সুনান ইবনে মাজাহ

পবিত্রতা ও তার সুন্নাতসমূহ

হাদিস 267 তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এক মুদ্দ পানি দিয়ে উযু করতেন এবং এক সা’ পানি দিয়ে গোসল করতেন। [২৬৫] হাদিস 268 তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এক মুদ্দ পানি দিয়ে উযু করতেন এবং এক সা’ পানি দিয়ে গোসল করতেন। [২৬৬] হাদিস 269 রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এক মুদ্দ পানি দিয়ে উযু করতেন এবং এক সা’ পানি দিয়ে গোসল করতেন। [২৬৭] হাদিস 270 তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, উযুতে এক মুদ্দ এবং গোসলে এক সা’ পানি যথেষ্ট। এক ব্যক্তি বললো, আমাদের জন্য (এ পরিমাণ পানি) যথেষ্ট নয়। তিনি... হাদিস 271 তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, আল্লাহ পবিত্রতা ব্যতীত সলাত কবূল করেন না এবং হারাম পন্থায় উপার্জিত মালের দান-খয়রাত কবূল করেন না। [২৬৯] হাদিস 272 তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, আল্লাহ পবিত্রতা ছাড়া সলাত কবূল করেন না এবং হারাম পন্থায় উপার্জিত মালের দান-খয়রাত কবূল করেন না। [২৭০] হাদিস 273 তিনি বলেন আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলতে শুনেছিঃ আল্লাহ পবিত্রতা ছাড়া সলাত কবূল করেন না এবং হারাম পন্থায় অর্জিত মালের দান-খয়রাতও কবূল করেন না। হাদিস 274 তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, আল্লাহ পবিত্রতা ছাড়া সলাত কবূল করেন না এবং হারাম পন্থায় উপার্জিত মালের দান-খয়রাত কবূল করেন না। হাদিস 275 তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, পবিত্রতা হলো সলাতের চাবি, তার তাকবীর হলো হারামকারী এবং তার সালাম হলো হালালকারী। [২৭৩] হাদিস 276 নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন, পবিত্রতা হলো সলাতের চাবি, তাকবীর হলো তার হারামকারী এবং সালাম হলো তার হালালকারী। [২৭৪] হাদিস 277 তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, তোমরা (দ্বীনের উপর) অবিচল থাকো, যদিও তোমরা আয়ত্তে রাখতে পারবে না। জেনে রাখো, তোমাদের আমালসমূহের মধ্যে সর্বোত্তম হলো সলাত। কেবল... হাদিস 278 তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, তোমরা (দ্বীনের উপর) স্থির থাকো, যদিও তোমরা তা নিয়ন্ত্রণে রাখতে পারবে না। জেনে রাখো! তোমাদের সর্বোত্তম আমাল হলো সলাত। কেবল... হাদিস 279 রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন, তোমরা দ্বীনের উপর স্থির থাকো। তোমরা দ্বীনের উপর অবিচল থাকলে তা কল্যাণকর। তোমাদের কার্যাবলীর মধ্যে সর্বোত্তম কাজ হলো সলাত আদায় করা। মু’মিন... হাদিস 280 রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন, সুষ্ঠুভাবে উযু করা ঈমানের অর্ধেক। আল-হামদুলিল্লাহ (নেকীর) পাল্লা ভারী করে। সুবহানাল্লাহ ও আল্লাহু আকবার পৃথিবী ও আকাশমণ্ডলী ভরে দেয়। সলাত হলো নূর,... হাদিস 281 তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, তোমাদের কোন ব্যক্তি উত্তমরূপে উযু করে কেবল সলাত আদায়ের জন্যে মাসজিদে রওনা হলে তার মাসজিদে পৌঁছা পর্যন্ত তার প্রতিটি পদক্ষেপের... হাদিস 282 রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন, যে ব্যক্তি উযু করে কুলি করলো এবং নাকে পানি পৌঁছালো, তার গুনাহ্সমূহ তার মুখ ও নাক থেকে বের হয়ে যায়। সে তার... হাদিস 283 তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, বান্দা যখন উযু করে এবং তার উভয় হাত ধৌত করে, তখন তার দু’ হাত থেকে গুনাহসমূহ নির্গত হয়ে যায়। যখন... হাদিস 284 তিনি বলেন, জিজ্ঞেস করা হলো, হে আল্লাহ্‌র রসূল! আপনি আপনার উম্মাতের যেসব লোককে দেখেননি তাদের কিভাবে চিনবেন? তিনি বলেন, উযুর কারণে তাদের মুখমণ্ডল ও তাদের উযুর অন্যান্য অঙ্গ... হাদিস 285 আমি উসমান বিন আফ্‌ফান (রাঃ)-কে এক স্থানে উপবিষ্ট দেখলাম। তিনি উযুর পানি নিয়ে ডাকলেন এবং উযু করলেন, অতঃপর বলেন, আমি রসূলূল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে আমার এ স্থানে... হাদিস 286 তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যখন রাতে তাহাজ্জুদের সলাত আদায় করতে উঠতেন, তখন তিনি মিসওয়াক দিয়ে তার মুখ পরিষ্কার করতেন। [২৮৪] হাদিস 287 তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, আমি যদি আমার উম্মাতের জন্য কষ্টকর মনে না করতাম, তাহলে তাদেরকে প্রতি ওয়াক্ত সলাতের সময় মিসওয়াক করার নির্দেশ দিতাম। [২৮৫] হাদিস 288 তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) রাতে দু’ দু’ রাকআত করে (নফল) সলাত আদায় করতেন এবং (সলাত থেকে) অবসর হয়ে মিসওয়াক করতেন। [২৮৬] হাদিস 289 রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন, তোমরা মিসওয়াক করো। কেননা মিসওয়াক মুখ পবিত্র ও পরিস্কার করে এবং মহান প্রভুর সন্তুষ্টি লাভের উপায়। আমার কাছে যখনই জিবরাঈল (আঃ) এসেছেন... হাদিস 290 আমি আয়িশাহ (রাঃ)-কে জিজ্ঞেস করলাম, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আপনার নিকট এসে প্রথমে কোন কাজটি করতেন তা আমাকে অবহিত করুন। তিনি বলেন, তিনি প্রবেশ করেই প্রথমে মিসওয়াক... হাদিস 291 তিনি বলেন, তোমাদের মুখ হলো কুরআনের রাস্তা। অতএব তোমরা দাঁতন করে তা পবিত্র ও সুগন্ধযুক্ত করো। [২৮৯] হাদিস 292 তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, ফিতরাত পাঁচটি অথবা পাঁচটি জিনিস স্বভাবজাতঃ খতনা করা, নাভির নিচের লোম পরিষ্কার করা, নখসমূহ কাটা, বগলের পশম তুলে ফেলা এবং... হাদিস 293 তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, দশটি জিনিস ফিতরাত বা স্বভাবজাত। মোচ কাটা, দাড়ি বাড়ানো, মিসওয়াক করা, নাকের ছিদ্র পানি দিয়ে পরিষ্কার করা, নখ কাটা, আঙ্গুলের... হাদিস 294 রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন, কুলি করা, নাকের ছিদ্রপথে পানি পৌঁছানো, মিসওয়াক করা, মোচ কাটা, নখ কাটা, বগলের লোম উপড়ে ফেলা, নাভির নিচের লোম পরিষ্কার করা, আঙ্গুলের... হাদিস 295 তিনি বলেন, মোচ কাটা, নাভির নিচের লোম পরিষ্কার করা, বগলের লোম উপড়ে ফেলা ও নখ কাটার ব্যাপারে আমাদের চল্লিশ দিনের সময়সীমা বেঁধে দেয়া হয়েছে। আমরা যেন তা বেশি... হাদিস 296 তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, (পায়খানায়) এসব শয়তান উপস্থিত হয়। অতএব তোমাদের কেউ (পায়খানায়) প্রবেশকালে যেন বলেঃ “হে আল্লাহ্ ! আমি আপনার নিকট অপবিত্রতা ও... হাদিস 297 তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, জিন ও মানুষের গোপন অঙ্গের মাঝখানের পর্দা হলো পায়খানায় প্রবেশকালে তার ‘বিসমিল্লাহ’ বলা। [২৯৫] হাদিস 298 তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যখন পায়খানায় প্রবেশ করতেন, তখন বলতেনঃ “আমি আল্লাহ্‌র নিকট অপবিত্রতা ও শয়তানের অশুভ চক্রান্ত থেকে পানাহ চাই।” [২৯৬] হাদিস 299 রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন, তোমাদের কেউ পায়খানায় প্রবেশকালে যেন এ কথা বলতে অপারগ না হয়ঃ “হে আল্লাহ্‌! আমি কদর্যতা, অপবিত্রতা, কদাকার ও ক্ষতিকর বিতারিত শয়তান থেকে... হাদিস 300 আমি আয়িশাহ (রাঃ) এর নিকট প্রবেশ করে তাকে বলতে শুনলাম রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) পায়খানা থেকে বের হওয়ার সময় বলতেন, (গুফরানাকা) অর্থাৎ “আমি আপনার কাছে ক্ষমা চাচ্ছি”।... হাদিস 301 তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) পায়খানা থেকে বের হওয়ার সময় বলতেনঃ “সমস্ত প্রশংসা আল্লাহ্‌র জন্য যিনি আমার থেকে কষ্ট দূর করেছেন এবং স্বস্তি দান করেছেন”। [২৯৯] হাদিস 302 রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সর্বাবস্থায় আল্লাহ্‌র যিক্‌র করতেন। [৩০০] হাদিস 303 নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) পায়খানায় প্রবেশের আগে তার আংটি খুলে রাখতেন। [৩০১] হাদিস 304 তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, তোমাদের কেউ যেন তার গোসলখানায় পেশাব না করে। কেননা তা থেকেই যাবতীয় সন্দেহের উদ্রেক হয়। ১/৩০৪(১). আবদুল্লাহ্ ইবনু মাজাহ (রহঃ)... হাদিস 305 রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কোন এক গোত্রের ময়লা-আবর্জনার নিকট পৌঁছে সেখানে দাঁড়িয়ে পেশাব করেন। [৩০৩] হাদিস 306 রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এক গোত্রের ময়লা-আবর্জনার ইকত পৌঁছে তথায় দাঁড়িয়ে পেশাব করেন। ২/৩০৬ (১). সে সময় এ হাদীস মুগীরাহ (রাঃ)>- এর সূত্রে বর্ণনা করেছেন, কিন্তু আসিম... হাদিস 307 তিনি বলেন, যে ব্যক্তি তোমাকে বলে যে, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) দাঁড়িয়ে পেশাব করেছেন, তার কথা তুমি বিশ্বাস করবে না। আমি তাঁকে বসে পেশাব করতে দেখেছি। [৩০৫] হাদিস 308 তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাকে দাঁড়িয়ে পেশাব করতে দেখে বলেন, হে উমার! তুমি দাঁড়িয়ে পেশাব করো না। এরপর থেকে আমি দাঁড়িয়ে পেশাব করিনি। [৩০৬] হাদিস 309 রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) দাঁড়িয়ে পেশাব করতে নিষেধ করেছেন। ৩/৩০৯(১). আয়িশাহ (রাঃ) – এর এ হাদীস “আমি তাঁকে (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বসে পেশাব করতে দেখেছি” বর্ণনা... হাদিস 310 তিনি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)কে বলতে শুনেছেন : তোমাদের কেউ যেন পেশাব করাকালে তার ডান হাত দিয়ে তার লিঙ্গ স্পর্শ না করে এবং তার ডান হাত দিয়ে... হাদিস 311 আমি কখনো গান গাইনি, মিথ্যা কথাও বলিনি এবং রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর নিকট বায়আত হওয়ার পর থেকে ডান হাতে আমার লিঙ্গও স্পর্শ করিনি। [৩০৯] হাদিস 312 তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, তোমাদের কেউ যেন তার ডান হাতে শৌচ না করে, বরং সে যেন তার বাম হাতে শৌচ করে। [৩১০] হাদিস 313 তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, আমি তোমাদের জন্য সন্তানের পিতার সমতুল্য। আমি তোমাদের শিক্ষা দিচ্ছি যে, তোমরা পায়খানায় এসে কিবলাহ্‌কে সামনে রেখেও বসবে না এবং... হাদিস 314 রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) পায়খানায় যেতে (আমাকে) বলেন, আমার জন্য তিনটি পাথর (ঢিলা) নিয়ে এসো। আমি তাঁর জন্য দু’টি পাথর ও একটি শুকনা গোবরের টুকরা নিয়ে এলাম।... হাদিস 315 তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) শৌচ করা সম্পর্কে বলেছেন, তিনটি টুকরা হতে হবে, যার সাথে কোন নাপাক জিনিস নেই। [৩১৩] হাদিস 316 তিনি বলেন, কতিপয় মুশরিক তাকে উপহাস করে বললো, আমি তোমাদের এই সাথীকে (মুহাম্মাদ) দেখতে পাচ্ছি যে, তিনি তোমাদের সব বিষয়ে শিক্ষা দেন, এমনকি পায়খানা-পেশাব সম্পর্কেও। তিনি বলেন, হাঁ।... হাদিস 317 আমিই প্রথম ব্যক্তি, যে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)- কে বলতে শুনেছে : “তোমাদের কেউ যেন কিবলাহ্‌মুখী হয়ে পেশাব না করে’ এবং আমিই প্রথম ব্যক্তি যে লোকেদের নিকট... হাদিস 318 তিনি বলেন, যে ব্যক্তি পায়খানায় যায় তাকে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কিবলামুখী হয়ে বসতে নিষেধ করেছেন এবং বলেছেন, তোমরা পূর্ব অথবা পশ্চিমমুখী হয়ে বসো। [৩১৬] হাদিস 319 তিনি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)এর সাহচর্য লাভ করেন। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাদেরকে দু’কিবলাহ্‌র দিকে মুখ করে পায়খানা অথবা পেশাব করতে নিষেধ করেছেন। [৩১৭] হাদিস 320 তিনি রসূলুল্লাহু (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সম্পর্কে সাক্ষ্য দেন যে, তিনি আমাদেরকে কিবলাহ্‌র দিকে মুখ করে পায়খানা ও পেশাব করতে নিষেধ করেছেন। [৩১৮] হাদিস 321 তিনি বলেন, আবূ সাঈদ খুদরী (রাঃ)–কে বলতে শুনেছেন : রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাকে দাঁড়িয়ে পানীয় পান করতে এবং কিবলামুখী হয়ে পেশাব করতে নিষেধ করেছেন। [৩১৯] হাদিস 322 তিনি বলেন, লোকেরা বলে, তুমি পায়খানায় কিবলাহমুখী হয়ে বসো না। কিন্তু একদিন আমি আমাদের ঘরের ছাদের উপর উঠে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) – কে দু’টি ইটের উপর... হাদিস 323 আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)কে তাঁর পায়খানায় কিবলাহমুখী হয়ে বসতে দেখেছি। রাবী ‘ঈসা বলেন, আমি বিষয়টি শা’বী (রহঃ)– কে বললে তিনি বলেন, ইবনু উমার (রাঃ) ও আবূ... হাদিস 324 তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) – এর নিকট একদল লোক সম্পর্কে আলোচনা করা হলো যারা তাদের লজ্জাস্থানকে কিবলাহ্‌মুখী করতে অপছন্দ করে। তিনি বলেন, আমার মনে হয়... হাদিস 325 তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাদের কিবলাহ্‌মুখী হয়ে পেশাব করতে নিষেধ করেছেন। কিন্তু আমি তাঁকে তাঁর ইনতিকালের এক বছর আগে কিবলাহমুখী (পায়খানা-পেশাবে) হতে দেখেছি। [৩২৩] হাদিস 326 তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, তোমাদের কেউ পেশাব করার পর যেন তার লজ্জাস্থান তিনবার ঝাড়ে। [৩২৪] হাদিস 327 তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) পেশাব করতে গেলেন এবং উমার (রাঃ) পানি নিয়ে তাঁর পিছে পিছে গেলেন। তিনি বলেন, হে উমার! এটা কী? উমার বলেন, পানি।... হাদিস 328 তিনি এমন হাদীস বর্ণনা করতেন, যা রসূলুল্লাহ(সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর অপর সাহাবীগণ শুনেননি এবং তারা যে হাদীস শুনেছেন তা তিনি বর্ণনা করতেন না। আবদুল্লাহ্ বিন আম্‌র (রাঃ)... হাদিস 329 তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, তোমরা রাস্তার উপর রাত যাপন করা ও সলাত আদায় করা থেকে বিরত থাকো। কেননা, তা (রাতে) সাপ ও হিংস্র জন্তুর... হাদিস 330 নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) চলাচলের পথের উপর সলাত আদায় করতে এবং পায়খানা-পেশাব করতে নিষেধ করেছেন। [৩২৮] হাদিস 331 তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) প্রাকৃতিক প্রয়োজন সারতে দূরে যেতেন। [৩২৯] হাদিস 332 তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর সঙ্গে এক সফরে ছিলাম। তিনি প্রাকৃতিক প্রয়োজন সারতে দূরে যান। অতঃপর ফিরে এসে তিনি উযুর পানি নিয়ে ডাকেন এবং উযু... হাদিস 333 নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) প্রাকৃতিক প্রয়োজন সারতে দূরবর্তী স্থানে যেতেন। [৩৩১] হাদিস 334 তিনি বলেন, আমি নাবী(সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর সঙ্গে হাজ্জ করেছি। তিনি প্রাকৃতিক প্রয়োজন সারতে দূরবর্তী স্থানে চলে যেতেন। [৩৩২] হাদিস 335 তিনি বলেন, আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সাথে সফরে বের হলাম। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) প্রাকৃতিক প্রয়োজন সারতে এতটা দূরে যেতেন যে, তাঁকে দেখা যেত না।... হাদিস 336 রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) প্রাকৃতিক প্রয়োজন সারতে দূরে চলে যেতেন। [৩৩৪] হাদিস 337 নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন, যে ব্যক্তি ঢিলা দ্বারা শৌচ করতে চায়, সে যেন বেজোড় সংখ্যক ঢিলা ব্যবহার করে। যে ব্যক্তি তাই করলো, সে উত্তম কাজ করলো... হাদিস 338 আবূ হুরায়রাহ (রাঃ) থেকে এই সানাদ সূত্রে পূর্বোক্ত হাদীসের অনুরূপ বর্ণিত হয়েছে। তবে এই বর্ণনায় আরো আছে : যে ব্যক্তি সুরমা লাগায়, সে যেন বেজোড় সংখ্যকবার লাগায়। যে... হাদিস 339 আমি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সাথে সফরে ছিলাম। তিনি পায়খানা করার ইচ্ছা করলে আমাকে বলেন, এই গাছ দু’টিকে ডেকে আনো। ওয়াকী’ (রাঃ)-এর বর্ণনায় আছে, তা ছিল দু’টি... হাদিস 340 তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) পায়খানা করার সময় উঁচু টিলা অথবা ঘন খেজুর বিথীর আড়ালে বসতে পছন্দ করতেন। [৩৩৮] হাদিস 341 তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) পেশাব করতে গিরিপথে চলে যেতেন। তিনি যখন পেশাব করতেন, তখন আমি তাঁর পিছন দিকে আড় হয়ে থাকতাম। [৩৩৯] হাদিস 342 দু’ব্যক্তি যেন এমনভাবে পায়খানায় না বসে যে, একে অপরের আবরণীয় অঙ্গ দেখতে পায় এবং এ অবস্থায় পরস্পর বাক্যালাপ না করে। কারণ তাতে আল্লাহ অসন্তুষ্ট হন। [৩৪০] হাদিস 343 নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বদ্ধ পানিতে পেশাব করতে নিষেধ করেছেন। [৩৪১] হাদিস 344 তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, তোমাদের কেউ যেন বদ্ধ পানিতে পেশাব না করে। [৩৪২] হাদিস 345 তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, তোমাদের কেউ যেন পরিষ্কার পানিতে পেশাব না করে। [৩৪৩] তাহকীক আলবানীঃ (আরবি) শব্দ দ্বারা সহীহ। হাদিস 346 তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাদের নিকট বেরিয়ে এলেন। তাঁর হাতে ছিল একটি ঢাল। তিনি সেটিকে (সামনে) রেখে বসেন এবং সে দিকে ফিরে পেশাব করেন। তাদের...