মিশকাতুল মাসাবীহ
পরিচ্ছেদ ২৩৪: হাদিস ৪,৬৬১-৪,৬৮০
এই অধ্যায়ের হাদিসগুলো একই পাতায় পড়ুন। নির্দিষ্ট হাদিসে যেতে তার নম্বর বা anchor ব্যবহার করুন।
এই পাতার হাদিসসমূহনির্দিষ্ট হাদিসে যেতে তালিকাটি খুলুন। শোহাইড
মূল আরবি
وَعَنْهُ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ: "لَا خَيْرَ فِي جُلُوسٍ فِي الطُّرَقَاتِ إِلَّا لِمَنْ هَدَى السَّبِيلَ وَرَدَّ التَّحِيَّةَ وَغَضَّ الْبَصَرَ وَأَعَانَ عَلَى الْحُمُولَةِ" رَوَاهُ فِي "شَرْحِ السُّنَّةِ" وَذَكَرَ حَدِيثَ أَبِي جُرَيٍّ فِي "بَاب فضل الصَّدَقَة"
تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: لم تتم دراسته
تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: * إسنادہ ضعیف جدًا، رواہ البغوي في شرح السنۃ (305/12 ح 3339) ٭، فیہ یحیی بن عبید اللہ (ضعیف جدًا) عن أبیہ عن أبي ھریرۃ إلخ و حدیث أبي داود، (4816 و سندہ حسن) یغني عنہ و کذا حدیث البخاري فی الأدب المفرد (1149) حدیث أبي، جري تقدم (1918)
বাংলা অনুবাদ
৪৬৬১-[৩৪] উক্ত রাবী [আবূ হুরায়রা (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা)] হতে বর্ণিত। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ রাস্তার উপর বসা ভালো নয়। তবে হ্যাঁ, সে ব্যক্তির জন্য ভালো, যে রাস্তা দেখিয়ে দেয়, সালামের জবাব দেয়, চক্ষু অবনত রাখে এবং বোঝা বহনকারীকে সাহায্য করে। (শারহুস্ সুন্নাহ্, এ বিষয়ে আবূ জুরাই-এর বর্ণিত হাদীস সদাকার মাহাত্ম্য অধ্যায়ে বর্ণনা করা হয়েছে।)
মূল আরবি
عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: لَمَّا خَلَقَ اللَّهُ آدَمَ وَنَفَخَ فِيهِ الرُّوحَ عَطَسَ فَقَالَ: الْحَمْدُ لِلَّهِ فَحَمِدَ اللَّهَ بِإِذْنِهِ فَقَالَ لَهُ رَبُّهُ: يَرْحَمُكَ اللَّهُ يَا آدَمَ اذْهَبْ إِلَى أُولَئِكَ الْمَلَائِكَةِ إِلَى مَلَأٍ مِنْهُمْ جُلُوسٍ فَقُلِ: السَّلَامُ عَلَيْكُمْ. فَقَالَ: السَّلَامُ عَلَيْكُمْ. قَالُوا: عَلَيْكَ السَّلَامُ وَرَحْمَةُ اللَّهِ. ثُمَّ رَجَعَ إِلَى رَبِّهِ فَقَالَ: إِنَّ هَذِهِ تَحِيَّتُكَ وَتَحِيَّةُ بَنِيكَ بَيْنَهُمْ.
فَقَالَ لَهُ اللَّهُ وَيَدَاهُ مَقْبُوضَتَانِ: اخْتَرْ أَيَّتَهُمَا شِئْتَ؟ فَقَالَ: اخْتَرْتُ يَمِينَ رَبِّي وَكِلْتَا يَدَيْ رَبِّي يَمِينٌ مُبَارَكَةٌ ثُمَّ بَسَطَهَا فَإِذَا فِيهَا آدَمُ وَذُرِّيَّتُهُ فَقَالَ: أَيْ رَبِّ مَا هَؤُلَاءِ؟ قَالَ: هَؤُلَاءِ ذُرِّيَّتُكَ فَإِذَا كُلُّ إِنْسَانٍ مَكْتُوبٌ عُمْرُهُ بَين عَيْنَيْهِ فَإِذا فيهم رجلٌ أضوؤهُم - أَوْ مِنْ أَضْوَئِهِمْ - قَالَ: يَا رَبِّ مَنْ هَذَا؟ قَالَ: هَذَا ابْنُكَ دَاوُدُ وَقَدْ كَتَبْتُ لَهُ عُمْرَهُ أَرْبَعِينَ سَنَةً. قَالَ: يَا رَبِّ زِدْ فِي عُمْرِهِ.
قَالَ: ذَلِكَ الَّذِي كَتَبْتُ لَهُ. قَالَ: أَيْ رَبِّ فَإِنِّي قَدْ جَعَلْتُ لَهُ مِنْ عُمْرِي سِتِّينَ سَنَةً. قَالَ: أَنْتَ وَذَاكَ. قَالَ: ثُمَّ سَكَنَ الْجَنَّةَ مَا شَاءَ اللَّهُ ثُمَّ أُهْبِطَ مِنْهَا وَكَانَ آدَمُ يَعُدُّ لِنَفْسِهِ فَأَتَاهُ مَلَكُ الْمَوْتِ فَقَالَ لَهُ آدَمُ: قَدْ عَجَّلْتَ قَدْ كَتَبَ لِي أَلْفَ سَنَةٍ. قَالَ: بَلَى وَلَكِنَّكَ جَعَلْتَ لِابْنِكَ دَاوُدَ سِتِّينَ سَنَةً فَجَحَدَ فَجَحَدَتْ ذُرِّيَّتُهُ وَنَسِيَ فَنَسِيَتْ ذُرِّيَّتُهُ قَالَ: "فَمن يؤمئذ أَمر بِالْكتاب وَالشُّهُود" رَوَاهُ التِّرْمِذِيّ
تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح
تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: * إسنادہ حسن، رواہ الترمذي (3368 وقال: حسن غریب)
বাংলা অনুবাদ
৪৬৬২-[৩৫] আবূ হুরায়রা (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যখন আল্লাহ তা’আলা আদম (আ.)-কে সৃষ্টি করলেন এবং তাঁর মধ্যে প্রাণ দান করলেন, তখন আদম (আ.) হাঁচি দিলেন এবং আল্লাহ তা’আলার অনুমতিক্রমে তাঁর প্রশংসা করে ’’আলহামদুলিল্লা-হ’’ বললেন। আল্লাহ তা’আলা তাঁকে বললেনঃ হে আদম! আল্লাহ তোমাকে রহম করুন। এখন তুমি ঐ উপবেশনকারী মালায়িকাহ্’র (ফেরেশতাদের) কাছে যাও, যাঁরা বসে আছে। আর তাঁদেরকে বলো ’’আসসালা-মু ’আলায়কুম’’ (তোমাদের প্রতি আল্লাহ শান্তি বর্ষণ করুন)। তিনি গিয়ে বললেনঃ ’’আসসালা-মু ’আলায়কুম’’। মালায়িকাহ্ জবাবে বললেনঃ ’’আলায়কাস্ সালা-মু ওয়া রহমাতুল্ল-হ’’ (তোমার প্রতি আল্লাহর শান্তি ও রহমত বর্ষিত হোক)। অতঃপর তিনি তাঁর প্রতিপালকের নিকট ফিরে আসলেন। আল্লাহ তা’আলা বললেনঃ এটাই তোমার এবং তোমার সন্তানদের পারস্পরিক অভিবাদন। তখন আল্লাহ তা’আলা তাঁকে নিজের দু’হাত দেখিয়ে বললেনঃ তুমি এ দু’টির যে কোন একটি পছন্দ করো। তখন তাঁর উভয় হাত মুষ্টিবদ্ধ ছিল। আদম (আ.) বললেনঃ হে প্রভু! আমি তোমার ডান হাতকে পছন্দ করলাম। আল্লাহ তা’আলার উভয় হাতই ডান হাত এবং কল্যাণকর। অতঃপর আল্লাহ তা’আলা তাঁর হাত খুলতেই দেখা গেল, তাতে আদম (আ.)-এর সন্তানগণ রয়েছে।
তখন আদম (আ.) বললেনঃ হে আমার প্রতিপালক! এরা কারা? আল্লাহ তা’আলা বললেনঃ এরা তোমার সন্তান। তখন দেখা গেল, প্রত্যেক ব্যক্তির আয়ুষ্কাল তাঁর দু’চোখের মাঝে অর্থাৎ- কপালে লিপিবদ্ধ আছে। তন্মধ্যে উজ্জ্বলতর এক ব্যক্তি রয়েছে। আদম (আ.) জিজ্ঞেস করলেনঃ হে প্রভু! এ ব্যক্তি কে? আল্লাহ তা’আলা বললেনঃ এ ব্যক্তি তোমার অন্যতম সন্তান ’’দাঊদ’’। তাঁর আয়ু আমি চল্লিশ বছর লিখেছি। আদম (আ.) বললেনঃ ’’হে প্রভু! তাঁর আয়ু বাড়িয়ে দিন’’। আল্লাহ তা’আলা বললেনঃ আমি তো তাঁর এতটুকু আয়ুষ্কাল লিখে রেখেছি। আদম (আ.) জিজ্ঞেস করলেনঃ হে রব্! আমি আমার আয়ু হতে ষাট বছর দান করলাম। আল্লাহ তা’আলা বললেনঃ ’’ঠিক আছে, তুমি আর তোমার সন্তান দাঊদ জানে’’ অর্থাৎ- এটা তোমার ব্যাপার। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ অতঃপর আল্লাহ তা’আলার ইচ্ছানুযায়ী আদম (আ.) জান্নাতে বসবাস করেন। অতঃপর তাঁকে জান্নাত হতে বের করে দেয়া হলো। আদম (আ.) নিজের বয়সের বছরগুলো গণনা করতে লাগলেন, (যখন তাঁর আয়ুষ্কাল নয়শ’ চল্লিশ বছর শেষ হয়ে গেল) তখন তাঁর কাছে মৃত্যুর মালাক (ফেরেশতা) আসলেন। আদম (আ.) তাঁকে বললেনঃ তুমি তো আগে এসেছ, আমার জন্য এক হাজার বছর আয়ুষ্কাল লেখা রয়েছে। মৃত্যুর মালাক বললেন, জ্বি-হ্যাঁ, কিন্তু আপনি আপনার সন্তান দাঊদ (আ.)-কে ষাট বছর আয়ু দান করেছেন। তখন আদম (আ.) অস্বীকার করলেন। এ কারণে তাঁর সন্তানগণও অস্বীকার করে থাকেন এবং আদম (আ.) ভুলে গেছেন, তাই তাঁর সন্তানগণও ভুলে যায়। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ সেদিন হতে লিখে রাখতে এবং সাক্ষী রাখতে নির্দেশ দেয়া হয়েছে। (তিরমিযী)
মূল আরবি
وَعَن أسماءَ بنت يزيدَ قَالَتْ: مَرَّ عَلَيْنَا رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فِي نِسْوَةٍ فَسَلَّمَ عَلَيْنَا. رَوَاهُ أَبُو دَاوُد وَابْن مَاجَه والدارمي
تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: لم تتم دراسته
تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: * إسنادہ حسن، رواہ أبو داود (5204) و ابن ماجہ (3701) و الدارمي، (277/2 ح 2640)
বাংলা অনুবাদ
৪৬৬৩-[৩৬] আসমা বিনতু ইয়াযীদ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, একদিন রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদের মহিলাদের এক সমাবেশের নিকট দিয়ে অতিক্রম করলেন এবং আমাদেরকে সালাম করলেন। (আবূ দাঊদ, ইবনু মাজাহ ও দারিমী)
মূল আরবি
وَعَن الطفيلِ بن أُبي بن كعبٍ: أَنَّهُ كَانَ يَأْتِي ابْنَ عُمَرَ فَيَغْدُو مَعَهُ إِلَى السُّوقِ. قَالَ فَإِذَا غَدَوْنَا إِلَى السُّوقِ لَمْ يَمُرَّ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ عُمَرَ عَلَى سَقَّاطٍ وَلَا عَلَى صَاحِبِ بَيْعَةٍ وَلَا مِسْكِينٍ وَلَا أَحَدٍ إِلَّا سَلَّمَ عَلَيْهِ. قَالَ الطُّفَيْلُ: فَجِئْتُ عَبْدَ اللَّهِ بْنَ عُمَرَ يَوْمًا فَاسْتَتْبَعَنِي إِلَى السُّوقِ فَقُلْتُ لَهُ: وَمَا تَصْنَعُ فِي السُّوقِ وَأَنْتَ لَا تَقِفُ عَلَى الْبَيْعِ وَلَا تَسْأَلُ عَن السّلع وتسوم بِهَا وَلَا تَجْلِسُ فِي مَجَالِسِ السُّوقِ فَاجْلِسْ بِنَا هَهُنَا نتحدث.
قَالَ: فَقَالَ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ عُمَرَ: يَا أَبَا بَطْنٍ - قَالَ وَكَانَ الطُّفَيْلُ ذَا بَطْنٍ - إِنَّمَا نَغْدُو مِنْ أَجْلِ السَّلَامِ نُسَلِّمُ عَلَى مَنْ لَقِينَاهُ. رَوَاهُ مَالك وَالْبَيْهَقِيّ فِي "شعب الْإِيمَان"
تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: لم تتم دراسته
تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: * إسنادہ صحیح، رواہ مالک فی الموطأ (961/2۔ 962 ح 1859) و البیھقي، في شعب الإیمان (8790)
বাংলা অনুবাদ
৪৬৬৪-[৩৭] তুফায়ল ইবনু উবাই ইবনু কা’ব (রাহিমাহুল্লাহ) হতে বর্ণিত। তিনি (তুফায়ল) ইবনু ’উমার (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা)-এর কাছে যাতায়াত করতেন এবং তাঁর সাথে সকাল বেলা বাজারে যেতেন। তিনি বললেনঃ যখন আমরা সকাল বেলা বাজারে যেতাম, তখন ’আবদুল্লাহ ইবনু ’উমার (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা)-এর নিয়ম ছিল, তিনি যখনই কোন সাধারণ দোকানদার, বিক্রেতা, মিসকীন এবং অন্য কোন মানুষের নিকট দিয়ে গমন করতেন, তখন তাদেরকে সালাম করতেন। বর্ণনাকারী তুফায়ল বলেন, আমার পূর্বের নিয়ম অনুযায়ী একদিন আমি ’আবদুল্লাহ ইবনু ’উমার (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা)-এর নিকট গেলাম, তখন তিনি আমাকে সাথে করে বাজারের দিকে যেতে শুরু করলেন।
আমি তাঁকে বললামঃ আপনি কেনা-বেচার জন্য কোথাও দাঁড়ান না, কোন জিনিসের দাম জিজ্ঞেস করেন না, কোন সওদা করেন না, আর বাজারের কোন মাজলিসেও বসেন না। সুতরাং আপনি আমার সাথে এখানে বসুন, আমরা হাদীস আলোচনা করি। তিনি (তুফায়ল) বলেন, ’আবদুল্লাহ ইবনু ’উমার (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) আমাকে বললেনঃ হে প্রকাণ্ড পেটওয়ালা! [তুফায়লের পেট তুলনামূলক কিছুটা বড় ছিল] আমরা সকালবেলা শুধু সালাম করতে যাই। আমরা যাকেই সাক্ষাতে পাই, তাকেই সালাম করি। (মালিক ও বায়হাক্বী শু’আবুল ঈমানে)
মূল আরবি
وَعَن جَابر قَالَ: أَتَى رَجُلٌ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَقَالَ: لِفُلَانٍ فِي حَائِطِي عَذْقٌ وَأَنَّهُ آذَانِي مَكَانُ عَذْقِهِ فَأَرْسَلَ النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: "أَنْ بِعْنِي عَذْقَكَ" قَالَ: لَا. قَالَ: "فَهَبْ لِي" . قَالَ: لَا. قَالَ: "فَبِعْنِيهِ بِعَذْقٍ فِي الْجَنَّةِ" ؟ فَقَالَ: لَا فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: "مَا رَأَيْتُ الَّذِي هُوَ أَبْخَلُ مِنْكَ إِلَّا الَّذِي يَبْخَلُ بِالسَّلَامِ" . رَوَاهُ أَحْمَدُ وَالْبَيْهَقِيُّ فِي "شُعَبِ الْإِيمَانِ"
تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: لم تتم دراسته
تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: * إسنادہ ضعیف، رواہ أحمد (328/3 ح 14571) [و عبد بن حمید (1037)]، و البیھقي في شعب الإیمان (8771، نسخۃ محققۃ: 8396 و السنن 157/6۔ 158) والحاکم، (20/2) ٭ فیہ عبد اللہ بن محمد بن عقیل ضعیف، ضعفہ الجمھور .
বাংলা অনুবাদ
৪৬৬৫-[৩৮] জাবির (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, জনৈক ব্যক্তি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর দরবারে উপস্থিত হয়ে জিজ্ঞেস করেন : (হে আল্লাহর রসূল!) আমার বাগানে অমুক ব্যক্তির একটি খেজুর গাছ আছে। তার এ খেজুর গাছ আমাকে কষ্ট দেয়। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ঐ ব্যক্তিকে ডেকে পাঠালেন এবং বললেনঃ তুমি তোমার খেজুর গাছটি আমার কাছে বিক্রয় করো। লোকটি বলল : না। তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেনঃ তবে আমাকে দান করো। লোকটি বলল : না। তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) আবারো বললেনঃ জান্নাতের একটি খেজুর গাছের বিনিময়ে ওটা আমার নিকট বিক্রয় করো। লোকটি এবারও বলল : না। তখন রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ আমি তোমার তুলনায় অধিক কৃপণ আর কাউকে দেখিনি। কিন্তু হ্যাঁ, যে ব্যক্তি সালাম করতে কৃপণতা করে। (আহমাদ ও বায়হাক্বী’র ’’শু’আবুল ঈমানে’’)
মূল আরবি
وَعَن عَبْدِ اللَّهِ عَنِ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ: "الْبَادِئُ بِالسَّلَامِ بَرِيءٌ مِنَ الْكِبْرِ" . رَوَاهُ الْبَيْهَقِيُّ فِي "شعب الْإِيمَان"
تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: لم تتم دراسته
تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: * إسنادہ ضعیف، رواہ البیھقي في شعب الإیمان (8786، نسخۃ محققۃ:، 8407) ٭ سفیان الثوري و أبو إسحاق السبیعي مدلسان و عنعنا .
বাংলা অনুবাদ
৪৬৬৬-[৩৯] ’আবদুল্লাহ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত। তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে বর্ণনা করেন, তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেনঃ প্রথমে সালাম প্রদানকারী অহংকার হতে মুক্ত। [ইমাম বায়হাক্বী (রহিমাহুল্লাহ) হাদীসটি ’’শু’আবুল ঈমানে’’ বর্ণনা করেছেন।]
মূল আরবি
عَنْ أَبِي سَعِيدٍ الْخُدْرِيِّ قَالَ: أَتَانَا أَبُو مُوسَى قَالَ: إِنَّ عُمَرَ أَرْسَلَ إِلَيَّ أَنْ آتِيَهُ فَأَتَيْتُ بَابَهُ فَسَلَّمْتُ ثَلَاثًا فَلَمْ يَرُدَّ عَلَيَّ فَرَجَعْتُ. فَقَالَ: مَا مَنَعَكَ أَنْ تَأْتِيَنَا؟ فَقُلْتُ: إِنِّي أَتَيْتُ فَسَلَّمْتُ عَلَى بَابِكَ ثَلَاثًا فَلم تردَّ عليَّ فَرَجَعْتُ وَقَدْ قَالَ لِي رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: "إِذَا اسْتَأْذَنَ أَحَدُكُمْ ثَلَاثًا فَلَمْ يُؤْذَنْ لَهُ فَلْيَرْجِعْ" . فَقَالَ عُمَرُ: أَقِمْ عَلَيْهِ الْبَيِّنَةَ. قَالَ أَبُو سَعِيدٍ: فَقُمْتُ مَعَهُ فذهبتُ إِلى عمرَ فشهِدتُ
تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: متفق عليه
تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: * متفق علیہ، رواہ البخاري (6245) و مسلم (33/ 2153)
বাংলা অনুবাদ
৪৬৬৭- আবূ সা’ঈদ আল খুদরী (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, একদিন আমাদের কাছে আবূ মূসা আল আশ্’আরী(রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) এসে বললেনঃ ’উমার(রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) আমার কাছে জনৈক ব্যক্তিকে পাঠিয়ে আমাকে ডেকে পাঠালেন। আমি যথারীতি তাঁর দরজায় উপস্থিত হলাম এবং তিনবার সালাম দিলাম; কিন্তু আমার সালামের উত্তর দেয়া হলো না বিধায় আমি ফিরে গেলাম। অতঃপর (অন্যত্র) ’উমার(রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) আমাকে বললেনঃ আমাদের কাছে আসতে তোমাকে কিসে বারণ করল? আমি বললাম, আমি এসেছিলাম এবং আপনার দরজায় তিনবার সালাম করেছিলাম, কিন্তু আপনাদের কেউই আমার সালামের জবাব দেননি।
তখন আমি ফিরে গেলাম। কেননা রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাকে বলেছেনঃ যখন তোমাদের কেউ তিনবার অনুমতি প্রার্থনা করে, আর অনুমতি না মেলে, তবে সে যেন ফিরে আসে। ’উমার(রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) এটা শুনে বললেনঃ এ ব্যাপারে তোমাকে অবশ্যই প্রমাণ পেশ করতে হবে। আবূ সা’ঈদ আল খুদরী(রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) বলেনঃ তখন আমি আবূ মূসা আল আশ্’আরী-এর সাথে ’উমার (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা)-এর নিকট গেলাম এবং সাক্ষ্য দিলাম। (বুখারী ও মুসলিম)
মূল আরবি
وَعَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ مَسْعُودٍ قَالَ: قَالَ لِي النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: "إِذْنُكَ عَلَيَّ أَنْ تَرْفَعَ الْحِجَابَ وَأَنْ تَسْمَعَ سِوَادِي حَتَّى أَنهَاك"
تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح
تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: * رواہ مسلم (2169/16)
বাংলা অনুবাদ
৪৬৬৮-[২] ’আবদুল্লাহ ইবনু মাস্’ঊদ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাকে বললেনঃ তোমাকে অনুমতি দেয়া হলো, তুমি আমার দরজার পর্দা উঠিয়ে চলে আসবে এবং আমার গোপন কথাবার্তা শুনতে থাকবে, যে পর্যন্ত না আমি তোমাকে নিষেধ করি। (মুসলিম)
মূল আরবি
وَعَنْ جَابِرٍ قَالَ: أَتَيْتُ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فِي دَيْنٍ كَانَ عَلَى أَبِي فَدَقَقْتُ الْبَابَ فَقَالَ: "مَنْ ذَا؟" فَقُلْتُ: أَنَا. فَقَالَ: "أَنَا أَنا" . كَأَنَّهُ كرهها
تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: متفق عليه
تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: * متفق علیہ، رواہ البخاري (6250) ومسلم (2155/38)
বাংলা অনুবাদ
৪৬৬৯-[৩] জাবির (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমার পিতার গৃহীত ঋণের লেনদেনের ব্যাপারে একদিন আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর কাছে এলাম এবং দরজায় করাঘাত করলাম। তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) জিজ্ঞেস করলেনঃ কে? আমি বললামঃ আমি। তখন তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেনঃ আমি, আমি (তথা পরিচয় কি?)। সম্ভবতঃ তিনি এরূপ বলাকে অপছন্দ করেছেন। (বুখারী ও মুসলিম)
মূল আরবি
وَعَن أبي هريرةَ قَالَ: دَخَلْتُ مَعَ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَوَجَدَ لَبَنًا فِي قَدَحٍ. فَقَالَ: "أَبَا هِرٍّ الْحَقْ بِأَهْلِ الصُّفَّةِ فَادْعُهُمْ إِلَيَّ" فَأَتَيْتُهُمْ فَدَعَوْتُهُمْ فَأَقْبَلُوا فَاسْتَأْذَنُوا فَأَذِنَ لَهُمْ فَدَخَلُوا
تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح
تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: * رواہ البخاري (6246)
বাংলা অনুবাদ
৪৬৭০-[৪] আবূ হুরায়রা (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সাথে তাঁর ঘরে প্রবেশ করলাম। তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) ঘরে এক পেয়ালা দুধ পেলেন। তখন আমাকে বললেনঃ হে আবূ হুরায়রা! আহলে সুফফার নিকটে যাও এবং আমার কাছে তাঁদেরকে ডেকে আনো। আমি তখন তাঁদের নিকট এসে তাঁদেরকে ডাকলাম। তাঁরা তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর কাছে এলেন এবং অনুমতি প্রার্থনা করলেন। মহানবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁদেরকে অনুমতি দিলেন, অতঃপর তাঁরা প্রবেশ করলেন। (বুখারী)
মূল আরবি
عَنْ كَلَدَةَ بْنِ حَنْبَلٍ: أَنَّ صَفْوَانَ بْنَ أُميةَ بعث بِلَبن أَو جدابة وَضَغَابِيسَ إِلَى النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَالنَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ بِأَعْلَى الْوَادِي قَالَ: فَدَخَلْتُ عَلَيْهِ وَلَمْ أُسَلِّمْ وَلَمْ أَسْتَأْذِنْ فَقَالَ النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: ارْجِعْ فَقُلِ: السَّلَامُ عَلَيْكُمْ أَأَدْخُلُ . رَوَاهُ التِّرْمِذِيُّ وَأَبُو دَاوُد
تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: لم تتم دراسته
تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: * إسنادہ حسن، رواہ الترمذي (2710 وقال: حسن غریب) و أبو داود، (5176)
বাংলা অনুবাদ
৪৬৭১-[৫] কালাদাহ্ ইবনু হাম্বাল (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, সফ্ওয়ান ইবনু উমাইয়াহ্ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) আমার মাধ্যমে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর কাছে দুধ অথবা হরিণের একটি বাচ্চা এবং একটি শসা পাঠালেন। তখন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মক্কার উঁচু উপত্যকায় অবস্থান করছিলেন। কালাদাহ্ বলেন, আমি রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর কাছে এমনিতেই ঢুকে পড়লাম, সালাম প্রদান করলাম না এবং অনুমতিও নিলাম না। তখন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাকে বললেনঃ তুমি ফিরে যাও (প্রবেশের জন্য অনুমতি প্রার্থনা করো)। অতঃপর বলো : ’’আসসালা-মু ’আলায়কুম’’, আমি কি ভিতরে আসতে পারি? (তিরমিযী ও আবূ দাঊদ)
মূল আরবি
وَعَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ: "إِذَا دُعِيَ أَحَدُكُمْ فجاءَ مَعَ الرسولِ فَإِن ذَلِك إِذْنٌ" . رَوَاهُ أَبُو دَاوُدَ. وَفِي رِوَايَةٍ لَهُ قَالَ: "رَسُول الرجل إِلَى الرجل إِذْنه"
تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح
تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: * ضعیف، رواہ أبو داود (5190) ٭ قتادۃ مدلس و عنعن .
বাংলা অনুবাদ
৪৬৭২-[৬] আবূ হুরায়রা (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ তোমাদের মধ্যে যদি কাউকে ডাকা হয়, আর সে ব্যক্তি সংবাদ বাহকের সাথে চলে আসে, তবে তার সাথে আসাই তার জন্য অনুমতি। (আবূ দাঊদ)
আবূ দাঊদ-এর অপর বর্ণনায় আছে যে, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ কোন লোকের কাছে লোক পাঠানোই তার অনুমতি।
মূল আরবি
وَعَن عبد الله بن بُسرٍ قَالَ: كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ إِذَا أَتَى بَابَ قَوْمٍ لَمْ يَسْتَقْبِلِ الْبَاب تِلْقَاءِ وَجْهِهِ وَلَكِنْ مِنْ رُكْنِهِ الْأَيْمَنِ أَوِ الْأَيْسَرِ فَيَقُولُ: "السَّلَامُ عَلَيْكُمْ السَّلَامُ عَلَيْكُمْ" وَذَلِكَ أَنَّ الدُّورَ لَمْ يَكُنْ يَوْمَئِذٍ عَلَيْهَا سُتُورٌ. رَوَاهُ أَبُو دَاوُدَ وَذَكَرَ حَدِيثَ أَنَسٍ قَالَ: "السَّلَامُ عَلَيْكُمْ وَرَحْمَةُ اللَّهِ" فِي "بَابِ الضِّيَافَةِ"
تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: لم تتم دراسته
تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: * إسنادہ حسن، رواہ أبو داود (5186) حدیث أنس تقدم (4249)
বাংলা অনুবাদ
৪৬৭৩-[৭] ’আবদুল্লাহ ইবনু বুসর (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন কোন বাড়িতে যেতেন, তখন ঘরের দরজার দিকে মুখ করে দাঁড়াতেন না; বরং দরজার ডানদিকে বা বামদিকে দাঁড়াতেন এবং অনুমতি গ্রহণের উদ্দেশে ’’আসসালা-মু ’আলায়কুম’’, ’’আসসালা-মু ’আলায়কুম’’ বলতেন। আর এটা সে সময়ের কথা যখন দরজার সামনে পর্দা ঝুলানো থাকত না। (আবূ দাঊদ)
আর নিমন্ত্রণ অধ্যায়ে আনাস(রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত হাদীসে আছে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ ’’আসসালা-মু ’আলায়কুম ওয়া রহমাতুল্ল-হ’’।
মূল আরবি
عَنْ عَطَاءٍ أَنَّ رَجُلًا سَأَلَ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَقَالَ: أَسْتَأْذِنُ عَلَى أُمِّي؟ فَقَالَ: "نَعَمْ" فَقَالَ الرَّجُلُ: إِنِّي مَعَهَا فِي الْبَيْتِ. فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: "اسْتَأْذِنْ عَلَيْهَا" فَقَالَ الرَّجُلُ: إِنِّي خَادِمُهَا. فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: "اسْتَأْذِنْ عَلَيْهَا أَتُحِبُّ أَنْ تَرَاهَا عُرْيَانَةً؟" قَالَ: لَا. قَالَ: "فَاسْتَأْذِنْ عَلَيْهَا" . رَوَاهُ مَالِكٌ مُرسلاً
تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: لم تتم دراسته
تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: * إسنادہ ضعیف لإرسالہ، رواہ مالک فی الموطأ (963/2 ح 1862) ٭، السند مرسل .
বাংলা অনুবাদ
৪৬৭৪-[৮] ’আত্বা ইবনু ইয়াসার (রাহিমাহুল্লাহ) হতে বর্ণিত। একদিন জনৈক ব্যক্তি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে জিজ্ঞেস করল, আমি নিজের মায়ের কাছে যেতে কি অনুমতি চাইব? তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেনঃ হ্যাঁ। লোকটি জিজ্ঞেস করল, আমি এবং আমার মা একসাথে একই ঘরে বসবাস করি। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ যখন তাঁর কাছে যাবে, তখন অনুমতি নিয়ে যাবে। তখন লোকটি বলল, আমি মায়ের পরিচর্যাকারী (খিদমাতে থাকি)। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ অনুমতি নিয়ে তাঁর কাছে যাবে। তুমি কি তোমার মাকে উলঙ্গ অবস্থায় দেখতে পছন্দ করো? লোকটি বলল : না। তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেনঃ অতএব অনুমতি নিয়ে তাঁর কাছে যাও। [ইমাম মালিক (রহিমাহুল্লাহ) হাদীসটি মুরসাল হিসেবে বর্ণনা করেছেন।)
মূল আরবি
وَعَنْ عَلِيٍّ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ قَالَ: كَانَ لِي مِنْ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ مَدْخَلٌ بِاللَّيْلِ وَمَدْخَلٌ بِالنَّهَارِ فَكُنْتُ إِذَا دخلتُ بِاللَّيْلِ تنحنح لي. رَوَاهُ النَّسَائِيّ
تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: ضعيف
تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: * سندہ ضعیف، رواہ النسائي (12/3 ح 1213) [و ابن ماجہ (3708) و، أحمد (80/1ح 608)] ٭ في سماع عبد اللہ بن نجي من علي رضي اللہ عنہ نظر و حدیث، النسائي (1214، وسندہ حسن) یغني عنہ .
বাংলা অনুবাদ
৪৬৭৫-[৯] ’আলী (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমার জন্য রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট রাত ও দিনের বেলা সর্বদাই যাওয়ার অনুমতি ছিল। আমি তাঁর নিকট রাতের বেলা গমন করলে তিনি আমাকে অনুমতি দেয়ার জন্য গলা খেকড় দিতেন। (নাসায়ী)
মূল আরবি
وَعَنْ جَابِرٌ أَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ: "لَا تَأْذَنُوا لِمَنْ لَمْ يَبْدَأْ بالسلامِ" رَوَاهُ الْبَيْهَقِيّ فِي "شعب الْإِيمَان"
تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: ضعيف
تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: * إسنادہ ضعیف، رواہ البیھقي في شعب الإیمان (8816، نسخۃ محققۃ:، 8433) ٭ أبو الزبیر مدلس و عنعن۔ إن صح السند إلیہ، و تلمیذہ أبو إسماعیل، إبراھیم بن یزید الخوزي: ضعیف جدًا .
বাংলা অনুবাদ
৪৬৭৬-[১০] জাবির (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যে ব্যক্তি প্রথমে সালাম না করবে, তাকে তোমরা অনুমতি দেবে না। [ইমাম বায়হাক্বী (রহিমাহুল্লাহ) হাদীসটি শু’আবুল ঈমানে বর্ণনা করেন।]
মূল আরবি
عَن قتادةَ قَالَ: قُلْتُ لِأَنَسٍ: أَكَانَتِ الْمُصَافَحَةُ فِي أَصْحَابِ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ؟ قَالَ: نعم. رَوَاهُ البُخَارِيّ
تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح
تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: * رواہ البخاري (6263)
বাংলা অনুবাদ
৪৬৭৭- কতাদাহ্ (রহিমাহুল্লাহ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি আনাস (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা)-কে জিজ্ঞেস করলাম, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সাহাবীদের মধ্যে কি করমর্দনের রীতি প্রচলিত ছিল? তিনি বললেনঃ হ্যাঁ। (বুখারী)
মূল আরবি
وَعَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ قَالَ: قَبْلَ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ الْحَسَنَ بْنَ عَلِيٍّ وَعِنْدَهُ الْأَقْرَعُ بْنُ حَابِسٍ. فَقَالَ الْأَقْرَعُ: إِنَّ لِي عَشَرَةً مِنَ الْوَلَدِ مَا قَبَّلْتُ مِنْهُمْ أَحَدًا فَنَظَرَ إِلَيْهِ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ ثُمَّ قَالَ: "مَنْ لَا يَرْحَمْ لَا يُرْحَمْ" مُتَّفَقٌ عَلَيْهِ وَسَنَذْكُرُ حَدِيثَ أَبِي هُرَيْرَةَ: "أَثَمَّ لُكَعُ" فِي "بَابِ مَنَاقِبِ أَهْلِ بَيْتِ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَعَلَيْهِمْ أَجْمَعِينَ" إِنْ شَاءَ تَعَالَى وَذَكَرَ حَدِيثَ أمِّ هَانِئ فِي "بَاب الْأمان"
تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: متفق عليه
تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: * متفق علیہ، رواہ البخاري (5997) و مسلم (2318/65) ٭ حدیث: أثم، لکع؟ یأتي (6134) و حدیث أم ھاني تقدم (3977)
বাংলা অনুবাদ
৪৬৭৮-[২] আবূ হুরায়রা (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম (নিজ দৌহিত্র) হাসান ইবনু ’আলী (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা)-কে চুম্বন করলেন, তখন তাঁর কাছে আকরা’ ইবনু হাবিস (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) উপস্থিত ছিলেন। আকরা’ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) বললেনঃ আমার দশ দশটি সন্তান আছে, আমি তাদের কাউকে চুম্বন করিনি। এতদশ্রবণে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর দিকে তাকালেন। অতঃপর বললেনঃ ’’যে ব্যক্তি অনুগ্রহ করে না, তার ওপর অনুগ্রহ করা হয় না’’। (বুখারী ও মুসলিম)
গ্রন্থকার বলেনঃ আবূ হুরায়রা বর্ণিত أَثَمَّ لُكَعُ বাক্য বিশিষ্ট হাদীসটি ইনশা-আল্লাহ مَنَاقِبِ أَهْلِ بَيْتِ النَّبِىِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ অধ্যায়ে অতি সত্বর উল্লেখ করব এবং উক্ত বিষয়বস্তুর উপর উম্মু হানী (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা)-এর বর্ণিত হাদীসটি اَلْأَمَانُ অধ্যায়ে উল্লেখ করা হয়েছে।
মূল আরবি
عَنِ الْبَرَاءِ بْنِ عَازِبٍ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُمَا قَالَ: قَالَ النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: "مَا مِنْ مُسْلِمَيْنِ يَلْتَقِيَانِ فَيَتَصَافَحَانِ إِلَّا غُفِرَ لَهُمَا قَبْلَ أَنْ يَتَفَرَّقَا" . رَوَاهُ أَحْمَدُ وَالتِّرْمِذِيُّ وَابْنُ مَاجَهْ وَفِي رِوَايَةِ أَبِي دَاوُدَ قَالَ: "إِذَا الْتَقَى الْمُسْلِمَانِ فَتَصَافَحَا وَحَمِدَا اللَّهَ وَاسْتَغْفَرَاهُ غفر لَهما"
تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح
تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: * سندہ ضعیف، رواہ أحمد (289/4 ح 18746) و الترمذي (2727 وقال: حسن، غریب) و ابن ماجہ (3703) و أبو داود (5212) ٭ أبو إسحاق مدلس و عنعن و للحدیث، شواھد ضعیفۃ . ٭ و روایۃ: ’’وحمدا اللہ و استغفراہ غفرلھما‘‘ رواہا أبو داود، (5211) و سندہ ضعیف، فیہ أبو الحکم زید بن أبی الشعثاء العنزي، و ثقہ ابن حبان، وحدہ .
বাংলা অনুবাদ
৪৬৭৯-[৩] বারা’ ইবনু ’আযিব (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যখন দু’জন মুসলিম একত্র হয়, অতঃপর পরস্পর করমর্দন করে, তখন তারা পৃথক হওয়ার পূর্বেই তাদেরকে ক্ষমা করে দেয়া হয়। (আহমাদ, তিরমিযী ও ইবনু মাজাহ)
আবূ দাঊদ-এর বর্ণনায় রয়েছে যে, তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেনঃ যখন দু’জন মুসলিম মিলিত হয়ে পরস্পর করমর্দন করে, আল্লাহ তা’আলার প্রশংসা করে এবং তাঁর নিকট ক্ষমা প্রার্থনা করে, তখন তাদের উভয়কেই ক্ষমা করে দেয়া হয়।
মূল আরবি
وَعَن أنس قَالَ: قَالَ رَجُلٌ: يَا رَسُولَ اللَّهِ الرَّجُلُ مِنَّا يَلْقَى أَخَاهُ أَوْ صَدِيقَهُ أَيَنْحَنِي لَهُ؟ قَالَ: "لَا" . قَالَ: أَفَيَلْتَزِمُهُ وَيُقَبِّلُهُ؟ قَالَ: "لَا" . قَالَ: أَفَيَأْخُذُ بِيَدِهِ وَيُصَافِحُهُ؟ قَالَ: "نَعَمْ" . رَوَاهُ التِّرْمِذِيّ
تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: حسن أو صحيح
تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: * إسنادہ ضعیف، رواہ الترمذي (2728 وقال: حسن) [و ابن ماجہ (3702)]، ٭ فیہ حنظلۃ بن عبید اللہ السدوسي: ضعیف .
বাংলা অনুবাদ
৪৬৮০-[৪] আনাস (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, জনৈক ব্যক্তি জিজ্ঞেস করল : হে আল্লাহর রসূল! আমাদের মধ্য হতে কেউ যদি তাঁর কোন মুসলিম ভাইয়ের কিংবা কোন বন্ধুর সাথে সাক্ষাৎ করে, তবে কি সে (তাঁর সম্মানার্থে) মাথা নত করবে? তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেনঃ না। লোকটি বলল : তবে কি সে আলিঙ্গন করবে এবং তাকে চুম্বন করবে? তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেনঃ না। লোকটি আবার জিজ্ঞেস করল, তাহলে কি তার হাত ধরবে এবং পরস্পর করমর্দন করবে? তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেনঃ হ্যাঁ। (তিরমিযী)
