সুনান ইবনে মাজাহ
আযান ও তার সুন্নাত
অধ্যায় 3
৭০৬ - ৭৩৪
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) শিঙ্গাধ্বনি করার মনস্থ করেন এবং ঢোল বাজিয়ে লোকেদের (সলাতের জন্য) ডাকার নির্দেশ দেন। এরপর আবদুল্লাহ বিন যায়দ...
আব্দুল্লাহ বিন যায়দ (রাঃ)
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সালাতের জন্য সমবেত করার ব্যাপারে সহাবীদের সাথে পরামর্শ করেন। তারা শিঙ্গার কথা উল্লেখ করেন, কিন্তু এটি ইহুদীদের যন্ত্র বলে...
আবদুল্লাহ বিন উমার (রাঃ)
(আবদুল্লাহ বিন মুহায়রীয়) ইয়াতীম হিসেবে আবূ মাহযূরা (রাঃ) এর তত্ত্বাবধানে থাকা অবস্থায় তিনি আমাকে সিরিয়ার দিকে পাঠান। তখন আমি আবূ মাহযূরাহ (রাঃ) কে বললাম,...
আবূ মাহযূরাহ (রাঃ)
আবূ মাহযূরা (রাঃ) তাকে বলেন যে, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাকে আযানের ঊনিশটি এবং ইকামতের সতেরটি বাক্য শিক্ষা দিয়েছেন। আযানের বাক্যগুলো হলোঃ আল্লাহু...
আবদুল্লাহ বিন মুহাইরীয (রাঃ)
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বিলাল (রাঃ)– কে তার দু’কানের ছিদ্রে তার দু’ আঙ্গুল প্রবিষ্ট করার নির্দেশ দেন এবং বলেন, তাতে তোমার কণ্ঠস্বর আরো...
সা’দ বিন আয়েয (রাঃ)
আমি আল-আবতাহ (মিনা) নামক উপত্যকায় রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর নিকট এলাম। তিনি তখন একটি লাল তাঁবুর মধ্যে অবস্থান করছিলেন। বিলাল বেরিয়ে এসে...
আবূ জুহায়ফা (রাঃ)
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, মুয়াযযিনের কাঁধে মুসলিমদের দুটি বিষয় অর্পিতঃ তাদের সালাত ও সাওম। [৭১০]
ইবনু উমার (রাঃ)
তিনি বলেন, ওয়াক্ত হলে বিলাল (রাঃ) কখনো আযান দিতে বিলম্ব করতেন না। তবে তিনি কখনো ইকামতে কিছুটা বিলম্ব করতেন। [৭১১]
জাবির বিন সামুরা (রাঃ)
তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমার থেকে সর্বশেষ যে অঙ্গীকার গ্রহণ করেছেন তা হলোঃ আমি যেন বেতনভুক্ত মুয়াযযিন নিয়োগ না করি। [৭১২]
উসমান বিন আবূল আস (রাঃ)
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) – আমাকে ফজরের সলাতে তাসবীব করার নির্দেশ দেন এবং ইশার সালাতে তাসবীব করতে নিষেধ করেন। [৭১৩]
বিলাল (রাঃ)
তিনি ফজরের সালাত সম্পর্কে অবহিত করার জন্য নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর নিকট এলেন। তাকে বলা হলো যে, তিনি ঘুমিয়ে আছেন। তখন বিলাল...
বিলাল (রাঃ)
তিনি বলেন, আমি এক সফরে রসূ্লুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সাথে ছিলাম। তিনি আমাকে নির্দেশ দিলে আমি আযান দিলাম। বিলাল (রাঃ) ইকামাত দিতে চাইলে...
যিয়াদ ইবনুল হারিস আস-সুদাঈ (রাঃ)
তিনি বলেন, রসূ্লুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, মুয়াযযিন যখন আযান দেয়, তখন তোমরা তার কথার অনুরূপ বলো। [৭১৬]
আবূ হুরায়রাহ (রাঃ)
তার পালার দিন ও রাতে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যখন তার নিকট অবস্থান করতেন তখন তিনি তাঁকে মুয়ায্যিনের আযান শুনে তার অনুরূপ বলতে...
উম্মু হাবীবাহ (রহঃ)
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, তোমরা যখন আযান শুনতে পাও, তখন মুয়ায্যিন যা বলে তোমরাও তা বলো। [৭১৮]
আবূ সাঈদ আল-খুদরী (রাঃ)
তিনি বলেন, কোন ব্যক্তি মুয়ায্যিনের আযান শোনার পর নিম্নোক্ত দুআ’ পড়লে তার গুনাহ ক্ষমা করা হবেঃ “আমি সাক্ষ্য দেই যে, আল্লাহ ছাড়া কোন ইলাহ...
সা’দ বিন আবূ ওয়াক্কাস (রাঃ)
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, কোন ব্যক্তি মুয়ায্যিনের আযান শুনে নিম্নোক্ত দু’আ পড়লে তাঁর জন্য কিয়ামাতের দিন শাফাআত অবধারিত হবেঃ “হে...
জাবির বিন আবদুল্লাহ (রাঃ)
আবূ সাঈদ (রাঃ) আমাকে বলেছেন, যখন তুমি গ্রামে বা বন-জঙ্গলে থাকবে, তখন উচ্চৈঃস্বরে আযান দিবে। কেননা আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কে বলতে...
আবদুর রহমান বিন আবূ সা’সাআহ
তিনি বলেন, আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কে নিজ মুখে বলতে শুনেছিঃ মুয়াযযিনের আযান ধ্বনি যত দূর পর্যন্ত পৌছবে, তত দূর তাঁকে ক্ষমা...
আবূ হূরায়রাহ (রাঃ)
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, কিয়ামাতের দিন মুয়াযযিনগণ লোকদের মাঝে সুদীর্ঘ ঘাড়বিশিষ্ট হবে। [৭২৩]
মুআবিয়াহ বিন আবূ সুফ্ইয়ান (রাঃ)
তিনি বলেন, রসূলূল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, অবশ্যই তোমাদের মধ্যকার উত্তম ব্যক্তি আযান দিবে এবং তোমাদের মধ্যকার উত্তম কারী (কুরআন বিশেষজ্ঞ) ইমামতি করবে।...
ইবনু আব্বাস (রাঃ)
রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, যে ব্যক্তি নেকীর আশায় সাত বছর আযান দেয় আল্লাহ তাঁকে জাহান্নাম থেকে মুক্তির সনদ লিখে দেন। [৭২৫]
ইবনু আব্বাস (রাঃ)
রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন, যে ব্যক্তি বারো বছর আযান দেয় তার জন্য জান্নাত অবধারিত হয়ে যায়। আর প্রতি দিনের আযান বিনিময়ে তার...
ইবনু উমার (রাঃ)
সাহাবীগণ সলাতের ওয়াক্তের সংকেতবাহী কোন পন্থা খুঁজছিলেন। তখন বিলাল (রাঃ)-কে আযানের শব্দাবলী দু’বার করে এবং ইকামতের শব্দাবলী একবার করে বলার নির্দেশ দেয়া হয়। [৭২৭]
আনাস বিন মালিক (রাঃ)
বিলাল (রাঃ)-কে আযানের শব্দাবলী জোড়া সংখ্যায় এবং ইকামাতের শব্দাবলী বেজোড় সংখ্যায় বলার নির্দেশ দেয়া হয়। [৭২৮]
আনাস (রাঃ)
বিলাল (রাঃ) আযানের শব্দাবলী দু’বার করে এবং ইকামতের শব্দাবলী একবার করে উচ্চারণ করতেন। [৭২৯]
সা’দ বিন আয়েয (রাঃ)
আমি বিলাল (রাঃ)-কে দেখেছি যে, তিনি রাসূলূল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর উপস্থিতিতে আযানের প্রতিটি বাক্য দু’বার করে এবং ইকামতের প্রতিটি বাক্য একবার করে বলেছেন।...
আবূ রাফি’ (রাঃ)
আমরা আবূ হুরায়রাহ (রাঃ)-এর সাথে মাসজিদে বসা ছিলাম। মুয়ায্যিন আযান দিলে পর এক ব্যক্তি মাসজিদ থেকে ঊঠে চলে যেতে থাকে। আবূ হুরায়রাহ (রাঃ)–এর দৃষ্টি...
আবূশ-শা’সা’ (রাঃ)
তিনি বলেন, রসূলূল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, মাসজিদে আযান হয়ে যাওয়ার পর যে ব্যক্তি বিনা প্রয়োজনে বেরিয়ে যাবে এবং তার ফিরে আসার ইচ্ছা...
উসমান (রাঃ)
