দশরথ জাতক- যেখানে রাম-সীতা ভাইবোন
বৌদ্ধদের ৪৬১ নং জাতক ‘দশরথ জাতকে’ রাম, লক্ষ্মণ, ভরত, সীতা ও দশরথের কথা পাওয়া যায়। এখানে রাম, লক্ষ্মণ, ভরত ও সীতা দশরথেরই সন্তান অর্থাৎ এখানে রাম-সীতা ভাইবোন। এই জাতকে ভাইবোন রাম ও সীতার বিয়ে হতেও দেখা যায়।
পুরো জাতকটিই নীচে তুলে ধরা হল-
দশরথ জাতক
পুরাকালে বারাণসীতে দশরথ নামে এক মহারাজ ছিলেন। তিনি ছন্দ, দ্বেষ, মোহ, ভয় এই চতুর্বিধ অগতি পরিহার করিয়া যথাধর্ম প্রজাপালন করিতেন। তাহার ষোড়শসহস্র অন্তঃপুরচারিণী ছিলেন, তন্মধ্যে অগ্রমহিষীর গর্ভে দুই পুত্র ও এক কণ্যা জন্মগ্রহণ করেন। জ্যেষ্ঠ পুত্রের নাম রাম পণ্ডিত, কনিষ্ঠ পুত্রের নাম লক্ষ্মণ কুমার এবং কণ্যার নাম সীতাদেবী।
কালসহকারে অগ্র মহিষীর মৃত্যু হইল। দশরথ তাহার বিয়োগে অনেকদিন শোকাভিভূত হইয়া রহিলেন, শেষে অমাত্যদিগের পরামর্শে তদীয় ঔর্দ্ধদৈহিক কার্য সম্পাদন পূর্বক অপর এক পত্নীকে অগ্র মহিষীর পদে প্রতিষ্ঠাপিত করিলেন।
নবীনা মহিষীও দশরথের প্রিয়া ও মনোজ্ঞা হইলেন, কিয়দ্দিনের মধ্যে গর্ভধারণ করিলেন এবং গর্ভ সংস্কারাদি লাভ করিয়া যথাকালে এক পুত্র প্রসব করিলেন। এই পুত্রের নাম হইল ভরত কুমার। রাজা পুত্র স্নেহের আবেগে একদিন মহিষীকে বলিলেন, “ প্রিয়ে, আমি তোমায় একটি বর দিব, কি বর লইবে বল।“ মহিষী বলিলেন, “মহারাজ, আপনার বর দাসীর শিরোধার্য, কি বর চাই, তাহা এখন বলিব না।“
ক্রমে ভরত কুমারের বয়স সাত বৎসর হইল। তখন মহিষী একদিন দশরথের নিকট গিয়া বলিলেন, “ মহারাজ, আপনি আমার পুত্রকে একটি বর দিবেন , বলিয়াছিলেন, এখন সেই অঙ্গীকার পালন করুন।“ রাজা বলিলেন, “কি বর চাও, বল।“ “স্বামীন, আমার পুত্রকে রাজপদ দিন।“ রাজা অঙ্গুলি ছোটন করিয়া বলিলেন, “নিপাত যাও, বৃষলী , আমার প্রজ্বলিত অগ্নিখণ্ডসম দুই পুত্র বর্তমান , তুমি কি তাহাদিগকে মারিয়া ফেলিতে চাও যে , নিজের পুত্রকে রাজ্য দিবার কথা বলিতেছ।“ মহিষী রাজার তর্জনে ভীত হইয়া নিজের সুসজ্জিত প্রকোষ্ঠে ( শ্রীগর্ভে) চলিয়া গেলেন, কিন্তু অতঃপর পুনঃ পুনঃ রাজার নিকট ঐ প্রার্থনা জানাইতে লাগিলেন। রাজা তাহাকে উক্ত বর দিলেন না বটে , কিন্তু চিন্তা করিতে লাগিলেন, “ রমণীগণ অকৃতজ্ঞ ও মিত্রদ্রোহী; মহিষী কোনো কূটপত্র লেখাইয়া কিংবা নিজের দুরভিসন্ধিসাধনার্থ উৎকোচ দিয়া আমার পুত্রদিগের প্রাণবধ করাইতে পারেন।“ অনন্তর তিনি প্রথম পুত্রদ্বয়কে ডাকাইয়া সমস্ত বৃত্তান্ত জানাইলেন এবং বলিলেন, “বৎসগণ, এখানে থাকিলে তোমাদের বিপদ ঘটিবার সম্ভাবনা। তোমরা কোনো সামন্ত রাজ্য কিংবা বনে গিয়া বাস কর। যখন আমার দেহ শ্মশানে ভস্মীভূত হইবে তখন ফিরিয়া আসিয়া পিতৃপৈতামহিক রাজ্য গ্রহণ করিও।“ পুত্রদ্বয়কে এই কথা বলিয়া রাজা দশরথ দৈবজ্ঞ ডাকাইলেন এবং জিজ্ঞাসা করিলেন, “ বলুন ত, আমি আর কতকাল বাঁচিব? “ তাহারা বলিলেন, “ মহারাজ, আরও দ্বাদশ বৎসর জীবিত থাকিবেন। “ তাহা শুনিয়া রাজা বলিলেন, “ বৎসগণ, তোমরা দ্বাদশ বৎসরান্তে প্রত্যাগমন করিয়া রাজচ্ছত্র গ্রহণ করিও।“ কুমারদ্বয় “যে আজ্ঞা” বলিয়া পিতার চরণ বন্দনা করিয়া শাশ্রুনয়নে প্রাসাদ হইতে অবতরণ করিলেন। তখন সীতাদেবী বলিলেন, “ আমিও সহোদরদিগের সহিত যাইব।“ এবং তিনিও পিতাকে প্রণাম করিয়া ক্রন্দন করিতে করিতে তাহাঁদিগের অনুগমন করিলেন।
যখন ইহারা তিনজনে প্রাসাদ হইতে বহির্গত হইলেন , তখন সহস্র সহস্র নরনারী তাহাঁদিগের সঙ্গে সঙ্গে চলিল। তাহারা ইহাদিগকে প্রতিনিবৃত্ত হইতে বলিলেন এবং কিয়দ্দিন পরে হিমালয়ে প্রবেশ করিয়া সেখানে উদকসম্পন্ন , সুলভ ফলমূল কোনো স্থানে আশ্রম নির্মাণ পূর্বক বন্য ফলমূলে জীবনযাপন করিতে লাগিলেন।
লক্ষ্মণ পণ্ডিত ও সীতাদেবী রামপণ্ডিতকে বলিলেন, “ আপনি আমাদের পিতৃস্থানীয় , আপনি আশ্রমে অবস্থিতি করিবেন, আমরা আপনার আহারার্থ বন্য ফলাদি সংগ্রহ করিয়া আনিব। “ রাম পণ্ডিত ইহাতে সম্মত হইলেন। তিনি তদবধি আশ্রমে থাকিতেন এবং লক্ষ্মণ ও সীতা যে ফলমূল আহরণ করিয়া আনিতেন , তাহা আহার করিতেন।
রাম, লক্ষ্মণ ও সীতা বন্য ফলে জীবনধারণ পূর্বক এইরূপে বাস করিতে লাগিলেন। এদিকে মহারাজা দশরথ পুত্রশোকে নিতান্ত কাতর হইয়া নবম বর্ষেই দেহত্যাগ করিলেন। তাহার শরীরকৃত্য সম্পন্ন হইলে ভরত-জননী বলিলেন, “ ভরতেরই মস্তকোপরি রাজচ্ছত্র ধারণ করিতে হইবে।“ কিন্তু অমাত্যেরা ভরতকে রাজ্য দিলেন না, তাহারা বলিলেন, “ যাহারা ছত্রের অধিপতি তাহারা অরণ্যে অবস্থিতি করিতেছেন। “ তাহারা ভরতকে ছত্র দিলেন না। তখন ভরত স্থির করিলেন, “ আমি বনে গিয়া অগ্রজ রাম পণ্ডিতকে আনয়ন করিয়া তাহাকে রাজচ্ছত্র দিব।“ তিনি পঞ্চবিধ রাজচিহ্ন লইয়া ও চতুরঙ্গ বলে পরিবৃত হইয়া সেই বনে উপনীত হইলেন এবং অবিদূরে স্কন্ধাবার স্থাপনপূর্বক লক্ষ্মণ ও সীতার অনুপস্থিতি কালে কতিপয় অমাত্য সহ আশ্রমে প্রবেশ করিলেন। তিনি সেখানে দেখিতে পাইলেন, পীতকাঞ্চন বর্ণাভ রামপণ্ডিত নিঃশঙ্কমনে পরম সুখে আশ্রমদ্বারে উপবিষ্ট আছেন। ভরত অভিভাবন পূর্বক তাহার নিকটবর্তী হইলেন, এবং একান্তে অবস্থিত হইয়া দশরথের পরলোক প্রাপ্তির সংবাদ জ্ঞাপন করিলেন। অতঃপর তিনি আমাত্য দিগের সহিত রামের পাদমূলে পতিত হইয়া বিলাপ করিতে লাগিলেন। রাম পণ্ডিত কিন্তু শোক করিলেন না, ক্রন্দনও করিলেন না, তাহার কিঞ্চিন্মাত্র ইন্দ্রিয়বিকার ঘটিল না।
ক্রন্দনান্তে ভরত রামের পার্শ্বে উপবেশন করিয়া রহিলেন। এ দিকে সায়ংকালে লক্ষ্মণ ও সীতা বন্য ফলমূল আহরণ পূর্বক আশ্রমে প্রত্যাগত হইলেন। তদ্দর্শনে রামপণ্ডিত ভাবিতে লাগিলেন, “ ইহারা তরুণ বয়স্ক, এখনও আমার মত পূর্ণ প্রজ্ঞা লাভ করে নাই; যদি অকস্মাৎ বলি যে পিতার মৃত্যু হইয়াছে , তাহা হইলে হয় ত শোকাবেগধারণে অসমর্থ হইয়া ইহাদের হৃদয় বিদীর্ণ হইবে ; অতএব কোনো উপায়ে ইহাদিগকে জলমধ্যে অবতরণ করাইয়া এই দুঃসংবাদ শুনাইতে হইবে। অনন্তর পুরোভাগে এক জলাশয় দেখিতে পাইয়া তিনি বলিলেন, “ তোমরা আজ বড় বিলম্ব করিয়া আসিয়াছ, আমি তোমাদিগকে তজ্জন্য দণ্ড দিতেছি- তোমরা এই জলে অবতরণ করিয়া দাঁড়াইয়া থাক। “ অনন্তর তিনি এই গাথার্ধ বলিলেনঃ-
১। ক) লক্ষ্মণ সীতারে লয়ে, অবতরি জলমাঝে দুইজনে থাক দাঁড়াইয়া;
লক্ষ্মণ ও সীতা এই কথা শুনিবামাত্র জলে অবতরণ করিয়া রহিলেন। তখন রামপণ্ডিত তাহাদিগকে উক্ত দুঃসংবাদ দিবার নিমিত্ত গাঁথার অপরার্ধ বলিলেনঃ-
১। খ) বলিল ভরত আসি, গিয়াছেন স্বর্গপুরে দশরথ জীবন ত্যাজিয়া।
লক্ষ্মণ ও সীতা পিতার বিয়োগ বার্তা শ্রবণ করিয়া মূর্ছিত হইলেন। চেতনা লাভের পর তাহারা আবার যখন এই কথা শুনিলেন তখন তাহারা আবার মূর্ছিত হইলেন; এইরূপে তাহারা উপয্যুপরি তিনবার বিসংজ্ঞ হইলে অমাত্যেরা তাহাদিগকে উত্তোলন পূর্বক স্থলে লইয়া আসিলেন; এবং সেখানে তাহাদের চৈতন্য লাভের পর সকলে বসিয়া বিলাপ করিতা লাগিলেন। তখন ভরতকুমার চিন্তা করিতে লাগিলেন, “ আমার ভ্রাতা লক্ষ্মণকুমার ও ভগিনী সীতা দেবী পিতার মরণসংবাদ শুনিয়া শোকাবেগধারণে অসমর্থ হইয়াছেন , কিন্তু রাম পণ্ডিত শোকাভিভূত হন নাই, বিলাপও করিতেছেন না। তাহার শোক না করিবার কারণ কি জিজ্ঞাসা করিতেছি”। অনন্তর তিনি দ্বিতীয় গাথা বলিলেনঃ-
২। বল রাম কোন বলে হয়ে বলিয়ান, শোককালে শোকাতুর নহে তব প্রাণ?
পিতার বিয়োগবার্তা করিলে শ্রবণ , তথাপি না অভিভূত দুঃখে তব মন।
রামপণ্ডিত নিজের অশোকের কারণ বুঝাইয়া দিবার নিমিত্ত নিম্নলিখিত গাঁথাগুলি বলিলেনঃ-
৩। দিবারাত্র উচ্চৈঃস্বরে করিয়া ক্রন্দন যাহারে রক্ষিতে কেহ পারে না কখন ,
তার জন্য বৃথা শোকে হয় কি কাতর বুদ্ধিমান বিচক্ষণ জ্ঞানবান নর?
৪। বাল, বৃদ্ধ, ধনবান, অতি দীনহীন, মূর্খ , বিজ্ঞ সকলেই মৃত্যুর অধীন।
৫। তরুশাখে ফল যবে পরিপক্ক হয় , অনুক্ষণ থাকে তার পতনের ভয় ।
জীবগণ সেইরূপ জন্মলাভ করি মৃত্যু ভয়ে দিবানিশি কাপে থরথরি।
৬। ঊষাকালে যাহাদের পাই দরশন না হেরি সায়হ্নকালে তার বহুজন ;
উহাদেরও বহুজন ঊষা না ফিরিতে অদৃশ্য হইয়া যায় যমের কুক্ষিতে।
৭। বৃথাশোকে অভিভূত হয়ে মূঢ় জন আত্মার অশেষ ক্লেশ করে উৎপাদন ;
লভিত ইহাতে যদি সুফল তাহারা , পণ্ডিতেও শোকবেগে হত আত্মহারা।
৮। শোকেতে শরীর ক্ষয়, লাভ নাহি আর , বিবর্ণ, বিশুষ্ক দেহ , অস্থিচর্মসার।
শোকে কি করিতে পারে, মৃত সঞ্জীবন ? কি ফল পাইব তবে করিয়া ক্রন্দন?
৯। বারির সাহায্যে যথা গৃহ দহ্যমান সযতনে গৃহীগণ করয়ে নির্বাণ,
ধীর শাস্ত্রজ্ঞানী, বুদ্ধিমান, বিচক্ষণ তেমতি শোকেরে সদা করেন দমন।
বায়ুবেগে তুলারাশি উড়ি যথা যায় , প্রজ্ঞাবলে শোক তথা শীঘ্র লয় পায়।
১০। কর্মবশে যাতায়াত করে জীবগণ , কেহ মরে ,কেহ করে জনম গ্রহণ।
এই মাতা, পিতা, এই সোদর আমার হেনজ্ঞানে সুখে মগ্ন নিখিল সংসার।
১১। গিয়াছেন স্বর্গে পিতা , কি কাজ ক্রন্দনে?
লইব পিতার স্থান, করিব দীনেরে দান
রাখিব মানির মান ভাবিয়াছি মনে।
জ্ঞাতিজনে সাবধানে করিব পালন ,
পুষিব যতনে আর যত পরিজন।
১২। সুধীর শাস্ত্রজ্ঞ লোকে করেন দরশন ইহলোকে, পরলোকে প্রভেদ কেমন।
যতবড় শোক কেন উপস্থিত হয় দহিতে পারে না কভু তাদের হৃদয়।
উল্লিখিত গাঁথাগুলি দ্বারা রামপণ্ডিত সংসারের অনিত্যত্ব বুঝাইয়া দিলেন।
সমবেত জনগণ রাম পণ্ডিতের অনিত্যত্ব ব্যখ্যা শুনিয়া তৎক্ষণাৎ শোকমুক্ত হইলেন।
অনন্তর ভরত কুমার রামের চরণ বন্দনা পূর্বক বলিলেন , “ চলুন, এখন বারাণসীতে প্রতিগমন করুন। “ রাম বলিলেন, “ ভাই, লক্ষ্মণ ও সীতাকে লইয়া যাও এবং ইহাদের সহিত রাজ্য শাসন কর।“ “না দাদা আপনাকেই রাজ্য গ্রহণ করিতে হইবে।“ “ ভাই বাবা বলিয়াছিলেন, দ্বাদশ বৎসর পরে আসিয়া রাজ্য লইবে; এখন ফিরিলে তাহার আদেশ লঙ্ঘন করা যাইবে। আরও তিন বৎসর যাউক, তাহার পর আমি ফিরিব।“ “এতদিন কে রাজ্য করিবে?” “তুমি করিবে।“ “আমি করিব না” “ তবে আমি যতদিন না ফিরি ততদিন এই পাদুকা রাজ্য করিবে। “ ইহা বলিয়া রাম নিজের তৃণ নির্মিত পাদুকাদ্বয় ভরতের হস্তে দিলেন।
অনন্তর ভরত, লক্ষ্মণ ও সীতা ঐ পাদুকা লইয়া রামের নিকট বিদায় গ্রহণ করিলেন এবং সহস্র সহস্র চরে পরিবৃত হইয়া বারাণসীতে ফিরিয়া গেলেন।
রামের পাদুকাই তিন বৎসর বারাণসী রাজ্যের শাসন কার্য নির্বাহ করিয়াছিল। বিবাদ নিষ্পত্তিকালে অমাত্যেরা উহা সিংহাসনের উপরে উহা রাখিয়া দিতেন, যদি নিষ্পত্তি ন্যায় বিরুদ্ধ হইত , তাহা হইলে পাদুকাদ্বয় পরস্পরকে আঘাত করিত, তাহা দেখিয়া অমাত্যেরা সেই বিবাদের প্রতিবিচার করিতেন। নিষ্পত্তি ন্যায়সঙ্গত হইলে পাদুকাদ্বয় নিষ্পন্দভাবে থাকিত।
তিন বৎসর অতীত হইলে রাম পণ্ডিত অরণ্য হইতে প্রত্যাবর্তনপূর্বক বারাণসীর উদ্যানে উপনীত হইলেন। কুমারদ্বয় তাহার আগমন বার্তা শুনিয়া অমাত্যগণ সহ উদ্যানে গমন করিলেন এবং সীতাকে অগ্রমহিষীর পদে বরণ করিয়া উভয়ের অভিষেক ক্রিয়া সম্পাদিত করিলেন। কৃত্বাভিষেক মহাসত্ত্ব রাম অলংকৃত রথে আরোহণ পূর্বক পুরবাসীগণসহ নগরে প্রবেশ করিলেন এবং পুর প্রদক্ষিণ করিয়া সুচন্দ্রক নামক প্রাসাদের ঊর্ধ্বমতলে অধিরোহণ করিলেন। অতঃপর তিনি ষোড়শ সহস্র বৎসর যথাধর্ম রাজ্য করিয়া সুরলোকবাসীদিগের সংখ্যাবর্ধনার্থ ইহলোক ত্যাগ করিলেন।
(সমাপ্ত)
আগ্রহীরা জাতকগ্রন্থ ডাউনলোড করতে পারেন এই লিংক থেকে
About This Article
Genre: Semi-Academic Skeptical Analysis
Epistemic Position: Scientific Skepticism and Secular Humanist Ethics
This article belongs to the skeptical-rationalist analytical tradition of Shongshoy.com.
Its purpose is not theological neutrality or artificial both-sides balance, but evidence-based critical examination of religious, philosophical, moral, and historical claims.
Neutrality here means methodological fairness: accurate use of sources, logical rigor, evidentiary discipline, and factual consistency. It does not mean moral indifference or equal treatment between harmful doctrines and their criticism.
Strong criticism should not be mistaken for bias if it is supported by evidence and sound reasoning.
This article should be evaluated through source quality, evidentiary strength, logical rigor, factual consistency, and fairness in representing opposing claims—not through theological sensitivity, apologetic expectations, or demand for rhetorical softness.


এই জাতকে বোধিসত্ত্ব কে?
এই জাতকে বোধিসত্ত্ব কে???