নাস্তিকরা জারজ সন্তান?
আমি জারজ সন্তানদের ততটাই পবিত্র মনে করি যতটা আরেকজন শিশুকে মনে করি। জন্ম সব সময়ই বৈধ, মানুষের জন্ম কখনো অবৈধ হতে পারে না। যারা জারজ বলে গালি দেয়, তাদের আমি বর্বর মনে করি।
লেখকের নিজস্ব মতামত, বিশ্লেষণ ও অবস্থানের পৃথক সংগ্রহ।
আমি জারজ সন্তানদের ততটাই পবিত্র মনে করি যতটা আরেকজন শিশুকে মনে করি। জন্ম সব সময়ই বৈধ, মানুষের জন্ম কখনো অবৈধ হতে পারে না। যারা জারজ বলে গালি দেয়, তাদের আমি বর্বর মনে করি।
২০১১ সালের ঘটনা। ব্লগ লেখার জন্য বাঙলাদেশে প্রথম আমাকে গোয়েন্দা পুলিশ দ্বারা নির্যাতন করা হয়েছিল, অভিযোগ ছিল রাষ্ট্রবিরোধীতা
যুদ্ধে আসলে যেই দুই পক্ষ লড়াই করে, তারা কেউই কোনদিন জয়লাভ করে না। যুদ্ধে জয়লাভ করে বৃহৎ কর্পোরেশন, বৃহৎ অস্ত্র ব্যবসায়ী দেশগুলো। যতদিন যুদ্ধ চলবে ততদিন তাদের অস্ত্র ব্যবসা চলতে থাকবে
প্রায় প্রতিটি রাতেই আমার ঘরের মাচার উপর দু’টো কামার্ত সঙ্গমরত বেড়াল বেড়ালির বিকট বীভৎস প্রায় মানুষের স্বরে শীৎকার আমার ঘুম ভাঙ্গিয়ে দেয়।
যেসব নিপীড়ন নির্যাতনের বিরুদ্ধে সে নিজে লড়াই করে জয়লাভ করেছে, সে যেন ক্ষমতালাভের পরে অন্য কোনও জনগোষ্ঠীর ওপর একই ধরণের নিপীড়ন না চালায়
আসিফ মহিউদ্দীন লেখক। তিনি লিখেন। না তিনি গাদা গাদা ‘আঁতেলেকচুয়াল’ বই বের করেননি, কোন প্রতিষ্ঠিত সংবাদপত্রেও তিনি কলাম লেখেন না। আসিফের বিচরণ ইন্টারনেটে - মূলতঃ বাংলা ব্লগে, ফেসবুকে
বদ্ধসমাজ সর্বদাই নানা ধরণের সামাজিক এবং মানসিক বিকৃতির সৃষ্টি করে। সেই সমাজের মানুষের মনস্তাত্বিক বিকাশ রোধ করে সেটাকে যৌন বিকৃতির দিকে নিয়ে যায়
আসিফ মহিউদ্দীন লোকটাকে একদম পাত্তাই দিই না। কি সব লেখে আগামাথা- তাকে নিয়ে এত আলোচনার কী আছে বলুন তো? তার মত দুই পয়সার ব্লগারকে পাত্তা দেয়ার সময় আছে আমার?
ক্যান্সারে আক্রান্ত মৃত্যুপথযাত্রী একটি শিশু, যে ভাবছে মৃত্যুর পরে তার জন্য অপেক্ষা করছে অনেক বার্বিডল, তাকে গিয়ে কী তুমি বোঝাবে যে আসলে কোন ঈশ্বর নেই?
যেকোন বিষয়, যা নিয়ে বস্তুনিষ্ঠ আলোচনা করা যাবে না, সমালোচনা করা যাবে না, যুক্তিতর্ক করা যাবে না, মেনে নিতে হবে, সেটা ক্ষতিকর হতে বাধ্য
নাস্তিকদের কঠিন এবং জটিল যুক্তিতর্কে টিকিতে না পারিয়া ব্লগীয় জিহাদের জেহাদীগণ প্রায়শই ব্যান চাই ব্যান চাই ফাঁসি চাই ফাঁসি চাই বলিয়া জিহাদের ধ্বনিতে আকাশ বাতাস প্রকম্পিত করিয়া তোলেন। অশ্লীল গালাগালির মোটামুটি বন্যা বয়ে যায়
পত্রিকায় হেড লাইন আসলো, ইসলাম জঙ্গিবাদ সমর্থন করে না। বিশিষ্ট বাম বুদ্ধিজীবী এই বিষয়ে বললেন, এটা পরিষ্কারভাবেই মোসাদের কাজ। এর সাথে মুসলমানদের কোন সম্পর্ক নেই। ইসলাম একটি শান্তির ধর্ম।
বর্তমান সময়ে অনেক বামপন্থীই কিছু বিশেষ বিষয়ে রক্ষণশীল আচরণে গোড়া ডানপন্থীদেরকেও হারিয়ে দেন। তারা আপোষকামী, তারা সমাজের স্রোতের সাথে তাল মিলিয়ে চলতে চান
বেওয়ারিশ বংশের সন্তান মোটাপেট দাবী করিয়া বসিলো, একটি নতুন ধর্ম প্রবর্তনের নির্দেশ পূর্বক তাহার ফেসবুক ইনবক্সে মহামান্য ঈশ্বরের ই-বার্তা আসিয়াছে
এই ঘৃণাবাদী প্রয়াস রীতিমত উন্মাদনা সৃষ্টি করলো। "নাড়ায়ে তকবীর গাছাল্লাহো আকবর" ধ্বনিতে গ্রুপ উপগ্রুপের সদস্যরা একে অপরের উপরে ঝাঁপিয়ে পরতে লাগলো।
রোকেয়া আসলেই একজন বিষ্ময়কর মানুষ, নিঃসন্দেহে বাঙলার শ্রেষ্ট নারীবাদী, এবং আজকের তসলিমার চাইতে তিনি সেই সময়ই কয়েকযুগ এগিয়ে ছিলেন
শুরু করছি পরমকরুণাময়ী সেই মায়ের নামে, যিনি গর্ভে ধারণ করেছেন। আমাদের পরম করুণাময়ী মা।যিনি শিক্ষা দিয়েছেন প্রিয় বাঙলা বর্ণমালা, জন্ম দিয়েছেন মানুষকে, তাকে শিখিয়েছেন পথচলা।নাড়ির গতি তার হিসাবমত চলে।এবং সন্তানের মস্তক যার প্রতি সেজদারত থাকে সর্বদা।
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে অতিরিক্ত সেমিস্টার ফি আদায়ের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। প্রত্যেক ছাত্রকে এখন থেকে প্রতি সেমিস্টারে ২০ থেকে ৩০ হাজার টাকা করে দিতে হবে
অজ্ঞানতা, জানতে না পারার হতাশা, অজ্ঞতা একধরনে হীনমন্যতায় রুপ নিয়েছে এবং ধীরে ধীরে অজ্ঞানতার অন্ধকার একপর্যায়ে ঈশ্বর নামক একটা কল্পনা দিয়ে তারা ভরাট করে দিয়েছে।শুনতে খুব কঠিন শুনালেও এটাই সত্য যে অজ্ঞানতার অন্ধকারের অপর নাম ঈশ্বর।
জবাই করতে গেল স্বপ্ন দেইখা, এতে আল্লায় খুশি হইলো? আল্লারে খুশি করতে মানুষ জবাই করতে গেলে আল্লায় খুশি হয়? আল্লায় যদি খুশি না হইতো, মুসলমানেরা পোলা কোরবানি দিতো?