ব্রহ্মবৈবর্ত পুরাণের কৃষ্ণ, ভ্রষ্ট ব্রাহ্মণ্যবাদের চরম পৃষ্ঠপোষক
হিন্দুদের ব্রহ্মবৈবর্ত নামে একটি পুরাণ রয়েছে। এই ব্রহ্মবৈবর্ত পুরাণে কৃষ্ণকে ভ্রষ্ট ব্রাহ্মণ্যবাদের চরম পৃষ্ঠপোষক রূপে দেখা যায়
পড়ুনহিন্দুধর্ম বা সনাতন ধর্ম বিশ্বের অন্যতম প্রাচীন ও প্রধান একটি জীবিত ধর্ম, যার নির্দিষ্ট কোনো একক প্রতিষ্ঠাতা বা কেন্দ্রীয় কর্তৃপক্ষ নেই।
হিন্দুদের ব্রহ্মবৈবর্ত নামে একটি পুরাণ রয়েছে। এই ব্রহ্মবৈবর্ত পুরাণে কৃষ্ণকে ভ্রষ্ট ব্রাহ্মণ্যবাদের চরম পৃষ্ঠপোষক রূপে দেখা যায়
পড়ুন
সম্মুখ-সমরে বালীকে হারাবার শক্তি বা সে শক্তি সম্বন্ধে আত্মবিশ্বাস রামের ছিল না। এটা এক যশস্বী ক্ষত্রিয়বীরের পক্ষে গ্লানিকর।কাজটা কাপুরুষোচিত
পড়ুন
বিভিন্ন দেবতারা তাদের কামুকতা, লাম্পট্য, ধর্ষকামীতা প্রভৃতির জন্য যখন এই কলিযুগে নানা সমালোচকদের সমালোচনার মুখে পড়ছেন , তখনও শিব সংযমী দেবতা হিসেবেই প্রতিষ্ঠিত হয়ে আছেন।
পড়ুন
মহাভারতের নায়ক পান্ডবদের আমরা অত্যাচারিত, প্রতিবাদী এবং ধর্মের স্বরূপ ভাবতে ভালোবাসি।
পড়ুন
বৈজ্ঞানিকেরা টেস্টটিউবের মাধ্যমে বাচ্চার জন্ম দিচ্ছেন, তারা প্রমাণ করতে উঠেপড়ে লেগেছে যে, তাদের পূর্বপুরুষেরা তো হাজার হাজার বছর আগেই এসব আবিষ্কার করে ফেলেছিল
পড়ুন
প্রাচীন সংস্কৃত সাহিত্যে এমন অনেক প্রমাণ পাওয়া যায়, যা থেকে নিশ্চিত হওয়া যায় যে গরুকে শুধু যে যজ্ঞে বলি হিসাবে হত্যা করা হত তাই নয় বরং বিশেষ অতিথি, বেদজ্ঞ প্রভৃতিকে আপ্যায়ণ করারও জন্যও গোমাংসের ব্যবস্থা করা হত
পড়ুন
কোন মন্ত্র উচ্চারণ করিয়া দেবতাকে ডাকিলে সিদ্ধিলাভ হয়— আমার এ বিশ্বাস কদাপি ছিল না, এখনও নাই ; আমার মতে উহা একটি মধ্যযুগীয় কুসংস্কার মাত্র।
পড়ুন
হায়দ্রাবাদে বিশ্বশান্তির জন্য অশ্বমেধ যজ্ঞ করা হয়েছিল। ধর্মের ধান্দাবাজেরা কিভাবে মানুষকে বোকা বানায় তার অনুমান করা যায় যে, যজ্ঞের অনুষ্ঠানে না শান্তি আছে
পড়ুন
প্রাচীন ভারতীয় সাহিত্যে আশ্চর্যজনক এবং বিভৎস তথ্য জানা যায়, যেমন গোহত্যা, গোমাংস ভোজন, চর্বি দিয়ে হবন করা, আলাদা আলাদা মাংসে দেবতা এবং পিতৃদের তৃপ্তির সময়কাল নির্ধারণ করা
পড়ুন
আলবিরুনী একাদশ শতাব্দীর লোক ছিলেন। আলবিরুনির ভারত ভ্রমণের বিবরণ হতে জানা যায়, হিন্দুরা আগে গোমাংস খেত। যজ্ঞে গরু বলি দেওয়া হত
পড়ুন
প্রাচীনকালে অতিথির সৎকারের জন্য গোহত্যা করা হত। তাই অতিথির নাম হয়েছিল গোঘ্ন।
পড়ুন
সংস্কৃত সাহিত্য থেকে জানা যাচ্ছে আশ্চর্যজনক সব কথা। বাল্মীকি তার আশ্রমে ঋষি বশিষ্ঠকে আপ্যায়ন করলেন গোমাংস দিয়ে। রামের পিতা দশরথের মেনুতে থাকতো গোমাংস , তা দিয়ে চলতো অতিথি আপ্যায়ন।
পড়ুন
রামায়ণ হতে জানা যাচ্ছে- রাম যখন ভরদ্বাজ মুনির আশ্রমে গিয়ে উপস্থিত হয়েছিলেন, ভরদ্বাজ রামকে তখন গোমাংস দ্বারা আপ্যায়ণ করেছিলেন।
পড়ুন
বেদ,ব্রাহ্মণ, উপনিষদ, কল্পসূত্রের মত ধর্মশাস্ত্রগুলিতেও গোমাংস খাওয়া অনুমতি রয়েছে। প্রাচীন সময়ে গরু কোনো গোমাতা ছিল না। গরু নিয়ে রাজনীতিই গরুকে গোমাতা করে তুলেছে।
পড়ুন
ইতোপূর্বেই আমরা দেখেছি বেদের সংহিতা, ব্রাহ্মণ ও উপনিষদ ভাগে গরু বলির ও গোমাংস খাওয়ার কথা বলা আছে। এখন বেদাঙ্গে খুঁজে দেখবার পালা। বেদাঙ্গের অন্তর্গত গৃহ্যসূত্রগুলির অসংখ্যস্থলে এবং ধর্মসূত্রগুলিতেও গোহত্যা ও গোমাংস খাওয়ার কথা পাওয়া যায়।
পড়ুন
ইতিহাস বলে হিন্দুরা আগে গোমাংস খেত। তাহলে কেন তারা গোমাংস খাওয়া বন্ধ করলো? কিভাবে হিন্দুদের গোমাংসের জোগান দেওয়া আদিম গরু আজকের গোমাতা হয়ে উঠলো?
পড়ুন
ঋগেবেদের অনেক স্থানেই অজাচারী দেবতাদের উল্লেখ পাওয়া যায়। ঋগ্বেদের দশম মণ্ডলের দশম সুক্তে যম ও যমী নামক দুই যমজ ভাইবোনের মধ্যে অজাচারমূলক কথোপকথন দেখা যায়
পড়ুন
ধর্মশাস্ত্রগুলির মধ্যে অত্রি সংহিতা অন্যতম। ঋষি অত্রি এর রচয়িতা। এতে তিনি ‘চতুর্বর্ণের সনাতন ধর্ম’ ব্যক্ত করেছেন। তার শাস্ত্রে দেখা যায় স্ত্রী ও শূদ্র কুকুর ও কাকের সমার্থক, শূদ্রকে হত্যা করলে গাধা হত্যার প্রায়শ্চিত্ত, শ্বপাক জাতির ছায়া মারালেও প্রায়শ্চিত্ত করতে হয়।
পড়ুন
ভগবতগীতার ঐতিহাসিকত্ব সম্বন্ধে কতকগুলি প্রশ্ন আমাদের মনে স্বতই উদয় হয়; গীতার প্রণেতা কে? তাহার প্রণয়নকালই বা কি? এইসকল প্রশ্নের সন্তোষজনক উত্তর দেওয়া কঠিন
পড়ুন
রাম, লক্ষ্মণ, ভরত ও সীতা দশরথেরই সন্তান অর্থাৎ এখানে রাম-সীতা ভাইবোন। এই জাতকে ভাইবোন রাম ও সীতার বিয়ে হতেও দেখা যায়।
পড়ুন