রাম তার উজ্জ্বল তরবারি-নিষ্কোষিত করে শম্বুকের মুণ্ড কেটে ফেললেন। তৎক্ষণাৎ দেবতারা রামের উপরে পুষ্পবৃষ্টি করলেন, তাঁর এই কর্মের প্রশংসা করলেন এবং বললেন রাম দৈবকার্য সাধিত করছেন।
চতুরতার আড়ালে শ্রীল প্রভুপাদ ধর্ম প্রচার করতেন এবং এমন কিছু মন্তব্য উনি করেছেন কিংবা ইসকন থেকে প্রকাশিত বিভিন্ন বইতে তিনি এমন এমন কথা বলেছেন যে উনাকে ভন্ড বলতেও অনেকে পিছপা হবেন না।
সেই আদিকাল থেকে পৃথিবীর তাবৎ ধর্মপ্রচারকরা জোর দিয়েছেন শান্তি, ভালবাসা, সেবা ও পরােপকারের উপর, আদেশ দিয়েছেন হিংসা ও দ্বেষ, লােভ ও সহিংসতা পরিহার করতে
মানুষের স্বভাব হওয়া উচিত অবিশ্বাস, অবিশ্বাস হচ্ছে আলো; বিশ্বাস মানুষকে পরিণত করে জড়বস্তুতে। তবে বিশ্বাস শুরু থেকেই রাজনীতি; সমাজপ্রভুরা বিশ্বাসকে ব্যবহার করে
একটি কথা প্রায়ই শোনা যায় আজকাল, কথাটি হচ্ছে ধর্মানুভূতি। কথাটি সাধারণত একলা উচ্চারিত হয় না, সাথে জড়িয়ে থাকে 'আহত' ও 'আঘাত' কথা দুটি; শোনা যায় 'ধর্মানুভূতি আহত' হওয়ার বা 'ধর্মানুভূতিতে আঘাত' লাগার কথা
তাফসীর সমূহ থেকে আমরা জানতে পারি যে সৃষ্টিকর্তার ব্যাপারে যদি কেউ মুসলমানদের সাথে ভিন্ন মত পোষণ করে তবে সে একজন অপরাধী এবং এই অপরাধের একমাত্র শাস্তি হল মৃত্যুদণ্ড। এবং এই শাস্তি মউকুফের একমাত্র পন্থা হল জিজিয়া
কোনও সর্বত্র বিরাজমান , সর্বজ্ঞ ঈশ্বরের ওপরে আমার বিশ্বাস নেই। এটা আমার উদ্ধত গর্ব আর অহংকারের জন্য কিনা তা নিয়ে বিতর্ক হতে পারে। আমি কখনই ভাবিনি যে কোনও দিন আমি এইধরনের বাদানুবাদে জড়িয়ে পড়ব
ছেলেগুলো শিবির সদস্য, তাদের রমজানের কার্যক্রম হচ্ছে রাস্তায় রাস্তায় ওয়াজ নসিহত করা। রোজা রাখার জন্য, নামাজ পড়ার জন্য চাপাচাপি করা। আল্লাহর ঠ্যাঙানির ভয় দেখানো
এরাই হচ্ছে ইসলামি বিজ্ঞানী, এরাই হচ্ছে আগামীর আল্লামা সাইদী। সমস্যা আসলে এদের নয়, আমাদের শিক্ষার কাঠামোই এরকম যে, এইসব ছেলেপেলে গণ্ডায় গণ্ডায় সৃষ্টি হচ্ছে।