সহীহ ইবনু হিব্বান

পরিচ্ছেদ ১৬৩: হাদিস ৩,২৪১-৩,২৬০

এই অধ্যায়ের হাদিসগুলো একই পাতায় পড়ুন। নির্দিষ্ট হাদিসে যেতে তার নম্বর বা anchor ব্যবহার করুন।

এই পাতার হাদিসসমূহনির্দিষ্ট হাদিসে যেতে তালিকাটি খুলুন। শোহাইড
হাদিস ৩,২৪১

মূল আরবি

أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ إِسْحَاقَ بْنِ إِبْرَاهِيمَ، مَوْلَى ثَقِيفَ، قَالَ: حَدَّثَنَا الْوَلِيدُ بْنُ شُجَاعٍ السَّكُونِيُّ، قَالَ: حَدَّثَنَا ابْنُ وَهْبٍ، قَالَ: حَدَّثَنَا عَمْرُو بْنُ الْحَارِثِ، عَنْ سَعِيدِ بْنِ أَبِي هِلَالٍ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ الْمُنْكَدِرِ، عَنْ جَابِرٍ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، قَالَ: «لَا تَسْتَبْطِئُوا الرِّزْقَ، فَإِنَّهُ [ص:34] لَمْ يَكُنْ عَبْدٌ يَمُوتُ حَتَّى يَبْلُغَهُ آخِرُ رِزْقٍ هُوَ لَهُ، فَأَجْمِلُوا فِي الطَّلَبِ فِي الْحَلَالِ، وَتَرْكِ الْحَرَامِ»
رقم طبعة با وزير = (3230)

تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح لغيره - «التعليق الرغيب» (3/ 7).

تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: إسناده صحيح

বাংলা অনুবাদ

জাবির বিন আব্দুল্লাহ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, “তোমরা রিযিককে দুরবর্তী মনে করবে না। কেননা নিশ্চয়ই কোন ব্যক্তি তার শেষ রিযিক না পৌঁছা পর্যন্ত মারা যাবে না। কাজেই তোমরা উত্তম পন্থায় রিযিক অন্বেষন করো।” অর্থাৎ হালাল গ্রহণ করা, হারাম বর্জন করা।[1]
[1] হাকিম: ২/৪; সুনান বাইহাকী: ৫/২৬৪-২৬৫; আবূ নুআইম, হিলইয়াতুল আওলিয়া: ৩/১৫৬-১৫৭; ইবনু মাজাহ: ২১৪৪। শায়খ শুআইব আল আরনাঊত রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে মুসলিমের শর্তে সহীহ বলেছেন। শায়খ নাসির উদ্দিন আলবানী রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে সহীহ লিগাইরিহী বলেছেন। (আত তা‘লীকুর রাগীব: ৩/৭)

হাদিস ৩,২৪২

মূল আরবি

أَخْبَرَنَا أَحْمَدُ بْنُ عَلِيِّ بْنِ الْمُثَنَّى، قَالَ: حَدَّثَنَا أَبُو خَيْثَمَةَ، قَالَ: حَدَّثَنَا وَكِيعٌ، قَالَ: حَدَّثَنَا الْأَعْمَشُ، عَنْ سَلَّامِ بْنِ شُرَحْبِيلٍ، قَالَ: سَمِعْتُ حَبَّةَ، وَسَوَاءً، ابْنِي خَالِدٍ، يَقُولَانِ: أَتَيْنَا رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَهُوَ يَعْمَلُ عَمَلًا يَبْنِي بِنَاءً، فَلَمَّا فَرَغَ دَعَانَا، فَقَالَ: «لَا تَنَافَسَا فِي الرِّزْقِ مَا هُزَّتْ رُءُوسُكُمَا، فَإِنَّ الْإِنْسَانَ تَلِدُهُ أُمُّهُ وَهُوَ أَحْمَرُ لَيْسَ عَلَيْهِ قِشْرٌ، ثُمَّ يُعْطِيهِ اللَّهُ وَيَرْزُقُهُ»
رقم طبعة با وزير = (3231)

تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: ضعيف - «الضعيفة» (4798).

تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: Null

বাংলা অনুবাদ

খালিদ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুর ছেলে হাব্বা এবং সাওয়া থেকে বর্ণিত, তারা বলেন, “আমরা রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের কাছে আসি এমন অবস্থায় যে, তিনি কিছু মেরামত করছিলেন। অতঃপর যখন তিনি কাজ শেষ করেন, তখন তিনি আমাদেরকে ডাকেন এবং বলেন, “তোমরা রিযিক অন্বেষনে প্রতিযোগিতা করবে না, যতক্ষন পর্যন্ত তোমাদের মাথা সচল (অর্থাৎ তোমরা জীবিত) থাকবে। কেননা একজন মানুষকে তার মা জন্ম দেয়, এমন অবস্থায় যে, সে থাকে লাল বর্ণের, থাকে না মোটা চামড়া (কাঁচা নরম চামড়ার অধিকারী)। তারপরে মহান আল্লাহ তাকে তা প্রদান করেন এবং রিযিক প্রদান করেন।”[1]
[1] মুসনাদ আহমাদ: ৩/৪৬৯; ইবনু মাজাহ: ৪১৬৫; ইমাম বুখারী, আদাবুল মুফরাদ: ৪৫৩; তাবারানী: ৩৪৭৯। শায়খ শুআইব আল আরনাঊত রহিমাহুল্লাহ হাদীসটির ব্যাপারে স্পষ্ট কোন মন্তব্য করেননি। শায়খ নাসির উদ্দিন আলবানী রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে যঈফ বলেছেন। (যঈফাহ: ৪৭৯৮)

হাদিস ৩,২৪৩

মূল আরবি

أَخْبَرَنَا ابْنُ قُتَيْبَةَ، قَالَ: حَدَّثَنَا يَزِيدُ بْنُ مَوْهَبٍ، قَالَ: حَدَّثَنَا [ص:35] أَبُو مُعَاوِيَةَ الضَّرِيرُ، قَالَ: حَدَّثَنَا إِسْمَاعِيلُ بْنُ أَبِي خَالِدٍ، عَنْ قَيْسِ بْنِ أَبِي حَازِمٍ، قَالَ: أَتَيْنَا خَبَّابًا نَعُودُهُ، فَقَالَ: سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، يَقُولُ: «إِنَّ الرَّجُلَ لَيُؤْجَرُ فِي نَفَقَتِهِ كُلِّهَا إِلَّا فِي هَذَا التُّرَابِ»، قَالَ أَبُو حَاتِمٍ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ: مَعْنَى هَذَا الْخَبَرِ: لَا يُؤْجَرُ إِذَا أَنْفَقَ فِي التُّرَابِ فَضْلًا عَمَّا يَحْتَاجُ إِلَيْهِ مِنَ الْبِنَاءِ.
رقم طبعة با وزير = (3232)

تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح - «الصحيحة» (2831).

تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: إسناده صحيح

বাংলা অনুবাদ

কাইস বিন আবূ হাযিম রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেছেন, “নিশ্চয়ই মানুষকে তার সমস্ত খরচের জন্য সাওয়াব দেওয়া হয়, তবে এই মাটিতে (স্থাপনা নির্মাণে) যা খরচ করে সেটা ব্যতীত।”[1] আবূ হাতিম ইবনু হিব্বান রহিমাহুল্লাহ বলেন, “এই হাদীসটির অর্থ হলো মানুষ যখন তার প্রয়োজনের অতিরিক্ত স্থাপনা নির্মাণে খরচ করে, সেজন্য তাকে কোন সাওয়াব দেওয়া হয় না।”
[1] মুসনাদ আহমাদ: ৫/১০৯; হুমাইদী: ১৫৪; সহীহুল বুখারী: ৫৬৭২; তাবারানী: ৩৬৩২; তিরমিযী: ২৪৮৩; ইবনু মাজাহ: ৪১৬৩। শায়খ শুআইব আল আরনাঊত রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন। শায়খ নাসির উদ্দিন আলবানী রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন। (সহীহাহ: ২৮৩১)

হাদিস ৩,২৪৪

মূল আরবি

أَخْبَرَنَا الْحَسَنُ بْنُ سُفْيَانَ، قَالَ: حَدَّثَنَا أُمَيَّةُ بْنُ بِسْطَامٍ، قَالَ: حَدَّثَنَا يَزِيدُ بْنُ زُرَيْعٍ، قَالَ: حَدَّثَنَا رَوْحُ بْنُ الْقَاسِمِ، عَنِ الْعَلَاءِ، عَنْ أَبِيهِ، [ص:36] عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «يَقُولُ الْعَبْدُ مَالِي وَإِنَّمَا لَهُ مِنْ مَالِهِ ثَلَاثَةٌ: مَا أَكَلَ فَأَفْنَى، أَوْ مَا أَعْطَى فَأَبْقَى، أَوْ لَبِسَ فَأَبْلَى، وَمَا سِوَى ذَلِكَ فَهُوَ ذَاهِبٌ وَتَارِكُهُ لِلنَّاسِ»
رقم طبعة با وزير = (3233)

تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح: م (8/ 210).

تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: إسناده صحيح على شرط مسلم

বাংলা অনুবাদ

আবূ হুরাইরা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, “বান্দা বলে যে, এটা আমার সম্পদ। তার সম্পদ তো তিনটি জিনিস। যা খেয়ে নিঃশেষ করে ফেলে, যা দান করে (পরকালের জন্য) বহাল রাখে, আর যে কাপড় পরিধান করে পুরাতন করে ফেলে। এছাড়া যা কিছু রয়েছে, তা মানুষের জন্য রেখে চলে যাবে।”[1]
[1] সহীহ মুসলিম: ২৯৫৯; সুনান বাইহাকী: ৩/৩৬৮-৩৬৯; তিরমিযী: ২৩৪২; নাসাঈ: ৬/২৩৮; মুসনাদ আহমাদ: ৪/২৪; আত তায়ালিসী: ১১৪৮; হাকিম: ২/৫৩৪; বাগাবী: ৪০৫৫। শায়খ শুআইব আল আরনাঊত রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে মুসলিমের শর্তে সহীহ বলেছেন। শায়খ নাসির উদ্দিন আলবানী রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন। (আত তা‘লীকাতুল হিসান: ৩২৩৩)

হাদিস ৩,২৪৫

মূল আরবি

أَخْبَرَنَا أَبُو خَلِيفَةَ، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ كَثِيرٍ الْعَبْدِيُّ، أَخْبَرَنَا شُعْبَةُ، عَنْ عُثْمَانَ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ مَوْهَبٍ، عَنْ مُوسَى بْنِ طَلْحَةَ، عَنْ أَبِي أَيُّوبَ الْأَنْصَارِيِّ، أَنَّ رَجُلًا أَتَى رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، فَقَالَ: حَدِّثْنِي بِعَمَلٍ يُدْخِلُنِي الْجَنَّةَ، فَقَالَ النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «اعْبُدِ اللَّهَ لَا تُشْرِكْ بِهِ شَيْئًا، وَتُقِيمُ الصَّلَاةَ، وَتُؤْتِي الزَّكَاةَ، وَتَصِلُ الرَّحِمَ ذَرْهَا» - يَعْنِي النَّاقَةَ -
رقم طبعة با وزير = (3234)

تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح - «الترغيب» (3/ 224): ق.

تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: إسناده صحيح على شرط الشيخين

বাংলা অনুবাদ

আবূ আইয়ূব আল আনসারী রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, “এক ব্যক্তি রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের কাছে এসে বলেন, আমাকে এমন একটি আমলের কথা বলুন, যা আমাকে জান্নাতে প্রবেশ করাবে।” তখন রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, “তুমি আল্লাহর উপাসনা করবে, তাঁর সাথে কোন কিছু শরীক করবে না। সালাত প্রতিষ্ঠা করবে, যাকাত প্রদান করবে এবং রক্ত সম্পর্ক বজায় রাখবে। এখন আমার উষ্ট্রীর লাগাম ছেড়ে দাও।”[1]
[1] তাবারানী আল কাবীর: ৩৯২৫। শায়খ শুআইব আল আরনাঊত রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে বুখারী ও মুসলিমের শর্তে সহীহ বলেছেন। শায়খ নাসির উদ্দিন আলবানী রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন। (আত তারগীব: ৩/২২৪)

হাদিস ৩,২৪৬

মূল আরবি

أَخْبَرَنَا عُمَرُ بْنُ مُحَمَّدٍ الْهَمْدَانِيُّ، حَدَّثَنَا حَفْصُ بْنُ عَمْرٍو الرَّبَالِيِّ، حَدَّثَنَا بَهْزُ بْنُ أَسَدٍ، حَدَّثَنَا شُعْبَةُ، قَالَ: حَدَّثَنِي مُحَمَّدُ بْنُ [ص:38] عُثْمَانَ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ مَوْهَبٍ، وَأَبُوهُ عُثْمَانُ، أَنَّهُمَا سَمِعَا مُوسَى بْنِ طَلْحَةَ، يُحَدِّثُ عَنْ أَبِي أَيُّوبَ الْأَنْصَارِيِّ، أَنَّ رَجُلًا قَالَ: يَا نَبِيَّ اللَّهِ أَخْبِرْنِي بِعَمَلٍ يُدْخِلُنِي الْجَنَّةَ، فَقَالَ الْقَوْمُ: مَالَهُ مَالَهُ؟، فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «أَرَبٌ مَالَهُ»، قَالَ رَسُولُ اللَّهِ: «تَعْبُدُ اللَّهَ لَا تُشْرِكُ بِهِ شَيْئًا، وَتُقِيمُ الصَّلَاةَ، وَتُؤْتِي الزَّكَاةَ، وَتَصِلُ الرَّحِمَ ذَرْهَا»، قَالَ: كَأَنَّهُ كَانَ عَلَى رَاحِلَتِهِ
رقم طبعة با وزير = (3235)

تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح - «الترغيب» -أيضا-.

تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: إسناده صحيح

বাংলা অনুবাদ

আবূ আইয়ূব আল আনসারী রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, “এক ব্যক্তি রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলেন, “হে আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম, আমাকে এমন একটি আমলের কথা বলুন, যা আমাকে জান্নাতে প্রবেশ করাবে।” তখন লোকজন বলতে লাগলো, “তার কী হলো? তার কী হলো?” রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, “তার একটি প্রয়োজন রয়েছে। তুমি আল্লাহর উপাসনা করবে, তাঁর সাথে কোন কিছু শরীক করবে না। সালাত প্রতিষ্ঠা করবে, যাকাত প্রদান করবে এবং রক্ত সম্পর্ক বজায় রাখবে। এখন উষ্ট্রী ছেড়ে দাও।”[1] বর্ণনাকারী বলেন, “যেন তিনি বাহনের উপর ছিলেন।”
[1] তাবারানী আল কাবীর: ৩৯২৫। শায়খ শুআইব আল আরনাঊত রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে বুখারী ও মুসলিমের শর্তে সহীহ বলেছেন। শায়খ নাসির উদ্দিন আলবানী রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন। (আত তারগীব: ৩/২২৪)

হাদিস ৩,২৪৭

মূল আরবি

أَخْبَرَنَا أَحْمَدُ بْنُ عَلِيِّ بْنِ الْمُثَنَّى بْنِ يَحْيَى بْنِ عِيسَى بْنِ هِلَالٍ التَّمِيمِيُّ، بِالْمَوْصِلِ، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ أَبِي بَكْرٍ الْمُقَدَّمِيُّ، حَدَّثَنَا فُضَيْلُ بْنُ سُلَيْمَانَ *، حَدَّثَنَا مُوسَى بْنُ عُقْبَةَ، حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ سَلْمَانَ الْأَغَرُّ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ أَبِي أَيُّوبَ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «مَا مِنْ عَبْدٍ يَعْبُدُ اللَّهَ لَا يُشْرِكُ بِهِ شَيْئًا، وَيُقِيمُ الصَّلَاةَ، وَيُؤْتِي الزَّكَاةَ، وَيَصُومُ رَمَضَانَ، وَيَجْتَنِبُ الْكَبَائِرَ إِلَّا دَخَلَ الْجَنَّةَ»
رقم طبعة با وزير = (3236) [ص:40] قَالَ أَبُو حَاتِمٍ: لِسَلْمَانَ الْأَغَرِّ ابْنَانِ: أَحَدُهُمَا عَبْدُ اللَّهِ، وَالْآخَرُ عُبَيْدُ اللَّهِ، وَجَمِيعًا حَدَّثَا عَنْ أَبِيهِمَا، وَهَذَا عَبْدُ اللَّهِ

تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح. * [فُضَيْلُ بْنُ سُلَيْمَانَ] قال الشيخ: فيه كَلامٌ كَثِير، قال الذهبي في «المُغني»: «فيه لين»، وقال الحافظ «صدوق، له خطأ كثير»، مع كونه منْ رجال الشيخين، لكنَّه يَتَقَوَّى بِمَا قبله. وبطريق أخرى عند النسائي وغيره، وهو مُخَرَّج في «الإرواء» (5/ 25).

تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: صحيح لغيره

বাংলা অনুবাদ

আবূ আইয়ূব আল আনসারী রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, “রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, “যে কোন ব্যক্তি আল্লাহর ইবাদত করে, তাঁর সাথে কোন কিছুকে শরিক করে না, সালাত প্রতিষ্ঠা করে, যাকাত প্রদান করে, রমযানের সিয়াম পালন করে এবং কাবীরাহ গোনাহ থেকে বেঁচে থাকে, তবে সে জান্নাতে প্রবেশ করবে।”[1] আবূ হাতিম ইবনু হিব্বান রহিমাহুল্লাহ বলেন, “সালমান আল আগার রহিমাহুল্লাহর দুইজন সন্তান রয়েছে। তারা হলেন, আব্দুল্লাহ এবং উবাইদুল্লাহ। তারা দুই জনই তাদের বাবা থেকে হাদীস বর্ণনা করেছেন। এটা আব্দুল্লাহর হাদীস।”
[1] হাকিম: ১/২৩; মুসনাদ আহমাদ: ৫/৪১৩-৪১৪; নাসাঈ: ৭/৮৮; তাবারানী: ৩৮৮৫। শায়খ শুআইব আল আরনাঊত রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে সহীহ লিগাইরিহী বলেছেন। শায়খ নাসির উদ্দিন আলবানী রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন। (আত তা‘লীকাতুল হিসান: ৩২৩৬)

হাদিস ৩,২৪৮

মূল আরবি

أَخْبَرَنَا الْفَضْلُ بْنُ الْحُبَابِ، حَدَّثَنَا مُوسَى بْنُ إِسْمَاعِيلَ، حَدَّثَنَا إِسْمَاعِيلُ بْنُ جَعْفَرٍ، عَنِ الْعَلَاءِ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، أَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، قَالَ: «مَا نَقَصَتْ صَدَقَةٌ مِنْ مَالٍ، وَلَا زَادَ اللَّهُ عَبْدًا بِعَفْوٍ إِلَّا عِزًّا، وَلَا تَوَاضَعَ أَحَدٌ لِلَّهِ إِلَّا رَفَعَهُ اللَّهُ»
رقم طبعة با وزير = (3237)

تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح - «الإرواء» (2200)، «الصحيحة» (2328): م.

تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: إسناده صحيح على شرط مسلم

বাংলা অনুবাদ

আবূ হুরাইরা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, “রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, “সাদাকাহ মাল কমিয়ে দেয় না। আর ক্ষমার মাধ্যমে আল্লাহ বান্দার মর্যাদা কেবল বাড়িয়েই দেন। কোন বান্দা আল্লাহর জন্য বিনয়ী হলে, আল্লাহ তার মর্যাদা সমুন্নত করে দেন।”[1]
[1] দারেমী: ১/৩৯৬; সহীহ মুসলিম: ২৫৮৮; সহীহ ইবনু খুযাইমাহ: ২৪৩৮; সুনান বাইহাকী: ৪/১৮৭; বাগাবী: ১৬৩৩; মুসনাদ আহমাদ: ২/২৩৫; তিরমিযী: ২০২৯; মুয়াত্তা ইমাম মালিক: ২/১০০০। শায়খ শুআইব আল আরনাঊত রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে মুসলিমের শর্তে সহীহ বলেছেন। শায়খ নাসির উদ্দিন আলবানী রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন। (সহীহাহ: ২৩২৮)

হাদিস ৩,২৪৯

মূল আরবি

أَخْبَرَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ سَلْمٍ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ إِبْرَاهِيمَ، حَدَّثَنَا الْوَلِيدُ، حَدَّثَنَا الْأَوْزَاعِيُّ، عَنِ الزُّهْرِيِّ، عَنْ عَطَاءِ بْنِ يَزِيدَ اللَّيْثِيِّ، عَنْ أَبِي سَعِيدٍ الْخُدْرِيِّ، أَنَّ أَعْرَابِيًّا سَأَلَ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ عَنِ الْهِجْرَةِ، فَقَالَ: «وَيْحَكَ إِنَّ شَأْنَ الْهِجْرَةِ شَدِيدٌ، فَهَلْ لَكَ مِنْ إِبِلٍ»؟ قَالَ: نَعَمْ، قَالَ «فَهَلْ تُؤَدِّي صَدَقَتَهَا»، قَالَ: نَعَمْ، قَالَ: «فَاعْمَلْ مِنْ وَرَاءِ الْبِحَارِ، فَإِنَّ اللَّهَ لَنْ يَتِرَكَ مِنْ عَمَلِكَ شَيْئًا»
رقم طبعة با وزير = (3238)

تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح - «صحيح أبي داود» (2139): ق.

تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: إسناده صحيح على شرط الشيخين

বাংলা অনুবাদ

আবূ সাঈদ খুদরী রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, “এক ব্যক্তি রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে হিজরত করা সম্পর্কে জিজ্ঞেস করলে, তিনি বলেন, “দুর্ভোগ তোমার জন্য! নিশ্চয়ই হিজরতের ব্যাপারটি খুবই কঠিন ব্যাপার। তোমার কি উট রয়েছে?” সে জবাবে বলেন, “জ্বী, হ্যাঁ।” তিনি আবার জিজ্ঞেস করেন, “তুমি কি সেগুলোর যাকাত আদায় করো?” সে জবাবে বলেন, “জ্বী, হ্যাঁ।” তখন রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, “তুমি সাগরসমূহের এপার থেকে ওপারে আমল করতে থাকো। নিশ্চয়ই আল্লাহ তোমার কোন আমল প্রতিদান না দিয়ে ছেড়ে দিবেন না।”[1]
[1] সহীহুল বুখারী: ১৪৫২; সহীহ মুসলিম: ১৮৬৫; আবূ দাঊদ: ২৪৭৭; নাসাঈ: ৭/১৪৩-১৪৪; মুসনাদ আহমাদ: ৩/১৪। শায়খ শুআইব আল আরনাঊত রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে বুখারী ও মুসলিমের শর্তে সহীহ বলেছেন। শায়খ নাসির উদ্দিন আলবানী রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন। (সহীহ আবূ দাঊদ: ২১৩৯)

হাদিস ৩,২৫০

মূল আরবি

أَخْبَرَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدٍ الْأَزْدِيُّ، قَالَ: حَدَّثَنَا إِسْحَاقُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ، قَالَ: أَخْبَرَنَا الْمُقْرِئُ، قَالَ: حَدَّثَنَا مُوسَى بْنُ عَلِيٍّ، قَالَ: سَمِعْتُ أَبِي يُحَدِّثُ، عَنْ عَبْدِ الْعَزِيزِ بْنِ مَرْوَانَ، قَالَ: سَمِعْتُ أَبَا هُرَيْرَةَ، يَقُولُ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «شَرُّ مَا فِي الرَّجُلِ شُحٌّ هَالِعٌ، وَجُبْنٌ خَالِعٌ»
رقم طبعة با وزير = (3239)

تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح - «صحيح أبي داود» (2268).

تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: إسناده صحيح

বাংলা অনুবাদ

আবূ হুরাইরা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, “রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, “একজন ব্যক্তির অন্যতম মন্দ স্বভাব হলো ভীতিকর কার্পণ্য এবং অবাধ ভীরুতা (লোভ যা তাকে পাগল করে তোলে এবং ভীরুতা যা তাকে কাপুরুষ করে তোলে)।”[1]
[1] মুসনাদ আহমাদ: ২/৩২০; আবূ দাঊদ: ২৫১১; সুনান বাইহাকী: ৯/১৭০; মুসান্নাফ ইবনু আবী শায়বাহ: ৯/৯৮; আবূ নুআইম, হিলইয়াতুল আওলিয়া: ৯/৫০। শায়খ শুআইব আল আরনাঊত রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন। শায়খ নাসির উদ্দিন আলবানী রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন। (সহীহ আবূ দাঊদ: ২২৬৮)

হাদিস ৩,২৫১

মূল আরবি

أَخْبَرَنَا جَعْفَرُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ سِنَانَ الْقَطَّانُ، بِوَاسِطَ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الْحَمِيدِ بْنُ بَيَانَ السُّكَّرِيُّ، حَدَّثَنَا خَالِدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ، عَنْ سُهَيْلِ بْنِ أَبِي صَالِحٍ، عَنْ صَفْوَانِ بْنِ أَبِي يَزِيدَ، عَنِ الْقَعْقَاعِ بْنِ اللَّجْلَاجِ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «لَا يَجْتَمِعُ غُبَارٌ فِي سَبِيلِ اللَّهِ وَدُخَانُ جَهَنَّمَ فِي جَوْفِ عَبْدٍ، وَلَا يَجْتَمِعُ الشُّحُّ وَالْإِيمَانُ فِي قَلْبِ عَبْدٍ أَبَدًا»
رقم طبعة با وزير = (3240)

تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح - «المشكاة» (3828 / التحقيق الثاني).

تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: حديث صحيح لغيره

বাংলা অনুবাদ

আবূ হুরাইরা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, “রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, “কোন বান্দার পেটে আল্লাহর রাস্তায় জিহাদে ধুলোবালি ও জাহান্নামের আগুন একত্রিত হতে পারে না এবং কোন বান্দার হৃদয়ে কৃপণতা ও ঈমান কখনো একত্রিত হতে পারে না।”[1]
[1] মুসনাদ আহমাদ: ২/৩৪২; ইমাম বুখারী, আদাবুল মুফরাদ: ২৮১; নাসাঈ: ৬/১৩; হাকিম: ২/৭২; সুনান বাইহাকী: ৯/১৬১; বাগাবী: ২৬১৯। শায়খ শুআইব আল আরনাঊত রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে সহীহ লিগাইরিহী বলেছেন। শায়খ নাসির উদ্দিন আলবানী রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন। (মিশকাত: ৩৮২৮)

হাদিস ৩,২৫২

মূল আরবি

أَخْبَرَنَا الْفَضْلُ بْنُ الْحُبَابِ، قَالَ: حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ كَثِيرٍ الْعَبْدِيُّ، قَالَ: أَخْبَرَنَا سُفْيَانُ الثَّوْرِيُّ، عَنِ الْأَعْمَشِ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ مُرَّةَ، عَنِ الْحَارِثِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ، أَنَّ ابْنَ مَسْعُودٍ، قَالَ: «آكُلُ الرِّبَا وَمُوكِلُهُ وَكَاتِبُهُ وَشَاهِدَاهُ إِذَا عَلِمُوا بِهِ، وَالْوَاشِمَةُ وَالْمُسْتَوْشِمَةُ لِلْحُسْنِ، وَلَاوِي الصَّدَقَةِ، وَالْمُرْتَدُّ أَعْرَابِيًّا بَعْدَ هِجْرَتِهِ مَلْعُونُونَ عَلَى لِسَانِ مُحَمَّدٍ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَوْمَ الْقِيَامَةِ»
رقم طبعة با وزير = (3241)

تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح - «التعليق الرغيب» (3/ 49)، «البيوع».

تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: حديث صحيح

বাংলা অনুবাদ

আব্দুল্লাহ বিন মাসঊদ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, “সুদ দাতা, সুদ গ্রহিতা, লেখক, সাক্ষী (যারা এ ব্যাপারে সাক্ষী দেয় অথচ জানে এটি সুদের লেনদেন) সৌন্দর্যের জন্য উল্কি অঙ্কনকারী, উল্কি গ্রহণকারী, যাকাত প্রদানে খেয়ানতকারী, হিজরতের পর মুরতাদ বেদুঈন- এসব ব্যক্তিরা কিয়ামতের দিন মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের জবানিতে অভিশপ্ত হবে।”[1]
[1] মুসনাদ আহমাদ: ১/৪০৯; নাসাঈ: ৮/১৪৭; আবূ ইয়ালা: ৫২৪১; মুসান্নাফ আব্দুর রাযযাক: ১৫৩৫০; সহীহ ইবনু খুযাইমাহ: ২২৫০; হাকিম: ১/৩৮৭-৩৮৮; বাইহাকী: ৯/১৯। শায়খ শুআইব আল আরনাঊত রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন। শায়খ নাসির উদ্দিন আলবানী রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে সহীহ লিগাইরিহী বলেছেন। (আত তা‘লীকুর রাগীব: ৩/৪৯)

হাদিস ৩,২৫৩

মূল আরবি

أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ الْمُسَيَّبِ بْنِ إِسْحَاقَ، قَالَ: حَدَّثَنَا زِيَادُ بْنُ [ص:45] يَحْيَى الْحَسَّانِيُّ، قَالَ: حَدَّثَنَا يَزِيدُ بْنُ زُرَيْعٍ، قَالَ: حَدَّثَنَا رَوْحُ بْنُ الْقَاسِمِ، قَالَ: حَدَّثَنَا سُهَيْلُ بْنُ أَبِي صَالِحٍ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، عَنْ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، قَالَ: «مَا مِنْ عَبْدٍ لَهُ مَالٌ لَا يُؤَدِّي زَكَاتَهُ إِلَّا جَمَعَ اللَّهُ لَهُ يَوْمَ الْقِيَامَةِ يُحْمَى عَلَيْهِ صَفَائِحُ مِنْ نَارِ جَهَنَّمَ، يُكْوَى بِهَا جَبِينُهُ وَظَهْرُهُ حَتَّى يَقْضِيَ اللَّهُ بَيْنَ عِبَادِهِ فِي يَوْمٍ كَانَ مِقْدَارُهُ خَمْسِينَ أَلْفَ سَنَةٍ مِمَّا تَعُدُّونَ، ثُمَّ يَرَى سَبِيلَهُ إِمَّا إِلَى جُنَّةٍ وَإِمَّا إِلَى نَارٍ، وَمَا مِنْ صَاحِبِ إِبِلٍ لَا يُؤَدِّي زَكَاتَهَا إِلَّا بُطِحَ لَهَا بِقَاعٍ قَرْقَرٍ أَوْفَرَ مَا كَانَتْ تَسِيرُ عَلَيْهِ، كُلَّمَا مَضَى عَلَيْهِ [ص:46] أُخْرَاهَا رُدَّتْ عَلَيْهِ أُولَاهَا، حَتَّى يَحْكُمَ اللَّهُ بَيْنَ عِبَادِهِ فِي يَوْمٍ كَانَ مِقْدَارُهُ خَمْسِينَ أَلْفَ سَنَةٍ، ثُمَّ يَرَى سَبِيلَهُ إِمَّا إِلَى جُنَّةٍ وَإِمَّا إِلَى نَارٍ، وَمَا مِنْ صَاحِبِ غَنَمٍ لَا يُؤَدِّي زَكَاتَهَا إِلَّا بُطِحَ لَهَا بِقَاعٍ قَرْقَرٍ كَأَوْفَرِ مَا كَانَتْ، فَتَطَؤُهُ بِأَظْلَافِهَا، وَتَنْطَحُهُ بِقُرُونِهَا، لَيْسَ فِيهَا عَقْصَاءُ وَلَا جَلْحَاءُ، كُلَّمَا مَضَتْ عَلَيْهِ أُخْرَاهَا رُدَّتْ عَلَيْهِ أُولَاهَا، حَتَّى يَحْكُمَ اللَّهُ بَيْنَ عِبَادِهِ فِي يَوْمٍ كَانَ مِقْدَارُهُ خَمْسِينَ أَلْفَ سَنَةٍ، ثُمَّ يَرَى سَبِيلَهُ إِمَّا إِلَى جُنَّةٍ وَإِمَّا إِلَى نَارٍ»
رقم طبعة با وزير = (3242)

تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح - «صحيح أبي داود» (1462): م.

تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: إسناده صحيح على شرط مسلم

বাংলা অনুবাদ

আবূ হুরাইরা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, “রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, “যে কোন সম্পদশালী ব্যক্তি, যদি তার সম্পদের যাকাত আদায় না করে, কিয়ামতের দিন আল্লাহ তা একত্রিত করবেন, তার উপর জাহান্নামের আগুনের প্লেট তপ্ত করে তা দিয়ে তার ললাট ও পিঠ সেঁক দেওয়া হতে থাকবে, যতক্ষন না আল্লাহ তার বান্দাদের মাঝে বিচার-ফায়সালা করবেন এমন দিনে যা তোমাদের গণনায় ৫০ হাজার বছরের সমপরিমাণ। তারপর সে তার পথ দেখতে পাবে, হয়তো জান্নাতের দিকে নতুবা জাহান্নামের দিকে। কোন উটের মালিক যদি তার উটের যাকাত আদায় না করে, তবে সেগুলোর জন্য বিশাল-বিস্তৃত বালুময় ময়দান স্থাপন করা হবে, সেগুলো তাকে পদদলিত করবে। যখন তার উপর শেষ উট আসবে, তখন প্রথম উট পুনরায় ফিরে আসবে। এভাবেই চলতে থাকবে, যতক্ষন না আল্লাহ তার বান্দাদের মাঝে বিচার-ফায়সালা করবেন এমন দিনে যা তোমাদের গণনায় ৫০ হাজার বছরের সমপরিমাণ। তারপর সে তার পথ দেখতে পাবে, হয়তো জান্নাতের দিকে নতুবা জাহান্নামের দিকে। কোন মেষের মালিক যদি তার মেষের যাকাত আদায় না করে, তবে সেগুলোর জন্য বিশাল-বিস্তৃত বালুময় ময়দান স্থাপন করা হবে, সেগুলো তাকে তাদের খুর দ্বারা পদদলিত করবে, শিং দ্বারা আঘাত করবে। কোন মেষের শিং ভাঙ্গা বা শিংবিহীন থাকবে না। যখন তার উপর শেষ মেষ আসবে, তখন প্রথম মেষ পুনরায় ফিরে আসবে। এভাবেই চলতে থাকবে, যতক্ষন না আল্লাহ তাঁর বান্দাদের মাঝে বিচার-ফায়সালা করবেন এমন দিনে যা তোমাদের গণনায় ৫০ হাজার বছরের সমপরিমাণ। তারপর সে তার পথ দেখতে পাবে, হয়তো জান্নাতের দিকে নতুবা জাহান্নামের দিকে।”[1]
[1] সহীহ ইবনু খুযাইমাহ: ২২৫৩; মুসান্নাফ আব্দুর রাযযাক: ৬৮৫৮; মুসনাদ আহমাদ: ২/২৬২; সহীহ মুসলিম: ৯৮৭; আবূ দাঊদ: ১৬৫৮; সহীহ ইবনু খুযাইমাহ: ২২৫২; সুনান বাইহাকী: ৪/৮১; বাগাবী: ১৫৬২; নাসাঈ: ৫/১২-১৩। শায়খ শুআইব আল আরনাঊত রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে মুসলিমের শর্তে সহীহ বলেছেন। শায়খ নাসির উদ্দিন আলবানী রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন। (সহীহ আবূ দাঊদ: ১৪৬২)

হাদিস ৩,২৫৪

মূল আরবি

أَخْبَرَنَا الْفَضْلُ بْنُ الْحُبَابِ، قَالَ: حَدَّثَنَا الْقَعْنَبِيُّ، قَالَ: حَدَّثَنَا عَبْدُ الْعَزِيزِ بْنُ مُحَمَّدٍ، عَنِ الْعَلَاءِ، عَنْ أَبِيهِ، [ص:47] عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «يَأْتِي الْمَالُ الَّذِي لَمْ يُعْطَ الْحَقُّ مِنْهَا، فَتَطَأُ الْإِبِلُ سَيِّدَهَا بِأَخْفَافِهَا، وَيَأْتِي الْبَقَرُ وَالْغَنَمُ فَتَطَأُ صَاحِبَهَا بِأَظْلَافِهَا، وَتَنْطَحُهُ بِقُرُونِهَا، وَيَأْتِي الْكَنْزُ شُجَاعًا أَقْرَعَ، فَيَلْقَى صَاحِبَهُ فَيَفِرُّ مِنْهُ، ثُمَّ يَسْتَقْبِلُهُ وَيَفِرُّ مِنْهُ، فَيَقُولُ: مَا لِي وَمَا لَكَ؟، فَيَقُولُ أَنَا كَنْزُكَ أَنَا كَنْزُكَ، فَيتَلَقَّاهُ صَاحِبُهُ بِيَدِهِ فَيَلْقَمُ يَدَهُ»
رقم طبعة با وزير = (3243)

تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: حسن صحيح - «صحيح أبي داود» (1462): ق نحوه.

تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: إسناده صحيح على شرط مسلم

বাংলা অনুবাদ

আবূ হুরাইরা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, “রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, “যেসব মালের হক আদায় করা হয়নি, তা কিয়ামতের দিন আসবে। উট তার মালিককে খুর দ্বারা পদদলিত করবে। গরু ও মেষ আসবে অতঃপর তাদের মালিককে খুর দ্বারা পদদলিত করবে আর শিং দ্বারা আঘাত করবে। আর গুপ্তধন কেশহীন বিশাল আকারের বিষাক্ত সাপ হিসেবে আবির্ভুত হবে। অতঃপর সে তার মালিকের সাথে সাক্ষাত করতে চাইবে, তখন সে পলায়ন করবে। তারপর সে আবার তার সামনে আসবে তখনও সে পালাবে এবং বলবে, “আমার সাথে তোমার কী হয়েছে?” সে জবাবে বলবে, “আমি তোমার গচ্ছিত সম্পদ, আমি তোমার গচ্ছিত সম্পদ।” অতঃপর সে তার হাত দ্বারা তার সাথে সাক্ষাত করবে। তখন সাপ তার হাত গ্রাস করবে।”[1]
[1] ইবনু মাজাহ: ১৭৮৬; মুসনাদ আহমাদ: ২/৫২০; সহীহুল বুখারী: ১৪০২; নাসাঈ: ৬/২৩-২৪। শায়খ শুআইব আল আরনাঊত রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে মুসলিমের শর্তে সহীহ বলেছেন। শায়খ নাসির উদ্দিন আলবানী রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন। (সহীহ আবূ দাঊদ: ১৪৬২)

হাদিস ৩,২৫৫

মূল আরবি

أَخْبَرَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدٍ الْمَدِينِيُّ، قَالَ: حَدَّثَنَا إِسْحَاقُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ، قَالَ: أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ بَكْرٍ، قَالَ: حَدَّثَنَا ابْنُ جُرَيْجٍ، قَالَ: أَخْبَرَنِي أَبُو الزُّبَيْرِ، [ص:48] أَنَّهُ سَمِعَ جَابِرَ بْنَ عَبْدِ اللَّهِ، يَقُولُ: سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، يَقُولُ: «مَا مِنْ صَاحِبِ إِبِلٍ لَا يَفْعَلُ فِيهَا خَيْرًا إِلَّا جَاءَتْ يَوْمَ الْقِيَامَةِ أَكْثَرَ مَا كَانَتْ، وَأُقْعِدَ لَهَا بِقَاعٍ قَرْقَرٍ تَسْتَنُّ عَلَيْهِ بِقَوَائِمِهَا وَأَخْفَافِهَا، وَلَا صَاحِبِ بَقَرٍ إِلَّا جَاءَتْ يَوْمَ الْقِيَامَةِ أَكْثَرَ مَا كَانَتْ، وَأُقْعِدَ لَهَا بِقَاعٍ قَرْقَرٍ تَنْطَحُهُ بِقُرُونِهَا وَتَطَؤُهُ بِأَظْلَافِهَا لَيْسَ فِيهَا جَمَّاءُ وَلَا مُكَسَّرٌ قَرْنُهَا، وَلَا صَاحِبِ كَنْزٍ لَا يَفْعَلُ فِيهِ حَقَّهُ إِلَّا جَاءَ كَنْزُهُ يَوْمَ الْقِيَامَةِ شُجَاعًا أَقْرَعَ يَتْبَعُهُ فَاغِرًا فَاهُ، فَإِذَا أَتَاهُ فَرَّ مِنْهُ فَيُنَادِيهِ رَبُّهُ: كَنْزُكَ الَّذِي خَبَّأْتَهُ، فَإِذَا رَأَى أَنْ لَابُدَّ لَهُ مِنْهُ سَلَكَ يَدَهُ فِي فِيهِ فَيَقْضَمُهَا قَضْمَ الْفَحْلِ»
رقم طبعة با وزير = (3244)

تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح - «الصحيحة» (558): م.

تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: إسناده صحيح على شرط مسلم

বাংলা অনুবাদ

জাবির বিন আব্দুল্লাহ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, “রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, “যদি কোন উটের মালিক তার উটের ক্ষেত্রে ভালো কিছু না করে, তবে সেগুলো কিয়ামতের দিন অধিক সংখ্যায় আবির্ভুত হবে। সেগুলোর জন্য বালুময় উন্মুক্ত ময়দান স্থাপন করা হবে। সেগুলো তাকে তাদের পা ও পায়ের খুর দ্বারা আঘাত করবে। যদি কোন গরুর মালিক (তার গরুর ক্ষেত্রে ভালো কিছু না করে), তবে সেগুলো কিয়ামতের দিন অধিক সংখ্যায় আবির্ভুত হবে। সেগুলোর জন্য বালুময় উন্মুক্ত ময়দান স্থাপন করা হবে। সেগুলো তাকে তাদের পায়ের খুর দ্বারা আঘাত করবে এবং শিং দ্বারা আঘাত করবে। সেগুলোর মাঝে কোন শিং ভাঙ্গা বা শিংবিহীন গরু থাকবে না। যদি কোন গুপ্তধনের মালিক, তাদের সম্পদের হক আদায় না করে, তবে সেগুলো কিয়ামতের দিন টাকবিশিষ্ট্য সাপে পরিণত হবে। সেগুলো মুখ হা করে তার পিছু ধাওয়া করবে। যখন সেটা তার কাছে আসবে, তখন সে পলায়ন করবে। সেসময় তার প্রভু ডাক দিবে, “এটা তোমার গুপ্তধন, যা তুমি লুকিয়ে রেখেছিলে।” অতঃপর যখন সে দেখবে যে, সে অবশ্যই তাকে ধরে ফেলবে, তখন সে তার হাত সাপের মুখে দিবে। অতঃপর সাপ হাত কামড়াবে, যেভাবে পুরুষ উট কামড় দেয়।”[1]
[1] মুসনাদ আহমাদ: ৩/৩২১; মুসান্নাফ আব্দুর রাযযাক: ৬৮৫৯; দারেমী: ১/৩৮০; সহীহ মুসলিম: ৯৮৮; ইবনুল জারুদ: ৩৩৫; সুনান বাইহাকী: ৪/১৮৩; মুসান্নাফ ইবনু আবী শায়বাহ: ৩/২১৩; নাসাঈ: ৫/২৭। শায়খ শুআইব আল আরনাঊত রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে মুসলিমের শর্তে সহীহ বলেছেন। শায়খ নাসির উদ্দিন আলবানী রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন। (সহীহাহ: ৫৫৮)

হাদিস ৩,২৫৬

মূল আরবি

أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ إِسْحَاقَ بْنِ خُزَيْمَةَ، قَالَ: حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ رَافِعٍ، قَالَ: حَدَّثَنَا مُصْعَبُ بْنُ الْمِقْدَامِ، قَالَ: حَدَّثَنَا دَاوُدُ الطَّائِيُّ، عَنِ الْأَعْمَشِ، عَنِ الْمَعْرُورِ بْنِ سُوَيْدٍ، [ص:49] عَنْ أَبِي ذَرٍّ، قَالَ: قَالَ النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «وَالَّذِي نَفْسِي بِيَدِهِ لَا يَمُوتُ رَجُلٌ فَيَدَعُ إِبِلًا أَوْ بَقَرًا أَوْ غَنَمًا لَمْ يُؤَدِّ زَكَاتَهَا إِلَّا مُثِّلَتْ لَهُ يَوْمَ الْقِيَامَةِ أَعْظَمَ مَا تَكُونُ وَأَسْمَنَهُ، تَنْطَحُهُ بِقُرُونِهَا وَتَطَؤُهُ بِأَخْفَافِهَا، كُلَّمَا ذَهَبَ أُخْرَاهَا رَجَعَ أُولَاهَا كَذَلِكَ حَتَّى يَقْضِيَ اللَّهُ بَيْنَ النَّاسِ»
رقم طبعة با وزير = (3245)

تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح - «التعليق الرغيب» (1/ 267): ق.

تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: إسناده صحيح

বাংলা অনুবাদ

আবূ যার আল গিফারী রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, “রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, “ঐ সত্তার কসম, যার হাতে আমার প্রাণ রয়েছে, যদি কোন ব্যক্তি এমন উট, গরু ও মেষ রেখে মারা যায়, যেগুলোর সে যাকাত আদায় করেনি, তবে সেগুলোকে কিয়ামতের দিন ‍দুনিয়ার চেয়ে বিশালাকার ও বেশি মোটা করে উপস্থাপন করা হবে, সেগুলো তাদের শিং দিয়ে তাকে গুতা দিবে এবং খুর দ্বারা আঘাত করবে। যখনই তাদের সর্বশেষটি চলে যাবে, তখন আবার প্রথমটি চলে আসবে। মহান আল্লাহ মানুষেরে মাঝে বিচার-ফায়সালা না করা পর্যন্ত এভাবেই তাকে শাস্তি দেওয়া হবে।”[1]
[1] মুসনাদ আহমাদ: ৫/১৫৭-১৫৮; সহীহ মুসলিম: ৯৯০; ইবনু মাজাহ: ১৭৮৫; নাসাঈ: ৫/২৯; সহীহ ইবনু খুযাইমাহ: ২২৫১; সুনান বাইহাকী: ৪/৯৭; সহীহুল বুখারী: ১৪৬০; তিরমিযী: ৬১৭; দারেমী: ১/৩৮১। শায়খ শুআইব আল আরনাঊত রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে সহীহ মুসলিমের শর্তে সহীহ বলেছেন। শায়খ নাসির উদ্দিন আলবানী রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন। (আত তা‘লীকুর রাগীব: ১/২৬৭)

হাদিস ৩,২৫৭

মূল আরবি

أَخْبَرَنَا الْحَسَنُ بْنُ سُفْيَانَ، قَالَ: حَدَّثَنَا أُمَيَّةُ بْنُ بِسْطَامٍ، قَالَ: حَدَّثَنَا يَزِيدُ بْنُ زُرَيْعٍ، قَالَ: حَدَّثَنَا سَعِيدُ بْنُ أَبِي عَرُوبَةَ، عَنْ قَتَادَةَ، عَنْ سَالِمِ بْنِ أَبِي الْجَعْدِ، عَنْ مَعْدَانَ بْنِ أَبِي طَلْحَةَ، عَنْ ثَوْبَانَ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، قَالَ: «مَنْ تَرَكَ بَعْدَهُ كَنْزًا مُثِّلَ لَهُ شُجَاعًا أَقْرَعَ يَوْمَ الْقِيَامَةِ لَهُ زَبِيبَتَانِ يَتْبَعُهُ، فَيَقُولُ: مَنْ أَنْتَ؟، فَيَقُولُ: أَنَا كَنْزُكَ الَّذِي خَلَّفْتَ بَعْدَكَ، فَلَا يَزَالُ يَتْبَعُهُ حَتَّى يُلْقِمَهُ يَدَهُ فَيَقْضِمُهَا، ثُمَّ يَتْبَعُهُ سَائِرَ جَسَدِهِ»
رقم طبعة با وزير = (3246)

تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح - «التعليق الرغيب» (1/ 269).

تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: إسناده صحيح على شرط مسلم

বাংলা অনুবাদ

সাওবান রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, “রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, “যে ব্যক্তি তার পরে গুপ্তধন রেখে যায়, সেগুলোকে কিয়ামতের দিন টাকবিশিষ্ট্য বিশাল বিষাক্ত সাপে রুপ দেওয়া হবে, যার চোখে থাকবে, দুটি কালো দাগ। সে তার মালিকের পিছু নিবে। তার মালিক বলবে, “তুমি কে?” সে জবাবে বলবে, “আমি তোমার গুপ্তধন, যা তুমি তোমার পিছনে রেখে এসেছিলে!” অতঃপর সেটা তাকে ধাওয়া করতেই থাকবে এক পর্যায়ে সে তার হাত সাপের মুখে ‍দিবে অতঃপর সাপ তা গ্রাস করবে তারপর ক্রমান্বয়ে তার পুরো শরীর গ্রাস করবে।”[1]
[1] আবূ নুআইম, হিলইয়াতুল আওলিয়া: ১/১৮১; তাবারানী: ১৪০৮; হাকিম: ১/৩৮৮-৩৮৯; বাযযার: ৮৮২; হাইসামী, মাজমাউয যাওয়াইদ: ৩/৬৪। শায়খ শুআইব আল আরনাঊত রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে মুসলিমের শর্তে সহীহ বলেছেন। শায়খ নাসির উদ্দিন আলবানী রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন। (আত তা‘লীকুর রাগীব: ১/২৬৯)

হাদিস ৩,২৫৮

মূল আরবি

أَخْبَرَنَا إِسْمَاعِيلُ بْنُ دَاوُدَ بْنِ وَرْدَانَ، حَدَّثَنَا عِيسَى بْنُ حَمَّادٍ، قَالَ: أَخْبَرَنَا اللَّيْثُ، عَنِ ابْنِ عَجْلَانَ، عَنِ الْقَعْقَاعِ بْنِ حَكِيمٍ، عَنْ أَبِي صَالِحٍ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، عَنْ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، قَالَ: «يَكُونُ كَنْزُ أَحَدِكُمْ يَوْمَ الْقِيَامَةِ شُجَاعًا أَقْرَعَ، يَتْبَعُ صَاحِبَهُ وَهُوَ يَتَعَوَّذُ مِنْهُ، فَلَا يَزَالُ يَتْبَعُهُ حَتَّى يُلْقِمَهُ أُصْبُعَهُ»
رقم طبعة با وزير = (3247)

تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح - «الصحيحة» (558): خ.

تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: إسناده قوي

বাংলা অনুবাদ

আবূ হুরাইরা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, “রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, “তোমাদের গুপ্তধনগুলো কিয়ামতের দিন টাকবিশিষ্ট্য বিশাল বিষাক্ত সাপে পরিণত হবে। সে তার মালিকের অনুসরণ করবে আর সে ব্যক্তি তার থেকে আশ্রয় চাইবে। সে তার পিছু ধাওয়া করতেই থাকবে, এক পর্যায়ে সে তার আঙ্গুল গ্রাস করবে।”[1]
[1] মুসনাদ আহমাদ: ২/৩৫৫; সহীহুল বুখারী: ১৪০৩; নাসাঈ: ৫/৩৯। শায়খ শুআইব আল আরনাঊত রহিমাহুল্লাহ হাদীসটির সানাদকে শক্তিশালী বলেছেন। শায়খ নাসির উদ্দিন আলবানী রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন। (সহীহাহ: ৫৫৮)

হাদিস ৩,২৫৯

মূল আরবি

أَخْبَرَنَا عُمَرُ بْنُ مُحَمَّدٍ الْهَمْدَانِيُّ، قَالَ: حَدَّثَنَا مُؤَمَّلُ بْنُ هِشَامٍ، قَالَ: حَدَّثَنَا إِسْمَاعِيلُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ الْأَسَدِيُّ، عَنِ الْجُرَيْرِيِّ، عَنْ أَبِي الْعَلَاءِ، عَنِ الْأَحْنَفِ بْنِ قَيْسٍ، قَالَ: قَدِمْتُ الْمَدِينَةَ فَبَيْنَا أَنَا فِي حَلْقَةٍ وَفِيهَا مَلَأٌ مِنْ قُرَيْشٍ إِذْ جَاءَ رَجُلٌ، أَخْشَنُ الثِّيَابِ، أَخْشَنُ الْجَسَدِ، أَخْشَنُ الْوَجْهِ، فَقَامَ عَلَيْهِمْ، فَقَالَ: «بَشِّرِ الْكَنَّازِينَ بِرَضْفٍ يُحْمَى عَلَيْهِمْ فِي نَارِ جَهَنَّمَ، فَيُوضَعُ عَلَى حَلَمَةِ ثَدْيِ أَحَدِهِمْ حَتَّى يَخْرُجَ مِنْ نُغْضِ كَتِفِهِ، وَيُوضَعَ عَلَى نُغْضِ كَتِفِهِ حَتَّى يَخْرُجَ مِنْ حَلَمَةَ ثَدْيهِ، فَوَضَعُوا رُءُوسَهُمْ، فَمَا رَأَيْتُ أَحَدًا مِنْهُمْ رَجَعَ إِلَيْهِ شَيْئًا، قَالَ: وَأَدْبَرَ، فَاتَّبَعْتُهُ حَتَّى جَلَسَ إِلَى سَارِيَةٍ، فَقُلْتُ: مَا رَأَيْتُ هَؤُلَاءِ إِلَّا كَرِهُوا مَا قُلْتَ لَهُمْ، قَالَ: إِنَّ هَؤُلَاءِ لَا يَعْقِلُونَ، إِنَّ خَلِيلِي أَبَا الْقَاسِمِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ دَعَانِي، فَقَالَ: » يَا أَبَا ذَرٍّ «: فَأَجَبْتُهُ، قَالَ: » أَتَرَى أُحُدًا «، قَالَ: فَنَظَرْتُ مَا عَلَيَّ مِنَ الشَّمْسِ وَأَنَا أَظُنُّهُ يَبْعَثُنِي لِحَاجَةٍ لَهُ، فَقَالَ: » مَا يَسُرُّنِي أَنَّ لِي مِثْلَهُ ذَهَبًا أُنْفِقُهُ كُلَّهُ غَيْرَ ثَلَاثَةِ دَنَانِيرَ، ثُمَّ هَؤُلَاءِ يَجْمَعُونَ الدُّنْيَا لَا يَعْقِلُونَ شَيْئًا «، قَالَ: قُلْتُ: مَا لَكَ وَلِإِخْوَانِكَ قُرَيْشٍ؟ قَالَ: لَا وَرَبِّكَ لَا أَسْأَلُهُمْ دُنْيَا وَلَا أَسْتَفْتِيهِمْ فِي دِينِي حَتَّى أَلْحَقَ بِاللَّهِ وَرَسُولِهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ
رقم طبعة با وزير = (3248)

تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح - «الصحيحة» (1028).

تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: إسناده صحيح على شرط البخاري

বাংলা অনুবাদ

আহনাফ বিন কাইস (রহ.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, “একবার আমি মাদীনায় আগমন করি। আমি একটি হালাকায় ছিলাম, সেখানে কুরাইশ বংশের একদল নেতৃস্থানীয় লোক ছিলেন। এমন সময় একজন ব্যক্তি আগমন করেন, যার কাপড়, চেহারা ও দেহ খশখশে ছিল। তিনি তাদের কাছে এসে দাঁড়ান অতঃপর বলেন, “(যাকাত আদায় না করে) সম্পদ জমাকারীদের তপ্ত পাথরের সুসংবাদ দিন, তাদের জন্য জাহান্নামে আগুনে সেটাকে তাপ দেওয়া হবে। অতঃপর সেটা তাদের বুকের স্তনের বোটার উপর রাখা হবে, অতঃপর সেটা কাঁধের হাড় দিয়ে বের হবে। তারপর সেটাকে কাঁধের হাড়ের উপর রাখা হবে, অতঃপর তা স্তনের বোটা দিয়ে বের হবে।” এই হাদীস শ্রবণ করে তারা তাদের মাথা নিচু করেন। আমি তাদের একজনকেও কোন প্রতিউত্তর করতে দেখলাম না।” রাবী বলেন, “তারপর তিনি পৃষ্ঠ প্রদর্শন করে চলে যান। আমি তার অনুসরণ করি। তিনি একটি খুঁটির কাছে গিয়ে বসেন। তখন আমি বললাম, “আমার তো মনে হয়, আপনি তাদেরকে যা বলেছেন, সেটা তারা অপছন্দই করেছে!” তিনি বলেন, “এরা বুঝতে পারছে না। নিশ্চয়ই আমার বন্ধু আবুল কাসিম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম একবার আমাকে ডাক দিয়ে বলেন, “হে আবূ যার।” আমি তাঁর ডাকে সাড়া দেই। তিনি বলেন, “তুমি কি উহুদ পাহাড় দেখতে পাচ্ছো?” অতঃপর আমি আমার ‍উপর প্রখর সূর্যতাপ লক্ষ্য করলাম আর আমি মনে করলাম, তিনি আমাকে তার কোন প্রয়োজনে পাঠাবেন। অতঃপর তিনি বলেন, “আমি মোটেও খুশি হবো না যে, আমার উহুদ পাহাড় সমপরিমাণ স্বর্ণ হোক। এরকম হলে আমি তার তিনটি দীনার (স্বর্ণমুদ্রা) ছাড়া বাকি সমস্ত স্বর্ণ দান করে দিবো।” আবূ যার গিফারী রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু বলেন, “তারপর এই লোকগুলো দুনিয়া জমা করছে, তারা ‍কিছুই বুঝতে পারছে না।” রাবী বলেন, “আমি বললাম, আপনার সাথে আপনার কুরাইশ ভাইদের কী হয়েছে?” জবাবে তিনি বলেন, “না, কিছুই না। তোমার প্রভুর কসম, আমি তাদের কাছে দুনিয়া চাই না, আর আমার দ্বীনের বিষয়েও তাদেরকে কোন কিছু জিজ্ঞেস করতে চাই না, এভাবেই আমি আল্লাহ ও তাঁর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের সাথে মিলিত হবো।”[1]
[1] মুসনাদ আহমাদ: ৫/১৬০; সহীহ মুসলিম : ৯৯২; সহীহুল বুখারী: ১৪০৭। শায়খ শুআইব আল আরনাঊত রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে বুখারীর শর্তে সহীহ বলেছেন। শায়খ নাসির উদ্দিন আলবানী রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন। (সহীহাহ: ১০২৮)

হাদিস ৩,২৬০

মূল আরবি

أَخْبَرَنَا أَبُو يَعْلَى، قَالَ: حَدَّثَنَا شَيْبَانُ بْنُ فَرُّوخٍ، قَالَ: حَدَّثَنَا أَبُو الْأَشْهَبِ، قَالَ: حَدَّثَنَا خُلَيْدٌ الْعَصَرِيُّ، عَنِ الْأَحْنَفِ بْنِ قَيْسٍ، قَالَ: كُنْتُ فِي نَفَرٍ مِنْ قُرَيْشٍ فَمَرَّ أَبُو ذَرٍّ وَهُوَ يَقُولُ: «بَشِّرِ الْكَنَّازِينَ فِي ظُهُورِهِمْ بِكَيٍّ يَخْرُجُ مِنْ جُنُوبِهِمْ، وَبِكَيٍّ مِنْ قِبَلِ قَفَاهِمْ يَخْرُجُ مِنْ جِبَاهِهِمْ، ثُمَّ تَنَحَّى فَقَعَدَ»، فَقُلْتُ: مَنْ هَذَا؟ قَالُوا: أَبُو ذَرٍّ فَقُمْتُ إِلَيْهِ، فَقُلْتُ: مَا شَيْءٌ سَمِعْتُكَ تَقُولُهُ قُبَيْلُ؟، قَالَ: مَا قُلْتُ إِلَّا شَيْئًا سَمِعْتُهُ مِنْ نَبِيِّهِمْ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، قَالَ: قُلْتُ: فَمَا تَقُولُ فِي هَذَا الْعَطَاءِ، قَالَ: خُذْهُ فَإِنَّ فِيهِ الْيَوْمَ مَعُونَةً، فَإِذَا كَانَ ثَمَنًا لِدِينِكَ فَدَعْهُ
رقم طبعة با وزير = (3249)

تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح: م (992/ 35).

تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: إسناده صحيح على شرط مسلم

বাংলা অনুবাদ

আহনাফ বিন কাইস (রহ.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, “একবার আমি কুরাইশদের একদল ব্যক্তির মাঝে ছিলাম, এসময় আবূ যার গিফারী রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু তাদের পাশ দিয়ে অতিক্রম করেন, তখন তিনি বলছিলেন, “সম্পদ জমাকারীদেরকে সুসংবাদ দিন, তাদের পৃষ্ঠদেশে সেক দেওয়া হবে, সেটা তাদের পার্শ দিয়ে বের হবে, তাদের মাথার পশ্চাৎভাগে এক সেক দেওয়া হবে, সেটা তাদের ললাট দিয়ে বের হবে।” তারপর তিনি সরে গিয়ে বসে পড়েন। তখন আমি বললাম, “ইনি কে?” তারা জবাবে বলেন, “আবূ যার রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু।” অতঃপর আমি উঠে তার কাছে যাই এবং তাকে বলি, “একটু আগে আমি আপনার কাছে কী শুনতে পেলাম?” জবাবে তিনি বলেন, “আমি সেটাই বলেছি, যা আমি তাদের নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম থেকে শ্রবণ করেছি।” রাবী বলেন, “আমি বললাম, তবে আপনি রাষ্ট্রীয় ভাতার ব্যাপারে কী বলবেন?” জবাবে তিনি বলেন, “তুমি সেটা গ্রহণ করো। কেননা এটা তোমার জন্য এখন সহায়ক হবে। অতঃপর যখন এই ভাতা তোমার দ্বীনের মুল্য হয়ে যাবে (ভাতার মাধ্যমে মানুষের দ্বীনদারিতা ক্রয় করার চেষ্টা করা হবে), তখন তুমি সেটা বর্জন করবে।”[1]
[1] সহীহ মুসলিম: ৯৯২। শায়খ শুআইব আল আরনাঊত রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন। শায়খ নাসির উদ্দিন আলবানী রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন। (আত তা‘লীকাতুল হিসান: ৩২৪৯)