নবী মুহাম্মদের করুণ মৃত্যু

Print Friendly, PDF & Email

ভূমিকা

ইসলাম ধর্মের প্রবর্তক নবী মুহাম্মদ মক্কা, মদিনা ও অন্যান্য অঞ্চলে ইসলাম প্রতিষ্ঠা করতে গিয়ে অসংখ্য মানুষকে হত্যা করেছেন। অসংখ্য মানুষকে তিনি বানিয়েছেন দাস দাসী, দখল করেছেন তাদের জায়গা সম্পত্তি, যুদ্ধবন্দীদের হত্যা এবং তাদের ক্রীতদাস দাসী বানানো ছাড়াও তার অপরাধের পরিমাণ বিপুল। এমনকি, কাফের নারীদের স্বামী ভাই পিতাদের হত্যা করে তাদের গনিমতের মাল নাম দিয়ে সেইসব ক্রীতদাসীদের সাথে যৌন সংগম করেছেন, সাহাবীদেরকেও করতে উৎসাহ দিয়েছেন। তার ভয়ংকর জিহাদের কবলে ঘরবাড়ি হারিয়েছে অনেক মানুষ, স্বজনকে লাশের পাহাড় আর অমুসলিমদের উপাসনালয়ের ধ্বংসস্তুপের মধ্যে ইসলামের নবী গড়ে তুলেছেন তার ইসলামী সাম্রাজ্য। এতকিছু করেও তার মৃত্যু কিন্তু খুব সুখকর হয় নি। তার মৃত্যু হয়েছিল অত্যন্ত মর্মান্তিক এবং যন্ত্রণাকাতর। আজকের আলোচনা নবী মুহাম্মদের মৃত্যু। সেটি কেন, এবং কীভাবে হয়েছিল তার বিবরণ।

মৃত্যু ভয়ে ভীত থাকতেন নবী

সহিহ হাদিস থেকে জানা যায়, নবী মুহাম্মদের আল্লাহর প্রতি পূর্ণ বিশ্বাস এবং আস্থা থাকবার পরেও, জিবরাইলের মত শক্তিমান ফেরেশতা এবং আরও হাজারো ফেরেশতা বাহিনী তার সাথে থাকবার পরেও, তিনি শত্রুদের ভয়ে রাতে ঘুমাতে পারতেন না। উনার পাহারাদার লাগতো, কারণ তিনি ভয় পেতেন কেউ এসে তাকে খুন করে যেতে পারে। [1]

সহীহ বুখারী (তাওহীদ)
৫৬/ জিহাদ ও যুদ্ধকালীন আচার ব্যবহার
পরিচ্ছেদঃ ৫৬/৭০. মহান আল্লাহর পথে যুদ্ধে প্রহরা দান।
২৮৮৫. ‘আয়িশাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, (এক রাতে) আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) জেগে কাটান। অতঃপর তিনি যখন মদিনা্য় এলেন এই আকাঙ্ক্ষা প্রকাশ করলেন যে, আমার সাহাবীদের মধ্যে কোন যোগ্য ব্যক্তি যদি রাতে আমার পাহারায় থাকত। এমন সময় আমরা অস্ত্রের শব্দ শুনতে পেলাম। তিনি জিজ্ঞেস করলেন, ইনি কে? ব্যক্তিটি বলল, আমি সা‘দ ইবনু আবূ ওয়াক্কাস, আপনার পাহারার জন্য এসেছি। তখন নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) ঘুমিয়ে গেলেন। (৭২৩১) (মুসলিম ৪৪/৫ হাঃ ২৪১০, আহমাদ ২৫১৪৭) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২৬৭৩, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ২৬৮৪)
হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ আয়িশা (রাঃ)

খায়বারে বিষযুক্ত ভেড়ার মাংশ

একের পর এক ইহুদী গোত্র ভিটেমাটি ছাড়া করা এবং কয়েকটি ইহুদী গোত্রের ওপর নৃশংস গণহত্যা চালাবার কারণে ইহুদী গোত্রসমূহ নবী মুহাম্মদের ওপর ভীষণ ক্ষিপ্ত ছিল। বিশেষ করে বনূ কুরাইযা গোত্রের ৬০০-৯০০ পুরুষকে একদিনে হত্যা করায় তারা ব্যাথিত ছিল, তারা প্রতিশোধ নিতে চাচ্ছিল। কিন্তু সংখ্যা এবং শক্তিতে কম হওয়ায় তারা কিছুই করতে পারছিল না। খায়বারে আক্রমণের সময় নবী মুহাম্মদ যয়নব বিনতে হারিস নামক এক ইহুদী নারীর বাসায় খাবার খেয়েছিলেন। সেখানে তাদেরকে বিষযুক্ত ভেড়ার মাংশ খেতে দেয়া হয়। মাংশের সামান্য অংশ নবী মুহাম্মদও মুখে দিয়ে ফেলেছিলেন (এর প্রমাণ পরে দেয়া হবে)। কিন্তু একজন সাহাবীর মৃত্যুতে তিনি মুখে থাকা খাবারের অংশ ফেলে দেন এবং ইহুদী নারীকে জিজ্ঞেস করেন, তিনি খাবারে বিষ মিশিয়েছেন কিনা। ইহুদী নারীটি উত্তর দেয়, আপনি যদি সত্যি নবী হয়ে থাকেন তাহলে আমি যা করেছি তাতে এই বিষে আপনার ক্ষতি হবে না। আর যদি আপনি কেবল আক্রমণকারী হয়ে থাকেন তাহলে আমি আপনার থেকে মানুষকে শান্তি দিলাম।

এ বিষয়ক তথ্যসমূহ উল্লেখ করছি, তার আগে কোরআনের একটি আয়াত পড়ে নেয়া দরকার। মুসলিমদের ধর্মগ্রন্থ কোরআনে আল্লাহ পাক ঘোষণা করেছেন [2],

এটা (কোরআন) বিশ্বপালনকর্তার কাছ থেকে অবতীর্ণ।
সে (মুহাম্মদ) যদি আমার নামে কোন কথা রচনা করত,
তবে আমি তার দক্ষিণ হস্ত ধরে ফেলতাম,
অতঃপর কেটে দিতাম তার গ্রীবা/প্রধান ধমনী
তোমাদের কেউ তাকে রক্ষা করতে পারতে না।
( কোরআন হাক্কাহঃ ৪৩-৪৭ )

এবারে আসুন, সেই হাদিসসমূহ দেখে নিই [3]-

গ্রন্থের নামঃ সুনান আবূ দাউদ (তাহকিককৃত)
অধ্যায়ঃ ৩৪/ রক্তমূল্য
পরিচ্ছেদঃ ৬. কাউকে বিষ খাইয়ে হত্যা করলে কি তাকেও হত্যা করা হবে?
৪৫১৩। ইবনু কা‘ব ইবনু মালিক (রহঃ) থেকে তার পিতার সূত্রে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন মৃত্যুরোগে আক্রান্ত ছিলেন তখন উম্মু মুবাশশির (রাঃ) তাঁকে বলেন, হে আল্লাহর রাসূল! আপনি আপনার রোগ সম্পর্কে কি ভাবছেন? আর আমি আমার ছেলের রোগ সম্পর্কে উদ্বিগ্ন নই সেই বিষ মেশানো বকরীর গোশত ব্যতীত যা সে খায়বারে আপনার সঙ্গে খেয়েছে। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ আমিও ঐ বিষ ছাড়া আমার ব্যাপারে উদ্বিগ্ন নই। এ মুহূর্তে তা আমার প্রধান ধমনি কেটে দিচ্ছে।(1)
সনদ সহীহ।
(1). আবূ দাঊদ এটি এককভাবে বর্ণনা করেছেন।
হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ আবদুল্লাহ্ ইবনু কা‘ব ইবনু মালিক (রহঃ)

আরো কয়েকটি হাদিসে বর্ণিত রয়েছে, নবী মুহাম্মদ তার প্রধান ধমনী কেটে দেয়ার মত যন্ত্রণা অনুভব করতেন [4]

গ্রন্থের নামঃ সুনান আবূ দাউদ (তাহকিককৃত)
অধ্যায়ঃ ৩৪/ রক্তমূল্য
পরিচ্ছেদঃ ৬. কাউকে বিষ খাইয়ে হত্যা করলে কি তাকেও হত্যা করা হবে?
৪৫১২। আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হাদিয়া গ্রহণ করতেন কিন্তু সাদাকাহ গ্রহণ করতেন না। বর্ণনাকারী বলেন, খায়বারের এক ইয়াহুদী মহিলা একটি ভুনা বকরীতে বিষ মিশিয়ে তাঁকে হাদিয়া দেয়। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তা আহার করেন এবং লোকজনও আহার করে। তিনি বললেনঃ তোমরা তোমাদের হাত গুটিয়ে নাও। কারণ এটি আমাকে অবহিত করা হয়েছে যে, এটি বিষযুক্ত। (বিষক্রিয়ার ফলে) বিশর ইবনুল বারাআত ইবনু মা‘রূর আল-আনসারী (রাঃ) মারা যান। তিনি ইয়াহুদী মহিলাকে ডেকে এনে প্রশ্ন করেনঃ তুমি যা করলে তা করতে তোমাকে কিসে প্ররোচিত করেছে?
সে বললো, আপনি যদি সত্যি নবী হয়ে থাকেন তাহলে আমি যা করেছি তাতে আপনার ক্ষতি হবে না। আর যদি আপনি বাদশাহ হয়ে থাকেন তাহলে আমি আপনার থেকে মানুষকে শান্তি দিলাম। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম নির্দেশ দিলে পরে তাকে হত্যা করা হলো। অতঃপর তিনি যে ব্যথায় আক্রান্ত হয়ে ইন্তেকাল করেন সেই সম্পর্কে বলেনঃ আমি সর্বদা সেই লোকমার ব্যথা অনুভব করছি যা আমি খায়বারে খেয়েছিলাম। এই সময়ে তা আমার প্রধান ধমনি কেটে দিয়েছে।(1)
হাসান সহীহ।
(1). বুখারী, আহমাদ।
হাদিসের মানঃ হাসান (Hasan)
বর্ণনাকারীঃ আবূ হুরায়রা (রাঃ)

এবারে আসুন, ইবনে ইসহাকের প্রখ্যাত সীরাত গ্রন্থ থেকে এই বিষয়টি পড়ে নিই ( বই থেকে ছবি তুলে দেয়ায় ছবির কোয়ালিটি খারাপ হয়েছে বলে দুঃখিত)- [5]

নবী
মৃত্যু 3

তাবারি ৮ম খণ্ডের ১২৪ পৃষ্ঠাতেও এই ঘটনা পাওয়া যায়।

History of al Tabari vol-8 p124

নবীর শরীরে বিষের লক্ষণ

নবী মুহাম্মদ যে বিষ খানিকটা মুখে দিয়ে ফেলেছিলেন, সেটি যে তার শরীরে প্রবেশ করেছিল, তার প্রমাণ পাওয়া যায় আরেকটি সহিহ হাদিসে। তার শরীরে পরিষ্কার বিষক্রিয়ার লক্ষণ দেখা দিয়েছিল। একজন প্রখ্যাত সাহাবীর সহিহ হাদিস অনুসারে, তিনি নবীর আলজিহবা এবং তালুতে এরপর থেকে বিষের ক্রিয়া প্রত্যক্ষ করতেন [6]

গ্রন্থের নামঃ সহীহ মুসলিম (ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
অধ্যায়ঃ ৪০/ সালাম
পরিচ্ছেদঃ ১৮. বিষ
৫৫১৭। ইয়াহইয়া ইবনু হাবীব হারিসী (রহঃ) … আনাস (রাঃ) থেকে বর্ণনা করেন যে, এক ইয়াহুদী মহিলারা রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কাছে বিষ মেশানো বকরীর গোশত নিয়ে এল। তিনি তা থেকে (কিছু) খেলেন। পরে তাকে রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কাছে নিয়ে আসা হল। তিনি তাকে এ বিষয় জিজ্ঞেস করলে সে বলল, আমি আপনাকে মেরে ফেলার ইচ্ছা করেছিলাম। তিনি বললেন, আল্লাহ এ ব্যাপারে তোমাকে কিংবা তিনি বললেনঃ আমার উপরে ক্ষমতা দিবেন এমন নয়। তারা (সাহাবীগণ) বললেন, আমরা কি তাকে কতল করে ফেলব? তিনি বললেন, না। রাবী বলেন, এরপর থেকে রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর আলজিভ ও তালুতে (তার ক্রিয়া) আমি প্রত্যক্ষ করতাম।
হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ আনাস ইবনু মালিক (রাঃ)

হাদিসটি পাবেন সহিহ মুসলিম গ্রন্থে [7]

নবীর জিহবায় বিষের প্রভাব

এই একই হাদিস আপনি পাবেন সুনান আবু দাউদ শরীফেও [8]

গ্রন্থের নামঃ সুনান আবূ দাউদ (তাহকিককৃত)
অধ্যায়ঃ ৩৪/ রক্তমূল্য
পরিচ্ছেদঃ ৬. কাউকে বিষ খাইয়ে হত্যা করলে কি তাকেও হত্যা করা হবে?
৪৫০৮। আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। একদা জনৈকা ইয়াহুদী নারী বিষ মিশ্রিত একটি ভূনা ছাগী নিয়ে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সামনে উপস্থিত হলে তিনি তা থেকে খেলেন। অতঃপর তাকে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট উপস্থিত করা হলে তিনি তাকে এ জন্য প্রশ্ন করলেন। সে বললো, আমি আপনাকে হত্যা করার জন্যই এটা করেছি। তিনি বললেন, ‘‘এ ব্যাপারে আল্লাহ তোমাকে সফল হতে দেননি অথবা তিনি বলেছেন, আমার উপর তোমাকে সফল হতে দেননি। বর্ণনাকারী বলেন, তখন সাহাবীগণ বললেন, একে আমরা হত্যা করবই। তিনি বললেন, না। আনাস (রাঃ) বললেন, আমি সর্বদা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট আলাজিভে তা (বিষের ক্ষত চিহ্ন) দেখতে পেতাম।(1)
সহীহ।
(1). বুখারী, মুসলিম।
হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ আনাস ইবনু মালিক (রাঃ)

উল্লেখ্য, সেই ইহুদী নারী নবীকে রীতিমত চ্যালেঞ্জ দিয়েছিলেন, যে সে আসলেই নবী হয়ে থাকলে তার কোন ক্ষতিই হবে না। এই কারণে নবী তাকে তাৎক্ষণিকভাবে হত্যা করতে পারেন নি, তবে পরে ঠিকই হত্যা করেছিলেন।

হাদিসটি পাবেন [9]

মৃত্যু 7

সুস্থ হওয়ার আপ্রাণ চেষ্টা করেন নবী

নবী মুহাম্মদ এই বিশাল মহাবিশ্বের স্রষ্টা সর্বশক্তিমান আল্লাহ পাকের প্রেরিত রাসুল এবং ফেরেশতা-জ্বীন-ইনসান সকলের মধ্যে সর্বাধিক গুরুত্বপূর্ণ চরিত্র বলে নিজেকে দাবী করার পরেও, তার আল্লাহ, ফেরেশতা বাহিনী, জ্বীন বাহিনী, কেউই তাকে খায়বারের সেই বিষযুক্ত ভেড়ার মাংশ বিষয়ে এতটুকু সাবধান করে নি। বিষয়টি খুবই সন্দেহজনক। এতবড় মহাবিশ্বের স্রষ্টার সবচাইতে কাছের বন্ধু নবী মুহাম্মদ, যার আঙ্গুলের ইশারায় চাঁদ ভেঙ্গে দুইভাগ হয়ে যায়, যার মোজেজার কোন সীমা নেই, যার ক্ষমতা ও মর্যাদা সব মানুষ, ফেরেশতা ও জ্বীনের চাইতেও বেশি, আল্লাহ বা ফেরেশতারা একটু আগে সাবধান করলেই তার আর বিষক্রিয়ায় যন্ত্রনা নিয়ে মরতে হতো না। পরবর্তীতে নবী মুহাম্মদ বেঁচে উঠার, সুস্থ হওয়ার অনেক চেষ্টাই করেছেন, কিন্তু সফল হন নি। বিষ তো আর আল্লাহ নবী রাসুল চেনে না, বিষ তার স্বাভাবিক কাজই করে। নিচের হাদিস তার প্রমাণ [10]

গ্রন্থের নামঃ সহীহ বুখারী (তাওহীদ)
অধ্যায়ঃ ৭৬/ চিকিৎসা
পরিচ্ছেদঃ ৭৬/৩২. কুরআন পড়ে এবং সূরা নাস ও ফালাক অর্থাৎ (মু‘আব্বিযাত) পড়ে ফুঁক দেয়া।
৫৭৩৫. ইবরাহীম ইবনু মূসা (রহঃ) … ‘আয়িশাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত যে, নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যে রোগে ওফাত পান সেই রোগের সময়ে তিনি নিজ দেহে ‘মু‘আব্বিযাত’ পড়ে ফুঁক দিতেন। অতঃপর যখন রোগের তীব্রতা বেড়ে গেল, তখন আমি সেগুলো পড়ে ফুঁক দিতাম। আর আমি তাঁর নিজের হাত তাঁর দেহের উপর বুলিয়ে দিতাম। কেননা, তাঁর হাতে বারাকাত ছিল। রাবী বলেনঃ আমি যুহরীকে জিজ্ঞেস করলাম, তিনি কীভাবে ফুঁক দিতেন? তিনি বললেনঃ তিনি তাঁর দু’ হাতের উপর ফুঁক দিতেন, অতঃপর সেই দু’ হাত দিয়ে আপন মুখমন্ডল বুলিয়ে নিতেন। (৪৪৩৯) (আধুনিক প্রকাশনী- ৫৩১৫, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫২১১)
হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ আয়িশা (রাঃ)

এবারে আসুন আনওয়ারুল মিশকাত শরহে মিশকাতুল মাসাবীহ গ্রন্থ থেকে একটি হাদিস ও তার ব্যাখ্যা পড়ে নিই, [11]

মৃত্যু 9

নবী মুহাম্মদের করুণ মৃত্যু

এবারে আসুন দেখি, মহাবিশ্বের স্রষ্টা সর্বশক্তিমান আল্লাহ পাকের সর্বাপেক্ষা প্রিয় মানুষ, সর্বাপেক্ষা প্রিয় রাসুল নবী মুহাম্মদের মৃত্যু কীভাবে হয়েছিল [12]

গ্রন্থঃ সহীহ বুখারী (ইফাঃ)
অধ্যায়ঃ ৫১/ মাগাযী (যুদ্ধাভিযান) (كتاب المغازى)
হাদিস নম্বরঃ (4094)
পাবলিশারঃ ইসলামিক ফাউন্ডেশন
পরিচ্ছদঃ ২২৪৭. নাবী (সাঃ) এর রোগ ও তাঁর ওফাত। মহান আল্লাহর বাণীঃ আপনিতো মরণশীল এবং তারাও মরণশীল। এরপর কিয়ামত দিবসে তোমরা পরস্পর তোমাদের প্রতিপালকের সম্মুখে বাক-বিতন্ডা করবে (৩৯ঃ ৩০,৩১) ইউনুস (রহঃ) যুহরী ও উরওয়া (রহঃ) সুত্রে বলেন, আয়শা (রাঃ) বলেছেন, নবী (সাঃ) যে রোগে ইন্তিকাল করেন সে সময় তিনি বলতেন, হে আয়শা! আমি খায়বারে (বিষযুক্ত) যে খাদ্য ভক্ষণ করেছিলাম, আমি সর্বদা তার যন্ত্রণা অনুভব করছি। আর এখন সেই সময় আগত, যখন সে বিষক্রিয়ার আমার প্রাণবায়ু বের হয়ে যাওয়ার উপক্রম হয়েছে

হাদিসটি পাবেন সহিহ বুখারীতে [13]

নবী মুহাম্মদের বিষে মৃত্যু
বিষক্রিয়ায় মুহাম্মদের মৃত্যু

নবীর কমবয়সী স্ত্রী আয়িশার কাছ থেকেও জানা যায়, ভয়ঙ্কর কষ্টকর মৃত্যু হয়েছে নবী মুহাম্মদের। [14]

সহীহ বুখারী (ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
৬২/ রোগীদের বর্ণনা
পরিচ্ছেদঃ ২২৫১. রোগের তীব্রতা
ইসলামিক ফাউন্ডেশন নাম্বারঃ ৫২৪৩,
আন্তর্জাতিক নাম্বারঃ ৫৬৪৬
৫২৪৩। কাবীসা (রহঃ) ও বিশর ইবনু মুহাম্মাদ (রহঃ) … আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর চাইতে অধিক রোগ যাতনা ভোগকারী অন্য কাউকে দেখিনি।
হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ আয়িশা বিনত আবূ বাকর সিদ্দীক (রাঃ)

নবী মুহাম্মদের কন্যা ফাতিমাও নবীর মৃত্যু যন্ত্রণায় কষ্ট দেখে কষ্ট পেতেন। কী প্রচণ্ড কষ্ট পেয়ে নবীর মৃত্যু হয়েছে, এই হাদিস থেকেই তা বোঝা যায় [15]-

গ্রন্থের নামঃ সুনানে ইবনে মাজাহ
হাদিস নম্বরঃ (1629)
অধ্যায়ঃ ৬/ জানাযা
পাবলিশারঃ তাওহীদ পাবলিকেশন
পরিচ্ছদঃ ৬/৬৫. নাবী ﷺ -এর ইনতিকাল ও তাঁর কাফন-দাফন।
৩/১৬২৯। আনাস ইবনু মালেক (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন মৃত্যু যন্ত্রণা তীব্রভাবে অনুভব করেন, তখন ফাতেমাহ (রাঃ) বলেন, হায় আমার আব্বার কত কষ্ট। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ আজকের দিনের পরে তোমার আব্বার আর কোন কষ্ট থাকবে না। তোমার আব্বার নিকট এমন জিনিস উপস্থিত হয়েছে, যা কিয়ামাত পর্যন্ত কাউকে ছাড়বে না।
সহীহুল বুখারী ৪৪৬২, আহমাদ ১৬০২৬, সহীহাহ ১৬৩৮, মুখতাসার শামাযিল ৩৩৪, বুখারী শেষ বাক্য বাদ দিয়ে। তাহকীক আলবানীঃ হাসান সহীহ।
হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)

হাদিসটি পাবেন সুনানু ইবনে মাজাহ শরীফে [16]

ফাতিমা ও মৃত্যুশয্যায় মুহাম্মদ
ফাতিমা ও মৃত্যুশয্যায় মুহাম্মদ

নবীর প্রিয় স্ত্রী আয়েশাও বলেছেন, নবীর মৃত্যু যন্ত্রণা ছিল ভয়াবহ। এত কষ্টই নবী পেয়েছেন, যে আয়েশা এরপরে আর কারো মৃত্যু সহজ হতে দেখলে ইর্ষাকাতর হতেন না [17]

গ্রন্থের নামঃ সূনান তিরমিজী (ইফাঃ)
হাদিস নম্বরঃ (981)
অধ্যায়ঃ ১০/ কাফন-দাফন
পাবলিশারঃ ইসলামিক ফাউন্ডেশন
পরিচ্ছদঃ মৃত্যুর সময় কষ্ট হওয়া।
৯৮১. হাসান ইবনুুস সাববাহ আল-বাগদাদী (রহঃ) …… আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্ণিত যে, তিনি বলেন, মৃত্যুর সময় রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর যে কষ্ট হতে দেখেছি এরপর কারো মৃত্যুর সময় আসান হতে দেখতে আমার আর কোন ঈর্ষা হয় না। – মুখতাসার শামাইল মুহাম্মাদিয়া ৩২৫, বুখারি, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৯৭৯ (আল মাদানী প্রকাশনী)
রাবী বলেন, আমি এই হাদিস সম্পর্কে আবূ যুরআ (রহঃ) কে জিজ্ঞাসা করেছিলাম, বলেছিলাম, রাবী আব্দুর রাহমান ইবনুল আলা কে? তিনি বললেন, ইনি হলেন আলা ইবনুল লাজলাজ। তাঁকে এইরূপেই আমরা জানি।
হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)

হাদিসটি পাবেন তিরমিযী শরীফে [18]

মুহাম্মদের মৃত্যু যন্ত্রণা

বলা বাহুল্য, হযরত মুহাম্মদের মৃত্যু যেকোন সাধারণ মানুষের মৃত্যুর চাইতে বহুগুণ যন্ত্রণাদায়ক হয়েছিল, তা এই হাদিসগুলো থেকেই পরিষ্কার বোঝা যাচ্ছে। সূনান সানাঈ শরীফ থেকে আরেকটি হাদিস পড়ে নিই-

গ্রন্থের নামঃ সূনান নাসাঈ (ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
অধ্যায়ঃ ২১/ জানাজা
পরিচ্ছেদঃ ৬/ মৃত্যু যন্ত্রণা
১৮৩৩। আমর ইবনু মানসূর (রহঃ) … আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর মৃত্যুকালীন সময়ে তার মাথা আমার থুতনি এবং গলদেশের মাঝখানে ছিল। তার মৃত্যু যন্ত্রণা দর্শনের পর আমি অন্য কারো মৃত্যু যন্ত্রণা খারাপ মনে করি না।
(সহীহ, মুখতাসার শামাইল ৩২৫)
হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ আয়িশা (রাঃ)

উপসংহার

সবচাইতে দুঃখজনক বিষয় হচ্ছে, এইরকম কষ্টকর মৃত্যুশয্যাতেও নবী মুহাম্মদের ফুলের মত সুন্দর চরিত্র নিয়ে খোঁচা দিতে ছাড়েন নি নবীর প্রিয় স্ত্রী আয়িশা। নবীর সিরাত গ্রন্থ থেকে জানা যায়, মৃত্যুশয্যাতেও আয়িশা নবীকে বলছেন, নবীর আগে যদি আয়িশার মৃত্যু হতো, তাহলে নবী আয়িশাকে দাফন করেই আরেক বিবি নিয়ে আয়িশার ঘরেই আরেক বিবি তুলতেন। অর্থাৎ, নবীর চরিত্র আয়িশা খুব ভালভাবেই জানতেন এবং বুঝতেন [19]

মৃত্যু 11

বিবরণটি সহিহ বুখারীতেও এসেছে আরও স্পষ্টভাবে -[20]

সহীহ বুখারী (ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
৬২/ রোগীদের বর্ণনা
পরিচ্ছেদঃ ২২৬৫. রোগীর উক্তি “আমি যাতনা গ্রস্থ” কিংবা আমার মাথা গেল, কিংবা আমার যন্ত্রণা প্রচন্ড আকার ধারণ করেছে এর বর্ণনা। আর আইয়ুব (আঃ) এর উক্তিঃ হে আমার রব। আমাকে কষ্ট-যাতনা স্পর্শ করেছে অথচ তুমি তো পরম দয়ালু
৫২৬৪। ইয়াহইয়া ইবনু ইয়াহইয়া আবূ যাকারিয়্যা (রহঃ) … কাসিম ইবনু মুহাম্মদ (রহঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আয়িশা (রাঃ) বলেছিলেন হায় যন্ত্রনায় আমার মাথা গেল। তখন রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ যদি এমনটি হয় আর আমি জীবিত থাকি তাহলে আমি তোমার জন্য ক্ষমা প্রার্থনা করবো, তোমার জন্য দু’আ করবো। আয়িশা (রাঃ) বললেনঃ হায় আফসুস, আল্লাহর কসম। আমার মনে হয় আপনি আমার মৃত্যুকে পছন্দ করেন। আর এমনটি হচ্ছে আপনি পরের দিনই আপনার অন্যান্য সহধর্মিনাদের সঙ্গে রাত যাপন করতে পারবেন। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ বরং আমি আমার মাথা গেল বলার বেশি যোগ্য। আমি তো ইচ্ছা করেছিলাম কিংবা বলেছেন, আমি ঠিক করেছিলাম আবূ বকর (রাঃ) ও তার ছেলের নিকট সংবাদ পাঠাবো এবং অসীয়ত করে যাবো, যেন লোকদের কিছু বলার অবকাশ না থাকে কিংবা আকাঙ্ক্ষাকারীদের কোন আকাঙ্ক্ষা করার অবকাশ না থাকে। তারপর শুনলাম আল্লাহ (আবূ বকর ব্যতীত অন্য কেউ খিলাফতের আকাঙ্ক্ষা করুক) তা অপছন্দ করবেন, মুমিনগণ তা পরিহার করবেন। কিংবা তিনি বলেছেনঃ আল্লাহ তা পরিহার করবেন এবং মুমিনগণ তা অপছন্দ করবেন।
হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ কাসিম বিন মুহাম্মাদ (রহঃ)


তথ্যসূত্রঃ

  1. সহীহ বুখারী, তাওহীদ পাবলিকেশন্স, হাদিস নম্বর- ২৮৮৫ []
  2. আল কোরআন, সূরা হাক্কাহঃ ৪৩-৪৭ []
  3. সুনান আবূ দাউদ (তাহকিককৃত), হাদিস নম্বরঃ ৪৫১৩ []
  4. সুনান আবূ দাউদ (তাহকিককৃত), হাদিস নম্বরঃ ৪৫১২ []
  5. সিরাতে রাসুলাল্লাহ (সাঃ), অনুবাদ, শহীদ আখন্দ, প্রথমা প্রকাশনী, পৃষ্ঠা ৫৫৬, ৫৫৭ []
  6. সহীহ মুসলিম (ইসলামিক ফাউন্ডেশন), হাদিস নম্বরঃ ৫৫১৭ []
  7. সহিহ মুসলিম। ইমাম মুসলিম ইবনে হাজ্জাজ ইবনে মুসলিম আল কুশাইরী। ইসলামিক ফাউন্ডেশন। পঞ্চম খণ্ড। পৃষ্ঠা ২০০ []
  8. সুনান আবূ দাউদ (তাহকিককৃত), হাদিস নম্বরঃ ৪৫০৮ []
  9. সুনান আবু দাউদ, তাহক্বীক আল্লামা মোহাম্মদ নাসিরুদ্দীন আলবানী, প্রকাশক- মোঃ জিল্লুর রহমান জিলানী, ৫ম খণ্ড, পৃষ্ঠা ৩৬০ []
  10. সহীহ বুখারী (তাওহীদ), হাদিস নম্বরঃ ৫৭৩৫ []
  11. আনওয়ারুল মিশকাত শরহে মিশকাতুল মাসাবীহ, পঞ্চম খণ্ড, ইসলামিয়া কুতুবখানা প্রকাশনী, পৃষ্ঠা ৫১৩ []
  12. সহীহ বুখারী (ইফাঃ), হাদিস নম্বরঃ ৪০৯৪ []
  13. সহিহ বুখারী। ইসলামিক ফাউন্ডেশন। সপ্তম খণ্ড। পৃষ্ঠা ২৩৩, ২৩৪। অনুচ্ছেদ ২২৪৭ []
  14. সহীহ বুখারী, ইসলামিক ফাউন্ডেশন নাম্বারঃ ৫২৪৩, আন্তর্জাতিক নাম্বারঃ ৫৬৪৬ []
  15. সুনানে ইবনে মাজাহ, তাওহীদ পাবলিকেশন, হাদিস নম্বরঃ ১৬২৯ []
  16. সুনানু ইবনে মাজাহ। ইসলামিক ফাউন্ডেশন বাংলাদেশ। দ্বিতীয় খণ্ড। পৃষ্ঠা ৭৪, ৭৫। হাদিস নম্বর ১৬২৯ []
  17. সূনান তিরমিজী (ইফাঃ), হাদিস নম্বরঃ ৯৮১ []
  18. সহিহ আত-তিরমিযী । হুসাইন আল মাদানী প্রকাশনী। তাহক্বীক আল্লামা মোহাম্মদ নাসিরুদ্দীন আলবানী।। দ্বিতীয় খণ্ড। পৃষ্ঠা ৩০৪। হাদিস নম্বর ৯৭৯ []
  19. সীরাতুন নবী, ইবনে হিশাম, ইসলামিক ফাউন্ডেশন বাংলাদেশ, সম্পাদনা পরিষদের তত্ত্বাবধানে অনুদিত, চতুর্থ খণ্ড, পৃষ্ঠা ৩১৩ []
  20. সহীহ বুখারী, ইসলামিক ফাউন্ডেশন, হাদিস নম্বর- ৫২৬৪ []
আসিফ মহিউদ্দীন

আসিফ মহিউদ্দীন

আসিফ মহিউদ্দীন সম্পাদক সংশয় - চিন্তার মুক্তির আন্দোলন [email protected]

26 thoughts on “নবী মুহাম্মদের করুণ মৃত্যু

  • জুন 16, 2020 at 9:39 অপরাহ্ন
    Permalink

    Very rich content . I go through it regularly.
    Wish you good luck.
    But I am not an Atheist.
    I am a Deist.
    God Gave us Reason, Not Religion .

    Reply
  • জুন 19, 2020 at 1:21 অপরাহ্ন
    Permalink

    Website for offline

    Reply
    • আগস্ট 11, 2020 at 1:09 পূর্বাহ্ন
      Permalink

      This is an important script of Isla, everybody should take a read.

      Reply
  • জুন 19, 2020 at 1:23 অপরাহ্ন
    Permalink

    আপনার ভিডিও গুলি informative

    Reply
    • জুলাই 22, 2020 at 5:55 অপরাহ্ন
      Permalink

      great ????

      Reply
  • জুন 21, 2020 at 7:13 অপরাহ্ন
    Permalink

    সত্যের জয় আসবেই

    Reply
  • জুন 25, 2020 at 2:15 অপরাহ্ন
    Permalink

    নবীদের কোন মৃত্য যন্ত্রনা হবে না এমন কথা কি কোথাও আছে? এধরনের যুক্তি প্রাচীনকালের মানুষ এরা দিত। নবী তো দেখি আমাদের মতোই খায় দায় বাজারে যায় ইত্যাদি।
    নবীরা সবাই মানুষ ছিলেন। আর পৃথিবীর দুঃখ কষ্ট বরং তাদেরকে অনেক বেশি স্পর্শ করেছিল।

    Reply
    • জুন 28, 2020 at 8:01 অপরাহ্ন
      Permalink

      I’m totally shocked .I didn’t knew it b4 . All I knew about it was either from my text book at school or Fazaele Amal or from Maulana Tariq Jamils video.They described it very emotionally. But everybody escaped the controversial parts.

      Reply
      • জুলাই 23, 2020 at 5:27 অপরাহ্ন
        Permalink

        আমি আপনার সাথে ফোনে কথা বলতে চাই।যদি সম্ভব হয় ০১৮৮৪৯২৭৪২২ নাম্বারে ফোন দিবেন।

        Reply
  • জুলাই 11, 2020 at 6:28 অপরাহ্ন
    Permalink

    আমি আপনার সাথে এই বিষয়ে আলোচনা করতে চাই

    Reply
  • জুলাই 13, 2020 at 11:40 অপরাহ্ন
    Permalink

    “রাসুলুল্লাহ(ﷺ) এর মৃত্যু নিয়ে ইসলামবিরোধীদের অপপ্রচার এবং এর জবাব”
    http://response-to-anti-islam.com/show/%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%B8%E0%A7%81%E0%A6%B2%E0%A7%81%E0%A6%B2%E0%A7%8D%E0%A6%B2%E0%A6%BE%E0%A6%B9(%EF%B7%BA)-%E0%A6%8F%E0%A6%B0-%E0%A6%AE%E0%A7%83%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A7%81-%E0%A6%A8%E0%A6%BF%E0%A7%9F%E0%A7%87-%E0%A6%87%E0%A6%B8%E0%A6%B2%E0%A6%BE%E0%A6%AE%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%B0%E0%A7%8B%E0%A6%A7%E0%A7%80%E0%A6%A6%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%85%E0%A6%AA%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%9A%E0%A6%BE%E0%A6%B0-%E0%A6%8F%E0%A6%AC%E0%A6%82-%E0%A6%8F%E0%A6%B0-%E0%A6%9C%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%AC-/78

    Reply
    • আগস্ট 11, 2020 at 1:01 পূর্বাহ্ন
      Permalink

      কেমনে পারেন মিনার ভাই? গোজামিল এর ও তো একটা সীমা থাকা দরকার। নবীর করুন মৃত্যু হইসে এইটা স্বীকার করতে সমস্যা কি? আপনার লিখা পড়লাম এতো তেনা আপনার কাছে, ভাইরে ভাই৷ কমেন্ট দেখে ভাবলাম লিখবেন ফেরেশতা আইসে ফুলের সুবাস দিয়া উঠাইসে পেডোফাইলটাকে। কিন্তু সেইম কথাই তো লিখলেন। পারেনও ভাই আপনারা।

      Reply
      • আগস্ট 31, 2020 at 9:05 পূর্বাহ্ন
        Permalink

        মিনার সাহেবের লিঙ্ক পড়ে একথা প্রমানিত হয় না যে মুহাম্মদকে বিষ প্রয়োগে হত্যা বিষয়ক হাদিস ও এতত সংক্রান্ত ইসলামের ইতিহাস মিথ্যা।

        Reply
    • আগস্ট 11, 2020 at 3:46 পূর্বাহ্ন
      Permalink

      Islam vigorously discourages the kind of critical thinking and open dialogue that can lead people to question its precepts and reject it. The mildest questioning and criticism of Islam or Muhammad counts as ‘blasphemy’ and is punishable by extreme punishments, including death

      Islam dictates every aspect of the live of adherent (including which foot you should enter and leave a latrine with). This totalitarianism curtails the capacity of followers to think clearly, honestly or critically, and to decide about their religion, instilling in its place a mind-set focused on obedience

      Islam tends to create social and economic systems that fail, are overpopulated, backwards, tyrannical, war-torn, unjust and violent. The people living under these systems understandably want to leave for freer countries where the conditions of life are better.

      Unfortunately when they flee to the West they bring with them the very beliefs that ruined the country they are fleeing from, and often fail to integrate and indeed even strive to establish Islam in their new home. Which starts off the process of Islamisation and decline in their new home country.
      The Bubonic plague had a similar epidemiology – when (for example) London was at the height of the plague, people fled London for towns that were uninfected. And in doing so spread the plague to those towns.

      Julian Flynn

      Reply
  • আগস্ট 13, 2020 at 8:31 অপরাহ্ন
    Permalink

    নবী আবার কি???? ওইটা তো ছিলো ক্ষমতা ও নারী লোভী! নিকৃষ্ট!

    Reply
  • সেপ্টেম্বর 12, 2020 at 7:07 অপরাহ্ন
    Permalink

    এই লেখার মধ্যে প্রমাণ থাকার পরও অনেক মুসলমানদের কলিজায় আঘাত এনেছে।

    Reply
  • As If
    সেপ্টেম্বর 17, 2020 at 8:50 পূর্বাহ্ন
    Permalink

    কিছুদিন আগে আহাযারি হুজুরের একটি ওয়াজ দেখলাম । তাতে উনি তো এটা মেনে নিয়েছে

    Reply
  • জানুয়ারী 9, 2021 at 12:51 অপরাহ্ন
    Permalink

    আপনাদের জন্যও বড় আফসোস হয় কত হতভাগ্য আপনারা, কি অদ্ভুদ রকমের চিন্তার দৈন্য দশা!
    আপনার নিজের অস্তিত্ব জীবন মৃত্যু এবং আপনার চার পাশে প্রতি মুহূর্তে ঘটে যাওয়া ঘটনা আপনারা দেখেন কিন্তু এর ভেতর নিহিত সত্য অনুধাবন করতে পারেন না।

    অতি ক্ষুদ্র একটি মশার জীবন বৃত্ত আপনার চিন্তার জটিলতা দূর করতে সক্ষম এবং সৃষ্টি কর্তার অস্তিত্ব খুঁজে পাওয়ার জন্যও যথেষ্ট।
    মা মশা গুলো জলাশয়ে তাদের পেত থেকে একধরনের আঠা বের করে নৌকার মত বানিয়ে তার উপর ডিম পারে। এরপর মা মশা গুলো মারা যায়। কিছুদিন পড় ডিম গুলো ফুটে নতুন মশা বের হয়। এবং তারাও প্রজনন মৌসুম এলে একই ভাবে নৌকা বানায়, ডিম পারে তারপর মারা যায়।

    ডিম ফুটে যে মশাগুলো বের হল তাড়া তাদের মা মশাকে কখনো দেখেনি। তাহলে কে এই নতুন মশাগুলোকে শিখিয়ে দিল কিভাবে পেটের আঠা দিয়ে নৌকা বানিয়ে ডিম পারতে ??

    https://youtu.be/XJ27lIzu56I

    Reply
    • সেপ্টেম্বর 10, 2021 at 12:57 অপরাহ্ন
      Permalink

      @Amin ভাই
      আপনি বলছেন মশাকে ডিম্ পাড়ার কৌশল আল্লা শিখাইছেন | সত্য কথা, ইটা ভেবে দেখি নাই | তার মানে মশার কামড়ে যে ম্যালেরিয়া, ডেঙ্গু এইসব রোগ হয় এবং মানুষ মরে সেইডাও আল্লারই কীর্তি | আইচ্ছা তবে তো এটাও মানতে হয় যে করোনা ভাইরাস-কে কিভাবে মানুষ মারতে হয় সেইডাও আল্লাই শিখাইছেন | অথবা ক্যান্সার কোষের যে বিস্তার সেইডাও আল্লারই কেয়ামত | নাস্তিকদের যে মগজে কিছু নাই সেইডাও আল্লারই কৃপা | যেমন শয়তান আল্লার দোয়াতে বেঁচে আছে |
      নাকি খালি ভালোগুলা আল্লার দোয়া আর খারাপ গুলার দোষ আল্লার না ?

      Reply
  • জানুয়ারী 25, 2021 at 10:57 পূর্বাহ্ন
    Permalink

    Very informative site.

    Reply
  • জানুয়ারী 27, 2021 at 9:16 অপরাহ্ন
    Permalink

    এই জিনিস কোথাও পড়ি নাই বা কোথাও শুনি নাই। স্কুলে পড়ছিলাম নবী মাংশ খাওয়ার আগেই জেনে গেসিলো। sunnah.com এর রেফারেন্স গুলাও দিয়েন। দেখতে সুবিধা হয় আরকি

    Reply
  • আগস্ট 4, 2021 at 4:46 অপরাহ্ন
    Permalink

    মিনার ভাই.. What a disgusting logic 🤣🤣

    Reply
  • অক্টোবর 26, 2021 at 10:54 পূর্বাহ্ন
    Permalink

    পৃথিবীর নিকৃষ্ট জীব মুহাম্মদ যার কুকাজের সীমা ছিলোনা

    Reply
  • অক্টোবর 28, 2021 at 2:05 অপরাহ্ন
    Permalink

    Vhai, boi rupe prokash kora ki shombhob??

    Reply
  • নভেম্বর 13, 2021 at 5:21 অপরাহ্ন
    Permalink

    ইহুদি মহিলা পরিক্ষা করতে চেয়েছে,হযরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সত্য নবি কি না।যদি সত্য নবি হয় তাহলে বিষক্রিয়ায়
    হযরত মুহাম্মদ সাল্লেল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের মৃত্যু ঘটবে না।
    হযরত মুহাম্মদ সাল্লেল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সত্য নবি সেটাই প্রমাণীত হয়েছে।বিষমিশ্রিত খাবার খাওয়ার পরও ওনার কোন ক্ষতি হয় নি।।।(যেখানে তাৎক্ষনিক একজন সাহাবি শাহাদাৎ বরন করেন)এবং এই ঘটনার ৪বছর পর হযরত মুহাম্মদ সাল্লেল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম নবুয়ত এর দয়িত্ব সুন্দর ভাবে সুসম্পন্ন করে এই দুনিয়া থেকে বিদায় নেন।😥😢😥😢
    বুখারি ৭/৭১/৬৬৯
    বিঃদ্রঃ অনেক ইসলাম বিদ্বেষীরাই বলে হযরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের শরিরে বিষ ধীরেধীরে কাজ করেছে।ওকে ফাইন, কিন্তু,ইহুদি মহিলাতো এই উদ্দেশ্য বিষ খাওয়ায় নাই যে চার বছর পর মারা যাবে।

    কথা হলো বিষ খাওয়ার পরও চার বছর কেন বেঁচে ছিলেন??

    Reply

Leave a Reply

%d bloggers like this: