সুনান আদ-দারিমী

পরিচ্ছেদ ৬৬: হাদিস ১,৩০১-১,৩২০

এই অধ্যায়ের হাদিসগুলো একই পাতায় পড়ুন। নির্দিষ্ট হাদিসে যেতে তার নম্বর বা anchor ব্যবহার করুন।

এই পাতার হাদিসসমূহনির্দিষ্ট হাদিসে যেতে তালিকাটি খুলুন। শোহাইড
হাদিস ১,৩০১

মূল আরবি

أَخْبَرَنَا أَبُو عَاصِمٍ عَنْ ابْنِ عَجْلَانَ عَنْ أَبِيهِ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ عَنْ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ خَيْرُ صُفُوفِ الرِّجَالِ أَوَّلُهَا وَشَرُّهَا آخِرُهَا وَخَيْرُ صُفُوفِ النِّسَاءِ آخِرُهَا وَشَرُّهَا أَوَّلُهَا

বাংলা অনুবাদ

১৩০১. আবী হুরাইরা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন: “পুরুষদের জন্য উত্তম কাতার হলো প্রথম কাতার এবং সবচেয়ে নিকৃষ্ট কাতার হলো শেষ কাতার; আর নারীদের জন্য সর্বোত্তম কাতার হলো সর্বশেষ কাতার এবং সবচেয়ে নিকৃষ্ট কাতার হলো প্রথম কাতার।“[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ হাসান।
তাখরীজ: সহীহ zwj;মুসলিম ৪৪১; আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি সহীহ ইবনু হিব্বান নং ২১৭৯; মুসনাদুল হুমাইদী নং ১০৩০, ১০৩১।

হাদিস ১,৩০২

মূল আরবি

أَخْبَرَنَا سَعِيدُ بْنُ عَامِرٍ حَدَّثَنَا شُعْبَةُ عَنْ أَبِي إِسْحَقَ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ أَبِي بَصِيرٍ عَنْ أُبَيِّ بْنِ كَعْبٍ قَالَ صَلَّى رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ صَلَاةَ الصُّبْحِ ثُمَّ أَقْبَلَ عَلَيْنَا بِوَجْهِهِ فَقَالَ أَشَاهِدٌ فُلَانٌ قَالُوا لَا فَقَالَ أَشَاهِدٌ فُلَانٌ فَقَالُوا لَا لِنَفَرٍ مِنْ الْمُنَافِقِينَ لَمْ يَشْهَدُوا الصَّلَاةَ فَقَالَ إِنَّ هَاتَيْنِ الصَّلَاتَيْنِ أَثْقَلُ الصَّلَاةِ عَلَى الْمُنَافِقِينَ وَلَوْ يَعْلَمُونَ مَا فِيهِمَا لَأَتَوْهُمَا وَلَوْ حَبْوًا

বাংলা অনুবাদ

১৩০২. উবাই ইবনু কা’ব রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম (একদা) ফজরের সালাত আদায় করলেন, অতঃপর আমাদের দিকে মুখ ফিরিয়ে বললেন: “অমুক কি উপস্থিত আছে?“ তারা বললেন, না। তিনি আবার বললেন, “অমুক কি উপস্থিত আছে?“ তারা বললেন, ‘না।’ কেননা, (সেই সময়) একদল মুনাফিক সালাতে উপস্থিত হতো না। অতঃপর তিনি বললেন: “নিশ্চয় এ সালাত দু’টি মুনাফিকদের নিকট অত্যন্ত কষ্টকর সালাত। আর এ দু’টি সালাতে কী (সাওয়াব) রয়েছে, তারা যদি তা জানতো তাহলে তারা হামাগুড়ি দিয়ে হলেও এ দু’সালাতের জামা’আতে উপস্থিত হতো।“[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।
তাখরীজ: আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি সহীহ ইবনু হিব্বান নং ২০৫৬ ও মাওয়ারিদুয যাম’আন নং ৪২৯ এ। ((দ্বিতীয় অংশ: ‘‘আর এ দু’টি সালাতে কী রয়েছে তারা যদি তা জানতো, তাহলে তারা হামাগুড়ি দিয়ে হলেও এ দু’টি সালাতে উপস্থিত হতো“- বর্ণনা করেছেন ইমাম বুখারী ৬৫৪।-অনুবাদক))
((তায়ালিসী ৫৫৪; বাইহাকী ৩/৬৭-৬৮; আহমাদ ৫/১৪০; আবু দাউদ ৫৫৪; ইবনু খুযাইমা, আস সহীহ ১৪৭৭; হাকিম ১/২৪৭-২৪৮; আব্দুর রাযযাক, আল মুছান্নাফ ২০০৪।- আল ইহসান, নং ২০৫৬ আরনাউত্বের টীকা হতে।- অনুবাদক))

হাদিস ১,৩০৩

মূল আরবি

قَالَ أَبُو مُحَمَّد عَبْدُ اللَّهِ بْنُ أَبِي بَصِيرٍ قَالَ حَدَّثَنِي أَبِي عَنْ أُبَيٍّ عَنْ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَسَمِعْتُهُ مِنْ أُبَيٍّ

বাংলা অনুবাদ

১৩০৩. আবু মুহাম্মদ বলেন, আব্দুল্লাহ ইবনু আবী বাছীর বলেন, আমার পিতা আমার নিকট উবাই থেকে, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম হতে বর্ণনা করেন এবং (বলেন) আমি উবাই হতে এটি শুনেছি।

হাদিস ১,৩০৪

মূল আরবি

أَخْبَرَنَا أَبُو غَسَّانَ حَدَّثَنَا زُهَيْرٌ عَنْ أَبِي إِسْحَقَ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ أَبِي بَصِيرٍ عَنْ أَبِيهِ عَنْ أُبَيِّ بْنِ كَعْبٍ عَنْ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ مِثْلَ ذَلِكَ

বাংলা অনুবাদ

১৩০৪. (অপর সূত্রে) উবাই ইবনু কা’ব হতে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম হতে অনুরূপ বর্ণিত হয়েছে।[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ জাইয়্যেদ।
তাখরীজ: আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি সহীহ ইবনু হিব্বান নং ২০৫৭ ও মাওয়ারিদুয যামআন নং ৪৩০। আগের টীকাটিও দেখুন।

হাদিস ১,৩০৫

মূল আরবি

أَخْبَرَنَا سَعِيدُ بْنُ عَامِرٍ عَنْ سَعِيدِ بْنِ أَبِي عَرُوبَةَ عَنْ خَالِدِ بْنِ مَيْمُونٍ عَنْ أَبِي إِسْحَقَ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ أَبِي بَصِيرٍ عَنْ أَبِيهِ عَنْ أُبَيِّ بْنِ كَعْبٍ عَنْ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ مِثْلَهُ

বাংলা অনুবাদ

১৩০৫. (অপর সূত্রে) উবাই ইবনু কা’ব হতে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম হতে অনুরূপ বর্ণিত হয়েছে।[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ যঈফ। তবে হাদীস সহীহ।
তাখরীজ: আগের হাদীস দু’টি দেখুন।

হাদিস ১,৩০৬

মূল আরবি

أَخْبَرَنَا الْحَسَنُ بْنُ الرَّبِيعِ حَدَّثَنَا أَبُو الْأَحْوَصِ عَنْ الْأَعْمَشِ عَنْ أَبِي صَالِحٍ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ إِنَّهُ لَيْسَ مِنْ صَلَاةٍ أَثْقَلُ عَلَى الْمُنَافِقِينَ مِنْ صَلَاةِ الْعِشَاءِ الْآخِرَةِ وَصَلَاةِ الْفَجْرِ وَلَوْ يَعْلَمُونَ مَا فِيهِمَا لَأَتَوْهُمَا وَلَوْ حَبْوًا

বাংলা অনুবাদ

১৩০৬. আবী হুরাইরাহ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন: “নিশ্চয় সর্বশেষ সালাত ’ঈশা’র সালাত ও ফজরের সালাতের চেয়ে মুনাফিকদের নিকট অধিক কষ্টকর সালাত আর নেই। আর এ দু’টি সালাতে কী (সাওয়াব) রয়েছে, তারা যদি তা জানতো তাহলে তারা হামাগুড়ি দিয়ে হলেও এ দু’সালাতের জামা’আতে উপস্থিত হতো।“[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।
তাখরীজ: বুখারী ৬৫৭, সহীহ মুসলিম ৬৫১; আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি সহীহ ইবনু হিব্বান নং ২০৯৮ এ।

হাদিস ১,৩০৭

মূল আরবি

أَخْبَرَنَا أَبُو عَاصِمٍ عَنْ ابْنِ عَجْلَانَ عَنْ أَبِيهِ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ لَقَدْ هَمَمْتُ أَنْ آمُرَ فِتْيَانِي فَيَجْمَعُوا حَطَبًا فَآمُرَ رَجُلًا يُصَلِّي بِالنَّاسِ ثُمَّ أُخَالِفَ إِلَى أَقْوَامٍ يَتَخَلَّفُونَ عَنْ هَذِهِ الصَّلَاةِ فَأُحَرِّقَ عَلَيْهِمْ بُيُوتَهُمْ لَوْ كَانَ عَرْقًا سَمِينًا أَوْ مُعَرَّقَتَيْنِ لَشَهِدُوهَا وَلَوْ يَعْلَمُونَ مَا فِيهِمَا لَأَتَوْهُمَا وَلَوْ حَبْوًا

বাংলা অনুবাদ

১৩০৭. আবী হুরাইরা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “আমার ইচ্ছা হয়, আমি যুবকদেরকে কাঠ সংগ্রহের নির্দেশ দেই, অতঃপর এক ব্যক্তিকে লোকদেরকে নিয়ে সালাত আদায়ের নির্দেশ দেই, তারপর যারা এ সালাত হতে পিছিয়ে রয়েছে (জামা’আতে হাজির হয়নি), সেই সকল লোকদের পিছনে যাই এবং তাদের বাড়ি-ঘর জ্বালিয়ে দেই। যদি গোশত ছাড়ানো মোটা হাড় কিংবা ছাগলের ভালো দু’টি পা[1] ও তারা (এখানে আসলে) পেতো, তবে অবশ্যই তারা এ দু’টি সালাতে উপস্থিত হতো। আর এ দু’টি সালাতে কী (সাওয়াব) রয়েছে, তারা যদি তা জানতো তাহলে তারা হামাগুড়ি দিয়ে হলেও এ দু’সালাতের জামা’আতে উপস্থিত হতো।[2]
[1] ((মুহাক্বিক্বের নুসখায় রয়েছে معرقتان যার অর্থ সামান্য গোশতওয়ালা দু’টি বাঁকা হাড়। আর আহমদ যামাররালী ও খালিদ সাবিঈ’ এর তাহক্বীক্বকৃত (করাচী পাকিস্তান, কাদিমী কুতুবখানা’ কর্তক প্রকাশিত) নুসখায় রয়েছে مرماتين حسنتي আর এটি তা রয়েছে সহীহ বুখারীর বর্ণনায়ও। তাই আমরা সেটিরই অনূবাদ করেছি। - অনুবাদক))
[2] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ হাসান। (তবে হাদীসটি সহীহ)।
তাখরীজ: সহীহ বুখারী ৬৪৪; সহীহ মুসলিম ৬৫১।
আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি মুসনাদুল মাওসিলী নং ৬৩৩৮; সহীহ ইবনু হিব্বান নং ২০৯৬ ও মুসনাদুল মাউসিলী নং ৯৮৬।

হাদিস ১,৩০৮

মূল আরবি

أَخْبَرَنَا سُلَيْمَانُ بْنُ حَرْبٍ حَدَّثَنَا حَمَّادُ بْنُ زَيْدٍ عَنْ أَيُّوبَ عَنْ نَافِعٍ عَنْ ابْنِ عُمَرَ أَنَّهُ نَزَلَ بِضَجْنَانَ فِي لَيْلَةٍ بَارِدَةٍ فَأَمَرَ مُنَادِيًا فَنَادَى الصَّلَاةُ فِي الرِّحَالِ ثُمَّ أَخْبَرَ أَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ كَانَ إِذَا كَانَ فِي سَفَرٍ فِي لَيْلَةٍ بَارِدَةٍ أَوْ الْمَطَرِ أَمَرَ مُنَادِيًا فَنَادَى الصَّلَاةُ فِي الرِّحَالِ

বাংলা অনুবাদ

১৩০৮. ইবনু উমার রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, তিনি এক রাতে ‘যাজনান’ নামক স্থানে অবতরণ করে সেখানে zwj;মুয়াযযিনকে আযান দেওয়ার নির্দেশ দিলেন। ফলে মুয়াযযিন ঘোষণা করলেন: ‘বাড়িতেই সালাত (আদায় করো)।’ তারপর তিনি বর্ণনা করলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সফরে থাকা অবস্থায় এক তীব্র ঠান্ডার রাতে কিংবা বৃষ্টির রাতে মুয়াযযিনকে ঘোষণা দিতে নির্দেশ দিয়েছিলেন, ফলে সে একথা ঘোষণা দিয়েছিল যে, ‘‘তোমরা বাড়ীঘরেই সালাত আদায় করো।“[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।
তাখরীখ: সহীহ বুখারী ৬৩২; সহীহ মুসলিম ৬৯৭; আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি মুসনাদুল মাউসিলী নং ২০৭৬, ২০৭৭, ২০৭৮, ২০৮০; মুসনাদুল হুমাইদী নং ৭১৭।

হাদিস ১,৩০৯

মূল আরবি

أَخْبَرَنَا يَزِيدُ بْنُ هَارُونَ أَخْبَرَنَا دَاوُدُ بْنُ أَبِي هِنْدٍ قَالَ قُلْتُ لِسَعِيدِ بْنِ الْمُسَيَّبِ رَجُلٌ صَلَّى فِي بَيْتِهِ ثُمَّ أَدْرَكَ الْإِمَامَ وَهُوَ يُصَلِّي أَيُصَلِّي مَعَهُ قَالَ نَعَمْ قُلْتُ بِأَيَّتِهِمَا يَحْتَسِبُ قَالَ بِالَّتِي صَلَّى مَعَ الْإِمَامِ فَإِنَّ أَبَا هُرَيْرَةَ حَدَّثَنَا أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ صَلَاةُ الرَّجُلِ فِي الْجَمِيعِ تَزِيدُ عَلَى صَلَاتِهِ وَحْدَهُ بِضْعًا وَعِشْرِينَ جُزْءًا

বাংলা অনুবাদ

১৩০৯. দাউদ ইবনু আবী হিন্দ বলেন, আমি সাঈদ ইবনুল মুসাইয়্যিব রাহি. কে বললাম, কোনো লোক তার বাড়ীতে সালাত আদায় করলো, এরপর (মসজিদে এসে) ইমামকে সালাতরত অবস্থায় পেলো। এমতাবস্থায় সে ইমামে সাথে (পুনরায়) সালাত আদায় করবে কি? তিনি বললেন: হাঁ। আমি বললাম, সে এ দু’টি সালাতের কোনটিকে (ফরয) সালাত হিসেবে গণ্য করবে? তিনি বললেন, যেটি সে ইমামের সাথে আদায় করেছে। কেননা, আবী হুরাইরা বর্ণনা করেছেন যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন: “কোনো লোকের একাকী সালাত আদায় করার চেয়ে জামা’আতে সালাত আদায় করা (এর সাওয়াব) বিশ থেকেও কয়েকগুণ বৃদ্ধি করে দেওয়া হয়।“[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।
তাখরীজ: সহীহ বুখারী ৬৪৮; সহীহ মুসলিম ৬৪৯; আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি সহীহ ইবনু হিব্বান ২০৫১, ২০৫৩; মুসনাদুল হুমাইদী নং ৭১৭ এ।

হাদিস ১,৩১০

মূল আরবি

أَخْبَرَنَا مُسَدَّدٌ حَدَّثَنَا يَحْيَى عَنْ عُبَيْدِ اللَّهِ حَدَّثَنِي نَافِعٌ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ صَلَاةُ الرَّجُلِ فِي جَمَاعَةٍ تَزِيدُ عَلَى صَلَاتِهِ وَحْدَهُ سَبْعًا وَعِشْرِينَ دَرَجَةً

বাংলা অনুবাদ

১৩১০. আব্দুল্লাহ (ইবনু উমার) রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন: “কোনো লোকের জামা’আতে সালাত আদায় করা একাকী সালাত আদায় করার চেয়ে সাতাশ গুণ অধিক সাওয়াব হয়।“[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।
তাখরীজ: সহীহ বুখারী ৬৪৫; সহীহ মুসলিম ৬৫০; আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি মুসনাদুল মাউসিলী নং ৫৭৫২; সহীহ ইবনু হিব্বান ২০৫২, ২০৫৪ এ।

হাদিস ১,৩১১

মূল আরবি

أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ يُوسُفَ حَدَّثَنَا الْأَوْزَاعِيُّ حَدَّثَنِي الزُّهْرِيُّ عَنْ سَالِمٍ عَنْ ابْنِ عُمَرَ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ إِذَا اسْتَأْذَنَتْ أَحَدَكُمْ زَوْجَتُهُ إِلَى الْمَسْجِدِ فَلَا يَمْنَعْهَا

বাংলা অনুবাদ

১৩১১. ইবনু উমার রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন: “যখন তোমাদের কারো স্ত্রী মসজিদের যাওয়ার জন্য অনুমতি চায়, তবে সে যেনো তাকে নিষেধ না করে।“[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ। এটি বুখারী ও মুসলিমের হাদীস।
তাখরীজ: সহীহ বুখারী ৮৬৫ ও সহীহ মুসলিম ৪৪৫। আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি মুসনাদুল মাউসিলী নং ৫৪২৬; সহীহ ইবনু হিব্বান ২২০৮, ২২০৯, ২২১০ এ।

হাদিস ১,৩১২

মূল আরবি

أَخْبَرَنَا يَزِيدُ بْنُ هَارُونَ أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عَمْرٍو عَنْ أَبِي سَلَمَةَ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ لَا تَمْنَعُوا إِمَاءَ اللَّهِ مَسَاجِدَ اللَّهِ وَلْيَخْرُجْنَ إِذَا خَرَجْنَ تَفِلَاتٍ

বাংলা অনুবাদ

১৩১২. আবী হুরাইরা বর্ণনা করেছেন যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন: “আল্লাহর দাসীদেরকে আল্লাহর মসজিদে যেতে নিষেধ করো না; আর যখন তারা (মসজিদের দিকে) বের হয়, তখন তারা যেন সুগন্ধিবিহীন অবস্থায় বের হয়।“[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ হাসান। তবে হাদীসটি সহীহ।
তাখরীজ: আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি মুসনাদুল মাউসিলী নং ৫৯১৫; সহীহ ইবনু হিব্বান ২২১৪; মাওয়ারিদুয যাম’আন নং ৩২৭; মুসনাদুল হুমাইদী নং ১০০৮ এ।

হাদিস ১,৩১৩

মূল আরবি

أَخْبَرَنَا سَعِيدُ بْنُ عَامِرٍ عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ عَمْرٍو بِإِسْنَادِ هَذَا الْحَدِيثِ قَالَ قَالَ سَعِيدُ بْنُ عَامِرٍ التَّفِلَةُ الَّتِي لَا طِيبَ لَهَا

বাংলা অনুবাদ

১৩১৩. এ হাদীসের সনদে মুহাম্মদ ইবনু আমর বলেন, সাঈদ ইবনু আমির বলেছেন, ‘التفلة’ (আত-তাফিলাহ’) অর্থ: যাতে কোনো সুগন্ধ নেই।’[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ হাসান।
তাখরীজ: ((মুহাক্বিক্ব এর কোনো তাখরীজ করেননি।-অনুবাদক))

হাদিস ১,৩১৪

মূল আরবি

أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ يُوسُفَ حَدَّثَنَا سُفْيَانُ عَنْ هِشَامٍ عَنْ أَبِيهِ عَنْ عَائِشَةَ قَالَتْ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ إِذَا وُضِعَ الْعَشَاءُ وَحَضَرَتْ الصَّلَاةُ فَابْدَءُوا بِالْعَشَاءِ

বাংলা অনুবাদ

১৩১৪. আয়িশা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহা হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন: “যখন রাতের খাবার সামনে রাখা হয় এবং সালাতেরও সময় হয়, তখন তোমরা প্রথমেই রাতের খাবার খেয়ে নেবে।“[1] (এরপর সালাত আদায় করবে।)
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ। হাদীসটি বুখারী মুসলিমর।
তাখরীজ: বুখারী ৬৭১; মুসলিম ৫৫৮; আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি মুসনাদুল মাউসিলী নং ৪৪৩১; মুসনাদুল হুমাইদী নং ১৮২ এ।

হাদিস ১,৩১৫

মূল আরবি

أَخْبَرَنَا يَحْيَى بْنُ حَسَّانَ حَدَّثَنَا سُفْيَانُ بْنُ عُيَيْنَةَ وَسُلَيْمَانُ بْنُ كَثِيرٍ عَنْ الزُّهْرِيِّ عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ إِذَا حَضَرَ الْعَشَاءُ وَأُقِيمَتْ الصَّلَاةُ فَابْدَءُوا بِالْعَشَاءِ

বাংলা অনুবাদ

১৩১৫. আনাস ইবনু মালিক রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতেব বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন: “যখন রাতের খাবার উপস্থিত হয়ে যায় এবং সালাতের ইকামত দেয়া হয়, তখন তোমরা প্রথমেই রাতের খাবার খেয়ে নেবে।“[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।
তাখরীজ: বুখারী ৬৭২; মুসলিম ৫৫৭; আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি মুসনাদুল মাউসিলী নং ২৭৯৬, ২৭৯৭, ৩৫৪৬, ৩৬০২; ইবুন হিব্বান নং ২০৬৬ এ।

হাদিস ১,৩১৬

মূল আরবি

أَخْبَرَنَا أَبُو نُعَيْمٍ حَدَّثَنَا ابْنُ عُيَيْنَةَ عَنْ الزُّهْرِيِّ عَنْ سَعِيدِ بْنِ الْمُسَيَّبِ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ عَنْ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ إِذَا أَتَيْتُمْ الصَّلَاةَ فَلَا تَأْتُوهَا تَسْعَوْنَ وَأْتُوهَا تَمْشُونَ وَعَلَيْكُمْ السَّكِينَةُ فَمَا أَدْرَكْتُمْ فَصَلُّوا وَمَا فَاتَكُمْ فَأَتِمُّوا

বাংলা অনুবাদ

১৩১৬. আবী হুরাইরা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন: “তোমরা যখন সালাতে আসবে, তখন তোমরা দৌড়ে আসবে না, বরং (ধীরে সুস্থে) হেঁটে আসবে। আর তোমাদের উপর ধীর-স্থিরতা অবলম্বন অপরিহার্য। অতঃপর তোমরা (ইমামের সাথে) যতটুকু পাও আদায় করবে এবং যেটুকু ‘ফাওত’ হবে, (একাকী) তা পূর্ণ করে নেবে।“[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।
তাখরীজ: সহীহ বুখারী ৬৩৬; সহীহ মুসলিম ৬০২; আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি মুসনাদুল মাউসিলী নং ৬৪৯৭; ইবুন হিব্বান নং ২১৪৫, ২১৪৬ এবং মুসনাদুল হুমাইদী নং ৯৬৪ এ।

হাদিস ১,৩১৭

মূল আরবি

أَخْبَرَنَا أَبُو نُعَيْمٍ حَدَّثَنَا شَيْبَانُ عَنْ يَحْيَى بْنِ أَبِي كَثِيرٍ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ أَبِي قَتَادَةَ عَنْ أَبِيهِ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ إِذَا أَتَيْتُمْ الصَّلَاةَ فَعَلَيْكُمْ بِالسَّكِينَةِ فَمَا أَدْرَكْتُمْ فَصَلُّوا وَمَا سُبِقْتُمْ فَأَتِمُّوا

বাংলা অনুবাদ

১৩১৭. ইবনু আবী কাতাদা তার পিতা হতে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন: “তোমরা যখন সালাতে আসবে, তখন ধীর-স্থিরতা অবলম্বন করা তোমাদের উপর অপরিহার্য। অতঃপর তোমরা (ইমামের সাথে) যতটুকু পাও আদায় করবে এবং যেটুকু ছুটে যাবে, (একাকী) তা পূর্ণ করে নেবে।“[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।
তাখরীজ: সহীহ বুখারী ৬৩৫, ৬৩৭; সহীহ মুসলিম ৬০৪; আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি ইবুন হিব্বান নং ১৭৫৫, ২২২২, ২২২৩; এবং মুসনাদুল হুমাইদী নং ৪৩১ এ।

হাদিস ১,৩১৮

মূল আরবি

أَخْبَرَنَا يَزِيدُ بْنُ هَارُونَ حَدَّثَنَا التَّيْمِيُّ عَنْ أَبِي عُثْمَانَ عَنْ أُبَيِّ بْنِ كَعْبٍ قَالَ كَانَ رَجُلٌ بِالْمَدِينَةِ لَا أَعْلَمُ بِالْمَدِينَةِ مَنْ يُصَلِّي إِلَى الْقِبْلَةِ أَبْعَدَ مَنْزِلًا مِنْ الْمَسْجِدِ مِنْهُ وَكَانَ يَشْهَدُ الصَّلَوَاتِ مَعَ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَقِيلَ لَهُ لَوْ ابْتَعْتَ حِمَارًا تَرْكَبُهُ فِي الرَّمْضَاءِ وَالظَّلْمَاءِ قَالَ وَاللَّهِ مَا يَسُرُّنِي أَنَّ مَنْزِلِي بِلِزْقِ الْمَسْجِدِ فَأُخْبِرَ النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ بِذَلِكَ فَسَأَلَهُ عَنْ ذَلِكَ فَقَالَ يَا رَسُولَ اللَّهِ كَيْمَا يُكْتَبَ أَثَرِي وَخُطَايَ وَرُجُوعِي إِلَى أَهْلِي وَإِقْبَالِي وَإِدْبَارِي أَوْ كَمَا قَالَ فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أَنْطَاكَ اللَّهُ ذَلِكَ كُلَّهُ وَأَعْطَاكَ مَا احْتَسَبْتَ أَجْمَعَ أَوْ كَمَا قَالَ

বাংলা অনুবাদ

১৩১৮. উবাই ইবনু কা’ব রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, মদীনায় এক লোক ছিল, মদীনায় কিবলামুখী হয়ে সালাত আদায়কারী কোনো লোকের বাড়ী ঐ লোকটির বাড়ী অপেক্ষা মসজিদ হতে অধিক দূরবর্তী ছিল আমার জানা নেই। কিন্তু লোকটি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের সাথে সকল সালাতে (জামা’আতেই) উপস্থিত থাকতো। ফলে তাকে বলা হলো, তুমি যদি একটি গাধা ক্রয় করতে, তবে অত্যন্ত গরমের সময় এবং অন্ধকারেও তাতে আরোহন করে (মসজিদে আসতে) পারতে। তখন সে লোকটি বলল, আল্লাহর কসম! আমার অবস্থান স্থলটি মসজিদ সংলগ্ন হোক- এ বিষয়টি আমাকে মোটেও আনন্দিত করে না। ফলে বিষয়টি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের নিকট জানানো হলে তিনি তাকে এ বিষয়ে জিজ্ঞাসা করলেন। তখন সে বললো, ইয়া রাসূলুল্লাহ! যেন আমার পদচিহ্ন, আমার পদক্ষেপ, আমার পরিবারের নিকট প্রত্যাবর্তন এবং (মসজিদে) আমার গমনাগমন (আমার আমল নামায়) লিখা হয়।’ অথবা, সে যেরূপ বলেছে। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তাকে বললেন, “এর প্রত্যেকটি আল্লাহই তোমাকে দিয়েছেন এবং তুমি যেসব বিষয় একত্রিত করে কামনা করেছো, তার সবই তোমার জন্য দেয়া হয়েছে।“ অথবা, তিনি যেরূপ বলেছেন।[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।
তাখরীজ: মুসলিম ৬৬৩; আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি ইবুন হিব্বান নং ২০৪০, ২০৪১; এবং মুসনাদুল হুমাইদী নং ৩৮০ এ।

হাদিস ১,৩১৯

মূল আরবি

أَخْبَرَنَا أَحْمَدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ حَدَّثَنَا أَبُو زُبَيْدٍ هُوَ عَبْثَرُ بْنُ الْقَاسِمِ عَنْ حُصَيْنٍ عَنْ هِلَالِ بْنِ يَسَافٍ قَالَ أَخَذَ بِيَدِي زِيَادُ بْنُ أَبِي الْجَعْدِ فَأَقَامَنِي عَلَى شَيْخٍ مِنْ بَنِي أَسَدٍ يُقَالُ لَهُ وَابِصَةُ بْنُ مَعْبَدٍ فَقَالَ حَدَّثَنِي هَذَا وَالرَّجُلُ يَسْمَعُ أَنَّهُ رَأَى رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَقَدْ صَلَّى خَلْفَهُ رَجُلٌ وَلَمْ يَتَّصِلْ بِالصُّفُوفِ فَأَمَرَهُ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أَنْ يُعِيدَ الصَّلَاةَ قَالَ أَبُو مُحَمَّد كَانَ أَحْمَدُ بْنُ حَنْبَلٍ يُثْبِتُ حَدِيثَ عَمْرِو بْنِ مُرَّةَ وَأَنَا أَذْهَبُ إِلَى حَدِيثِ يَزِيدَ بْنِ زِيَادِ بْنِ أَبِي الْجَعْدِ

বাংলা অনুবাদ

১৩১৯. হিলাল ইবনু্ ইসাফ হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, যিয়াদ ইবনু আবীল জা’দ আমার হাত ধরলেন এবং তারপর বণী আসাদ গোত্রের এক শাইখের (বৃদ্ধ) সামনে দাঁড় করিয়ে দিলেন, যাকে ওয়াবিসাহ ইবনু মা’বাদ বলে ডাকা হতো। এরপর তিনি বলেন, আমার নিকট এক ব্যক্তি বর্ণনা করেছেন - আর লোকে শুনেছে- যে, তিনি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে দেখেছেন এবং (তিনি বর্ণনা করেন) এক লোক তাঁর পিছে সালাত আদায় করেছে, যে কাতারের সাথে মিলিত হয়ে দাঁড়ায়নি। তখন সেই ব্যক্তিকে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম পুনরায় সালাত আদায় করতে নির্দেশ দিয়েছেন।[1] আবু মুহাম্মদ বলেন, আহমাদ ইবনু হাম্বল আমর ইবনু মুররাহ’র হাদীসকে[2] সাব্যস্ত করেছেন। আর আমি ইয়াযীদ ইবনু যিয়াদ ইবনু আবীল জা’দ এর হাদীসের দিকে গিয়েছি (অবলম্বন করেছি)।
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ জাইয়্যেদ। আর হাদীসটি সহীহ। এ ব্যাপারে বিস্তারিত আলোচনা করেছি মাওয়ারিদুয যাম’আন নং ৪০৩-৪০৫ এ।
তাখরীজ: আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি মুসনাদুল মাউসিলী নং ১৫৮৮; সহীহ ইবনু হিব্বান নং ২১৯৮-২২০১ এ। পরবর্তী হাদীসটিও দেখুন।
[2] আমর ইবনু মুররাহ’র হাদীসটি আমরা তাখরীজ করেছি সহীহ ইবনু হিব্বান নং ২১৯৮, ২১৯৯ এ ও মাওয়ারিদুয যাম’আন নং ৪০৩, ৪০৪ এ। এর আগের ও পরের হাদীস দু’টি দেখুন।

হাদিস ১,৩২০

মূল আরবি

أَخْبَرَنَا مُسَدَّدٌ حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ دَاوُدَ حَدَّثَنَا يَزِيدُ بْنُ زِيَادٍ عَنْ عُبَيْدِ بْنِ أَبِي الْجَعْدِ عَنْ زِيَادِ بْنِ أَبِي الْجَعْدِ عَنْ وَابِصَةَ بْنِ مَعْبَدٍ أَنَّ رَجُلًا صَلَّى خَلْفَ الصُّفُوفِ وَحْدَهُ فَأَمَرَهُ النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أَنْ يُعِيدَ قَالَ أَبُو مُحَمَّد أَقُولُ بِهَذَا

বাংলা অনুবাদ

১৩২০. ওয়াবিসা ইবনু মা’বাদ হতে বর্ণিত, একটি লোক কাতারসমূহের পিছনে একাকী সালাত আদায় করলো। তখন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তাকে পুনরায় সালাত আদায়ের নির্দেশ দিলেন।[1]আবু মুহাম্মদ বলেন, এটিই আমার মত।
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এ র সনদ জাইয়্যেদ।
তাখরীজ: আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি সহীহ ইবনু হিব্বান নং ২২০১; দেখুন, আগের টীকা দু’টি।