সহীহ ইবনু হিব্বান
পরিচ্ছেদ ১৩৯: হাদিস ২,৭৬১-২,৭৮০
এই অধ্যায়ের হাদিসগুলো একই পাতায় পড়ুন। নির্দিষ্ট হাদিসে যেতে তার নম্বর বা anchor ব্যবহার করুন।
এই পাতার হাদিসসমূহনির্দিষ্ট হাদিসে যেতে তালিকাটি খুলুন। শোহাইড
মূল আরবি
أَخْبَرَنَا عُمَرُ بْنُ سَعِيدِ بْنِ سِنَانٍ الطَّائِيُّ، قَالَ: أَخْبَرَنَا أَحْمَدُ بْنُ أَبِي بَكْرٍ، عَنْ مَالِكٍ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ يَزِيدَ مَوْلَى الْأَسْوَدِ بْنِ سُفْيَانَ، عَنْ أَبِي سَلَمَةَ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، «أَنَّهُ قَرَأَ بِهِمْ: إِذَا السَّمَاءُ انْشَقَّتْ
[الانشقاق: 1] فَسَجَدَ فِيهَا، فَلَمَّا انْصَرَفَ أَخْبَرَهُمْ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ سَجَدَ فِيهَا»
رقم طبعة با وزير = (2750)
تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح - «صحيح أبي داود» (1269).
تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: إسناده صحيح على شرط الشيخين
বাংলা অনুবাদ
আবূ হুরাইরা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি লোকদের নিয়ে পাঠ করেন إِذَا السَّمَاءُ انْشَقَّتْ (যখন আসমান বিদীর্ণ হবে), অতঃপর সাজদা করেন। যখন তিনি তা থেকে ফারেগ হন, তখন তিনি বলেন, “রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামও এতে সাজদা করেছেন।”[1]
[1] মুয়াত্তা ইমাম মালিক: ১/২০৫; সহীহ মুসলিম: ৫৭৮; নাসাঈ: ২/১৬১; সহীহুল বুখারী: ১০৭৪; দারেমী: ১/৩৪৩; আবূ দাঊদ: ১৪০৮; বাগাবী: ৭৬৭;সহীহ ইবনু খুযাইমাহ: ৯৫৫। শায়খ শুআইব আল আরনাঊত রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে বুখারী ও মুসলিমের শর্তে সহীহ বলেছেন। শায়খ নাসিরুদ্দিন আলবানী রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন। (সহীহ আবূ দাঊদ: ১২৬৯)
মূল আরবি
أَخْبَرَنَا الصُّوفِيُّ، حَدَّثَنَا عَلِيُّ بْنُ الْجَعْدِ، حَدَّثَنَا ابْنُ أَبِي ذِئْبٍ، عَنْ يَزِيدَ بْنِ قُسَيْطٍ، عَنْ عَطَاءِ بْنِ يَسَارٍ، عَنْ زَيْدِ بْنِ ثَابِتٍ، قَالَ: «قَرَأْتُ عِنْدَ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ النَّجْمَ فَلَمْ يَسْجُدْ»
رقم طبعة با وزير = (2751)
تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح - «صحيح أبي داود» (1266): ق.
تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: إسناده صحيح على شرط البخاري
বাংলা অনুবাদ
যাইদ বিন সাবিত রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, “আমি রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিকট সূরা নাজম পাঠ করেছি কিন্তু তিনি সাজদা করেননি।”[1]
[1] মুসনাদ ইবনুল জা‘দ: ২৮৫৮; মুসনাদ আহমাদ: ৫/১৮৬; দারেমী: ২/৩৪৩; তিরমিযী: ৫৬৭; আবূ দাঊদ: ১৪০৪; সহীহুল বুখারী: ১০৭৩; বাগাবী: ৭৬৯; সহীহ ইবনু খুযাইমাহ: ৫৬৮; মুসলিম: ৫৭৭; নাসাঈ: ২/১৬০; দারাকুতনী: ১/৪০৯-১১০। শায়খ শুআইব আল আরনাঊত রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে বুখারীর শর্তে সহীহ বলেছেন। শায়খ নাসিরুদ্দিন আলবানী রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন। (সহীহ আবূ দাঊদ: ১২৬৬)
মূল আরবি
أَخْبَرَنَا الْحَسَنُ بْنُ سُفْيَانَ، قَالَ: حَدَّثَنَا الْحَسَنُ بْنُ عُمَرَ بْنِ شَقِيقٍ، وَعُمَرُ بْنُ يَزِيدَ السَّيَّارِيُّ، قَالَا: حَدَّثَنَا عَبْدُ الْوَارِثِ بْنُ سَعِيدٍ، عَنْ أَيُّوبَ، عَنْ عِكْرِمَةَ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، «أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ سَجَدَ فِي النَّجْمِ، وَسَجَدَ مَعَهُ الْمُسْلِمُونَ وَالْمُشْرِكُونَ وَالْجِنُّ وَالْإِنْسُ»
رقم طبعة با وزير = (2752)
تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح - «نصب الجانيق لنسف قصة الغرانيق» (ص 18 و 25 و 31): خ.
تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: إسناده صحيح
বাংলা অনুবাদ
আব্দুল্লাহ বিন আব্বাস রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, “নিশ্চয়ই রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সূরা নাজমে সাজদা করেছেন এবং তাঁর সাথে মুসলিমগণ, মুশরিক, জিন ও অন্যান্য লোকজনও সাজদা করেন।”[1]
[1] সহীহুল বুখারী: ১০৭১; তিরমিযী: ৫৭৫; বাগাবী: ৭৬৩; দারাকুতনী: ১/৪০৯। শায়খ শুআইব আল আরনাঊত রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন। শায়খ নাসিরুদ্দিন আলবানী রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন। (নাসবুল মাজানীক: ১৮)
মূল আরবি
أَخْبَرَنَا أَبُو خَلِيفَةَ، قَالَ: أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ كَثِيرٍ، عَنْ شُعْبَةَ، عَنْ أَبِي إِسْحَاقَ، عَنِ الْأَسْوَدِ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ، «أَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَرَأَ سُورَةَ النَّجْمِ فَسَجَدَ، فَمَا بَقِيَ أَحَدٌ مِنَ الْقَوْمِ إِلَّا سَجَدَ، إِلَّا رَجُلٌ وَاحِدٌ أَخَذَ كَفًّا مِنْ حَصًى فَوَضَعَهُ عَلَى جَبْهَتِهِ»، وَقَالَ: يَكْفِينِي. [ص:470] قَالَ عَبْدُ اللَّهِ: «فَلَقَدْ رَأَيْتُهُ بَعْدُ قُتِلَ كَافِرًا»
رقم طبعة با وزير = (2753)
تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح - «صحيح أبي داود» (1267): ق.
تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: إسناده صحيح على شرط الشيخين
বাংলা অনুবাদ
আব্দুল্লাহ বিন মাস‘ঊদ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, “নিশ্চয়ই রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সূরা নাজম পাঠ করে সাজদা করেন অতঃপর কওমের মধ্যে একজন ব্যক্তি ছাড়া বাকি সবাই সাজদা করে। সেই ব্যক্তি এক মুষ্টি নুড়ি পাথর হাতে নিয়ে তা কপালের উপর রেখে বলে, “আমার জন্য এটাই যথেষ্ট।” আব্দুল্লাহ বিন মাস‘ঊদ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, “পরবর্তীতে আমি দেখেছি, সেই লোক কাফের অবস্থায় মারা গিয়েছে।”[1]
[1] সহীহুল বুখারী: ১০৬৭; মুসনাদ আহমাদ: ১/৪০১; সহীহ মুসলিম: ৫৭৬; আবূ দাঊদ: ১৪০৬; নাসাঈ: ২/১৬০; দারেমী: ১/৩৪২; সহীহ ইবনু খুযাইমাহ: ৫৫৩। শায়খ শুআইব আল আরনাঊত রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে বুখারী ও মুসলিমের শর্তে সহীহ বলেছেন। শায়খ নাসিরুদ্দিন আলবানী রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন। (সহীহ আবূ দাঊদ: ১২৭৬)
মূল আরবি
أَخْبَرَنَا ابْنُ سَلْمٍ، قَالَ: حَدَّثَنَا حَرْمَلَةُ بْنُ يَحْيَى، قَالَ: حَدَّثَنَا ابْنُ وَهْبٍ، قَالَ: أَخْبَرَنِي عَمْرُو بْنُ الْحَارِثِ، حَدَّثَنَا سَعِيدُ بْنُ أَبِي هِلَالٍ، عَنْ عِيَاضِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ سَعْدٍ، عَنْ أَبِي سَعِيدٍ الْخُدْرِيِّ، قَالَ: قَرَأَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ ص وَهُوَ عَلَى الْمِنْبَرِ، فَلَمَّا بَلَغَ السَّجْدَةَ نَزَلَ فَسَجَدَ وَسَجَدَ النَّاسُ [ص:471] مَعَهُ، فَلَمَّا كَانَ يَوْمٌ آخَرُ قَرَأَهَا فَلَمَّا بَلَغَ السَّجْدَةَ تَنَشَّزَ النَّاسُ لِلسُّجُودِ، فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «إِنَّمَا هِيَ تَوْبَةُ نَبِيٍّ، وَلَكِنِّي رَأَيْتُكُمْ تَنَشَّزْتُمْ لِلسُّجُودِ»، فَنَزَلَ فَسَجَدَ وَسَجَدُوا
رقم طبعة با وزير = (2754)
تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح - «صحيح أبي داود» (1271).
تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: إسناده صحيح على شرط مسلم
বাংলা অনুবাদ
আবূ সা‘ঈদ খুদরী রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, “রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মিম্বাবের উপর সূরা সোয়াদ পাঠ করেছেন। অতঃপর যখন সাজদার স্থানে পৌঁছেন, তখন তিনি মিম্বার থেকে নামেন এবং সাজদা করেন অতঃপর লোকজনও তাঁর সাথে সাজদা করেন। তারপর আরেক দিন এই সূরা পাঠ করেন। অতঃপর যখন সাজদার আয়াতে পৌঁছেন, তখন লোকজন সাজদা করার জন্য প্রস্তুত হয়ে যায়। তখন রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, “নিশ্চয়ই এটা ছিল একজন নাবীর তাওবা সংক্রান্ত ঘটনা। কিন্তু তোমরা সাজদা করার জন্য প্রস্তুত হয়ে গেছো। অতঃপর তিনি মিম্বার থেকে নামেন এবং সাজদা করেন, লোকজনও সাজদা করেন।”[1]
[1] আবূ দাঊদ: ১৪১০; সুনান বাইহাকী: ২/৩১৮; হাকিম: ২/৪৩১-৪৩২। শায়খ শুআইব আল আরনাঊত রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে মুসলিমের শর্তে সহীহ বলেছেন। শায়খ নাসিরুদ্দিন আলবানী রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন। (সহীহ আবূ দাঊদ: ১২৭১)
মূল আরবি
أَخْبَرَنَا ابْنُ خُزَيْمَةَ، قَالَ: حَدَّثَنَا أَبُو كُرَيْبٍ، وَالْأَشَجُّ، قَالَا: حَدَّثَنَا أَبُو خَالِدٍ الْأَحْمَرُ، عَنِ الْعَوَّامِ بْنِ حَوْشَبٍ، عَنْ مُجَاهِدٍ، قَالَ: [ص:472] قُلْتُ لِابْنِ الْعَبَّاسِ: سَجْدَةُ ص مِنْ أَيْنَ أَخَذْتَهَا؟ قَالَ: فَتَلَا عَلَيَّ: وَمِنْ ذُرِّيَّتِهِ دَاوُدُ وَسُلَيْمَانُ وَأَيُّوبُ
حَتَّى بَلَغَ إِلَى قَوْلِهِ: أُولَئِكَ الَّذِينَ هَدَى اللَّهُ فَبِهُدَاهُمِ اقْتَدِهْ
[الأنعام: 90]. قَالَ: «كَانَ دَاوُدُ سَجَدَ فِيهَا، فَلِذَلِكَ سَجَدَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ»
رقم طبعة با وزير = (2755)
تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح - «صحيح أبي داود» (1270)، «المشكاة» (2038).
تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: إسناده صحيح
বাংলা অনুবাদ
মুজাহিদ রহিমাহুল্লাহ বলেন, “আমি আব্দুল্লাহ বিন আব্বাস রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমাকে জিজ্ঞেস করলাম, “সূরা সোয়াদের সাজদা আপনি কোথা থেকে গ্রহণ করেছেন?” তখন তিনি আমাকে পাঠ করে শুনান, ومن ذريته داود وسليمان وأيوب (আর তাঁর সন্তানদের মাঝে অন্যতম হলেন দাঊদ, সুলাইমান ও আইয়ূব আলাইহিমুস সালাম), অতঃপর যখন তিনি এই আয়াতে পৌঁছেন, أُولَئِكَ الَّذِينَ هَدَى اللَّهُ فَبِهُدَاهُمِ اقْتَدِهْ (এঁরা হলেন, সেসব লোক, যাদেরকে আল্লাহ হিদায়েত দান করেছেন। কাজেই আপনি তাদের হেদায়েতের অনুসরণ করুন। -সূরা আনআম: ৬০)। তিনি বলেন, “দাঊদ আলাইহিস সালাম এখানে সাজদা করেছিলেন। এজন্য রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এখানে সাজদা করেছেন।”[1]
[1] সহীহ ইবনু খুযাইমাহ: ৫৫২; সহীহুল বুখারী: ৩৪২১; নাসাঈ: ২/১৫৯; দারাকুতনী: ১/৪০৭। শায়খ শুআইব আল আরনাঊত রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন। শায়খ নাসিরুদ্দিন আলবানী রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন। (সহীহ আবূ দাঊদ: ১২৭০)
মূল আরবি
أَخْبَرَنَا الْحَسَنُ بْنُ سُفْيَانَ، قَالَ: حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ [ص:473] أَبِي شَيْبَةَ، قَالَ: حَدَّثَنَا ابْنُ عُيَيْنَةَ، عَنْ أَيُّوبَ بْنِ مُوسَى، عَنْ عَطَاءِ بْنِ مِينَاءَ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ: «سَجَدْنَا مَعَ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فِي إِذَا السَّمَاءُ انْشَقَّتْ، وَاقْرَأْ بِاسْمِ رَبِّكَ الَّذِي خَلَقَ»
رقم طبعة با وزير = (2756)
تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح - «صحيح أبي داود» (1268): م.
تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: إسناده صحيح على شرط الشيخين
বাংলা অনুবাদ
আবূ হুরাইরা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, “আমরা রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সাথে إِذَا السَّمَاءُ انْشَقَّتْ (যখন আসমান বিদীর্ণ হবে। -সূরা ইনশিকাক: ১) ও اقرأ باسم ربك الذي خلق (পড়ুন আপনার প্রভুর নামে, যিনি সৃষ্টি করেছেন। -সূরা আলাক: ১) পাঠের সময় সাজদা করেছি।”[1]
[1] সহীহ মুসলিম: ৫৭৮; ইবনু মাজাহ: ১০৫৮; আবূ দাঊদ: ১৪০৭; নাসাঈ: ২/১৬২; তিরমিযী: ৫৭৩; দারেমী: ১/৩৪৩; সহীহ ইবনু খুযাইমাহ: ৫৫৫; দারাকুতনী: ১/৪০৯; নাসাঈ: ২/১৬২। শায়খ শুআইব আল আরনাঊত রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে বুখারী ও মুসলিমের শর্তে সহীহ বলেছেন। শায়খ নাসিরুদ্দিন আলবানী রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন। (সহীহ আবূ দাঊদ: ১২৬৮)
মূল আরবি
أَخْبَرَنَا ابْنُ خُزَيْمَةَ، قَالَ: حَدَّثَنَا الْحَسَنُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ [ص:474] الصَّبَّاحِ، قَالَ: حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ يَزِيدَ بْنِ خُنَيْسٍ، قَالَ: حَدَّثَنِي حَسَنُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ عُبَيْدِ اللَّهِ بْنِ أَبِي يَزِيدَ، قَالَ: قَالَ لِيَ ابْنُ جُرَيْجٍ: يَا حَسَنُ، حَدَّثَنِي جَدُّكَ عُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ أَبِي يَزِيدَ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، قَالَ: جَاءَ رَجُلٌ إِلَى رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، فَقَالَ: يَا رَسُولَ اللَّهِ، إِنِّي رَأَيْتُ فِي هَذِهِ اللَّيْلَةِ فِيمَا يَرَى النَّائِمُ كَأَنِّي أُصَلِّي خَلْفَ شَجَرَةٍ، فَرَأَيْتُ كَأَنِّي قَرَأْتُ سَجْدَةً فَرَأَيْتُ الشَّجَرَةَ كَأَنَّهَا تَسْجُدُ لِسُجُودِي، فَسَمِعْتُهَا وَهِيَ سَاجِدَةٌ وَهِيَ تَقُولُ: اللَّهُمَّ اكْتُبْ لِي عِنْدَكَ بِهَا أَجْرًا، وَاجْعَلْهَا لِي عِنْدَكَ ذُخْرًا، وَضَعْ عَنِّي بِهَا وِزْرًا، وَاقْبَلْهَا مِنِّي كَمَا تَقَبَّلْتَ مِنْ عَبْدِكَ دَاوُدَ، قَالَ: قَالَ ابْنُ عَبَّاسٍ: «فَرَأَيْتُ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَرَأَ السَّجْدَةَ فَسَمِعْتُهُ وَهُوَ سَاجِدٌ يَقُولُ مِثْلَ مَا قَالَ الرَّجُلُ عَنْ كَلَامِ الشَّجَرَةِ»
رقم طبعة با وزير = (2757)
تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح - «الصحيحة» (2710).
تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: إسناده ضعيف
বাংলা অনুবাদ
আব্দুল্লাহ বিন আব্বাস আব্বাস রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, “এক ব্যক্তি রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের কাছে এসে বললেন, “হে আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম, আজকে রাতে আমি স্বপ্নে দেখেছি যেভাবে মানুষ স্বপ্ন দেখে থাকে। আমি দেখেছি যে, যেন আমি একটি গাছে পেছনে সালাত আদায় করছি। অতঃপর আমি যেন সাজদার আয়াত পড়ছি তারপর আমি দেখলাম, গাছটি যেন আমার মতো সাজদা করছে এবং সাজদাবনত অবস্থায় বলছে: اللَّهُمَّ اكْتُبْ لِي عِنْدَكَ بِهَا أَجْرًا وَاجْعَلْهَا لِي عِنْدَكَ ذُخْرًا وَضَعْ عَنِّي بِهَا وِزْرًا وَاقْبَلْهَا مِنِّي كَمَا تَقَبَّلْتَ مِنْ عَبْدِكَ دَاوُدَ (হে আল্লাহ, আপনি আমার জন্য এর বদৌলতে সাওয়াব লিপিবদ্ধ করুন, সেটাকে আপনার কাছে আমার জন্য সঞ্চিত সম্পদে পরিণত করুন। এই সাজদার মাধ্যমে আপনি আমার বোঝা অপসারিত করুন। এটিকে আপনি আমার পক্ষ থেকে গ্রহণ করুন, যেভাবে আপনি আপনার বান্দা দাঊদ আলাইহিস সালাম থেকে গ্রহণ করেছিলেন)।” আব্দুল্লাহ বিন আব্বাস আব্বাস রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু বলেন, “তারপর আমি রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে সাজদার আয়াত পাঠ করতে দেখেছি। অতঃপর তাঁকে সাজদাবনত অবস্থায় গাছের বলা সেই দু‘আ বলতে শুনেছি, যা স্বপ্নদ্রষ্টা ব্যক্তি বর্ণনা করেছেন।”[1]
[1] সহীহ ইবনু খুযাইমাহ: ৫৬২; তিরমিযী: ৫৭৯; ইবনু মাজাহ: ১০৫৩; বাগাবী: ৭৭১; হাকিম: ১/২১৯-২২০। শায়খ শুআইব আল আরনাঊত রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে যঈফ বলেছেন। শায়খ নাসিরুদ্দিন আলবানী রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন। (সহীহাহ: ২৭১০)
মূল আরবি
أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ إِسْحَاقَ بْنِ خُزَيْمَةَ، قَالَ: حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ بَشَّارٍ، قَالَ: حَدَّثَنَا يَحْيَى، وَعُثْمَانُ بْنُ عُمَرَ، عَنِ ابْنِ أَبِي ذِئْبٍ، عَنِ ابْنِ قُسَيْطٍ، عَنْ عَطَاءِ بْنِ يَسَارٍ، عَنْ زَيْدِ بْنِ ثَابِتٍ قَالَ: «قَرَأْتُ عَلَى النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ النَّجْمَ فَلَمْ يَسْجُدْ»
رقم طبعة با وزير = (2758)
تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح: ق - انظر (2751). تنبيه!! رقم (2751) = (2762) من «طبعة المؤسسة». - مدخل بيانات الشاملة -.
تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: إسناده صحيح على شرطهما
বাংলা অনুবাদ
যাইদ বিন সাবিত রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, “আমি রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিকট সূরা নাজম পাঠ করেছি কিন্তু তিনি সাজদা করেননি।”[1]
[1] মুসনাদ ইবনুল জা‘দ: ২৮৫৮; মুসনাদ আহমাদ: ৫/১৮৬; দারেমী: ২/৩৪৩; তিরমিযী: ৫৬৭; আবূ দাঊদ: ১৪০৪; সহীহুল বুখারী: ১০৭৩; বাগাবী: ৭৬৯; সহীহ ইবনু খুযাইমাহ: ৫৬৮; মুসলিম: ৫৭৭; নাসাঈ: ২/১৬০; দারাকুতনী: ১/৪০৯-১১০। শায়খ শুআইব আল আরনাঊত রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে বুখারীর শর্তে সহীহ বলেছেন। শায়খ নাসিরুদ্দিন আলবানী রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন। (সহীহ আবূ দাঊদ: ১২৬৬)
মূল আরবি
أَخْبَرَنَا الْفَضْلُ بْنُ الْحُبَابِ الْجُمَحِيُّ، حَدَّثَنَا الْقَعْنَبِيُّ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الْعَزِيزِ بْنُ مُحَمَّدٍ، عَنِ الْعَلَاءِ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، قَالَ: «لَا تَطْلُعُ الشَّمْسُ، وَلَا تَغْرُبُ عَلَى يَوْمٍ أَفْضَلَ مِنْ يَوْمِ الْجُمُعَةِ، وَمَا مِنْ دَابَّةٍ إِلَّا وَهِيَ تَفْزَعُ يَوْمَ الْجُمُعَةِ، إِلَّا هَذَيْنِ الثَّقَلَيْنِ: الْجِنِّ، وَالْإِنْسِ»
رقم طبعة با وزير = (2759)
تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح - «التعليق الرغيب» (1/ 249).
تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: إسناده صحيح على شرط مسلم
বাংলা অনুবাদ
আবূ হুরাইরা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, “রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, “জুমু‘আর দিনের চেয়ে শ্রেষ্ঠ কোন দিনের উপর সূর্য উদিত হয় না ও অস্ত যায় না, এবং জুমু‘আর দিন প্রতিটি প্রাণী ভীত-সন্ত্রস্ত্র থাকে, শুধু বিশিষ্ট দুটি জাতি ব্যতীত, তারা হলেন জীন ও মানুষ।”[1]
[1] মুসনাদ আহমাদ: ২/৪৫৬; বাগাবী: ১০৬২; মুসান্নাফ আব্দুর রাযযাক: ৫৫৬৩। শায়খ শুআইব আল আরনাঊত রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে মুসলিমের শর্তে সহীহ বলেছেন। শায়খ নাসিরুদ্দিন আলবানী রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন। (আত তা‘লীকুর রাগীব: ১/২৪৯)
মূল আরবি
أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ الْحَسَنِ بْنِ قُتَيْبَةَ، قَالَ: حَدَّثَنَا حَرْمَلَةُ بْنُ يَحْيَى، قَالَ: حَدَّثَنَا ابْنُ وَهْبٍ، قَالَ: أَخْبَرَنِي حَيْوَةُ بْنُ شُرَيْحٍ، أَنَّ بَشِيرَ بْنَ أَبِي عَمْرٍو الْخَوْلَانِيَّ، أَخْبَرَهُ أَنَّ الْوَلِيدَ بْنَ قَيْسٍ التُّجِيبِيَّ، حَدَّثَهُ، أَنَّ أَبَا سَعِيدٍ الْخُدْرِيَّ، حَدَّثَهُ، أَنَّهُ سَمِعَ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، يَقُولُ: «خَمْسٌ مَنْ عَمِلَهُنَّ فِي يَوْمٍ كَتَبَهُ اللَّهُ مِنْ أَهْلِ الْجَنَّةِ: مَنْ عَادَ مَرِيضًا، وَشَهِدَ جَنَازَةً، وَصَامَ يَوْمًا، وَرَاحَ يَوْمَ الْجُمُعَةِ، وَأَعْتَقَ رَقَبَةً»
رقم طبعة با وزير = (2760)
تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح - «الصحيحة» (1023).
تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: إسناده قوي
বাংলা অনুবাদ
আবূ সা‘ঈদ খুদরী রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, “রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, “পাঁচটি আমল কোন ব্যক্তি কোন দিন পালন করলে, আল্লাহ তাকে জান্নাতবাসীদের অন্তর্ভুক্ত লিপিবদ্ধ করবেন। (১) যে ব্যক্তি কোন অসুস্থ ব্যক্তিকে দেখতে যায়, (২) কোন জানাযায় উপস্থিত হয়, (৩) একদিন সিয়াম রাখে, (৪) সকাল সকাল জুমু‘আয় গমন করে এবং (৫) কোন দাস মু্ক্ত করে।”[1]
[1] আবূ ইয়ালা: ১০৪৪। শায়খ শুআইব আল আরনাঊত রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন। শায়খ নাসিরুদ্দিন আলবানী রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন। (সহীহাহ: ১০২৩)
মূল আরবি
(1) أَخْبَرَنَا الْحُسَيْنُ بْنُ إِدْرِيسَ الْأَنْصَارِيُّ، أَخْبَرَنَا أَحْمَدُ بْنُ أَبِي بَكْرٍ، عَنْ مَالِكٍ، عَنْ يَزِيدَ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ الْهَادِ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ إِبْرَاهِيمَ بْنِ الْحَارِثِ التَّيْمِيِّ، عَنْ أَبِي سَلَمَةَ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ عَوْفٍ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، أَنَّهُ قَالَ: خَرَجْتُ إِلَى الطُّورِ، فَلَقِيتُ كَعْبَ الْأَحْبَارِ، فَجَلَسْتُ مَعَهُ، فَحَدَّثَنِي عَنِ التَّوْرَاةِ، وَحَدَّثْتُهُ عَنْ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، فَكَانَ فِيمَا حَدَّثَتْهُ، أَنْ قُلْتُ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «خَيْرُ يَوْمٍ طَلَعَتْ عَلَيْهِ الشَّمْسُ يَوْمُ الْجُمُعَةِ، فِيهِ خُلِقَ آدَمُ، وَفِيهِ أُهْبِطَ، وَفِيهِ مَاتَ، وَفِيهِ تِيبَ عَلَيْهِ، وَفِيهِ تَقُومُ السَّاعَةُ، وَمَا مِنْ دَابَّةٍ إِلَّا وَهِيَ مُصِيخَةٌ يَوْمَ الْجُمُعَةِ، مِنْ حِينِ تُصْبِحُ، حَتَّى تَطْلُعَ الشَّمْسُ، شَفَقًا مِنَ السَّاعَةِ إِلَّا الْجِنَّ، وَالْإِنْسَ، وَفِيهِ سَاعَةٌ لَا يُصَادِفُهَا عَبْدٌ مُسْلِمٌ، وَهُوَ يُصَلِّي يَسْأَلُ اللَّهَ شَيْئًا إِلَّا أَعْطَاهُ إِيَّاهُ» قَالَ كَعْبٌ: ذَلِكَ فِي كُلِّ سَنَةٍ يَوْمٌ فَقُلْتُ: بَلْ فِي كُلِّ جُمُعَةٍ، قَالَ: فَقَرَأَ كَعْبٌ التَّوْرَاةَ، فَقَالَ: صَدَقَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ
رقم طبعة با وزير = (2761)
2772 - (2) قَالَ أَبُو هُرَيْرَةَ: فَلَقِيتُ بَصْرَةَ بْنَ أَبِي بَصْرَةَ الْغِفَارِيَّ، فَقَالَ: مِنْ أَيْنَ أَقْبَلْتَ؟ فَقُلْتُ: مِنَ الطُّورِ، فَقَالَ: لَوْ أَدْرَكْتُكَ قَبْلَ أَنْ تَخْرُجَ إِلَيْهِ مَا خَرَجْتَ إِلَيْهِ، سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، يَقُولُ: «لَا تُعْمَلُ * الْمَطِيُّ إِلَّا إِلَى ثَلَاثَةِ مَسَاجِدَ: إِلَى الْمَسْجِدِ الْحَرَامِ وَإِلَى مَسْجِدِي هَذَا، [ص:8] وَإِلَى مَسْجِدِ إِيلِيَاءَ، أَوْ مَسْجِدِ بَيْتِ الْمَقْدِسِ» - شَكَّ أَيُّهُمَا -
رقم طبعة با وزير = (2761)
2772 - (3) قَالَ: قَالَ أَبُو هُرَيْرَةَ: ثُمَّ لَقِيتُ عَبْدَ اللَّهِ بْنَ سَلَامٍ، فَحَدَّثْتُهُ بِمَجْلِسِي مَعَ كَعْبِ الْأَحْبَارِ، وَمَا حَدَّثَتْهُ فِي يَوْمِ الْجُمُعَةِ، فَقُلْتُ لَهُ: قَالَ كَعْبٌ: وَذَلِكَ فِي كُلِّ سَنَةٍ يَوْمٌ، فَقَالَ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ سَلَامٍ: كَذَبَ كَعْبٌ، قُلْتُ: ثُمَّ قَرَأَ التَّوْرَاةَ، فَقَالَ: بَلْ هِيَ فِي كُلِّ جُمُعَةٍ، فَقَالَ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ سَلَامٍ: صَدَقَ كَعْبٌ، ثُمَّ قَالَ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ سَلَامٍ: قَدْ عَلِمْتُ أَيَّةَ سَاعَةٍ هِيَ؟ قَالَ: ثُمَّ قَالَ أَبُو هُرَيْرَةَ: فَقُلْتُ لَهُ: فَأَخْبِرْنِي بِهَا وَلَا تَضِنَّنَ عَلَيَّ، فَقَالَ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ سَلَامٍ: هِيَ آخِرُ سَاعَةٍ فِي يَوْمِ الْجُمُعَةِ، قَالَ أَبُو هُرَيْرَةَ: وَكَيْفَ تَكُونُ آخِرَ سَاعَةٍ مِنْ يَوْمِ الْجُمُعَةِ، وَقَدْ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «لَا يُصَادِفُهَا عَبْدٌ مُسْلِمٌ وَهُوَ يُصَلِّي»، وَتِلْكَ سَاعَةٌ لَا يُصَلَّى فِيهَا، فَقَالَ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ سَلَامٍ: أَلَمْ يَقُلْ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «مَنْ جَلَسَ يَنْتَظِرُ الصَّلَاةَ فَهُوَ فِي صَلَاةٍ، حَتَّى يُصَلِّيَهَا»، قَالَ أَبُو هُرَيْرَةَ: بَلَى، قَالَ: فَهُوَ ذَاكَ
رقم طبعة با وزير = (2761)
تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: (1) صحيح - «صحيح أبي داود» (962)، «أحكام الجنائز» (287).
(2) صحيح - «صحيح أبي داود» (962)، «أحكام الجنائز» (287). * [لاَ تُعْمَلُ] قال الشيخ: المشهور في أكثر الأحاديث: «لا تشد ... ».
(3) صحيح - «صحيح أبي داود» (962)، «أحكام الجنائز» (287).
تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: (1) إسناد صحيح على شرط الشيخين
(2) إسناد صحيح على شرط الشيخين
(3) إسناد صحيح على شرط الشيخين
বাংলা অনুবাদ
আবূ হুরাইরা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, “আমি তূর পাহাড়ের উদ্দেশ্যে রওয়ানা হই। অতঃপর কা‘ব আল আহবার রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুর সাথে সাক্ষাত করে তার সাথে বসি, তখন তিনি আমাকে তাওরাত সম্পর্কে আলোচনা করেন আর আমি তার কাছে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের হাদীস বর্ণনা করি। আমি তাকে যা বর্ণনা করেছিলাম, তন্মধ্যে অন্যতম হলো রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, “সূর্য যত দিনের উপর উদিত হয়, তন্মধ্যে শ্রেষ্ঠ দিন হলো জুমু‘আর দিন। এই দিনে আদম আলাইহিস সালামকে সৃষ্টি করা হয়েছে, এই দিনে তাঁকে জান্নাত থেকে পৃথিবীতে নামিয়ে দেওয়া হয়েছে, এই দিনে তিনি মারা গিয়েছেন, এই দিনে তাঁর দুয়া কবূল করা হয় এবং এই দিনে কিয়ামত সংঘটিত হবে। জুমু‘আর দিন সকাল থেকে পরদিন সূর্য উদিত হওয়া পর্যন্ত প্রতিটি প্রাণী কিয়ামত সংঘটিত হওয়ার শংকায় (শিঙ্গার ফুঁৎকার শুনার জন্য) মনোযোগী থাকে। এই দিনে একটি সময় আছে, সে সময়ে কোন মুসলিম ব্যক্তি সালাতরত অবস্থায় আল্লাহর কাছে কোন কিছু চাইলে, অবশ্যই আল্লাহ তাকে তা দিবেন।” কা‘ব রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু বলেন, “এমনটা বছরে একদিন হয়ে থাকে।” আবূ হুরাইরা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু বলেন, “আমি বললাম, বরং এটা প্রত্যেক জুমু‘আর দিন হয়ে থাকে।” তিনি বলেন, তারপর কা‘ব রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু তাওরাত পাঠ করে বলেন, “রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সত্যই বলেছেন।” আবূ হুরাইরা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু বলেন, “তারপর আমি বসরাহ বিন আবূ বাসরাহ আল গিফারী রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুর সাথে সাক্ষাত করি। তিনি আমাকে বলেন, “আপনি কোথায় থেকে আগমন করলেন?” আমি বললাম, “তূর পাহাড় থেকে।” তিনি বলেন, “তূর পাহাড়ের উদ্দেশ্যে যাত্রা করার আগে যদি আমি আপনার সাক্ষাত পেতাম, তবে আমি সেখানে যাত্রা করতেন না। আমি রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেছেন, “তিনটি মাসজিদ ব্যতিত অন্য কোন কিছুর উদ্দেশ্যে বাহন প্রস্তুত করা যাবে না। তিনটি মাসজিদ হলো মাসজিদুল হারাম, আমার এই মাসজিদ এবং ঈলীয়া বা বাইতুল মাকদিস –অধঃস্তন রাবী সন্দেহ পোষন করেছেন-।” আবূ হুরাইরা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু বলেন, “তারপর আমি আব্দুল্লাহ বিন সালাম রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুর সাথে সাক্ষাত করি অতঃপর আমি তাকে কা‘ব আল আহবার ও তাঁকে আমি জুমু‘আর দিন সম্পর্কে যা বর্ণনা করেছিলাম, সে সম্পর্কে জানাই। আমি তাকে বলি, কা‘ব রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু বলেছেন, “এমনটা বছরে একদিন হয়।” তখন আব্দুল্লাহ বিন সালাম রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু বলেন, “কা‘ব অসত্য কথা বলেছে।” আমি বললাম, “তারপর কা‘ব রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু তাওরাত পাঠ করে বলেছেন, “বরং এটি প্রত্যেক জুমু‘আর দিন হয়।” তখন আব্দুল্লাহ বিন সালাম রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু বলেন, “কা‘ব সত্য বলেছে।” তারপর তিনি বলেন, “আপনি কি জানেন, সেটা কোন সময়?” আবূ হুরাইরা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু বলেন, “আমি তাকে বললাম, আপনি আমাকে সে সম্পর্কে অবহিত করুন। দয়া করে এই ব্যাপারে কৃপণতা করবেন না।” জবাবে তিনি বলেন, “এটা হলো জুমু‘আর দিনের শেষ মুহুর্ত।” আমি বললাম, “কিভাবে এটা জুমু‘আর দিনের শেষ মুহুর্ত হবে, অথচ রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কি বলেননি, “যে ব্যক্তি সালাত আদায় করার জন্য অপেক্ষা করে, সে সালাত আদায় না করা পর্যন্ত সালাতের মধ্যের থাকে?” আবূ হুরাইরা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু বলেন, “হ্যাঁ।” তখন আব্দুল্লাহ বিন সালাম রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু বলেন, “এটি তেমনই।”[1]
[1] মুয়াত্তা ইমাম মালিক: ১/১০৮-১১০; আবূ দাঊদ: ১০৪৬; তিরমিযী: ৪৯১; মুসনাদ আহমাদ: ২/৪৮৬; বাগাবী: ১০৫০; হাকিম: ১/২৭৮; মুসান্নাফ আব্দুর রাযযাক: ৫৫৮৩; দারেমী: ১/৩৬৮; সহীহ মুসলিম: ৮৫৪; নাসাঈ: ৩/৮৯; ইবনু মাজাহ: ১১৩৯। শায়খ শুআইব আল আরনাঊত রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে বুখারী ও মুসলিমের শর্তে সহীহ বলেছেন। শায়খ নাসিরুদ্দিন আলবানী রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন। (সহীহ আবূ দাঊদ: ৯৬২)
মূল আরবি
أَخْبَرَنَا أَحْمَدُ بْنُ عَلِيِّ بْنِ الْمُثَنَّى، حَدَّثَنَا أَبُو خَيْثَمَةَ، حَدَّثَنَا إِسْمَاعِيلُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ، حَدَّثَنَا أَيُّوبُ، عَنْ مُحَمَّدٍ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ: قَالَ أَبُو الْقَاسِمِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «فِي الْجُمُعَةِ سَاعَةٌ لَا يُوَافِقُهَا مُسْلِمٌ قَائِمٌ يُصَلِّي يَسْأَلُ اللَّهَ فِيهَا خَيْرًا، إِلَّا أَعْطَاهُ إِيَّاهُ»
رقم طبعة با وزير = (2762)
تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح - المصدر نفسه: ق.
تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: إسناده صحيح على شرطهما
বাংলা অনুবাদ
আবূ হুরাইরা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আবুল কাসিম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, “জুমু‘আর দিনে এমন একটা সময় আছে, কোন মুসলিম ব্যক্তি সে সময়ে দাঁড়িয়ে সালাতরত অবস্থায় তাতে কল্যাণময় কিছু চাইলে, তবে নিশ্চয়ই আল্লাহ তাকে তা দিবেন।”[1]
[1] মুয়াত্তা ইমাম মালিক: ১/১০৮-১১০; আবূ দাঊদ: ১০৪৬; তিরমিযী: ৪৯১; মুসনাদ আহমাদ: ২/৪৮৬; বাগাবী: ১০৫০; হাকিম: ১/২৭৮; মুসান্নাফ আব্দুর রাযযাক: ৫৫৮৩; দারেমী: ১/৩৬৮; সহীহ মুসলিম: ৮৫৪; নাসাঈ: ৩/৮৯; ইবনু মাজাহ: ১১৩৯। শায়খ শুআইব আল আরনাঊত রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে বুখারী ও মুসলিমের শর্তে সহীহ বলেছেন। শায়খ নাসিরুদ্দিন আলবানী রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন। (সহীহ আবূ দাঊদ: ৯৬২)
মূল আরবি
أَخْبَرَنَا أَبُو سَعِيدٍ عَبْدُ الْكَبِيرِ بْنُ عُمَرَ الْخَطَّابِيُّ، بِالْبَصْرَةِ، حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ الْمِقْدَامِ، حَدَّثَنَا يَزِيدُ بْنُ زُرَيْعٍ، حَدَّثَنَا رَوْحُ بْنُ الْقَاسِمِ، حَدَّثَنَا الْعَلَاءُ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، عَنْ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، أَنَّهُ قَالَ: «عَلَى كُلِّ بَابٍ مِنْ أَبْوَابِ الْمَسْجِدِ مَلَكَانِ، يَكْتُبَانِ الْأَوْلَ فَالْأَوْلَ، فَكَرَجُلٍ قَدَّمَ بَدَنَةً، وَكَرَجُلٍ قَدَّمَ بَقَرَةً، وَكَرَجُلٍ قَدَّمَ شَاةً، وَكَرَجُلٍ قَدَّمَ طَيْرًا، وَكَرَجُلٍ قَدَّمَ [ص:12] بَيْضَةً، فَإِذَا قَعَدَ الْإِمَامُ طُوِيَتِ الصُّحُفُ»
رقم طبعة با وزير = (2763)
تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح - «التعليق الرغيب» (1/ 253).
تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: إسناده صحيح رجاله رجال الصحيح
বাংলা অনুবাদ
আবূ হুরাইরা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আবুল কাসিম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, “মাসজিদের প্রতিটি দরজায় দুইজন করে ফেরেস্তা থাকেন। তারা প্রথমজন অতঃপর পরেরজন এভাবে নাম লিপিবদ্ধ করেন। (যিনি প্রথমে আসে, সে ব্যক্তি) ঐ ব্যক্তির ন্যায় যে একটি উট সাদাকাহ করে, তারপরের ব্যক্তি ঐ ব্যক্তির ন্যায়, যে একটি মেষ সাদাকাহ করে, তারপরের ব্যক্তি ঐ ব্যক্তির ন্যায়, যে একটি পাখি সাদাকাহ করে, তারপরের ব্যক্তি ঐ ব্যক্তির ন্যায়, যে একটি ডিম সাদাকাহ করে। অতঃপর যখন ইমাম (খুতবার জন্য মিম্বারে) বসেন, তখন খাতাসমূহ ভাঁজ করে রেখে দেওয়া হয়।”[1]
[1] সহীহুল বুখারী: ৯২৯; সহীহ মুসলিম: ৮৫০; নাসাঈ: ২/১১৬; দারেমী: ১/৩৬৩; মুসনাদ আহমাদ: ২/২৫৯; ইবনু মাজাহ: ১০৯২। শায়খ শুআইব আল আরনাঊত রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন। শায়খ নাসিরুদ্দিন আলবানী রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন। (আত তা‘লীকুর রাগীব: ১/২৫৩)
মূল আরবি
أَخْبَرَنَا عُمَرُ بْنُ سَعِيدِ بْنِ سِنَانٍ، بِمَنْبِجَ، أَخْبَرَنَا أَحْمَدُ بْنُ أَبِي بَكْرٍ، عَنْ مَالِكٍ، عَنْ سُمَيٍّ، عَنْ أَبِي صَالِحٍ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، قَالَ: «مَنِ اغْتَسَلَ يَوْمَ الْجُمُعَةِ غُسْلَ الْجَنَابَةِ، ثُمَّ رَاحَ فَكَأَنَّمَا قَرَّبَ بَدَنَةً، وَمَنْ رَاحَ فِي السَّاعَةِ الثَّانِيَةِ، فَكَأَنَّمَا قَرَّبَ بَقَرَةً، وَمَنْ رَاحَ فِي السَّاعَةِ الثَّالِثَةِ فَكَأَنَّمَا قَرَّبَ كَبْشًا، وَمَنْ رَاحَ فِي السَّاعَةِ الرَّابِعَةِ، فَكَأَنَّمَا قَرَّبَ دَجَاجَةً، وَمَنْ رَاحَ فِي السَّاعَةِ الْخَامِسَةِ، فَكَأَنَّمَا قَرَّبَ بَيْضَةً، فَإِذَا خَرَجَ الْإِمَامُ حَضَرَتِ الْمَلَائِكَةُ يَسْتَمِعُونَ الذِّكْرَ».
رقم طبعة با وزير = (2764) قَالَ أَبُو حَاتِمٍ: «فِي هَذَا الْخَبَرِ بَيَانٌ وَاضِحٌ بِأَنَّ اسْمَ الرَّوَاحِ يَقَعُ عَلَى جَمِيعِ سَاعَاتِ النَّهَارِ ضِدَّ قَوْلِ مَنْ زَعَمَ أَنَّ الرَّوَاحَ لَا يَكُونُ إِلَّا بَعْدَ الزَّوَالِ»
تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح - «صحيح أبي داود» (378): ق.
تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: Null
বাংলা অনুবাদ
আবূ হুরাইরা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আবুল কাসিম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, “যে ব্যক্তি জুমু‘আর দিন নাপাকীর গোসলের ন্যায় গোসল দিবে তারপর সকাল সকাল জুমু‘আয় গমন করে, তবে সে ব্যক্তি যেন একটি উট সাদাকাহ করলো, যে ব্যক্তি দ্বিতীয় সময়ে গমন করে, সে যেন একটি গাভী সাদাকাহ করলো, যে ব্যক্তি তৃতীয় সময়ে গমন করে, সে যেন একটি দুম্বা সাদাকাহ করলো, যে ব্যক্তি চতুর্থ সময়ে গমন করে, সে যেন একটি মুরগী সাদাকাহ করলো, যে ব্যক্তি পঞ্চম সময়ে গমন করে, সে যেন একটি ডিম সাদাকাহ করলো। অতঃপর ইমাম যখন খুতবার জন্য বের হন, তখন ফেরেস্তাগণ খুতবা শোনার জন্য উপস্থিত হন।”[1] আবূ হাতিম ইবনু হিব্বান রহিমাহুল্লাহ বলেন, “এই হাদীসে স্পষ্ট বর্ণনা রয়েছে যে, আরবি الرواح শব্দটি দিবসের পুরো ভাগের উপর ব্যবহার হয়। এটা তার কথার বিপরীত যে ব্যক্তি বলে যে, এই শব্দটি কেবল সূর্য পশ্চিমাকাশে ঢলে যাওয়ার পরেই ব্যবহৃত হয়।”
[1] মুয়াত্তা ইমাম মালিক: ১/১০১; সহীহুল বুখারী: ৮৮১; সহীহ মুসলিম: ৮৫০; তিরমিযী: ৪৯৯; আবূ দাঊদ: ৫৩১; নাসাঈ: ৩/৯৮; মুসনাদ আহমাদ: ২/৪৬০; বাগাবী: ১০৬৩। শায়খ শুআইব আল আরনাঊত রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে বুখারী ও মুসলিমের শর্তে সহীহ বলেছেন। শায়খ নাসিরুদ্দিন আলবানী রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন। (সহীহ আবূ দাঊদ: ৩৭৮)
মূল আরবি
أَخْبَرَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدٍ الْأَزْدِيُّ، حَدَّثَنَا إِسْحَاقُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ، حَدَّثَنَا عُثْمَانُ بْنُ عُمَرَ، حَدَّثَنَا ابْنُ أَبِي ذِئْبٍ، عَنْ سَعِيدِ بْنِ أَبِي سَعِيدٍ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ وَدِيعَةَ أَبُو وَدِيعَةَ، عَنْ سَلْمَانَ، عَنِ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، قَالَ: «مَنِ اغْتَسَلَ يَوْمَ الْجُمُعَةِ، فَتَطَهَّرَ مَا اسْتَطَاعَ مِنْ طُهْرٍ، ثُمَّ ادَّهَنَ مِنْ دُهْنِهِ، أَوْ طِيبِ بَيْتِهِ، ثُمَّ رَاحَ إِلَى الْجُمُعَةِ، وَلَمْ يُفَرِّقْ بَيْنَ اثْنَيْنِ، ثُمَّ صَلَّى مَا بَدَا لَهُ، فَإِذَا خَرَجَ الْإِمَامُ أَنْصَتَ غُفِرَ لَهُ مَا بَيْنَهُ، وَبَيْنَ الْجُمُعَةِ الْأُخْرَى»
رقم طبعة با وزير = (2765)
تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح: خ.
تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: إسناده صحيح على شرط البخاري
বাংলা অনুবাদ
সালমান ফারেসী রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আবুল কাসিম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, “যে ব্যক্তি জুমু‘আর দিন গোসল করে, অতঃপর সাধ্যমত পবিত্রতা অর্জন করে তারপর তার বাড়ির তেল বা সুগন্ধি ব্যবহার করে সকাল সকাল জুমু‘আয় গমন করে এবং দুইজনকে ভেদ করে (সামনে গমন করে) না তারপর সে সালাত আদায় করে, যতটা পড়তে মনে চায়। অতঃপর ইমাম যখন খুতবার উদ্দেশ্যে বের হয়, তখন সে চুপ থাকে- তবে তাকে তার মাঝে ও পরবর্তী জুমু‘আহর মাঝে (সংঘটিত গোনাহসমূহ) ক্ষমা করে দেওয়া হয়।”[1]
[1] মুসনাদ আহমাদ: ৫/৪৩৮; সহীহুল বুখারী: ৮৮৩; দারেমী: ১/৩৬২; ইবনু মাজাহ: ১০৯৭; সহীহ ইবনু খুযাইমাহ: ১৭৬৩। শায়খ শুআইব আল আরনাঊত রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে বুখারীর শর্তে সহীহ বলেছেন। শায়খ নাসিরুদ্দিন আলবানী রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন। (আত তা‘লীকাতুল হিসান: ২৭৬৫)
মূল আরবি
أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ إِسْحَاقَ بْنِ خُزَيْمَةَ، قَالَ: حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ يَحْيَى، قَالَ: حَدَّثَنَا عَمْرُو بْنُ أَبِي سَلَمَةَ، قَالَ: حَدَّثَنَا زُهَيْرُ بْنُ مُحَمَّدٍ، عَنْ هِشَامِ بْنِ عُرْوَةَ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ عَائِشَةَ، وَيَحْيَى بْنِ سَعِيدٍ، عَنْ رَجُلٍ مِنْهُمْ، أَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ خَطَبَ يَوْمَ الْجُمُعَةِ، فَرَأَى عَلَيْهِمْ ثِيَابَ النِّمَارِ، فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «مَا عَلَى أَحَدِكُمْ إِنْ وَجَدَ سَعَةً [ص:16] أَنْ يَتَّخِذَ ثَوْبَيْنِ لِجُمُعَتِهِ سِوَى ثَوْبَيْ مِهْنَتِهِ»
رقم طبعة با وزير = (2766)
تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح - «صحيح أبي داود» (989 - 990).
تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: حديث صحيح بشاهده
বাংলা অনুবাদ
আয়িশা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহা থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম জুমু‘আয় খুতবা দিচ্ছিলেন, অতঃপর তিনি সাহাবীদের পরিধানে কাজের পোশাক দেখলেন, তখন তিনি বলেন, “তোমাদের কারো উপর কোন কিছু (দোষ) হবে না যদি তার স্বচ্ছলতা থাকে, আর কাজের পোশাক ব্যতীত জুমু‘আর জন্য দুটো কাপড় বানিয়ে নেয়।”[1]
[1] সহীহ ইবনু খুযাইমাহ: ১৭৬৫; ইবনু মাজাহ: ১০৯৬; আবূ দাঊদ: ১০৭৮। শায়খ শুআইব আল আরনাঊত রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে সমার্থক বর্ণনার কারণে সহীহ বলেছেন। শায়খ নাসিরুদ্দিন আলবানী রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন। (সহীহ আবূ দাঊদ: ৯৮০-৯৯০)
মূল আরবি
أَخْبَرَنَا ابْنُ خُزَيْمَةَ، حَدَّثَنَا الدَّوْرَقِيُّ، حَدَّثَنَا إِسْمَاعِيلُ بْنُ [ص:17] إِبْرَاهِيمَ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ إِسْحَاقَ، حَدَّثَنِي مُحَمَّدُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ، عَنْ أَبِي سَلَمَةَ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ، وَأَبِي أُمَامَةَ بْنِ سَهْلِ بْنِ حُنَيْفٍ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، وَأَبِي سَعِيدٍ الْخُدْرِيِّ، قَالَا: سَمِعْنَا رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، يَقُولُ: «مَنِ اغْتَسَلَ يَوْمَ الْجُمُعَةِ وَاسْتَنَّ، وَمَسَّ مِنْ طِيبٍ إِنْ كَانَ عِنْدَهُ، وَلَبِسَ مِنْ أَحْسَنِ ثِيَابِهِ، ثُمَّ جَاءَ إِلَى الْمَسْجِدِ، وَلَمْ يَتَخَطَّ رِقَابَ النَّاسِ، ثُمَّ رَكَعَ مَا شَاءَ اللَّهُ أَنْ يَرْكَعَ، ثُمَّ أَنْصَتَ إِذَا خَرَجَ إِمَامُهُ حَتَّى يُصَلِّيَ، كَانَتْ كَفَّارَةً مَا بَيْنَهَا وَبَيْنَ الْجُمُعَةِ الَّتِي كَانَتْ قَبْلَهَا»
رقم طبعة با وزير = (2767)
تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: حسن - «صحيح أبي داود» (371).
تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: إسناده قوي
বাংলা অনুবাদ
আবূ হুরাইরা ও আবূ সা‘ঈদ খুদরী রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, “যে ব্যক্তি জুমু‘আর দিন গোসল করে, মিসওয়াক করে, যদি তার কাছে সুগন্ধি থাকে, তবে সুগন্ধি গ্রহণ করে, উত্তম পোশাক পরিধান করে, তারপর মাসজিদে গমন করে, মানুষের গর্দান ধরে না (সামনে যাওয়ার জন্য), তারপর আল্লাহ যতটুকু চান সালাত আদায় করে, অতঃপর ইমাম যখন (খুতবার উদ্দেশ্যে) আসে, তখন থেকে সালাত আদায় করা পর্যন্ত চুপ থাকে, তবে এটি এই জুমু‘আর ও আগের জুমু‘আর মধ্যবর্তী (গোনাহের) জন্য কাফফারা হবে।”[1]
[1] সহীহ ইবনু খুযাইমাহ: ১৭৬২; হাকিম: ১/২৮৩; মুসনাদ আহমাদ: ৩/৮১; আবূ দাঊদ: ৩৪৩; বাগাবী: ১০৬০। শায়খ শুআইব আল আরনাঊত রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন। শায়খ নাসিরুদ্দিন আলবানী রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে হাসান বলেছেন। (সহীহ আবূ দাঊদ: ৩৭১)
মূল আরবি
أَخْبَرَنَا أَبُو خَلِيفَةَ، حَدَّثَنَا مُسَدَّدُ بْنُ مُسَرْهَدٍ، حَدَّثَنَا أَبُو مُعَاوِيَةَ، عَنِ الْأَعْمَشِ، عَنْ أَبِي صَالِحٍ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «مَنْ تَوَضَّأَ فَأَحْسَنَ الْوُضُوءَ، ثُمَّ أَتَى الْجُمُعَةَ، فَسَمِعَ وَأَنْصَتَ غُفِرَ لَهُ مَا بَيْنَ الْجُمُعَةِ إِلَى الْجُمُعَةِ، وَزِيَادَةُ ثَلَاثَةِ أَيَّامٍ، وَمَنْ مَسَّ الْحَصَى، فَقَدْ لَغَا».
رقم طبعة با وزير = (2768) قَالَ أَبُو حَاتِمٍ: «قَدْ يَتَوَهَّمُ مَنْ لَمْ يَسْبُرْ صِنَاعَةَ الْحَدِيثِ أَنَّ الْجُمُعَةَ إِلَى الْجُمُعَةِ ثَمَانِيَةُ أَيَّامٍ وَلَيْسَ كَذَلِكَ، لِأَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، لَمْ يَقُلْ غُفِرَ لَهُ مِنَ الْجُمُعَةِ إِلَى الْجُمُعَةِ، فَوَقْتُ الْجُمُعَةِ زَوَالُ الشَّمْسِ، فَمِنْ زَوَالِ الشَّمْسِ يَوْمَ الْجُمُعَةِ إِلَى زَوَالِ الشَّمْسِ يَوْمَ الْجُمُعَةِ الْأُخْرَى سَبْعَةُ أَيَّامٍ، وَقَوْلُهُ زِيَادَةُ ثَلَاثَةِ أَيَّامٍ تَمَامُ الْعَشْرِ، قَالَ اللَّهُ جَلَّ وَعَلَا مَنْ جَاءَ بِالْحَسَنَةِ فَلَهُ عَشْرُ أَمْثَالِهَا
[الأنعام: 160]، وَهَذَا مِمَّا نَقُولُ فِي كُتُبِنَا: إِنَّ الْمَرْءَ قَدْ يَعْمَلُ [ص:19] طَاعَةَ اللَّهِ جَلَّ وَعَلَا، فَيَغْفِرُ اللَّهُ لَهُ بِهَا ذَنُوبًا لَمْ يَكْتَسِبْهَا بَعْدُ»
تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح - «صحيح أبي داود» (371 و 9064): م.
تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: إسناده صحيح على شرط البخاري
বাংলা অনুবাদ
আবূ হুরাইরা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, “যে ব্যক্তি উত্তমরুপে ওযূ করে জুমু‘আর আসে, অতঃপর খুতবা শ্রবণ করে এবং চুপ থাকে, তবে সেই জুমু‘আহ থেকে পরবর্তী জুমু‘আহ এবং অতিরিক্ত আরো তিন দিন পর্যন্ত ক্ষমা করে দেওয়া হয়। আর যে ব্যক্তি কঙ্কর স্পর্শ করে, সে নিশ্চয়ই অনর্থক কাজে করে।”[1] আবূ হাতিম ইবনু হিব্বান রহিমাহুল্লাহ বলেন, “যে ব্যক্তি হাদীসের জ্ঞানে পরিপক্কতা অর্জন করেনি, সে ব্যক্তি কোন কোন সময় এই সংশয়ে নিপতিত হয় যে, এক জুমু‘আহ থেকে আরেক জুমু‘আহ পর্যন্ত আট দিন। কিন্তু বিষয়টি এমন নয়। কেননা রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ‘এক জুমু‘আহ থেকে আরেক জুমু‘আহ পর্যন্ত’ বলেননি। জুমু‘আর সময় হলো সূর্য পশ্চিম আকাশে ঢলে যাওয়া। সুতরাং জুমু‘আর দিন সূর্য অস্ত যাওয়ার পর থেকে পরের জুমু‘আহর সূর্য পশ্চিম আকাশে ঢলে যাওয়া পর্যন্ত সময় সাত দিন। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের বক্তব্য “অতিরিক্ত আরো তিন দিন”, উভয়টি মিলে মোট পূর্ণ ১০ দিন। মহান আল্লাহ বলেছেন, “যে ব্যক্তি ভাল কাজ করবে, তার জন্য রয়েছে ১০ গুণ (সাওয়াব)।” –সূরা আ‘রাফ: ১৬০। এই বিষয়টি আমরা আমাদের কিতাবে বর্ণনা করেছি যে, কোন কোন সময় মানুষ ভালো কাজ করে, মহান আল্লাহ তার বদৌলতে এমন কিছু পাপ ক্ষমা করে দেন, যা সে পরে সম্পাদন করবে না।”
[1] সহীহ মুসলিম: ৮৫৭; মুসনাদ আহমাদ: ২/৪২৪; তিরমিযী: ৪৯৮; ইবনু মাজাহ: ১০৯০; বাগাবী: ৩৩৬। শায়খ শুআইব আল আরনাঊত রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে বুখারীর শর্তে সহীহ বলেছেন। শায়খ নাসিরুদ্দিন আলবানী রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন। (সহীহ আবূ দাঊদ: ৩৭১)
মূল আরবি
أَخْبَرَنَا أَبُو يَعْلَى، حَدَّثَنَا دَاوُدُ بْنُ رُشَيْدٍ، حَدَّثَنَا إِسْمَاعِيلُ بْنُ جَعْفَرٍ، عَنْ سُهَيْلِ بْنِ أَبِي صَالِحٍ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «مَنِ اغْتَسَلَ يَوْمَ الْجُمُعَةِ، فَأَحْسَنَ غُسْلَهُ وَلَبِسَ مِنْ صَالِحِ ثِيَابِهِ، وَمَسَّ مِنْ طِيبِ بَيْتِهِ، أَوْ دُهْنِهِ غُفِرَ لَهُ مَا بَيْنَهُ وَبَيْنَ الْجُمُعَةِ الْأُخْرَى، وَزِيَادَةُ ثَلَاثَةِ أَيَّامٍ مِنَ الَّتِي بَعْدَهَا»
رقم طبعة با وزير = (2769)
تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح: م - انظر ما قبله.
تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: Null
বাংলা অনুবাদ
আবূ হুরাইরা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, “যে ব্যক্তি জুমু‘আর দিন উত্তমরুপে গোসল করে উত্তম পোশাক পরিধান করে, এবং বাড়ির সুগন্ধি বা তেল স্পর্শ করে, তবে তাকে তার মাঝে ও পরবর্তী জুমু‘আহ মাঝের এবং অতিরিক্ত আরো তিন দিনের গোনাহ ক্ষমা করে দেওয়া হয়।”[1]
[1] সহীহ মুসলিম: ৮৫৭; মুসনাদ আহমাদ: ২/৪২৪; তিরমিযী: ৪৯৮; ইবনু মাজাহ: ১০৯০; বাগাবী: ১০৫৯। শায়খ শুআইব আল আরনাঊত রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে মুসলিমের শর্তে সহীহ বলেছেন। শায়খ নাসিরুদ্দিন আলবানী রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন। (সহীহ আবূ দাঊদ: ৩৭১)
