সহীহ ইবনু হিব্বান

পরিচ্ছেদ ১৩১: হাদিস ২,৬০১-২,৬২০

এই অধ্যায়ের হাদিসগুলো একই পাতায় পড়ুন। নির্দিষ্ট হাদিসে যেতে তার নম্বর বা anchor ব্যবহার করুন।

এই পাতার হাদিসসমূহনির্দিষ্ট হাদিসে যেতে তালিকাটি খুলুন। শোহাইড
হাদিস ২,৬০১

মূল আরবি

أَخْبَرَنَا عُمَرُ بْنُ مُحَمَّدٍ الْهَمْدَانِيُّ، قَالَ: حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ بَشَّارٍ، قَالَ: حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ جَعْفَرٍ، قَالَ: حَدَّثَنَا شُعْبَةُ، عَنْ عَمْرِو بْنِ مُرَّةَ، عَنْ عَاصِمٍ الْعَنَزِيِّ، عَنِ ابْنِ جُبَيْرِ بْنِ مُطْعِمٍ، عَنْ أَبِيهِ، قَالَ: رَأَيْتُ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ حِينَ دَخَلَ الصَّلَاةَ، قَالَ: «اللَّهُ أَكْبَرُ كَبِيرًا، اللَّهُ أَكْبَرُ كَبِيرًا، اللَّهُ أَكْبَرُ كَبِيرًا، الْحَمْدُ لِلَّهِ كَثِيرًا، الْحَمْدُ لِلَّهِ كَثِيرًا، الْحَمْدُ لِلَّهِ كَثِيرًا، سُبْحَانَ اللَّهِ بُكْرَةً [ص:337] وَأَصِيلًا، سُبْحَانَ اللَّهِ بُكْرَةً وَأَصِيلًا، سُبْحَانَ اللَّهِ بُكْرَةً وَأَصِيلًا، اللَّهُمَّ إِنِّي أَعُوذُ بِكَ مِنَ الشَّيْطَانِ، مِنْ هَمْزِهِ وَنَفْثِهِ وَنَفْخِهِ». قَالَ عَمْرٌو: «وَهَمْزُهُ: الْمُوتَةُ، وَنَفْخُهُ: الْكِبْرُ، وَنَفْثُهُ: الشِّعْرُ»
رقم طبعة با وزير = (2592)

تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح لغيره - مضى (1777). تنبيه!! رقم (1777) = (1780) من «طبعة المؤسسة». - مدخل بيانات الشاملة -.

تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: Null

বাংলা অনুবাদ

জুবাইর বিন মুত‘ইম রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, “আমি রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে দেখেছি যখন তিনি সালাত শুরু করতেন, তখন বলতেন, اللَّهُ أَكْبَرُ كَبِيرًا اللَّهُ أَكْبَرُ كَبِيرًا اللَّهُ أَكْبَرُ كَبِيرًا الْحَمْدُ لِلَّهِ كَثِيرًا الْحَمْدُ لِلَّهِ كَثِيرًا الْحَمْدُ لِلَّهِ كَثِيرًا سُبْحَانَ اللَّهِ بُكْرَةً وَأَصِيلًا سُبْحَانَ اللَّهِ بُكْرَةً وَأَصِيلًا سُبْحَانَ اللَّهِ بُكْرَةً وَأَصِيلًا اللَّهُمَّ إِنِّي أَعُوذُ بِكَ مِنَ الشَّيْطَانِ مِنْ همزه وونفثه وَنَفْخِهِ (আল্লাহ সবচেয়ে বড়, আল্লাহ সবচেয়ে বড়, আল্লাহ সবচেয়ে বড়। আল্লাহর জন্য অনেক অনেক প্রশংসা, আল্লাহর জন্য অনেক অনেক প্রশংসা, আল্লাহর জন্য অনেক অনেক প্রশংসা। সকাল-সন্ধায় আল্লাহর পবিত্রতা ঘোষনা করি, সকাল-সন্ধায় আল্লাহর পবিত্রতা ঘোষনা করি, সকাল-সন্ধায় আল্লাহর পবিত্রতা ঘোষনা করি। হে আল্লাহ, আমি আপনার কাছে আশ্রয় চাই শয়তান থেকে; তার ওয়াসওয়াসা বা উন্মত্ততা, তার অহংকার ও তার কবিতা থেকে)।”[1] আমর রহিমাহুল্লাহ বলেন, “ هَمْزُهُ অর্থ হলো উন্মত্ততা, نَفْخُهُ হলো অহংকার আর نَفْثُهُ হলো কবিতা।”
[1] ইবনু মাজাহ: ৮০৭; সহীহ ইবনু খুযাইমাহ: ৪৬৮; আত তায়ালিসী: ৯৪৮; মুসনাদ আহমাদ: ৪/৮৫; আবূ দাঊদ: ৭৬৪; ইবনুল জারূদ, আল মুনতাকা: ১৮০; আত তাবারানী: ১৫৬৮; সুনান বাইহাকী: ২/৩৫; হাকিম: ১/২৩৫। হাদীসটিকে শায়খ শুআইব আল আরনাঊত রহিমাহুল্লাহ সহীহ বলেছেন। শায়খ নাসির উদ্দিন আলবানী রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে সহীহ লিগাইরিহী বলেছেন। (মিশকাত: ৮১৬-৮১৭)

হাদিস ২,৬০২

মূল আরবি

أَخْبَرَنَا ابْنُ قُتَيْبَةَ، قَالَ: حَدَّثَنَا يَزِيدُ بْنُ مَوْهَبٍ، قَالَ: حَدَّثَنَا ابْنُ وَهْبٍ، عَنْ مُعَاوِيَةَ بْنِ صَالِحٍ، عَنْ أَزْهَرَ بْنِ سَعِيدٍ، عَنْ عَاصِمِ بْنِ حُمَيْدٍ، أَنَّهُ سَأَلَ عَائِشَةَ زَوْجَ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، قَالَ: قُلْتُ: مَا كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَسْتَفْتِحُ بِهِ إِذَا قَامَ مِنَ اللَّيْلِ؟ قَالَتْ: لَقَدْ سَأَلْتَنِي عَنْ شَيْءٍ مَا سَأَلَنِي عَنْهُ أَحَدٌ قَبْلَكَ، «كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَسْتَفْتِحُ إِذَا قَامَ مِنَ اللَّيْلِ يُصَلِّي: يَبْدَأُ فَيُكَبِّرُ عَشْرًا، ثُمَّ يُسَبِّحُ عَشْرًا، وَيَحْمَدُ عَشْرًا، وَيُهَلِّلُ عَشْرًا، وَيَسْتَغْفِرُ عَشْرًا، وَقَالَ: اللَّهُمَّ اغْفِرْ لِي، وَاهْدِنِي، وَارْزُقْنِي عَشْرًا، وَيَعُوذُ بِاللَّهِ مِنْ ضِيقِ يَوْمِ الْقِيَامَةِ عَشْرًا»
رقم طبعة با وزير = (2593)

تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح - «صفة الصلاة»، «صحيح أبي داود» (742).

تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: إسناده حسن

বাংলা অনুবাদ

আসিম বিন হুমাইদ থেকে বর্ণিত, তিনি নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের স্ত্রী আয়িশা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহাকে জিজ্ঞেস করেন, তিনি বলেন, “আমি বললাম, “যখন রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম রাতে কিয়াম করতেন, তখন কী দিয়ে সালাত শুরু করতেন?” জবাবে তিনি বলেন, “তুমি আমাকে এমন একটা বিষয় সম্পর্কে জিজ্ঞেস করেছো, যে বিষয়ে এর আগে আর কেউ জিজ্ঞেস করেনি। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম যখন রাতে কিয়াম করতেন, তখন তিনি সালাত শুরু করতেন অতঃপর দশবার তাকবীর দিতেন, তারপর দশবার তাসবীহ পাঠ করতেন, দশবার আলহামদু লিল্লাহ বলতেন, দশবার লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ বলতেন, দশবার ইস্তিগফার করতেন এবং দশবার বলতেন اللَّهُمَّ اغْفِرْ لِي وَاهْدِنِي وَارْزُقْنِي (হে আল্লাহ, আপনি আমাকে ক্ষমা করে দিন, আমাকে হেদায়েত দান করুন এবং আমাকে রিযিক দান করুন) এবং আল্লাহর কাছে দশবার কিয়ামত দিনের সংকীর্ণতা থেকে আশ্রয় চাইতেন।”[1]
[1] আবূ দাঊদ: ৭৬৬; নাসাঈ: ৩/২০৮-২০৯; ইবনু মাজাহ: ১৩৫৬; মুসনাদ আহমাদ: ৬/১৪৩; নাসাঈ, আমালুল ইয়াওমি ওয়াল লাইলাহ: ৮৭০। হাদীসটিকে শায়খ শুআইব আল আরনাঊত রহিমাহুল্লাহ হাসান বলেছেন। শায়খ নাসির উদ্দিন আলবানী রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন। (সহীহ আবূ দাঊদ: ৭৪২)

হাদিস ২,৬০৩

মূল আরবি

أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ إِسْحَاقَ بْنِ سَعِيدٍ السَّعْدِيُّ، قَالَ: حَدَّثَنَا عَلِيُّ بْنُ خَشْرَمٍ، قَالَ: حَدَّثَنَا عِيسَى بْنُ يُونُسَ، عَنْ عِمْرَانَ بْنِ زَائِدَةَ بْنِ نَشِيطٍ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ أَبِي خَالِدٍ الْوَالِبِيِّ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، «أَنَّهُ كَانَ إِذَا قَامَ مِنَ اللَّيْلِ رَفَعَ صَوْتَهُ طَوْرًا»، وَيَذْكُرُ أَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ كَانَ يَفْعَلُهُ
رقم طبعة با وزير = (2594)

تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: حسن - «صحيح أبي داود» (1199).

تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: Null

বাংলা অনুবাদ

আবূ হুরাইরা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি যখন রাতে উঠতেন, তখন তিনি তার আওয়াজ কিছুটা উঁচু করতেন এবং তিনি বলেন, “রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এরকম করতেন।”[1]
[1] সহীহ ইবনু খুযাইমাহ: ১১৫৯; আবূ দাঊদ: ১৩২৮। হাদীসটির ব্যাপারে শায়খ শুআইব আল আরনাঊত রহিমাহুল্লাহ স্পষ্ট কোন মন্তব্য করেননি। শায়খ নাসির উদ্দিন আলবানী রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে হাসান বলেছেন। (সহীহ আবূ দাঊদ: ১১৯৯)

হাদিস ২,৬০৪

মূল আরবি

أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عُمَرَ بْنِ يُوسُفَ، قَالَ: أَخْبَرَنَا بِشْرُ بْنُ [ص:339] خَالِدٍ، قَالَ: حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ جَعْفَرٍ، عَنْ شُعْبَةَ، عَنِ الْأَعْمَشِ، عَنْ سَعْدِ بْنِ عُبَيْدَةَ، عَنِ الْمُسْتَوْرِدِ بْنِ الْأَحْنَفِ، عَنْ صِلَةَ بْنِ زُفَرَ، عَنْ حُذَيْفَةَ، قَالَ: «صَلَّيْتُ مَعَ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ ذَاتَ لَيْلَةٍ، فَمَا مَرَّ بِآيَةِ رَحْمَةٍ إِلَّا وَقَفَ عِنْدَهَا وَسَأَلَ، وَلَا مَرَّ بِآيَةِ عَذَابٍ إِلَّا وَقَفَ عِنْدَهَا وَتَعَوَّذَ»
رقم طبعة با وزير = (2595)

تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح - «صحيح أبي داود» (815)، «مختصر الشمائل» (232): م.

تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: إسناده صحيح على شرط مسلم

বাংলা অনুবাদ

হুযাইফা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, “আমি আল্লাহর নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের সাথে এক রাতে সালাত আদায় করেছি, যখনই তিনি কোন রহমতের আয়াত অতিক্রম করেছেন, তখনই তিনি সেখানে থেমেছেন এবং রহমত প্রার্থনা করেছেন, আর যখনই তিনি কোন আযাবের আয়াত অতিক্রম করেছেন, সেখানেই তিনি থেমেছেন এবং আযাব থেকে আশ্রয় চেয়েছেন।”[1]
[1] আত তায়ালিসী: ৪১৫; মুসনাদ আহমাদ: ৫/৩৮২; দারেমী: ১/২৯৯; আবূ দাঊদ: ৮৭১; তিরমিযী: ২৬২; নাসাঈ: ২/১৭৬-১৭৭; সুনান বাইহাকী: ২/৩১০; মুসনাদ আহমাদ: ৫/৩৮৪; ইবনু মাজাহ: ১৩৫১। হাদীসটিকে শায়খ শুআইব আল আরনাঊত রহিমাহুল্লাহ মুসলিমের শর্তে সহীহ বলেছেন। শায়খ নাসির উদ্দিন আলবানী রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন। (সহীহ আবূ দাঊদ: ৭৪২)

হাদিস ২,৬০৫

মূল আরবি

أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عُمَرَ بْنِ يُوسُفَ، قَالَ: حَدَّثَنَا بِشْرُ بْنُ خَالِدٍ الْعَسْكَرِيُّ، قَالَ: حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ جَعْفَرٍ، عَنْ شُعْبَةَ، عَنِ [ص:340] الْأَعْمَشِ، عَنْ سَعْدِ بْنِ عُبَيْدَةَ، عَنِ الْمُسْتَوْرِدِ بْنِ الْأَحْنَفِ، عَنْ صِلَةَ بْنِ زُفَرَ، عَنْ حُذَيْفَةَ، قَالَ: «صَلَّيْتُ مَعَ النَّبِيِّ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ ذَاتَ لَيْلَةٍ، فَمَا مَرَّ بِآيَةِ رَحْمَةٍ إِلَّا وَقَفَ عِنْدَهَا فَسَأَلَ، وَلَا مَرَّ بِآيَةِ عَذَابٍ إِلَّا وَقَفَ عِنْدَهَا وَتَعَوَّذَ»
رقم طبعة با وزير = (2596)

تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح - انظر ما قبله.

تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: إسناده صحيح على شرط مسلم

বাংলা অনুবাদ

হুযাইফা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, “আমি আল্লাহর নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের সাথে এক রাতে সালাত আদায় করেছি, যখনই তিনি কোন রহমতের আয়াত অতিক্রম করেছেন, তখনই তিনি সেখানে থেমেছেন এবং রহমত প্রার্থনা করেছেন, আর যখনই তিনি কোন আযাবের আয়াত অতিক্রম করেছেন, সেখানেই তিনি থেমেছেন এবং আযাব থেকে আশ্রয় চেয়েছেন।”[1]
[1] আত তায়ালিসী: ৪১৫; মুসনাদ আহমাদ: ৫/৩৮২; দারেমী: ১/২৯৯; আবূ দাঊদ: ৮৭১; তিরমিযী: ২৬২; নাসাঈ: ২/১৭৬-১৭৭; সুনান বাইহাকী: ২/৩১০; মুসনাদ আহমাদ: ৫/৩৮৪; ইবনু মাজাহ: ১৩৫১। হাদীসটিকে শায়খ শুআইব আল আরনাঊত রহিমাহুল্লাহ মুসলিমের শর্তে সহীহ বলেছেন। শায়খ নাসির উদ্দিন আলবানী রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন। (সহীহ আবূ দাঊদ: ৭৪২)

হাদিস ২,৬০৬

মূল আরবি

أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ الْحَسَنِ بْنِ قُتَيْبَةَ بِعَسْقَلَانَ، حَدَّثَنَا يَزِيدُ بْنُ مَوْهَبٍ، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ سَلَمَةَ الْحَرَّانِيُّ، عَنْ هِشَامِ بْنِ حَسَّانَ، عَنِ ابْنِ سِيرِينَ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «إِذَا قَامَ أَحَدُكُمْ مِنَ اللَّيْلِ فَلْيَبْدَأْ بِرَكْعَتَيْنِ خَفِيفَتَيْنِ»
رقم طبعة با وزير = (2597)

تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: شاذ، والمحفوظ موقوف - «ضعيف أبي داود» (240).

تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: إسناده صحيح

বাংলা অনুবাদ

আবূ হুরাইরা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, “আল্লাহর নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “যখন তোমাদের কেউ রাতে কিয়াম করবে, তখন সে যেন প্রথমে হালকা দুই রাকা‘আত সালাত আদায় করে।”[1]
[1] মুসনাদ আহমাদ: ২/২৩২; মুসান্নাফ ইবনু আবী শায়বাহ: ২/২৭৩; সহীহ মুসলিম: ৭৬৮; আবূ দাঊদ: ১৩২৩; শামায়েলে তিরমিযী: ২৬৫; আবূ আওয়ানা: ২/৩০৪; সুনান বাইহাকী: ৩/৬; বাগাবী: ৯০৭। হাদীসটিকে শায়খ শুআইব আল আরনাঊত রহিমাহুল্লাহ সহীহ বলেছেন। শায়খ নাসির উদ্দিন আলবানী রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে মারফূ হিসেবে শায বা দুর্বল, মাওকূফ হিসেবে সহীহ বলেছেন। (যঈফ আবূ দাঊদ: ২৪০)

হাদিস ২,৬০৭

মূল আরবি

أَخْبَرَنَا أَبُو يَعْلَى، حَدَّثَنَا شَيْبَانُ بْنُ فَرُّوخٍ، حَدَّثَنَا مَهْدِيُّ بْنُ مَيْمُونٍ، حَدَّثَنَا وَاصِلٌ الْأَحْدَبُ، عَنْ أَبِي وَائِلٍ، قَالَ: غَدَوْنَا عَلَى عَبْدِ اللَّهِ بْنِ مَسْعُودٍ يَوْمًا بَعْدَمَا صَلَّيْنَا الْغَدَاةَ، فَسَلَّمْنَا بِالْبَابِ، فَأَذِنَ لَنَا، فَمَكَثْنَا هُنَيْهَةً، فَخَرَجَتِ الْخَادِمُ، فَقَالَتْ: أَلَا تَدْخُلُونَ؟ قَالَ: فَدَخَلْنَا، فَإِذَا هُوَ جَالِسٌ يُسَبِّحُ، فَقَالَ: مَا مَنَعَكُمْ أَنْ تَدْخُلُوا وَقَدْ أُذِنَ لَكُمْ؟ فَقَالُوا: لَا، إِلَّا أَنَّا ظَنَنَّا أَنَّ بَعْضَ أَهْلِ الْبَيْتِ نَائِمٌ، قَالَ: ظَنَنْتُمْ بِآلِ أُمِّ عَبْدٍ غَفْلَةً، ثُمَّ أَقْبَلَ يُسَبِّحُ حَتَّى ظَنَّ أَنَّ الشَّمْسَ قَدْ طَلَعَتْ، قَالَ: يَا جَارِيَةُ، انْظُرِي هَلْ طَلَعَتْ؟ قَالَ: فَنَظَرَتْ فَإِذَا هِيَ قَدْ طَلَعَتْ، فَقَالَ: الْحَمْدُ لِلَّهِ الَّذِي أَقَالَنَا يَوْمَنَا هَذَا، قَالَ مَهْدِيٌّ: وَأَحْسَبُهُ قَالَ: وَلَمْ يُهْلِكْنَا بِذُنُوبِنَا، قَالَ: فَقَالَ رَجُلٌ مِنَ الْقَوْمِ: قَرَأْتُ الْمُفَصَّلَ الْبَارِحَةَ كُلَّهُ، قَالَ عَبْدُ اللَّهِ: هَذًّا كَهَذِّ الشِّعْرِ، «إِنِّي لَأَحْفَظُ الْقَرَائِنَ الَّتِي كَانَ يَقْرَؤُهُنَّ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ ثَمَانِيَةَ عَشَرَ مِنَ [ص:342] الْمُفَصَّلِ، وَسُورَتَيْنِ مِنْ آلِ حم»
رقم طبعة با وزير = (2598)

تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح - «صحيح أبي داود» (1262).

تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: إسناده صحيح على شرط مسلم

বাংলা অনুবাদ

আবূ ওয়াইল থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, “একদিন আমরা ফজরের সালাত আদায় করার পর আব্দুল্লাহ বিন মাস‘ঊদ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুর কাছে গমন করি। অতঃপর আমরা তার দরজার কাছে সালাম দেই। তিনি আমাদের ভিতরে প্রবেশের অনুমতি দেন। তারপর আমরা কিছুক্ষন অপেক্ষা করি। অতঃপর বাড়ির খাদেম এসে বললো, “আপনারা কি প্রবেশ করবেন না?” রাবী বলেন, “অতঃপর আমরা বাড়িতে প্রবেশ করি এবং আব্দুল্লাহ বিন মাস‘ঊদ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুকে বসে তাসবীহ পাঠ করতে দেখতে পাই। তিনি আমাদের বলেন, “কী ব্যাপার, তোমাদের অনুমতি দেওয়ার পরও কীসে তোমাদেরকে বাড়িতে প্রবেশ করতে বাধা দিয়েছে?” তারা জবাবে বলেন, “জ্বী, না। তবে আমরা ধারণা করেছিলাম যে, বাড়ির কেউ হয়তো ঘুমিয়ে আছে।” এটা শুনে তিনি বলেন, “তোমরা উম্মে আবদের পরিবারকে গাফেল মনে করেছো?” রাবী বলেন, “তারপর তিনি তাসবীহ পাঠে মনোনিবেশ করেন অতঃপর যখন তিনি মনে করেন যে, সূর্য হয়তো উদিত হয়েছে, তখন তিনি তার খাদেমকে বলেন, “হে বালিকা, দেখতো সূর্য উদিত হয়েছে কি না?” অতঃপর সে দেখলো যে, সূর্য উদিত হয়েছে। তখন আব্দুল্লাহ বিন মাস‘ঊদ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু বলেন, “সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর জন্য যিনি আমাদেরকে আজকের এই দিন দান করেছেন।” মাহদী রাবী বলেন, “আমার ধারণা তিনি আরো বলেছেন, “তিনি আমাদেরকে আমাদের পাপের কারণে ধ্বংস করে দেননি।” অতঃপর কওমের এক ব্যক্তি বলেন, “আমি গত রাতে মুফাস্সালের সমস্ত সূরা পাঠ করেছি।” এটা শুনে আব্দুল্লাহ বিন মাস‘ঊদ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু বলেন, “এই ব্যক্তি তো কবিতা আবৃতি করার ন্যায় (জোরে) কুরআন পাঠ করেছে। নিশ্চয়ই আমি মুফাস্সালের পরস্পর সাদৃশ্যপূর্ণ সূরাসমূহ যা রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম পাঠ করতেন, তন্মধ্যে ১৮ টি সূরা এবং হা-মীম গ্রুপের দুটি সূরা আয়ত্ব করেছি।”[1]
[1] সহীহ মুসলিম: ৮২২; সহীহ বুখারী: ৫০৪৩। হাদীসটিকে শায়খ শুআইব আল আরনাঊত রহিমাহুল্লাহ মুসলিমের শর্তে সহীহ বলেছেন। শায়খ নাসির উদ্দিন আলবানী রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন। (সহীহ আবূ দাঊদ: ১২৬২)

হাদিস ২,৬০৮

মূল আরবি

أَخْبَرَنَا عُمَرُ بْنُ سَعِيدِ بْنِ سِنَانٍ، قَالَ: أَخْبَرَنَا أَحْمَدُ بْنُ أَبِي بَكْرٍ، عَنْ مَالِكٍ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ أَبِي بَكْرٍ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ قَيْسِ بْنِ مَخْرَمَةَ أَنَّهُ أَخْبَرَهُ، [ص:343] عَنْ زَيْدِ بْنِ خَالِدٍ الْجُهَنِيِّ، أَنَّهُ قَالَ: لَأَرْمُقَنَّ صَلَاةَ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ اللَّيْلَةَ، قَالَ: فَتَوَسَّدْتُ عَتَبَتَهُ، أَوْ فُسْطَاطَهُ، «فَقَامَ فَصَلَّى رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ رَكْعَتَيْنِ خَفِيفَتَيْنِ، ثُمَّ صَلَّى رَكْعَتَيْنِ طَوِيلَتَيْنِ طَوِيلَتَيْنِ طَوِيلَتَيْنِ، ثُمَّ صَلَّى رَكْعَتَيْنِ دُونَ اللَّتَيْنِ قَبْلَهُمَا، ثُمَّ صَلَّى رَكْعَتَيْنِ دُونَ اللَّتَيْنِ قَبْلَهُمَا، ثُمَّ صَلَّى رَكْعَتَيْنِ دُونَ اللَّتَيْنِ قَبْلَهُمَا، ثُمَّ صَلَّى رَكْعَتَيْنِ دُونَ اللَّتَيْنِ قَبْلَهُمَا، ثُمَّ أَوْتَرَ، فَذَلِكَ ثَلَاثَ عَشْرَةَ رَكْعَةً»
رقم طبعة با وزير = (2599)

تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح - «صحيح أبي داود» (1236): م.

تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: إسناده صحيح على شرط مسلم

বাংলা অনুবাদ

যাইদ বিন খালিদ জুহানী রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, “অবশ্যই আমি আজ রাতে আল্লাহর নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের সালাত খেয়াল করবো।” তিনি বলেন, “অতঃপর আমি তাঁর তাবূ বা দরজার চৌকাঠে মাথা ঠেকিয়ে শুয়ে পড়ি। অতঃপর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম দাঁড়ান এবং হালকা দুই রাকা‘আত সালাত আদায় করেন। তারপর তিনি অনেক দীর্ঘ করে দুই রাকা‘আত সালাত আদায় করেন। তারপর তার চেয়ে কম দীর্ঘ করে দুই রাকা‘আত সালাত আদায় করেন। তারপর তার চেয়ে হালকা দুই রাকা‘আত সালাত আদায় করেন। তারপর তার চেয়ে হালকা দুই রাকা‘আত সালাত আদায় করেন। তারপর তার চেয়ে হালকা দুই রাকা‘আত সালাত আদায় করেন। তারপর তিনি বিতর সালাত আদায় করেন। এই হলো ১৩ রাকা‘আত সালাত।”[1]
[1] মুয়াত্তা ইমাম মালিক: ১/১২২; মুসান্নাফ আব্দুর রাযযাক: ৪৭১২; সহীহ মুসলিম: ৭৬৫; আবূ দাঊদ: ১৩৬৬; শামায়েলে তিরমিযী: ২৬৬; ইবনু মাজাহ: ১৩৬২; তাবারানী: ৫২৪৫; সুনান বাইহাকী: ৩/৮; মুসনাদ আহমাদ: ৫/১৯৩। হাদীসটিকে শায়খ শুআইব আল আরনাঊত রহিমাহুল্লাহ মুসলিমের শর্তে সহীহ বলেছেন। শায়খ নাসির উদ্দিন আলবানী রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন। (সহীহ আবূ দাঊদ: ১২৩৬)

হাদিস ২,৬০৯

মূল আরবি

أَخْبَرَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدٍ الْأَزْدِيُّ، قَالَ: حَدَّثَنَا إِسْحَاقُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ، قَالَ: أَخْبَرَنَا جَرِيرٌ، عَنِ الْأَعْمَشِ، عَنْ سَعْدِ بْنِ عُبَيْدَةَ، عَنِ الْمُسْتَوْرِدِ بْنِ الْأَحْنَفِ، عَنْ صِلَةَ بْنِ زُفَرَ، عَنْ حُذَيْفَةَ، قَالَ: «صَلَّيْتُ مَعَ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ ذَاتَ لَيْلَةٍ، فَافْتَتَحَ سُورَةَ الْبَقَرَةِ فَقُلْتُ: يَقْرَأُ مِائَةَ آيَةٍ ثُمَّ يَرْكَعُ، فَمَضَى، فَقُلْتُ: يَخْتِمُهَا فِي الرَّكْعَتَيْنِ، فَمَضَى، فَقُلْتُ: يَخْتِمُهَا ثُمَّ يَرْكَعُ، فَمَضَى حَتَّى قَرَأَ سُورَةَ النِّسَاءِ، ثُمَّ آلِ عِمْرَانَ، ثُمَّ رَكَعَ نَحْوًا مِنْ قِيَامِهِ، يَقُولُ: سُبْحَانَ رَبِّيَ الْعَظِيمِ، ثُمَّ رَفَعَ رَأْسَهُ، فَقَالَ: سَمِعَ اللَّهُ لِمَنْ حَمِدَهُ، اللَّهُمَّ رَبَّنَا لَكَ الْحَمْدُ، فَأَطَالَ الْقِيَامَ، ثُمَّ سَجَدَ فَأَطَالَ السُّجُودَ، ثُمَّ يَقُولُ فِي سُجُودِهِ: سُبْحَانَ رَبِّيَ الْأَعْلَى، لَا يَمُرُّ بِآيَةِ تَخْوِيفٍ أَوْ تَعْظِيمٍ إِلَّا ذَكَرَهُ»
رقم طبعة با وزير = (2600)

تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح - مضى (2595). تنبيه!! رقم (2595) = (2604) من «طبعة المؤسسة». - مدخل بيانات الشاملة -.

تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: إسناده صحيح على شرط مسلم

বাংলা অনুবাদ

হুযাইফা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, “আমি একরাতে আল্লাহর নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের সাথে সালাত আদায় করি। তিনি সূরা বাকারাহ পাঠ শুরু করেন। আমি ভাবলাম, হয়তো তিনি একশ আয়াত পাঠ করে রুকূ‘ করবেন। কিন্তু তিনি পাঠ অব্যাহত রাখেন। অতঃপর আমি ভাবলাম, হয়তো তিনি এই সূরা দুই রাকা‘আতে পড়ে শেষ করবেন। কিন্তু তিনি পাঠ অব্যাহত রাখেন। আমি ভাবলাম, হয়তো তিনি পুরো সূরা শেষ করে রুকূ‘ করবেন কিন্তু তিনি পাঠ অব্যাহত রাখেন এমনকি তিনি সূরা নিসা তারপর সূরা আল ইমরান পাঠ করেন তারপর তিনি অনুরুপ সময় ধরে রুকূ‘ করেন। রুকূ‘তে তিনি বলেন, سُبْحَانَ رَبِّيَ الْعَظِيمِ (আমি আমার সুমহান প্রভুর পবিত্রতা ঘোষনা করছি), তারপর তিনি মাথা উত্তোলন করে বলেন, سَمِعَ الله لم حَمِدَهُ اللَّهُمَّ رَبَّنَا لَكَ الْحَمْدُ (আল্লাহ শ্রবণ করেন, যে তাঁর প্রশংসা করে। হে আল্লাহ, আমাদের প্রভু, আপনার জন্যই সমস্ত প্রশংসা) অতঃপর দীর্ঘক্ষণ কিয়াম করেন। তারপর তিনি দীর্ঘক্ষণ সাজদা করেন। তারপর তিনি সাজদায় বলেন, سُبْحَانَ رَبِّيَ الْأَعْلَى (আমি আমার সুমহান প্রভুর পবিত্রতা ঘোষনা করছি)। তিনি যখনই কোন ভীতিপ্রদর্শনমূলক বা মহান কোন আয়াত অতিক্রম করতেন, তখনই তিনি তা স্মরণ করতেন।”[1]
[1] আত তায়ালিসী: ৪১৫; মুসনাদ আহমাদ: ৫/৩৮২; দারেমী: ১/২৯৯; আবূ দাঊদ: ৮৭১; তিরমিযী: ২৬২; নাসাঈ: ২/১৭৬-১৭৭; সুনান বাইহাকী: ২/৩১০; মুসনাদ আহমাদ: ৫/৩৮৪; ইবনু মাজাহ: ১৩৫১। হাদীসটিকে শায়খ শুআইব আল আরনাঊত রহিমাহুল্লাহ মুসলিমের শর্তে সহীহ বলেছেন। শায়খ নাসির উদ্দিন আলবানী রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন। (সহীহ আবূ দাঊদ: ৭৪২)

হাদিস ২,৬১০

মূল আরবি

أَخْبَرَنَا عَلِيُّ بْنُ عَبْدِ الْحَمِيدِ الْغُضَائِرِيُّ بِحَلَبَ، قَالَ: حَدَّثَنَا الْوَلِيدُ بْنُ شُجَاعٍ، قَالَ: حَدَّثَنَا مُبَشِّرُ بْنُ إِسْمَاعِيلَ، عَنِ الْأَوْزَاعِيِّ، عَنِ الزُّهْرِيِّ، عَنْ عُرْوَةَ، [ص:345] عَنْ عَائِشَةَ، «أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ كَانَ يَمْكُثُ فِي سُجُودِهِ قَدْرَ مَا يَقْرَأُ الرَّجُلُ خَمْسِينَ آيَةً»، تُرِيدُ فِي صَلَاةِ اللَّيْلِ
رقم طبعة با وزير = (2601)

تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح: ق، وهو مختصر الآتي (2605). تنبيه!! رقم (2605) = (2614) من «طبعة المؤسسة». - مدخل بيانات الشاملة -.

تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: إسناده صحيح على شرط مسلم

বাংলা অনুবাদ

আয়িশা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহা থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, “রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সাজদায় কোন ব্যক্তির ৫০ আয়াত পাঠ পরিমাণ সময় অবস্থান করতেন।” আয়িশা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহা এর দ্বারা তাহাজ্জুদ সালাতের কথা বুঝিয়েছেন।”[1]
[1] আবূ দাঊদ: ১৩৩৬; ইবনু মাজাহ: ১৩৫৮; মুসনাদ আহমাদ: ৬/৮৩; সুনান বাইহাকী: ৩/৭; নাসাঈ: ২/৩০। হাদীসটিকে শায়খ শুআইব আল আরনাঊত রহিমাহুল্লাহ বুখারীর শর্তে সহীহ বলেছেন। শায়খ নাসির উদ্দিন আলবানী রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন। (সালাতুত তারাবীহ: ১০৬)

হাদিস ২,৬১১

মূল আরবি

أَخْبَرَنَا أَحْمَدُ بْنُ عَلِيِّ بْنِ الْمُثَنَّى، قَالَ: حَدَّثَنَا أَبُو خَيْثَمَةَ، قَالَ: حَدَّثَنَا يَزِيدُ بْنُ هَارُونَ، قَالَ: أَخْبَرَنَا شُعْبَةُ، عَنْ أَبِي جَمْرَةَ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، قَالَ: «كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يُصَلِّي مِنَ اللَّيْلِ ثَلَاثَ عَشْرَةَ رَكْعَةً»
رقم طبعة با وزير = (2602)

تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح - «صحيح أبي داود» (1205): ق بأتم منه.

تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: إسناده صحيح على شرطهما

বাংলা অনুবাদ

আব্দুল্লাহ বিন আব্বাস রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, “রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম রাতে ১৩ রাকাআত সালাত আদায় করতেন।”[1]
[1] মুসনাদ আহমাদ: ১/৩২৪; আত তায়ালিসী: ২৭৪১; সহীহ বুখারী: ১১৩৮; সহীহ মুসলিম: ৭৬৪; তিরমিযী: ৪৪২; শামায়েলে তিরমিযী: ২৬৩; নাসাঈ: ৫/২৬২; তাহাবী: ১/২৮৬; সহীহ ইবনু খুযাইমাহ: ১১৬৪; তাবারানী: ১২৯৬৪। হাদীসটিকে শায়খ শুআইব আল আরনাঊত রহিমাহুল্লাহ বুখারী ও মুসলিমের শর্তে সহীহ বলেছেন। শায়খ নাসির উদ্দিন আলবানী রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন। (সহীহ আবূ দাঊদ: ১২০৫)

হাদিস ২,৬১২

মূল আরবি

أَخْبَرَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ سَلْمٍ، حَدَّثَنَا حَرْمَلَةُ، حَدَّثَنَا [ص:346] ابْنُ وَهْبٍ، أَخْبَرَنِي عَمْرُو بْنُ الْحَارِثِ، عَنِ ابْنِ شِهَابٍ، عَنْ عُرْوَةَ، عَنْ عَائِشَةَ، قَالَتْ: «كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يُصَلِّي فِيمَا بَيْنَ أَنْ يَفْرُغَ مِنْ صَلَاةِ الْعِشَاءِ، وَهِيَ الَّتِي يَدْعُو النَّاسُ الْعَتَمَةَ إِلَى الْفَجْرِ إِحْدَى عَشْرَةَ رَكْعَةً، يُسَلِّمُ فِي كُلِّ رَكْعَتَيْنِ، وَيُوتِرُ بِوَاحِدَةٍ، فَإِذَا سَكَتَ الْمُؤَذِّنُ مِنْ صَلَاةِ الْفَجْرِ، وَتَبَيَّنَ لَهُ الْفَجْرُ، وَجَاءَهُ الْمُؤَذِّنُ، قَامَ فَرَكَعَ رَكْعَتَيْنِ خَفِيفَتَيْنِ، وَاضْطَجَعَ عَلَى شِقِّهِ الْأَيْمَنِ حَتَّى يَأْتِيَهُ الْمُؤَذِّنُ بِالْإِقَامَةِ»
رقم طبعة با وزير = (2603)

تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح - «صحيح أبي داود» (1207): ق.

تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: إسناده صحيح على شرط مسلم

বাংলা অনুবাদ

আয়িশা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহা থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন “রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ইশার সালাত, যাকে লোকজন আতামাহ হিসেবে অভিহিত করে থাকে, এরপর হতে ফজর উদ্ভাসিত হওয়া পর্যন্ত এগার রাকা‘আত সালাত আদায় করতেন; তিনি প্রত্যেক দুই রাকা‘আত পর পর সালাম ফেরাতেন আর শেষে এক রাকা‘আত বিতর পড়তেন। অতঃপর যখন ফজরের সালাতের আযান শেষ হয়ে যেতো, প্রভাত উদ্ভাসিত হতো এবং মুয়ায্যিন তাঁর কাছে আসতো, তখন তিনি দাঁড়িয়ে হালকা দুই রাকা‘আত সালাত আদায় করতেন। তারপর ইকামতের জন্য মুয়ায্যিন তাঁর কাছে না আসা পর্যন্ত তিনি ডান পার্শ্বের উপর কাত হয়ে শুয়ে থাকতেন।”[1]
[1] আবূ দাঊদ: ১৩৩৬; ইবনু মাজাহ: ১৩৫৮; মুসনাদ আহমাদ: ৬/৮৩; সুনান বাইহাকী: ৩/৭; নাসাঈ: ২/৩০। হাদীসটিকে শায়খ শুআইব আল আরনাঊত রহিমাহুল্লাহ বুখারীর শর্তে সহীহ বলেছেন। শায়খ নাসির উদ্দিন আলবানী রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন। (সালাতুত তারাবীহ: ১০৬)

হাদিস ২,৬১৩

মূল আরবি

أَخْبَرَنَا الْفَضْلُ بْنُ الْحُبَابِ، قَالَ: حَدَّثَنَا الْقَعْنَبِيُّ، عَنْ مَالِكٍ، عَنْ سَعِيدِ بْنِ أَبِي سَعِيدٍ، عَنْ أَبِي سَلَمَةَ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ، أَنَّهُ سَأَلَ عَائِشَةَ: كَيْفَ كَانَتْ صَلَاةُ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فِي رَمَضَانَ؟ فَقَالَتْ: «مَا كَانَ يَزِيدُ فِي رَمَضَانَ، وَلَا فِي غَيْرِهِ، عَلَى إِحْدَى عَشْرَةَ رَكْعَةً»
رقم طبعة با وزير = (2604)

تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح - «صحيح أبي داود» (1212): ق.

تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: إسناده صحيح على شرطهما

বাংলা অনুবাদ

আবূ সালামাহ বিন আব্দুর রহমান থেকে বর্ণিত, তিনি আয়িশা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহাকে জিজ্ঞেস করেন, “রমযানে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের সালাত কেমন ছিল?” তখন তিনি জবাবে বলেন, “তিনি রমযানে বা তার বাইরে ১১ রাকা‘আতের বেশি সালাত আদায় করতেন না।”[1]
[1] মুয়াত্তা ইমাম মালিক: ১/১২০; মুসনাদ আহমাদ: ৬/৩৬; মুসান্নাফ আব্দুর রাযযাক: ৪৭১১; সহীহ আল বুখারী: ১১৪৭; সহীহ মুসলিম: ৭৩৮; আবূ দাঊদ: ১৩৪১; নাসাঈ: ৩/২৩৪; তিরমিযী: ৪৩৯; তাহাবী: ১/২৮২; সহীহ ইবনু খুযাইমাহ: ১১৬৬; আবূ আওয়ানা: ২/৩২৭; সুনান বাইহাকী: ১/১২২; বাগাবী: ৮৯৯। হাদীসটিকে শায়খ শুআইব আল আরনাঊত রহিমাহুল্লাহ বুখারী ও মুসলিমের শর্তে সহীহ বলেছেন। শায়খ নাসির উদ্দিন আলবানী রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন। (সালাতুত তারাবীহ: ১৯-২০)

হাদিস ২,৬১৪

মূল আরবি

أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عُبَيْدِ اللَّهِ بْنِ الْفَضْلِ الْكَلَاعِيُّ بِحِمْصَ، قَالَ: حَدَّثَنَا عَمْرُو بْنُ عُثْمَانَ بْنِ سَعِيدٍ، قَالَ: حَدَّثَنَا أَبِي، عَنْ شُعَيْبِ بْنِ أَبِي حَمْزَةَ، قَالَ: ذَكَرَ الزُّهْرِيُّ، عَنْ عُرْوَةَ، عَنْ عَائِشَةَ، «أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ كَانَ يُصَلِّي إِحْدَى عَشْرَةَ رَكْعَةً بِاللَّيْلِ، فَكَانَتْ تِلْكَ صَلَاتُهُ، يَسْجُدُ السَّجْدَةَ مِنْ ذَلِكَ بِقَدْرِ مَا يَقْرَأُ أَحَدُكُمْ خَمْسِينَ آيَةً قَبْلَ أَنْ يَرْفَعَ رَأْسَهُ، وَيَرْكَعُ رَكْعَتَيْنِ قَبْلَ صَلَاةِ الْفَجْرِ، ثُمَّ يَضْطَجِعُ عَلَى شِقِّهِ الْأَيْمَنِ حَتَّى يَأْتِيَهُ الْمُؤَذِّنُ لِلصَّلَاةِ»
رقم طبعة با وزير = (2605)

تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح: ق - انظر (2603). تنبيه!! رقم (2603) = (2612) من «طبعة المؤسسة». - مدخل بيانات الشاملة -.

تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: إسناده قوي

বাংলা অনুবাদ

আয়িশা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহা থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন “রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ১১ রাকা‘আত সালাত আদায় করতেন; তিনি প্রত্যেক দুই রাকা‘আত পর পর সালাম ফেরাতেন আর শেষে এক রাকা‘আত বিতর পড়তেন। এটাই ছিল তাঁর সালাত। এই সালাতের সাজদায় মাথা উঠানোর আগ পর্যন্ত তোমাদের কারো ৫০ আয়াত পাঠ করার পরিমাণ সময় অবস্থান করতেন। ফজরের সালাতের আগে তিনি দুই রাকা‘আত সালাত আদায় করতেন। তারপর সালাতের জন্য মুয়ায্যিন তাঁর কাছে না আসা পর্যন্ত তিনি ডান পার্শ্বের উপর কাত হয়ে শুয়ে থাকতেন।”[1]
[1] আবূ দাঊদ: ১৩৩৬; ইবনু মাজাহ: ১৩৫৮; মুসনাদ আহমাদ: ৬/৮৩; সুনান বাইহাকী: ৩/৭; নাসাঈ: ২/৩০। হাদীসটিকে শায়খ শুআইব আল আরনাঊত রহিমাহুল্লাহ বুখারীর শর্তে সহীহ বলেছেন। শায়খ নাসির উদ্দিন আলবানী রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন। (সালাতুত তারাবীহ: ১০৬)

হাদিস ২,৬১৫

মূল আরবি

أَخْبَرَنَا أَحْمَدُ بْنُ عَلِيِّ بْنِ الْمُثَنَّى، قَالَ: حَدَّثَنَا هَنَّادُ بْنُ السَّرِيِّ، قَالَ: حَدَّثَنَا أَبُو الْأَحْوَصِ، عَنِ الْأَعْمَشِ، عَنْ إِبْرَاهِيمَ النَّخَعِيِّ، عَنِ الْأَسْوَدِ، [ص:348] عَنْ عَائِشَةَ، قَالَتْ: «كَانَ النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يُصَلِّي مِنَ اللَّيْلِ تِسْعَ رَكَعَاتٍ»
رقم طبعة با وزير = (2606)

تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح - «صحيح أبي داود» (1213): م أتم منه.

تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: إسناده صحيح على شرط مسلم

বাংলা অনুবাদ

আয়িশা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহা থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন “রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম রাতে নয় রাকা‘আত সালাত আদায় করতেন।”[1]
[1] মুসনাদ আবী ইয়ালা: ৪৭৩৭; তিরমিযী: ৪৪৩; নাসাঈ: ৩/২৪২-২৪৩; ইবনু মাজাহ: ১৩৬০; তাহাবী: ১/২৮৪। হাদীসটিকে শায়খ শুআইব আল আরনাঊত রহিমাহুল্লাহ মুসলিমের শর্তে সহীহ বলেছেন। শায়খ নাসির উদ্দিন আলবানী রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন। (সহীহ আবূ দাঊদ: ১২১৩)

হাদিস ২,৬১৬

মূল আরবি

أَخْبَرَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ سَلْمٍ، قَالَ: أَخْبَرَنَا عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ إِبْرَاهِيمَ، قَالَ: حَدَّثَنَا الْوَلِيدُ، عَنِ الْأَوْزَاعِيِّ، عَنْ يَحْيَى، عَنْ أَبِي سَلَمَةَ، قَالَ: أَخْبَرَتْنِي عَائِشَةُ، قَالَتْ: «كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يُصَلِّي مِنَ اللَّيْلِ ثَمَانَ رَكَعَاتٍ، وَيُوتِرُ بِوَاحِدَةٍ، ثُمَّ يَرْكَعُ رَكْعَتَيْنِ وَهُوَ جَالِسٌ»
رقم طبعة با وزير = (2607)

تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح - «صحيح أبي داود» (1211): م.

تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: رجاله ثقات رجال الصحيح

বাংলা অনুবাদ

আয়িশা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহা থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন “রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম রাতে আট রাকা‘আত তাহাজ্জুদ সালাত আদায় করতেন এবং এক রাকা‘আত বিতর আদায় করতেন। তারপর তিনি বসে ‍দুই রাকা‘আত সালাত আদায় করতেন।”[1]
[1] বাগাবী: ৯৬৪; সহীহ ‍মুসলিম: ৭৩৮; আবূ দাঊদ: ১৩৪০; নাসাঈ: ৩/২৫১; সহীহ বুখারী: ১১৫৯। হাদীসটিকে শায়খ শুআইব আল আরনাঊত রহিমাহুল্লাহ বুখারী ও মুসলিমের শর্তে সহীহ বলেছেন। শায়খ নাসির উদ্দিন আলবানী রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন। (সহীহ আবূ দাঊদ: ১২১১)

হাদিস ২,৬১৭

মূল আরবি

أَخْبَرَنَا أَبُو يَعْلَى، قَالَ: حَدَّثَنَا أَبُو خَيْثَمَةَ، قَالَ: حَدَّثَنَا يَزِيدُ بْنُ هَارُونَ، قَالَ: أَخْبَرَنَا حُمَيْدٌ، عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ، قَالَ: «مَا كُنَّا نَشَاءُ أَنْ نَرَى النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ مِنَ اللَّيْلِ مُصَلِّيًا إِلَّا رَأَيْنَاهُ مُصَلِّيًا، وَمَا كُنَّا نَشَاءُ نَرَاهُ نَائِمًا مِنَ اللَّيْلِ إِلَّا رَأَيْنَاهُ نَائِمًا»
رقم طبعة با وزير = (2608)

تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح: خ (1972 و 1973).

تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: إسناده صحيح على شرطهما

বাংলা অনুবাদ

আনাস বিন মালিক রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন “আমরা রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে রাতে সালাতরত অবস্থায় দেখতে চাইলে তাঁকে আমরা সালাতরত অবস্থায় দেখতে পেতাম আবার আমরা তাঁকে ঘুমন্ত অবস্থায় দেখতে চাইলে তাকে আমরা ঘুমন্ত অবস্থায় দেখতে পেতাম।”[1]
[1] মুসনাদ আবী ইয়ালা: ৩৮৫২; নাসাঈ: ৩/২১৩-২১৪; বাগাবী: ৯৩২; ‍মুসনাদ আহমাদ: ৩/১০৪; সহীহুল বুখারী: ১১৪১; সুনান বাইহাকী: ৩/১৭। হাদীসটিকে শায়খ শুআইব আল আরনাঊত রহিমাহুল্লাহ বুখারী ও মুসলিমের শর্তে সহীহ বলেছেন। শায়খ নাসির উদ্দিন আলবানী রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন। (সহীহুল বুখারী: ১৯৭২)

হাদিস ২,৬১৮

মূল আরবি

أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ السَّامِيُّ، قَالَ: حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ أَيُّوبَ الْمَقَابِرِيُّ، قَالَ: حَدَّثَنَا إِسْمَاعِيلُ بْنُ جَعْفَرٍ، قَالَ: أَخْبَرَنِي حُمَيْدٌ الطَّوِيلُ، قَالَ: سُئِلَ أَنَسُ بْنُ مَالِكٍ عَنْ صَوْمِ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، قَالَ: «كَانَ يَصُومُ مِنَ الشَّهْرِ حَتَّى نَرَى أَنَّهُ لَا يُرِيدُ أَنْ يُفْطِرَ مِنْهُ شَيْئًا، وَيُفْطِرُ مِنَ [ص:350] الشَّهْرِ حَتَّى نَرَى أَنَّهُ لَا يُرِيدُ أَنْ يَصُومَ مِنْهُ شَيْئًا، وَكُنْتَ لَا تَشَاءُ أَنْ تَرَاهُ مِنَ اللَّيْلِ مُصَلِّيًا إِلَّا رَأَيْتَهُ مُصَلِّيًا، وَلَا نَائِمًا إِلَّا رَأَيْتَهُ»
رقم طبعة با وزير = (2609)

تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح - «مختصر الشمائل» (253): ق.

تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: إسناده صحيح على شرط مسلم

বাংলা অনুবাদ

হুমাইদ আত তবীল থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন “আনাস বিন মালিক রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুকে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের সিয়াম সম্পর্কে জিজ্ঞেস করা হলে তিনি জবাবে বলেন, “তিনি কোন মাসে (এতো অধিক পরিমাণ) সিয়াম রাখতেন যে, আমরা মনে করতাম যে, হয়তো তিনি এই মাসে কোন সিয়াম ছেড়ে দিবেন না আবার কোন মাসে সিয়াম ছেড়ে দিতেন, এমনকি আমরা মনে করতাম যে, তিনি হয়তো এই মাসে কোন সিয়াম রাখবেন না। আর তুমি যদি তাঁকে রাতে সালাতরত অবস্থায় দেখতে চাও, তবে তাঁকে তুমি সালাতরত অবস্থায় দেখতে পাবে, আবার তুমি যদি তাঁকে রাতে ঘুমন্ত অবস্থায় দেখতে চাও, তবে তাঁকে তুমি ঘুমন্ত অবস্থায় দেখতে পাবে।”[1]
[1] তিরমিযী: ৭৬৯; মুসনাদ আবী ইয়ালা: ৩৮৫২; নাসাঈ: ৩/২১৩-২১৪; বাগাবী: ৯৩২; ‍মুসনাদ আহমাদ: ৩/১০৪; সহীহুল বুখারী: ১১৪১; সুনান বাইহাকী: ৩/১৭। হাদীসটিকে শায়খ শুআইব আল আরনাঊত রহিমাহুল্লাহ মুসলিমের শর্তে সহীহ বলেছেন। শায়খ নাসির উদ্দিন আলবানী রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন। (মুখতাসারুশ শামাইল: ২৫৩)

হাদিস ২,৬১৯

মূল আরবি

أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ إِسْحَاقَ بْنِ خُزَيْمَةَ، قَالَ: حَدَّثَنَا مُؤَمَّلُ بْنُ هِشَامٍ، قَالَ: حَدَّثَنَا إِسْمَاعِيلُ بْنُ عُلَيَّةَ، عَنْ مَنْصُورِ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ، عَنْ أَبِي إِسْحَاقَ الْهَمْدَانِيِّ، عَنْ مَسْرُوقٍ، أَنَّهُ دَخَلَ عَلَى عَائِشَةَ فَسَأَلَهَا عَنْ صَلَاةِ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ بِاللَّيْلِ، فَقَالَتْ: «كَانَ يُصَلِّي ثَلَاثَ عَشْرَةَ رَكْعَةً مِنَ اللَّيْلِ، ثُمَّ إِنَّهُ صَلَّى إِحْدَى عَشْرَةَ رَكْعَةً تَرَكَ رَكْعَتَيْنِ، ثُمَّ قُبِضَ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ حِينَ قُبِضَ وَهُوَ يُصَلِّي مِنَ اللَّيْلِ تِسْعَ رَكَعَاتٍ آخِرَ صَلَاتِهِ مِنَ اللَّيْلِ وَالْوِتْرِ، ثُمَّ رُبَّمَا جَاءَ إِلَى فِرَاشِي هَذَا، فَيَأْتِيهِ بِلَالٌ فَيُؤْذِنُهُ بِالصَّلَاةِ»
رقم طبعة با وزير = (2612)

تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: منكر - «الضعيفة» (6366)، «ضعيف أبي داود» (242).

تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: رجاله ثقات رجال الصحيح

বাংলা অনুবাদ

মাসরূক রহিমাহুল্লাহ বলেন যে, তিনি একবার আয়িশা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহার কাছে গিয়ে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের রাতের সালাত সম্পর্কে জিজ্ঞেস করেন। তখন আয়িশা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহা জবাবে বলেন, “তিনি রাতে ১৩ রাকা‘আত সালাত আদায় করতেন। তারপর তিনি ১১ রাকা‘আত সালাত আদায় করেন; দুই রাকা‘আত ছেড়ে দেন। তারপর যখন তাঁকে মৃত্যু দেওয়া হয়, সেসময় তিনি নয় রাকা‘আত সালাত আদায় করেন। এটা রাতের শেষের ও বিতরের সালাত। তারপর তিনি কখনো কখনো আমার বিছানায় আসতেন। অতঃপর বিলাল রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু তাঁর কাছে আসতেন এবং সালাতের কথা জানাতেন।”[1]
[1] সহীহ ইবনু খুযাইমাহ: ১১৬৮। হাদীসটিকে শায়খ শুআইব আল আরনাঊত রহিমাহুল্লাহ সহীহ বলেছেন। শায়খ নাসির উদ্দিন আলবানী রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে মুনকার বা ‍দুর্বল বলেছেন। (যঈফ আবূ দাঊদ: ২৪২)

হাদিস ২,৬২০

মূল আরবি

أَخْبَرَنَا الْحَسَنُ بْنُ سُفْيَانَ، قَالَ: حَدَّثَنَا بِشْرُ بْنُ الْحَكَمِ، [ص:351] قَالَ: حَدَّثَنَا سُفْيَانُ، عَنِ الزُّهْرِيِّ، عَنْ سَالِمٍ، وَعَبْدِ اللَّهِ بْنِ دِينَارٍ، وَعَمْرِو بْنِ دِينَارٍ، عَنْ طَاوُوسٍ، وَابْنِ أَبِي لَبِيدٍ، عَنْ أَبِي سَلَمَةَ، كُلُّهُمْ عَنِ ابْنِ عُمَرَ، قَالَ: سُئِلَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: كَيْفَ تَأْمُرُنَا أَنْ نُصَلِّيَ بِاللَّيْلِ؟ قَالَ: «يُصَلِّي أَحَدُكُمْ مَثْنَى مَثْنَى، فَإِذَا خَشِيَ الصُّبْحَ أَوْتَرَ بِرَكْعَةٍ»
رقم طبعة با وزير = (2610)

تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح - «الروض» (519 - 521)، «الصحيحة» (1197): ق. قال الناشر: وقع تقديم وتأخير في هذه المجموعة من الاحاديث من رقم (2610) إلى (2613) بين الطبعتين؛ فاقتضى التنبيه. تنبيه!! تفسير كلام الناشر. انظر إلى الحديث الذي قبل السابق ستجد أن رقم طبعة باوزير (2609) والذي بعده (2612) والذي بعده (2613) والذي بعده (2610). وهذا بسبب أختلاف النسختين فـ «طبعة باوزير» قدمت حديث على آخر وعكست الوضع «طبعة المؤسسة». - مدخل بيانات الشاملة -.

تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: إسناده صحيح على شرط الشيخين

বাংলা অনুবাদ

আব্দুল্লাহ বিন উমার রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, “রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে জিজ্ঞেস করা হয়, “আপনি আমাদেরকে রাত্রে কিভাবে সালাত আদায় করার নির্দেশ দিবেন?” জবাবে তিনি বলেন, “তোমরা দুই রাকা‘আত দুই রাকা‘আত করে সালাত আদায় করবে, অতঃপর যখন ভোর হয়ে যাওয়ার আশংকা করবে, তখন এক রাকা‘আত বিতর সালাত আদায় করবে।”[1]
[1] মুসনাদ আহমাদ: ২/৯; মুসান্নাফ ইবনু আবী শায়বাহ: ২/২৭৩; সহীহ মুসলিম: ৭৪৯; ইবনু মাজাহ: ১৩২০; সুনান বাইহাকী: ৩/২২; বাগাবী: ৯৫৫; নাসাঈ: ৩/২২৭; তাবারানী: ১৩১৮৪; সহীহ ইবনু খুযাইমাহ: ১০৭২। হাদীসটিকে শায়খ শুআইব আল আরনাঊত রহিমাহুল্লাহ বুখারী ও মুসলিমের শর্তে সহীহ বলেছেন। শায়খ নাসির উদ্দিন আলবানী রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন। (সহীহাহ: ১১৯৭)