সহীহ মুসলিম
‘ইল্ম: হাদিস ৬,৬৬৮-৬,৬৯৭
এই অধ্যায়ের হাদিসগুলো একই পাতায় পড়ুন। নির্দিষ্ট হাদিসে যেতে তার নম্বর বা anchor ব্যবহার করুন।
এই পাতার হাদিসসমূহনির্দিষ্ট হাদিসে যেতে তালিকাটি খুলুন। শোহাইড
মূল আরবি
حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مَسْلَمَةَ بْنِ قَعْنَبٍ، حَدَّثَنَا يَزِيدُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ التُّسْتَرِيُّ، عَنْ عَبْدِ، اللَّهِ بْنِ أَبِي مُلَيْكَةَ عَنِ الْقَاسِمِ بْنِ مُحَمَّدٍ، عَنْ عَائِشَةَ، قَالَتْ تَلاَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم هُوَ الَّذِي أَنْزَلَ عَلَيْكَ الْكِتَابَ مِنْهُ آيَاتٌ مُحْكَمَاتٌ هُنَّ أُمُّ الْكِتَابِ وَأُخَرُ مُتَشَابِهَاتٌ فَأَمَّا الَّذِينَ فِي قُلُوبِهِمْ زَيْغٌ فَيَتَّبِعُونَ مَا تَشَابَهَ مِنْهُ ابْتِغَاءَ الْفِتْنَةِ وَابْتِغَاءَ تَأْوِيلِهِ وَمَا يَعْلَمُ تَأْوِيلَهُ إِلاَّ اللَّهُ وَالرَّاسِخُونَ فِي الْعِلْمِ يَقُولُونَ آمَنَّا بِهِ كُلٌّ مِنْ عِنْدِ رَبِّنَا وَمَا يَذَّكَّرُ إِلاَّ أُولُو الأَلْبَابِ
قَالَتْ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " إِذَا رَأَيْتُمُ الَّذِينَ يَتَّبِعُونَ مَا تَشَابَهَ مِنْهُ فَأُولَئِكَ الَّذِينَ سَمَّى اللَّهُ فَاحْذَرُوهُمْ " .
বাংলা অনুবাদ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তিলাওয়াত করলেনঃ “তিনিই তোমার প্রতি এ কিতাবকে অবতীর্ণ করেছেন, যার কতক আয়াত সুস্পষ্ট মজবুত সাংবিধানিক; এগুলো কিতাবের মূলনীতি আর অন্যগুলো অস্পষ্ট। যাদের হৃদয়ে বক্রতা রয়েছে, শুধু তারাই ফিতনাহ্ এবং ভুল ব্যাখ্যার জন্য যা অস্পষ্ট তার অনুকরণ করে। মূলতঃ আল্লাহ ভিন্ন অন্য কেউ এর ব্যাখ্যা জানে না; আর যারা ‘ইল্মে সুগভীর তারা বলে, আমরা এতে বিশ্বাস করি, সবই আমাদের রবের নিকট থেকে সত্য এবং বুদ্ধিমান ছাড়া আর কেউ উপদেশ গ্রহণ করে না” – (সূরাহ্ আ-লি ‘ইমরান ৩ : ৭)। তিনি (‘আয়িশাহ্) বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ তোমরা সেসব লোকদের দেখতে পাবে যারা অস্পষ্ট আয়াতের অর্থের অনুসরণ করে, এরাই সেসব ব্যক্তি, যাদের কথা আল্লাহ আলোচনা করেছেন, সুতরাং তোমরা তাদের থেকে সতর্ক থাক। (ই. ফা. ৬৫৩৩, ই. সে. ৬৫৮৫)
বর্ণনাকারীঃ ‘আয়িশাহ্ (রাঃ)
মূল আরবি
حَدَّثَنَا أَبُو كَامِلٍ، فُضَيْلُ بْنُ حُسَيْنٍ الْجَحْدَرِيُّ حَدَّثَنَا حَمَّادُ بْنُ زَيْدٍ، حَدَّثَنَا أَبُو عِمْرَانَ الْجَوْنِيُّ قَالَ كَتَبَ إِلَىَّ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ رَبَاحٍ الأَنْصَارِيُّ أَنَّ عَبْدَ اللَّهِ بْنَ عَمْرٍو قَالَ هَجَّرْتُ إِلَى رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَوْمًا - قَالَ - فَسَمِعَ أَصْوَاتَ رَجُلَيْنِ اخْتَلَفَا فِي آيَةٍ فَخَرَجَ عَلَيْنَا رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يُعْرَفُ فِي وَجْهِهِ الْغَضَبُ فَقَالَ " إِنَّمَا هَلَكَ مَنْ كَانَ قَبْلَكُمْ بِاخْتِلاَفِهِمْ فِي الْكِتَابِ " .
বাংলা অনুবাদ
তিনি বলেন, কোন একদিন ভোরে আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট আসলাম। তিনি বলেন, একদা তিনি কুরআনের একটি আয়াতের ব্যাপারে দু’ লোকের মতপার্থক্যের আওয়াজ শুনতে পেয়ে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাদের মাঝে আসলেন, এ অবস্থায় তাঁর চেহারায় রাগের বহিঃপ্রকাশ হচ্ছিল। তিনি বললেন, তোমাদের পূর্ববর্তীরা একমাত্র আল্লাহর কিতাবে দ্বিমত করার কারণে ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে গেছে। (ই. ফা. ৬৫৩৪, ই. সে. ৬৫৮৬)
বর্ণনাকারীঃ ‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘ আম্র (রাঃ)
মূল আরবি
حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ يَحْيَى، أَخْبَرَنَا أَبُو قُدَامَةَ الْحَارِثُ بْنُ عُبَيْدٍ، عَنْ أَبِي عِمْرَانَ، عَنْ جُنْدُبِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ الْبَجَلِيِّ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " اقْرَءُوا الْقُرْآنَ مَا ائْتَلَفَتْ عَلَيْهِ قُلُوبُكُمْ فَإِذَا اخْتَلَفْتُمْ فِيهِ فَقُومُوا " .
বাংলা অনুবাদ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ তোমরা কুরআন পাঠ করতে থাকো যতক্ষণ পর্যন্ত তোমাদের হৃদয়ে তার প্রতি আকর্ষণ থাকে। আর যখন তোমরা তাতে মতভেদ করবে তখন উঠে যাবে। (ই. ফা. ৬৫৩৫, ই. সে. ৬৫৮৭)
বর্ণনাকারীঃ জুনদুব ইবনু ‘আবদুল্লাহ (রাঃ)
বাংলা অনুবাদ
রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যতক্ষণ পর্যন্ত তোমাদের মনের মধ্যে আকর্ষণ থাকে ততক্ষণ কুরআন পাঠ করো। আর যখন (মন) বিকর্ষিত হয়ে পড়ে তখন উঠে যাবে। (ই. ফা. ৬৫৩৬, ই. সে. ৬৫৮৮)
বর্ণনাকারীঃ জুনদুব ইবনু ‘আবদুল্লাহ (রাঃ)
বাংলা অনুবাদ
তিনি বলেন, ছোটবেলা আমরা কূফাতে ছিলাম। তখন জুনদুব (রাঃ) বলেন যে, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ তোমরা কুরআন পাঠ করতে থাকো...... তাঁদের দু‘জনের হাদীসের ন্যায়। (ই. ফা. ৬৫৩৭, ই. সে. ৬৫৮৯)
বর্ণনাকারীঃ আবূ ‘ইমরান (রাঃ)
বাংলা অনুবাদ
রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ আল্লাহর নিকট সর্বাপেক্ষা মন্দ সে লোক, যে সর্বাপেক্ষা বাক-বিতণ্ডাকারী। (ই.ফা. ৬৫৩৮, ই. সে. ৬৫৯০)
বর্ণনাকারীঃ ‘আয়িশাহ্ (রাঃ)
বাংলা অনুবাদ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ তোমরা তোমাদের আগের লোকের নীতি-আদর্শ পুরোপুরিভাবে অনুকরণ করবে, এক বিঘত এক বিঘতের সঙ্গে ও হাত হাতের সঙ্গে, এমনকি তারা যদি গোসর্পের গর্তে ঢুকে থাকে তবুও তোমরা...
বর্ণনাকারীঃ আবূ সাঈদ আল খুদরী (রাঃ)
বাংলা অনুবাদ
যায়দ ইবনু আসলাম (রহঃ) হতে আমাদের কিছু সংখ্যক সহাবা (রাঃ) এ সূত্রে তার হুবহু হাদীস বর্ণনা করেছেন। (ই. ফা. ৬৫৩৯, ই. সে. ৬৫৯২)
বর্ণনাকারীঃ যায়দ ইবনু আসলাম (রহঃ)
মূল আরবি
قَالَ أَبُو إِسْحَاقَ إِبْرَاهِيمُ بْنُ مُحَمَّدٍ حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ يَحْيَى، حَدَّثَنَا ابْنُ أَبِي مَرْيَمَ، حَدَّثَنَا أَبُو غَسَّانَ، حَدَّثَنَا زَيْدُ بْنُ أَسْلَمَ، عَنْ عَطَاءِ بْنِ يَسَارٍ، . وَذَكَرَ الْحَدِيثَ نَحْوَهُ .
বাংলা অনুবাদ
‘আতা ইবনু ইয়াসার (রহঃ)-এর সানাদে যায়দ ইবনু আসলাম (রহঃ) তাঁর হুবহু হাদীস উল্লেখ করেছেন। (ই. ফা. ৬৫৩৯, ই. সে. ৬৫৯৩)
বর্ণনাকারীঃ ‘আতা ইবনু ইয়াসার (রহঃ)
মূল আরবি
حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، حَدَّثَنَا حَفْصُ بْنُ غِيَاثٍ، وَيَحْيَى بْنُ سَعِيدٍ، عَنِ ابْنِ، جُرَيْجٍ عَنْ سُلَيْمَانَ بْنِ عَتِيقٍ، عَنْ طَلْقِ بْنِ حَبِيبٍ، عَنِ الأَحْنَفِ بْنِ قَيْسٍ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " هَلَكَ الْمُتَنَطِّعُونَ " . قَالَهَا ثَلاَثًا .
বাংলা অনুবাদ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ অতিরিক্ত চাটুকারীরা ধ্বংসপ্রাপ্ত হয়ে গেছে। তিনি এ কথাটি তিনবার বলেছেন। (ই. ফা. ৬৫৪০, ই. সে. ৬৫৯৪)
বর্ণনাকারীঃ ‘আবদুল্লাহ ইবনু মাস‘উদ (রাঃ)
বাংলা অনুবাদ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ কিয়ামাতের নিদর্শনসমূহের অন্যতম নিদর্শন হলো ‘ইলম উঠে যাওয়া, অজ্ঞতা সাব্যস্ত হওয়া, মদ্যপান ও যিনার প্রসার ঘটা। (ই. ফা. ৬৫৪১, ই. সে. ৬৫৯৫)
বর্ণনাকারীঃ আনাস ইবনু মালিক (রাঃ)
মূল আরবি
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ الْمُثَنَّى، وَابْنُ، بَشَّارٍ قَالاَ حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ جَعْفَرٍ، حَدَّثَنَا شُعْبَةُ، سَمِعْتُ قَتَادَةَ، يُحَدِّثُ عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ، قَالَ أَلاَ أُحَدِّثُكُمْ حَدِيثًا سَمِعْتُهُ مِنْ، رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم لاَ يُحَدِّثُكُمْ أَحَدٌ بَعْدِي سَمِعَهُ مِنْهُ " إِنَّ مِنْ أَشْرَاطِ السَّاعَةِ أَنْ يُرْفَعَ الْعِلْمُ وَيَظْهَرَ الْجَهْلُ وَيَفْشُوَ الزِّنَا وَيُشْرَبَ الْخَمْرُ وَيَذْهَبَ الرِّجَالُ وَتَبْقَى النِّسَاءُ حَتَّى يَكُونَ لِخَمْسِينَ امْرَأَةً قَيِّمٌ وَاحِدٌ " .
বাংলা অনুবাদ
তিনি বলেন, আমি কি তোমাদের নিকট এমন একটি হাদীস আলোচনা করব, যা আমি রসূলুল্লাহ(সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলতে শুনেছি এবং আমার পরে এমন কেউ তা তোমাদের নিকট উল্লেখ করবে না যিনি সরাসরি তার কাছ থেকে তা শুনতে পেয়েছে? আমি তাঁর নিকট শুনেছি যে, কিয়ামাতের নিদর্শনসমূহের অন্যতম হচ্ছে ‘ইলম উঠিয়ে দেয়া, অজ্ঞতার বহিঃপ্রকাশ, ব্যভিচার প্রসার হবে, মদ্যপান প্রচলিত হবে, পুরুষ (-এর সংখ্যা) হ্রাস পাবে, নারীরা অবশিষ্ট থাকবে, এমনকি পঞ্চাশজন নারী একজন পুরুষের তত্ত্বাবধানে থাকবে। (ই.ফা. ৬৫৪২, ই. সে. ৬৫৯৬)
বর্ণনাকারীঃ আনাস ইবনু মালিক (রাঃ)
মূল আরবি
حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ بِشْرٍ، ح وَحَدَّثَنَا أَبُو كُرَيْبٍ، حَدَّثَنَا عَبْدَةُ، وَأَبُو أُسَامَةَ كُلُّهُمْ عَنْ سَعِيدِ بْنِ أَبِي عَرُوبَةَ، عَنْ قَتَادَةَ، عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم . وَفِي حَدِيثِ ابْنِ بِشْرٍ وَعَبْدَةَ لاَ يُحَدِّثُكُمُوهُ أَحَدٌ بَعْدِي سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَقُولُ فَذَكَرَ بِمِثْلِهِ .
বাংলা অনুবাদ
আনাস (রাঃ)-এর সানাদে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে হুবহু হাদীস রিওয়ায়াত করেছেন। ইবনু বিশ্র ও ‘আব্দাহ্ (রহঃ)-এর বর্ণিত হাদীসে রয়েছে, ‘তা তোমাদের নিকট আমার পরে কেউ উল্লেখ করবে না।’ আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলতে শুনেছি যে, ......এরপর তিনি (‘আবদাহ্) তার হুবহু হাদীস উল্লেখ করেছেন। (ই. ফা. ৬৫৪৩, ই. সে. ৬৫৯৭)
বর্ণনাকারীঃ আনাস (রাঃ)-এর সানাদে নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)
মূল আরবি
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ نُمَيْرٍ، حَدَّثَنَا وَكِيعٌ، وَأَبِي، قَالاَ حَدَّثَنَا الأَعْمَشُ، ح وَحَدَّثَنِي أَبُو سَعِيدٍ الأَشَجُّ، - وَاللَّفْظُ لَهُ - حَدَّثَنَا وَكِيعٌ، حَدَّثَنَا الأَعْمَشُ، عَنْ أَبِي وَائِلٍ، قَالَ كُنْتُ جَالِسًا مَعَ عَبْدِ اللَّهِ وَأَبِي مُوسَى فَقَالاَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " إِنَّ بَيْنَ يَدَىِ السَّاعَةِ أَيَّامًا يُرْفَعُ فِيهَا الْعِلْمُ وَيَنْزِلُ فِيهَا الْجَهْلُ وَيَكْثُرُ فِيهَا الْهَرْجُ وَالْهَرْجُ الْقَتْلُ " .
বাংলা অনুবাদ
তিনি বলেন, আমি ‘আবদুল্লাহ ও আবূ মূসা আশ‘আরী (রাঃ)-এর সাথে বসে ছিলাম। তাঁরা উভয়ে বললেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ কিয়ামাতের সন্নিকটকালে এমন কিছু সময় আসবে যখন ‘ইল্ম তুলে নেয়া হবে। সে সময় অজ্ঞতা নেমে আসবে এবং ‘হার্জ’ বৃদ্ধি পাবে। ‘হার্জ’ মানে হত্যা। (ই. ফা. ৬৫৪৪, ই. সে. ৬৫৯৮)
বর্ণনাকারীঃ আবূ ওয়ায়িল (রাঃ)
বাংলা অনুবাদ
উভয়ে বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এমনই বলেছেন। কাসিম ইবনু যাকারিয়্যা (রহঃ)...... শাকীক (রহঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি ‘আবদুল্লাহ (রাঃ) ও আবূ মূসা আশ‘আরী (রাঃ)-এর সাথে বসে ছিলাম। এহেন মুহূর্তে হা...
বর্ণনাকারীঃ ‘আবদুল্লাহ ও আবূ মূসা আল আশ‘আরী (রাঃ)
বাংলা অনুবাদ
আবূ মূসা (রাঃ)-এর সানাদে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হতে হুবহু হাদীস বর্ণনা করেছেন। (ই.ফা. ৬৫৪৬, ই. সে. ৬৬০০)
বর্ণনাকারীঃ আবূ মূসা (রাঃ)-এর সানাদে নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)
বাংলা অনুবাদ
তিনি বলেন, আমি ‘আবদুল্লাহ (রাঃ) ও আবূ মূসা (রাঃ)-এর সাথে বসে ছিলাম। এমন সময় তাঁরা হাদীস বর্ণনা করছিলেন। তখন আবূ মূসা (রাঃ) বললেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তার হুবহু হাদীস বলেছেন। (ই. ফা. ৬৫৪৭, ই. সে....
বর্ণনাকারীঃ আবূ ওয়ায়িল (রাঃ)
বাংলা অনুবাদ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ কিয়ামাত সন্নিকটবর্তী হলে ‘ইল্ম উঠিয়ে নেয়া হবে, ফিতনা প্রসার হবে, কৃপণতা বেড়ে যাবে এবং ‘হার্জ’ বৃদ্ধি পাবে। লোকেরা বলল, ‘হার্জ’ কি? তিনি বললেন, কত্ল (হত্যা...
বর্ণনাকারীঃ আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ)
মূল আরবি
حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ الدَّارِمِيُّ، أَخْبَرَنَا أَبُو الْيَمَانِ، أَخْبَرَنَا شُعَيْبٌ، عَنِ الزُّهْرِيِّ، حَدَّثَنِي حُمَيْدُ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ الزُّهْرِيُّ، أَنَّ أَبَا هُرَيْرَةَ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " يَتَقَارَبُ الزَّمَانُ وَيُقْبَضُ الْعِلْمُ " . ثُمَّ ذَكَرَ مِثْلَهُ .
বাংলা অনুবাদ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যামানা সন্নিকটবর্তী হবে, ‘ইলম্ উঠিয়ে নেয়া হবে। তারপর তার হুবহু হাদীস উল্লেখ করেন। (ই. ফা. ৬৫৪৯, ই. সে. ৬৬০৩)
বর্ণনাকারীঃ আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ)
মূল আরবি
حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الأَعْلَى، عَنْ مَعْمَرٍ، عَنِ الزُّهْرِيِّ، عَنْ سَعِيدٍ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم قَالَ " يَتَقَارَبُ الزَّمَانُ وَيَنْقُصُ الْعِلْمُ " . ثُمَّ ذَكَرَ مِثْلَ حَدِيثِهِمَا .
বাংলা অনুবাদ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: যামান সন্নিকটবর্তী হলে ‘ইল্ম তুলে নেয়া হবে। তারপর মা‘মার (রহঃ) তাঁদের [ইউনুস ও শু‘আয়ব (রহঃ)-এর] হাদীসের হুবহু বর্ণনা করেন। (ই.ফা. ৬৫৫০, ই.সে. ৬৬০৪)
বর্ণনাকারীঃ আবূ হুরাইরাহ্
বাংলা অনুবাদ
তিনি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হতে বর্ণনা করেন, যুহরী হুমায়দ হতে আবূ হুরায়রা্ (রাঃ)-এর সানাদে বর্ণিত হাদীসের অবিকল। তবে সালিম, হাম্মাম ও আবূ ইউনুস (রহঃ) (আরবী) (কৃপণতা বিস্তৃত হয়ে পড়বে) কথাটি উল্লখ করেননি। (...
বর্ণনাকারীঃ আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ)
বাংলা অনুবাদ
তিনি বলেন, আমি ‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘আম্র ইবনুল ‘আস (রাঃ)-কে বলতে শুনেছি। তিনি বলেন যে, আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলতে শুনেছি। তিনি বলেছেন, নিশ্চয় আল্লাহ তা‘আলা মানুষের হতে ‘ইল্ম ছিনিয়ে নেবেন না।...
বর্ণনাকারীঃ ‘উরওয়াহ্ (রহঃ)
বাংলা অনুবাদ
জারীর-এর হাদীসের অবিকল বর্ণিত। হিশাম ইবনু ‘উরওয়াহ্ (রহঃ) ‘উমার ইবনু ‘আলী (রহঃ)-এর বর্ণিত হাদীসে এ অংশটুকু বর্ধিত বলেছেন- ‘এরপর আমি (ইবনু ‘উরওয়াহ্) এক বৎসরের মাথায় (পরে)’ ‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘আম্র (রাঃ)-এর সাথে সাক্ষাৎ করলাম...
বর্ণনাকারীঃ ‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘আমর (রাঃ)-এর সানাদে নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)
মূল আরবি
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ الْمُثَنَّى، حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ حُمْرَانَ، عَنْ عَبْدِ الْحَمِيدِ بْنِ جَعْفَرٍ، أَخْبَرَنِي أَبِي جَعْفَرٌ، عَنْ عُمَرَ بْنِ الْحَكَمِ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَمْرِو بْنِ الْعَاصِ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم بِمِثْلِ حَدِيثِ هِشَامِ بْنِ عُرْوَةَ .
বাংলা অনুবাদ
হিশাম ইবনু ‘উরওয়াহ্ বর্ণিত হাদীসের অনুরূপ। (ই.ফা. ৬৫৫৪, ই.সে. ৬৬০৮)
বর্ণনাকারীঃ ‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘আম্র ইবনুল ‘আস (রাঃ)
মূল আরবি
حَدَّثَنَا حَرْمَلَةُ بْنُ يَحْيَى التُّجِيبِيُّ، أَخْبَرَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ وَهْبٍ، حَدَّثَنِي أَبُو شُرَيْحٍ، أَنَّ أَبَا الأَسْوَدِ، حَدَّثَهُ عَنْ عُرْوَةَ بْنِ الزُّبَيْرِ، قَالَ قَالَتْ لِي عَائِشَةُ يَا ابْنَ أُخْتِي بَلَغَنِي أَنَّحَمَلَ عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم عِلْمًا كَثِيرًا - قَالَ - فَلَقِيتُهُ فَسَاءَلْتُهُ عَنْ أَشْيَاءَ يَذْكُرُهَا عَنْ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم . قَالَ عُرْوَةُ فَكَانَ فِيمَا ذَكَرَ أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم قَالَ " إِنَّ اللَّهَ لاَ يَنْتَزِعُ الْعِلْمَ مِنَ النَّاسِ انْتِزَاعًا وَلَكِنْ يَقْبِضُ الْعُلَمَاءَ فَيَرْفَعُ الْعِلْمَ مَعَهُمْ وَيُبْقِي فِي النَّاسِ رُءُوسًا جُهَّالاً يُفْتُونَهُمْ بِغَيْرِ عِلْمٍ فَيَضِلُّونَ وَيُضِلُّونَ " . قَالَ عُرْوَةُ فَلَمَّا حَدَّثْتُ عَائِشَةَ بِذَلِكَ أَعْظَمَتْ ذَلِكَ وَأَنْكَرَتْهُ قَالَتْ أَحَدَّثَكَ أَنَّهُ سَمِعَ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم يَقُولُ هَذَا قَالَ عُرْوَةُ حَتَّى إِذَا كَانَ قَابِلٌ قَالَتْ لَهُ إِنَّ ابْنَ عَمْرٍو قَدْ قَدِمَ فَالْقَهُ ثُمَّ فَاتِحْهُ حَتَّى تَسْأَلَهُ عَنِ الْحَدِيثِ الَّذِي ذَكَرَهُ لَكَ فِي الْعِلْمِ - قَالَ - فَلَقِيتُهُ فَسَاءَلْتُهُ فَذَكَرَهُ لِي نَحْوَ مَا حَدَّثَنِي بِهِ فِي مَرَّتِهِ الأُولَى . قَالَ عُرْوَةُ فَلَمَّا أَخْبَرْتُهَا بِذَلِكَ قَالَتْ مَا أَحْسِبُهُ إِلاَّ قَدْ صَدَقَ أَرَاهُ لَمْ يَزِدْ فِيهِ شَيْئًا وَلَمْ يَنْقُصْ .
বাংলা অনুবাদ
তিনি বলেন, আমাকে ‘আয়িশা (রাঃ) বললেন, হে আমার বোনের ছেলে! আমার নিকট সংবাদ এসেছে যে, ‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘আম্র (রাঃ) আমাদের সাথে হাজ্জব্রত পালনে এসেছেন। তাঁর সাথে তুমি দেখা করে প্রশ্ন করো। কেননা, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে তিনি বহু জ্ঞানার্জন করেছেন।
তিনি (‘উরওয়াহ্) বলেন, এমন সময় আমি তাঁর সাথে দেখা করে এমন বহু ব্যাপারে প্রশ্ন করলাম, যা তিনি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হতে উল্লেখ করেছেন। ‘উরওয়াহ্ (রহঃ) বলেন, যা তিনি আলোচনা করেছিলেন সে সকল বিষয়ের মধ্যে একটি ছিল এই যে, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ আল্লাহ তা‘আলা মানুষের নিকট থেকে ইল্ম কেড়ে নিবেন না। তবে তিনি ‘আলিমদের উঠিয়ে নিয়ে যাবেন। সুতরাং তাদের সাথে ‘ইল্মও উঠে যাবে। আর মানুষের মধ্যে অবশিষ্ট থাকবে মূর্খ নেতাকর্মীরা। তারা না জেনে-শুনে মানুষদের ফাতাওয়া দিবে। ফলে তারা পথভ্রষ্ট হবে এবং তাদেরও পথভ্রষ্ট করবে।
‘উরওয়াহ্ (রহঃ) বলেন, আমি যখন এ হাদীসটি ‘আয়িশা (রাঃ)-এর নিকট বর্ণনা করলাম তখন তিনি হাদীসটিকে গুরুত্বপূর্ণ মনে করলেন এবং বিরত্তিভাব প্রকাশ করে বললেন, তিনি [‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘আম্র (রাযি] কি তোমার কাছে হাদীস বর্ণনা করেছেন যে, তিনি কি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে এটি বলতে শুনেছেন?
‘উরওয়াহ্ (রহঃ) বললেন, এমনকি পরবর্তী বৎসর হাজ্জের সময় এসে গেলো তখন তিনি তাকে [‘উরওয়াহ্ (রহঃ)-কে] বললেন, অবশ্যই ইবনু ‘আম্র (রাঃ) (হাজ্জে) গমন করেছেন। তার সাথে দেখা করো। তারপর তাকে তুমি সে হাদীসের ব্যাপারে প্রশ্ন করো ‘ইল্ম সম্পর্কে তিনি তোমার নিকট আলোচনা করেছেন। ‘উরওয়াহ্ (রহঃ) বললেন, তখন আমি তার সাথে সাক্ষাৎ করে তাঁকে প্রশ্ন করলাম। তখন তিনি তা আমার নিকটে আলোচনা করলেন, যেমন তিনি প্রথমবার আমার কাছে বর্ণনা করেছিলেন।
‘উরওয়াহ্ বলেন, যখন আমি তাঁকে [‘আয়িশা (রাঃ)-কে] বিষয়টি অবহিত করলাম তখন তিনি বললেন, আমি ‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘আম্র (রাঃ)-কে সত্য কথা বলে এমনটি মনে করি এবং তিনি এ হাদীসে বিন্দুমাত্র বেশি কিংবা কম করেননি। (ই.ফা. ৬৫৫৫, ই.সে. ৬৬০৯)
বর্ণনাকারীঃ ‘উরওয়াহ্ ইবনু যুবায়র (রহঃ)
বাংলা অনুবাদ
তিনি বলেন, কিছু সংখ্যক যাযাবর রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকটে আসলো। তাদের পরনে পশমী পোশাক ছিল। তিনি তাদের নিকৃষ্ট অবস্থা দেখলেন। তাদের অভাবে আক্রমণ করেছে। তখন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া স...
বর্ণনাকারীঃ জারীর ইবনু ‘আবদুল্লাহ (রাঃ)
বাংলা অনুবাদ
তিনি বলেন, একবার রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) খুতবাহ্ দিলেন এবং মানুষদেরকে দান করার জন্য উৎসাহ প্রদান করলেন। এরপর জারীর বর্ণিত হাদীসের হুবহু বর্ণনানুযায়ী। (ই.ফা. ৬৫৫৭, ই.সে. ৬৬১১)
বর্ণনাকারীঃ জারীর (রাঃ)
বাংলা অনুবাদ
রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ কোন লোক কোন ভাল কর্মের প্রবর্তন করে না, যা পরবর্তীকালে কাজে পরিণত করা হয়। তারপর তিনি সম্পূর্ণ হাদীসটি বর্ণনা করেন। (ই.ফা. ৬৫৫৮, ই.সে. ৬৬১২)
বর্ণনাকারীঃ জারীর ইবনু ‘আবদুল্লাহ (রাঃ)
বাংলা অনুবাদ
মুহাম্মাদ ইবনুল মুসান্না, আবূ বকর ইবনু আবূ শাইবাহ্ ও ‘উবাইদুল্লাহ ইবনু মু’আয (রহঃ) ..... জারীর (রাঃ)-এর সানাদে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হতে এ হাদীসের অবিকল বর্ণনা করেছেন। (ই.ফা. ৬৫৫৯, ই.সে. ৬৬১৩)
বর্ণনাকারীঃ জারীর (রাঃ)-এর সানাদে নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)
বাংলা অনুবাদ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যে লোক সঠিক পথের দিকে ডাকে তার জন্য সে পথের অনুসারীদের প্রতিদানের সমান প্রতিদান রয়েছে। এতে তাদের প্রতিদান হতে সামান্য ঘাটতি হবে না। আর যে লোক বিভ্রান্তির দ...
বর্ণনাকারীঃ আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ)
