Al-Ikhlas

আল-ইখলাস: 3

112:3
টেক্সট কপি
112 আল-ইখলাস Al-Ikhlas · 4 আয়াত الإخلاص
1 2 3 4

মূল আরবি

لَمْ يَلِدْ وَلَمْ يُولَدْ

English Translations

Sahih International

He neither begets nor is born,

Muhsin Khan

"He begets not, nor was He begotten;

Taqi Usmani

He neither begot anyone, nor was he begotten.

Abul Ala Maududi

He neither begot any nor was He begotten,

Pickthall

He begetteth not nor was begotten.

Yusuf Ali

He begetteth not, nor is He begotten;

বাংলা অনুবাদ

তাইসিরুল কুরআন

তিনি কাউকে জন্ম দেন না, আর তাঁকেও জন্ম দেয়া হয়নি।

রাওয়াই আল-বায়ান

তিনি কাউকে জন্ম দেননি এবং তাঁকেও জন্ম দেয়া হয়নি।

শাইখ মুজিবুর রহমান

তাঁর কোন সন্তান নেই এবং তিনিও কারও সন্তান নন,

ড. আবু বকর মুহাম্মাদ যাকারিয়া

তিনি কাউকেও জন্ম দেননি এবং তাঁকেও জন্ম দেয়া হয়নি ,

ফাতহুল মাজীদ

তিনি কাউকে জন্ম দেননি এবং তাঁকেও জন্ম দেয়া হয়নি।

মুখতাসার

৩. যাঁকে কেউ জন্ম দেয়নি এবং তিনিও কাউকে জন্মাননি। তথা না তাঁর কোন সন্তান আছে এবং না কোন পিতা।

তাফসীর

তাফসীর ইবনে কাসীর

112:1

তাফসীর আবু বকর যাকারিয়া

তিনি কাউকেও জন্ম দেননি এবং তাঁকেও জন্ম দেয়া হয়নি [১] ,

[১] যারা আল্লাহ্র বংশ পরিচয় জিজ্ঞেস করেছিল, এটা তাদের জওয়াব। সন্তান প্ৰজনন সৃষ্টির বৈশিষ্ট্য-স্রষ্টার নয়। অতএব, তিনি কারও সন্তান নন এবং তাঁর কোন সন্তান নেই। আবু হুরাইরা রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু বলেন, রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, মহান আল্লাহ্ বলেন, “আদম সন্তান আমার উপর মিথ্যারোপ করে অথচ এটা তার জন্য উচিত নয়। আর আমাকে গালি দেয়, এটাও তার জন্য উচিত নয়। তার মিথ্যারোপ হচ্ছে, সে বলে আমাকে যেভাবে প্রথমবার সৃষ্টি করেছেন সেভাবে তিনি কখনও আমাকে পুনরায় সৃষ্টি করবেন না। অথচ দ্বিতীয় সৃষ্টি প্রথম সৃষ্টির চেয়ে কোন ভাবেই কঠিন নয়। আর আমাকে গালি দেয়ার ব্যাপারটি হলো, সে বলে আল্লাহ্ সন্তান গ্ৰহণ করেছেন। অথচ আমি একক, সামাদ, জন্মগ্রহণ করিনি এবং কাউকে জন্মও দেইনি। আর কেউই আমার সমকক্ষ নেই।” [বুখারী: ৪৯৭৪]

তাফসীর আল-কুরতুবী

[সূরা আল-ইখলাস (১১২): আয়াত ১ থেকে ৪] পূর্ণ পৃষ্ঠা

[সূরা আল-ইখলাসের তাফসীর]ইবনু মাসউদ, হাসান, আতা, ইকরিমা ও জাবিরের মতে সূরা "আল-ইখলাস" মক্কী। আর ইবনু আব্বাস, কাতাদাহ, যাহহাক ও সুদ্দীর দুই মতের একটি বর্ণনা অনুযায়ী এটি মাদানী। এটি চারটি আয়াত বিশিষ্ট। পরম করুণাময় অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে শুরু করছি। [সূরা আল-ইখলাস (১১২): আয়াত ১ থেকে ৪]পরম করুণাময় অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে শুরু করছি।বলুন, তিনিই আল্লাহ, একক। (১) আল্লাহ অমুখাপেক্ষী। (২) তিনি কাউকে জন্ম দেননি এবং তাঁকেও জন্ম দেওয়া হয়নি। (৩) এবং তাঁর সমতুল্য কেউ নেই। (৪)মহান আল্লাহর বাণী: (বলুন, তিনিই আল্লাহ, একক) অর্থাৎ তিনি এক ও অনন্য, যাঁর কোনো সদৃশ নেই, কোনো নজির নেই, কোনো সঙ্গিনী নেই, কোনো সন্তান নেই এবং কোনো অংশীদার নেই।

আর 'আহাদ' (একক) শব্দের মূল হলো 'ওয়াহাদ'; এখানে 'ওয়াও' অক্ষরটিকে 'হামজা' দ্বারা পরিবর্তন করা হয়েছে। এ প্রসঙ্গে কবি আন-নাবিগাহ-এর উক্তি:যুল-জালীল প্রান্তরে এমন একাকী সঙ্গকামনাশীল ব্যক্তির ওপর। 'ওয়াহিদ' এবং 'আহাদ'-এর মধ্যে পার্থক্য সূরা "আল-বাকারাহ"-তে ইতিপূর্বে বর্ণিত হয়েছে এবং "আল-আসনা ফী শারহি আসমাইল্লাহিল হুসনা" নামক কিতাবেও বিস্তারিতভাবে আলোচিত হয়েছে। সকল প্রশংসা আল্লাহর জন্য। আর 'আহাদ' শব্দটি মারফু (পেশযুক্ত) হয়েছে এই অর্থে যে: 'তিনি একক'। আবার বলা হয়েছে, এর অর্থ হলো: আপনি বলুন, প্রকৃত অবস্থা ও বিষয়টি এই যে: 'আল্লাহ একক'।

আরও বলা হয়েছে: 'আহাদ' শব্দটি 'আল্লাহ' শব্দ থেকে 'বদল' (স্থলাভিষিক্ত) হিসেবে এসেছে। একদল ক্বারী (আহাদুল্লাহু) তানভীন ছাড়াই পাঠ করেছেন উচ্চারণে সাবলীলতা আনার উদ্দেশ্যে এবং দুই সাকিনের একত্র হওয়া পরিহার করার জন্য। কবির উক্তিটি এ জাতীয়ই:এবং আল্লাহকে স্মরণকারী নয়, তবে সামান্যই।(১). কবিতার প্রথম চরণটি তাঁর মুআল্লাকায় এভাবে আছে:মনে হয় যেন আমার বাহন, যখন দিন আমাদের নিয়ে ঢলে পড়ছিল এবং 'যুল-জালীল' এমন একটি স্থান যেখানে 'জালীল' জন্মে, যা মূলত 'থুমাম' ঘাস। থুমাম হলো একটি দুর্বল ও খাটো উদ্ভিদ যা লম্বা হয় না।(২). এটি আবুল আসওয়াদ আদ-দুয়ালির একটি কবিতার শেষাংশ।

এর প্রথম চরণটি হলো:আমি তাকে পেলাম এমন অবস্থায় যে সে সন্তুষ্টির প্রত্যাশী নয়।