পাশ্চাত্যে আধুনিকতা ও ধর্মনিরপেক্ষতার উদ্ভবে ধর্মতাত্ত্বিক ব্যাখ্যা (খ্রিস্টীয় ও ইসলামী ধর্মতত্ত্বের পার্থক্যের ভিত্তিতে)
আধুনিক ইতিহাসের এক অমীমাংসিত ধাঁধা ‘দ্য গ্রেট ডাইভারজেন্স’ বা পশ্চিমের অভাবনীয় উত্থান ও প্রাচ্যের স্থবিরতা। কেন মুঘল বা অটোমানদের মতো শক্তিশালী সাম্রাজ্য আধুনিকতার দৌড়ে পিছিয়ে পড়ল? এই প্রবন্ধে সেই প্রশ্নের উত্তর খোঁজা হয়েছে ‘রাজনৈতিক ধর্মতত্ত্বের’ গভীরতায়। আলোচিত হয়েছে কীভাবে খ্রিস্টীয় ‘কেনোসিস’ বা ঈশ্বরের স্বেচ্ছা-সংকোচন পশ্চিমকে ব্যক্তিনিরপেক্ষ প্রতিষ্ঠান ও সেক্যুলার রাষ্ট্র গড়ার দার্শনিক ভিত্তি যুগিয়েছে। বিপরীতে, প্রাচ্যের নিরঙ্কুশ ঐশ্বরিক সার্বভৌমত্ব ও আশআরী দর্শন কীভাবে প্রাতিষ্ঠানিক বিবর্তনে প্রভাব ফেলেছে – ওয়েবার, শ্মিট ও তিমুর কুরানের তাত্ত্বিক কাঠামোতে তার এক নির্মোহ ব্যবচ্ছেদ এই বিশ্লেষণ। ধর্মতত্ত্ব, আইন ও অর্থনীতির এই জটিল মিথস্ক্রিয়া বুঝতে এটি একটি অপরিহার্য পাঠ।
Read More






