হিন্দু ধর্ম এবং টেস্টটিউব বেবী
বৈজ্ঞানিকেরা টেস্টটিউবের মাধ্যমে বাচ্চার জন্ম দিচ্ছেন, তারা প্রমাণ করতে উঠেপড়ে লেগেছে যে, তাদের পূর্বপুরুষেরা তো হাজার হাজার বছর আগেই এসব আবিষ্কার করে ফেলেছিল
Read Moreবৈজ্ঞানিকেরা টেস্টটিউবের মাধ্যমে বাচ্চার জন্ম দিচ্ছেন, তারা প্রমাণ করতে উঠেপড়ে লেগেছে যে, তাদের পূর্বপুরুষেরা তো হাজার হাজার বছর আগেই এসব আবিষ্কার করে ফেলেছিল
Read Moreপ্রাচীন সংস্কৃত সাহিত্যে এমন অনেক প্রমাণ পাওয়া যায়, যা থেকে নিশ্চিত হওয়া যায় যে গরুকে শুধু যে যজ্ঞে বলি হিসাবে হত্যা করা হত তাই নয় বরং বিশেষ অতিথি, বেদজ্ঞ প্রভৃতিকে আপ্যায়ণ করারও জন্যও গোমাংসের ব্যবস্থা করা হত
Read Moreকোন মন্ত্র উচ্চারণ করিয়া দেবতাকে ডাকিলে সিদ্ধিলাভ হয়— আমার এ বিশ্বাস কদাপি ছিল না, এখনও নাই ; আমার মতে উহা একটি মধ্যযুগীয় কুসংস্কার মাত্র।
Read Moreহায়দ্রাবাদে বিশ্বশান্তির জন্য অশ্বমেধ যজ্ঞ করা হয়েছিল। ধর্মের ধান্দাবাজেরা কিভাবে মানুষকে বোকা বানায় তার অনুমান করা যায় যে, যজ্ঞের অনুষ্ঠানে না শান্তি আছে
Read Moreপ্রাচীন ভারতীয় সাহিত্যে আশ্চর্যজনক এবং বিভৎস তথ্য জানা যায়, যেমন গোহত্যা, গোমাংস ভোজন, চর্বি দিয়ে হবন করা, আলাদা আলাদা মাংসে দেবতা এবং পিতৃদের তৃপ্তির সময়কাল নির্ধারণ করা
Read Moreআলবিরুনী একাদশ শতাব্দীর লোক ছিলেন। আলবিরুনির ভারত ভ্রমণের বিবরণ হতে জানা যায়, হিন্দুরা আগে গোমাংস খেত। যজ্ঞে গরু বলি দেওয়া হত
Read Moreপ্রাচীনকালে অতিথির সৎকারের জন্য গোহত্যা করা হত। তাই অতিথির নাম হয়েছিল গোঘ্ন।
Read Moreসংস্কৃত সাহিত্য থেকে জানা যাচ্ছে আশ্চর্যজনক সব কথা। বাল্মীকি তার আশ্রমে ঋষি বশিষ্ঠকে আপ্যায়ন করলেন গোমাংস দিয়ে। রামের পিতা দশরথের মেনুতে থাকতো গোমাংস , তা দিয়ে চলতো অতিথি আপ্যায়ন।
Read Moreরামায়ণ হতে জানা যাচ্ছে- রাম যখন ভরদ্বাজ মুনির আশ্রমে গিয়ে উপস্থিত হয়েছিলেন, ভরদ্বাজ রামকে তখন গোমাংস দ্বারা আপ্যায়ণ করেছিলেন।
Read Moreবেদ,ব্রাহ্মণ, উপনিষদ, কল্পসূত্রের মত ধর্মশাস্ত্রগুলিতেও গোমাংস খাওয়া অনুমতি রয়েছে। প্রাচীন সময়ে গরু কোনো গোমাতা ছিল না। গরু নিয়ে রাজনীতিই গরুকে গোমাতা করে তুলেছে।
Read Moreইতোপূর্বেই আমরা দেখেছি বেদের সংহিতা, ব্রাহ্মণ ও উপনিষদ ভাগে গরু বলির ও গোমাংস খাওয়ার কথা বলা আছে। এখন বেদাঙ্গে খুঁজে দেখবার পালা। বেদাঙ্গের অন্তর্গত গৃহ্যসূত্রগুলির অসংখ্যস্থলে এবং ধর্মসূত্রগুলিতেও গোহত্যা ও গোমাংস খাওয়ার কথা পাওয়া যায়।
Read Moreইতিহাস বলে হিন্দুরা আগে গোমাংস খেত। তাহলে কেন তারা গোমাংস খাওয়া বন্ধ করলো? কিভাবে হিন্দুদের গোমাংসের জোগান দেওয়া আদিম গরু আজকের গোমাতা হয়ে উঠলো?
Read Moreঋগেবেদের অনেক স্থানেই অজাচারী দেবতাদের উল্লেখ পাওয়া যায়। ঋগ্বেদের দশম মণ্ডলের দশম সুক্তে যম ও যমী নামক দুই যমজ ভাইবোনের মধ্যে অজাচারমূলক কথোপকথন দেখা যায়
Read Moreধর্মশাস্ত্রগুলির মধ্যে অত্রি সংহিতা অন্যতম। ঋষি অত্রি এর রচয়িতা। এতে তিনি ‘চতুর্বর্ণের সনাতন ধর্ম’ ব্যক্ত করেছেন। তার শাস্ত্রে দেখা যায় স্ত্রী ও শূদ্র কুকুর ও কাকের সমার্থক, শূদ্রকে হত্যা করলে গাধা হত্যার প্রায়শ্চিত্ত, শ্বপাক জাতির ছায়া মারালেও প্রায়শ্চিত্ত করতে হয়।
Read Moreভগবতগীতার ঐতিহাসিকত্ব সম্বন্ধে কতকগুলি প্রশ্ন আমাদের মনে স্বতই উদয় হয়; গীতার প্রণেতা কে? তাহার প্রণয়নকালই বা কি? এইসকল প্রশ্নের সন্তোষজনক উত্তর দেওয়া কঠিন
Read Moreরাম, লক্ষ্মণ, ভরত ও সীতা দশরথেরই সন্তান অর্থাৎ এখানে রাম-সীতা ভাইবোন। এই জাতকে ভাইবোন রাম ও সীতার বিয়ে হতেও দেখা যায়।
Read Moreহিন্দুধর্মে শাস্ত্রমতে মূলত চারটি বর্ণ আছে, এবং সাধারণত দেখা যায় নারীদেরকে কোন বর্ণের অন্তর্গত করা হচ্ছে না। হিন্দুধর্মে এরকম অনেক রেফারেন্সই দেয়া যায় যেখানে বলা হচ্ছে নারীরা সকল বর্ণের বাইরে
Read Moreরামায়ণ, মহাভারত হল হিন্দুদের দুই বিখ্যাত মহাকাব্য। হিন্দু ঐতিহ্যে এদের ইতিহাসও বলা হয়ে থাকে। এর মধ্যে মহাভারতের এমনই মহিমা যে একে পঞ্চম বেদও বলা হয়ে থাকে। পঞ্চম বেদ খ্যাত এই মহাভারতে বর্তমান হিন্দু সমাজের অবধ্য গরু সম্বন্ধে খুব চাঞ্চল্যকর তথ্য পাওয়া যায়। জানা যায়, আজকের হিন্দুসমাজের মত গোহত্যা ও গোমাংস ভক্ষণ প্রাচীন হিন্দুদের কাছে গর্হিত বলে বিবেচিত হত না।
Read Moreআপনারা আশ্চর্যান্বিত হবেন, যদি আমি আপনাদের বলি প্রাচীন রীতি অনুযায়ী গরু না খেলে ভালো হিন্দু হওয়া যেত না। বিশেষ অনুষ্ঠানে তার অবশ্যই বৃষ বলি দিয়ে খেতে হত। হিন্দু ধর্মের অনেক গ্রন্থেই গরু বলির ও গোমাংস খাওয়ার কথা রয়েছে।
Read Moreবিষ্ণুর অবতার রামচন্দ্র তপস্যা করার অপরাধে শম্বুক নামক এক শূদ্র তপস্বীকে হত্যা করেন। অনেকে বলে থাকেন, রামের মত একটি চরিত্রের দ্বারা কখনোই শম্বুক বধ সম্ভব নয়
Read More