১৯২৯ সালে হাবল পর্যবেক্ষন করলেন যে গ্যালাক্সী যত দুরে অবস্থিত তার দূরাপসারনের হারও তত বেশি। অন্য ভাষার বলা চলে মহাবিশ্ব সম্প্রসারিত হচ্ছে। অর্থাৎ আমাদের মহাবিশ্ব প্রসারমান। তাহলে বলা চলে বিপরীতক্রমে আমাদের এ মহাবিশ্ব কোন এক সময় কোন এব বিন্দুতে সংকুচিত ছিল।
ইসলামের বর্বরতা এতটাই আকাশচুম্বী যা ভাষায় বর্ণনাতীত। এই ধর্মের ছোঁয়া যেখানেই লেগেছে সেখানেই ধ্বংসস্তূপ আর হাহাকারে বাতাস ভারী হয়েছে। ইসলাম প্রতিষ্ঠাকাল ছিল লাশের স্তুপের উপর।
একদল ধার্মিক লোক এসে দাঁড় করালো। বলা শুরু করলো, 'আকাশ বাতাস পৃথিবী সবকিছু আল্লাহ্ সৃষ্টি করেছেন। চারপাশে যা কিছু দেখি এবং যা দেখতে পাই না সবকিছুই আল্লাহ্র সৃষ্টি
রাম তার উজ্জ্বল তরবারি-নিষ্কোষিত করে শম্বুকের মুণ্ড কেটে ফেললেন। তৎক্ষণাৎ দেবতারা রামের উপরে পুষ্পবৃষ্টি করলেন, তাঁর এই কর্মের প্রশংসা করলেন এবং বললেন রাম দৈবকার্য সাধিত করছেন।
কোরআনে লুকিয়ে আছে জ্ঞান বিজ্ঞানের সকল উৎস, ইংগিত দেওয়া আছে এমন এমন ঘটনার যা বিজ্ঞান হাজার বছর পর জানতে পেরেছে। খুব গর্ব হতো এসব ভেবে যে আমার ধর্মই একমাত্র সত্য ধর্ম নাহলে হাজার বছর আগেকার বই এতো তথ্য কিভাবে জানতে পারে
চতুরতার আড়ালে শ্রীল প্রভুপাদ ধর্ম প্রচার করতেন এবং এমন কিছু মন্তব্য উনি করেছেন কিংবা ইসকন থেকে প্রকাশিত বিভিন্ন বইতে তিনি এমন এমন কথা বলেছেন যে উনাকে ভন্ড বলতেও অনেকে পিছপা হবেন না।
সেই আদিকাল থেকে পৃথিবীর তাবৎ ধর্মপ্রচারকরা জোর দিয়েছেন শান্তি, ভালবাসা, সেবা ও পরােপকারের উপর, আদেশ দিয়েছেন হিংসা ও দ্বেষ, লােভ ও সহিংসতা পরিহার করতে
মানুষের স্বভাব হওয়া উচিত অবিশ্বাস, অবিশ্বাস হচ্ছে আলো; বিশ্বাস মানুষকে পরিণত করে জড়বস্তুতে। তবে বিশ্বাস শুরু থেকেই রাজনীতি; সমাজপ্রভুরা বিশ্বাসকে ব্যবহার করে
একটি কথা প্রায়ই শোনা যায় আজকাল, কথাটি হচ্ছে ধর্মানুভূতি। কথাটি সাধারণত একলা উচ্চারিত হয় না, সাথে জড়িয়ে থাকে 'আহত' ও 'আঘাত' কথা দুটি; শোনা যায় 'ধর্মানুভূতি আহত' হওয়ার বা 'ধর্মানুভূতিতে আঘাত' লাগার কথা
তাফসীর সমূহ থেকে আমরা জানতে পারি যে সৃষ্টিকর্তার ব্যাপারে যদি কেউ মুসলমানদের সাথে ভিন্ন মত পোষণ করে তবে সে একজন অপরাধী এবং এই অপরাধের একমাত্র শাস্তি হল মৃত্যুদণ্ড। এবং এই শাস্তি মউকুফের একমাত্র পন্থা হল জিজিয়া