮২-[২৩] ’আমর ইবনু শু’আয়ব (রাহিমাহুল্লাহ) তাঁর পিতার মাধ্যমে দাদা হতে বর্ণনা করেন। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যে ব্যক্তি কোনো (বিবাহিতা) স্ত্রীর সাথে সহবাস করে, তাহলে ঐ স্ত্রীর (পূর্ব স্বামীর) মেয়েকে বিবাহ করা হালাল নয়। আর যদি সহবাস না করে থাকে, তবে সে (তালাক দিয়ে ’ইদ্দত পালন শেষে) ঐ স্ত্রীর (পূর্ব স্বামীর) মেয়েকে বিয়ে করতে পারে। পক্ষান্তরে যে ব্যক্তি কোনো রমণীকে বিয়ে করে, তাদের মধ্যে সহবাস হোক অথবা না হোক উভয় অবস্থায় উক্ত স্ত্রীর মা-কে (শাশুড়িকে) বিয়ে করা তার জন্য হালাল নয়। (তিরমিযী; ইমাম তিরমিযী তাঁর সুনান-এ বলেন, বর্ণনার নীতি অনুযায়ী হাদীসটি সহীহ নয়; কারণ হাদীসটি ইবনু লাহী’আহ্ ও মুসান্না ইবনুস্ সববাহ ’আমর ইবনু শু’আয়ব হতে বর্ণনা করেছেন। তারা উভয়ে হাদীস বর্ণনায় দুর্বল, অর্থাৎ- বর্ণনাকারীর স্বীকৃত গুণাবলীর ত্রুটি-বিচ্যুতিতে দুর্বল)
মূল আরবি
عَنْ جَابِرٍ قَالَ: كَانَتِ الْيَهُودُ تَقُولُ: إِذَا أَتَى الرَّجُلُ امْرَأَتَهُ مِنْ دُبُرِهَا فِي قُبُلِهَا كَانَ الْوَلَد أَحول فَنزلت: (نساوكم حرث لكم فَأتوا حَرْثكُمْ أَنى شِئْتُم)
تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: متفق عليه
تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: * متفق علیہ، رواہ البخاري (4528) و مسلم (117/ 1435)
বাংলা অনুবাদ
৩১৮৩- জাবির (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, ইয়াহূদীগণ বলত, কেউ যদি পিছন দিক হতে স্ত্রীর যৌনাঙ্গে সঙ্গম করে তাহলে সন্তান ট্যারা বা টেগ্রা হয়। এমতাবস্থায় কুরআন মাজীদের এ আয়াত নাযিল হয়, অর্থাৎ- ’’তোমাদের স্ত্রীগণ তোমাদের শস্যক্ষেত্র, তোমরা তোমাদের শস্যক্ষেত্রে যেভাবে ইচ্ছা যেতে পার’’- (সূরা আল বাকারা ২ : ২২৩)। (বুখারী ও মুসলিম)
মূল আরবি
وَعنهُ كُنَّا نَعْزِلُ وَالْقُرْآنُ يَنْزِلُ. مُتَّفَقٌ عَلَيْهِ. وَزَادَ مُسْلِمٌ: فَبَلَغَ ذَلِكَ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَلم ينهنا
تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: متفق عليه
تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: * رواہ مسلم (1440/138)
বাংলা অনুবাদ
৩১৮৪-[২] উক্ত রাবী [জাবির (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা)] হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, যখন কুরআন মাজীদ নাযিল হচ্ছিল তখন আমরা ’আযল করতাম। (বুখারী ও মুসলিম)
মুসলিম-এর অপর বর্ণনায় আছে, আমাদের এ সংবাদ নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট পৌঁছলে তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) আমাদেরকে নিষেধ করেননি।
মূল আরবি
وَعَنْهُ قَالَ: إِنَّ رَجُلًا أَتَى رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَقَالَ: إِن لي جَارِيَةً هِيَ خَادِمَتُنَا وَأَنَا أَطُوفُ عَلَيْهَا وَأَكْرَهُ أَنْ تَحْمِلَ فَقَالَ: "اعْزِلْ عَنْهَا إِنْ شِئْتَ فَإِنَّهُ سَيَأْتِيهَا مَا قُدِّرَ لَهَا" . فَلَبِثَ الرَّجُلُ ثمَّ أَتَاهُ فَقَالَ: إِن الْجَارِيَة قد حبلت فَقَالَ: "قَدْ أَخْبَرْتُكَ أَنَّهُ سَيَأْتِيهَا مَا قُدِّرَ لَهَا" . رَوَاهُ مُسلم
تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح
تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: * رواہ مسلم (1439/139)
বাংলা অনুবাদ
৩১৮৫-[৩] উক্ত রাবী [জাবির (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা)] হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, এক ব্যক্তি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকটে এসে বলল, আমার এক দাসী আছে, সে আমাদের কাজকর্ম করে। আমি তার সাথে সহবাস করি; কিন্তু সে গর্ভবতী হোক, এটা আমি চাই না? উত্তরে তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন, তুমি ইচ্ছা করলে ’আযল করতে পার। তবে জেনে রেখ তার জন্য যা তাকদীরে নির্ধারিত হয়েছে তা অবশ্যই ঘটবে। কিছু দিন পরে উক্ত ব্যক্তি এসে বলল, সে দাসী (’আযল করা সত্ত্বেও) গর্ভবতী হয়েছে। তাই তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন, আমি তো পূর্বেই বলেছি, তার জন্য যা অবধারিত আছে তা অবশ্যই হবে। (মুসলিম)
মূল আরবি
وَعَنْ أَبِي سَعِيدٍ الْخُدْرِيِّ قَالَ: خَرَجْنَا مَعَ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ غَزْوَةِ بَنِي الْمُصْطَلِقِ فَأَصَبْنَا سَبْيًا مِنْ سَبْيِ الْعَرَب فاشتهينا النِّسَاء واشتدت عَلَيْنَا الْعُزْبَةُ وَأَحْبَبْنَا الْعَزْلَ فَأَرَدْنَا أَنْ نَعْزِلَ وَقُلْنَا: نَعْزِلُ وَرَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ بَيْنَ أَظْهُرِنَا قَبْلَ أَنْ نَسْأَلَهُ؟ فَسَأَلْنَاهُ عَن ذَلِك فَقَالَ: "مَا عَلَيْكُمْ أَلَّا تَفْعَلُوا مَا مِنْ نَسَمَةٍ كَائِنَةٍ إِلَى يَوْمِ الْقِيَامَةِ إِلَّا وَهِيَ كَائِنَةٌ"
تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: متفق عليه
تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: * متفق علیہ، رواہ البخاري (4138) و مسلم (125/ 1438)
বাংলা অনুবাদ
৩১৮৬-[৪] আবূ সা’ঈদ আল খুদরী (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, বানী মুসত্বালিক যুদ্ধে আমরা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সাথে বের হলাম এবং এ যুদ্ধে আমরা অনেক ’আরাবীয় নারী বন্দীনীরূপে করায়ত্ত করি। যেহেতু আমরা দীর্ঘদিন নারীবিহীন থাকায় অস্বস্থিবোধ করছিলাম, ফলে আমরা নারী সঙ্গমের জন্য উদগ্রীব হয়ে পড়লাম। কিন্তু আমরা ’আযল করা পছন্দ করলাম এবং আমরা পরস্পরের মধ্যে ইচ্ছার বহিঃপ্রকাশ করে বললাম, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদের মাঝে সমুপস্থিত থাকতে তাঁকে জিজ্ঞেস না করে এরূপ করা কি ঠিক হবে? অতঃপর আমরা তাঁকে জিজ্ঞেস করলাম। তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন, তোমরা ’আযল করবে না এমনটি নয়, তবে কিয়ামত পর্যন্ত (সৃষ্টিজীব পৃথিবীতে) যা হওয়ার আছে, তা অবশ্যই সৃষ্টি হবে। (বুখারী ও মুসলিম)
মূল আরবি
وَعَنْهُ قَالَ: سُئِلَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ عَنِ الْعَزْلِ فَقَالَ: "مَا مِنْ كُلِّ الْمَاءِ يَكُونُ الْوَلَدُ وَإِذَا أَرَادَ اللَّهُ خَلْقَ شَيْءٍ لَمْ يَمْنَعْهُ شَيْءٌ" . رَوَاهُ مُسْلِمٌ
تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح
تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: * رواہ مسلم (133/ 1438)
বাংলা অনুবাদ
৩১৮৭-[৫] উক্ত রাবী [আবূ সা’ঈদ আল খুদরী (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা)] হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে ’আযলের ব্যাপারে জিজ্ঞেস করলে তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন, প্রত্যেক পানিতে সন্তান জন্ম হয় না। আর আল্লাহ তা’আলা যখন কোনো কিছু সৃষ্টি করতে চান, তখন কোনো কিছুই তা প্রতিরাধ করার ক্ষমতা রাখে না। (মুসলিম)
মূল আরবি
وَعَنْ سَعْدِ بْنِ أَبِي وَقَّاصٍ: أَنَّ رَجُلًا جَاءَ إِلَى رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَقَالَ: إِنِّي أعزل عَن امْرَأَتي. فَقَالَ لَهُ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسلم: "لم تفعل ذَلِك؟" فَقَالَ الرَّجُلُ: أَشْفِقُ عَلَى وَلَدِهَا. فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: "لَوْ كَانَ ذَلِكَ ضاراً ضرّ فَارس وَالروم" . رَوَاهُ مُسلم
تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح
تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: * رواہ مسلم (1443/143)
বাংলা অনুবাদ
৩১৮৮-[৬] সা’দ ইবনু আবূ ওয়াক্কাস (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, এক ব্যক্তি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট এসে বলল, আমি স্ত্রীসহবাসের সময় ’আযল করি। এতে তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) তাকে জিজ্ঞেস করলেন, তুমি কেন এটা কর? উত্তরে সে বলল, আমি তার সন্তানের প্রতি সহানুভূতিশীল হওয়ায় এটা করি। এতে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, এতে যদি কোনো প্রকার ক্ষতি হতো তাহলে পারস্যবাসী (ইরান) ও রোমকগণও ক্ষতিগ্রস্ত হতো। (মুসলিম)
মূল আরবি
وَعَن جذامة بِنْتِ وَهْبٍ قَالَتْ: حَضَرْتُ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فِي أُنَاسٍ وَهُوَ يَقُولُ: "لقد هَمَمْت أَن أَنْهَى عَنِ الْغِيلَةِ فَنَظَرْتُ فِي الرُّومِ وَفَارِسَ فَإِذَا هُمْ يُغِيلُونَ أَوْلَادَهُمْ فَلَا يَضُرُّ أَوْلَادَهُمْ ذَلِكَ شَيْئًا" . ثُمَّ سَأَلُوهُ عَنِ الْعَزْلِ فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: ذَلِكَ الوأد الْخَفي وَهِي (وَإِذا الموؤودة سُئِلت) رَوَاهُ مُسلم
تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح
تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: * رواہ مسلم (141/ 1442)
বাংলা অনুবাদ
৩১৮৯-[৭] জুযামাহ্ বিনতু ওয়াহ্ব (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি কিছু সংখ্যক লোকের সাথে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট উপস্থিত হলাম। তখন তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলছিলেন যে, আমি ’গীলাহ্’ হতে নিষেধ করতে ইচ্ছা পোষণ করেছিলাম; কিন্তু যখন পারস্য (ইরান) এবং রোমবাসীদের ব্যাপারে জানতে পারলাম যে, তারা (সন্তানের আশঙ্কায়) গীলাহ্ করে অথচ এটা তাদের কোনো প্রকার ক্ষতির কারণ নেই। অতঃপর লোকেরা তাঁকে ’আযল সম্পর্কে জিজ্ঞেস করলে তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন, এটা পরোক্ষভাবে জীবন্ত কন্যা পুঁতে দেয়া (সমাধিস্থ করা), যে সম্পর্কে কুরআন মাজীদের আয়াত আছে- ’’যখন জীবন্ত পুঁতে দেয়া কন্যাকে জিজ্ঞেস করা হবে, কি অপরাধে তাকে হত্যা করা হয়েছিল?’’ (সূরা আত্ তাকভীর ৮১ : ৮-৯)। (মুসলিম)[২]
মূল আরবি
وَعَنْ أَبِي سَعِيدٍ قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: إِنَّ أَعْظَمَ الْأَمَانَةِ عِنْدَ اللَّهِ يَوْمَ الْقِيَامَةِ وَفِي رِوَايَةٍ: إِنَّ مِنْ أَشَرِّ النَّاسِ عِنْدَ اللَّهِ مَنْزِلَةً يَوْمَ الْقِيَامَةِ الرَّجُلُ يُفْضِي إِلَى امْرَأَتِهِ وَتُفْضِي إِلَيْهِ ثمَّ ينشر سرها . رَوَاهُ مُسلم
تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح
تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: * رواہ مسلم (1437/124)
বাংলা অনুবাদ
৩১৯০-[৮] আবূ সা’ঈদ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ কিয়ামতের দিন আল্লাহ তা’আলার নিকট সর্বাধিক আমানত হলো ঐ বিষয়। অন্য বর্ণনায় কিয়ামত দিবসে আল্লাহ তা’আলার নিকটে সবচেয়ে নিকৃষ্টতম ঐ ব্যক্তি- যে তার স্ত্রীর সাথে সহবাস করে, অতঃপর পরস্পরের মধ্যস্থ গোপনীয়তা (মানুষের মাঝে) প্রকাশ করে দেয়। (মুসলিম)
মূল আরবি
عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ قَالَ: أُوحِيَ إِلَى رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: (نساوكم حرث لكم فَأتوا حَرْثكُمْ) الْآيَةَ: "أَقْبِلْ وَأَدْبِرْ وَاتَّقِ الدُّبُرَ وَالْحَيْضَةَ" . رَوَاهُ التِّرْمِذِيّ وَابْن مَاجَه
تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: حسن
تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: * صحیح، رواہ الترمذي (2980) و ابن ماجہ (1925)
বাংলা অনুবাদ
৩১৯১-[৯] ইবনু ’আব্বাস (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর ওপর ওয়াহী নাযিল হয়- ’’তোমাদের স্ত্রীগণ তোমাদের জন্য শস্যক্ষেত। অতএব, তোমরা তোমাদের শস্যক্ষেতে যেভাবে ইচ্ছা যেতে পার’’- (সূরা আল বাকারা ২ : ২২৩)। তাই সামনের দিক হতে বা পিছন দিক হতে সহবাস কর; কিন্তু গুহ্যদ্বার (মলদ্বার) ও ঋতুবতী (মাসিক থাকাকালীন) হতে বিরত থাক। (তিরমিযী, ইবনু মাজাহ)
মূল আরবি
وَعَنْ خُزَيْمَةَ بْنِ ثَابِتٍ: أَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ: "إِنَّ اللَّهَ لَا يستحيي مِنَ الْحَقِّ لَا تَأْتُوا النِّسَاءَ فِي أَدْبَارِهِنَّ" . رَوَاهُ أَحْمد وَالتِّرْمِذِيّ وَابْن مَاجَه. والدارمي
تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح
تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: * صحیح، رواہ أحمد (213/5 ح 22194) و الترمذي (1164، و قال: حسن) و، ابن ماجہ (1924) و الدارمي (145/2ح 2219)
বাংলা অনুবাদ
৩১৯২-[১০] খুযায়মাহ্ ইবনু সাবিত (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, মহানবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ নিশ্চয় আল্লাহ তা’আলা সত্য প্রকাশে লজ্জাবোধ করেন না, তোমরা তোমাদের স্ত্রীগণের গুহ্যদ্বারে সহবাস করো না। (আহমাদ, তিরমিযী, ইবনু মাজাহ, দারিমী)
মূল আরবি
وَعَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: "مَلْعُونٌ مَنْ أَتَى امْرَأَتَهُ فِي دُبُرِهَا" . رَوَاهُ أَحْمَدُ وَأَبُو دَاوُدَ
تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: لم تتم دراسته
تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: * إسنادہ حسن، رواہ أحمد (444/2 ح 9731) و أبو داود (2162)
বাংলা অনুবাদ
৩১৯৩-[১১] আবূ হুরায়রাহ্ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ ঐ লোক অভিশপ্ত, যে তার স্ত্রীর গুহ্যদ্বারে সহবাস করে। (আহমাদ, আবূ দাঊদ)
মূল আরবি
وَعَنْهُ قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: "إِنَّ الَّذِي يَأْتِي امْرَأَتَهُ فِي دُبُرِهَا لَا يَنْظُرُ اللَّهُ إِلَيْهِ" . رَوَاهُ فِي شرح السّنة
تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح
تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: * إسنادہ حسن، رواہ البغوي في شرح السنۃ (107/9 ح 2297) [و ابن، ماجہ (1923) و ابن حبان (الموارد: 1302)] و ھو حدیث صحیح بالشواھد .
বাংলা অনুবাদ
৩১৯৪-[১২] উক্ত রাবী [আবূ হুরায়রাহ্ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা)] হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যে লোক তার স্ত্রীর গুহ্যদ্বারে সহবাস করে আল্লাহ তার প্রতি (রহমত, করুণা নিয়ে) দৃষ্টিপাত করেন না। (শারহুস্ সুন্নাহ্)
মূল আরবি
وَعَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: "لَا يَنْظُرُ اللَّهُ إِلَى رَجُلٍ أَتَى رَجُلًا أَوِ امْرَأَةً فِي الدبر" . رَوَاهُ التِّرْمِذِيّ
تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: حسن
تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: * حسن، رواہ الترمذي (1165 وقال: حسن غریب)
বাংলা অনুবাদ
৩১৯৫-[১৩] ইবনু ’আব্বাস (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ আল্লাহ তা’আলা ঐ ব্যক্তির প্রতি (রহমত ও করুণার) দৃষ্টিপাত করেন না, যে কোনো পুরুষের সাথে সহবাস করে অথবা নারীর গুহ্যদ্বারে সহবাস করে। (তিরমিযী)
মূল আরবি
وَعَنْ أَسْمَاءَ بِنْتِ يَزِيدَ قَالَتْ: سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَقُولُ: "لَا تَقْتُلُوا أَوْلَادَكُمْ سِرًّا فَإِنَّ الْغَيْلَ يُدْرِكُ الْفَارِسَ فيدعثره عَن فرسه" . رَوَاهُ أَبُو دَاوُد
تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: لم تتم دراسته
تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: * إسنادہ ضعیف، رواہ أبو داود (3881) [و ابن ماجہ (2012) و صححہ، ابن حبان (الموارد: 1304)] ٭ مھاجر بن أبي مسلم الأنصاري مجھول الحال: و ثقہ ابن، حبان وحدہ .
বাংলা অনুবাদ
৩১৯৬-[১৪] আসমা বিনতু ইয়াযীদ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা)হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে বলতে শুনেছি যে, তোমরা তোমাদের সন্তানকে সংগোপনে হত্যা করো না, কেননা ’গীলাহ্’র প্রভাবে আরোহীকে ঘোড়া হতে নিচে ফেলে দেয়। (আবূ দাঊদ)
মূল আরবি
عَنْ عُمَرَ بْنِ الْخَطَّابِ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ قَالَ: نَهَى رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أَن يعْزل عَن الْحرَّة إِلَّا بِإِذْنِهَا. رَوَاهُ ابْن مَاجَه
تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: لم تتم دراسته
تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: * إسنادہ ضعیف، رواہ ابن ماجہ (1928) ٭ وقال البوصیري: ’’ھذا إسناد، ضعیف لضعف ابن لھیعۃ‘‘ و الزھري مدلس و عنعن: إن صح السند إلیہ .
বাংলা অনুবাদ
৩১৯৭-[১৫] ’উমার ইবনুল খত্ত্বাব (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম স্বাধীনা রমণীর সম্মতি ব্যতীত তার সাথে ’আযল করতে নিষেধ করেছেন। (ইবনু মাজাহ)
মূল আরবি
عَنْ عُرْوَةَ عَنْ عَائِشَةَ: أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ لَهَا فِي بَرِيرَةَ: "خُذِيهَا فَأَعْتِقِيهَا" . وَكَانَ زَوْجُهَا عَبْدًا فَخَيَّرَهَا رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَاخْتَارَتْ نَفسهَا وَلَو كَانَ حرا لم يخيرها
تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: متفق عليه
تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: * متفق علیہ، رواہ البخاري (2563) و مسلم (1504/8)
বাংলা অনুবাদ
৩১৯৮- ’উরওয়াহ্ (রাহিমাহুল্লাহ) ’আয়িশাহ্ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণনা করেন। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম (জনৈকা দাসী) বারীরাহ্ সম্পর্কে তাঁকে (’আয়িশাহ্ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা)-কে) বললেন, তাকে কিনে নিয়ে মুক্ত করে দাও। বারীরাহ্-এর স্বামীও দাস ছিল। অতঃপর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে (বিবাহ সম্পর্ক রাখা বা বিচ্ছেদের) অধিকার দিলেন, এতে বারীরাহ্ (বিবাহ বিচ্ছেদ করে) নিজেকে মুক্ত করল। (রাবী বলেন) যদি সে (স্বামী) স্বাধীন হতো, তবে তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) তাকে (বারীরাহ্-কে) স্বীয় অধিকার দিতেন না। (বুখারী ও মুসলিম)
মূল আরবি
وَعَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ قَالَ: كَانَ زَوْجُ بَرِيرَةَ عبدا أسود يُقَالُ لَهُ مُغِيثٌ كَأَنِّي أَنْظُرُ إِلَيْهِ يَطُوفُ خلفهَا فِي سِكَك الْمَدِينَة يبكي وَدُمُوعُهُ تَسِيلُ عَلَى لِحْيَتِهِ فَقَالَ النَّبِيُّ صَلَىَ اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ لِلْعَبَّاسِ: "يَا عَبَّاسُ أَلَا تَعْجَبُ مِنْ حُبِّ مُغِيثٍ بَرِيرَةَ؟ وَمِنْ بُغْضٍ بَرِيرَة مغيثاً؟" فَقَالَ النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: "لَوْ راجعته" فَقَالَتْ: يَا رَسُولَ اللَّهِ تَأْمُرُنِي؟ قَالَ: "إِنَّمَا أَشْفَعُ" قَالَتْ: لَا حَاجَةَ لِي فِيهِ. رَوَاهُ البُخَارِيّ
تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح
تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: * رواہ البخاري (5283)
বাংলা অনুবাদ
৩১৯৯-[২] ইবনু ’আব্বাস (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, বারীরাহ্-এর স্বামী মুগীস হাবশী (কালো) ক্রীতদাস ছিল। আমি যেন সে দৃশ্য এখনও দেখছি, যখন মুগীস মদীনার অলিগলিতে (বারীরাহ্-এর পেছনে পেছনে) অশ্রুসিক্ত নয়নে দাড়ি ভাসিয়ে ঘুরে বেড়াচ্ছিল। এটা দেখে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমার পিতাকে বলেন, হে ’আব্বাস! বারীরাহ্-এর প্রতি মুগীস-এর গভীর প্রেমাসক্ত এবং মুগীস-এর প্রতি বারীরাহ্-এর অনীহা দেখে তোমার কি বিস্ময়বোধ হয় না! নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বারীরাহ্-কে বললেন, তুমি যদি তাকে পুনরায় গ্রহণ কর (এটা কতই না উত্তম হয়)? তখন বারীরাহ্ বলল, হে আল্লাহর রসূল! আপনি কি আমাকে নির্দেশ করছেন? তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন, আমি তো সুপারিশ করছি মাত্র। বারীরাহ্ বলল, তবে আমার তার কোনো প্রয়োজন নেই। (বুখারী)
মূল আরবি
عَنْ عَائِشَةَ: أَنَّهَا أَرَادَتْ أَنْ تَعْتِقَ مَمْلُوكَيْنِ لَهَا زَوْجٌ فَسَأَلَتِ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَأَمَرَهَا أَنْ تَبْدَأَ بِالرَّجُلِ قَبْلَ الْمَرْأَةِ. رَوَاهُ أَبُو دَاوُد وَالنَّسَائِيّ
تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: لم تتم دراسته
تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: * إسنادہ حسن، رواہ أبو داود (2237) و النسائي (161/6 ح 3476)
বাংলা অনুবাদ
৩২০০-[৩] ’আয়িশাহ্ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত। তিনি তার অধীনে পরস্পর দু’জন দাস-দাসী দম্পতিকে মুক্ত করার ইচ্ছা পোষণ করেন এবং এ ব্যাপারে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর কাছে জানতে চান। তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) নির্দেশ করলেন নারীর পূর্বে পুরুষকে মুক্ত করার। (আবূ দাঊদ, নাসায়ী)
