মিশকাতুল মাসাবীহ
পরিচ্ছেদ ২৬৬: হাদিস ৫,৩০১-৫,৩২০
এই অধ্যায়ের হাদিসগুলো একই পাতায় পড়ুন। নির্দিষ্ট হাদিসে যেতে তার নম্বর বা anchor ব্যবহার করুন।
এই পাতার হাদিসসমূহনির্দিষ্ট হাদিসে যেতে তালিকাটি খুলুন। শোহাইড
মূল আরবি
وَعَنْ أَبِي ذَرٍّ عَنِ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ: «الزَّهَادَةُ فِي الدُّنْيَا لَيْسَتْ بِتَحْرِيم وَلَا إِضَاعَةِ الْمَالِ وَلَكِنَّ الزَّهَادَةَ فِي الدُّنْيَا أَنْ لَا تَكُونَ بِمَا فِي يَدَيْكَ أَوْثَقَ بِمَا فِي يَد اللَّهِ وَأَنْ تَكُونَ فِي ثَوَابِ الْمُصِيبَةِ إِذَا أَنْتَ أُصِبْتَ بِهَا أَرْغَبَ فِيهَا لَوْ أَنَّهَا أُبْقِيَتْ لَكَ» رَوَاهُ التِّرْمِذِيُّ وَابْنُ مَاجَهْ وَقَالَ التِّرْمِذِيُّ: هَذَا حَدِيثٌ غَرِيبٌ وَعَمْرُو بْنُ وَاقِدٍ الرَّاوِي مُنكر الحَدِيث
تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: لم تتم دراسته
تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: * إسنادہ ضعیف جدًا، رواہ الترمذي (2340) و ابن ماجہ (4100) ٭ عمرو، بن واقد: متروک .
বাংলা অনুবাদ
৫৩০১-[৭] আবূ যার (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) নাবী (সা.) হতে বর্ণনা করেন, তিনি (সা.) বলেছেন: কোন বৈধ বস্তুকে হারাম করা এবং ধনসম্পদকে ধ্বংস করার নাম দুনিয়া বর্জন করা নয়, বরং প্রকৃত দুনিয়া বর্জন হলো, আল্লাহ তা’আলার হাতে যা আছে তা অপেক্ষা তোমার হাতে যা আছে তা বেশি নির্ভরযোগ্য মনে না করা এবং যখন তোমার ওপর কোন বিপদ এসে পড়ে তখন সেই বিপদ তোমার ওপর পতিত না হওয়ার পরিবর্তে সাওয়াবের আশায় তা বাকি থাকার প্রতি আগ্রহ বেশি হওয়া। [তিরমিযী ও ইবনু মাজাহ; আর ইমাম তিরমিযী (রহিমাহুল্লাহ) বলেছেন, এ হাদীসটি গবীর, বর্ণনাকারী ’আমর ইবনু ওয়াক্বিদ মুনকারুল হাদীস)
মূল আরবি
وَعَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ قَالَ: كُنْتُ خَلْفَ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَوْمًا فَقَالَ: «يَا غُلَامُ احْفَظِ اللَّهَ يَحْفَظْكَ احْفَظِ اللَّهَ تَجِدْهُ تُجَاهَكَ وَإِذَا سَأَلْتَ فَاسْأَلِ اللَّهَ وَإِذَا اسْتَعَنْتَ فَاسْتَعِنْ بِاللَّهِ وَاعْلَمْ أَنَّ الْأُمَّةَ لَوِ اجْتَمَعَتْ عَلَى أَنْ يَنْفَعُوكَ بِشَيْءٍ لَمْ يَنْفَعُوكَ إِلَّا بِشَيْءٍ قَدْ كَتَبَهُ اللَّهُ لَكَ وَلَوِ اجْتَمَعُوا عَلَى أَنْ يَضُرُّوكَ بِشَيْءٍ لَمْ يَضُرُّوكَ إِلَّا بِشَيْءٍ قَدْ كَتَبَهُ اللَّهُ عَلَيْكَ رُفِعَتِ الأقلام وجفَّت الصُّحُف» رَوَاهُ أَحْمد وَالتِّرْمِذِيّ
تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح
تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: * إسنادہ حسن، رواہ أحمد (1/ 293 ح 2669) و الترمذي (2516 وقال:، حسن صحیح)
বাংলা অনুবাদ
৫৩০২-[৮] ইবনু আব্বাস (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, একদিন আমি রাসূলুল্লাহ (সা.) -এর সওয়ারীর পিছনে বসছিলাম। তখন তিনি আমাকে উদ্দেশ্য করে বললেন, হে ছেলে! আল্লাহর বিধানসমূহ যথাযথভাবে মেনে চল আল্লাহ তোমাকে হিফাযতে রাখবেন। আল্লাহর অধিকার আদায় কর, তবে তুমি আল্লাহকে তোমার সম্মুখে পাবে। আর যখন তুমি কারো কাছে কিছু চাওয়ার ইচ্ছা করবে তখন আল্লাহর কাছেই চাইবে এবং যখন কারো সাহায্য চাইতে হয় তখন আল্লাহর কাছেই সাহায্য চাইবে। জেনে রাখ, যদি সমস্ত সৃষ্টিজীব একত্র হয়ে তোমার কোন কল্যাণ করতে চায় তবে তারা আল্লাহর নির্ধারিত পরিমাণ ব্যতীত তোমার কোন কল্যাণ করতে পারবে না।
পক্ষান্তরে যদি সমস্ত সৃষ্টিজীব সমবেতভাবে তোমার কোন ক্ষতি করতে চায় তবে তারা আল্লাহর নির্ধারিত পরিমাণ ব্যতীত তোমার কোন ক্ষতি করতে পারবে না। (তোমাদের ভাগ্যের সব কিছু লেখার পর) কলম তুলে নেয়া হয়েছে এবং খাতাসমূহ শুকিয়ে গেছে। (আহমাদ ও তিরমিযী)
মূল আরবি
وَعَنْ سَعْدٍ قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «مِنْ سَعَادَةِ ابْنِ آدَمَ رِضَاهُ بِمَا قَضَى اللَّهُ لَهُ وَمِنْ شَقَاوَةِ ابْنِ آدَمَ تَرْكُهُ اسْتِخَارَةِ اللَّهِ وَمِنْ شَقَاوَةِ ابْنِ آدَمَ سُخْطُهُ بِمَا قَضَى اللَّهُ لَهُ» . رَوَاهُ أَحْمَدُ وَالتِّرْمِذِيُّ وَقَالَ: هَذَا حَدِيثٌ غَرِيبٌ
تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: لم تتم دراسته
تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: * إسنادہ ضعیف، رواہ أحمد (1/ 168 ح 1444) و الترمذي (2151) ٭ محمد، بن أبي حمید: ضعیف .
বাংলা অনুবাদ
৫৩০৩-[৯] সা’দ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেছেন: আদম সন্তানের সৌভাগ্য হলো আল্লাহর ফায়সালার উপর খুশি থাকা, আর আদম সন্তানের দুর্ভাগ্য আল্লাহর কাছে কল্যাণ কামনা ছেড়ে দেয়া। আর এটাও আদম সন্তানের দুর্ভাগ্য যে, সে আল্লাহর ফায়সালায় অসন্তুষ্টি প্রকাশ করে। [আহমাদ ও তিরমিযী; ইমাম তিরমিযী (রহিমাহুল্লাহ) বলেছেন, হাদীসটি গরীব]
মূল আরবি
عَن جَابر أَنَّهُ غَزَا مَعَ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قبل نجد فَلَمَّا قَفَلَ مَعَهُ فَأَدْرَكَتْهُمُ الْقَائِلَةُ فِي وَادٍ كَثِيرِ الْعِضَاهِ فَنَزَلَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَتَفَرَّقَ النَّاسُ يَسْتَظِلُّونَ بِالشَّجَرِ فَنَزَلَ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ تَحْتَ سَمُرَةٍ فَعَلَّقَ بِهَا سَيْفَهُ وَنِمْنَا نَوْمَةً فَإِذَا رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَدْعُونَا وَإِذَا عِنْدَهُ أَعْرَابِيٌّ فَقَالَ: " إِنَّ هَذَا اخْتَرَطَ عَلَيَّ سَيْفِي وَأَنَا نَائِمٌ فَاسْتَيْقَظْتُ وَهُوَ فِي يَدِهِ صَلتا. قَالَ: مَا يَمْنَعُكَ مِنِّي؟ فَقُلْتُ: اللَّهُ ثَلَاثًا " وَلَمْ يُعَاقِبْهُ وَجلسَ. مُتَّفق عَلَيْهِ
تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: متفق عليه
تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: * متفق علیہ، رواہ البخاري (2910) و مسلم (311/ 843)
বাংলা অনুবাদ
৫৩০৪-[১০] জাবির (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত। একবার তিনি নাজদ অভিমুখে এক যুদ্ধ অভিযানে নাবী (সা.) - এর সঙ্গে ছিলেন। যখন রাসূলুল্লাহ (সা.) প্রত্যাবর্তন করলেন, তখন তিনিও তাঁর সঙ্গে প্রত্যাবর্তন করেন। (এ সময়ে) সাহাবীগণ দ্বিপ্রহরের সময় কাঁটাযুক্ত বৃক্ষরাজিতে ঢাকা একটি উপত্যকায় পৌছেন। রাসূলুল্লাহ (সা.) ও সেখানে অবতরণ করেন। লোকজন ছায়ার জন্য বিভিন্ন গাছের নিচে ছড়িয়ে পড়ল। রাসুলুল্লাহ (সা.) একটি বাবলা গাছের নিচে অবতরণ করে তাতে নিজের তরবারিখানা ঝুলিয়ে রাখলেন। এদিকে আমরাও একটু শুয়ে পড়লাম। হঠাৎ রাসূলুল্লাহ (সা.) আমাদেরকে ডাকতে লাগলেন।
আমরা গিয়ে দেখলাম তাঁর নিকট এক বেদুঈন উপস্থিত রয়েছে। নাবী (সা.)- বললেন, আমি নিদ্রিত ছিলাম, এ লোকটি সেই সুযোগে আমার ওপরে আমার তরবারিখানাই উত্তোলন করেছিল। আমি জাগ্রত হয়ে দেখলাম, তার হাতে কোষমুক্ত তরবারি রয়েছে এবং সে বলল, বল দেখি, আমার হাত হতে তোমাকে কে রক্ষা করবে? আমি বললাম, আল্লাহ তিনবার। এরপর তিনি (সা.) তাকে কোন শাস্তি দেননি এবং উঠে বসলেন। (বুখারী ও মুসলিম)
মূল আরবি
وَفِي رِوَايَةِ أَبِي بَكْرٍ الْإِسْمَاعِيلِيِّ فِي «صَحِيحِهِ» فَقَالَ: مَنْ يَمْنَعُكَ مِنِّي؟ قَالَ: «اللَّهُ» فَسَقَطَ السيفُ من يَده فَأخذ السَّيْفَ فَقَالَ: «مَنْ يَمْنَعُكَ مِنِّي؟» فَقَالَ: كُنْ خَيْرَ آخِذٍ. فَقَالَ: «تَشْهَدُ أَنْ لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ وَأَنِّي رَسُولُ اللَّهِ» . قَالَ: لَا وَلَكِنِّي أُعَاهِدُكَ عَلَى أَنْ لَا أُقَاتِلَكَ وَلَا أَكُونَ مَعَ قَوْمٍ يُقَاتِلُونَكَ فَخَلَّى سَبِيلَهُ فَأَتَى أَصْحَابَهُ فَقَالَ: جِئْتُكُمْ مِنْ عِنْدِ خَيْرِ النَّاسِ. هَكَذَا فِي «كتاب الْحميدِي» و «الرياض»
تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: لم تتم دراسته
تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: * إسنادہ صحیح، ذکرہ النووي في ریاض الصالحین (78 بتحقیقي) ورواہ، البیھقي في دلائل النبوۃ (375/3۔ 376 من طریق الإسماعیلي بہ و لعلہ أسلم بعد کما، یظھر من کلامہ و من أجلہ ذکر فی الصحابۃ .)
বাংলা অনুবাদ
৫৩০৫-[১১] আর আবূ বকর আল ইসমাঈলী তাঁর ’সহীহ’ গ্রন্থে বর্ণনা করেছেন, যখন বেদুঈন লোকটি তরবারি হাতে নবী (সা.)-কে লক্ষ্য করে বলল, বল দেখি, আমার হাত হতে কে তোমাকে রক্ষা করবে? তখন তিনি বললেন, আল্লাহ। এতে তার হাত হতে তরবারিটি নীচে পড়ে গেল! তখন রাসূলুল্লাহ (সা.) এই তরবারি নিজ হাতে তুলে বললেন, কে তোমাকে আমার হাত হতে রক্ষা করবে? সে বলল, (আশা করি) আপনি উত্তম তরবারি ধারণাকারী হবেন অর্থাৎ ক্ষমা করে দেবেন। তখন নবী (সা.) বললেন, "তুমি এ সাক্ষ্য দাও যে, আল্লাহ ছাড়া প্রকৃত কোন উপাস্য নেই, আর আমি নিশ্চয় আল্লাহর রসূল।" উত্তরে সে বলল, আমি এটা বলব না, তবে আপনার সাথে এ অঙ্গীকার করছি যে, আমি কখনো আপনার সাথে যুদ্ধ করব না এবং ঐ সমস্ত লোকেদের সঙ্গেও থাকব না যারা আপনার সাথে যুদ্ধ করবে।
এরপর নবী (সা.) তাকে ছেড়ে দিলেন। সে আপন সঙ্গীদের কাছে এসে বলল, ’আমি মানব জাতির শ্রেষ্ঠ ব্যক্তির নিকট হতে তোমাদের কাছে ফিরে এসেছি।’ এই বর্ধিত অংশটি হুমায়দী তাঁর গ্রন্থে এবং ইমাম নববী ’রিয়াযুস সালিহীন’ কিতাবে বর্ণনা করেছেন।
মূল আরবি
وَعَنْ أَبِي ذَرٍّ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ: " إِنِّي لَأَعْلَمُ آيَةً لَو أخَذ النَّاسُ بهَا لكفتهم: (من يتق الله يَجْعَل لَهُ مخرجاويرزقه من حيثُ لَا يحتسبُ) رَوَاهُ أَحْمد وَابْن مَاجَه والدارمي
تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: ضعيف
تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: * إسنادہ ضعیف، رواہ أحمد (5/ 178 ح 21884) و ابن ماجہ (4220) و، الدارمي (2/ 303 ح 2728) ٭ أعلہ البوصیري بالانقطاع لأن أبا السلیل لم یدرک أبا، ذر رضي اللہ عنہ کما فی التہذیب وغیرہ .
বাংলা অনুবাদ
৫৩০৬-[১২] আবূ যার (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেছেন: কুরআনের এমন একটি আয়াত আমি জানি, যদি লোকেরা তার প্রতি আমল করত, তবে তাই তাদের জন্য যথেষ্ট হত। তা হলো, ( ..وَ مَنۡ یَّتَّقِ اللّٰهَ یَجۡعَلۡ لَّهٗ مَخۡرَجًا ۙ﴿۲﴾ وَّ یَرۡزُقۡهُ مِنۡ حَیۡثُ لَا یَحۡتَسِبُ ؕ..) "...যে ব্যক্তি আল্লাহকে ভয় করে চলে তিনি তার মুক্তির রাস্তা তৈরি করে দেন এবং তাকে এমন জায়গা হতে রিযক দান করেন, যা সে ধারণাও করতে পারে না..."- (সূরাহ্ আত্ব ত্বলাক ৬৫: ২-৩)। (আহমাদ, ইবনু মাজাহ ও দারিমী)
মূল আরবি
وَعَنِ ابْنِ مَسْعُودٍ قَالَ: أَقْرَأَنِي رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: (إِنِّي أَنَا الرَّزَّاقُ ذُو الْقُوَّةِ الْمَتِينُ) رَوَاهُ أَبُو دَاوُدَ وَالتِّرْمِذِيُّ وَقَالَ: هَذَا حَدِيثٌ حسن صَحِيح
تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: لم تتم دراسته
تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: * صحیح، رواہ أبو داود (3993) و الترمذي (2940)
বাংলা অনুবাদ
৫৩০৭-[১৩] ইবনু মাসউদ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সা.) আমাকে এ আয়াতটি এভাবে শিক্ষা দিয়েছেন- (إِنِّي أَنَا الرَّزَّاقُ ذُو الْقُوَّةِ الْمَتِينُ) অর্থাৎ "আমিই রিযকদাতা, ক্ষমতার আধার"। [তিরমিযী ও আবূ দাউদ; ইমাম তিরমিযী (রহিমাহুল্লাহ) বলেছেন : হাদীসটি হাসান সহীহ
মূল আরবি
وَعَن أنسٍ قَالَ: كَانَ أَخَوَانِ عَلَى عَهْدِ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَكَانَ أَحَدُهُمَا يَأْتِي النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَالْآخَرُ يَحْتَرِفُ فَشَكا المحترف أَخَاهُ إِلَى النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَقَالَ: «لَعَلَّكَ تُرْزَقُ بِهِ» رَوَاهُ التِّرْمِذِيُّ وَقَالَ: هَذَا حَدِيث صَحِيح غَرِيب
تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: إسناده جيد
تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: * إسنادہ حسن، رواہ الترمذي (2345)
বাংলা অনুবাদ
৫৩০৮-[১৪] আনাস (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সা.) -এর যামানায় এমন দুই ভাই ছিল তাদের একজন নবী (সা.) -এর সেবায় আসত এবং অপর ভাই রুযী-রোজগার করত। একদিন এ পেশাদার ভাই নবী (সা.) -এর কাছে ঐ ভাইয়ের সম্পর্কে অভিযোগ করে (যে, সে কাম-কাজ না করে আমার ওপর ভরসায় থাকে, তখন তিনি (সা.) বললেন, হতে পার যে, তোমার সেই ভাইয়ের ওয়াসীলায় তোমাকে রিযক প্রদান করা হচ্ছে। (তিরমিযী; তিনি বলেছেন, হাদীসটি সহীহ গরীব)
মূল আরবি
وَعَنْ عَمْرِو بْنِ الْعَاصِ قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «إِنَّ قَلْبَ ابْنِ آدَمَ بِكُلِّ وَادٍ شُعْبَةٌ فَمَنْ أَتْبَعَ قَلْبَهُ الشُّعَبَ كُلَّهَا لَمْ يُبَالِ اللَّهُ بِأَيِّ وَادٍ أَهْلَكَهُ وَمَنْ تَوَكَّلَ عَلَى اللَّهِ كَفَاهُ الشّعب» . رَوَاهُ ابْن مَاجَه
تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: وعن عمرو بن
تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: * إسنادہ ضعیف، رواہ ابن ماجہ (4166) ٭ فیہ صالح بن رزین: مجھول، وقال الذہبي: ’’حدیثہ منکر‘‘ و السند ضعفہ البوصیري من أجل صالح ھذا .
বাংলা অনুবাদ
৫৩০৯-[১৫] ’আমর ইবনুল আস (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেছেন: প্রত্যেক উপত্যকায় মানুষের অন্তরের ঘাঁটি রয়েছে। অতএব যে ব্যক্তি তার অন্তরকে উক্ত প্রত্যেক ঘাটির দিকে ধাবিত করে, আল্লাহ তা’আলা তাকে তার যে কোন ঘাঁটিতে ধ্বংস করতে পরোয়া করেন না। পক্ষান্তরে যে ব্যক্তি একমাত্র আল্লাহর ওপর ভরসা করে তিনি তার ঘাঁটিসমূহের জন্য যথেষ্ট হয়ে যান। (ইবনু মাজাহ)
মূল আরবি
وَعَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ أَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ: " قَالَ رَبُّكُمْ عَزَّ وَجَلَّ: لَوْ أَنَّ عَبِيدِي أَطَاعُونِي لَأَسْقَيْتُهُمُ الْمَطَرَ بِاللَّيْلِ وَأَطْلَعْتُ عَلَيْهِمُ الشَّمْسَ بِالنَّهَارِ وَلَمْ أُسْمِعْهُمْ صَوْتَ الرَّعدِ ". رَوَاهُ أَحْمد
تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: ضعيف
تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: * إسنادہ ضعیف، رواہ أحمد (2/ 359 ح 8693) [و الحاکم (4/ 256)] ٭، صدقۃ بن موسی الدقیقي السلمي ضعیف ضعفہ الجمھور .
বাংলা অনুবাদ
৫৩১০-[১৬] আবূ হুরায়রাহ্ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত। নাবী (সা.) বলেছেন: তোমাদের মহাপরাক্রমশালী পরোয়ারদিগার বলেন, যদি আমার বান্দাগণ আমার আনুগত্য করত, তাহলে আমি তাদেরকে রাত্রে বৃষ্টি বর্ষণ করতাম এবং দিনের বেলায় সূর্যের কিরণ ছড়িয়ে দিতাম, আর মেঘের গর্জন, বিদ্যুতের শব্দ তাদেরকে শুনাতাম না। (আহমাদ)
মূল আরবি
وَعَنْهُ قَالَ: دَخَلَ رَجُلٌ عَلَى أَهْلِهِ فَلَمَّا رَأَى مَا بِهِمْ مِنَ الْحَاجَةِ خَرَجَ إِلَى الْبَرِيَّةِ فَلَمَّا رَأَتِ امْرَأَتُهُ قَامَتْ إِلَى الرَّحَى فَوَضَعَتْهَا وَإِلَى التَّنُّورِ فَسَجَرَتْهُ ثُمَّ قَالَتْ: اللَّهُمَّ ارْزُقْنَا فَنَظَرَتْ فَإِذَا الْجَفْنَةُ قَدِ امْتَلَأَتْ. قَالَ: وَذَهَبَتْ إِلَى التَّنُّورِ فَوَجَدَتْهُ مُمْتَلِئًا. قَالَ: فَرَجَعَ الزَّوْجُ قَالَ: أَصَبْتُمْ بَعْدِي شَيْئًا؟ قَالَتِ امْرَأَتُهُ: نَعَمْ مِنْ رَبِّنَا وَقَامَ إِلَى الرَّحَى فَذُكِرَ ذَلِكَ إِلَى النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَقَالَ: «أَمَا إِنَّهُ لَوْ لَمْ يَرْفَعْهَا لَمْ تَزَلْ تَدور إِلَى يَوْم الْقِيَامَة» . رَوَاهُ أَحْمد
تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: لم تتم دراسته
تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: * إسنادہ ضعیف، رواہ أحمد (2/ 513 ح 10667) [و الطبراني فی الأوسط، (5584)] ٭ ھشام بن حسان مدلس و عنعن عن محمد بن سیرین إلخ .
বাংলা অনুবাদ
৫৩১১-[১৭] উক্ত রাবী [আবূ হুরায়রাহ্ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা)] হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, একদিন এক ব্যক্তি তার পরিবার-পরিজনের নিকট এসে দেখল তারা ক্ষুধা ও উপবাসে পড়ে আছে, তখন সে (দিশেহারা হয়ে) ময়দানের দিকে বের হয়ে গেল। অতঃপর তার স্ত্রী যখন দেখল তার স্বামী খাদ্যের সন্ধানে বাইরে চলে গেছে। তখন সে আটা পেষার চাক্কির কাছে গেল এবং চাক্কির এক পাট আরেক পাটের উপর রাখল, অতঃপর চুলার কাছে গিয়ে তাতে আগুন জ্বালাল। এরপর দু’আ করল, হে আল্লাহ! তুমি আমাদের রিযক দান কর। এরপর সে চাক্কির নীচের তাগারীটির (বিরাট পাত্র) প্রতি লক্ষ্য করে দেখল তা ভর্তি হয়ে রয়েছে।
বর্ণনাকারী বলেন, অতঃপর সে রুটি তৈরি করার জন্য চুলার কাছে গিয়ে দেখে যে, সেখানে পাত্রটি রুটির দ্বারা পরিপূর্ণ হয়ে আছে। বর্ণনাকারী বলেন, এরপর স্বামী ঘরে ফিরে (স্ত্রীকে) জিজ্ঞেস করল, আমার চলে যাওয়ার পর তোমরা কি কারো নিকট হতে কিছু পেয়েছ? স্ত্রী বলল, হ্যাঁ পেয়েছি। আমরা আমাদের রবের নিকট হতে পেয়েছি। অতঃপর সে (লোকটি) চাক্কির নিকট গিয়ে তার পাটটি খুলে রাখল এবং নবী (সা.) -এর নিকট ঘটনাটি বর্ণনা করা হলে তিনি বললেন, যদি সে চাক্কির পাটটি না সরাত, তাহলে কিয়ামত পর্যন্ত তা ঘুরতে থাকত (এবং তা হতে আটা বের হতে থাকত)। (আহমাদ)
মূল আরবি
وَعَنْ أَبِي الدَّرْدَاءِ قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «إِنَّ الرِّزْقَ لَيَطْلُبُ الْعَبْدَ كَمَا يَطْلُبُهُ أَجَلُهُ» . رَوَاهُ أَبُو نُعَيْمٍ فِي «الْحِلْية»
تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: لم تتم دراسته
تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: * إسنادہ ضعیف، رواہ أبو نعیم في حلیۃ الأولیاء (6/ 86) ٭ الولید، بن مسلم کان یدلس تدلیس التسویۃ و لم یصرح بالسماع المسلسل و للحدیث شاھدان، ضعیفان فی الحلیۃ (90/7، 246) و الکامل لابن عدي وغیرہما .
বাংলা অনুবাদ
৫৩১২-[১৮] আবুদ দারদা (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেছেন : বান্দার রিযক তাকে এভাবে খুঁজে বেড়ায় যেমন তার মৃত্যুকাল তাকে খোঁজ করে। (আবূ নু’আয়ম তাঁর "হিলইয়াহ" গ্রন্থে)
মূল আরবি
وَعَنِ ابْنِ مَسْعُودٍ قَالَ: كَأَنِّي أَنْظُرُ إِلَى رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَحْكِي نَبِيًّا مِنَ الْأَنْبِيَاءِ ضَرَبَهُ قَوْمُهُ فَأَدْمَوْهُ وَهُوَ يَمْسَحُ الدَّمَ عَنْ وَجْهِهِ وَيَقُولُ: «اللَّهُمَّ اغْفِرْ لِقَوْمِي فَإِنَّهُمْ لَا يَعْلَمُونَ» . مُتَّفَقٌ عَلَيْهِ
تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: متفق عليه
تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: * متفق علیہ، رواہ البخاري (3477) و مسلم (105/ 1792)
বাংলা অনুবাদ
৫৩১৩-[১৯] ইবনু মাসউদ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি যেন এখনও রাসূলুল্লাহ (সা.) -এর দিকে তাকাচ্ছি যখন তিনি কোন একজন এমন নবীর ঘটনা বর্ণনা করছিলেন, যাকে তার আপন কওমের লোকেরা প্রহার করে রক্তাক্ত করেছিল, আর তিনি নিজের চেহারা হতে রক্ত মুচ্ছিলেন, আর বলছিলেন, হে আল্লাহ! তুমি আমার কওমের কৃত অপরাধ ক্ষমা করে দাও। কেননা তারা অজ্ঞ। (বুখারী ও মুসলিম)
মূল আরবি
عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «إِنَّ اللَّهَ لَا ينظر إِلَى صوركُمْ وَلَا أموالِكم وَلَكِنْ يَنْظُرُ إِلَى قُلُوبِكُمْ وَأَعْمَالِكُمْ» . رَوَاهُ مُسْلِمٌ
تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح
تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: * رواہ مسلم (34/ 2564)
বাংলা অনুবাদ
৫৩১৪- আবূ হুরায়রাহ্ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেছেন: নিঃসন্দেহে আল্লাহ তা’আলা তোমাদের বাহ্যিক আকৃতি ও সম্পদের প্রতি দৃষ্টি দেন না, বরং তিনি তোমাদের অন্তর ও ’আমলের প্রতি দৃষ্টি দেন। (মুসলিম)
মূল আরবি
وَعَنْهُ قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: " قَالَ اللَّهُ تَعَالَى: أَنَا أَغْنَى الشُّرَكَاءِ عَنِ الشِّرْكِ مَنْ عَمِلَ عَمَلًا أَشْرَكَ فِيهِ مَعِي غَيْرِي تَرَكْتُهُ وَشِرْكَهُ " وَفِي رِوَايَةٍ: فَأَنَا مِنْهُ بَرِيءٌ هُوَ لِلَّذِي عَمِلَهُ ". رَوَاهُ مُسلم
تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح
تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: * رواہ مسلم (46/ 2985)
বাংলা অনুবাদ
৫৩১৫-[২] উক্ত রাবী [আবূ হুরায়রাহ্ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা)] বলেন, রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেছেন: আল্লাহ তা’আলা বলেন, আমি অংশীস্থাপনকারীদের হতে সম্পূর্ণ মুক্ত। যে লোক কোন ’আমলে (ইবাদতে) আমার সাথে অন্যকে শরীক করে, আমি তাকেও তার সেই শিরকসহ বর্জন করি। অপর এক বর্ণনায় আছে, তার সাথে।
মূল আরবি
وَعَنْ جُنْدُبٍ قَالَ: قَالَ النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «مَنْ سَمَّعَ سَمَّعَ اللَّهُ بِهِ وَمَنْ يُرَائِي يُرَائِي اللَّهُ بِهِ» . مُتَّفَقٌ عَلَيْهِ
تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: متفق عليه
تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: * متفق علیہ، رواہ البخاري (6499) و مسلم (48/ 2987)
বাংলা অনুবাদ
৫৩১৬-[৩] জুনদুব (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী (সা.) বলেছেন: যে ব্যক্তি খ্যাতি অর্জনের জন্য কোন কাজ করে, আল্লাহ তা’আলা তার দোষ-ক্রটিকে লোক সমাজে প্রকাশ করে দেবেন। আর যে ব্যক্তি মানুষকে দেখানোর জন্য কোন কাজ করে, আল্লাহ তা’আলাও তার সাথে লোক দেখানোর আচরণ করবেন (প্রকৃত সাওয়াব হতে সে বঞ্চিত থাকবে)। (বুখারী ও মুসলিম)
মূল আরবি
وَعَنْ أَبِي ذَرٍّ قَالَ: قِيلَ لِرَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: أَرَأَيْتَ الرَّجُلَ يَعْمَلُ الْخَيْرِ وَيَحْمَدُهُ النَّاسُ عَلَيْهِ. وَفِي رِوَايَةٍ: يُحِبُّهُ النَّاسُ عَلَيْهِ قَالَ: «تِلْكَ عَاجِلُ بُشْرَى الْمُؤْمِنِ» . رَوَاهُ مُسلم
تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح
تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: * رواہ مسلم (166/ 2642)
বাংলা অনুবাদ
৫৩১৭-[৮] আবূ যার (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, একদিন রাসূলুল্লাহ (সা.) -কে জিজ্ঞেস করা হলো, ঐ ব্যক্তি সম্পর্কে আপনার অভিমত কি, যে কোন ভালো কাজ করে আর লোকেরা তার সেই কাজের কারণে তার প্রশংসা করে। অপর বর্ণনায় রয়েছে, "এই কাজের কারণে লোকে তাকে পছন্দ করে।" (এতে কি তার সাওয়াব বাতিল হয়ে যাবে?) তিনি বললেন, (এরূপ প্রশংসিত হওয়া) এটা মু’মিনদের নগদ সুসংবাদ। (মুসলিম)
মূল আরবি
عَن أبي سعدِ بن أبي فَضَالَةَ عَنْ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ: " إِذَا جَمَعَ اللَّهُ النَّاسَ يَوْمَ الْقِيَامَةِ لِيَوْمٍ لَا رَيْبَ فِيهِ نَادَى مُنَادٍ: مَنْ كانَ أشركَ فِي عملٍ عملَه للَّهِ أحدا فَلْيَطْلُبْ ثَوَابَهُ مِنْ عِنْدِ غَيْرِ اللَّهِ فَإِنَّ اللَّهَ أَغْنَى الشُّرَكَاءِ عَنِ الشِّرْكِ ". رَوَاهُ أَحْمَدُ
تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: حسن
تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: * حسن، رواہ أحمد (3/ 466 ح 15932) [و الترمذي (3154) و ابن ماجہ، (4203)]
বাংলা অনুবাদ
৫৩১৮-[৫] আবূ সাঈদ ইবনু আবূ ফাযালাহ্ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) রাসূলুল্লাহ (সা.) হতে বর্ণনা করেন। তিনি (সা.) বলেছেন: আল্লাহ তা’আলা কিয়ামতের দিন যখন মানুষদেরকে সমবেত করবেন, যেদিন সম্পর্কে সন্দেহের কোন সুযোগ নেই। সেদিন কোন এক ঘোষণাকারী ঘোষণা দেবে, যে ব্যক্তি আল্লাহর জন্য কোন ’আমল করতে অন্য কাউকেও অংশীদার বানিয়েছে, সে যেন আল্লাহ ছাড়া ঐ ব্যক্তির থেকেই তার প্রতিদান অন্বেষণ করে। কেননা আল্লাহ তা’আলা অংশীদার অংশীবাদ হতে সম্পূর্ণ মুক্ত। (আহমাদ)
মূল আরবি
وَعَن عبد الله بن عَمْرو أَنَّهُ سَمِعَ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَقُولُ: «مَنْ سَمَّعَ النَّاسَ بِعَمَلِهِ سَمَّعَ اللَّهُ بِهِ أَسَامِعَ خَلْقِهِ وَحَقَّرَهُ وَصَغَّرَهُ» . رَوَاهُ الْبَيْهَقِيّ فِي «شعب الْإِيمَان»
تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح
تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: * صحیح، رواہ البیھقي في شعب الإیمان (6822، نسخۃ محققۃ: 6403) [و، أحمد (2/ 162، 212، 223)] ٭ قلت: فیہ رجل یقال لہ أبو یزید وھو خیثمۃ بن عبد، الرحمٰن کما في حلیۃ الأولیاء (4/ 123) و مجمع الزوائد (10/ 222) فالحدیث صحیح، والحمد للّٰہ .
বাংলা অনুবাদ
৫৩১৯-[৬] ’আবদুল্লাহ ইবনু ’আমর (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত। তিনি রাসূলুল্লাহ (সা.) -কে বলতে শুনেছেন, যে লোক মানুষের কাছে নিজের ’আমলের কথা শুনায়, আল্লাহ তা’আলা তার মন্দ উদ্দেশ্যে কৃত ’আমলকে মানুষের কানে পৌছিয়ে দেবেন এবং তাকে লাঞ্ছিত ও অপমানিত করবেন। (বায়হাক্বী’র শুআবূল ঈমান)
মূল আরবি
وَعَنْ أَنَسٍ أَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ: «مَنْ كَانَتْ نِيَّتُهُ طَلَبَ الْآخِرَةِ جَعَلَ اللَّهُ غِنَاهُ فِي قَلْبِهِ وَجَمَعَ لَهُ شَمْلَهُ وَأَتَتْهُ الدُّنْيَا وَهِيَ رَاغِمَةٌ وَمَنْ كَانَتْ نِيَّتُهُ طَلَبَ الدُّنْيَا جَعَلَ اللَّهُ الْفَقْرَ بَيْنَ عَيْنَيْهِ وَشَتَّتَ عَلَيْهِ أَمْرَهُ وَلَا يَأْتِيهِ مِنْهَا إِلاَّ مَا كُتِبَ لَهُ» . رَوَاهُ التِّرْمِذِيّ وَرَوَاهُ أَحْمد
تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: لم تتم دراسته
تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: * سندہ ضعیف، رواہ الترمذي (2465 وقال: حسن غریب) و أحمد (5/ 183 ح، 21925) و للحدیث الآتي یغني عنہ) ٭ یزید بن أبان الرقاشي زاھد ضعیف .
বাংলা অনুবাদ
৫৩২০-[৭] আনাস (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত। নবী (সা.) বলেছেন: যে লোক (স্বীয় ’আমলে) পরকালে আল্লাহর সন্তুষ্টির নিয়্যাত রাখে, আল্লাহ তার হৃদয়কে (মানুষ হতে) অমুখাপেক্ষী করে দেন এবং তার অগোছালো কাজ-কর্মগুলো তিনি গুছিয়ে দেন এবং দুনিয়াবী সম্পদ তার কাছে লাঞ্ছিত হয়ে আসে। অপরদিকে যে ব্যক্তি দুনিয়া লাভের নিয়্যাত রাখে, আল্লাহ তা’আলা নিঃস্বতাকে তার চক্ষুর সম্মুখে করে দেন। (অর্থাৎ সে সর্বদা অভাব-অনটনকেই দেখতে পায়), তার কাজকর্ম হজবরল হয়ে যায়। অথচ সে ইহকালীন সম্পদের কেবল ততটুকুই পায় যতটুকু তার জন্য ধার্য রয়েছে। (তিরমিযী)
