সুনান আন-নাসাঈ
সাওম (রোযা)
হাদিস 2,090
এলোমেলো চুল বিশিষ্ট এক বেদুঈন রাসুলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কাছে এসে বললো, ইয়া রাসুলুল্লাহ্! আল্লাহ তা’আলা আমার উপর যে সালাতসমূহ ফরয করেছেন সে সম্পর্কে আমাকে অবহিত করুন।...
হাদিস 2,091
তিনি বলেন, কুরআনে আমাদের নিষেধ করা হয়েছে যেন নবী (সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া 'সাল্লাম) এর কাছে কোন ব্যাপারে প্রশ্ন না করি। তাই আমরা মনে মনে আশংকা করতাম যেন গ্রাম...
হাদিস 2,092
তিনি বলেন, আমরা মসজিদে বসা ছিলাম। ইতিমধ্যে উটের উপর আরোহণ করে এক ব্যক্তি আসলো এবং সেই উটকে মসজিদের (আঙ্গিনায়) বসালো ও বাঁধলো আর উপস্থিত লোকদের জিজ্ঞাসা করলোঃ তোমাদের...
হাদিস 2,093
তিনি বলেন, আমরা রাসুলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সাথে মসজিদে বসা ছিলাম। ইতিমধ্যে উটের উপর আরোহণ করে এক ব্যক্তি আসলো এবং সেই উটকে মসজিদের (আঙ্গিনায়) বসিয়ে বেঁধে ফেললো।...
হাদিস 2,094
তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) নিজ সাহাবীদের সাথে ছিলেন, ইতিমধ্যে একজন গ্রাম্য ব্যক্তি তাদের কাছে এসে বললোঃ তোমাদের মধ্যে আব্দুল মুত্তালিবের বংশজাত কে? সাহাবীগণ বললেনঃ এই...
হাদিস 2,095
তিনি বলেনঃ রাসুলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) অন্যান্য লোকদের তূলনায় অত্যধিক দানশীল ব্যাক্তি ছিলেন। রমযান মাসে যখন জিবরাঈল (আলাইহি ওয়াসাল্লাম) তাঁর সাথে সাক্ষাৎ করতেন তখন তিনি অত্যধিক দানশীল...
হাদিস 2,096
তিনি বলেন, রাসুলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) উল্লেখযোগ্য কোন অভিশাপ দিতেন না। আর যখন জিবরাঈল (আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর অবতরণের সময় নিকটবর্তী হত যিনি তাঁকে কুরআন শিক্ষা দিতেন, তখন তিনি...
হাদিস 2,097
রাসুলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যখন রমযান মাস আসে তখন জান্নাতের দরজাসমূহ খুলে দেয়া হয়, জাহান্নামের দরজাসমূহ বন্ধ করে দেয়া হয় আর শয়তানদেরকে বেঁধে রাখা হয়।
হাদিস 2,098
রাসুলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যখন রমযান মাস আসে তখন জান্নাতের দরজাসমূহ খুলে দেয়া হয়, জাহান্নামের দরজাসমূহ বন্ধ করে দেয়া হয় আর শয়তানদেরকে বেঁধে রাখা হয়।
হাদিস 2,099
রাসুলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যখন রমযান মাস আগমন করে তখন জান্নাতের দরজাসমূহ খূলে দেয়া হয়, জাহান্নামের দরজাসমুহ বন্ধ করে দেয়া হয়। আর শয়তানদেরকে শৃঙ্খলাবদ্ধ করে রাখা...
হাদিস 2,100
রাসুলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যখন রমযান মাস আগমন করে তখন জান্নাতের দরজাসমুহ খুলে দেয়া হয়, জাহান্নামের দরজাসমুহ বন্ধ করে দেয়া হয় আর শয়তানদেরকে শৃঙ্খলাবদ্ধ করে রাখা...
হাদিস 2,101
রাসুলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যখন রমযান আসে তখন জান্নাতের দরজাসমূহ খুলে দেয়া হয়, জাহান্নামের দরজাসমূহ বন্ধ করে দেয়া হয় আর শয়তানকে শূংখলাবদ্ধ করে রাখা হয়।
হাদিস 2,102
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, যখন রমযান মাস আসে করে তখন জান্নাতের দরজাসমুহ খূলে দেয়া হয়, জাহান্নামের দরজাসমূহ বন্ধ করে দেয়া হয় আর শয়তানকে...
হাদিস 2,103
রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ এই রমযান মাস যা তোমাদের কাছে আগমন করেছে। এ মাসে জান্নাতের দরজাসমূহ খুলে দেয়া হয়, জাহান্নামের দরজাসমূহ বন্ধ করে দেয়া হয় আর...
হাদিস 2,104
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ফরয ব্যতীত রমযানের তারাবীহ্র সালাত আদায় করার জন্যও উৎসাহিত করতেন। তিনি বলতেন যে,যখন রমযান আগমন করে জান্নাতের দরজাসমূহ খূলে দেয়া হয়, জাহান্নামের দরজাসমূহ...
হাদিস 2,105
নবী (সাল্লাল্লাহু‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ যখন রমযান আগমন করে তখন রহমতের দরজাসমুহ খুলে দেয়া হয়, জাহান্নামের দরজাসমূহ বন্ধ করে দেয়া হয় আর শয়তানদেরকে শৃঙ্খলাবদ্ধ করে...
হাদিস 2,106
তিনি বলেনঃ রাসুলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন যে, তোমাদের নিকট রমযান উপস্থিত হয়েছে, যা একটি বরকতময় মাস। তোমাদের উপরে আল্লাহ তা’আলা অত্র মাসের সওম ফরয করেছেন। এ...
হাদিস 2,107
তিনি বলেন যে, আমরা উতবা ইব্ন ফারকাদের অসুস্হতা দেখতে গিয়ে আমরা সেখানে রমযান মাস সম্পর্কে আলোচনা করছিলাম। তিনি জিজ্ঞাসা করলেন, তোমরা কি ব্যাপারে আলোচনা করছ? আমরা বললাম, রমযান...
হাদিস 2,108
তিনি বলেনঃ ‘আমি একটি ঘরে অবস্হান করছিলাম যেখানে উতবা ইব্ন ফারকাদ (রাঃ) ছিলেন। আমি একটি হাদীস বর্ণনা করতে চাইলাম, কিন্তু সেখানে রাসুলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কাছে একজন...
হাদিস 2,109
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্নিত। তিনি বলেনঃ তোমাদের কেউ কখনও এরুপ বলবে না, আমি পূরা রমযানের সাওম (রোযা) পালন করেছি অথবা আমি পূরা রমযান মাসে তারাবীহ্র...
হাদিস 2,110
তিনি বলেন যে, রাসুলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) একজন আনসারী মহিলাকে বলেছিলেন, যখন রমযান এসে যাবে তখন তুমি একটি উমরাহ্ আদায় করবে। কেননা রমযানের একটি উমরাহ্ একটি হজ্জের...
হাদিস 2,111
একদা উম্মে ফাযল (রাঃ) তাঁকে মুআবিয়া (রাঃ)-এর কাছে সিরিয়ায় পাঠিয়ে ছিলেন। তিনি বলেন, আমি সিরিয়ায় গিয়ে তাঁর প্রয়োজন সমাধা করলাম এবং সিরিয়ায় অবস্হান করলে জুমূ’আর রাত্রে রমযান এর...
হাদিস 2,112
রাসুলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কাছে এক বেদুঈন এসে বললো যে, আমি চাঁদ দেখেছি, তখন রাসুলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন যে, তুমি কি সাক্ষ্য দাও যে, আল্লাহ ছাড়া...
হাদিস 2,113
তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কাছে একজন বেদূঈন এসে বললেন যে, আমি রাত্রে চাঁদ দেখেছি, তখন রাসুলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন যে, তুমি কি সাক্ষ্য...
হাদিস 2,114
মুরসাল সুত্রে এই হাদীসটি বর্নিত।
হাদিস 2,115
মুরসাল সুত্রে এই হাদীসটি বর্নিত।
হাদিস 2,116
রমযান বা শা’বান মাসের সন্দেহযূক্ত দিনে লোকদের উদ্দেশ্য করে বললেনঃ শুন, আমি একবার রাসুলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সাহাবীদের সাথে বসা ছিলাম। আমি তাদের প্রশ্ন করলে তাঁরা আমার...
হাদিস 2,117
তিনি বলেন যে, রাসুলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ তোমরা চাঁদ দেখে সাওম (রোযা) পালন করবে এবং চাঁদ দেখেই সাওম (রোযা) ভঙ্গ করবে। তবে হ্যাঁ, আকাশ মেঘাছন্ন থাকলে...
হাদিস 2,118
তিনি বলেন যে, রাসুলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ তোমরা চাঁদ দেখে সাওম (রোযা) পালন করবে এবং চাঁদ দেখেই সাওম (রোযা) ভঙ্গ করবে। তবে হ্যাঁ, আকাশ মেঘাছন্ন থাকলে...
হাদিস 2,119
রাসুলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যখন তোমরা (রমযানের) চাঁদ দেখ তখন সাওম (রোযা) পালন কর। আর যখন তোমরা (শাওয়াল মাসের) চাঁদ দেখ তখন সাওম (রোযা) ভঙ্গ কর।...
হাদিস 2,120
আমি রাসুলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলতে শুনেছি যে, তিনি বলেছেনঃ যখন তোমারা চাঁদ দেখ তখন সাওম (রোযা) পালন করবে। যখন (শাওয়াল মাসের) চাঁদ দেখ সাওম (রোযা) ভঙ্গ...
হাদিস 2,121
রাসুলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) রমযানের আলোচনা করছিলেন, তখন তিনি বললেনঃ যতক্ষন পর্যন্ত তোমরা চাঁদ দেখতে না পাও সাওম (রোযা) পালন করবে না। আবার যতক্ষন পর্যন্ত (সাওয়ালের) চাঁদ...
হাদিস 2,122
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্নিত। তিনি বলেছেনঃ যতক্ষন পর্যন্ত (রমযানের) চাঁদ দেখতে না পাও তোমরা সাওম (রোযা) পালন করবে না। এবং যতক্ষন পর্যন্ত (শাওয়ালের) চাঁদ দেখতে...
হাদিস 2,123
তিনি বলেনঃ রাসুলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) চাঁদের ব্যাপারে আলোচনা করে বললেনঃ যখন তোমরা (রমযানের) চাঁদ দেখবে সাওম (রোযা) পালন করবে আর যখন তোমরা (সাওয়াল মাসের) চাঁদ দেখবে...
হাদিস 2,124
তিনি বলেনঃ রাসুলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন যে, তোমরা (রমযান মাসের) চাঁদ দেখে সাওম (রোযা) পালন করবে এবং (শাওয়াল মাসের) চাঁদ দেখে সাওম (রোযা) ভঙ্গ করবে। হ্যাঁ,...
হাদিস 2,125
তিনি বলেনঃ আমি আশ্চর্যবোধ করি ঐ ব্যক্তির ব্যাপারে যে রমযান মাস আসার পূর্বেই সাওম (রোযা) পালন করে, অথচ রাসুলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন যে, যখন তোমরা (রমযানের)...
হাদিস 2,126
রাসুলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেছেন যে, তোমরা রমযান মাসের চাঁদ না দেখার পূর্বে কিংবা শা’বান মাস ত্রিশ দিন পূর্ণ হওয়ার আগে রমযানের সাওম পালন...
হাদিস 2,127
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর জনৈক সাহাবী থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসুলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন যে, তোমরা রমযান মাসের চাঁদ না দেখার পূর্বে কিংবা শা’বান মাস...
হাদিস 2,128
তিনি বলেন, রাসুলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন যে, যখন তোমরা রমযান মাসের চাঁদ দেখবে তখন সাওম (রোযা) পালন করবে আর যখন (শাওয়াল মাসের) চাঁদ দেখবে তখন সাওম...
হাদিস 2,129
তিনি বলেন, ইব্ন আব্বাস (রাঃ) রাসুলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্ননা করেছেন যে, তিনি বলেছেনঃ তোমরা (রমযানের) চাঁদ দেখে সাওম (রোযা) পালন করবে এবং (শাওয়ালের) চাঁদ দেখে...
হাদিস 2,130
তিনি বলেন, রাসুলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন যে, তোমরা রমযানের পূর্বে সাওম (রোযা) পালন করবে না। বরং তোমরা চাঁদ দেখে সাওম (রোযা) পালন করবে এবং চাঁদ দেখে...
হাদিস 2,131
তিনি বলেন, রাসুলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) শপথ করেছিলেন যে, তিনি এক মাস বিবিদের কাছে যাবেন না। অতঃপর তিনি উত্রিশ দিন হওয়ার পর (আমার ঘরে প্রবেশ করলে) আমি...
হাদিস 2,132
তিনি বলেন, আমি সর্বদা লালায়িত ছিলাম যে, উমর ইবনু খাত্তাব (রাঃ)-কে রাসুলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর বিবিদের মধ্য থেকে ঐ দুজন বিবি সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করব যাদের সস্পর্কে আল্লাহ...
হাদিস 2,133
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ আমার কাছে জিবরাঈল (আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এসে বললো যে, মাসটি ঊনত্রিশ দিনের।
হাদিস 2,134
তিনি বলেন, রাসুলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন যে, মাসটি ঊনত্রিশ দিনের।
হাদিস 2,135
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্নিত যে, তিনি এক হাত অন্য হাতের উপর মেরে বললেন যে, মাস এত দিনের হয়, মাস এতদিনের হয়, মাস এত দিনের হয়,...
হাদিস 2,136
তিনি বলেন, রাসুলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)- বলেছেন যে, মাস এত দিনের হয়, মাস এত দিনের হয়, মাস এত দিনের হয়। অর্থাৎ ঊনত্রিশ দিনের (২৯ দিনেরও হয়)।
হাদিস 2,137
তিনি বলেন, রাসুলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ মাস এত দিনের হয়, মাস এত দিনের হয়, মাস এত দিনের হয় এবং মুহাম্মাদ ইব্ন -উবায়দ (রহঃ) তার রূপ বর্ননা...
হাদিস 2,138
তিনি বলেন, রাসুলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন যে, মাস কখনো ঊনত্রিশ দিনের হয় আবার কখনো ত্রিশ দিনের হয়। যখন তোমরা (রমযানের) চাঁদ দেখবে তখন সাওম (রোযা) পালন...
হাদিস 2,139
আমি রাসুলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলতে শুনেছি যে, মাস কখনো ঊনত্রিশ দিনের হয়।
হাদিস 2,140
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্নিত। তিনি বলেন যে, আমরা হলাম উম্মাতে উম্মিয়্যা। (মা এর শিশু সন্তানের মত) আমরা ভাল করে লিখা জানি না আর ভাল করে...
হাদিস 2,141
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্ণনা করেন। তিনি বলেন যে, আমরা হলাম (মা এর শিশু সন্তানের ন্যায়) অজ্ঞ উম্মাত, (ভাল করে) হিসাবও জানি না এবং (ভাল করে)...
হাদিস 2,142
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন যে, মাস এত দিনের হয়। ইব্ন উমর (রাঃ) থেকে জাবালা (রহঃ) যে বর্ণনা করেছেন তার ব্যাখ্যা দিতে গিয়ে শুবা...
হাদিস 2,143
রাসুলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ মাস (কখনো) ঊনত্রিশ দিনেরও হয়।
হাদিস 2,144
তিনি বলেন, রাসুলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন যে, তোমরা সাহারী (ভোর রাত্রের খাওয়া) খাও। কেননা সাহারীতে বরকত রয়েছে।
হাদিস 2,145
তিনি বলেন যে, তোমরা সাহারী খাও। উবায়দুল্লাহ তিনি বলেন যে, আমি পুরোপুরি জানি না যে, এ হাদীসের বাক্য কিরূপ ছিল।
হাদিস 2,146
তিনি বলেন, রাসুলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন যে, তোমরা সাহারী খাও। কেননা সাহারীতে বরকত রয়েছে।
হাদিস 2,147
তিনি বলেনঃ রাসুলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ তোমরা সাহারী খাও। কেননা সাহারীতে বরকত রয়েছে।
হাদিস 2,148
তিনি বলেনঃ তোমরা সাহারী খাও। কেননা সাহারীতে বরকত রয়েছে।
হাদিস 2,149
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ তোমরা সাহারী খাও। কেননা সাহারীতে বরকত রয়েছে।
হাদিস 2,150
তিনি বলেনঃ রাসুলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন যে, তোমরা সাহারী খাও। কেননা সাহারীতে বরকত রয়েছে।
হাদিস 2,151
তিনি বলেনঃ রাসুলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন যে, তোমরা সাহারী খাও। কেননা সাহারীতে বরকত রয়েছে।
হাদিস 2,152
তিনি বলেন যে, আমরা হুযায়ফা (রাঃ)-এর কাছে বললামঃ রাসুলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সাথে আপনি কখন সাহারী খেতেন? তিনি বললেনঃ খুব ভোরেই। তবে হ্যাঁ, তখনো সূর্য উদয় হত...
হাদিস 2,153
আমি হুযায়ফা (রাঃ)-এর সাথে সাহারী খেলাম। অতঃপর সালাত আদায় করার জন্য বের হলাম। যখন আমরা মসজিদে পৌছে দু’রাকআত সালাত আদায় করলাম (ফজরের সুন্নাত)। তখনই (জামাআতের) ইকামাত বলা হল।...
হাদিস 2,154
তিনি বলেনঃ আমি হুযায়ফা (রাঃ)-এর সাথে সাহারী খেলাম। অতঃপর মসজিদে গিয়ে দু’রাকাআত ফজরের সালাত (সুন্নাত) আদায় করলাম। তারপরই সালাতের (জামাআতের) ইকামাত দেয়া হল এবং আমরা সালাত (ফজরের ফরয)...
হাদিস 2,155
তিনি বলেন যে, আমরা রাসুলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সাথে সাহারী খেলাম। অতঃপর সালাত আদায়ের জন্য দাড়িয়ে গেলাম। রাবী বলেনঃ আমি জিজ্ঞাসা করলাম যে, এতভয়ের মধ্যকার ব্যবধান কতক্ষণ...
হাদিস 2,156
তিনি বলেনঃ আমরা রাসুলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সাথে সাহারী খেলাম। অতঃপর (ফজরের) সালাত আদায়ের জন্য দাঁড়িয়ে গেলাম। রাবী বলেনঃ সম্ভবত আনাস (রাঃ) জিজ্ঞাসা করছিলেন, উভয়ের মাঝখানের ব্যবধান...
হাদিস 2,157
তিনি বলেনঃ রাসুলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এবং যায়দ ইব্ন ছাবিত (রাঃ) একত্রে সাহরী খেলেন। অতঃপর উভয়ে ফজরের সালাত শুরু করে দিলেন। রাবী বলেনঃ আমরা আনাস (রাঃ)-কে জিজ্ঞাসা করলাম...
হাদিস 2,158
তিনি বলেনঃ আমি আয়িশা (রাঃ)-কে বললামঃ আমাদের মধ্যে রাসুলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর এমন দু-জন সাহাবী আছেন, যাদের একজন ইফতার তাড়াতাড়ি করেন এবং সাহারী বিলম্বে খান। আর দ্বিতীয়জন...
হাদিস 2,159
তিনি বলেনঃ আমি আয়িশা (রাঃ)-কে বললাম যে, আমাদের মধ্যে রাসুলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর এমন দুজন সাহাবী আছেন যাদের একজন ইফতার তাড়াতাড়ি করেন, সাহারী বিলম্বে খান। অন্যজন ইফতার...
হাদিস 2,160
তিনি বলেন যে, একদা আমি এবং মাসরুক (রহঃ) আয়িশা (রাঃ)-এর কাছে গেলাম। তখন মাসরুক (রহঃ) আয়িশা (রাঃ)-কে বললেন যে, আমাদের মাঝে রাসুলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর এমন দুজন...
হাদিস 2,161
তিনি বলেন যে, আমি এবং মাসরুক (রহঃ) আয়িশা (রাঃ)-এর কাছে গেলাম এবং বললামঃ হে মুমিনদের মাতা! আমাদের মধ্যে রাসুলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর এমন দু’জন সাহাবী আছেন যাঁদের...
হাদিস 2,162
তিনি বলেন যে, আমি একদা নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কাছে গেলাম যখন তিনি সাহারী খাচ্ছিলেন। তখন তিনি বললেন যে, এতে বরকত রয়েছে, আল্লাহ তা’আলা এ বরকত তোমাদেরকেই...
হাদিস 2,163
তিনি বলেন যে, আমি রমযান মাসে রাসুলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে সাহারী খাওয়ার জন্য আহবান করতে এবং বলতে শুনেছি যে, তোমরা সকালে পবিত্র আহারের দিকে এস।
হাদিস 2,164
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ তোমরা ভোর রাত্রের খাদ্য অবশ্যই খাবে। কেননা সেটাই সকাল বেলার পবিত্র খাবার।
হাদিস 2,165
তিনি বলেন যে, রাসুলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এক ব্যক্তিকে বলেছেনঃ তোমরা সকাল বেলার পবিত্র আহারের দিকে এসো অর্থাৎ সাহারীর দিকে এস।
হাদিস 2,166
তিনি বলেন, রাসুলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন যে, আমাদের সাওম (রোযা) এবং আহলে কিতাব-এর সাওমের মধ্যে পার্থক্য হল সাহারী খাওয়া। (আমরা সাহারী খাই কিন্তু ইয়াহুদ ও খ্রিস্টানরা...
হাদিস 2,167
তিনি বলেন, (একদা) রাসুলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সাহারীর সময় বললেন যে, হে আনাস! আমি সাওম (রোযা) পালন করার ইচ্ছা করেছি, তুমি আমাকে কিছু খাবার দাও। তখন আমি...
হাদিস 2,168
তিনি বলেনঃ তাদের কেউ যদি রাত্রের আহার না করেই ঘুমিয়ে পড়ত তবে তার জন্য সেই রাত্রে এবং পরের দিন সূর্যাস্ত পর্যন্ত কিছু খাওয়া ও পান করা বৈধ ছিল...
হাদিস 2,169
তিনি রাসুলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে আল্লাহর বানীঃ (আরবী আছে) সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলে তিনি বললেন, এ হল রাত্রের অন্ধকার এবং দিনের শুভ্রতা।
