সহীহ মুসলিম
জান্নাত, জান্নাতের নি’আমাত ও জান্নাতবাসীদের বর্ণনা: হাদিস ৭,০২২-৭,১২৬
এই অধ্যায়ের হাদিসগুলো একই পাতায় পড়ুন। নির্দিষ্ট হাদিসে যেতে তার নম্বর বা anchor ব্যবহার করুন।
এই পাতার হাদিসসমূহনির্দিষ্ট হাদিসে যেতে তালিকাটি খুলুন। শোহাইড
বাংলা অনুবাদ
রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ জান্নাতকে পরিবেষ্টন করে রাখা হয়েছে কষ্টদায়ক জিনিস দ্বারা এবং জাহান্নামকে পরিবেষ্টন করে রাখা হয়েছে আকর্ষণীয় জিনিস দ্বারা। (ই.ফা. ৬৮৬৯, ই.সে. ৬৯২৬)
বর্ণনাকারীঃ আনাস ইবনু মালিক (রাঃ)
বাংলা অনুবাদ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হতে অবিকল হাদীস বর্ণনা করেছেন। (ই.ফা. ৬৮৭০, ই.সে. ৬৯২৭)
বর্ণনাকারীঃ আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ)-এর সানাদ
বাংলা অনুবাদ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আল্লাহ তা‘আলা বলেছেন, আমি আমার নেক বান্দাদের জন্য এমন সব বস্তু তৈরি করে রেখেছি যা কখনো কোন চক্ষু দেখেনি, কোন কান শুনেনি এবং কোন অন্তঃকরণ কখনো কল্পনাও করেনি।
এ কথাটি অনুরূপ আল-কুরআনেও উল্লেখ রয়েছে- “কেউ জানে না তাদের জন্য নয়ন মুগ্ধকর কী লুকিয়ে রাখা হয়েছে, তাদের কৃতকর্মের প্রতিদান স্বরূপ”- (সূরাহ্ আস্ সাজ্দাহ্ ৩২ : ১৭)। (ই.ফা. ৬৮৭১, ই.সে. ৬৯২৮)
বর্ণনাকারীঃ আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ)-এর সূত্র
বাংলা অনুবাদ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আল্লাহ তা‘আলা বলেছেন, আমি আমার নেক্কার বান্দাদের জন্য এমন বস্তু তৈরি করে রেখেছি যা কোন চক্ষু কক্ষনো দেখেনি, কোন কর্ণ কক্ষনো শুনেনি এবং কোন অন্তঃকরণ যা কক্ষনো চিন্তাও করেনি। এসব নি‘আমাত আমি জমা রেখে দিয়েছি। তবে আল্লাহ তোমাদেরকে যা অবগত করিয়েছেন তা অবগত হয়েছেন। (ই.ফা. ৬৮৭২, ই.সে. ৬৯২৯)
বর্ণনাকারীঃ আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ)-এর সূত্র
বাংলা অনুবাদ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ আল্লাহ তা‘আলা বলেন, আমি আমার নেক বান্দাদের জন্য এমন সব বস্তু প্রস্তুত করে রেখেছি, যা কোন চক্ষু কক্ষনো দেখেনি, কোন কর্ণ কক্ষনো শুনেনি এবং যা কোন অন্তঃকরণ কক্ষনো চিন্তাও করেনি। এগুলো আমি তোমাদের জন্য গচ্ছিত করে রেখে দিয়েছি। এ সকল ব্যতীত আল্লাহ তোমাদেরকে যা কিছু দেখিয়েছেন। এর কোনই মূল্য নেই।
তারপর তিনি পাঠ করলেন, “কেউই জানে না তাদের জন্য নয়ন মুগ্ধকর কী লুকিয়ে রাখা হয়েছে তাদের কৃতকর্মের প্রতিদান স্বরূপ”- (সূরাহ্ আস্ সাজদাহ্ ৩২ : ১৭। (ই.ফা. ৬৮৭৩, ই.সে. ৬৯৩০)
বর্ণনাকারীঃ আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ)
বাংলা অনুবাদ
তিনি বলেন, আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর এক সমাবেশে উপস্থিত ছিলাম। তিনি জান্নাতের গুণকীর্তন করে শেষ অবধি বললেন, এতে এমন সব নি‘আমাত রয়েছে যা কোন চক্ষু কক্ষনো দেখেনি, কোন কান কক্ষনো শোনেনি এবং কোন অন্তঃকরণ কক্ষনো কল্পনাও করেনি। অতঃপর তিনি (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) পাঠ করলেন- ‘তারা শয্যা ত্যাগ করতঃ তাদের প্রতিপালককে ডাকে, আশায় ও আশংকায় এবং তাদেরকে যে রিজিক দান করেছি তা থেকে তারা ব্যয় করে। কেউই জানে না তাদের জন্য নয়ন মনোমুগ্ধকর কী লুক্কায়িত রাখা হয়েছে তাদের কর্মফল স্বরূপ”- (সূরা আস্ সাজদাহ্ ৩২ : ১৬-১৭)। (ই.ফা. ৬৮৭৪, ই.সে. ৬৯৩১)
বর্ণনাকারীঃ সাহ্ল ইবনু সা‘দ আস্ সা‘ইদী (রাঃ)
বাংলা অনুবাদ
রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, জান্নাতে এমন একটি বৃক্ষ আছে, যার ছায়ায় একজন আরোহী একশ’ বছর পর্যন্ত সফর করতে থাকবে। (ই.ফা. ৬৮৭৫, ই.সে. ৬৯৩২)
বর্ণনাকারীঃ আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ)-এর সূত্র
বাংলা অনুবাদ
অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করেছেন। তবে এতে অতিরিক্ত রয়েছে যে, এতেও সে সফর শেষ করতে পারবে না। (ই.ফা. ৬৮৭৬, ই.সে. ৬৯৩৩)
বর্ণনাকারীঃ আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ)-এর সূত্রে নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)
বাংলা অনুবাদ
রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ জান্নাতের মাঝে এমন একটি গাছ রয়েছে, যার ছায়ায় একজন আরোহী একশ’ বছর ভ্রমণ করেও তা শেষ করতে পারবে না। (ই.ফা. ৬৮৭৭, ই.সে. ৬৯৩৪)
বর্ণনাকারীঃ সাহ্ল ইবনু সা‘দ (রাঃ)
বাংলা অনুবাদ
নু‘মান ইবনু আবূ ‘আইয়্যাশ যুরাকীর কাছে এ হাদীস আমি বর্ণনা করার পর তিনি বললেন, আমাকে আবূ সা‘ঈদ আল খুদ্রী (রাঃ) বলেছেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ জান্নাতের মাঝে এমন একটি গাছ রয়েছে, যা দ্রুতগামী শক্তিশালী অশ্বারোহী একশ’ বছর পর্যন্ত চলার পরও তা সে অতিক্রম করতে পারবে না। (ই.ফা. ৬৮৭৭, ই.সে. ৬৯৩৪)
বর্ণনাকারীঃ বর্ণনাকারী আবূ হাযিম (রহঃ)
বাংলা অনুবাদ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ ৩এও জান্নাতী লোকদেরকে লক্ষ্য করে আল্লাহ তা‘আলা বলবেন, হে জান্নাতীগন! তারা বলবে, হে আমাদের পালনকর্তা! আমরা আপনার আনুগত্যের জন্য উপস্থিত আছি। যাবতীয় কল্যাণ আপনারই হাতে। তারপর তিনি বলবেন, তোমরা কি সন্তুষ্ট হয়েছো? তারা জবাব দিবে, হে আমাদের রব! কেন আমরা সন্তুষ্ট হব না? অথচ আপনি আমাদেরকে এমন বস্তু দান করেছেন যা আপনার সৃষ্টি জগতের অন্য কাউকে দান করেননি। তিনি বলবেন, আমি কি তোমাদেরকে এর থেকে উত্তম বস্তু দান করব না? তারা বলবে, হে পালনকর্তা! এর চাইতে উত্তম বস্তু আর কি হতে পারে? এরপর আল্লাহ বলবেন, আমি তোমাদের উপর আমার সন্তুষ্টি নাযিল করব। অতঃপর তোমাদের উপর আমি আর কক্ষনো অসন্তুষ্ট হব না। (ই.ফা. ৬৮৭৮, ই.সে. ৬৯৩৫)
বর্ণনাকারীঃ আবূ সা‘ঈদ আল খুদ্রী (রাঃ)
বাংলা অনুবাদ
রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ জান্নাতবাসীগণ জান্নাতের সুউচ্চ বালাখানাসমূহ দেখতে পাবে, তোমরা যেমন আকাশের তারকারাজি দেখে থাকো। (ই.ফা. ৬৮৭৯, ই.সে. ৬৯৩৬)
বর্ণনাকারীঃ সাহ্ল ইবনু সা‘দ (রাঃ)
বাংলা অনুবাদ
বর্ণনাকারী বলেন, নু‘মান ইবনু আবূ ‘আইয়্যাশ-এর নিকট এ হাদীসটি আমি বর্ণনা করার পর তিনি বললেন, আমি আবূ সা‘ঈদ আল খুদ্রী (রাঃ)-এর কাছে শুনেছি, তিনি বলেছেন, যেমনিভাবে তোমরা পূর্ব বা পশ্চিম আকাশের উজ্জ্বল তারকারাজি দেখে থাকো। (ই.ফা. ৬৮৭৯, ই.সে. ৬৯৩৬)
বর্ণনাকারীঃ নু‘মান ইবনু আবূ ‘আইয়্যাশ
বাংলা অনুবাদ
ইয়া‘কূব-এর হাদীসের অবিকল বর্ণনা করেছেন। (ই.ফা. ৬৮৮০, ই.সে. ৬৯৩৭)
বর্ণনাকারীঃ আবূ হাযিম (রহঃ) থেকে উভয় সূত্র
বাংলা অনুবাদ
রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন, জান্নাতের বাসিন্দাগণ জান্নাতের সুউচ্চ প্রাসাদসমূহ উপর দিকে দেখতে পাবে, যেমন দূরবর্তী উজ্জ্বল নক্ষত্রসমূহ তোমরা আকাশের পূর্ব বা পশ্চিম কোণে স্পষ্ট দেখতে পাও। কেননা তাদের পরস্পরের সম্মানের ক্ষেত্রে পার্থক্য সূচিত থাকবে। এ কথা শ্রবণে সহাবাগণ বললেন, হে আল্লাহর রসূল! এ স্তরসমূহ তো নাবীদের জন্য নির্ধারিত। তাদের ছাড়া অন্যেরা তো এ স্তরে কক্ষনো পৌঁছতে পারবে না। জবাবে তিনি বললেন, কেন পারবে না, অবশ্যই পারবে। যে সত্তার হাতে আমার প্রাণ আমি তাঁর শপথ করে বলছি! যে সকল লোক আল্লাহতে ঈমান আনয়ন করে এবং তাঁর রসূলদের প্রতি আস্থা স্থাপন করে, তারা সকলেই এ মর্যাদা সম্পন্ন স্তরসমূহে প্রবেশ করতে সক্ষম হবে। (ই.ফা. ৬৮৮১, ই.সে. ৬৯৩৮)
বর্ণনাকারীঃ আবূ সা‘ঈদ আল খুদরী (রাঃ)
বাংলা অনুবাদ
রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ আমার উম্মাতের মাঝে আমাকে বেশি মহব্বতকারী ঐ সব লোকেরা হবে, যারা আবির্ভূত হবে আমার ইন্তিকালের পর, তারা আকাঙ্ক্ষা করবে, হায় যদি তাদের পরিবার-পরিজন এবং ধন-সম্পদের বিনিময়েও আমাকে দেখতে পেত। (ই.ফা. ৬৮৮২, ই.সে. ৬৯৩৯)
বর্ণনাকারীঃ আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ)
বাংলা অনুবাদ
রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ জান্নাতে একটি বাজার থাকবে। প্রত্যেক জুমু‘আয় জান্নাতী লোকেরা এতে একত্রিত হবে। তারপর উত্তরদিকের বায়ু প্রবাহিত হয়ে সেখানকার ধূলা-বালি তাদের মুখমণ্ডল ও পোশাক-পরিচ্ছদে গিয়ে লাগবে। এতে তাদের সৌন্দর্য এবং শরীরের রং আরো বেড়ে যাবে। তারপর তারা স্ব স্ব পরিবারের কাছে ফিরে আসবে। এসে দেখবে, তাদের শরীরের রং এবং সৌন্দর্যও বহু বৃদ্ধি পেয়েছে। এরপর তাদের পরিবারের লোকেরা বলবে, আল্লাহর শপথ! আমাদের নিকট হতে যাবার পর তোমাদের সৌন্দর্য বৃদ্ধি পেয়েছে। উত্তরে তারাও বলবে, আল্লাহ শপথ! তোমাদের শরীরের সৌন্দর্য তোমাদের নিকট থেকে যাবার পর বহুগুণে বেড়ে গেছে। (ই.ফা. ৬৮৮৩, ই.সে. ৬৯৪০)
বর্ণনাকারীঃ আনাস ইবনু মালিক (রাঃ)
বাংলা অনুবাদ
তিনি বলেন, লোকেরা গর্ব প্রকাশ করে বলল, অথবা আলোচনা করতঃ বলল, জান্নাতে পুরুষ অধিক হবে, না মহিলা? এ কথা শ্রবণে আবূ হুরায়রা্ (রাঃ) বললেন, আবুল কাসিম (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কি বলেননি, যে দলটি জান্নাতে প্রথমে প্রবেশ করবে তাদের মুখায়ব পূর্ণিমার চাঁদের মতো উজ্জ্বল হবে। তাদের পর যারা জান্নাতে যাবে তাদের চেহারা হবে ঊর্দ্ধাকাশের আলোকিত নক্ষত্রের মতো। তাদের প্রত্যেকের জন্যই থাকবে দু’ জন সহধর্মিণী। গোশ্তের এ পাশ হতে তাদের পায়ের নলার মগজ দৃশ্য হবে। জান্নাতের মাঝে কেউ (আর) অবিবাহিত থাকবে না। (ই.ফা. ৬৮৮৪, ই.সে. ৬৯৪১)
বর্ণনাকারীঃ মুহাম্মাদ (রহঃ)
বাংলা অনুবাদ
তিনি বলেন, (পুরুষ ও মহিলাদের মধ্যে) কারা অধিক জান্নাতী হবে, এ বিষয়ে পুরুষ ও মহিলাগন ঝগড়ায় লিপ্ত হলো। তারপর তারা এ ব্যাপারে আবূ হুরায়রা্ (রাঃ)-কে প্রশ্ন করলে তিনি ইবনু ‘উলাইয়্যার ন্যায় বললেন, আবুল কাসিম (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এ কথা বলেছেনঃ । (ই.ফা. ৬৮৮৫, ই.সে. ৬৯৪২)
বর্ণনাকারীঃ ইবনু সীরীন (রহঃ)
বাংলা অনুবাদ
রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যে লোক সর্বপ্রথমে জান্নাতে প্রবেশ করবে। কুতাইবাহ্ ও যুহায়র ইবনু হার্ব (রহঃ) ….. আবূ হুরায়রা্ (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ সর্বপ্রথম যে দলটি জান্নাতে প্রবেশ করবে তাদের মুখমণ্ডল পূর্ণিমার চাঁদের মতো উজ্জ্বল হবে। তাদের পর যারা জান্নাতে প্রবেশ করবে তাদের মুখমণ্ডল আকাশে উদিত আলোকজ্জ্বল নক্ষত্রের মতো হবে। তারা প্রস্রাব-পায়খানা করবে না, থু-থু ফেলবে না এবং নাক ঝাড়বে না। তাদের চিরুনী হবে স্বর্ণের। তাদের গায়ের ঘাম হতে মিশকের ঘ্রাণ আসবে এবং তাদের ধূপদানী হবে ‘আলূওয়াহ্’ নামে এক ধরণের সুগন্ধি কাষ্ঠের তৈরি।
তাদের স্ত্রীগণ হবে ডাগর চক্ষু বিশিষ্ট। তাদের চরিত্র হবে একই লোকের চরিত্রের মতো। আদি পিতা আদাম (‘আঃ)-এর আকৃতির মতো হবে তাদের আকৃতি। যা ষাট হাত দীর্ঘ আকৃতি বিশিষ্ট। (ই.ফা. ৬৮৮৬, ই.সে. ৬৯৪৩)
বর্ণনাকারীঃ আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ)
বাংলা অনুবাদ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ প্রথমে আমার উম্মাতের যে দলটি জান্নাতে প্রবেশ করবে তাদের চেহারা হবে পূর্ণিমার চাঁদের মতো আলোকিত। তারপর যারা জান্নাতে যাবে তাদের মুখমণ্ডল হবে ঊর্ধ্বাকাশে উদিত তারকারাজির মতো। অতঃপর যারা জান্নাতে দাখিল হবে তাদের কয়েকটি ধাপ হবে। তারা প্রস্রাব-পায়খানা করবে না, নাক ঝাড়বে না এবং থু-থু ফেলবে না। তাদের চিরুনি হবে স্বর্ণের এবং তাদের ধূপদানী হবে আলূওয়াহ্ নামক সুগন্ধিযুক্ত কাষ্ঠের। তাদের শরীরের ঘাম হতে মিশকের ঘ্রাণ বিচ্ছুরিত হবে। তাদের চরিত্র একই ব্যক্তির চরিত্রের ন্যায় হবে। তারা তাদের আদি পিতা আদাম (‘আঃ)-এর মতো ষাট হাত দীর্ঘ হবে।
ইবনু আবী শাইবাহ্-এর বর্ণনাতে (আরবি) অর্থাৎ একই ব্যক্তির চরিত্রের। আর আবূ কুরায়ব-এর বর্ণনাতে (আরবি) অর্থাৎ একই ব্যক্তির গঠনের ন্যায় হবে। কিন্তু ইবনু আবূ শাইবাহ্ (রহঃ) বলেছেন, তাদের আকৃতি আদি পিতা আদাম (‘আঃ)-এর ন্যায় হবে। (ই.ফা. ৬৮৮৭, ই.সে. ৬৯৪৪)
বর্ণনাকারীঃ আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ)
বাংলা অনুবাদ
তিনি বলেন, যা আবূ হুরায়রা্ (রাঃ) রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হতে বর্ণনা করেছেন। তম্মেধ্যে একটি হলো এই যে, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যে দলটি প্রথমে জান্নাতে প্রবেশ করবে তাদের মুখমণ্ডল পূর্ণিমার চাঁদের মতো আলোকজ্জ্বল হবে। তথায় তারা থু-থু ফেলবে না, নাক ঝাড়বে না এবং পায়খানাও করবে না। সেখানে তাদের বাসন এবং চিরুণীসমূহ স্বর্ণ এবং রৌপ্য নির্মিত হবে। তাদের ধূপদানী হবে ‘আলূওয়াহ্’ নামে এক ধরণের সুগন্ধি কাষ্ঠের নির্মিত। তাদের গায়ের ঘাম মিশ্কের মতো সুঘ্রাণযুক্ত হবে। তাদের প্রত্যেকেরই দু’জন করে সহধর্মিণী থাকবে।
সৌন্দর্যের কারণে গোশ্তের উপর থেকে তাদের পায়ের নলাস্থিত মজ্জা পরিদৃষ্ট হবে। তাদের মধ্যে কোন মতভেদ থাকবে না, আর কোন হিংসা-বিদ্বেষ থাকবে না। তাদের অন্তঃকরণ একই অন্তরের মতো হবে। তারা সকাল-সন্ধ্যায় আল্লাহর তাসবীহ পাঠে রত থাকবে। (ই.ফা. ৬৮৮৮, ই.সে. ৬৯৪৫)
বর্ণনাকারীঃ হাম্মাম ইবনু মুনাব্বিহ (রাঃ)
বাংলা অনুবাদ
তিনি বলেন, আমি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলতে শুনেছি, তিনি বলেনঃ জান্নাতবাসীগণ জান্নাতে পানাহার করবে। তবে থু-থু ফেলবে না, প্রস্রাব-পায়খানা করবে না এবং নাকও ঝাড়বে না। এ কথা শুনে সহাবাগণ বললেন, তবে ভক্ষিত খানা যাবে কোথায়? উত্তরে তিনি বললেন, এক ঢেকুরে শেষ হয়ে যাবে। তাদের শরীরের ঘাম মিশ্কের মতো সুঘ্রাণযুক্ত হবে। আল্লাহর পবিত্রতা এবং প্রশংসা তাদের অন্তঃকরণে এভাবে দেয়া হবে যেভাবে শ্বাস-প্রশ্বাস দেয়া হয়। (ই.ফা. ৬৮৮৯, ই.সে. ৬৮৪৬)
বর্ণনাকারীঃ জাবির (রাঃ)
বাংলা অনুবাদ
এ সানাদে (আরবি) (মিশ্কের সুঘ্রাণের ন্যায়) পর্যন্ত বর্ণনা করেছেন। (ই.ফা. ৬৮৯০, ই.সে. ৬৯৪৭)
বর্ণনাকারীঃ আ‘মাশ (রহঃ)
বাংলা অনুবাদ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ জান্নাতবাসীগণ তথায় পানাহার করবে। তবে তারা সেখানে প্রস্রাব-পায়খানা করবে না এবং নাকও ঝাড়বে না। তাদের এ ভক্ষিত খাদ্য ঢেকুরের মাধ্যমে নিঃশেষ হয়ে যাবে। তাদের শরীরের ঘাম মিশকের ন্যায় সুঘ্রাণ বিচ্ছুরিত করবে। তাসবীহ ও তাহমীদের গোগ্যতা তাদের অন্তঃকরণে এভাবে দেয়া হবে যেমনিভাবে মানুষ শ্বাস-প্রশ্বাস গ্রহণ ও ত্যাগ করে থাকে।
তবে হাজ্জাজ-এর হাদীসে এ কথা বর্ধিত আছে যে, (আরবি) (এটাই তাদের খাদ্য)। (ই.ফা. ৬৮৯১, ই.সে. ৬৮৪৮)
বর্ণনাকারীঃ জাবির ইবনু ‘আবদুল্লাহ (রাঃ)
বাংলা অনুবাদ
অবিকল হাদীস বর্ণিত আছে। তবে এতে এ কথা বর্ণিত আছে যে, (আরবী) (তাসবীহ ও তাকবীরের যোগ্যতা তাদের অন্তঃকরণে এভাবে দেয়া হবে যেমনিভাবে মানুষ শ্বাস-প্রশ্বাস গ্রহণ ও ত্যাগ করে থাকে)। (ই.ফা. ৬৮৯২, ই.সে. ৬৯৪৯)
বর্ণনাকারীঃ জাবির (রাঃ)-এর সানাদে নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)
বাংলা অনুবাদ
তিনি বলেন, যে লোক জান্নাতে প্রবেশ করবে সে স্বাচ্ছন্দে থাকবে কখনো দুর্দশাগ্রস্ত হবে না। তার পরিধেয় বস্ত্র কখনো পুরনো হবে না এবং তার যৌবন কক্ষনো শেষ হবে না। (ই.ফা. ৬৮৯৩, ই.সে. ৬৯৫০)
বর্ণনাকারীঃ আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ)-এর সূত্রে নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)
বাংলা অনুবাদ
তিনি বলেন, কোন আহ্বানকারী জান্নাতী লোকেদেরকে আহ্বান করে বলবে, এখানে সর্বদা তোমরা সুস্থ থাকবে, কক্ষনো অসুস্থ হবে না। তোমরা স্থায়ী জীবন লাভ করবে, কখনো তোমরা মরবে না। তোমরা যুবক থাকবে, কক্ষনো তোমরা বৃদ্ধ হবে না। তোমরা সর্বদা সুখ-স্বাচ্ছন্দ্যে থাকবে, কক্ষনো আর তোমরা কষ্ট-ক্লেশে পতিত হবে না। এটাই মহা মহিম আল্লাহর বাণী : “আর তাদেরকে সম্বোধন করে বলা হবে, তোমরা যে ‘আমাল করতে তারই বিনিময়ে তোমাদেরকে এ জান্নাতের উত্তরাধিকারী করা হয়েছে”- (সূরাহ্ আল আ‘রাফ ৭ : ৪৩) এর ব্যাখ্যা। (ই.ফা. ৬৮৯৪, ই.সে. ৬৯৫১)
বর্ণনাকারীঃ আবূ সা‘ঈদ আল খুদরী ও আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ)-এর সূত্রে নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)
বাংলা অনুবাদ
তিনি বলেন, মু’মিনদের জন্য জান্নাতে মধ্যস্থলে ফাঁকা এমন একটি মুক্তার তাঁবু নির্মাণ করা হবে যার দৈর্ঘ্য হবে ষাট মাইল। মু’মিনদের সহধর্মিণীগণও এতে থাকবে। তারা তাদের সকলের নিকট গমন করবে। তবে স্ত্রীগণ পরস্পর একে অন্যকে দেখতে পাবে না। (ই.ফা. ৬৮৯৫, ই.সে. ৬৯৫২)
বর্ণনাকারীঃ ‘আবদুল্লাহ ইবনু কায়স (রাঃ)-এর সূত্রে নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)
বাংলা অনুবাদ
রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ জান্নাতে (মু’মিনদের জন্য) মাঝে ফাঁকা এরূপ মুক্তার একটি বিশাল তাঁবু থাকবে, যার বিস্তৃতি হবে ষাট মাইল। এর প্রত্যেক প্রান্তেই স্ত্রীগণ থাকবে। তারা পরস্পর একে অপরকে দেখতে পাবে না। মু’মিনেরা ঘুরে ঘুরে সকল রমণীর নিকট যাবে। (ই.ফা. ৬৮৯৬, ই.সে. ৬৯৫৩)
বর্ণনাকারীঃ ‘আবদুল্লাহ ইবনু কায়স (রাঃ)
বাংলা অনুবাদ
তিনি বলেন, জান্নাতের তাঁবুগুলো মণি-মুক্তার তৈরি হবে। এর দৈর্ঘ্য হবে ঊর্ধাকাশের দিকে ষাট মাইল। এর প্রত্যেক কোণে মু’মিনদের সহধর্মিণীগণ থাকবে। তবে পরস্পর একে অপরকে দেখতে পাবে না। (ই.ফা. ৬৮৯৭, ই.সে. ৬৯৫৪)
বর্ণনাকারীঃ আবূ মূসা (রাঃ)-এর সূত্রে নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)
বাংলা অনুবাদ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ সাইহান, জাইহান (দু’টি নদ) এবং ফুরাত ও নীল (দু’টি নদ) এসবের প্রত্যেকটিই জান্নাতের নহরসমূহেরই অন্তর্ভুক্ত হবে। (ই.ফা. ৬৮৯৮, ই.সে. ৬৯৫৫)
বর্ণনাকারীঃ আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ)
বাংলা অনুবাদ
তিনি বলেন, এমন কিছু লোক জান্নাতে যাবে, যাদের অন্তর পাখীর অন্তরের মতো। (ই.ফা. ৬৮৯৯, ই.সে. ৬৯৫৬)
বর্ণনাকারীঃ আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ)-এর সূত্রে নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)
বাংলা অনুবাদ
তিনি বলেন, আবূ হুরায়রা্ (রাঃ) রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হতে কিছু হাদীস বর্ণনা করেছেন। এর মধ্যে একটি হলো এ-ই যে, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ আল্লাহ তা‘আলা আদাম (‘আঃ)-কে তাঁর নিজ আকৃতিতে সৃষ্টি করেছেন। তার দৈর্ঘ্য হলো ষাট হাত। সৃষ্টির পর তিনি তাকে বললেন, যাও এদেরকে সালাম করো। সেখানে একদল ফেরেশ্তারা বসা ছিলেন। সালামের জবাবে তারা কি বলে তা খুব মনোযোগ সহকারে শুনো। কেননা তোমার এবং তোমার বংশধরদের অভিবাদন হবে এ-ই। বর্ণনাকারী বলেন, অতঃপর তিনি এগিয়ে গেলেন ও বললেন, “আস্সালামু ‘আলাইকুম”।
জবাবে তারা বললেন, “আস্সালামু ‘আলাইকা ওয়ারহমাতুল্লাহ্”। তাঁরা ওয়ারহমাতুল্লাহ্ বাড়িয়ে বলেছেনঃ । অবশেষে তিনি বললেন, যে লোক জান্নাতে যাবে সে আদাম (‘আঃ)-এর আকৃতি বিশিষ্ট হবে। তার দৈর্ঘ্য হবে ষাট হাত। [তিনি (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন,] তারপর আদাম (‘আঃ)-এর পর থেকে আজ পর্যন্ত মানুষ ক্রমশই খাটো হয়ে আসছে। (ই.ফা. ৬৯০০, ই.সে. ৬৯৫৭)
বর্ণনাকারীঃ হাম্মাম ইবনু মুনাব্বিহ (রহঃ)
বাংলা অনুবাদ
রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ জাহান্নামকে এভাবে উপস্থিত করা হবে। সেদিন তাতে সত্তর হাজার লাগাম লাগানো থাকবে। প্রতিটি লাগামের সাথে সত্তর হাজার ফেরেশ্তা থাকবে তাঁরা তাকে টেনে নিয়ে যাবে। (ই.ফা. ৬৯০১, ই.সে. ৬৯৫৮)
বর্ণনাকারীঃ ‘আবদুল্লাহ (রাঃ)
বাংলা অনুবাদ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ তোমাদের এ অগ্নি যা আদাম সন্তানগণ জ্বালিয়ে থাকে তা জাহান্নামের অগ্নির উত্তাপের সত্তর ভাগের একভাগ। সহাবাগণ বললেন, হে আল্লাহর রসূল! আল্লাহর কসম! এ আগুনই তো যথেষ্ট ছিল? তিনি বললেন, সে আগুন তো এ আগুনের তুলনায় উনসত্তর গুণ অধিক তাপমাত্রা সম্পন্ন। এ উনসত্তরের প্রতিটি তাপমাত্রাই দুনিয়ার আগুনের তাপমাত্রার সমতুল্য। (ই.ফা. ৬৯০২, ই.সে. ৬৯৫৯)
বর্ণনাকারীঃ আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ)
বাংলা অনুবাদ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে আবূ যিনাদ-এর অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করেছেন। তবে এতে হাম্মাম (রহঃ) (আরবী) (প্রতিটি)-এর স্থলে (আরবী) (সবগুলোই তার তাপমাত্রার সমতুল্য) বলেছেন। (ই.ফা. ৬৯০৩ই.সে. ৬৯৬০)
বর্ণনাকারীঃ আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ)-এর সূত্র
বাংলা অনুবাদ
তিনি বলেন, আমরা রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সাথে উপবিষ্ট ছিলাম। তিনি হঠাৎ একটি বিকট আওয়াজ শুনতে পেলেন। তখন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, তোমরা কি জান, এটা কিসের আওয়াজ? বর্ণনাকারী বলেন, আমরা বললাম, আল্লাহ ও তাঁর রসূলই অধিক জ্ঞাত। তিনি বললেন, এ একটি পাথর যা সত্তর বছর আগে জাহান্নামে নিক্ষেপ করা হয়েছিল। তারপর তা কেবল নিম্নে পতিত হতে হতে এখন সেটা তার তলদেশে গিয়ে পৌঁছেছে। (ই.ফা. ৬৯০৪, ই.সে. ৬৯৬১)
বর্ণনাকারীঃ আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ)
বাংলা অনুবাদ
হুবহু হাদীস বর্ণনা করেছেন। তবে এতে এ কথা বর্ধিত বর্ণিত রয়েছে যে, এ পাথরটি এখন জাহান্নামের অতল গভীরে গিয়ে পৌঁছেছে, তাই তোমরা বিকট আওয়াজ শুনতে পেয়েছো। (ই.ফা. ৬৯০৫, ই.সে৬৯৬২)
বর্ণনাকারীঃ আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) থেকে এ সানাদ
বাংলা অনুবাদ
তিনি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে এ কথা বলতে শুনেছেন যে, অগ্নি জাহান্নামীদের কাউকে তো তার উভয় গোড়ালি পর্যন্ত স্পর্শ করবে; আবার কাউকে তার কোমর পর্যন্ত এবং কাউকে তার গর্দান পর্যন্ত স্পর্শ করবে। (ই.ফা. ৬৯০৬, ই....
বর্ণনাকারীঃ সামুরাহ্ (রাঃ)
বাংলা অনুবাদ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ অগ্নি জাহান্নামীদের কাউকে তার উভয় টাখনু পর্যন্ত স্পর্শ করবে, কাউকে তার উভয় হাঁটু পর্যন্ত স্পর্শ করবে, কাউকে তার কোমর পর্যন্ত, আবার কাউকে তার গলা পর্যন্ত স্পর্শ করবে। (ই.ফা....
বর্ণনাকারীঃ সামুরাহ্ ইবনু জুনদাব (রাঃ)
বাংলা অনুবাদ
অবিকল হাদীস বর্ণনা করেছেন। তবে এতে (আরবী) পরিবর্তে (আরবী) (উভয় শব্দের অর্থ একই, অর্থাৎ কোমর) শব্দটি বর্ণিত আছে। (ই.ফা. ৬৯০৮, ই.সে. ৬৯৬৫)
বর্ণনাকারীঃ সা‘ঈদ (রাঃ) থেকে এ সানাদ
বাংলা অনুবাদ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ জাহান্নাম ও জান্নাত পরস্পর বাক-বিতন্ডা করল। অতঃপর জাহান্নাম বলল, প্রতিপত্তি সম্পন্ন অহংকারী লোকেরা আমার মাঝে প্রবেশ করবে। জান্নাত বলল, দুর্বল ও নিঃস্ব লোকে...
বর্ণনাকারীঃ আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ)
বাংলা অনুবাদ
তিনি বলেছেন, একদা জাহান্নাম ও জান্নাত বাক-বিতন্ডায় জড়িয়ে পড়লো। জাহান্নাম বলল, অহংকারী এবং প্রভাব প্রতিপত্তি সম্পন্ন লোকেরা আমার মাঝে প্রবেশ করবে। জান্নাত বলল, আমার কি হলো, মানুষের মাঝে যারা দুর্বল, নীচু স্তরের এবং অক্ষম,...
বর্ণনাকারীঃ আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ)-এর সূত্রে নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)
বাংলা অনুবাদ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ একদা জান্নাত ও জাহান্নাম বিতর্ক যুদ্ধে লিপ্ত হলো। অতঃপর ইবনু সীরীন (রহঃ) আবূ যিনাদ-এর হাদীসের অবিকল বর্ণনা করেন। (ই.ফা. ৬৯১১, ই.সে. ৬৯৬৮)
বর্ণনাকারীঃ আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ)
বাংলা অনুবাদ
তিনি বলেন, আবূ হুরায়রা্ (রাঃ) রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে কতিপয় হাদীস উল্লেখ করেছেন। তন্মধ্যে একটি হাদীস হলো এইযে, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ জান্নাত ও জাহান্নাম পরস্পর ত...
বর্ণনাকারীঃ হাম্মাম ইবনু মুনাব্বিহ (রহঃ)
বাংলা অনুবাদ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ একদা জান্নাত ও জাহান্নাম তর্কে লিপ্ত হলো। অতঃপর তিনি আবূ হুরায়রা্ (রাঃ)-এর হুবহু হাদীস বর্ণনা করেছেন। তবে এতে (আরবি) -এর পরিবর্তে (আরবি) (অর্থাৎ- তোমাদের প...
বর্ণনাকারীঃ আবূ সা‘ঈদ আল খুদরী (রাঃ)
বাংলা অনুবাদ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ জাহান্নাম সবসময় বলতে থাকবে, আরো বেশি আছে কি? শেষ অবধি আল্লাহ রব্বুল ‘আলামীন আপন পা মুবারাক তাতে স্থাপন করবেন। তখন সে বলবে, আপনার ইয্যতের কসম! হয়েছে, যথেষ্ট হয়েছে। তখন এর এক অং...
বর্ণনাকারীঃ আনাস ইবনু মালিক (রাঃ)
বাংলা অনুবাদ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে শাইবান-এর অবিকল হাদীস বর্ণনা করেছেন। (ই.ফা. ৬৯১৫, ই.সে. ৬৯৭২)
বর্ণনাকারীঃ আনাস (রাঃ)-এর সূত্র
বাংলা অনুবাদ
মহান আল্লাহর বানী: (আরবি) –এর ব্যাখ্যায় আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে উল্লেখ করেন যে, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন: অনবরত (জাহান্নামীদেরকে) জাহান্নামে নিক্ষেপ করা হবে। তবুও জাহান্নাম বলবে, আরো বেশি আছে কি? অব...
বর্ণনাকারীঃ মুহাম্মাদ ইবনু ‘আবদুল্লাহ আর্ রুয্যী (রহঃ)
বাংলা অনুবাদ
তিনি বলেন, আল্লাহর যে পরিমাণ ইচ্ছা সে পরিমাণ স্থান জান্নাতে শূন্য থাকবে। পরিশেষে আল্লাহ তা‘আলা নিজ ইচ্ছানুযায়ী এর জন্য অন্য মাখলূক সৃষ্টি করবেন। (ই.ফা. ৬৯১৭, ই.সে. ৬৯৭৪)
বর্ণনাকারীঃ আনাস (রাঃ)-এর সূত্রে নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)
বাংলা অনুবাদ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ কিয়ামাতের দিন মৃত্যুকে একটি সাদা মেষের আকৃতিতে উপস্থিত করা হবে। আবূ কুরায়ব বর্ধিত বর্ণনা করে বলেন, তারপর তাকে জান্নাত ও জাহান্নামের মধ্যস্থলে দাঁড় করানো হব...
বর্ণনাকারীঃ আবূ সা‘ঈদ (রাঃ)
বাংলা অনুবাদ
রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ যখন জান্নাতী লোকেদেরকে জান্নাতে প্রবেশ করানো হবে এবং জাহান্নামী লোকেদেরকে জাহান্নামে প্রবেশ করানো হবে, তখন বলা হবে, হে জান্নাতবাসীগণ! তারপর জারীর (রহঃ) আবূ মু‘আবিয়াহ্ (...
বর্ণনাকারীঃ আবূ সা‘ঈদ (রাঃ)
বাংলা অনুবাদ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ আল্লাহ তা‘আলা জান্নাতবাসীদেরকে জান্নাতে আর জাহান্নামীদেরকে জাহান্নামে দাখিল করানোর পর জনৈক ঘোষণাকারী তাদের মাঝে দাঁড়িয়ে ঘোষণা করবে, হে জান্নাতবাসীগণ! এখন ম...
বর্ণনাকারীঃ ‘আবদুল্লাহ (রাঃ)
বাংলা অনুবাদ
রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ যখন জান্নাতীরা জান্নাতে প্রবেশ করবে, আর জাহান্নামীরা জাহান্নামে প্রবেশ করবে, তখন মৃত্যুকে আনা হবে এবং তাকে জান্নাত ও জাহান্নামের মাঝখানে দাঁড় করিয়ে যবেহ্ করে দেয়া হবে।...
বর্ণনাকারীঃ ‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘উমার (রাঃ)
বাংলা অনুবাদ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ কাফিরদের দাঁত উহুদ পাহাড়েন ন্যায় বড় হবে এবং তাদের চামড়া তিন দিনের দূরত্ব পরিমাণ মোটা হবে। (ই.ফা. ৬৯২২, ই.সে. ৬৯৭৯)
বর্ণনাকারীঃ আবূ হুরাইয়াহ্ (রাঃ)
বাংলা অনুবাদ
রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ জাহান্নামে কাফিরদের দু‘ কাঁধের মাঝখানে দ্রুতগামী আরোহী ব্যক্তির তিন দিনের দূরত্বের পথ হবে। তবে ওয়াকী‘ঈ (রহঃ) (আরবি) (জাহান্নামে) কথাটি বর্ণনা করেননি। (ই.ফা. ৬৯২৩, ই.সে....
বর্ণনাকারীঃ আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) থেকে মারফূ’ সূত্র
বাংলা অনুবাদ
তিনি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলতে শুনেছেন যে, তিনি বলেন, আমি কি তোমাদেরকে জান্নাতবাসীর পরিচয় বলব না? সহাবাগণ বললেন, হ্যাঁ! অবশ্যই। তিনি বলেলেন, তারা হবে দুর্বল লোক তাদের (দুনিয়া) দুর্বলই মনে করা হতো। যা...
বর্ণনাকারীঃ হারিসাহ্ ইবনু ওয়াহ্ব (রহঃ)
বাংলা অনুবাদ
অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করেছেন। তবে পার্থক্য এই যে, তিনি (আরবি) স্থলে (আরবি) শব্দ উল্লেখ করেছেন, অর্থ একই (আমি কি তোমাদেরকে জানিয়ে দিব না)। (ই.ফা. ৬৯২৪, ই.সে. ৬৯৮২)
বর্ণনাকারীঃ শু‘বাহ্ (রহঃ) এ সানাদ
বাংলা অনুবাদ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ জান্নাতবাসীগণের পরিচয় আমি কি তোমাদেরকে জানাব না? তারা হবে দুর্বল কোমল হৃদয় বিনয়ী লোক। যারা আল্লাহর উপর ভরসা করে কসম করলে আল্লাহ তা পূর্ণ করান। তিনি আবার বল...
বর্ণনাকারীঃ হারিসাহ্ ইবনু ওয়াহ্ব আল খুযা‘ঈ (রাঃ)
বাংলা অনুবাদ
রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ কিছু সংখ্যক এমন জীর্ণশীর্ণ লোক আছে, যাদেরকে মানুষের দ্বার হতে বিতাড়িত করা হয়। (অথচ তারা আল্লাহর নিকট এত প্রিয় যে,) তারা যদি আল্লাহর নামে কোন কসম করে তবে আল্লাহ তা‘আলা ত...
বর্ণনাকারীঃ আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ)
বাংলা অনুবাদ
তিনি বলেন, একদা রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) খুতবাহ্ প্রদানকালে [সালিহ (‘আঃ)-এর] উষ্ট্রী সম্পর্কে এবং যে লোক সেটার পা কেটেছিল তার সম্পর্কে আলোচনা করলেন। তিনি বললেন, যখন ঐ উষ্ট্রীকে হত্যা করার জন্য তাদের...
বর্ণনাকারীঃ ‘আবদুল্লাহ ইবনু যাম‘আহ্ (রাঃ)
বাংলা অনুবাদ
রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ আমি বানী কা‘ব-এর বাবা ‘আম্র ইবনু লুহাই ইবনু কামা‘আহ্ ইবনু খিন্দিফকে জাহান্নামের মাঝে দেখেছি সে তার পেট হতে সব নাড়ী-ভুড়ি টেনে বের করছে। (ই.ফা. ৬৯২৮, ই.সে. ৬৯৮৬)
বর্ণনাকারীঃ আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ)
বাংলা অনুবাদ
তিনি বলেন, ‘বাহীরাহ্’ বলা হয় এমন উষ্ট্রীকে, যা কোন দেবতার নামে মানৎ করে স্বাধীনভাবে ছেড়ে দেয়া হয়। তাকে আর কেউ দোহন করে না। আর ‘সায়িবাহ্’ বলা হয় এমন উটকে, মুশরিকগণ তাদের দেবতার নামে ছেড়ে দিত। এভাবে ছেড়ে দেয়ার পর এর পিঠে ক...
বর্ণনাকারীঃ সা‘ঈদ ইবনুল মুসাইয়্যাব (রাঃ)
বাংলা অনুবাদ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ দু’ প্রকার লোক জাহান্নামী হবে। আমি তাদেরকে দেখিনি। এক প্রকার ঐ সব লোক যাদের কাছে গরুর লেজের ন্যায় ছড়ি থাকবে। তারা এর দ্বারা লোকেদের পিটাবে। দ্বিতীয় প্রকার...
বর্ণনাকারীঃ আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ)
বাংলা অনুবাদ
তিনি বলেন, আমি আবূ হুরায়রা্ (রাঃ)-কে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ সেদিন আর খুব বেশি দূরে নয়, অচিরেই তোমরা এক সম্প্রদায় দেখতে পাবে, যাদের হাতে থাকবে গরুর লেজের মতো চাবুক। স...
বর্ণনাকারীঃ উম্মু সালামার মুক্তদাস ‘আবদুল্লাহ ইবনু রাফি’ (রহঃ)
বাংলা অনুবাদ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে আমি বলতে শুনেছি, তুমি যদি দীর্ঘজীবি হও তাহলে অচিরেই তোমরা এমন এক সম্প্রদায় দেখতে পাবে, যাদের সকাল হবে আল্লাহর অসন্তুষ্টির ভিতর এবং সন্ধ্যা হবে আল্লাহর অভিসম্পাত...
বর্ণনাকারীঃ আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ)
বাংলা অনুবাদ
রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ আল্লাহর শপথ! ইহকাল-পরকালের তুলনায় অতটুকুই, যেমন তোমাদের কেউ তার এ আঙ্গুলটি সমুদ্রে পানিতে ভিজিয়ে দেখলে যে, কতটুকু পরিমাণ এতে পানি লেগেছে। বর্ণনাকারী ইয়াহ্ইয়া এ সময় শাহা...
বর্ণনাকারীঃ বানূ ফিহ্র-এর ভাই মুসতাওরিদ (রাঃ)
বাংলা অনুবাদ
তিনি বলেন, আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলতে শুনেছি যে, কিয়ামাতের মাঠে সকল মানুষকে একত্রিত করা হবে খালি পা, উলঙ্গ দেহ এবং খাত্নাবিহীন অবস্থায়। এ কথা শুনে আমি বললাম, হে আল্লাহর রসূল! পুরুষ এবং মহিল...
বর্ণনাকারীঃ ‘আয়িশাহ্ সিদ্দীকা (রাঃ)
বাংলা অনুবাদ
এ সূত্রে অবিকল হাদীস বর্ণনা করেছেন। কিন্তু এতে (আরবি) “খাতনাবিহীন’ শব্দটি বর্ণনা নেই। (ই.ফা. ৬৯৩৫, ই.সে. ৬৯৯৩)
বর্ণনাকারীঃ হাতিম ইবনু আবূ সাগীরাহ্ (রাঃ)
বাংলা অনুবাদ
তিনি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে খুতবারত অবস্থায় এ কথা বলতে শুনেছেন যে, অবশ্যই তোমরা খালি পায়ে হেঁটে হেঁটে, উলঙ্গদেহ ও খাতনাবিহীন অবস্থায় আল্লাহর সাথে সাক্ষাৎ করবে। তবে যুহায়র (রহঃ) তাঁর হাদীসে খুতবাহ্ প্রদ...
বর্ণনাকারীঃ ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ)
বাংলা অনুবাদ
তিনি বলেন, উপদেশ সম্বলিত ভাষণ প্রদানের উদ্দেশে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাদের মাঝে দাঁড়িয়ে বললেন, হে লোক সকল! তোমরা আল্লাহর সামনে খালি পা ও উলঙ্গদেহে এবং খাতনাবিহীন অবস্থায় উপস্থিত হবে। (আল্লাহর বা...
বর্ণনাকারীঃ ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ)
বাংলা অনুবাদ
তিনি বলেন, লোকদেরকে তিন শ্রেণীতে ভাগ করে সমবেত করা হবে। প্রথম দল আশা পোষণকারী এবং ভীত-সন্ত্রস্ত লোকদের দল। দ্বিতীয় দলে সেসব লোক যাদের দু’জন থাকবে এক উটের উপর, কোন উটের উপর তিনজন, কোনটির উপর চারজন, আর কোনটির উপরে আরোহিত হ...
বর্ণনাকারীঃ আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ)-এর সূত্রে নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)
বাংলা অনুবাদ
(আরবি) - এর ব্যাখ্যায় নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন, সেদিন মানুষ অর্ধ কর্ণ পর্যন্ত ঘামে ডুবে দাঁড়িয়ে থাকবে। ইবনুল মুসান্নার বর্ণনাতে তিনি (আরবি) “যেখানে” শব্দটি উল্লেখ করা ছাড়া শুধু (আরবি) “লোকজন দাঁড়িয়ে থা...
বর্ণনাকারীঃ ইবনু ‘উমার (রাঃ)
বাংলা অনুবাদ
‘উবাইদুল্লাহর হাদীসের অবিকল বর্ণনা করেছেন। তবে মূসা ইবনু ‘উকবাহ্ ও সালিহ (রহঃ)-এর হাদীসের মধ্যে রয়েছে যে, (আরবি) অর্থাৎ- তাদের মধ্যে কোন কোন ব্যক্তি স্বীয় ঘামে দুই কানের অর্ধেক অবধি ডুবে যাবে। (ই.ফা. ৬৯৪০, ই.সে. ৬৯৯৮)
বর্ণনাকারীঃ ইবনু ‘উমার (রাঃ)-এর সূ্ত্রে নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)
বাংলা অনুবাদ
রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ কিয়ামাতের দিন ঘাম জমিনের উপর দিয়ে একশ’ চল্লিশ হাত পর্যন্ত উঁচু হয়ে বয়ে যাবে। আর তা মানুষের মুখমণ্ডল পর্যন্ত বা কান পর্যন্ত পৌছাবে। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া...
বর্ণনাকারীঃ আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ)
বাংলা অনুবাদ
তিনি বলেন, আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলতে শুনেছি যে, কিয়ামাতের দিন সূর্যকে মানুষের সন্নিকটবর্তী করে দেয়া হবে। অবশেষে তা মানুষের এক মাইলের দূরত্বের মাঝে চলে আসবে। বর্ণনাকারী সুলায়ম ইবনু ‘আমির (র...
বর্ণনাকারীঃ মিকদাদ ইবনুল আস্ওয়াদ (রাঃ)
বাংলা অনুবাদ
(তিনি বলেন,) একদা রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) খুতবাহ্ প্রদানকালে বললেনঃ সাবধান! আমার প্রতিপালক আজ আমাকে যা শিক্ষা প্রদান করেছেন, এ থেকে তোমাদেরকে এমন বিষয়ের শিক্ষা দেয়ার জন্য তিনি আমাকে আদেশ দিয়েছেন, যে...
বর্ণনাকারীঃ ‘ইয়ায ইবনু হিমার আল মুজাশি‘ঈ (রাঃ)
বাংলা অনুবাদ
অবিকল বর্ণনা করেছেন। তবে এতে তিনি (আরবি) অর্থাৎ “আমি বান্দাকে যে সম্পদ দিয়েছি তা সম্পূর্ণরূপে বৈধ” কথাটি বর্ণনা করেননি। (ই.ফা. ৬৯৪৪, ই.সে. ৭০০২)
বর্ণনাকারীঃ কাতাদাহ্ (রহঃ) হতে এ সূত্র
বাংলা অনুবাদ
তিনি বলেন, একদিন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ভাষণ দিলেন। তারপর তিনি পুরো হাদীসটি বর্ণনা করলেন এবং শেষ ভাগে বলেছেনঃ , কাতাদাহ্ (রহঃ) বলেন, আমি মুতার্রিফকে বলতে শুনেছি। (ই.ফা. ৬৯৪৫, ই.সে. ৭০০৩)
বর্ণনাকারীঃ ‘ইয়ায ইবনু হিমার
বাংলা অনুবাদ
তিনি বলেন, একদিন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ভাষণ প্রদানকালে আমাদের মাঝে দাঁড়িয়ে বললেনঃ আল্লাহ তা‘আলা আমাকে আদেশ দিয়েছেন। তারপর তিনি কাতাদাহ্ (রহঃ) হতে হিশাম-এর সানাদে বর্ণিত হাদীসের অবিকল বর্ণনা করেছেন...
বর্ণনাকারীঃ বানী মুজাশি’-এর ভাই ‘ইয়ায ইবনু হিমার (রাঃ)
বাংলা অনুবাদ
রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ তোমাদের কোন লোকের মৃত্যুর পর সকাল-সন্ধ্যা তার সম্মুখে তার (পরকালীন) ঠিকানা পেশ করা হয়। যদি সে জান্নাতবাসী হয় তবে জান্নাতবাসীদের থেকে আর যদি জাহান্নামী হয় তবে জাহান্নামী...
বর্ণনাকারীঃ ইবনু ‘উমার (রাঃ)
বাংলা অনুবাদ
তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যখন কোন ব্যক্তি মৃত্যুবরণ করে তখন সকাল-সন্ধ্যা তার কাছে তার (পরকালীন) ঠিকানা পেশ করা হয়। যদি সে জান্নাতবাসী হয় তবে জান্নাত আর যদি জাহান্নামী হয় তবে জাহান্নাম। তার...
বর্ণনাকারীঃ ইবনু ‘উমার (রাঃ)
বাংলা অনুবাদ
আবূ সা‘ঈদ আল খুদ্রী (রাঃ) বলেন, আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কাছে উপস্থিত ছিলাম না, বরং আমাকে যায়দ ইবনু সাবিত (রাঃ) বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেছেন, একদিন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)...
বর্ণনাকারীঃ যায়দ ইবনু সাবিত (রাঃ)-এর সূত্রে আবূ সা‘ঈদ আল খুদরী (রাঃ)
বাংলা অনুবাদ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ তোমরা মৃতদেরকে দাফন করা বর্জন করবে এ ভয় না থাকলে আমি আল্লাহর কাছে দু‘আ করতাম যেন তিনি তোমাদেরকে কবরের কিছু ‘আযাব শুনিয়ে দেন। (ই.ফা. ৬৯৫০, ই.সে. ৭০০৮)
বর্ণনাকারীঃ আনাস (রাঃ)
বাংলা অনুবাদ
তিনি বলেন, একদিন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সূর্যাস্ত হওয়ার পর বের হলেন। এমন সময় তিনি একটি শব্দ শুনতে পেয়ে বললেন, ইয়াহূদী লোকদেরকে তাদের কবরের মধ্যে ‘আযাব দেয়া হচ্ছে। (ই.ফা. ৬৯৫১, ই.সে. ৭০০৯)
বর্ণনাকারীঃ আবূ আইয়ূব (রাঃ)
বাংলা অনুবাদ
তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ বান্দাকে যখন তার কবরের মধ্যে রেখে তার সঙ্গী-সাথীরা সেখান থেকে ফিরে আসে এবং সে তাদের জুতার শব্দ শুনতে পায় তখন তার কাছে দু’জন ফেরেশ্তা এসে তাকে উঠিয়ে বসান। তারপর তা...
বর্ণনাকারীঃ আনাস ইবনু মালিক (রাঃ)
বাংলা অনুবাদ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ মৃতদেরকে যখন তার কবরে রাখা হয় তখন সে তার সঙ্গী-সাথীদের ফিরে আসার সময় তাদের জুতার শব্দ শুনতে পায়। (ই.ফা. ৬৯৫৩, ই.সে. ৭০১১)
বর্ণনাকারীঃ আনাস ইবনু মালিক (রাঃ)
বাংলা অনুবাদ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ বান্দাকে যখন তার কবরে রেখে তার সঙ্গী-সাথীগণ প্রত্যাবর্তন করে। অতঃপর সা‘ঈদ (রহঃ) শাইবান-এর সানাদে কাতাদাহ্ (রহঃ) হতে বর্ণিত হাদীসের অবিকল বর্ণনা করেছেন। (ই.ফা. ৬৯৫৪, ই.সে. ৭০...
বর্ণনাকারীঃ আনাস ইবনু মালিক (রাঃ)
বাংলা অনুবাদ
তিনি আল্লাহর বাণী : “যারা শাশ্বত বাণীতে ঈমান রাখে তাদেরকে আল্লাহ সুপ্রতিষ্ঠিত রাখবেন” সম্পর্কে বলেন, এ আয়াত কবরের ‘আযাব সম্পর্কে অবতীর্ণ হয়েছে। কবরে তাঁকে প্রশ্ন করা হয়, তোমার রব কে? সে বলে, আমার রব আল্লাহ এবং আমার নবী ম...
বর্ণনাকারীঃ বারা ইবনু ‘আযিব (রাঃ)- এর সূত্রে নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)
বাংলা অনুবাদ
আল্লাহর বাণী : “যারা শাশ্বত বাণীতে ঈমান রাখে তাদেরকে আল্লাহ দুনিয়া ও পরকালে সুপ্রতিষ্ঠিত রাখবেন”- (সূরাহ্ ইব্রাহীম ১৪ : ২৭) সম্পর্কে বর্ণিত আছে যে, এ আয়াতটি কবরের শাস্তির ব্যাপারে নাযিল হয়েছে। (ই.ফা. ৬৯৫৬, ই.সে. ৭০১৪)
বর্ণনাকারীঃ বারা ইবনু ‘আযিব (রাঃ)
বাংলা অনুবাদ
তিনি বলেন, মু’মিন লোকের রূহ্ কব্য করার পর দু’জন ফেরেশ্তা এসে তার রূহ আকাশের দিকে উঠিয়ে নিয়ে যায়। বর্ণনাকারী হাম্মাদ (রহঃ) বলেন, আবূ হুরায়রা্ (রাঃ) এখানে ঐ রূহের সুগন্ধি এবং মিশ্কের কথা বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেন, আকাশের বা...
বর্ণনাকারীঃ আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ)
বাংলা অনুবাদ
তিনি বলেন, ‘উমার (রাঃ)-এর সাথে একদা আমরা মাক্কাহ্ ও মাদীনার মধ্যবর্তী স্থানে ছিলাম। তখন আমরা চাঁদ দেখছিলাম। আমি তীক্ষ্ন দৃষ্টিসম্পন্ন ছিলাম, তাই আমি চাঁদ দেখে ফেললাম। আমি ব্যতীত কেউ বলেনি যে, সে চাঁদ দেখেছে। তিনি বলেন, আ...
বর্ণনাকারীঃ আনাস ইবনু মালিক (রাঃ)
বাংলা অনুবাদ
রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বদর যুদ্ধে নিহত লোকদেরকে তিন দিন পর্যন্ত এভাবেই রেখে দিয়েছিলেন। তারপর তিনি তাদের কাছে এসে তাদের লাশের সামনে দাঁড়ালেন এবং তাদেরকে উচ্চ আওয়াজে বললেন, হে হিশামের পুত্র আবূ জাহল!...
বর্ণনাকারীঃ আনাস ইবনু মালিক (রাঃ)
বাংলা অনুবাদ
তিনি বলেন, বদর যুদ্ধের দিন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যখন কাফিরদের উপরি বিজয়ী হলেন, তখন তিনি বিশের অধিক কুরায়শ নেতৃবৃন্দ। অপর হাদীসে রাওহ (রাঃ) বলেন, চব্বিশ জন কুরায়শ নেতৃবৃন্দ সম্বন্ধে আদেশ দিলেন। তারপর তাদে...
বর্ণনাকারীঃ আবূ তাল্হাহ্ (রাঃ)
বাংলা অনুবাদ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ কিয়ামাতের দিন যার হিসাব (কষাকেষিভাবে) করা হবে তার শাস্তি নিশ্চিত। আমি জিজ্ঞেস করলাম, আল্লাহ তা‘আলা কি বলেননি : (আরবি) “তার হিসাব-নিকাশ সহজেই নেয়া হবে”। এ কথ...
বর্ণনাকারীঃ ‘আয়িশাহ্ (রাঃ)
বাংলা অনুবাদ
অবিকল হাদীস বর্ণনা করেছেন। (ই.ফা. ৬৯৬২, ই.সে. ৭০২০)
বর্ণনাকারীঃ আইয়ূব (রহঃ) হতে এ সূত্র
বাংলা অনুবাদ
তিনি বলেন, যারই হিসাব (কঠিনভাবে) নেয়া হবে তার ধ্বংস অনিবার্য। এ কথা শুনে আমি জিজ্ঞেস করলাম, আল্লাহ কি সহজ হিসাবের কথা বলেননি? তিনি বললেন, এ তো কেবল নামে মাত্র পেশ করা। কারণ যার হিসাবে কষাকষি করা হবে সে ধ্বংস হয়ে যাবে। (ই...
বর্ণনাকারীঃ ‘আয়িশাহ্ (রাঃ)-এর সূত্রে নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)
বাংলা অনুবাদ
তিনি বলেন, যার হিসাব নেয়া হবে তার ধ্বংস অবধারিত। এরপর ‘উসমান ইবনু আসওয়াদ (রহঃ) আবূ ইউনুস-এর হাদীসের অবিকল বর্ণনা করেছেন। (ই.ফা. ৬৯৬৪, ই.সে. ৭০২২)
বর্ণনাকারীঃ ‘আয়িশাহ্ (রাঃ)-এর সূত্রে নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)
বাংলা অনুবাদ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর মৃত্যুর তিন দিন আগে তাঁকে আমি এ কথা বলতে শুনেছি যে, তোমাদের সকলেই যেন আল্লাহর প্রতি উত্তম ধারণা পোষণরত অবস্থায় মারা যায়। (ই.ফা. ৬৯৬৫, ই.সে. ৭০২৩)
বর্ণনাকারীঃ জাবির (রাঃ)
বাংলা অনুবাদ
এ সানাদে অবিকল হাদীস বর্ণনা করেছেন। (ই.ফা. ৬৯৬৬, ই.সে. ৭০২৪)
বর্ণনাকারীঃ আ‘মাশ (রহঃ)
বাংলা অনুবাদ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর তিরোধানের তিন দিন আগে আমি তাকে এ কথা বলতে শুনেছি যে, তোমাদের সকলেই যেন আল্লাহর প্রতি উত্তম ধারণা পোষণরত অবস্থায় মৃত্যুবরণ করে। (ই.ফা. ৬৯৬৭, ই.সে. ৭০২৫)
বর্ণনাকারীঃ জাবির ইবনু ‘আবদুল্লাহ আল আনসারী (রাঃ)
বাংলা অনুবাদ
তিনি বলেন, আমি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে এ কথা বলতে শুনেছি যে, প্রত্যেক বান্দা কিয়ামাতের দিন ঐ অবস্থায় পুনরুত্থিত হবে, যে অবস্থায় সে মৃত্যুবরণ করল। (ই.ফা. ৬৯৬৮, ই.সে. ৭০২৬)
বর্ণনাকারীঃ জাবির (রাঃ)
বাংলা অনুবাদ
অবিকল হাদীস বর্ণনা করেছেন। কিন্তু তিনি (আরবি) “আমি শুনেছি” না বলে (আরবি) “নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হতে” এ শব্দে হাদীস বর্ণনা করেছেন। (ই.ফা. ৬৯৬৯, ই.সে. ৭০২৭)
বর্ণনাকারীঃ আ‘মাশ (রহঃ) হতে এ সূত্র
বাংলা অনুবাদ
তিনি বলেন, আমি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে এ কথা বলতে শুনেছি, আল্লাহ যখন কোন গোত্রকে শাস্তি দেয়ার ইচ্ছা করেন তখন এ শাস্তি ঐ গোত্রে অবস্থিত প্রত্যেকের উপরই নিপতিত হয়। অতঃপর কিয়ামাতের দিন (তাদের প্রত্যেককে) ন...
বর্ণনাকারীঃ ‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘উমার (রাঃ)
