সুনান আদ-দারিমী
পরিচ্ছেদ ১৬৭: হাদিস ৩,৩২১-৩,৩৪০
এই অধ্যায়ের হাদিসগুলো একই পাতায় পড়ুন। নির্দিষ্ট হাদিসে যেতে তার নম্বর বা anchor ব্যবহার করুন।
এই পাতার হাদিসসমূহনির্দিষ্ট হাদিসে যেতে তালিকাটি খুলুন। শোহাইড
মূল আরবি
حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ حَسَّانَ أَخْبَرَنَا ابْنُ أَبِي الزِّنَادِ عَنْ أَبِيهِ عَنْ عُمَرَ بْنِ عَبْدِ الْعَزِيزِ أَنَّهُ أَجَازَ وَصِيَّةَ ابْنِ ثَلَاثَ عَشْرَةَ سَنَةً
বাংলা অনুবাদ
৩৩২১. ইবনু আবী যিনাদ তার পিতার সূত্রে বর্ণনা করেন যে, তের বছরের কিশোরের ওয়াসীয়াতকে জায়িয (বৈধ) করেছেন।[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ হাসান।
তাখরীজ: ইবনু আবী শাইবা ১১/১৮৪ নং ১০৮৯৮; আব্দুর রাযযাক ১৬৪১৬, ১৬৪১৯ সনদ সহীহ।
মূল আরবি
حَدَّثَنَا أَبُو نُعَيْمٍ حَدَّثَنَا زُهَيْرٌ عَنْ أَبِي إِسْحَقَ قَالَ أَوْصَى غُلَامٌ مِنْ الْحَيِّ ابْنُ سَبْعِ سِنِينَ فَقَالَ شُرَيْحٌ إِذَا أَصَابَ الْغُلَامُ فِي وَصِيَّتِهِ جَازَتْ قَالَ أَبُو مُحَمَّد يُعْجِبُنِي وَالْقُضَاةُ لَا يُجِيزُونَ
বাংলা অনুবাদ
৩৩২২. আবূ ইসহাক হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, গোত্রের সাত বছর বয়স্ক একজন বালক ওয়াসীয়াত করলে শুরাইহ (রহঃ) বললেন, যদি ছেলেটি সঠিক পন্থায় ওয়াসীয়াত করে, তবে তা জায়িয (বৈধ) হবে।[1] আবূ মুহাম্মদ বলেন, তিনি (শুরাইহ) আমাকে আনন্দিত করেছেন, কিন্তু কাযীগণ (বিচারকগণ) তা জায়িয মনে করেন না।
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।
তাখরীজ: ইবনু আবী শাইবা ১১/১৫৮ নং ১০৯০৪; সাঈদ ইবনু মানসূর ৪৩৪ ; আব্দুর রাযযাক ১৬৪১৪; ওয়াকী’, আখবারুল কুযাত ২/২৬৪, ৩১৫।
মূল আরবি
حَدَّثَنَا جَعْفَرُ بْنُ عَوْنٍ أَخْبَرَنَا يُونُسُ حَدَّثَنَا أَبُو إِسْحَقَ أَنَّهُ شَهِدَ شُرَيْحًا أَجَازَ وَصِيَّةَ عَبَّاسِ بْنِ إِسْمَعِيلَ بْنِ مَرْثَدٍ لِظِئْرِهِ مِنْ أَهْلِ الْحِيرَةِ وَعَبَّاسٌ صَبِيٌّ
বাংলা অনুবাদ
৩৩২৩. আবূ ইসহাক হতে বর্ণিত, তিনি সাক্ষ্য দেন যে, শুরাইহ হিরার অধিবাসী আব্বাস ইবনু ইসমাঈল ইবনু মারছাদের পালক পিতা (অথবা মাতা)’র জন্য তার কৃত ওয়াসীয়াতকে জায়িয বলেছেন। আর তখন আব্বাস ছিলেন (অল্প বয়স্ক) বালক।[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।
তাখরীজ: এর পূর্ণ তাখরীজের জন্য পরবর্তী আছার দু’টি দেখুন।
মূল আরবি
حَدَّثَنَا جَعْفَرُ بْنُ عَوْنٍ أَخْبَرَنَا يُونُسُ حَدَّثَنَا أَبُو إِسْحَقَ قَالَ قَالَ شُرَيْحٌ إِذَا اتَّقَى الصَّبِيُّ الرَّكِيَّةَ جَازَتْ وَصِيَّتُهُ
বাংলা অনুবাদ
৩৩২৪. আবূ ইসহাক হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, শুরাইহ (রহঃ) বলেন, বালক যখন (এমন বয়সে উপনীত হয় যে, সে) পানির কুপকে ভয় করতে শেখে, তখন তার ওয়াসীয়াত জায়িয (বৈধ) হবে।[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।
তাখরীজ: ইবনু আবী শাইবা ১১/১৫৮ নং ১০৯০৬। এর পূর্ণ তাখরীজের জন্য পুর্ববর্তী ও পরবর্তী আছার দু’টি দেখুন।
মূল আরবি
حَدَّثَنَا قَبِيصَةُ حَدَّثَنَا سُفْيَانُ عَنْ أَبِي إِسْحَقَ أَنَّ غُلَامًا مِنْهُمْ حِينَ ثُغِرَ يُقَالُ لَهُ مَرْثَدٌ أَوْصَى لِظِئْرٍ لَهُ مِنْ أَهْلِ الْحِيرَةِ بِأَرْبَعِينَ دِرْهَمًا فَأَجَازَهُ شُرَيْحٌ وَقَالَ مَنْ أَصَابَ الْحَقَّ أَجَزْنَاهُ
বাংলা অনুবাদ
৩৩২৫. আবূ ইসহাক হতে বর্ণিত, তিনি বলেন যে, তাদের গোত্রের আব্বাস ইবনু ইসমাঈল ইবনু মারছাদ নামে একটি ছেলের দুধের দাত পড়ে (স্থায়ী দাত উঠলো), তখন হিরায় বসবাসকারী তার পালক পিতা (অথবা মাতা)’র জন্য সে ৪০ দিরহাম ওয়াসীয়াত করে। তখন শুরাইহ তার কৃত ওয়াসীয়াতকে জায়িয বলেন। তিনি বলেন, যে ন্যায়সঙ্গতভাবে ওয়াসীয়াত করবে, আমরা তা জায়িয (বৈধ) বলব।[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।
তাখরীজ: ওয়াকী’, আখবারুল কুযাত ২/২৭০-২৭১; ইবনু আবী শাইবা ১১/১৫৮ নং ১০৯০৫; আব্দুর রাযযাক ১৬৪১২, ১৬৪১৩।
মূল আরবি
حَدَّثَنَا يَزِيدُ بْنُ هَارُونَ أَخْبَرَنَا يَحْيَى أَنَّ أَبَا بَكْرِ بْنَ مُحَمَّدِ بْنِ عَمْرِو بْنِ حَزْمٍ أَخْبَرَهُ أَنَّ غُلَامًا بِالْمَدِينَةِ حَضَرَهُ الْمَوْتُ وَوَرَثَتُهُ بِالشَّامِ وَأَنَّهُمْ ذَكَرُوا لِعُمَرَ أَنَّهُ يَمُوتُ فَسَأَلُوهُ أَنْ يُوصِيَ فَأَمَرَهُ عُمَرُ أَنْ يُوصِيَ فَأَوْصَى بِبِئْرٍ يُقَالُ لَهَا بِئْرُ جُشَمَ وَإِنَّ أَهْلَهَا بَاعُوهَا بِثَلَاثِينَ أَلْفًا ذَكَرَ أَبُو بَكْرٍ أَنَّ الْغُلَامَ كَانَ ابْنَ عَشْرِ سِنِينَ أَوْ ثِنْتَيْ عَشْرَةَ
বাংলা অনুবাদ
৩৩২৬. আবূ বাকর ইবনু মুহাম্মদ ইবনু আমর ইবনু হাযম হতে বর্ণিত, তিনি বলেন যে, মদীনায় একটি ছেলের মৃত্যুর সময় ঘনিয়ে এলো, কিন্তু তার ওয়ারিসগণ (তথা আত্মীয় স্বজন) তখন শামে ছিল। তখন উমার রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু এর নিকট উল্লেখ করা হলো যে, সে ছেলেটি মারা যাচ্ছে। তারা তাকে জিজ্ঞেস করল যে, এখন তাকে কি ওয়াসীয়াত করতে বলা যাবে কিনা। তখন উমার রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু তাকে আদেশ দিলেন যে, সে যেন ওয়াসীয়াত করে। তখন ছেলেটি জুশাম কুপ’ নামক একটি কুপ ওয়াসীয়াত করলো। আর এটির মালিকগণ তা ত্রিশ হাজার (দিরহাম) দিয়ে বিক্রয় করলো। আবূ বাকর বলেন, তখন ছেলেটির বয়স দশ বছর কিংবা বার বছর ছিল।[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর রাবীগণ বিশ্বস্ত, তবে সনদটি বিচ্ছিন্ন, কেননা, আমরা যতটা জানতে পেরেছি, আবূ বাকর ইবনু মুহাম্মদ উমার রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে কিছু শ্রবন করেননি। আল্লাহই ভাল জানেন।
তাখরীজ: আব্দুর রাযযাক ১৬৪১০, ১৬৪১১; ইবনু আবী শাইবা ১১/১৮৩ নং ১০৮৯৬; সাঈদ ইবনু মানসূর ৪৩০; মালিক, ওয়াসাইয়া মুনকাতি’ সনদে; ইবনু হাযম, আল মুহাল্লা ৯/৩৩০; বাইহাকী, ওয়াসাইয়া ৬/২৮২।
মূল আরবি
حَدَّثَنَا يَزِيدُ عَنْ هِشَامٍ الدَّسْتَوَائِيِّ عَنْ حَمَّادٍ عَنْ إِبْرَاهِيمَ قَالَ يَجُوزُ وَصِيَّةُ الصَّبِيِّ فِي مَالِهِ فِي الثُّلُثِ فَمَا دُونَهُ وَإِنَّمَا يَمْنَعُهُ وَلِيُّهُ ذَلِكَ فِي الصِّحَّةِ رَهْبَةَ الْفَاقَةِ عَلَيْهِ فَأَمَّا عِنْدَ الْمَوْتِ فَلَيْسَ لَهُ أَنْ يَمْنَعَهُ
বাংলা অনুবাদ
৩৩২৭. হাম্মাদ হতে বর্ণিত, ইবরাহীম (রহঃ) বলেন, বালক তার নিজ মাল হতে এক তৃতীয়াংশ কিংবা তার চেয়ে কম পরিমাণে ওয়াসীয়াত করতে পারে, তবে তার ওয়ালী বা অভিভাবক তার সুস্থ অবস্থায় দারিদ্রের আশংকা করলে তাকে একাজ হতে বিরত রাখতে পারবে। কিন্তু তার মৃত্যু কালে তাকে (ওয়াসীয়াত করা থেকে) বাধা দিতে পারবে না।[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ ইবরাহীম পর্যন্ত সহীহ।
তাখরীজ: ইবনু আবী শাইবা ১১/১৮৪ নং ১০৯০১; সাঈদ ইবনু মানসূর ৪৩৬ ; আব্দুর রাযযাক ১৬৪২৪।
মূল আরবি
حَدَّثَنَا قَبِيصَةُ حَدَّثَنَا سُفْيَانُ عَنْ خَالِدٍ الْحَذَّاءِ وَأَيُّوبَ عَنْ ابْنِ سِيرِينَ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُتْبَةَ أَنَّهُ أُتِيَ فِي جَارِيَةٍ أَوْصَتْ فَجَعَلُوا يُصَغِّرُونَهَا فَقَالَ مَنْ أَصَابَ الْحَقَّ أَجَزْنَاهُ
বাংলা অনুবাদ
৩৩২৮. ইবনু সীরীন হতে বর্ণিত, আব্দুল্লাহ ইবনু উতবাহ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু একটি ছোট মেয়ের নিকট এলো যে ওয়াসীয়াত করেছিল। তখন লোকেরা তাকে হেয় জ্ঞান করছিল। তখন তিনি বললেন, যে ন্যায়সঙ্গতভাবে ওয়াসীয়াত করে, আমরা তা জায়িয (বৈধ) মনে করি।[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ আব্দুল্লাহ ইবনু উতবাহ পর্যন্ত সহীহ।
তাখরীজ: আব্দুর রাযযাক ১৬৪১৫; সাঈদ ইবনু মানসূর ৪৩২, ৪৩৩ ইবনু আবী শাইবা ১১/১৮৪ নং ১০৮৯৯।
মূল আরবি
حَدَّثَنَا قَبِيصَةُ أَخْبَرَنَا سُفْيَانُ عَنْ يَحْيَى بْنِ سَعِيدٍ عَنْ أَبِي بَكْرٍ أَنَّ سُلَيْمًا الْغَسَّانِيَّ مَاتَ وَهُوَ ابْنُ عَشْرٍ أَوْ ثِنْتَيْ عَشْرَةَ سَنَةً فَأَوْصَى بِبِئْرٍ لَهُ قِيمَتُهَا ثَلَاثُونَ أَلْفًا فَأَجَازَهَا عُمَرُ بْنُ الْخَطَّابِ قَالَ أَبُو مُحَمَّد النَّاسُ يَقُولُونَ عَمْرُو بْنُ سُلَيْمٍ
বাংলা অনুবাদ
৩৩২৯. আবূ বাকর হতে বর্ণিত, সুলাইমা আল গাস্সানী যখন মৃত্যুবরণ করলো, তখন তার বয়স ছিল দশ কিংবা বার বছর। সে একটি কুপ ওয়াসীয়াত করলো, যার মুল্য ছিল তিরিশ হাজার (দিরহাম)। তখন উমার ইবনুল খাত্তাব রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু তা অনুমোদন করলেন।[1]
আবূ মুহাম্মদ বলেন, লোকেরা বলতো: আমর ইবনু সুলাইম।
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এ সনদটি বিচ্ছিন্ন, আমর ইবনু সুলাইম উমার রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু এর সাক্ষাত পাননি।
তাখরীজ: আব্দুর রাযযাক ১৬৪০৯। তবে সুলাইম’ এর পরিবর্তে সেখানে রয়েছে আমর ইবনু সুলাইম। পূর্ণ তাখরীজের জন্য দেখুন গত ৩৩২২ নং হাদীসটি।
মূল আরবি
حَدَّثَنَا قَبِيصَةُ حَدَّثَنَا سُفْيَانُ عَنْ ابْنَيْهِ عَبْدِ اللَّهِ وَمُحَمَّدٍ ابْنَيْ أَبِي بَكْرٍ عَنْ أَبِيهِمَا مِثْلَ ذَلِكَ غَيْرَ أَنَّ أَحَدَهُمَا قَالَ ابْنُ ثَلَاثَ عَشْرَةَ وَقَالَ الْآخَرُ قَبْلَ أَنْ يَحْتَلِمَ قَالَ أَبُو مُحَمَّد عَنْ ابْنَيْهِ يَعْنِي ابْنَيْ أَبِي بَكْرٍ
বাংলা অনুবাদ
৩৩৩০. আবী বাকর এর দু’পূত্র আব্দুল্লাহ ও মুহাম্মদ তাদের পিতার সূত্রে অনুরূপ বর্ণনা করেন। তবে তাদের একজন বলেন, তার বয়স ছিল তের বছর। অপর জন বলেন, বালিগ বা বয়:প্রাপ্ত হওয়ার পুর্বে।[1] আবূ মুহাম্মদ বলেন, ‘তার দু’পুত্র’ হতে মানে আবী বাকরের দু’পুত্র হতে।
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।
তাখরীজ: এটি পূর্বের হাদীসটির পুনরাবৃত্তি।
মূল আরবি
حَدَّثَنَا نَصْرُ بْنُ عَلِيٍّ حَدَّثَنَا عَبْدُ الْأَعْلَى عَنْ مَعْمَرٍ عَنْ الزُّهْرِيِّ أَنَّهُ كَانَ يَقُولُ وَصِيَّتُهُ لَيْسَتْ بِجَائِزَةٍ إِلَّا مَا لَيْسَ بِذِي بَالٍ يَعْنِي الْغُلَامَ قَبْلَ أَنْ يَحْتَلِمَ
বাংলা অনুবাদ
৩৩৩১. মা’মার হতে বর্ণিত, যুহুরী (রহঃ) বলেন, তার (তথা বালকের) ওয়াসীয়াত জায়িয (বৈধ) নয়। যতক্ষণ সে বালিগ না হয়, অর্থাৎ বয়:প্রাপ্তির পূর্বে (কোন বালকের ওয়াসীয়াত জায়িয নয়)।[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ যুহুরী পর্যন্ত সহীহ।
তাখরীজ: ইবনু আবী শাইবা ১১/১৮৬ নং ১০৯১০; আব্দুর রাযযাক ১৬৪১৭ সনদ সহীহ।
মূল আরবি
حَدَّثَنَا عَمْرُو بْنُ عَوْنٍ أَخْبَرَنَا هُشَيْمٌ عَنْ يُونُسَ عَنْ الْحَسَنِ قَالَ لَا يَجُوزُ طَلَاقُ الْغُلَامِ وَلَا وَصِيَّتُهُ وَلَا هِبَتُهُ وَلَا صَدَقَتُهُ وَلَا عَتَاقَتُهُ حَتَّى يَحْتَلِمَ
বাংলা অনুবাদ
৩৩৩২. ইউনূস হতে বর্ণিত, হাসান (রহঃ) বলেন, বালকের তালাক, ওয়াসীয়াত, হিবা, দান-সাদাকা ও দাসমুক্তি জায়িয (বৈধ) নয় যতক্ষণ না সে বালিগ বা বয়:প্রাপ্ত হয়।[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ হাসান পর্যন্ত সহীহ।
তাখরীজ: সাঈদ ইবনু মানসূর ৪৩৫; ইবনু আবী শাইবা ১১/১৮৬ নং ১০৯০৯; আব্দুর রাযযাক ১৬৪২৫ সনদ সহীহ।
মূল আরবি
حَدَّثَنَا سَعِيدُ بْنُ الْمُغِيرَةِ عَنْ حَفْصِ بْنِ غِيَاثٍ عَنْ حَجَّاجٍ عَنْ عَطَاءٍ عَنْ ابْنِ عَبَّاسٍ قَالَ لَا يَجُوزُ طَلَاقُ الصَّبِيِّ وَلَا عِتْقُهُ وَلَا وَصِيَّتُهُ وَلَا شِرَاؤُهُ وَلَا بَيْعُهُ وَلَا شَيْءٌ
বাংলা অনুবাদ
৩৩৩৩. আতা (রহঃ) হতে বর্ণিত, ইবনু আব্বাস রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু বলেন, বালকের তালাক, দাসমুক্তি, ওয়াসীয়াত, ক্রয় ও বিক্রয় এবং অন্য কোনো কিছুই জায়িয (বৈধ) নয়।[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ যঈফ হাজ্জাজ বিন আরতাহ’র দুর্বলতার কারণে।
তাখরীজ: আব্দুর রাযযাক ১৬৪২১; ইবনু আবী শাইবা ১১/১৮৬ নং ১০৯০৮।
মূল আরবি
حَدَّثَنَا أَبُو الْوَلِيدِ حَدَّثَنَا هَمَّامٌ عَنْ قَتَادَةَ عَنْ حُمَيْدِ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ الْحِمْيَرِيِّ قَالَ لَا يَجُوزُ طَلَاقٌ وَلَا وَصِيَّةٌ إِلَّا فِي عَقْلٍ إِلَّا النَّشْوَانَ يَعْنِي السَّكْرَانَ فَإِنَّهُ يَجُوزُ طَلَاقُهُ وَيُضْرَبُ ظَهْرُهُ
বাংলা অনুবাদ
৩৩৩৪. কাতাদাহ হতে বর্ণিত, হুমাইদ ইবনু আব্দুর রহমান আল-হিমইয়ারী বলেন, নেশাগ্রস্ত অবস্থা ব্যতীতই সজ্ঞান অবস্থায় না হলে তালাক ও ওয়াসীয়াত জায়িয (বৈধ) নয়- তথা মদমত্ত অবস্থায় (জায়িয নয়)। কেননা, তার (তথা নেশাগ্রস্ত ব্যক্তির) তালাক জায়িয হবে এবং তাকে বেত্রাঘাত করা হবে।[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ হুমাইদ পর্যন্ত সহীহ।
তাখরীজ: ইবনু আবী শাইবা ৫/৩৮ ও ১১/১৮৬ নং ১০৮৮২।
মূল আরবি
حَدَّثَنَا عَمْرُو بْنُ عَوْنٍ عَنْ خَالِدِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ عَنْ يَحْيَى بْنِ أَبِي إِسْحَقَ قَالَ سَأَلْتُ الْقَاسِمَ بْنَ عَبْدِ الرَّحْمَنِ وَمُعَاوِيَةَ بْنَ قُرَّةَ عَنْ رَجُلٍ قَالَ فِي وَصِيَّتِهِ كُلُّ مَمْلُوكٍ لِي حُرٌّ وَلَهُ مَمْلُوكٌ آبِقٌ فَقَالَا هُوَ حُرٌّ وَقَالَ الْحَسَنُ وَإِيَاسٌ وَبَكْرُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ لَيْسَ بِحُرٍّ
বাংলা অনুবাদ
৩৩৩৫. ইয়াহইয়া ইবনু আবী ইসহাক হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি কাসিম ইবনু আব্দুর রহমান ও মুয়াবিয়া ইবনু কুররাহ (রহঃ) কে এমন একজন লোক সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলাম যে ওয়াসীয়াত করে বলে, ‘আমার সকল দাস মুক্ত, আর তার পলাতক একজন দাসও ছিল। এ সম্পর্কে তারা দু’জনই বলেন, (এ ওয়াসীয়াতের কারণে) সে (পলাতক দাসটি) ও মুক্তি লাভ করবে। আর হাসান, ইয়্যাস ও বাকর ইবনু আব্দুল্লাহ (রহঃ) সকলেই বলেন, সে মুক্তি লাভ করবে না।[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।
তাখরীজ: এটি আমি আর কোথাও পাইনি।
মূল আরবি
حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مَسْلَمَةَ حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ الْعُمَرِيُّ عَنْ نَافِعٍ عَنْ ابْنِ عُمَرَ أَنَّ عُمَرَ أَوْصَى إِلَى حَفْصَةَ أُمِّ الْمُؤْمِنِينَ
বাংলা অনুবাদ
৩৩৩৬. ইবনু উমার রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, উমার রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু উম্মুল মু’মিনীন হাফসা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু-এর প্রতি ওয়াসীয়াত করেছিলেন।[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ হাসান।
তাখরীজ: ইবনু আবী শাইবা ১১/১৮৬ নং ১০৮৮২ মুন’কাতি সনদে।
মূল আরবি
حَدَّثَنَا أَبُو نُعَيْمٍ حَدَّثَنَا سُفْيَانُ عَنْ لَيْثٍ عَنْ نَافِعٍ عَنْ ابْنِ عُمَرَ أَنَّ صَفِيَّةَ أَوْصَتْ لِنَسِيبٍ لَهَا يَهُودِيٍّ
বাংলা অনুবাদ
৩৩৩৭. ইবনু উমার রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, সাফিয়্যাহ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু তার এক ইয়াহুদী আত্মীয়ের (অথবা ভগ্নিপতির) জন্য ওয়াসীয়াত করেছিলেন।[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ ইবনু উমার পর্যন্ত সহীহ।
তাখরীজ: আব্দুর রাযযাক ১৯৩৪২, ১৯৩৪৪; বাইহাকী, ওয়াসাইয়া ৬/২৮১ তা’লিক হিসেবে; ইবনু আবী শাইবা ১১/১৬১ নং ১০৮১২।
মূল আরবি
حَدَّثَنَا أَبُو نُعَيْمٍ حَدَّثَنَا زُهَيْرٌ عَنْ أَبِي إِسْحَقَ قَالَ أَوْصَى غُلَامٌ مِنْ الْحَيِّ يُقَالُ لَهُ عَبَّاسُ بْنُ مَرْثَدٍ ابْنُ سَبْعِ سِنِينَ لِظِئْرٍ لَهُ يَهُودِيَّةٍ مِنْ أَهْلِ الْحِيرَةِ بِأَرْبَعِينَ دِرْهَمًا فَقَالَ شُرَيْحٌ إِذَا أَصَابَ الْغُلَامُ فِي وَصِيَّتِهِ جَازَتْ وَإِنَّمَا أَوْصَى لِذِي حَقٍّ قَالَ أَبُو مُحَمَّد أَنَا أَقُولُ بِهِ
বাংলা অনুবাদ
৩৩৩৮. আবূ ইসহাক হতে বর্ণিত, তিনি বলেন যে, তাদের গোত্রের আব্বাস ইবনু মারছাদ নামের সাত বছরের একটি ছেলে হিরায় বসবাসকারী তার ইয়াহুদী পালক পিতা (অথবা মাতা)’র জন্য সে চল্লিশ দিরহাম ওয়াসীয়াত করে। তখন শুরাইহ বলেন, তিনি বলেন, যে ন্যায়সঙ্গতভাবে ওয়াসীয়াত করবে, তা জায়িয (বৈধ) হবে। সে তো ওয়াসীয়াত করেছে এর হকদারের জন্যই।[1] আবূ মুহাম্মদ বলেন, এটি আমারও মত।
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ আবী ইসহাক পর্যন্ত সহীহ।
তাখরীজ: এটি গত হয়েছে ৩৩১৮-৩৩২১ নং এ।
মূল আরবি
أَخْبَرَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ سَعِيدٍ حَدَّثَنَا أَبُو أُسَامَةَ عَنْ هِشَامٍ عَنْ أَبِيهِ أَنَّ الزُّبَيْرَ جَعَلَ دُورَهُ صَدَقَةً عَلَى بَنِيهِ لَا تُبَاعُ وَلَا تُوَرَّثُ وَأَنَّ لِلْمَرْدُودَةِ مِنْ بَنَاتِهِ أَنْ تَسْكُنَ غَيْرَ مُضِرَّةٍ وَلَا مُضَارٍّ بِهَا فَإِنْ هِيَ اسْتَغْنَتْ بِزَوْجٍ فَلَا حَقَّ لَهَا
বাংলা অনুবাদ
৩৩৩৯. হিশামের পিতা উরওয়া হতে বর্ণিত, যুবাইর রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু তার বাড়ি-ঘর তার ছেলে-কে এ শর্তে সাদাকাহ করেন যে, তা বিক্রি করা যাবে না, এর কেউ ওয়ারিস হতে পারবে না, আর প্রত্যাহৃত (তথা তালাকপ্রাপ্তা) মেয়েরা এবাড়িতে অবস্থান করবে, এভাবে যে তার ক্ষতি করা হবে না, সেও কোনো ক্ষতি করবে না। এরপর সে যদি স্বামীর মাধ্যমে অভাবমুক্ত হয়, তবে এতে তার কোনো অধিকার নেই।[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।
তাখরীজ: ইবনু আবী শাইবা ৬/২৫১ নং ৯৭৪; বাইহাকী, ওয়াসাইয়া, ও ওয়াকফ ৬/১৬৬ সনদ জাইয়্যেদ ও বুখারী, ওয়াসাইয়া তা’লিক হিসেবে।
মূল আরবি
حَدَّثَنَا الْحَكَمُ بْنُ الْمُبَارَكِ أَخْبَرَنَا الْوَلِيدُ عَنْ حَفْصٍ عَنْ مَكْحُولٍ فِي الرَّجُلِ يُوصِي لِلرَّجُلِ بِدَنَانِيرَ فِي سَبِيلِ اللَّهِ فَيَمُوتُ الْمُوصَى لَهُ قَبْلَ أَنْ يَخْرُجَ بِهَا مِنْ أَهْلِهِ قَالَ هِيَ إِلَى أَوْلِيَاءِ الْمُتَوَفَّى الْمُوصِي يُنْفِذُونَهَا فِي سَبِيلِ اللَّهِ
বাংলা অনুবাদ
৩৩৪০. হাফস হতে বর্ণিত, কোনো ব্যক্তি অপর এক ব্যক্তির প্রতি কিছু দিনার আল্লাহর রাস্তায় দান করার জন্য ওয়াসীয়াত করলো। এরপর তার পরিবার হতে তা দান করার পুর্বেই ওয়াসীয়াতকৃত ব্যক্তি মৃত্যুবরণ করলো। এ ব্যাপারে মাকহুল বলেন, ওয়াসীয়াতকৃত মৃতব্যক্তির অভিভাবকগণের দায়িত্ব হয়ে যাবে তা আল্লাহর রাস্তায় দান করা।[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ যঈফ। মুহাম্মদ ইবনু মুসলিম এটি আন আন’ শব্দে বর্ণনা করেছেন, আর তিনি মুদাল্লিস।
তাখরীজ: এটি আমি আর কোথাও পাইনি। পরের টীকাটি দেখুন।
