সুনান আদ-দারিমী

পরিচ্ছেদ ১১৭: হাদিস ২,৩২১-২,৩৪০

এই অধ্যায়ের হাদিসগুলো একই পাতায় পড়ুন। নির্দিষ্ট হাদিসে যেতে তার নম্বর বা anchor ব্যবহার করুন।

এই পাতার হাদিসসমূহনির্দিষ্ট হাদিসে যেতে তালিকাটি খুলুন। শোহাইড
হাদিস ২,৩২১

মূল আরবি

أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ يُوسُفَ عَنْ سُفْيَانَ عَنْ مَنْصُورٍ عَنْ إِبْرَاهِيمَ عَنْ الْأَسْوَدِ أَنَّ سُبَيْعَةَ وَضَعَتْ بَعْدَ وَفَاةِ زَوْجِهَا بِأَيَّامٍ فَتَشَوَّفَتْ فَعَابَ أَبُو السَّنَابِلِ فَسَأَلَتْ أَوْ ذَكَرَتْ أَمْرَهَا لِرَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَأَمَرَهَا أَنْ تَتَزَوَّجَ

বাংলা অনুবাদ

২৩২১. আসওয়াদ (রহঃ) হতে বর্ণিত, সুবাই’আ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু-তার স্বামীর মৃত্যুর কয়েকদিন পর সন্তান প্রসব করলেন। এরপর যখন তিনি (তার নিফাসের মেয়াদ শেষে পবিত্র হয়ে) সাজ-সজ্জা করলেন ও বরের খোঁজ করতে লাগলেন, তখন আবী সানাবিল এর জন্য তাকে দোষারোপ করতে লাগলো। তখন তিনি জিজ্ঞেস করলে কিংবা তার বিষয়টি রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকট উল্লেখ করা হলে তিনি তাকে বিয়ে করার নির্দেশ দিলেন।[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : হাদীসটি সহীহ।
তাখরীজ: এটি পূর্বের হাদীসটির পুনরাবৃত্তি।

হাদিস ২,৩২২

মূল আরবি

أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ كَثِيرٍ أَخْبَرَنَا سُلَيْمَانُ بْنُ كَثِيرٍ عَنْ الزُّهْرِيِّ عَنْ عُرْوَةَ عَنْ عَائِشَةَ عَنْ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ لَا يَحِلُّ لِامْرَأَةٍ تُؤْمِنُ بِاللَّهِ وَالْيَوْمِ الْآخِرِ أَوْ تُؤْمِنُ بِاللَّهِ أَنْ تَحِدَّ عَلَى أَحَدٍ فَوْقَ ثَلَاثَةِ أَيَّامٍ إِلَّا عَلَى زَوْجِهَا

বাংলা অনুবাদ

২৩২২. আয়িশাহ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহা-থেকে থেকে বর্ণিত,নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, “যে মহিলা আল্লাহ ও শেষ বিচার দিবসের প্রতি ঈমান রাখে, কিংবা আল্লাহর প্রতি ঈমান রাখে, কোন ব্যক্তির মৃত্যুতে তিন দিনের অধিক শোক পালন করা তার জন্য জায়িয নয়। তবে তার স্বামীর মৃত্যুতে শোক পালন করবে।“[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।
তাখরীজ: মুসলিম, তালাক ১৪৯১।
আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি মুসনাদুল মাউসিলী নং ৪৪২৪ ও সহীহ ইবনু হিব্বান নং ৪২০১, ৪২০২, ৪২০৩ ও মুসনাদুল হুমাইদী নং ২২৯ তে।

হাদিস ২,৩২৩

মূল আরবি

أَخْبَرَنَا هَاشِمُ بْنُ الْقَاسِمِ حَدَّثَنَا شُعْبَةُ عَنْ حُمَيْدِ بْنِ نَافِعٍ قَالَ سَمِعْتُ زَيْنَبَ بِنْتَ أَبِي سَلَمَةَ تُحَدِّثُ عَنْ أُمِّ حَبِيبَةَ بِنْتِ أَبِي سُفْيَانَ أَنَّ أَخًا لَهَا مَاتَ أَوْ حَمِيمًا لَهَا فَعَمَدَتْ إِلَى صُفْرَةٍ فَجَعَلَتْ تَمْسَحُ يَدَيْهَا وَقَالَتْ إِنَّمَا أَفْعَلُ هَذَا لِأَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ لَا يَحِلُّ لِامْرَأَةٍ تُؤْمِنُ بِاللَّهِ وَالْيَوْمِ الْآخِرِ أَنْ تَحِدَّ فَوْقَ ثَلَاثٍ إِلَّا عَلَى زَوْجِهَا فَإِنَّهَا تَحِدُّ أَرْبَعَةَ أَشْهُرٍ وَعَشْرًا

বাংলা অনুবাদ

২৩২৩. উম্মু হাবীবা বিনতে আবী সুফিয়ান রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত যে, তার এক ভাই কিংবা একজন নিকট আত্নীয় মৃত্যুবরণ করেন। এপর তিনি হলুদ বর্ণের সুগন্ধি নিয়ে এলেন এবং তার তার দুই হাতে মলতে থাকলেন। এরপর বললেন, আমি তা এ জন্য করলাম যে, আমি রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে বলতে শুনেছি, “যে মহিলা আল্লাহ ও আখিরাতের প্রতি ঈমান রাখে তার পক্ষে কারো মৃত্যুতে তিনদিনের বেশী শোক পালন করা হানাল নয়। তবে তার স্বামীর মৃত্যুতে চারমাস দশদিন শোক পালন করবে।“[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।
তাখরীজ: বুখারী, জানাইয ১২৮১; মুসলিম, তালাক ১৪৮৬।
আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি মুসনাদুল মাউসিলী নং ৬৯৬১, ৭১২৩ ও সহীহ ইবনু হিব্বান নং ৪৩০৪ ও মুসনাদুল হুমাইদী নং ২০৮ তে।

হাদিস ২,৩২৪

মূল আরবি

أَخْبَرَنَا هَاشِمُ بْنُ الْقَاسِمِ أَخْبَرَنَا شُعْبَةُ عَنْ حُمَيْدِ بْنِ نَافِعٍ قَالَ سَمِعْتُ زَيْنَبَ بِنْتَ أُمِّ سَلَمَةَ تُحَدِّثُ عَنْ أُمِّهَا أَوْ امْرَأَةٍ مِنْ أَزْوَاجِ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ نَحْوَهُ

বাংলা অনুবাদ

২৩২৪. যায়নাব বিনত উম্মু সালামা থেকে বর্ণিত, তিনি তাঁর মা (উম্মু সালামাহ) কিংবা নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লামের স্ত্রীগণ হতে অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করেন।[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।
তাখরীজ: এটি পূর্বের হাদীসটির পুনরাবৃত্তি।
মুসলিম ১৪৮৬ (৫৯) হাদীসের পরে, যেটি মুলত আগের হাদীসটি, আবার নং ১৪৮৭ এর পরে বলেন: যাইনাব তার মা হতে; এবং নাবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লামের স্ত্রী যাইনাব হতে; অথবা নাবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লামের স্ত্রীগণের কারো কারো থেকে বর্ণনা করেন।“

হাদিস ২,৩২৫

মূল আরবি

أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ يُوسُفَ حَدَّثَنَا زَائِدَةُ عَنْ هِشَامِ بْنِ حَسَّانَ عَنْ حَفْصَةَ بِنْتِ سِيرِينَ عَنْ أُمِّ عَطِيَّةَ عَنْ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ لَا تَحِدُّ الْمَرْأَةُ فَوْقَ ثَلَاثَةِ أَيَّامٍ إِلَّا عَلَى زَوْجٍ فَإِنَّهَا تَحِدُّ عَلَيْهِ أَرْبَعَةَ أَشْهُرٍ وَعَشْرًا لَا تَلْبَسُ ثَوْبًا مَصْبُوغًا إِلَّا ثَوْبَ عَصْبٍ وَلَا تَكْتَحِلُ وَلَا تَمَسُّ طِيبًا إِلَّا فِي أَدْنَى طُهْرِهَا إِذَا اغْتَسَلَتْ مِنْ مَحِيضِهَا نُبْذَةً مِنْ كُسْتٍ وَأَظْفَارٍ

বাংলা অনুবাদ

২৩২৫. উম্মু আতিয়্যা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহা থেকে বর্ণিত যে, নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ “কোন মহিলা তার কোন মৃতের জন্য তিন দিনের বেশী শোক পালন করবে না। তবে তার স্বামীর মৃত্যুতে চার মাস দশ দিন পর্যন্ত শোক পালন করতে হবে। (এই সময় সীমায় ইদ্দতের মেয়াদকালে) সে রঙীন কাপড় চোপড় পরিধান করবে না । তবে হালকা রঙিন পোশাক পরিধান করতে পারবে। সে চোখে সুরমা লাগাবে না এবং কোন সুগন্ধি ব্যবহার করবে না। তবে হায়িয থেকে পবিত্রতার নিকটবর্তী সময়ে যখন সে হায়িযের গোসল করবে, তখন সে (পবিত্রতার নির্দশন স্বরুপ) কুসতু’ ও ‘আযফার’ নামক সুগন্ধির নির্যাস ব্যবহার করতে পারবে।“[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : হাদীসটি বুখারী ও মুসলিম কর্তৃক সম্মিলিত ভাবে বর্ণিত।
তাখরীজ: বুখারী, তালাক ৫৩৪১, ৫৩৪২, ৫৩৪৪; মুসলিম, তালাক ৯৩৮ (৬৬)।
আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি সহীহ ইবনু হিব্বান নং ৪৩০৫ তে।

হাদিস ২,৩২৬

মূল আরবি

أَخْبَرَنَا عُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ عَبْدِ الْمَجِيدِ حَدَّثَنَا مَالِكٌ عَنْ سَعْدِ بْنِ إِسْحَقَ بْنِ كَعْبِ بْنِ عُجْرَةَ عَنْ عَمَّتِهِ زَيْنَبَ بِنْتِ كَعْبِ بْنِ عُجْرَةَ أَنَّ الْفُرَيْعَةَ بِنْتَ مَالِكٍ أَخْبَرَتْهَا أَنَّهَا سَأَلَتْ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أَنْ يَأْذَنَ لَهَا أَنْ تَرْجِعَ إِلَى أَهْلِهَا فَإِنَّ زَوْجِي قَدْ خَرَجَ فِي طَلَبِ أَعْبُدٍ لَهُ أَبَقُوا فَأَدْرَكَهُمْ حَتَّى إِذَا كَانَ بِطَرَفِ الْقَدُومِ قَتَلُوهُ فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ امْكُثِي فِي بَيْتِكِ حَتَّى يَبْلُغَ الْكِتَابُ أَجَلَهُ فَقُلْتُ إِنَّهُ لَمْ يَدَعْنِي فِي بَيْتٍ أَمْلِكُهُ وَلَا نَفَقَةٍ فَقَالَ امْكُثِي حَتَّى يَبْلُغَ الْكِتَابُ أَجَلَهُ فَاعْتَدَّتْ فِيهِ أَرْبَعَةَ أَشْهُرٍ وَعَشْرًا قَالَتْ فَلَمَّا كَانَ عُثْمَانُ أَرْسَلَ إِلَيَّ فَسَأَلَنِي عَنْ ذَلِكَ فَأَخْبَرْتُهُ فَاتَّبَعَ ذَلِكَ وَقَضَى بِهِ

বাংলা অনুবাদ

২৩২৬. ফুরাই’আ বিনতু মালিক ইবন সিনান রাদিয়াল্লাহু আনহা থেকে বর্ণিত যে,তিনি তার স্বজনদের কাছে ফিরে যাওয়ার জন্য তাকে অনুমতি প্রদান প্রসঙ্গে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট জিজ্ঞাসা করলেন। কেননা, তার স্বামী তার কতকগুলি পলাতক গোলামের খোঁজে বের হয়েছিলেন। ‘তারাফুল কাদুম’ নামক স্থানে তাঁদের সঙ্গে তার সাক্ষাত হয়। সেখানে তাঁরা তাকে মেরে ফেলে।
তিনি বললেন, “নির্ধারিত সময় (ইদ্দত) পূর্ণ না হওয়া পর্যন্ত তুমি তোমার পূর্ব গৃহেই অবস্থান করবে।“
তখন আমি বললাম, স্বামী আমার জন্য এমন কোন বাসস্থান রেখে যাননি, যা তার মালিকানায় ছিল এবং আর না কোন খোরপোষের ব্যবস্থা ছিল।
অনন্তর তিনি বললেন, “নির্ধারিত সময় (ইদ্দত) পূর্ণ না হওয়া পর্যন্ত তুমি তোমার পূর্ব গৃহেই অবস্থান করবে।“
অত:পর তিনি সেখানেই চারমাস দশ দিন ইদ্দত পালন করলেন। তিনি বলেন, পরে উছমান রাদিয়াল্লাহু আনহু যখন (খলীফা) হলেন, তখন তিনি আমার নিকট লোক পাঠিয়ে বিষয়টি সম্পর্কে জানতে চাইলেন। আমি তাঁকে বিষয়টি অবহিত করলাম। অনন্তর তিনি এর অনুসরণ করলেন এবং এতদনুসারেই ফায়সালা দিলেন।[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।
তাখরীজ: আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি সহীহ ইবনু হিব্বান নং ৪২৯২, ৪২৯৩ ও মাওয়ারিদুয যামআন নং ১৩৩১, ১৩৩২ তে। এছাড়াও, ইবনু হাযম, আল মুহাল্লা ১০/৩০১-৩০২।
((আবী দাউদ, তালাক ২৩০০; তিরমিযী, তালাক ১২০৪; নাসাঈ, তালাক বাব ৬০।– ফাওয়ায আহমেদের তাহক্বীক্বকৃত দারেমী হা/২২৮৭ এর টীকা হতে।–অনুবাদক))

হাদিস ২,৩২৭

মূল আরবি

أَخْبَرَنَا أَبُو عَاصِمٍ عَنْ ابْنِ جُرَيْجٍ عَنْ أَبِي الزُّبَيْرِ عَنْ جَابِرٍ قَالَ طُلِّقَتْ خَالَتِي فَأَرَادَتْ أَنْ تَجُدَّ نَخْلًا لَهَا فَقَالَ لَهَا رَجُلٌ لَيْسَ لَكِ أَنْ تَخْرُجِي قَالَتْ فَأَتَيْتُ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَذَكَرْتُ ذَلِكَ لَهُ فَقَالَ اخْرُجِي فَجُدِّي نَخْلَكِ فَلَعَلَّكِ أَنْ تَصَدَّقِي أَوْ تَصْنَعِي مَعْرُوفًا

বাংলা অনুবাদ

২৩২৭. জাবির রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমার খালা তালাকপ্রাপ্তা হওয়ার পর তিনি তার খেজুর বাগানে গিয়ে ফল কাটতে চেয়েছিলেন। এক ব্যক্তি তাকে বললো, তুমি বের হতে পারবে না। তিনি বলেন, তখন আমি নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট এসে তাকে বিষয়টি অবহিত করলাম, তখন তিনি বললেন: “তুমি তোমার বাগানের খেজুর সংগ্রহ করো। হয়তো তুমি দান-খয়রাত করবে অথবা অন্য কোন সৎকাজ করবে।“[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।
তাখরীজ: মুসলিম, তালাক ১৪৮৩। ((আবী দাউদ, তালাক ২২৯৭; নাসাঈ, তালাক ৬/২০৯; ইবনু মাজাহ, তালাক ২০৩৪))
তাখরীজ: আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি মুসনাদুল মাউসিলী নং ২১৯২ তে।

হাদিস ২,৩২৮

মূল আরবি

أَخْبَرَنَا سَهْلُ بْنُ حَمَّادٍ حَدَّثَنَا شُعْبَةُ عَنْ الْحَكَمِ عَنْ إِبْرَاهِيمَ عَنْ الْأَسْوَدِ عَنْ عَائِشَةَ أَنَّهَا أَرَادَتْ أَنْ تَشْتَرِيَ بَرِيرَةَ فَأَرَادَ مَوَالِيهَا أَنْ يَشْتَرِطُوا وَلَاءَهَا فَذَكَرَتْ ذَلِكَ لِرَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَقَالَ اشْتَرِيهَا فَإِنَّمَا الْوَلَاءُ لِمَنْ أَعْتَقَ فَاشْتَرَتْهَا فَأَعْتَقَتْهَا وَخَيَّرَهَا مِنْ زَوْجِهَا وَكَانَ حُرًّا وَأَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أُتِيَ بِلَحْمٍ فَقَالَ مِنْ أَيْنَ هَذَا قِيلَ تُصُدِّقَ بِهِ عَلَى بَرِيرَةَ فَقَالَ هُوَ لَهَا صَدَقَةٌ وَلَنَا هَدِيَّةٌ

বাংলা অনুবাদ

২৩২৮. আয়িশা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহা থেকে বর্ণিত, তিনি আযাদ করার জন্য (বাঁদী) বারীরাহকে ক্রয় করতে চাইলেন। কিন্তু তার মালিক পক্ষ শর্ত আরোপ করল যে, তার ওয়ালা তাদেরই থাকবে। ফলে তিনি বিষয়টি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকট উল্লেখ করলে তিনি বললেন, তুমি তাকে ক্রয়করো। কেননা ওয়ালা তারই হবে, যে আযাদ করবে।“
ফলে তিনি তাকে ক্রয় করে মুক্ত করে দিলেন। আর তাকে তার স্বামীর ব্যাপারে ইখতিয়ার দেওয়া হলো, যে ছিল স্বাধীন পুরুষ। আর নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট কিছু গোশত নিয়ে আসা হলে তিনি জিজ্ঞেস করলেন: “এটা কার নিকট হতে এসেছে?“ তাঁকে বলা হলো, এটা বারীরাহকে সাদাকাহ হিসেবে দেওয়া হয়েছে। তখন তিনি বললেন: “এটি তার জন্য সাদাকাহ, আর আমাদের জন্য হাদিয়াহ।“[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ। হাদীসটি বুখারী ও মুসলিম কর্তৃক সম্মিলিত ভাবে বর্ণিত। ((তবে বুখারী মুসলিমে, (তার স্বামী) ‘স্বাধীন পুরুষ’ কথাটি নেই। বরং বুখারী ও অন্যান্য গ্রন্থে ‘দাস’ বা ক্রীতদাস’ বলা হয়েছে। এজন্যই আলবানী, (রহঃ) ‘স্বাধীন পুরুষ’ শব্দটিসহ একে শায’ বলেছেন। এ শব্দদু’টি বাদে সহীহ বলেছেন। দেখুন, ইবনু মাজাহ হা/২০৭৪, ২০৭৫, আবু দাউদ ২২৩১, ২২৩২- অনুবাদক))
তাখরীজ: বুখারী, বুয়ূ ২১৬৮; মুসলিম, ইতক্ব ১৫০৪।
তাখরীজ: আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি মুসনাদুল মাউসিলী নং ৪৪৩৫,৪৪৩৬, ৪৪৫০ ও সহীহ ইবনু হিব্বান নং ৪২৬৯, ৪২৭১, ৪২৭২ তে।

হাদিস ২,৩২৯

মূল আরবি

أَخْبَرَنَا إِسْمَعِيلُ بْنُ خَلِيلٍ حَدَّثَنَا عَلِيُّ بْنُ مُسْهِرٍ حَدَّثَنَا هِشَامُ بْنُ عُرْوَةَ عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ الْقَاسِمِ عَنْ أَبِيهِ عَنْ عَائِشَةَ قَالَتْ دَخَلَ النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ عَلَيَّ فَقَرَّبْتُ إِلَيْهِ طَعَامًا لَيْسَ فِيهِ لَحْمٌ فَقَالَ أَلَمْ أَرَ لَكُمْ قِدْرًا مَنْصُوبَةً قُلْتُ يَا رَسُولَ اللَّهِ هَذَا لَحْمٌ تُصُدِّقَ بِهِ عَلَى بَرِيرَةَ فَأَهْدَتْ لَنَا قَالَ هُوَ عَلَيْهَا صَدَقَةٌ وَهُوَ لَنَا مِنْهَا هَدِيَّةٌ وَكَانَ لَهَا زَوْجٌ فَلَمَّا عُتِقَتْ خُيِّرَتْ

বাংলা অনুবাদ

২৩২৯. আয়িশা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহা থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমার নিকট প্রবেশ করলে আমি তাঁর সম্মুখে কিছু খাবার পেশ করলাম, যার মধ্যে গোশত ছিল না। তখন তিনি বললেন: “আমি কি তোমাদের নিকট তুলে রাখা একটি পাত্র (তে গোশত) দেখলাম না?“ আমি বললাম, ইয়া রাসূলুল্লাহ! তা হলো বারীরাহকে সাদাকাহ হিসেবে দেওয়া হয়েছে, এরপর সে তা আমাদেরকে হাদিয়া হিসেবে দিয়েছে। তিনি বললেন: “সেটি তার জন্য সাদাকাহ, কিন্তু আমাদের জন্য হাদিয়াহ হিসেবে গণ্য।“ আর তার স্বামী ছিল; যখন তাকে আযাদ করা (মুক্তি দেওয়া) হলো, তখন তাকে তার স্বামীর ব্যাপারে ইখতিয়ার দেওয়া হয়েছিলো।[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।
তাখরীজ: এটি পূর্বের হাদীসের অংশবিশেষ। তাহলো, “তা আমাদের জন্য হাদিয়াহ স্বরুপ।“ ((বুখারী, তালাক ৫২৭৯-অনুবাদক))

হাদিস ২,৩৩০

মূল আরবি

أَخْبَرَنَا عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ الضَّحَّاكِ عَنْ الْمُغِيرَةِ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ الْمَخْزُومِيِّ عَنْ هِشَامِ بْنِ عُرْوَةَ عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ الْقَاسِمِ عَنْ أَبِيهِ عَنْ عَائِشَةَ أَنَّ بَرِيرَةَ حِينَ أَعْتَقَتْهَا عَائِشَةُ كَانَ زَوْجُهَا عَبْدًا فَجَعَلَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَحُضُّهَا عَلَيْهِ فَجَعَلَتْ تَقُولُ لِرَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أَلَيْسَ لِي أَنْ أُفَارِقَهُ قَالَ بَلَى قَالَتْ فَقَدْ فَارَقْتُهُ

বাংলা অনুবাদ

২৩৩০. আয়িশা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহা থেকে বর্ণিত, যখন আয়িশা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহা বারীরাকে মুক্ত করেন, তখন তার স্বামী ছিল একজন ক্রীতদাস। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে তার স্বামীর (সাথে সম্পর্ক অবিচ্ছিন্ন রাখার) প্রতি উৎসাহিত করতে থাকলেন। তখন সে বলতে থাকলো, আমার কি এ অধিকার নেই যে, আমি তার থেকে বিচ্ছিন্ন হব? তিনি বলেন: “হাঁ, অবশ্যই আছে।“ তখন সে বলল, তাহলে আমি নিজেকে তার থেকে বিচ্ছিন্ন করছি।[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।
তাখরীজ: এটি পূর্বের হাদীসগুলির অংশবিশেষ। ((শব্দের ভিন্নতা সহ বুখারী, তালাক ৫২৮৩; তিরমিযী, রাদা’আ ১১৫৬; আবূ দাউদ ২২৩১, ২২৩২; নাসাঈ, ৫৪১৭; ইবনু মাজাহ, তালাক ২০৭৫।– অনুবাদক))

হাদিস ২,৩৩১

মূল আরবি

أَخْبَرَنَا عَمْرُو بْنُ عَوْنٍ أَخْبَرَنَا خَالِدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ عَنْ خَالِدٍ يَعْنِي الْحَذَّاءَ عَنْ عِكْرِمَةَ عَنْ ابْنِ عَبَّاسٍ أَنَّ زَوْجَ بَرِيرَةَ كَانَ عَبْدًا يُقَالُ لَهُ مُغِيثٌ كَأَنِّي أَنْظُرُ إِلَيْهِ يَطُوفُ خَلْفَهَا يَبْكِي وَدُمُوعُهُ تَسِيلُ عَلَى لِحْيَتِهِ فَقَالَ النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ لِلْعَبَّاسِ يَا عَبَّاسُ أَلَا تَعْجَبُ مِنْ شِدَّةِ حُبِّ مُغِيثٍ بَرِيرَةَ وَمِنْ شِدَّةِ بُغْضِ بَرِيرَةَ مُغِيثًا فَقَالَ لَهَا لَوْ رَاجَعْتِيهِ فَإِنَّهُ أَبُو وَلَدِكِ فَقَالَتْ يَا رَسُولَ اللَّهِ أَتَأْمُرُنِي قَالَ إِنَّمَا أَنَا شَافِعٌ قَالَتْ لَا حَاجَةَ لِي فِيهِ

বাংলা অনুবাদ

২৩৩১. ইবনু ‘আব্বাস রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত যে, বারীরার স্বামী ক্রীতদাস ছিল। তাকে মুগীস নামে ডাকা হত। আমি যেন এখনও তাকে দেখতে পাচ্ছি যে, সে বারীরার পিছে ছুটছে আর কাঁদছে। আর তার দাড়ি বেয়ে অশ্রু ঝরছে। তখন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আব্বাস রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু কে বললেনঃ “হে ‘আব্বাস! বারীরার প্রতি মুগীসের গভীর ভালবাসা এবং মুগীসের প্রতি বারীরার চরম অনাসক্তি দেখে তুমি কি আশ্চর্যান্বিত হওনা?“
এরপর নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ “(হে বারীরা!) তুমি যদি তার কাছে আবার ফিরে যেতে! কেননা, সে তো তোমার সন্তানের পিতা।“সে বললঃ ইয়া রাসূলূল্লাহ! আপনি কি আমাকে আদেশ করছেন? তিনি বললেনঃ “আমি কেবল সুপারিশ করছি।“ সে বললঃ তাকে আমার কোন প্রয়োজন নেই।[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ। হাদীসটি বুখারী ও মুসলিম কর্তৃক সম্মিলিত ভাবে বর্ণিত। ((যদিও মুসলিমে এর অস্তিত্ব পাওয়া যাচ্ছে না।–অনুবাদক))
তাখরীজ: বুখারী, তালাক ৫২৮৩।
তাখরীজ: আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি সহীহ ইবনু হিব্বান নং ৪২৭০, ৪২৭৩ তে।

হাদিস ২,৩৩২

মূল আরবি

أَخْبَرَنَا أَبُو عَاصِمٍ حَدَّثَنَا ابْنُ جُرَيْجٍ قَالَ أَخْبَرَنِي زِيَادُ بْنُ سَعْدٍ عَنْ هِلَالِ بْنِ أُسَامَةَ عَنْ أَبِي مَيْمُونَةَ سُلَيْمَانَ مَوْلًى لِأَهْلِ الْمَدِينَةِ قَالَ كُنْتُ عِنْدَ أَبِي هُرَيْرَةَ فَجَاءَتْهُ امْرَأَةٌ فَقَالَتْ إِنَّ زَوْجِي يُرِيدُ أَنْ يَذْهَبَ بِوَلَدِي فَقَالَ أَبُو هُرَيْرَةَ كُنْتُ عِنْدَ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ إِذْ جَاءَتْهُ امْرَأَةٌ فَقَالَتْ إِنَّ زَوْجِي يُرِيدُ أَنْ يَذْهَبَ بِوَلَدِي أَوْ بِابْنِي وَقَدْ نَفَعَنِي وَسَقَانِي مِنْ بِئْرِ أَبِي عِنَبَةَ فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ اسْتَهِمَا أَوْ قَالَ تَسَاهَمَا أَبُو عَاصِمٍ الشَّاكُّ فَجَاءَ زَوْجُهَا فَقَالَ مَنْ يُخَاصِمُنِي فِي وَلَدِي أَوْ فِي ابْنِي فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَا غُلَامُ هَذَا أَبُوكَ وَهَذِهِ أُمُّكَ فَخُذْ بِيَدِ أَيِّهِمَا شِئْتَ وَقَدْ قَالَ أَبُو عَاصِمٍ فَاتْبَعْ أَيَّهُمَا شِئْتَ فَأَخَذَ بِيَدِ أُمِّهِ فَانْطَلَقَتْ بِهِ

বাংলা অনুবাদ

২৩৩২. হিলাল ইবন উসামা (রহঃ) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, আবূ মায়মূনা সুলাইমান যিনি মদীনার কোন এক ব্যক্তির আযাদকৃত গোলাম ছিলেন। তিনি বলেন, একদা আমি যখন হুরায়রা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু-এর নিকট উপস্থিত ছিলাম, তখন সেখানে জনৈক স্ত্রীলোক আগমন করে বলে: আমার স্বামী (যে আমাকে তালাক দিয়েছিল) আমার সন্তানটিকে নিয়ে যেতে চায়।
তখন আবূ হুরায়রা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু বলেন, একদা আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের নিকট উপস্থিত ছিলাম। তখন সেখানে জনৈক স্ত্রীলোক আগমন করে বলে: আমার স্বামী (যে আমাকে তালাক দিয়েছিল) আমার সন্তানটিকে বা আমার ছেলেটিকে নিয়ে যেতে চায়। আর অবস্থা এই যে, সে (সন্তান) সে আমার খিদমত করে এবং আমাকে আবূ উকবার কুপ হতে এনে পানি পান করায়। নবী করীম (সাঃ) বলেন, “এদের উভয়ের মধ্যে সন্তানের ব্যাপারে লটারীর ব্যবস্থা করো।“ তখন তার স্বামী এসে বললো, আমার থেকে আমার সন্তান কিংবা পুত্র কে নিয়ে আমার সাথে বিবাদ করে কে? তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সে সন্তানকে সম্বোধন করে বলেন, “হে ছেলে! এ তোমার পিতা এবং এ তোমার মাতা। তুমি এতদুভয়ের মধ্যে যার হাত ইচ্ছা ধারণ করো।“ আবূ আসিম বর্ণনা করেন, “তুমি এতদুভয়ের মধ্যে যাকে ইচ্ছা অনুসরণ করো।“ তখন সে (সন্তান) তার মাতার হাত ধারণ করলে তাকে নিয়ে সে (মাতা) চলে যায়।[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।
তাখরীজ: আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি মাওয়ারিদুয যামআন নং ১২০০ ও মুসনাদুল মাউসিলী নং ৬১৩১ ও মুসনাদুল হুমাইদী নং ১১১৪ তে। ((আবূ দাউদ, তালাক ২২৭৭; তিরমিযী, আহকাম ১৩৫৭; ইবনু মাজাহ, আহকাম ২৩৫১; আহমাদ ২/২৪৬।– মুহাক্কিক্বের তাহক্বীক্বকৃত আবী ইয়ালা হা/৬১৩১ এর টীকা হতে। - অনুবাদক))

হাদিস ২,৩৩৩

মূল আরবি

أَخْبَرَنَا أَبُو عَاصِمٍ أَخْبَرَنَا ابْنُ جُرَيْجٍ أَخْبَرَنِي مُظَاهِرٌ وَهُوَ ابْنُ أَسْلَمَ أَنَّهُ سَمِعَ الْقَاسِمَ بْنَ مُحَمَّدٍ عَنْ عَائِشَةَ عَنْ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ لِلْأَمَةِ تَطْلِيقَتَانِ وَقُرْؤُهَا حَيْضَتَانِ قَالَ أَبُو عَاصِمٍ سَمِعْتُهُ مِنْ مُظَاهِرٍ

বাংলা অনুবাদ

২৩৩৩. আয়েশা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহা হতে বর্ণিত, নবীসাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন,“ দাসীর জন্য তালাক হ‘ল দু‘টিএবংতারইদ্দতেরমেয়াদ হ‘ল দু‘হায়েয পর্যন্ত।“[1] আবূ আসিম বলেন, আমি মুযাহির হতে এটি শুনেছি।
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ যঈফ। মুযাহির ইবনু আসলাম যঈফ হওয়ার কারণে।
তাখরীজ: আবূ দাউদ, তালাক ২১৭৯; তিরমিযী, তালাক ১১৮৩; ইবনু মাজাহ, আহকাম ২০৮০; ইবনু আদী, আল কামিল ৬/২৪৪১; দারুকুতনী ৪/৩৯; হাকিম ২/২০৫; বাইহাকী, মা’রিফাতুস সুনান ১৪৮৮৪; ইবনুল জাওযী, ইলালুল মুতানাহিয়্যাহ নং ১০৭০।
এর শাহিদ হাদীস রয়েছে ইবনু উমার রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে ইবনু মাজাহ, তালাক ২০৭৯ …তে। মারফু’ হিসেবে যঈফ তবে মাওকুফ হিসেবে সহীহ।

হাদিস ২,৩৩৪

মূল আরবি

أَخْبَرَنَا عَمْرُو بْنُ عَوْنٍ أَخْبَرَنَا شَرِيكٌ عَنْ قَيْسِ بْنِ وَهْبٍ عَنْ أَبِي الْوَدَّاكِ عَنْ أَبِي سَعِيدٍ وَرَفَعَهُ أَنَّهُ قَالَ فِي سَبَايَا أَوْطَاسٍ لَا تُوطَأُ حَامِلٌ حَتَّى تَضَعَ حَمْلَهَا وَلَا غَيْرُ ذَاتِ حَمْلٍ حَتَّى تَحِيضَ حَيْضَةً

বাংলা অনুবাদ

২৩৩৪. আবূ সাঈদ আল-খুদরী রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত। তিনি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম হতে মারফু’ হিসেবে বর্ণনা করেন, আওতাস যুদ্ধের বন্দীনী সম্পর্কে তিনি বলেছেন: “কোন গর্ভবতী বন্দিনীর সাথেতার সন্তানপ্রসবের আগে সহবাস করবে না এবং যে বন্দিনী গর্ভবতী নয়, তারসাথেতার এক হায়েয (অতিক্রান্ত) হওয়ার পূর্বে সহবাস করবে না।“[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ হাসান। তবে হাদীসটি সহীহ।
তাখরীজ: মুসলিম, রাদা’আ ১৪৫৬। এছাড়াও, হাকিম ২/১৯৫; বাগাবী, শারহুস সুন্নাহ ২৩৯৪। ((আবূ দাউদ, নিকাহ ২১৫৭; তিরমিযী, নিকাহ ১১৩২; নাসাঈ, নিকাহ ৬/১১০। ফাওয়ায আহমেদের দারেমী হা/২২৯৫ এর টীকা হতে।-অনুবাদক))
আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি মুসনাদুল মাউসিলী নং ১১৪৮, ১২৩১, ১৩১৮ তে। আরও দেখুন, তালখীসুল হাবীর ১/১৭১-১৭২; নাসবুর রায়াহ ৩/২৩৩/২৩৪।

হাদিস ২,৩৩৫

মূল আরবি

أَخْبَرَنَا عَفَّانُ حَدَّثَنَا حَمَّادُ بْنُ سَلَمَةَ حَدَّثَنَا حَمَّادٌ عَنْ إِبْرَاهِيمَ عَنْ الْأَسْوَدِ عَنْ عَائِشَةَ عَنْ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ رُفِعَ الْقَلَمُ عَنْ ثَلَاثَةٍ عَنْ النَّائِمِ حَتَّى يَسْتَيْقِظَ وَعَنْ الصَّغِيرِ حَتَّى يَحْتَلِمَ وَعَنْ الْمَجْنُونِ حَتَّى يَعْقِلَ وَقَدْ قَالَ حَمَّادٌ أَيْضًا وَعَنْ الْمَعْتُوهِ حَتَّى يَعْقِلَ

বাংলা অনুবাদ

২৩৩৫. আয়িশাহ্ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহাথেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন: “তিন ব্যক্তির উপর থেকে কলম উঠিয়ে নেওয়া হয়েছে: ঘুমন্ত ব্যক্তি যতক্ষণ না সে জাগ্রত হয়; নাবালেগ, যতক্ষণ না সে বালেগ হয় এবং পাগল, যতক্ষণ না সে জ্ঞান ফিরে পায় বা সুস্থ হয়। আর অধস্তন রাবী হাম্মাদ (রহ.)-এর বর্ণনায় আছে : “বিকৃতমস্তিষ্ক ব্যক্তি যতক্ষণ না সে হুঁশ ফিরে পায়।“[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।
তাখরীজ: আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি মুসনাদুল মাউসিলী নং ৪৪০০ ও সহীহ ইবনু হিব্বান নং ১৪২ ও মাওয়ারিদুয যামআন নং ১৪৯৬ তে। এছাড়াও, ইবনু আবী শাইবা ৫/২৬৮; ইবনু হাযম, আল মুহাল্লা ৮/২৭৯; বাইহাকী, মাকাতীব ১০/৩১৭।
((আবূ দাউদ, হুদুদ ৪৩৯৮; তিরমিযী, হুদুদ ১৪২৩; নাসাঈ, তালাক বাব ২১; ইবনু মাজাহ, তালাক ২০৪১; আহমাদ ১/১০১, ১১৮, ১৪০, ১৫৫, ১৫৮।-ফাওয়ায আহমেদের তাহক্বীক্ব, দারেমী হা/২২৯৫ এর টীকা হতে।-অনুবাদক))

হাদিস ২,৩৩৬

মূল আরবি

أَخْبَرَنَا أَبُو النُّعْمَانِ حَدَّثَنَا حَمَّادُ بْنُ زَيْدٍ عَنْ يَحْيَى بْنِ سَعِيدٍ عَنْ أَبِي أُمَامَةَ بْنِ سَهْلِ بْنِ حُنَيْفٍ عَنْ عُثْمَانَ قَالَ سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَقُولُ لَا يَحِلُّ دَمُ امْرِئٍ مُسْلِمٍ إِلَّا بِإِحْدَى ثَلَاثٍ بِكُفْرٍ بَعْدَ إِيمَانٍ أَوْ بِزِنًى بَعْدَ إِحْصَانٍ أَوْ يَقْتُلُ نَفْسًا بِغَيْرِ نَفْسٍ فَيُقْتَلُ

বাংলা অনুবাদ

২৩৩৬. উসমান রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে বলতে শুনেছি: “এই তিনটি কারণের কোনো একটি ছাড়া কোনো মুসলিম ব্যক্তির রক্ত হালাল নয়- ইসলাম গ্রহণের পর যদি মুরতাদ হয়ে যায়; কিংবা বিবাহ করার পর যিনা করলে বা বা অন্যায়ভাবে যদি কাউকে হত্যা করে আর সে জন্য তাকে হত্যা করা হয়।“[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।
তাখরীজ: আহমাদ নং ৪৩৭, ৪৫২; তার পূত্র আহমাদ, যাওয়াইদ আলাল মুসনাদ নং ৪৩৮; আবূ দাউদ, হুদুদ ৪৫০২; তিরমিযী, ফিতান ২১৫৯; নাসাঈ, তাহরীমুদ দাম ৭/৯১-৯২; ইবনু মাজাহ, হুদুদ ২৫৩৩; তায়ালিসী, মানিহাতুল মা’বুদ ১/২৯০ নং ১৪৭২; ইবনুল জারুদ, আল মুনতাক্বা নং ৮৩৬; তাহাবী, শারহু মা’আনিল আছার ৩/১৫৯-১৬০; মুশকিলিল আছার ২/৩২১; ইবনু সা’দ, আত তাবাকাত ৩/১/৪৬; ইবনু আবী আসিম, আল আহাদ ওয়াল মাছানী নং ১৪৯; বাইহাকী, zwj;মুরতাদ ৮/১৯৪; আরও দেখুন, ইলালুল হাদীস নং ১৩৫১ এবং পরবর্তী হাদীসটি।

হাদিস ২,৩৩৭

মূল আরবি

حَدَّثَنَا يَعْلَى حَدَّثَنَا الْأَعْمَشُ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ مُرَّةَ عَنْ مَسْرُوقٍ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ لَا يَحِلُّ دَمُ رَجُلٍ يَشْهَدُ أَنَّ لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ وَأَنِّي رَسُولُ اللَّهِ إِلَّا أَحَدَ ثَلَاثَةِ نَفَرٍ النَّفْسُ بِالنَّفْسِ وَالثَّيِّبُ الزَّانِي وَالتَّارِكُ لِدِينِهِ الْمُفَارِقُ لِلْجَمَاعَةِ

বাংলা অনুবাদ

২৩৩৭. আবদুল্লাহ্ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ “কোন মুসলিম ব্যক্তি যদি সাক্ষ্য দেয় যে, আল্লাহ্ ব্যতীত আর কোন ইলাহ্ নেই এবং আমি আল্লাহর রাসূল, তাহলে তিনটি কারণের কোনো একটি কারণ ছাড়া তাকে হত্যা করা বৈধ নয়। (যথা) জানের বদলে জান, বিবাহিত ব্যভিচারী, আর নিজের দ্বীন ত্যাগকারী মুসলিম জামাআত থেকে পৃথক হয়ে যাওয়া ব্যক্তি।“[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ। হাদীসটি বুখারী ও মুসলিম কর্তৃক সম্মিলিত ভাবে বর্ণিত।
তাখরীজ: বুখারী, দিয়াত ৬৮৭৮; মুসলিম, কাসামাহ ১৬৭৬।
আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি মুসনাদুল মাউসিলী নং ৫২০২ ও সহীহ ইবনু হিব্বান নং ৪৪০৭, ৪৪০৮ ও মুসনাদুল হুমাইদী নং ১১৯ তে। এছাড়াও, তাহাবী, শারহু মা’আনিল আছার ৩/১৬০; মুশকিলিল আছার ২/৩২১; বাইহাকী, মুরতাদ ৮/১৯৪-১৯৫; ইবনু আবী শাইবা ৯/৪১৩ নং ৭৯৫০।

হাদিস ২,৩৩৮

মূল আরবি

أَخْبَرَنَا سَعْدُ بْنُ حَفْصٍ حَدَّثَنَا شَيْبَانُ عَنْ أَشْعَثَ عَنْ عِكْرِمَةَ عَنْ ابْنِ عَبَّاسٍ قَالَ كَانَ صَفْوَانُ بْنُ أُمَيَّةَ نَائِمًا فِي الْمَسْجِدِ فَأَتَاهُ رَجُلٌ وَهُوَ نَائِمٌ فَاسْتَلَّ رِدَاءَهُ مِنْ تَحْتِ رَأْسِهِ فَنَبِهَ بِهِ فَلَحِقَهُ فَأَخَذَهُ فَانْطَلَقَ بِهِ إِلَى رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَقَالَ يَا رَسُولَ اللَّهِ كُنْتُ نَائِمًا فِي الْمَسْجِدِ فَأَتَانِي هَذَا فَاسْتَلَّ رِدَائِي مِنْ تَحْتِ رَأْسِي فَلَحِقْتُهُ فَأَخَذْتُهُ فَأَمَرَ بِقَطْعِهِ فَقَالَ لَهُ صَفْوَانُ يَا رَسُولَ اللَّهِ إِنَّ رِدَائِي لَمْ يَبْلُغْ أَنْ يُقْطَعَ فِيهِ هَذَا قَالَ فَهَلَّا قَبْلَ أَنْ تَأْتِيَنِي بِهِ

বাংলা অনুবাদ

২৩৩৮. ইবনু আব্বাস রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেনঃ সাফওয়ান ইবনু উমাইয়া মসজিদে (তার চাদর মাথার নীচে রেখে) ঘুমাচ্ছিলেন। এক ব্যক্তি এলো, তখনও তিনি ঘুমাচ্ছিলেন। এর সে তার চাদর তার মাথার নিচ থেকে আস্তে আস্তে চুরি করলো। তিনি সেটি খেয়াল করলেন, অত:পর তিনি দৌড় দিয়ে চোরকে ধরে রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট নিয়ে আসলেন। এরপর বললেন: ইয়া রাসূলুল্লাহ! আমি মসজিদে নিদ্রিত ছিলাম। এ ব্যক্তি এসে আমার মাথার নিচ থেকে আমার চাদরটি উঠিয়ে নিয়ে যায় এবং পরে আমি দৌড়ে তাকে ধরে ফেলি। তখন তিনি তার হাত কাটার আদেশ দান করলেন। তখন সাফওয়ান তাঁকে বললেনঃ “ইয়া রাসুলুল্লাহ! আমার চাদরটি এর উপযোগী নয় যে, এর বিনিময়ে একজনের হাত কাটা যেতে পারে। তিনি বললেনঃ “তাকে নিয়ে আমার কাছে আসার আগে কেন একথা মনে করনি?“[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ যঈফ। আশ’আস এর যঈফ হওয়ার কারণে। তিনি হলেন ইবনু সিওয়ার। ((তবে এটি অন্যত্র সহীহ সনদেও বর্ণিত হয়েছে যেমন তাখরীজে উল্লেখিত হয়েছে।– অনুবাদক))
তাখরীজ: নাসাঈ, কিতাবুস সারিক্ব ৮/৬৮; কুবরা নং ৭৩৬৮, ৭৩৬৯; তাবারাণী, কাবীর ৮/৫৫ নং ৭৩২৬ (সহীহ সনদে), ৭৩২৭ ও ১১/২৭০ নং ১১৩০৭; হাকিম ৪/৩৮০; হাকিম একে সহীহ বলেছেন এবং যাহাবী তাকে সমর্থন করেছেন; আহমাদ ৬/৪৬৫, ৪৬৬; আবূ দাউদ, হুদুদ ৪৩৯৪; তাহাবী, মুশকিলিল আছার ৩/১৩৫; বুখারী, কাবীর ৪/৩০৪; ইবনুল জারুদ, আল মুনতাক্বা নং ৮২৮; বাইহাকী, সারিকাহ ৮/২৬৫; মিযযী, তাহযীবুল কামাল ৭/৪১৭ হাসান সনদে; আব্দুর রাযযাক নং ১৮৯৩৯; ইবনু আবী শাইবা ১৪/২৩১ নং ১৮১৯০; সাঈদ ইবনু মানসূর, সুনান নং ২৩৫২; মালিক, হুদুদ ২৮; ইবনু মাজাহ, হুদুদ ২৫৯৫।
আর এর মুতাবি’আত হাদীস রয়েছে মুহাম্মদ ইবনু আবী হাফসা মালিক হতে মুরসাল হিসেবে আহমাদ ৩/৪০১ ও ৬/৪৬৫; তাবারাণী, কাবীর নং ৭৩৩৮ তে যা একে শক্তিশালী করে। আল্লাহই ভাল জানেন।

হাদিস ২,৩৩৯

মূল আরবি

أَخْبَرَنَا سُلَيْمَانُ بْنُ دَاوُدَ الْهَاشِمِيُّ أَخْبَرَنَا إِبْرَاهِيمُ بْنُ سَعْدٍ عَنْ الزُّهْرِيِّ عَنْ عَمْرَةَ بِنْتِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ عَنْ عَائِشَةَ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ تُقْطَعُ الْيَدُ فِي رُبْعِ دِينَارٍ فَصَاعِدًا

বাংলা অনুবাদ

২৩৩৯. আয়িশাহ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহা হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ “দীনারের চার ভাগের এক ভাগ বা এর অধিক (মূল্যের সম্পদ) চুরি করলে তাতে হাত কাটা যাবে।“[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ। হাদীসটি বুখারী ও মুসলিম কর্তৃক সম্মিলিত ভাবে বর্ণিত।
তাখরীজ: বুখারী, হুদুদ ৬৭৮৯; মুসলিম, হুদুদ ১৬৮৪।
আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি মুসনাদুল মাউসিলী নং ৪৪১১ ও সহীহ ইবনু হিব্বান নং ৪৪৫৫, ৪৪৫৯, ৪৪৬০ ও মুসনাদুল হুমাইদী নং ২৮১, ২৮২ তে।

হাদিস ২,৩৪০

মূল আরবি

أَخْبَرَنَا أَبُو نُعَيْمٍ حَدَّثَنَا سُفْيَانُ عَنْ أَيُّوبَ وَإِسْمَعِيلَ بْنِ أُمَيَّةَ وَعُبَيْدِ اللَّهِ وَمُوسَى بْنِ عُقْبَةَ عَنْ نَافِعٍ عَنْ ابْنِ عُمَرَ قَالَ قَطَعَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فِي مِجَنٍّ قِيمَتُهُ ثَلَاثَةُ دَرَاهِمَ

বাংলা অনুবাদ

২৩৪০. ইবনু উমার রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তিন দিরহাম মূল্যের একটি ঢাল চুরির জন্য হাত কেটে দেন।[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ। হাদীসটি বুখারী ও মুসলিম কর্তৃক সম্মিলিত ভাবে বর্ণিত।
তাখরীজ: বুখারী, হুদুদ ৬৭৯৫; মুসলিম, হুদুদ ১৬৮৬।
আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি মুসনাদুল মাউসিলী নং ৫৮৩৩ ও সহীহ ইবনু হিব্বান নং ৪৪৬১, ৪৪৬২ তে।