সহীহ ইবনু হিব্বান

পরিচ্ছেদ ১৬১: হাদিস ৩,২০১-৩,২২০

এই অধ্যায়ের হাদিসগুলো একই পাতায় পড়ুন। নির্দিষ্ট হাদিসে যেতে তার নম্বর বা anchor ব্যবহার করুন।

এই পাতার হাদিসসমূহনির্দিষ্ট হাদিসে যেতে তালিকাটি খুলুন। শোহাইড
হাদিস ৩,২০১

মূল আরবি

أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ أَبِي عَوْنٍ، قَالَ: حَدَّثَنَا يُوسُفُ بْنُ [ص:477] عِيسَى، قَالَ: حَدَّثَنَا الْفَضْلُ بْنُ مُوسَى، عَنْ حَنْظَلَةَ بْنِ أَبِي سُفْيَانَ، عَنْ سَالِمٍ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ، قَالَ: «صَلَّى رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فِي الْبَيْتِ بَيْنَ السَّارِيَتَيْنِ»
رقم طبعة با وزير = (3191)

تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح - «صحيح أبي داود» (1764 - 1766)، «الثمر المستطاب»: ق.

تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: إسناد صحيح على شرط الشيخين

বাংলা অনুবাদ

আব্দুল্লাহ বিন উমার রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, “রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কা‘বার ঘরের ভেতরে দুই খুঁটির মাঝে সালাত আদায় করেছেন।”[1]
[1] সহীহ মুসলিম: ১৩২৯; নাসাঈ: ২/৩৩-৩৪; নাসাঈ আল কুবরার বরাতে তুহফাতুল আহওয়াযী: ৫/৩৮৭; দারেমী; ২/৫৩; তাহাবী: ১/৩৮৯-৩৯০; সুনান বাইহাকী: ২/৩২৭-৩২৮। শায়খ শুআইব আল আরনাঊত রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে বুখারী ও মুসলিমের শর্তে সহীহ বলেছেন। শায়খ নাসির উদ্দিন আলবানী রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন। (সহীহ আবূ দাঊদ: ১৭৬৪)

হাদিস ৩,২০২

মূল আরবি

أَخْبَرَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ سَلْمٍ، قَالَ: حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ إِبْرَاهِيمَ، قَالَ: حَدَّثَنَا عُمَرُ بْنُ عَبْدِ الْوَاحِدِ، عَنِ الْأَوْزَاعِيِّ، قَالَ: حَدَّثَنِي حَسَّانُ بْنُ عَطِيَّةَ، قَالَ: حَدَّثَنَا نَافِعٌ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ، قَالَ: دَخَلَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَوْمَ الْفَتْحِ الْكَعْبَةَ وَمَعَهُ بِلَالٌ، وَعُثْمَانُ بْنُ طَلْحَةَ، فَأَغْلَقُوا عَلَيْهِمُ الْبَابَ مِنْ [ص:478] دَاخِلٍ، فَلَمَّا خَرَجُوا سَأَلْتُ بِلَالًا، قُلْتُ: أَيْنَ صَلَّى رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ؟ قَالَ: رَأَيْتُهُ «صَلَّى عَلَى وَجْهِهِ حِينَ دَخَلَ بَيْنَ الْعَمُودَيْنِ عَنْ يَمِينِهِ»، ثُمَّ لُمْتُ نَفْسِي أَنْ لَا أَكُونَ سَأَلْتُهُ كَمْ صَلَّى رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ
رقم طبعة با وزير = (3192)

تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح - انظر ما قبله.

تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: إسناده صحيح رجاله رجال الصحيح غير عمر بن عبد الواحد

বাংলা অনুবাদ

আব্দুল্লাহ বিন উমার রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, “রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মক্কা বিজয়ের দিন কা‘বা ঘরে প্রবেশ করেন, এসময় তাঁর সাথে ছিলেন বিলাল ও উসমান বিন তালহা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা। অতঃপর তারা ভিতর থেকে দরজা বন্ধ করে দেন। তারপর যখন তারা বের হন, তখন আমি বিলাল রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুকে জিজ্ঞেস করি, “রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কোথায় সালাত আদায় করেছেন?” জবাবে তিনি বলেন, “রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কা‘বা ঘরে প্রবেশ করে সামনে দিকে গিয়ে ডান পাশের দুই খুঁটির মাঝে সালাত আদায় করেছেন।” আব্দুল্লাহ বিন উমার রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা বলেন, “তারপর আমি নিজেকে তিরস্কার করি এজন্য যে, কেন আমি তাকে জিজ্ঞেস করিনি যে, তিনি কয় রাকা‘আত সালাত আদায় করেছেন।”[1]
[1] ইবনু মাজাহ: ৩০৬৩; তাহাবী: ১/৩৯০। শায়খ শুআইব আল আরনাঊত রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন। শায়খ নাসির উদ্দিন আলবানী রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন। (সহীহ আবূ দাঊদ: ১৭৬৪)

হাদিস ৩,২০৩

মূল আরবি

أَخْبَرَنَا الْحَسَنُ بْنُ سُفْيَانَ، قَالَ: حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ نُمَيْرٍ، قَالَ: حَدَّثَنَا عَبْدَةُ بْنُ سُلَيْمَانَ، عَنْ عُبَيْدِ اللَّهِ بْنِ عُمَرَ، عَنْ نَافِعٍ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ، قَالَ: دَخَلَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ الْبَيْتَ وَمَعَهُ أُسَامَةُ بْنُ زَيْدٍ، وَبِلَالٌ، وَعُثْمَانُ بْنُ طَلْحَةَ، فَأَجَافُوا الْبَابَ عَلَيْهِمْ طَوِيلًا، ثُمَّ فُتِحَ، فَكُنْتُ أَوْلَ مَنْ دَخَلَ فَلَقِيتُ بِلَالًا، فَقُلْتُ: أَيْنَ صَلَّى رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ؟ فَقَالَ: «بَيْنَ الْعَمُودَيْنِ الْمُقَدَّمَيْنِ»، فَنَسِيتُ أَنْ أَسْأَلَهُ كَمْ صَلَّى
رقم طبعة با وزير = (3193)

تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح - انظر ما قبله.

تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: إسناد صحيح على شرط الشيخين

বাংলা অনুবাদ

আব্দুল্লাহ বিন উমার রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, “রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কা‘বা ঘরে প্রবেশ করেন। এসময় তাঁর সাথে ছিলেন উসামা বিন যাইদ, বিলাল ও তালহা বিন উবাইদুল্লাহ। তারপর তারা দীর্ঘ সময় দরজা বন্ধ করে রাখেন। তারপর দরজা খুলে দেওয়া হয়। তারপর সর্বপ্রথম আমি কা‘বা ঘরে প্রবেশ করি এবং বিলাল রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুর সাক্ষাত পাই। আমি তাকে বললাম, “রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কা‘বা ঘরে কোথায় সালাত আদায় করেছেন?” জবাবে তিনি বলেন, “সামনের দুই খুঁটির মাঝে।” আমি তাকে এই প্রশ্ন করতে ভুলে যাই যে, তিনি কত রাকা‘আত সালাত আদায় করেছেন।”[1]
[1] সহীহ মুসলিম: ১৩২৯; মুসনাদ আহমাদ: ২/৩৩; আবূ দাঊদ: ৫০২৫। শায়খ শুআইব আল আরনাঊত রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে বুখারী ও মুসলিমের শর্তে সহীহ বলেছেন। শায়খ নাসির উদ্দিন আলবানী রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন। (সহীহ আবূ দাঊদ: ১৭৬৪)

হাদিস ৩,২০৪

মূল আরবি

أَخْبَرَنَا عُمَرُ بْنُ سَعِيدِ بْنِ سِنَانٍ، قَالَ: أَخْبَرَنَا أَحْمَدُ بْنُ أَبِي بَكْرٍ، عَنْ مَالِكٍ، عَنْ نَافِعٍ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ دَخَلَ الْكَعْبَةَ هُوَ وَأُسَامَةُ بْنُ زَيْدٍ، وَعُثْمَانُ بْنُ طَلْحَةَ، وَبِلَالُ بْنُ رَبَاحٍ مَعَهُ، فَأَغْلَقَهَا عَلَيْهِ وَمَكَثَ فِيهَا، قَالَ ابْنُ عُمَرَ: فَسَأَلْتُ بِلَالًا، حِينَ خَرَجَ، أَيْنَ صَلَّى رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ؟، قَالَ: «جَعَلَ عَمُودًا عَنْ يَسَارِهِ، وَعَمُودَيْنِ عَنْ يَمِينِهِ، وَثَلَاثَةَ أَعْمِدَةٍ وَرَاءَهُ»، وَكَانَ الْبَيْتُ يَوْمَئِذٍ عَلَى سِتَّةِ أَعْمِدَةٍ
رقم طبعة با وزير = (3194)

تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح - «صحيح أبي داود» (1764).

تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: إسناده صحيح على شرطهما

বাংলা অনুবাদ

আব্দুল্লাহ বিন উমার রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, “রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কা‘বা ঘরে প্রবেশ করেন। এসময় তাঁর সাথে ছিলেন উসামা বিন যাইদ, বিলাল ও তালহা বিন উবাইদুল্লাহ। তারপর তারা দরজা বন্ধ করে দীর্ঘ সময় অবস্থান করেন। আব্দুল্লাহ বিন উমার রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা বলেন, “তারপর বের হলে আমি বিলাল রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুকে জিজ্ঞেস করে বললাম, “রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কা‘বা ঘরের কোথায় সালাত আদায় করেছেন?” জবাবে তিনি বলেন, “তিনি একটি খুঁটিকে বামে এবং দুই খুঁটি ডানে এবং পেছনে তিনটি খুঁটি রাখেন। সেসময় কা‘বা ছয়টি খুঁটির ‍উপর স্থাপিত ছিল।”[1]
[1] মুয়াত্তা ইমাম মালিক: ১/৩৯৮; সহীহুল বুখারী: ৫০৫; আবূ দাঊদ: ২০২৩; নাসাঈ: ২/৬৩; তাহাবী: ১/৩৮৯; সুনান বাইহাকী: ২/৩২৬; বাগাবী: ৪৪৭। শায়খ শুআইব আল আরনাঊত রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে বুখারী ও মুসলিমের শর্তে সহীহ বলেছেন। শায়খ নাসির উদ্দিন আলবানী রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন। (সহীহ আবূ দাঊদ: ১৭৬৪)

হাদিস ৩,২০৫

মূল আরবি

أَخْبَرَنَا أَبُو خَلِيفَةَ، قَالَ: حَدَّثَنَا مُسَدَّدٌ، قَالَ: حَدَّثَنَا أَبُو مُعَاوِيَةَ، عَنِ الْأَعْمَشِ، عَنْ عُمَارَةَ بْنِ عُمَيْرٍ، عَنْ أَبِي الشَّعْثَاءِ، قَالَ: رَأَيْتُ ابْنَ عُمَرَ، دَاخِلَ الْبَيْتِ حَتَّى إِذَا كَانَ بَيْنَ السَّارِيَتَيْنِ صَلَّى أَرْبَعًا، فَقُمْتُ إِلَى جَنْبِهِ فَلَمَّا صَلَّى قُلْتُ: أَيْنَ صَلَّى رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ؟ قَالَ: «هَاهُنَا»، أَخْبَرَنِي أُسَامَةُ بْنُ زَيْدٍ، أَنَّهُ رَأَى رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ صَلَّى.
رقم طبعة با وزير = (3195) [ص:481] قَالَ أَبُو حَاتِمٍ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ: «سَمِعَ هَذَا الْخَبَرَ ابْنُ عُمَرَ عَنْ بِلَالٍ، وَأُسَامَةِ بْنِ زَيْدٍ، لِأَنَّهُمَا كَانَا مَعَ الْمُصْطَفَى صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فِي الْكَعْبَةِ فَمَرَّةً أَدَّى الْخَبَرَ عَنْ بِلَالٍ، وَمَرَّةً أُخْرَى عَنْ أُسَامَةَ بْنِ زَيْدٍ فَالطَّرِيقَانِ جَمِيعًا مَحْفُوظَانِ»

تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح - انظر ما قبله.

تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: إسناده صحيح على شرط البخاري

বাংলা অনুবাদ

আবুস সা‘সা‘ থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, “আমি আব্দুল্লাহ বিন উমার রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমাকে বাইতুল্লাহর ভেতরে দেখেছি। যখন তিনি দুই খুঁটির মাঝখানে থেকেছেন, তিনি তিনি চার রাকা‘আত সালাত আদায় করেছেন। অতঃপর আমি তার পাশে গিয়ে দাঁড়াই। যখন তিনি সালাত শেষ করেন, তখন আমি বললাম, “রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কা‘বা ঘরের কোথায় সালাত আদায় করেছেন?” জবাবে তিনি বলেন, “এখানে।” আমাকে উসামাহ বিন বিন যাইদ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হাদীস বর্ণনা করেছেন যে, তিনি রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে সালাত আদায় করতে দেখেছেন।”[1] আবূ হাতিম ইবনু হিব্বান রহিমাহুল্লাহ বলেন, “এই হাদীসটি আব্দুল্লাহ বিন উমার রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা বিলাল ও উসামাহ বিন যাইদ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা উভয় থেকেই শ্রবণ করেছিলেন। কেননা তারা দুইজনেই কা‘বা ঘরে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সাথে ছিলেন। অতঃপর তিনি কখনো হাদীসটি বিলাল রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণনা করেছেন আবার কখন উসামাহ বিন যাইদ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণনা করেছেন। কাজেই হাদীসটির দুটো সানাদই বিশুদ্ধ।”
[1] তাহাবী: ১/৩৯০; মুসান্নাফ আব্দুর রাযযাক: ৯০৭১; মুসনাদ আহমাদ: ২/৩; সহীহুল বুখারী: ৪৬৮; সহীহ মুসলিম: ১৩২৯; দারেমী: ২/৫৩; সুনান বাইহাকী: ২/৩২৭; তিরমিযী: ৮৭৪; নাসাঈ: ৫/২১৭। শায়খ শুআইব আল আরনাঊত রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে বুখারীর শর্তে সহীহ বলেছেন। শায়খ নাসির উদ্দিন আলবানী রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন। (সহীহ আবূ দাঊদ: ১৭৬৪)

হাদিস ৩,২০৬

মূল আরবি

أَخْبَرَنَا رَوْحُ بْنُ عَبْدِ الْمَجِيدِ، بِبَلَدِ الْمَوْصِلِ، قَالَ: حَدَّثَنَا أَبُو عَبْدِ الرَّحْمَنِ الْأَذْرَمِيُّ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ إِسْحَاقَ، قَالَ: حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ مَهْدِيٍّ، عَنْ مَالِكِ بْنِ أَنَسٍ، عَنْ نَافِعٍ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ، قَالَ: كَانَ النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ «يُصَلِّي وَبَيْنَهُ وَبَيْنَ الْقِبْلَةِ مِقْدَارُ ثَلَاثَةِ أَذْرُعٍ»
رقم طبعة با وزير = (3196)

تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح - «صحيح أبي داود» (1765).

تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: إسناده صحيح

বাংলা অনুবাদ

আব্দুল্লাহ বিন উমার রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, “রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সালাত আদায় করছিলেন, এসময় তাঁর ও কিবলার মাঝে তিন গজ পরিমাণ ব্যবধান ছিল।”[1]
[1] সহীহ মুসলিম: ১৩৩১; মুসনাদ আহমাদ: ১/২৩৭; মুসান্নাফ ইবনু আবী শায়বাহ: ৪/৬১; তাহাবী: ১/৩৮৯; তাবারানী আল কাবীর: ১১৩৩৯। শায়খ শুআইব আল আরনাঊত রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন। শায়খ নাসির উদ্দিন আলবানী রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন। (সহীহ আবূ দাঊদ: ১৭৬৫)

হাদিস ৩,২০৭

মূল আরবি

أَخْبَرَنَا الْحَسَنُ بْنُ سُفْيَانَ، قَالَ: حَدَّثَنَا شَيْبَانُ بْنُ فَرُّوخٍ، قَالَ: حَدَّثَنَا هَمَّامُ بْنُ يَحْيَى، قَالَ: حَدَّثَنَا عَطَاءٌ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، أَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ «دَخَلَ الْكَعْبَةَ وَفِيهَا سِتُّ سَوَارِي، فَقَامَ عِنْدَ كُلِّ سَارِيَةٍ وَدَعَا وَلَمْ يُصَلِّ»
رقم طبعة با وزير = (3197)

تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح: م (4/ 96 - 97).

تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: إسناده صحيح على شرط مسلم

বাংলা অনুবাদ

আব্দুল্লাহ বিন আব্বাস রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, “রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কা‘বা ঘরে প্রবেশ করেন। সেসময় কা‘বায় ছয়টি খুঁটি ছিল। তিনি প্রত্যেকটি খুঁটির কাছে দাঁড়ান এবং দুআ করেন। কিন্তু তিনি সালাত আদায় করেননি।”[1]
[1] মুসান্নাফ আব্দুর রাযযাক: ৯০৫৬; নাসাঈ: ৫/২২০-২২১; সহীহ মুসলিম: ১৩৩০; সুনান বাইহাকী: ২/৩২৮; সহীহুল বুখারী: ৩৯৮; বাগাবী: ৪৪৮। শায়খ শুআইব আল আরনাঊত রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে মুসলিমের শর্তে সহীহ বলেছেন। শায়খ নাসির উদ্দিন আলবানী রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন। (আত তা‘লীকাতুল হিসান: ৩১৯৭)

হাদিস ৩,২০৮

মূল আরবি

أَخْبَرَنَا أَبُو يَعْلَى، قَالَ: حَدَّثَنَا مُوسَى بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ حَيَّانَ، قَالَ: حَدَّثَنَا الضَّحَّاكُ بْنُ مَخْلَدٍ، عَنِ ابْنِ جُرَيْجٍ، قَالَ: قُلْتُ لِعَطَاءٍ: أَسَمِعْتَ ابْنَ عَبَّاسٍ يَقُولُ: إِنَّمَا أُمِرْتُمْ بِالطَّوَافِ وَلَمْ تُؤْمَرُوا بِدُخُولِهِ؟ قَالَ: لَمْ يَكُنْ يَنْهَى عَنْ دُخُولِهِ، وَلَكِنْ سَمِعْتُهُ: يَقُولُ: أَخْبَرَنِي أُسَامَةُ بْنُ زَيْدٍ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ لَمَّا دَخَلَ الْبَيْتَ دَعَا فِي نَوَاحِيهِ كُلِّهَا وَلَمْ يُصَلِّ فِيهِ حَتَّى خَرَجَ فَصَلَّى عِنْدَ الْبَابِ، وَقَالَ: «هَاهُنَا قِبْلَةٌ» فَصَلِّهِ
رقم طبعة با وزير = (3198) [ص:483] قَالَ أَبُو حَاتِمٍ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ: «هَذَانِ خَبَرَانِ قَدْ عَوَّلَ أَئِمَّتُنَا رَحْمَةُ اللَّهِ عَلَيْهِمْ وَرِضْوَانُهُ عَلَى الْكَلَامِ فِيهِمَا عَلَى النَّفْيِ وَالْإِثْبَاتِ، وَزَعَمُوا أَنَّ بِلَالًا، أَثْبَتَ صَلَاةَ الْمُصْطَفَى صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فِي الْكَعْبَةِ، وَابْنُ عَبَّاسٍ، يَنْفِيهَا، وَالْحَكَمُ الْمُثْبِتُ لِلشَّيْءِ أَبَدًا، لَا لِمَنْ يَنْفِيهِ، وَهَذَا شَيْءٌ يَلْزَمُنَا فِي قِصَّةِ أُحُدٍ فِي نَفْيِ جَابِرِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ، الصَّلَاةَ عَلَى شُهَدَاءِ أُحُدٍ، وَغَسْلَهُمْ فِي ذَلِكَ الْيَوْمِ، وَالْأَشْبَهُ عِنْدِي فِي الْفَصْلِ بَيْنَ هَذَيْنِ الْخَبَرَيْنِ بِأَنْ يُجْعَلَا فِي فِعْلَيْنِ مُتَبَايِنَيْنِ، فَيُقَالُ: إِنَّ الْمُصْطَفَى صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ لَمَّا فَتَحَ مَكَّةَ دَخَلَ الْكَعْبَةَ فَصَلَّى فِيهَا عَلَى مَا رَوَاهُ أَصْحَابُ ابْنِ عُمَرَ، عَنْ بِلَالٍ، وَأُسَامَةِ بْنِ زَيْدٍ، وَكَانَ ذَلِكَ يَوْمَ الْفَتْحِ، كَذَلِكَ قَالَهُ حَسَّانُ بْنُ عَطِيَّةَ، عَنْ نَافِعٍ عَنِ ابْنِ عُمَرَ، وَيُجْعَلُ نَفْيُ ابْنِ عَبَّاسٍ صَلَاةَ الْمُصْطَفَى صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فِي الْكَعْبَةِ فِي حَجَّتِهِ الَّتِي حَجَّ فِيهَا، حَتَّى يَكُونَ فِعْلَانِ فِي حَالَتَيْنِ مُتَبَايِنَتَيْنِ، لِأَنَّ ابْنَ عَبَّاسٍ نَفَى الصَّلَاةَ فِي الْكَعْبَةِ عَنِ الْمُصْطَفَى صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، وَزَعَمَ أَنَّ أُسَامَةَ بْنَ زَيْدٍ أَخْبَرَهُ بِذَلِكَ، وَأَخْبَرَ أَبُو الشَّعْثَاءِ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ، أَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ صَلَّى فِي الْبَيْتِ، وَزَعَمَ أَنَّ أُسَامَةَ بْنَ زَيْدٍ أَخْبَرَهُ بِذَلِكَ، فَإِذَا حُمِلَ الْخَبَرَانِ [ص:484] عَلَى مَا وَصَفْنَا فِي الْمَوْضِعَيْنِ الْمُتَبَايِنَيْنِ بَطَلَ التَّضَادُّ بَيْنَهُمَا، وَصَحَّ اسْتِعْمَالُ كُلِّ وَاحِدٍ مِنْهُمَا»

تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح - انظر ما قبله.

تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: Null

বাংলা অনুবাদ

ইবনু জুরাইজ বলেন, আমি আতা রহিমাহুল্লাহকে বললাম, “আপনি কি আব্দুল্লাহ বিন আব্বাস রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমাকে বলতে শুনেছেন যে, তিনি বলেছেন, “তোমাদেরকে তাওয়াফ করতে আদেশ দেওয়া হয়েছে; কা‘বায় প্রবেশ করতে আদেশ করা হয়নি।” জবাবে তিনি বলেন, “তিনি কা‘বা ঘরে প্রবেশ করতেন না। কিন্তু আমি তাকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেছেন, “আমাকে উসামা বিন যাইদ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু বর্ণনা করেছেন, “নিশ্চয়ই রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন কা‘বা ঘরে প্রবেশ করেন, তখন তিনি কা‘বার প্রত্যেক কোণায় দুআ করেন। কিন্তু তাতে তিনি কোন সালাত আদায় করেননি। অতঃপর তিনি বের হয়ে দরজার কাছে সালাত আদায় করেছেন এবং বলেছেন, “এটিই কিবলা। কাজেই তুমি এখানেই সালাত আদায় করো।”[1] আবূ হাতিম ইবনু হিব্বান রহিমাহুল্লাহ বলেন, “এই দুটি হাদীসের ব্যাপারে আমাদের ইমামগণ কথা বলার প্রয়াস চালিয়েছিলেন, তারা বলেছেন, নিশ্চয়ই বিলাল রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু কা‘বা ঘরে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সালাত আদায় করাকে সাব্যস্ত করেছেন পক্ষান্তরে আব্দুল্লাহ বিন আব্বাস রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা সেটাকে নাকচ করেছেন। এক্ষেত্রে সব সময় যিনি কোন কিছু সাব্যস্ত করেন, হুকুম তার পক্ষেই হয়; যে নাকচ করে তা পক্ষে নয়। উহুদ যুদ্ধে শহীদদের গোসল করা ও জানাযার সালাত আদায় করা বা না করাকে অবধারিতভাবে এমনটাই আমরা বলি। কিন্তু এই দুই হাদীসের ক্ষেত্রে আমার কাছে সঠিকতর মত হলো এই দুটিকে আলাদা দুটি কাজ ধরা এবং এভাবে সমাধান বলা: নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন মক্কা বিজয় করেন, তখন সেখানে সালাত আদায় করেছেন, যা আব্দুল্লাহ বিন উমার রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমার ছাত্রগণ বিলাল ও উসামা বিন যাইদ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা থেকে বর্ণনা করেছেন। এটা ঘটেছিল মক্কা বিজয়ের দিন। এমনটাই বলেছেন হাসসান বিন আতিয়্যাহ নাফে থেকে, তিনি আব্দুল্লাহ বিন উমার রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা থেকে বর্ণনা করেছেন। পক্ষান্তরে আব্দুল্লাহ বিন আব্বাস রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা যে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কর্তৃক কা‘বা ঘরে সালাত করাকে নাকচ করেছেন, সেটা হয়েছিল বিদায় হজ্জের সময়। কাজেই দুটি কাজ ভিন্ন ভিন্ন দুই অবস্থায় সংঘটিত হয়েছে। কেননা আব্দুল্লাহ বিন আব্বাস রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা কা‘বা ঘরে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কর্তৃক কা‘বা ঘরে সালাত করাকে নাকচ করেছেন। তিনি বলেছেন যে, উসামা বিন যাইদ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু তাকে এটি বলেছেন। অপরদিকে আবুস সা‘সা‘ আব্দুল্লাহ বিন উমার রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা থেকে বর্ণনা করেছেন যে, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কা‘বা ঘরে সালাত আদায় করেছেন। এখানেও আব্দুল্লাহ বিন উমার রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা বর্ণনা করেছেন যে, উসামা বিন যাইদ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু তাকে এটি বলেছেন। কাজেই দুটো হাদীসকে যখন ভিন্ন ভিন্ন দুই জায়গায় প্রয়োগ করা হবে, তখন হাদীস দুটির পরস্পর বিরোধী হওয়ার অভিযোগ বাতিল হয়ে যাবে এবং উভয়টির আমল ঠিক থাকবে।”
[1] মুসান্নাফ আব্দুর রাযযাক: ৯০৫৬; নাসাঈ: ৫/২২০-২২১; সহীহ মুসলিম: ১৩৩০; সুনান বাইহাকী: ২/৩২৮; সহীহুল বুখারী: ৩৯৮; বাগাবী: ৪৪৮। শায়খ শুআইব আল আরনাঊত রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে মুসলিমের শর্তে সহীহ বলেছেন। শায়খ নাসির উদ্দিন আলবানী রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন। (আত তা‘লীকাতুল হিসান: ৩১৯৮)

হাদিস ৩,২০৯

মূল আরবি

أَخْبَرَنَا عُمَرُ بْنُ مُحَمَّدٍ الْهَمْدَانِيُّ، قَالَ: حَدَّثَنَا عُبَيْدُ بْنُ إِسْمَاعِيلَ، حَدَّثَنَا أَبُو أُسَامَةَ، عَنْ هِشَامِ بْنِ عُرْوَةَ، عَنْ عَبَّادِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ الزُّبَيْرِ، وَفَاطِمَةَ بِنْتِ الْمُنْذِرِ، عَنْ أَسْمَاءَ بِنْتِ أَبِي بَكْرٍ وَكَانَتْ إِذَا أَنْفَقَتْ شَيْئًا تُحْصِي، فَقَالَ لَهَا رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «أَنْفِقِي وَلَا تُحْصِي فَيُحْصِيَ اللَّهُ عَلَيْكِ، وَلَا تُوعِي فَيُوعِيَ اللَّهُ عَلَيْكِ»
رقم طبعة با وزير = (3199)

تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح - «الصحيحة» (1490): ق.

تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: إسناده صحيح

বাংলা অনুবাদ

আসমা বিনতু আবূ বকর রাদ্বিয়াল্লাহু আনহা থেকে বর্ণিত, তিনি যখন খরচ করতেন, তখন তিনি হিসাব করে রাখতেন। তখন রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে বলেন, “তুমি খরচ করো কিন্তু হিসাব করো না, অন্যথায় আল্লাহও হিসাব করে দিবেন। তুমি সম্পদ খরচ না করে রেখে দিবে না, তাহলে আল্লাহও তোমাকে দেওয়া থেকে বিরত থাকবেন।”[1]
[1] মুসনাদ আহমাদ: ৬/৩৪৫; সহীহুল বুখারী: ১৪৩৩; সহীহ মুসলিম: ১০২৯; নাসাঈ: ৫/৭৩-৭৪; তাবারানী আল কাবীর: ২৪/৩৩৭; সুনান বাইহাকী: ৪/১৮৬-১৮৭; বাগাবী: ১৬৫৫; মুসান্নাফ আব্দুর রাযযাক: ২০০৫৬। শায়খ শুআইব আল আরনাঊত রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে বুখারী ও মুসলিমের শর্তে সহীহ বলেছেন। শায়খ নাসির উদ্দিন আলবানী রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন। (সহীহাহ: ১৪৯০)

হাদিস ৩,২১০

মূল আরবি

أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عُمَرَ بْنِ يُوسُفَ، قَالَ: حَدَّثَنَا نَصْرُ بْنُ عَلِيٍّ، قَالَ: أَخْبَرَنَا أَبُو أَحْمَدَ الزُّبَيْرِيُّ، قَالَ: حَدَّثَنَا مُوسَى بْنُ عَلِيٍّ، قَالَ: سَمِعْتُ أَبِي، أَنَّهُ سَمِعَ عَمْرَو بْنَ الْعَاصِ، يَقُولُ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «يَا عَمْرُو نِعْمَ الْمَالُ الصَّالِحُ مَعَ الرَّجُلِ الصَّالِحِ»
رقم طبعة با وزير = (3200) [ص:7] قَالَ أَبُو حَاتِمٍ: سَمِعَ هَذَا الْخَبَرَ عَلِيُّ بْنُ رَبَاحٍ، عَنْ عَمْرِو بْنِ الْعَاصِ، وَسَمِعَهُ مِنْ أَبِي الْقَيْسِ بَدَلَ عَمْرٍو، عَنْ عَمْرٍو فَالطَّرِيقَانِ جَمِيعًا مَحْفُوظَانِ

تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح - «المشكاة» (3756 / التحقيق الثاني).

تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: إسناده قوي على شرط مسلم

বাংলা অনুবাদ

আমর বিন আস রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, “রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, “হে আমর, সৎ ব্যক্তির কাছে সৎ (উপার্জনের) সম্পদ কতইনা উৎকৃষ্ট সম্পদ।”[1] আবূ হাতিম ইবনু হিব্বান রহিমাহুল্লাহ বলেন, “এই হাদীসটি আলী বিন রাবাহ আমর বিন আস রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা এবং আমর থেকে আমরের পরিবর্তে আবুল কাইস থেকেও শ্রবণ করেছেন। কাজেই হাদীসটির দুটো সানাদই সহীহ।
[1] মুসনাদ আহমাদ: ৪/১৯৭; ইমাম বুখারী, আদাবুল মুফরাদ: ২৯৯; হাকিম: ২/২৩৬; বাগাবী: ২৪৯৫। শায়খ শুআইব আল আরনাঊত রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে মুসলিমের শর্তে সহীহ বলেছেন। শায়খ নাসির উদ্দিন আলবানী রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন। (মিশকাত: ৩৭৫৬)

হাদিস ৩,২১১

মূল আরবি

أَخْبَرَنَا أَحْمَدُ بْنُ عَلِيِّ بْنِ الْمُثَنَّى، حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، حَدَّثَنَا وَكِيعٌ، عَنْ مُوسَى بْنِ عَلِيٍّ، عَنْ أَبِيهِ، قَالَ: سَمِعْتُ عَمْرَو بْنَ الْعَاصِ، يَقُولُ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «يَا عَمْرُو اشْدُدْ عَلَيْكَ سِلَاحَكَ وَثِيَابَكَ»، قَالَ: فَفَعَلْتُ، ثُمَّ أَتَيْتُهُ فَوَجَدْتُهُ يَتَوَضَّأُ، فَرَفَعَ رَأْسَهُ، فَصَعَّدَ فِيَّ النَّظَرَ وَصَوَّبَهُ، قَالَ: «يَا عَمْرُو إِنِّي أُرِيدُ أَنْ أَبْعَثَكَ وَجْهًا، فَيُسَلِّمَكَ اللَّهُ وَيُغْنِمَكَ، وَأَزْعَبُ لَكَ مِنَ الْمَالِ زَعْبَةً صَالِحَةً»، قَالَ: قُلْتُ: يَا رَسُولَ اللَّهِ لَمْ أُسْلِمْ رَغْبَةً فِي الْمَالِ إِنَّمَا أَسْلَمْتُ رَغْبَةً فِي الْجِهَادِ وَالْكَيْنُونَةِ مَعَكَ، قَالَ: «يَا عَمْرُو نِعِمَّا بِالْمَالِ الصَّالِحِ مَعَ الرَّجُلِ الصَّالِحِ»
رقم طبعة با وزير = (3201)

تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح - انظر ما قبله.

تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: إسناده قوي

বাংলা অনুবাদ

আমর বিন আস রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, “রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, “হে আমর, তোমার অস্ত্র-সস্ত্র ও কাপড়-চোপড় বেধে নাও।” রাবী বলেন, “আমি তাই করলাম। তারপর আমি তাঁর কাছে এসে দেখতে পেলাম। তিনি তাঁর মাথা উঠিয়ে উপরে তাকালেন তারপর দৃষ্টি নিচু করে বলেন, “হে আমর, আমি তোমাকে এক দিকে সেনাভিযানে পাঠাবো। অতঃপর আল্লাহ তোমাকে নিরাপদ রাখবেন এবং গানীমত দান করবেন। আমি তোমাকে সেই সম্পদ থেকে ন্যায়সঙ্গত একটা অংশ দিবো।” তিনি বলেন, “আমি বললাম, হে আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম, আমি সম্পদের আশায় ইসলাম গ্রহণ করি নাই। আমি ইসলাম গ্রহণ করেছি জিহাদ করার জন্য এবং আপনার সাথে থাকার জন্য। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, “হে আমর, সৎ ব্যক্তির কাছে সৎ (উপার্জনের) সম্পদ কতইনা উৎকৃষ্ট সম্পদ।”[1]
[1] মুসনাদ আহমাদ: ৪/১৯৭; ইমাম বুখারী, আদাবুল মুফরাদ: ২৯৯; হাকিম: ২/২৩৬; বাগাবী: ২৪৯৫। শায়খ শুআইব আল আরনাঊত রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে মুসলিমের শর্তে সহীহ বলেছেন। শায়খ নাসির উদ্দিন আলবানী রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন। (মিশকাত: ৩৭৫৬)

হাদিস ৩,২১২

মূল আরবি

أَخْبَرَنَا الْحَسَنُ بْنُ سُفْيَانَ، حَدَّثَنَا الْعَبَّاسُ بْنُ الْوَلِيدِ النَّرْسِيُّ، حَدَّثَنَا يَزِيدُ بْنُ زُرَيْعٍ، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عَمْرٍو، حَدَّثَنِي أَبُو سَلَمَةَ، عَنْ عَائِشَةَ، قَالَتْ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فِي وَجَعِهِ الَّذِي مَاتَ فِيهِ: «يَا عَائِشَةُ مَا فَعَلْتِ الذَّهَبُ»، قَالَتْ: قُلْتُ: هِيَ عِنْدِي، قَالَ: «فَأْتِينِي بِهَا» - وَهِيَ بَيْنَ السَّبْعَةِ وَالْخَمْسَةِ - فَجِئْتُ فَوَضَعْتُهَا فِي كَفِّهِ، ثُمَّ قَالَ: «مَا ظَنُّ مُحَمَّدٍ بِاللَّهِ لَوْ لَقِيَ اللَّهَ وَهَذِهِ عِنْدَهُ، أَنْفِقِيهَا»
رقم طبعة با وزير = (3202)

تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: حسن صحيح - «التعليق الرغيب» (2/ 42)، «الصحيحة» (1014).

تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: إسناده حسن

বাংলা অনুবাদ

আয়িশা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহা থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, “রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যেই অসুস্থতায় মারা যান, সেই অসুস্থতার সময় বলেছেন, “হে আয়িশা, স্বর্ণগুলো কী করেছো?” তিনি বলেন, “আমি বললাম, সেগুলো আমার কাছে আছে।” তিনি আমাকে বলেন, “সেগুলো আমার কাছে নিয়ে আসো। -সেগুলো সংখ্যায় পাঁচটি থেকে সাতটি ছিল- আয়িশা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহা বলেন, “অতঃপর সেগুলো আমি নিয়ে এসে তাঁর হাতের মুঠোয় দেই। তারপর তিনি বলেন, “আল্লাহর ব্যাপারে মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের কী ধারণা, যদি তিনি এসব কাছে রেখে আল্লাহর সাথে সাক্ষাত করেন? (হে আয়িশা) এগুলো দান করে দাও।”[1]
[1] মুসনাদ আহমাদ: ৬/৪৯; বাগাবী: ১৬৫৮; হাইসামী, মাজমাউয যাওয়াইদ: ১০/২৩৯-২৪০। শায়খ শুআইব আল আরনাঊত রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে হাসান বলেছেন। শায়খ নাসির উদ্দিন আলবানী রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে হাসান-সহীহ বলেছেন। (সহীহাহ: ১০১৪)

হাদিস ৩,২১৩

মূল আরবি

أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ الْجُنَيْدِ، بِبُسْتَ، حَدَّثَنَا قُتَيْبَةُ بْنُ سَعِيدٍ، حَدَّثَنَا بَكْرُ بْنُ مُضَرَ، عَنْ مُوسَى بْنِ جُبَيْرٍ، عَنْ أَبِي أُمَامَةَ بْنِ سَهْلِ بْنِ حُنَيْفٍ، قَالَ: دَخَلْتُ أَنَا وَعُرْوَةُ بْنُ الزُّبَيْرِ عَلَى عَائِشَةَ، فَقَالَتْ: لَوْ رَأَيْتُمَا نَبِيَّ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ ذَاتَ يَوْمٍ فِي مَرَضٍ لَهُ وَكَانَتْ لَهُ عِنْدِي سِتَّةُ دَنَانِيرَ أَوْ سَبْعَةٌ، قَالَتْ: فَأَمَرَنِي أَنْ أُفَرِّقَهَا، فَشَغَلَنِي وَجَعُ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ حَتَّى عَافَاهُ اللَّهُ، قَالَتْ: ثُمَّ سَأَلَنِي عَنْهَا، فَقُلْتُ: لَا وَاللَّهِ قَدْ كَانَ شَغَلَنِي وَجَعُكَ، قَالَتْ: فَدَعَا بِهَا فَوَضَعَهَا فِي كَفِّهِ، ثُمَّ قَالَ: «مَا ظَنُّ نَبِيِّ اللَّهِ لَوْ لَقِيَ اللَّهَ وَهُوَ عِنْدَهُ؟ »
رقم طبعة با وزير = (3203)

تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح - انظر ما قبله.

تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: Null

বাংলা অনুবাদ

আবূ উমামাহ সাহল বিন হুনাইফ থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, “আমি এবং উরওয়া বিন যুবাইর আয়িশা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহার কাছে প্রবেশ করি। তখন তিনি বলেন, “যদি তোমরা আল্লাহর নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে দেখতে, একদিন তিনি অসুস্থ ছিলেন, আমার কাছে তাঁর ছয়টি অথবা সাতটি দীনার (স্বর্ণ মুদ্রা) ছিল। তিনি বলেন, “অতঃপর তিনি আমাকে তা দান করতে বলেন। তারপর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের অসুস্থতা আমাকে ব্যস্ত করে তুলে। তারপর যখন তিনি সুস্থ হলেন, তখন তিনি আমাকে সেই সম্পর্কে জিজ্ঞেস করেন। আমি বলি, “জ্বী, না। আল্লাহর কসম! আপনার অসুস্থতা আমাকে ব্যস্ত করে তুলেছিল।” আয়িশা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহা বলেন, “তারপর তিনি আমাকে সেগুলো আনতে বলেন। অতঃপর সেগুলো তিনি তাঁর হাতের তালূতে রেখে বলেন, “আল্লাহর নাবীর কী ধারণা, যদি তিনি এগুলো নিজের কাছে রেখে আল্লাহর সাথে সাক্ষাত করেন![1]
[1] মুসনাদ আহমাদ: ৬/৪৯; বাগাবী: ১৬৫৮; হাইসামী, মাজমাউয যাওয়াইদ: ১০/২৩৯-২৪০। শায়খ শুআইব আল আরনাঊত রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে হাসান বলেছেন। শায়খ নাসির উদ্দিন আলবানী রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে হাসান-সহীহ বলেছেন। (সহীহাহ: ১০১৪)

হাদিস ৩,২১৪

মূল আরবি

أَخْبَرَنَا سُلَيْمَانُ بْنُ الْحُسَيْنِ بْنِ الْمِنْهَالِ الضَّرِيرُ، حَدَّثَنَا هُدْبَةُ بْنُ خَالِدٍ الْقَيْسِيُّ، حَدَّثَنَا حَمَّادُ بْنُ سَلَمَةَ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ زِيَادٍ، قَالَ: سَمِعْتُ أَبَا هُرَيْرَةَ، قَالَ: سَمِعْتُ أَبَا الْقَاسِمِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، قَالَ: «مَا يَسُرُّنِي أَنَّ أُحُدًا لِي ذَهَبًا يَأْتِي عَلَيَّ ثَلَاثٌ، وَعِنْدِي مِنْهُ دِينَارٌ غَيْرَ [ص:10] شَيْءٍ أَرْصُدُهُ فِي دَيْنٍ عَلَيَّ».
رقم طبعة با وزير = (3204)

تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح - «فقه السيرة» (48)، «الصحيحة» (1028): ق.

تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: إسناده صحيح على شرط مسلم

বাংলা অনুবাদ

আবূ হুরাইরা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, “আমি আবুল কাসিম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেছেন, “আমি পছন্দ করি না যে, আমি উহুদ পাহাড় পরিমাণ স্বর্ণের মালিক হই, অতঃপর তিন দিন অতিবাহিত হওয়ার পর আমার কাছে একটি স্বর্ণ মুদ্রা থাকুক, তবে সেটা ব্যতীত যা আমি ঋণ পরিশোধ করার জন্য রেখে দেই।”[1]
[1] মুসনাদ আহমাদ: ২/৪৬৭; সহীহ মুসলিম: ৯৯১; সহীহুল বুখারী: ২৩৮৯; ইবনু মাজাহ: ৪২৩১। শায়খ শুআইব আল আরনাঊত রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে মুসলিমের শর্তে সহীহ বলেছেন। শায়খ নাসির উদ্দিন আলবানী রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন। (সহীহাহ: ১০২৮)

হাদিস ৩,২১৫

মূল আরবি

أَخْبَرَنَا الْحَسَنُ بْنُ سُفْيَانَ، قَالَ: حَدَّثَنَا تَمِيمُ بْنُ الْمُنْتَصِرِ، قَالَ: حَدَّثَنَا إِسْحَاقُ الْأَزْرَقُ، عَنْ شَرِيكٍ، عَنْ هِشَامِ بْنِ عُرْوَةَ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ عَائِشَةَ، عَنِ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، قَالَ: «إِنَّ الدُّنْيَا خَضِرَةٌ حُلْوَةٌ، فَمَنْ أَعْطَيْنَاهُ مِنْهَا شَيْئًا بِطِيبِ نَفْسٍ مِنَّا وَحَسَنِ طُعْمَةٍ مِنْهُ، مِنْ غَيْرِ شَرِهِ نَفْسٍ، بُورِكَ لَهُ فِيهِ، وَمَنْ أَعْطَيْنَاهُ مِنْهَا شَيْئًا بِغَيْرِ طِيبِ نَفْسٍ مِنَّا، وَحَسَنِ طُعْمَةٍ مِنْهُ، وَإِشْرَافِ نَفْسٍ، كَانَ غَيْرَ مُبَارَكٍ لَهُ فِيهِ»
رقم طبعة با وزير = (3205)

تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح لغيره - «التعليق الرغيب» (2/ 14).

تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: إسناده ضعيف

বাংলা অনুবাদ

আয়িশা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহা থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, “রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, “নিশ্চয়ই দুনিয়া সবুজ-শ্যামল ও সুমিষ্ট। সুতরাং যাকে আমরা দুনিয়ার কোন কিছু খুশি মনে প্রদান করি আর সে তাতে নির্লোভ থাকে, তবে তাতে বারাকাহ দেওয়া হবে। সুতরাং যাকে আমরা দুনিয়ার কোন কিছু অখুশি মনে প্রদান করি আর সে তাতে লোভাতুর থাকে, তবে তাতে বারাকাহ দেওয়া হয় না।”[1]
[1] মুসনাদ আহমাদ: ৬/৬৮; হাইসামী, মাজমাঊয যাওয়াইদ: ৩/১০০। শায়খ শুআইব আল আরনাঊত রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে যঈফ বলেছেন। শায়খ নাসির উদ্দিন আলবানী রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে সহীহ লিগাইরিহী বলেছেন। (আত তা‘লীকুর রাগীব: ২/১৪)

হাদিস ৩,২১৬

মূল আরবি

أَخْبَرَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ سَلْمٍ، قَالَ: حَدَّثَنَا حَرْمَلَةُ بْنُ يَحْيَى، قَالَ: حَدَّثَنَا ابْنُ وَهْبٍ، قَالَ: سَمِعْتُ عَمْرَو بْنَ الْحَارِثِ، يَقُولُ: حَدَّثَنِي دَرَّاجٌ أَبُو السَّمْحِ، عَنِ ابْنِ حُجَيْرَةَ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «إِذَا أَدَّيْتَ زَكَاةَ مَالِكَ فَقَدْ قَضَيْتَ مَا عَلَيْكَ فِيهِ، وَمَنْ جَمَعَ مَالًا حَرَامًا ثُمَّ تَصَدَّقَ بِهِ لَمْ يَكُنْ لَهُ فِيهِ أَجْرٌ، وَكَانَ إِصْرُهُ عَلَيْهِ»
رقم طبعة با وزير = (3206)

تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: حسن - «التعليق الرغيب» (1/ 266).

تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: إسناده حسن

বাংলা অনুবাদ

আবূ হুরাইরা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, “রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, “যখন তুমি তোমার সম্পদের যাকাত আদায় করবে, তবে সম্পদে তোমার উপর যে হক ছিল, তা তুমি আদায় করে ফেললে। আর যে ব্যক্তি হারাম মাল জমা করে, তারপর সেখান থেকে দান করে, এতে তার জন্য কোন সাওয়াব নেই। আর তার পাপের বোঝা তার উপর বর্তাবে।”[1]
[1] হাকিম: ১/৩৯০; সুনান বাইহাকী: ৪/৮৪; তিরমিযী: ৬১৮; বাগাবী: ১৫৯১; ইবনু মাজাহ: ১৭৮৮। শায়খ শুআইব আল আরনাঊত রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে হাসান বলেছেন। শায়খ নাসির উদ্দিন আলবানী রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে হাসান বলেছেন। (আত তা‘লীকুর রাগীব: ১/২৬৬)

হাদিস ৩,২১৭

মূল আরবি

أَخْبَرَنَا الْفِرْيَابِيُّ، قَالَ: حَدَّثَنَا عَلِيُّ بْنُ حُجْرٍ السَّعْدِيُّ، قَالَ: حَدَّثَنَا عَلِيُّ بْنُ مُسْهِرٍ، عَنْ أَبِي إِسْحَاقَ، عَنْ أَبِي الْأَحْوَصِ، [ص:12] عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ مَسْعُودٍ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «نَحْنُ الْآخِرُونَ وَالْأَوَّلُونَ يَوْمَ الْقِيَامَةِ، وَإِنَّ الْأَكْثَرِينَ هُمُ الْأَسْفَلُونَ، إِلَّا مَنْ قَالَ هَكَذَا وَهَكَذَا عَنْ يَمِينِهِ وَعَنْ يَسَارِهِ، وَمِنْ خَلْفِهِ وَبَيْنَ يَدَيْهِ، وَيَحْثِي بِثَوْبِهِ»
رقم طبعة با وزير = (3207)

تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح - «الصحيحة» (2412)، «التعليق الرغيب» (4/ 108).

تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: رجاله ثقات رجال الصحيح

বাংলা অনুবাদ

আব্দুল্লাহ বিন মাসঊদ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, “রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, “আমরা দুনিয়ায় আগমনের দিক দিয়ে সর্বশেষ আর কিয়ামতের আমরা প্রথমে আবির্ভুত হবো। নিশ্চয়ই সম্পদশালী লোকেরা কিয়ামতের দিন নিচে অবস্থান করবে। তবে যে ব্যক্তি এভাবে ডানে, বামে, সামনে, পিছনে খরচ করে।” তিনি তাঁর কাপড় ফেলে দেখান।”[1]
[1] ইমাম সুয়ূতী, আল জামিউল কাবীর: ২/৮৫১। শায়খ শুআইব আল আরনাঊত রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন। শায়খ নাসির উদ্দিন আলবানী রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন। (সহীহাহ: ২৪১২)

হাদিস ৩,২১৮

মূল আরবি

أَخْبَرَنَا أَبُو يَعْلَى، بِالْمَوْصِلِ، حَدَّثَنَا الْحَسَنُ بْنُ حَمَّادٍ سَجَّادَةٌ، حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ عَيَّاشٍ، عَنْ أَبِي حُصَيْنٍ، عَنْ أَبِي صَالِحٍ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «تَعِسَ عَبْدُ الدِّينَارِ، وَعَبْدُ الدِّرْهَمِ، وَعَبْدُ الْقَطِيفَةِ، وَعَبْدُ الْخَمِيصَةِ، إِنْ أُعْطِيَ رَضِيَ، وَإِنْ مُنِعَ سَخِطَ»
رقم طبعة با وزير = (3208)

تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح: خ.

تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: إسناده قوي

বাংলা অনুবাদ

আবূ হুরাইরা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, “রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, “হতভাগ্য স্বর্ণের গোলাম, রৌপ্যের গোলাম, মখমল কাপড়ের গোলাম, চাদরের গোলাম, যদি তাকে দেওয়া হয়, সে খুশি হয় আর যদি না দেওয়া হয়, তবে নারাজ হয়।”[1]
[1] সহীহুল বুখারী: ২৮৮৬; ইবনু মাজাহ: ৪১৩৫; সুনান বাইহাকী: ১০/২৪৫; বাগাবী: ৪০৫৯। শায়খ শুআইব আল আরনাঊত রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন। শায়খ নাসির উদ্দিন আলবানী রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন। (আত তা‘লীকাতুল হিসান: ৩২০৮)

হাদিস ৩,২১৯

মূল আরবি

أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ الْحَسَنِ بْنِ الْخَلِيلِ، قَالَ: حَدَّثَنَا أَبُو كُرَيْبٍ، قَالَ: حَدَّثَنَا زَيْدُ بْنُ الْحُبَابِ، قَالَ: حَدَّثَنِي فُلَيْحُ بْنُ سُلَيْمَانَ، قَالَ: حَدَّثَنِي هِلَالُ بْنُ عَلِيِّ بْنِ أُسَامَةَ، عَنْ عَطَاءِ بْنِ يَسَارٍ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «قَلْبُ ابْنِ آدَمَ شَابٌّ عَلَى حُبِّ اثْنَتَيْنِ: طُولِ الْعُمُرِ وَالْمَالِ»
رقم طبعة با وزير = (3209)

تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح - «الصحيحة» (1906)، «التعليق الرغيب» (3/ 105).

تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: حديث صحيح

বাংলা অনুবাদ

আবূ হুরাইরা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, “রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, “আদম সন্তানের অন্তর দুটি জিনিসকে ভালবাসার ক্ষেত্রে ‍যুবক থাকে। তা হলো: দীর্ঘায়ূ ও সম্পদ।”[1]
[1] মুসনাদ আহমাদ: ২/৩৩৫; সহীহ মুসলিম: ১০৪৬; হাকিম: ৪/৩২৮; সুনান বাইহাকী: ৩/৩৬৮; সহীহুল বুখারী: ৬৪২০; বাগাবী: ৪০৮৮; তিরমিযী: ২৩৩৮; ইবনু মাজাহ: ৪২৩৩। শায়খ শুআইব আল আরনাঊত রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন। শায়খ নাসির উদ্দিন আলবানী রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন। (সহীহাহ: ১৯০৬)

হাদিস ৩,২২০

মূল আরবি

أَخْبَرَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ سَلْمٍ، قَالَ: حَدَّثَنَا حَرْمَلَةُ بْنُ يَحْيَى، قَالَ: حَدَّثَنَا ابْنُ وَهْبٍ، قَالَ: أَخْبَرَنِي عَمْرُو بْنُ الْحَارِثِ، عَنِ ابْنِ شِهَابٍ، أَنَّ عُرْوَةَ بْنَ الزُّبَيْرِ، وَسَعِيدَ بْنَ الْمُسَيِّبِ، حَدَّثَاهُ أَنَّ حَكِيمَ بْنَ حِزَامٍ، قَالَ: سَأَلْتُ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَأَعْطَانِي، ثُمَّ سَأَلْتُ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَأَعْطَانِي، ثُمَّ سَأَلْتُهُ فَأَعْطَانِي، ثُمَّ سَأَلْتُ فَأَعْطَانِي، ثُمَّ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «يَا حَكِيمَ بْنَ حِزَامٍ، إِنَّ هَذَا الْمَالَ حُلْوَةٌ خَضِرَةٌ فَمَنْ أَخَذَهُ بِسَخَاوَةِ نَفْسٍ بُورِكَ لَهُ فِيهِ، وَمَنْ أَخَذَهُ بِإِشْرَافِ نَفْسٍ لَمْ يُبَارَكْ لَهُ فِيهِ، وَكَانَ كَالَّذِي يَأْكُلُ وَلَا يَشْبَعُ، وَالْيَدُ الْعُلْيَا خَيْرٌ مِنَ الْيَدِ السُّفْلَى»، قَالَ حَكِيمُ: فَقُلْتُ: يَا رَسُولَ اللَّهِ وَالَّذِي بَعَثَكَ بِالْحَقِّ لَا أَرْزَأُ أَحَدًا بَعْدَكَ شَيْئًا حَتَّى أُفَارِقَ الدُّنْيَا، قَالَ عُرْوَةُ، وَسَعِيدٌ: فَكَانَ أَبُو بَكْرٍ يَدْعُو حَكِيمًا فَيُعْطِيهِ الْعَطَاءَ فَيَأْبَى، ثُمَّ كَانَ عُمَرُ بْنُ الْخَطَّابِ يُعْطِيهِ فَيَأْبَى، فَيَقُولُ عُمَرُ: إِنِّي أُشْهِدُكُمْ يَا مَعْشَرَ الْمُسْلِمِينَ عَلَى حَكِيمِ بْنِ حِزَامٍ أَنِّي أَعْرِضُ عَلَيْهِ حَقَّهُ الَّذِي قُسِمَ لَهُ مِنْ هَذَا الْفَيْءِ فَيَأْبَى يَأْخُذُهُ، قَالَ: فَلَمْ يَرْزَأْ حَكِيمٌ أَحَدًا مِنَ النَّاسِ بَعْدَ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ حَتَّى تُوُفِّيَ
رقم طبعة با وزير = (3210)

تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح - «أحاديث البيوع»: ق.

تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: إسناده صحيح على شرط مسلم

বাংলা অনুবাদ

হাকিম বিন হিযাম রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, “আমি রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের কাছে কিছু চাইলে তিনি আমাকে কিছু প্রদান করেন। তারপর আমি রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের কাছে আবার কিছু চাই, তিনি আমাকে কিছু প্রদান করেন। তারপর আমি রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের কাছে আবার কিছু চাই, তিনি আমাকে কিছু প্রদান করেন। তারপর আমি রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের কাছে আবার কিছু চাই, তিনি আমাকে আবার কিছু প্রদান করেন। তারপর আমি রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের কাছে আবার কিছু চাই, তিনি আমাকে আবার কিছু প্রদান করেন। তারপর তিনি বলেন, “হে হাকিম বিন হিযাম, নিশ্চয়ই এই সম্পদ সবুজ-শ্যামল, সুমিষ্ট। যে ব্যক্তি তা নির্লোভ মনে গ্রহণ করে, তার জন্য তাতে বারাকাহ দেওয়া হয় আর যে ব্যক্তি তা লোভাতূর মনে গ্রহণ করবে, তার জন্য তাতে বারাকাহ দেওয়া হয় না এবং সে ব্যক্তি ঐ ব্যক্তির মতো, যে খায় কিন্তু পরিতৃপ্ত হয় না। আর উঁচু হাত নিচু হাত অপেক্ষা উত্তম।” হাকিম বিন হিযাম রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু বলেন, “তখন আমি বললাম, হে আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম, ঐ সত্তার কসম, যিনি আপনাকে হক সহ পাঠিয়েছেন, আপনার পর দুনিয়া ত্যাগ করা পর্যন্ত আমি আর কারো কাছে কোন কিছু চাইবো না। উরওয়া ও সাঈদ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা বলেন, “পরবর্তীতে আবূ বকর রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু তাকে হাকিম বিন হিযাম রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুকে ডেকে ভাতা দান করতে চাইতেন, কিন্তু তিনি তা নিতে অস্বীকার করেন। তারপর ‍উমার রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু তাকে ভাতা দান করতে চান, কিন্তু তিনি তা নিতে অস্বীকার করেন। তখন উমার রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু বলতেন, “হে মুসলিম সম্প্রদায়, নিশ্চয়ই আমি হাকিম বিন হিযামের ব্যাপারে তোমাদেরকে সাক্ষী রেখে বলছি যে, আমি তার কাছে ফাইয়ের (কাফেরদের থেকে যুদ্ধবিহীন প্রাপ্ত) মাল তার কাছে পেশ করেছি, কিন্তু তিনি তা নিতে অস্বীকৃতি জানিয়েছেন।” রাবী বলেন, “অতঃপর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের পর তিনি মৃত্যু অবধি আর কারো কাছে কোন কিছু চাননি।”[1]
[1] নাসাঈ: ৫/১০১-১০২; তাবারানী: ৩০৮৩; মুসান্নাফ আব্দুর রাযযাক: ২০০৪১; সহীহুল বুখারী: ১৪৭২; তিরমিযী: ২৪৬৩; দারেমী: ১/৩৮৮; সুনান বাইহাকী: ৪/১৯৬; বাগাবী: ১৬১৯; মুসনাদ আহমাদ: ৩/৪০৩। শায়খ শুআইব আল আরনাঊত রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে মুসলিমের শর্তে সহীহ বলেছেন। শায়খ নাসির উদ্দিন আলবানী রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন। (আত তা‘লীকাতুল হিসান: ৩২১০)