ইসলাম

অমুসলিমদের সাথে বন্ধুত্ব প্রসঙ্গে | আল্লামা ইবনে কাসীর

বন্ধুত্ব নিঃসন্দেহে মানুষের জীবনের এক অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ শব্দ। এর সাথে অনেক আবেগ এবং ভালবাসা জড়িত থাকে। ব্যক্তিগতভাবে আমি একজন ধর্মহীন নাস্তিক; তবে আমার অনেক বন্ধু আছেন যারা হিন্দু মুসলিম বৌদ্ধ খ্রিস্টান অথবা অন্য কিছু। কে কোন ধর্মের অনুসারী, বন্ধুত্বের জন্য আমার কাছে সেটি কখনই কোন গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন নয়। যে যেই ধর্মের অনুসারীই হোক, তাতে আমাদের বন্ধুত্বের কোন তারতম্য কখনো হবে না। সেই হিসেবে আমি আমার সন্তানকে শিক্ষা দিবো, ধর্ম বর্ণ লিঙ্গভেদ ধনী দরিদ্র সবকিছু বিবেচনায় না এনে, যাদের তোমার ভাল লাগে, যাদের পছন্দ হয়, তাদের সাথে বন্ধুত্ব করো। তাদের ভালোবাসো। এই ভালবাসায় যেন জাতি গোত্র বর্ণ চামড়ার রঙ ইত্যাদি তোমার জন্য বাঁধা না হয়ে দাঁড়ায়। বিভেদের দেয়ালে পরিণত না হয়। সবাইকে সমান চোখে দেখা এবং সমান মানবিক মর্যাদার অধিকারী মনে করাটাই মনুষ্যত্ব। সেটি নিয়ে হয়তো আরেকদিন বিস্তারিত আলোচনা করা যাবে।

আজকের আলোচনার বিষয় হচ্ছে, ইসলাম ধর্মে খুব প্রয়োজন ছাড়া বাহ্যিকভাবে বা দেখানো ভাব করা ছাড়া অমুসলিমদের কি ঘনিষ্ঠ বা প্রাণের বন্ধু হিসেবে গ্রহণের অনুমতি আছে? এই বিষয়ে কোরআন এবং সবচাইতে প্রখ্যাত তাফসীর গ্রন্থে কী লেখা রয়েছে?

মুসলিমদের ধর্মগ্রন্থ কোরআনে বহুবার অমুসলিমদের সাথে বন্ধুত্ব করতে নিষেধ করে আল্লাহ সরাসরি নির্দেশ দিয়েছে। অত্যন্ত বাজে, উৎকট এবং সাম্প্রদায়িক এই আয়াতগুলোতে অমুসলিমদের মনে আল্লাহ তথা মুহাম্মদ যেই ঘৃণার বীজ বপন করে দিয়েছে, মুসলিম সম্প্রদায় আজও সেই বিষ বহন করে নিয়ে চলছে। প্রায় প্রতিদিনই অসংখ্য ইসলামিক বক্তা বা ওয়াজকারী প্রতিটি পাড়া মহল্লায় দিনরাত ইহুদী নাসারাদের ধ্বংস কামনা করে যাচ্ছেন, কত নোংরা ভাবে সাম্প্রদায়িকতা উস্কে দিচ্ছেন, তার কোন হিসেব নেই। বর্তমান সময়ে বহু সাধারণ মুসলিমই বিষয়টি স্বীকার করতে লজ্জা বোধ করেন যে, তাদের ধর্মগ্রন্থে এরকম সাম্প্রদায়িক বক্তব্য রয়েছে। এসব যুক্তি উপস্থাপন করে উনারা উনাদের ধর্মের আধুনিকায়ন করে থাকেন।

তারা নানাভাবে বলবার চেষ্টা করেন যে, ঐ আয়াতগুলোতে বন্ধু বলতে বন্ধু বোঝানো হয় নি, অভিভাবক বোঝানো হয়েছে! আমরা কেউ প্রাচীন আরবী বুঝি না দেখে জানি না। অথচ, কোরআনের সবচাইতে গুরুত্বপূর্ণ তাফসীরকারক ইবনে কাসীর লিখে গেছেন ভিন্ন কথা। প্রশ্ন হচ্ছে, ইবনে কাসীরও কী আরবী বুঝতেন না? তাই ইসলামের সবচাইতে বিখ্যাত তাফসীরে এই বিষয়ে কী বলা আছে তা আমাদের জানা খুবই জরুরি। সেই কারণেই নাস্তিক্য ডট কমের পাঠকদের জন্য ইবনে কাসীরের তাফসীর থেকে সরাসরি এই আয়াতগুলোর তাফসীর তুলে দেয়া হলো। যেন এই আয়াতগুলোকে যারা ভুল প্রমাণ করতে চান, তারা মন দিয়ে পড়েন।

আগ্রহী পাঠকগণ গ্রন্থাগার পাতা থেকে মূল বইটি ডাউনলোড করে পড়তে পারেন। বাদবাকি রেফারেন্সের জন্য তথ্য সমূহ – ইসলাম ধর্ম পাতাটি পড়ার অনুরোধ রইলো।

সুরা মায়িদাহ এর ৫১ নম্বর আয়াত

সুরা মায়িদাহ এর ৫১ নম্বর আয়াত
ইবনে কাসীর
অমুসলিমদের 3
অমুসলিমদের 5
অমুসলিমদের 7

সুরা ইমরানের ২৮ নম্বর আয়াত

অমুসলিমদের 9
অমুসলিমদের 11

সুরা ইমরানের ১১৮ আয়াত

অমুসলিমদের 13
অমুসলিমদের 15
অমুসলিমদের 17
অমুসলিমদের 19
অমুসলিমদের 21

About This Article

Genre: Semi-Academic Skeptical Analysis

Epistemic Position: Scientific Skepticism and Secular Humanist Ethics

This article belongs to the skeptical-rationalist analytical tradition of Shongshoy.com.

Its purpose is not theological neutrality or artificial both-sides balance, but evidence-based critical examination of religious, philosophical, moral, and historical claims.

Neutrality here means methodological fairness: accurate use of sources, logical rigor, evidentiary discipline, and factual consistency. It does not mean moral indifference or equal treatment between harmful doctrines and their criticism.

Strong criticism should not be mistaken for bias if it is supported by evidence and sound reasoning.

This article should be evaluated through source quality, evidentiary strength, logical rigor, factual consistency, and fairness in representing opposing claims—not through theological sensitivity, apologetic expectations, or demand for rhetorical softness.

আসিফ মহিউদ্দীন

আসিফ মহিউদ্দীন সম্পাদক সংশয় - চিন্তার মুক্তির আন্দোলন [email protected]

2 thoughts on

Leave a comment

Your email will not be published.