তথাকথিত মহানবীর বহুবিবাহের তথাকথিত রাজনৈতিক কারণ
ইসলামী এপোলোজিস্টদের মতানুসারে নবী মুহাম্মদ তার অধিকাংশ স্ত্রীকেই বিবাহ করেছিলেন রাজনৈতিক কারণে। রাজনৈতিক অত্যাবশ্যকতার জন্য তিনি অনেক বিবাহ করেছিলেন। তবে এ
লেখকের নিজস্ব মতামত, বিশ্লেষণ ও অবস্থানের পৃথক সংগ্রহ।
ইসলামী এপোলোজিস্টদের মতানুসারে নবী মুহাম্মদ তার অধিকাংশ স্ত্রীকেই বিবাহ করেছিলেন রাজনৈতিক কারণে। রাজনৈতিক অত্যাবশ্যকতার জন্য তিনি অনেক বিবাহ করেছিলেন। তবে এ
প্রতিটি ধর্মের ভেতরে থাকে অসংখ্য শাখা। সাধারনত এই শাখাগুলো হয় একটি আরেকটি থেকে অনেকখানি আলাদা। এদের মাঝে যতোটুকু মিল থাকে, অনেকক্ষেত্রে অমিল থাকে তার চেয়ে বেশী
১৯০৬ সালে বিজ্ঞানী আইনস্টাইন ‘থিওরি অফ রিলেটিভিটি’ প্রকাশ করেন যা পুরো পদার্থবিদ্যার জগৎকে ওলটপালট করে রেখে দেয়। তিনি আমাদের একটা অন্য জগৎকে দেখিয়ে দেন
প্রায় সকল বিজ্ঞানীই প্রাকৃতিক নির্বাচনের ফলে বিবর্তনের পক্ষে একমত। বিবর্তনের ছোট ছোট দিক নিয়ে হয়ত বিজ্ঞানীরা দ্বিমত পোষণ করেন। কিন্তু তার মানে এই না যে পুরো বিবর্তন তত্ত্বই বাতিল
ভূমিকা কোরআনে কোনো বৈপরীত্য নেই বলেছে আল্লাহ। কোরআনের পরস্পরবিরোধী আয়াত গুলো এখানে তুলে ধরে আল্লাহর সেই কথাকে ভুল প্রমাণিত করা
বহুবিবাহ নিয়ে ২০১৮ সালে এসেও কথা বলতে হবে সেটাই লজ্জার বিষয়। অসংখ্য মানুষ ধর্মান্ধতার কারণে একটি অসভ্য অমানবিক এবং নারী অবমাননাকর প্রথাকে সমর্থন করে
ইসলামের বর্বরতা এতটাই আকাশচুম্বী যা ভাষায় বর্ণনাতীত। এই ধর্মের ছোঁয়া যেখানেই লেগেছে সেখানেই ধ্বংসস্তূপ আর হাহাকারে বাতাস ভারী হয়েছে। ইসলাম প্রতিষ্ঠাকাল ছিল লাশের স্তুপের উপর।
কেউ বলে ফকির লালন, কেউ বাউল লালন শাহ্, কেউ আবার মহাত্মা লালন আবার কেউ ফকির লালন শাঁই। যে নামেই ডাকা হওক না কেন, জ্ঞানীর পরিচয় তার বাণীতেই।
একদল ধার্মিক লোক এসে দাঁড় করালো। বলা শুরু করলো, 'আকাশ বাতাস পৃথিবী সবকিছু আল্লাহ্ সৃষ্টি করেছেন। চারপাশে যা কিছু দেখি এবং যা দেখতে পাই না সবকিছুই আল্লাহ্র সৃষ্টি
রাম তার উজ্জ্বল তরবারি-নিষ্কোষিত করে শম্বুকের মুণ্ড কেটে ফেললেন। তৎক্ষণাৎ দেবতারা রামের উপরে পুষ্পবৃষ্টি করলেন, তাঁর এই কর্মের প্রশংসা করলেন এবং বললেন রাম দৈবকার্য সাধিত করছেন।
কোরআনে লুকিয়ে আছে জ্ঞান বিজ্ঞানের সকল উৎস, ইংগিত দেওয়া আছে এমন এমন ঘটনার যা বিজ্ঞান হাজার বছর পর জানতে পেরেছে। খুব গর্ব হতো এসব ভেবে যে আমার ধর্মই একমাত্র সত্য ধর্ম নাহলে হাজার বছর আগেকার বই এতো তথ্য কিভাবে জানতে পারে
চতুরতার আড়ালে শ্রীল প্রভুপাদ ধর্ম প্রচার করতেন এবং এমন কিছু মন্তব্য উনি করেছেন কিংবা ইসকন থেকে প্রকাশিত বিভিন্ন বইতে তিনি এমন এমন কথা বলেছেন যে উনাকে ভন্ড বলতেও অনেকে পিছপা হবেন না।
ক্রিটন গলার স্বরে একটি নূতন কম্পন যুক্ত করে বলল, সৃষ্টি এবং ধ্বংস ঈশ্বরের হাতে। শুধু ঈশ্বরই এর নিয়ন্ত্রণ করেন। আমরা নিমিত্ত মাত্র
বরং দ্বিমত হও, আস্থা রাখো দ্বিতীয় বিদ্যায় বরং বিক্ষিপ্ত হও প্রশ্নের পাথরে। বরং বুদ্ধির নখে শান দাও, প্রতিবাদ করো। অন্তত
শৈশবকৈশােরে একদিকে যেমন শুনেছি পুরােহিতের মুখে শনি-সত্যনারায়ণ-লক্ষ্মীর পাঁচালি এবং গ্রহস্বস্ত্যয়নের মন্ত্র, অন্যদিকে শুনেছি সুগম্ভীর পিতৃকণ্ঠে বেদ-উপনিষদ পাঠ
মানুষ এবং মানুষের সমাজের যদ্দিন অস্তিত্ব থাকবে, তদ্দিন ধর্মের পক্ষে বিপক্ষে আলােচনাও থাকবে।
সেই আদিকাল থেকে পৃথিবীর তাবৎ ধর্মপ্রচারকরা জোর দিয়েছেন শান্তি, ভালবাসা, সেবা ও পরােপকারের উপর, আদেশ দিয়েছেন হিংসা ও দ্বেষ, লােভ ও সহিংসতা পরিহার করতে
১ মানুষ সিংহের প্রশংসা করে, কিন্তু আসলে গাধাকেই পছন্দ করে। ২ পুঁজিবাদের আল্লার নাম টাকা, মসজিদের নাম ব্যাংক। ৩ সুন্দর
ধানক্ষেতের তাজা রঙে হাসুনির মায়ের মনে পুলক জাগে। আপন মনকেই ঠাট্টা করে বারবার শুধায় : নিকা করবি মাগি, নিকা করবি?
মানুষের স্বভাব হওয়া উচিত অবিশ্বাস, অবিশ্বাস হচ্ছে আলো; বিশ্বাস মানুষকে পরিণত করে জড়বস্তুতে। তবে বিশ্বাস শুরু থেকেই রাজনীতি; সমাজপ্রভুরা বিশ্বাসকে ব্যবহার করে